somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজনীতি
২০০৬ এর ২৮ অক্টোবর ঢাকার রাজপথে হাসিনার দ্বারা লগি বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যার দায়ে শেখ হাসিনার ফাসি চাই।২২৮ অক্টোবর রাজপথে হাসিনার দ্বারা লগি বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যার দায়ে শেখ হাসিনার ফাসি চাই।

দাদাদের দাদাগিরিতে আমরা দাদাদের বলির পাঠা! আর পাঠাদের শায়েস্তা করতেই তো দাদাদের দ্বারা গঠিত মন্ত্রী পরিষদ ও সরকার!

২৫ শে জুন, ২০০৯ সকাল ১০:৩৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বর্তমান বিশেষ সময়ে বাংলাদেশ যখন নানা সংকটের মধ্যে টিকে থাকার সংগ্রামে ব্যস্ত, তখন আমাদের বন্ধুরাষ্ট্র ভারত টিপাইমুখ বাঁধ ও এশিয়ান-হাইওয়ে নিয়ে যেভাবে বাংলাদেশের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে তা খুবই দুঃখজনক। তার চাইতেও দুঃখজনক বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের নতজানু ভূমিকা। এ প্রসঙ্গে গত ২১ জুন বাংলাদশ-ভারত ফ্রেন্ডশীপ সোসাইটির উদ্যোগে ঢাকার একটি পাঁচতারা হোটেলে অনুষ্ঠিত সেমিনারের কথা উল্লেখ করা যায়। �দক্ষিণ এশীয় কানেকটিভিটি : বাংলাদেশ পার্সপেকটিভ' শীর্ষক উক্ত সেমিনারে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি দক্ষিণ এশিয়ার কানেকটিভিটির নামে ভারতকে ট্রানজিট দেয়ার পক্ষে আবারও সাফাই গেয়েছেন। আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী যখন এমন নতজানু ভূমিকায় তখন কিন্তু ভারতের হাইকমিশনার পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তী অবতীর্ণ হলেন আগ্রাসী ভূমিকায়। তিনি দোর্দন্ড প্রতাপে টিপাইমুখ বাঁধের বিরোধিতাকারীদের এবং বিগত চারদলীয় জোট সরকারকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে খুবই খারাপ ভাষায় বক্তব্য রাখলেন। তিনি আমাদের দেশের বিশেষজ্ঞদের �সো কল্ড-এক্সপার্ট বা �তথাকথিত বিশেষজ্ঞ' বলে ব্যঙ্গ করলেন। পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তীর এমন ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের জবাবে সেমিনারে উপস্থিত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি কিন্তু কিছুই বললেন না। টিপাইমুখ বাঁধ, বাংলাদেশের পরিবেশবিদ, পানি বিশেষজ্ঞ এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনারের ধৃষ্টতাপূর্ণ বক্তব্যে স্তম্ভিত হয়েছেন দেশের জনগণ। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নতজানু আচরণে বিস্মিত ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন তারা। ভারতীয় হাইকমিশনারের বক্তব্যকে কূটনৈতিক রীতিনীতি ও শিষ্টাচার পরিপন্থী ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছেন দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, পরিবেশবিদ, পানি বিশেষজ্ঞ, সাংবাদিক, আইনজীবী, কূটনীতিক, বুদ্ধিজীবীসহ বিশিষ্ট নাগরিকরা। পিনাক রঞ্জনের বক্তব্যকে �স্টুপিড-টকিং' হিসাবে উল্লেখ করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তারা বলেন, হাইকমিশনারের কান্ডজ্ঞানহীন ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য ভিয়েনা কনভেনশনের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। পিনাক রঞ্জন একজন অতিথি হয়ে হোস্টকান্ট্রি বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ, পরিবেশবিদ ও বিশেষজ্ঞদের নিয়ে কটাক্ষ ও তুচ্ছ-তাচ্ছিল্যপূর্ণ বক্তব্য দিয়ে ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ করেছেন। তার বক্তব্যে মনে হচ্ছে, ভারত বাংলাদেশকে তাদের আজ্ঞাবহ রাষ্ট্র হিসাবে মনে করছে। যাদের মধ্যে বিন্দুমাত্র দেশপ্রেম আছে তারা কোন অবস্থাতেই এ ধরনের ধৃষ্টতাপূর্ণ বক্তব্য মেনে নিতে পারেন না। বিশিষ্টজনরা আরো মনে করেন, ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্যের জন্য পিনাক রঞ্জনকে অবশ্যই ক্ষমা চাইতে হবে। আর বাংলাদেশের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চাইলে ভারত সরকারের উচিত হবে অবিলম্বে তাকে প্রত্যাহার করে নেয়া। বিশিষ্টজনরা আরো মনে করেন, ডা. দীপু মনির মত নতজানু মন্ত্রীকে দিয়ে একতরফাভাবে ভারতেরই স্বার্থ রক্ষা হবে, বাংলাদেশের নয়। প্রসঙ্গত আমরা এখানে বিশিষ্ট পানি বিশেষজ্ঞ ও আন্তর্জাতিক পরিবেশবিদ ড. আইনুন নিশাতের কথা উল্লেখ করতে পারি। