আমার প্রিয় পোস্ট
- ঘরে বসেই 3D মুভি উপভোগ করতে চান? বেশি না লাগবে একটা মনিটর আর নিজের বানানো চশমা!!

- হাসান জোবায়ের
- ও মোর রমজানের ঐ বয়স শেষে এল জন্মদিন - বিষাক্ত মানুষ
- শুভ জন্মদিন মানুষ - আউলা
- চটাশ... - দ্বিধা
- ছোটগল্প : যখন একুশ শতকের আকাশে ফুটছিলো ফসফরাস ফুল, সভ্য কুকুরটি তখন নিহত হয়েছিল - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- ফ্রেন্ঞ্চ খোঁপায় শ্বাসরুদ্ধ চুলের জোছনা - নম্রতা
- হলুদ দেয়ালের টিকটিকি - নাজনীন খলিল
- ছুটি - আশরাফ মাহমুদ
- গল্প : অপেক্ষা - একরামুল হক শামীম
- মানুষ - সবাক
- আমার বামহাতটা কব্জির নীচ থেকে উড়ে গিয়েছিলো ............... - হনলুলু
- কব্জিতে শুধুই শেকলের দাগ ----- - বিষাক্ত মানুষ
- (প্রিয় কবিতা-১/মহাদেব সাহা) মানুষের বুকে এতো দীর্ঘশ্বাস - তানজু রাহমান
- অন্তর্দহন অতঃপর ...................... (গল্প) - রন্টি চৌধুরী
- কাজলাদিদি .............. উতসর্গ আউলাদি - হনলুলু
- উৎসর্গ: আউলা - চানাচুর
- কি সখী ডরাইলা! - রাশেদ
- একাত্তরের গণহত্যা ও নারী নির্যাতনঃ কিছু সাক্ষীর বয়ান - রাশেদ
- আমারেই পাবে তুমি ইহাদের ভীড়ে
(উৎসর্গ: প্রিয় ব্লগার মানুষকে) - মুকুল
- টুকুনের জন্য । - নরাধম
- মুক্তি - আউলা
- লাল গাড়ি আর লাল বালিকার গল্প - নিধিরাম সর্দার
- সেই সব মা জননীদের আমাদের প্রনাম - ইরতেজা
- ক্লান্তিকর পরবাস ; তোমার কাছে ফেরার নিস্ফল রোদন ! - আহমেদ শারফুদ্দীন
- বিশ্বাস করো , আজ তোমাকেই চাইতাম - রাগ ইমন
- একটা ব্লগ লিখেই ফেলি সমাজ বদলের (ব্লগ লিখলেই সমাজ বদল হয় না):২ - উদাসী স্বপ্ন
- একটি মৃত্যু আর আমার যত আক্ষেপ - ডাক্তার আইজউদ্দিন
- কথা দাও - কালপুরুষ
- পথ আগলে থাকা কোন এক নারীকে (সূফীর কবিতাঞ্জাল) - সূফি
- প্রুফ রিডার - ফয়সল
যখন পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন এই বাঁটে (কাহিনী তিন)
০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৫৮
কবি বলিয়াছেন, পথ হারা পাখী কেঁদে মরে একা। শৈশব এবং বাল্যকালে উক্ত বাণী সঙ্গীত রুপে বহুবার শ্রবন করিয়াছি কিন্তু কোন পরিস্থিতীর সম্মুখীন হইয়া কবি উক্ত কাব্য রচনা করিবার প্রয়াস পাইয়াছিলেন তাহা তৎকালে বুঝিতে পারি নাই। জীবনে উক্ত সঙ্গীতের মর্ম প্রথম উপলব্ধি করিয়াছিলাম গ্রামের বাড়ি ভ্রমণকালে। আমার গ্রামের বাড়ি যাইবার একমাত্র সহজ পথ হইতেছে রেল গাড়ী, উহা সহযোগে ভ্রমণ করিলে যে স্থানে নামিতে হয় সেখান হইতে আরো মাইল তিনেক পদব্রজে হন্টন করিলে তবে বাড়ির দেখা মিলে। একদা গ্রামের বাড়ি গিয়াছিলাম ভ্রমণ উদ্দেশ্যে। বঙ্গ দেশের রেলগাড়ীর সময় জ্ঞান সম্পর্কিত সাম্যক ধারণা বোধ করি সকলেরই আছে। ষ্টেসনে গিয়া পৌঁছানোর কথা ছিল বেলা বারোটায় আর গিয়া পৌঁছাইলাম রাত আটটায়। চারিদিক শুনশান নিঝঝুম। ষ্টেশনে অবস্থানরত দুই চারিটি প্রাণী স্বীয় বাটিতে ফিরিবার তোড়জোড় চালাইতেছে। প্রায় বছর খানেক পর এদিক পানে আসিয়াছি বিধায় পথ ঘাট ঠিক মতো ঠাহর করিতে পারিতেছি না। জনৈক ব্যক্তিকে ঠিকানা সুধায়লে সে যেদিক পানে আঙ্গুলি নির্দেশ করিলে সেটি দিগন্ত