শেখ হাসিনা এক হাজার কোটি টাকার মালিক!
আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা দেশের শীর্ষ ধনীদের অন্যতম। তিনি এক হাজার কোটি টাকার মালিক। এ টাকার সামান্য অংশ দেশে। বাকি অর্থ জমা রাখা হয়েছে আমেরিকা ও বৃটেনের বিভিন্ন ব্যাংকে। ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল ও বোন শেখ রেহানার নামে বিদেশী ব্যাংকে এসব টাকা জমা রাখা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে গণভবনে বসে তিনি উৎকোচ গ্রহণ করতেন। বিভিন্ন কাজে তার উৎকোচের পরিমাণ ছিল নির্ধারিত। উৎকোচ নিয়ে দর কষাকষি করলেই তিনি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে প্রকল্প থেকে মাইনাস করতেন।
এককোটি টাকার ওজন ২৭ কেজি!
পাঁচশ’ টাকার নোটে এক কোটি টাকার ওজন সাড়ে ২৭ কেজি। শেখ হাসিনা নিজেই এক ঘর থেকে অন্য ঘরে ওই টাকা বহন করতেন। জিজ্ঞাসাবাদে গোয়েন্দারা আরো জানতে পেরেছে, শেখ হাসিনা অত্যন্ত বুদ্ধিমান। অনেক ঘটনারই তিনি কোনো প্রমাণ রাখতেন না। চেকের মাধ্যমে টাকা নিলে সমস্যা হতে পারে বলে তিনি ব্যাগ, বস্তা কিংবা সুটকেসে করে টাকা দিতে বলতেন। তাকে ওভাবেই টাকা দিতে হতো। ক্ষমতা ছেড়ে দেয়ার পর তিনি সুধাসদনে বসে টাকা গ্রহণ করতেন।
ক্ষমতার লোভে হাসিনা ঘর সংসার থেকে দূরে সরে যান!
ওয়াজেদ মিয়া ঘুষ নেয়া পছন্দ করতেন না। তিনি বেশ কয়েকবার হাসিনাকে হুঁশিয়ার করে দেন। ঘর ভাঙলে রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ধ্বংস হয়ে যাবে ভেবে ওয়াজেদের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখছেন শেখ হাসিনা। আবদুল জলিল বলেছেন, ওয়াজেদ মিয়ার মাথা গরম। তিনি অন্যায় সহ্য করতে পারতেন না। মাঝে মাঝে কেমন জানি হয়ে যান। শেখ হাসিনাকে তিনি একজন সাধারণ স্ত্রীর মতো করেই চেয়েছিলেন। কিন্তু রাজনীতিতে আসার পর শেখ হাসিনা বদলে যেতে থাকেন। ক্ষমতার লোভে তিনি ঘর সংসার থেকে দূরে সরে যান।
হাসিনা-ওয়াজেদ এক ঘরে ঘুমান না!
স্বামী হলেও ওয়াজেদ মিয়া শেখ হাসিনার অবহেলার মানুষ। শেখ সেলিম শেখ হাসিনার অশান্ত পারিবারিক জীবনের উপাখ্যান প্রকাশ করে জানান, স্বামী-স্ত্রী বেশ কয়েক বছর ধরে এক ঘরে ঘুমান না। এক টেবিলে খেতেও বসেন না।
অতি লোভে গনভবন দখল!
জনাব জলিল ও শেখ সেলিম আরো জানান, ১৯৯৬ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরই শেখ হাসিনা বদলে যান। তিনি এতটাই লোভী হয়ে ওঠেন যে, গণভবন পর্যন্ত দখল করে নেন। তাকে নিজের নামে গণভবন লিখে নিতে বারণ করা হলেও তিনি কথা শোনেননি। তিনি ভেবেছিলেন, বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট মতায় আসতে পারবে না। আবার তিনিই প্রধানমন্ত্রী হবেন। এ কারণে তার ভেতরে কোনো ভয় কাজ করেনি। আর এ অতি আত্মবিশ্বাসই তার পতন ডেকে এনেছে।
আমার ভাগ কোথায়?
জলিল আরো বলেন, আওয়ামী লীগ আমলে প্রতিটি ব্যাংকের অনুমোদন দেয়ার জন্য শেখ হাসিনাকে ৩ কোটি করে টাকা দিতে হতো। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মঞ্জুর এলাহি এক্সিম ব্যাংকের অনুমোদনের জন্য শেখ হাসিনাকে ৩ কোটি টাকা উৎকোচ দিয়েছিলেন। ছোট বোন শেখ রেহানার ঘনিষ্ঠ ডা. এইচবিএম ইকবালকেও ব্যাংকের অনুমোদন নিতে টাকা দিতে হয়েছে। ওই সময়ের সব নতুন ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও পরিচালক মিলে তাকে টাকা দিতেন। শুধু টাকা দেননি ব্র্র্যাকের কর্ণধার ফজলে হোসান আবেদ। ব্র্যাক ব্যাংকের অনুমোদন পাবার পর জনাব আবেদের সঙ্গে হাসিনার দেখা হয়েছিল। তখন হাসিনা হাসতে হাসতে তাকে বলেছিলেন, আমার ভাগ কোথায়?
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জুন, ২০০৭ রাত ২:২৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