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবী ও পরিবেশবিদদের নিয়ে পিনাক রঞ্জনের বক্তব্য আপত্তিকর। পিনাক রঞ্জনের প্রতি পাল্টা প্রশ্ন করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের পরিবেশবিদ ও গবেষকরা হয়তো না জেনেই টিপাইমুখ বাঁধের বিরোধিতা করছেন, কিন্তু ভারতের পরিবেশবিদরা এর বিরোধিতা করছেন কেন? বাংলাদেশের ভবিষ্যত নিয়ে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা থেকেই পরিবেশবিদ ও বিশেষজ্ঞরা এর বিরোধিতা করছেন। তিনি বলেন, পিনাক রঞ্জন তো একজন আমলা, তিনি পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্যের বিপর্যয়ের কী বুঝবেন? কিউসেক কি জিনিস, এটা তো পিনাক রঞ্জন বোঝেন না। আগেও কয়েকবার পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তী বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞদের নিয়ে আপত্তিকর বক্তব্য দিয়েছেন। এটা কূটনৈতিক শিষ্টাচার পরিপন্থী। আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচিত হচ্ছে, পিনাক রঞ্জনের বক্তব্যের প্রতিবাদ করা। কিন্তু দুর্ভাগ্য হচ্ছে, পিনাক যতবারই এ কথাগুলো বলছেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে সামনে রেখেই বলেছেন। ড. আইনুন নিশাত আরো বলেন, ব্যক্তিগতভাবে আমি যতটুকু পড়াশুনা করেছি তাতে নিশ্চিতভাবে বলতে পারছি, টিপাইমুখ বাঁধ ফারাক্কা বাঁধের চেয়েও ভয়াবহ পরিস্থিতি ডেকে আনবে বাংলাদেশের জন্য। এই উপলব্ধি থেকে আমি টিপাইমুখ বাঁধের বিরোধিতা করছি।
শুধু দেশের বিশিষ্টজনরাই যে পত্র-পত্রিকায় বিবৃতি ও বক্তব্য প্রদানের মাধ্যমে টিপাইমুখ বাঁধের বিরোধিতা করেছেন তা নয়, সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোটের অন্যতম শরীক রাশেদ খান মেনন এমপিও টিপাই বাঁধ নিয়ে সরকারের কঠোর সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, বরাক নদীতে ভারত টিপাইমুখ বাঁধ দিলে বাংলাদেশের সুরমা ও কুশিয়ারা নদী মরে যাবে। সর্বনাশ হয়ে যাবে বাংলাদেশের। কিন্তু এ বিষয়টি সরকার বুঝতে পারছে না। টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের প্রোপাগান্ডার বিরুদ্ধে সরকার জোরালো কোন প্রতিবাদ করছে না, মিউ-মিউ জবাব দিচ্ছে। তিনি সংসদীয় কমিটিতে বিএনপি প্রস্তাবিত বিশেষজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত করারও দাবি জানান। টিপাইমুখ বাঁধের ব্যাপারে এ পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের পক্ষ থেকে দায়িত্বপূর্ণ কোন পদক্ষেপ লক্ষ্য করা না গেলেও বিরোধী দলের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকা জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণে বাংলাদেশের জনগণের উৎকণ্ঠার কথা জানিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং-এর কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। চিঠিতে তিনি দুই দেশের অভিন্ন নদী বরাকের টিপাইমুখে বাঁধ নির্মাণ না করার জন্য মনমোহন সিংকে অনুরোধ করেছেন। বিএনপির দফতর সম্পাদক রুহুল কবীর রিজভী আহমদ বলেন, আমরা বিরোধী দলের পক্ষ থেকে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিকভাবে টিপাইমুখ বাঁধের বিরুদ্ধে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছি। সেই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকেও ভারতের ঐ বাঁধ নির্মাণের প্রতিবাদে আন্দোলন গড়ে তুলবো। এখানে আরো উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও কূটনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত আচরণের জন্য বিএনপি ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ভারতীয় হাইকমিশনার পিনাক রঞ্জনের প্রত্যাহার দাবি করেছেন। তারা নতজানু অযোগ্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডাঃ দীপু মনির পদত্যাগও চেয়েছেন।