পর্যন্ত বিস্তৃত সরিষা ক্ষেত। উহার মধ্য দিয়া সংকীর্ণ আল-পথ ধরিয়া হণ্টন করিলে নাকি সহজেই শর্টকাট মারিয়া লক্ষ্যে পৌঁছাইতে সক্ষম হইব। সৃষ্টিকর্তার নাম স্মরণ করিয়া হন্টন শুরু করিলাম। হালকা কুয়াশা রহিয়াছে ঠিকই কিন্তু তাহা রুপালি চাঁদের আলোর সৌন্দর্য কে ম্লান করে নাই। রুপালি চাঁদের আলো আর হলদে সরিষা ফুল মিলাইয়া যে অপরুপ দৃশ্যের অবতারনা করিয়াছে তাহা অবলোকন করিয়া মর্মে কিঞ্চিত ভাবেরও উদয় হইল। আমি কবি নহি, কবি হইলে উক্ত স্থলে নির্ঘাত নোবেল প্রাইজ পাইবার যোগ্য এক খানা কাব্য রচনা করিয়া ফেলিতাম। স্নান ঘরে কিঞ্চিত সঙ্গীত সাধনার অভ্যাস রহিয়াছে, তাহা ছাড়া আসে পাশে কোন প্রকার দ্বিপদ প্রাণী দেখিতেছি না যাহারা আমার সঙ্গীত সাধনায় বিপদের কারণ হইতে পারে। সূতরাং ভাবের অতিসজ্যে এক খানা সঙ্গীত পরিবেশন শুরু করিলাম। সূর যখন সপ্তমে চড়িয়াছে ঠিক সেই কালে কোথা হইতে এক খানা শৃগাল ডাকিয়া উঠিল। বোধ করি আমার সঙ্গীত শুনিয়া আমাকে উহার স্বগোত্রীয় ভাবিয়াছে। প্রথম শৃগালের সঙ্গীত শেষ হইতে না হইতেই আশে পাশে অবস্থানরত সকল শৃগাল কোরাসে সঙ্গীত সাধনা শুরু করিল। যাহারা পুস্তক পড়িয়াছে শৃগালের ডাক হুক্কা হুয়া, তাহারা যে কিরুপ ভুল ধারণা অন্তরে লইয়া ধরাধামে বিচরণ করিতেছে, আদি এবং আসল শৃগাল সঙ্গীত শ্রবণ না করা পর্যন্ত উহারা তাহা উপলব্ধি করিতে পারিবে না। রক্ত হিম করা সঙ্গীত শুনিয়া মর্মের সকল ভাব কর্পূরের মতো উবিয়া গেল। ম্যারাথন দৌড়বিদ দের দৌড় বোধ করি অনেকে দেখিয়া থাকিবেন, তাহারা না হাঁটে না দৌড়ায়। হন্টন এবং দৌড়ের মাঝামাঝি পর্যায়ে কোমর দুলাইয়া যাহা করা হয় উহার নাম কোন অভিধানে পাই নাই। আমার হন্টন প্রক্রিয়া তখন ঐরুপ হইয়াছে। ইতমধ্যে উপলব্ধি করিলাম আমি একই পথে বিচরণ করিতেছি। সংকীর্ন আল-পথ কোথা হইতে কোথায় গিয়াছে আর আমি কোন পথে যাবো সব তালগোল পাকাইয়া একেবারে লেজে গোবরে অবস্থা। এদিকে হতচ্ছাড়া শৃগালেরা মজা পাইয়া ক্রমাগত ডাকিয়া যাইতেছে। নবাব সিরাজ উদ্দৌলা সিনেমার একটা বিখ্যাত ডায়লগ মনে আসিল, “উপায় নাই গোলাম হোসেন।” আমিও নিরুপায় হইয়া আল -পথ ছাড়িয়া সোজা সরিষা ক্ষেতে নামিয়া গেলাম। উদ্দেশ্য সরল; বাঁকা পথে চলিয়া আর কাজ নাই সোজা পথে চলিব তাহা হইলে যদি এ যাত্রা প্রাণ লইয়া ঘরের ছেলে ঘরে ফিরিতে পারি। চক্ষে সর্ষে ফুল দেখিতে দেখিতে আর সারা শরীরে হলদে রেণু মাখিয়া হলুদিয়া পাখী রুপে যখন বাটিতে প্রবেশ করিলাম, শুনিতে পাইলাম রেডিওতে বাজিতেছে, পথহারা পাখী কেঁদে মরে একা...। এতক্ষনে বুঝিলাম, কবি কেন উহা রচনা করিয়াছিলেন।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:৪৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
রোবোট বলেছেন:
আমিরুজ্জামান্
লেখক বলেছেন: ভাই আপনের পায়ে পড়ি, এই নাম দিয়েন না ![]()
লেখক বলেছেন: মাথাইয় আসে নাই এতো দিন ![]()
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: থ্যাংকু থ্যাংকু ![]()
লেখক বলেছেন: বিষুরে থ্যাংকু ![]()
লেখক বলেছেন: 
রাশেদ বলেছেন:
বুঝি নাই। পরে আরেকবার পড়ুম।
লেখক বলেছেন:
কয় কি!
