৯৫ সালে বিএনপি সরকার সাবমেরিন ক্যাবল এবং তথ্য-প্রযুক্তি মহাসড়কের সুবিধা না নিয়ে যে চরম ক্ষতি আমাদের করেছিলো তখন থেকেই মুলতঃ আমার চিন্তা ভাবনা উল্টে গিয়েছিলো। একটি রক্ষনশীল বিএনপি-জামাত ঘেষা পরিবারে বেড়ে উঠার ফলে যে সকল বদ্ধমুল ধারনা আমার ছিলো শেখ মুজিব, জিয়া, খালেদা ও হাসিনার ব্যাপারে সেগুলোকে আমি পুনঃপাঠ করলাম ইতিহাস ও বর্তমানের আলোকে। অবাক হয়ে দেখলাম যে উন্নয়ন, গনতন্ত্র আর দেশ গড়ার রাজনীতির জাবর কেটে মুখে ফেনা উঠিয়ে ফেলা এই বিএনপি আসলে সবসময় আমাদের দেশকে পরনির্ভরশীল বানিয়ে পশ্চাদপদ বানিয়ে রাখার কাজ চরম নিষ্ঠার সাথে করে গেছে।
বিশেষ করে তথ্যপাচারের অজুহাত তুলে সময় মত সাবমেরিন কেবল না নেয়াটা ছিলো শুধুমাত্র প্রতিবেশী দেশ ভারতকে এই ফিল্ডে এগিয়ে গিয়ে আধিপত্য প্রতিষ্ঠার সুযোগ করে দেয়া। এরা এভাবে দেশের স্বার্থকে বিকিয়ে দিয়েছিলো যার ফল আমরা যারা আইটি ফিল্ডে কাজ করি টের পাচ্ছি হাড়ে হাড়ে। যেখানেই যাই ইন্ডিয়ানদের একছত্র আধিপত্য দেখি আর মনে মনে খালেদার চৌদ্দগুষ্ঠি উদ্ধার করি। ভাবি যে সুন্দর চেহারার আড়ালে কতটা বিষাক্ত আর ক্ষতিকর এই মহিলা আর তার সাংগপাংগরা। বাংলাদেশী আইটি প্রফেশনাল হিসাবে আমি ৯৫ এর ঘটনাকে আমাদের তরুন প্রজন্মের সাথে মোনাফেকি আর মীরজাফরী হিসাবেই দেখি।এখনো জিজ্ঞাসা করি যে কেন এই কাজটা তারা সেদিন করেছিলো? কোনদিন ক্ষমা করবো না এই ব্যাপারটা।
আওয়ামী লীগ সরকার এবার ডিজিটাল বাংলাদেশের শ্লোগান দিয়ে ক্ষমতায় এসেছে। আমি চরম আগ্রহ নিয়ে তাকিয়ে আছি দেখার জন্য আসলে তারা কি করতে চায়। শুনেছি যে সজিব ওয়াজেদ জয়ের (যে নিজেও একজন কম্পিউটার প্রকৌশলী) এই ব্যাপারে ভুমিকা আছে। দেশের তথ্য প্রযুক্তি খাত বিকাশে এরা কি পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে আসে তা জানা ও বোঝার চেষ্টা করছি। নতুন যে তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী কি যেন নাম, তার সম্পর্কে ডিটেইল জানতে চাই। যদি বুঝতে পারি এরা আসলেই আন্তরিকভাবে চেষ্টা করবে তা হলে আমরাও দেশের বাইরে থেকে বিভিন্ন সুযোগ ও উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে আসবো ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