আমাদের সমস্যা তো এক দীপু মনি নয়, মন্ত্রী বাহাদুরদের তৎপরতায় আমাদের সংকট হ্রাসের বদলে বরং গভীর হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে আর এক চ্যাম্পিয়ন হলেন বাণিজ্যমন্ত্রী ফারুক খান। সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বিডিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মইনুল ইসলামের সাথে এক বৈঠক শেষে ফারুক খান সাংবাদিকদের বলেন, ভারত আমাদের ভালো বন্ধু এবং বিএসএফও ভালো আচরণ করছে আমাদের সাথে। ভারতের বন্ধুত্ব তো আমরা চাই কিন্তু প্রশ্ন হলো তিনি এভাবে সার্টিফিকেট দিতে গেলেন কেন? ভারত কি তার কাছে এমন কোন সার্টিফিকেট চেয়েছে? আসলে কে কার বন্ধু, সে কথা প্রমাণে সার্টিফিকেটের প্রয়োজন হয় না, আচরণই যথেষ্ট। ভারত আমাদের কতটা বন্ধু, কী ধরনের বন্ধু তা বাংলাদেশের জনগণ ফারুক খানের কথায় বিবেচনা করবে না, বিষয়টি নিরূপিত হবে ভারতের আচরণের নিরিখেই। ফারাক্কা বাঁধের সীমাহীন ক্ষতির পর ভারত যদি আবার শক্তির দাপট দেখিয়ে টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের আগ্রাসন চালায়, এশিয়ান হাইওয়ের নামে করিডোর লাভের অপপ্রয়াস চালায় এবং প্রায় প্রতিদিন সীমান্তে পাখির মত গুলী করে বাংলাদেশীদের হত্যা করে- তাহলে এমন আচরণকে জনগণ কি নামে অভিহিত করবে? নিশ্চয়ই জনগণ ফারুক খানের ভাষায় বলবে না যে, ভারত আমাদের ভালো বন্ধু এবং বিএসএফও ভালো আচরণ করছে। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ আমাদের সাথে কেমন আচরণ করছে তার একটা চিত্র পাওয়া যায় মানবাধিকার সংগঠন �অধিকার'-এর রিপোর্টে। অধিকার-এর হিসাব অনুযায়ী এ বছরের পয়লা জানুয়ারি থেকে ৩১ মে পর্যন্ত বিএসএফ ৪৪ জন বাংলাদেশীকে হত্যা করেছে, গুলী চালিয়ে আহত করেছে আরো ৪৮ জনকে। অপহরণ করেছে ৯ জনকে। লুণ্ঠন ও পুশইনের বেশ কিছু ঘটনাও ঘটিয়েছে বিএসএফ। এই যদি হয় বন্ধুত্বের উদাহরণ, তাহলে শত্রুর আর প্রয়োজন আছে কী?
আসলে হাইকমিশনার পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তীর মাধ্যমে বর্তমানে ভারত বাংলাদেশের কাছে আচরণের যেসব উদাহরণ পেশ করছে তাতে বন্ধুত্বের বার্তা নেই, আছে আগ্রাসনের আস্ফালন। আর আমাদের নতজানু মন্ত্রীদের মিউ-মিউ আওয়াজে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে যেন লেন্দুপ-দর্জিদের কণ্ঠস্বর। যে মন্ত্রীরা দেশের স্বার্থ রক্ষায় নির্বিকার এবং বন্ধু রাষ্ট্রের কাছে ন্যায্য অধিকারের কথা উচ্চারণ করার সাহসও রাখে না- দেশের শাসন ক্ষমতায় তাদের কোন প্রয়োজন আছে কী? জাতির বর্তমান সংকট মুহূর্তে শুধু এই প্রশ্ন তোলাই যথেষ্ট নয়, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও নদী রক্ষার আন্দোলনে এখন ঐক্যবদ্ধ হতে হবে জাতিকে। পিনাক বাবুর ঔদ্ধত্যের জবাব প্রদানে যেভাবে এগিয়ে এসেছেন দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, পরিবেশবিদ, পানি বিশেষজ্ঞ, সাংবাদিক, আইনজীবী, কূটনীতিক, বুদ্ধিজীবী ও রাজনীতিবিদ- তাতে জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে সংগ্রাম করার প্রেরণা পেয়েছে। আমরা আশা করবো সরকার জনগণের মনোভাবকে গুরুত্ব দিয়ে নিজেদের সংশোধনে প্রয়াসী হবে। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার আলোকে সরকার যদি দেশের স্বার্থ রক্ষায় এগিয়ে আসে তাহলে তার পরিণতি যে কখনো শুভ হয় না তাও উপলব্ধি করতে হবে সরকারকে। জাতির এই সংকটজনক সময়ে আমরা সরকারকে বলির পাঠার সহকারী নয় জনগনের পাশে আস্থার ছায়ায় দেখতে চাই। আসুন দেশকে এই মরুময়তা, গ্যাস পাচারের ষড়যন্ত্র, কয়লা বিক্রির অভিলাষ, করিডোর দিয়ে দেশের ন্বাধীনতাকে সরাসরি হুমকি, তথাপি দেশ রক্ষার জন্য সচেতন ভাবে কাজ করি।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জুন, ২০০৯ সকাল ১০:৫৭
৪টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিলিয়নিয়ার রবিন খুদা ও আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ০৯ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় কী?

কর্মসংস্থান? না।

বিনিয়োগ? না।

ডলার সংকট? না।

গার্মেন্টস খাতে ছাঁটাই? না।

ব্যাংকিং খাতের আস্থা সংকট? না।

সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— কোনো অনুষ্ঠানে জুলাই চেতনা কত মিলিলিটার ঢুকেছে, কে কতবার উচ্চারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×