লেখক বলেছেন: ভাল আছি। তুমি কেমন আছো খুকী?
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
বঙ্কিমিয় সাহিত্য পড়িতে বড়ই কষ্ট লাভ করিলাম, তথাপি প্রিত হইয়াছি।
লেখক বলেছেন: কষ্ট করিয়া পড়িবার নিমিত্তে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপিত হইল
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
হুমমম পড়লাম!আর সেদিনে তোমার অবষ্থা অনুধাবনের ব্যার্থ চেষ্টা করলাম!
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য থ্যাংকু ![]()
নিবিড় অভ্র বলেছেন:
আপনার জন্য সমবেদনা...... এই অবস্হাটা সত্যিই ভয়ংকর!!! তবে পোস্ট খুবই মজার হয়েছে.......
লেখক বলেছেন: থ্যাংকু। অবস্থা আসলে অতো খারাপ ছিল না। একটু রঙ টং না দিলে পাবলিক খায় না।
মিঞা ভাই বলেছেন:
daat vanga likha
লেখক বলেছেন: দাঁত তোলার পয়সা দিয়া যান
কঁাকন বলেছেন:
হুমম
লেখক বলেছেন: এইখানে হুমানো নিষেধ হুম
লেখক বলেছেন: তুমার স্বল্প দৈর্ঘ মগজে এই পূর্ণ দৈর্ঘ আবজাব যে ঢুকছে এই জন্য আমি ধইন্য
রাশেদ বলেছেন:
হা হা! যাই। ক্যাসিনো রয়াল দেখি।
লেখক বলেছেন: ক্যাসিনো রয়েল দেখছি। তবে নতুন এই বন্ডরে আমার মোটেও পছন্দ হয় নাই
লেখক বলেছেন: হ। আমাগো বাংলাদেশে সোহেল রানা একবার মাসুদ রানার পার্ট করছিলো। এরপরে নোবেল একবার আইসা একটা নাটক করল। তারপর আর কোন খবর নাই ![]()
লেখক বলেছেন: হুম, জীবনের পথে ম্যারাথন দৌড় দৌড়াচ্ছি
রোবোট বলেছেন:
মানুষের আমিরুজ্জামান ভালো লাগে নাই। তাইলে নেক্সট পোস্টে চিকন মিয়া (মাইনাচ) দেয়া হইবেক।
লেখক বলেছেন: ভাল লাগে নাই
। আমি অতিব আন্তরকভাবে দুস্কিত
লেখক বলেছেন: সমবেদনার জন্য ধন্যবাদ। ভালই আছি। আপনার কি খবর?
লেখক বলেছেন: আপনিও অতিশয়ত ভাল পুলা খালি একটু পিঁয়াজ খান
রাশেদ বলেছেন:
ওহে! কোবতে লেখার বদভ্যাসটা ছাড়ো অচেনা মানুষের ফটুকে! আজকে একটা আবিষ্কার করলাম! লেখক বলেছেন: কি করিব, কোবতে যে মম মজ্জায় প্রথিত 
রাশেদ বলেছেন:
আবার কোবতে!
লেখক বলেছেন: দুইটার বেশীতো আর ভাঙা সম্ভব না বাহে
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
পরের পর্ব কৈ !!
লেখক বলেছেন: আসিতেছে
আসিফ আহমেদ বলেছেন:
বোধ করি আমার সঙ্গীত শুনিয়া আমাকে উহার সঙ্গী রুপে গ্রহণ করিয়া লইয়াছে। হে হে......... পথহারা শৃগাল সন্গী
লেখক বলেছেন: ঘুটে পোড়ে আর গোবর হাসে
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
তোমার কপাল ভাল যে শৃগালগুলো শুধু গলা সাধিয়াই ক্ষ্যান্ত দিয়াছিল...যদি তোমার আগু-পিছু উহারা প্রদক্ষিণ করিত...তবে ভাবিয়া দেখো তখন "আত্মারাম" কোন বাটিতে গমন করিত...!!!!
লেখক বলেছেন: কই আবার, পরপারে
মেঘাচ্ছন্ন বলেছেন:
লিখেন কেমনে এভাবে...!! ভালো লাগলো অনেএএক.....।।তবে মনে একটা প্রশ্ন উদয় হইলো, আপনার মাতা কি বাংলা টিচার ছিলেন ???
লেখক বলেছেন: কী বোর্ডে টাইপ করি আর কেমনে লিখব?
আমার মাতৃদেবী প্রাইমারী স্কুলে বাচ্চাদের অ হইতে ঁ পর্যন্ত সব পড়ায়।
মাহফুজ ইসলাম বলেছেন:
@ "উদ্দেশ্য সরল; বাঁকা পথে চলিয়া আর কাজ নাই সোজা পথে চলিব"এখনুও বাড়িতে গেলে মাঝে মধ্যে আমাকেও ওই কাজ করতে হয়।
কি দরকার বলেন, ভাল ছেলে তাই তো সোজা পথে চলি।
আমিই জিনিয়া বলেছেন:
প্লাস।অনেক দিন হল নতুন পোস্ট দিচ্ছেন না।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




















