প্রিয় দেশবাসী,
সর্বজন বিদিত চিরসত্য যে, নারী-পুরুষ তথা সমগ্র মানব জাতির স্রষ্টা আল্লাহ তায়া'লা। আর তাঁর হাতেই নিহিত সমগ্র মানব জাতির কল্যাণ। সে মহান সত্ত্বার হুকুম লংঘণ করে, তাঁকে অসন্তুষ্ট করে মানব জাতির কল্যাণ সাধন আকাশ কুসুম কল্পনা ছাড়া কিছুই নয়। নারী জাতির সার্বিক কল্যাণ ও উন্নয়নের মহান উদ্দেশ্য মাথায় রেখে কুরআন-সুন্নাহর অসংখ্য হুকুম লংঘণ করে বিগত ৭ই এপ্রিল ২০১১ মন্ত্রী পরিষদের বৈঠকে অনুমোদন করা হয়েছে জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি ২০১১। এর বিভিন্ন ধারা উপধারার উপর দেশের বরেণ্য উলামায়ে কিরামের কঠোর প্রতিবাদের মুখে সরকার উক্ত কথিত উন্নয়ন নীতি বাতিল না করে চোখ বন্ধ করে বলতে থাকে যে, এ উন্নয়ন নীতিতে কুরআন-সুন্নাহ পরিপন্থী কোন কিছু নেই। এ অপপ্রচারে অনেক সরলমনা মানুষই বিভ্রান্তির শিকার হয়। জাতিকে এই ক্রান্তি লগ্নে সত্যের সন্ধান দিতে চিরা-চরিত নিয়মে এগিয়ে এল জেলা ইমাম পরিষদ। উক্ত উন্নয়ন নীতি নিয়ে ইমাম পরিষদের বিশ্লেষণধর্মী মতামত নিম্নে প্রদত্ত হল-
জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি ২০১১ তৈরীর প্রেক্ষাপট: পাশ্চাত্য ধ্যান-ধারণার আলোকে নারীর স্বাধীনতা ও সমঅধিকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১৯৭৯ খ্রি: তৈরী করা হয় নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ সনদ সিডও। যা নারী পুরুষের অবাধ মেলা-মেশার সব ধরণের বৈধতার সনদ। অনেক মুসলিম দেশ উক্ত সনদে স্বাক্ষর না করলেও বাংলাদেশ সরকার উহার ২-৩-৯-১৩ এবং ১৬নং ধারা বাদে অবশিষ্ট সনদে স্বাক্ষর করেন। উলামায়ে কিরামের আপত্তি ব্যতীতই সরকার যখন উক্ত ধারাগুলির উপর আপত্তি দিয়ে থাকে তাহলে সে ধারাগুলি কেমন তা পাঠকগণই বুঝবেন আশা করি। উক্ত ধারাসমূহের ২নং ধারার মাধ্যমে সরকার অঙ্গীকার করেছে যে, নারীর ব্যাপারে সব ধরনের বৈষম্যের প্রতি নিন্দা জানিয়ে তা বিলোপ করতে প্রয়োজনীয় আইন তৈরী করবে এবং সমঅধিকারের নিশ্চয়তা দিয়ে নতুন করে সংবিধান তৈরী করবে। বিদ্যমান জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি ২০১১ এর ১৭.২ ধারায় কোন ধারা বাদ দেয়া ব্যতীত সিডও বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের কথা বলেছে যা এই নারী উন্নয়ন নীতি ২০১১ তৈরীর মূল উদ্দেশ্য।
১।জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি-২০১১ এর ৩-৪-১৬.৮-১৬.১১-১৭.২-১৭.৪-১৭.৬-১৮.২-২১.১১-২৩.৭ এবং ৩১.৩ নং ধারায় নারী পুরুষ বৈষম্য দুরীকরণের কথা বলা হয়েছে। অথচ এটা অনেক ক্ষেত্রেই কুরআন-সুন্নাহ পরিপন্থী। কারণ কিছু ক্ষেত্রে বৈষম্য দুরীকরণ অসম্ভব, যেনম- দৈহিক গঠন, আকৃতিগত বৈষম্য্, সৃষ্টিগত স্বভাব-চরিত্রের বৈষম্য ইত্যাদি। আর কিছু ক্ষেত্রে বৈষম্য দুরীকরণ অবৈধ। যেমন- পুরুষের জন্য রয়েছে পৃথিবীর যে কোন দেশে ভ্রমন করার বৈধতা, অথচ নারীকে আপন অভিভাবক ব্যতীত দুরের পথে ভ্রমন করতে রসুল(স: ) নিষেধ করেছেন (মিশকাত শরীফ-২২৯ পৃ: ) আর কিছু ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের বৈষম্য দুরীকরণ নারীর জন্য ক্ষতিকর। যেমন- নারী পুরুষের বিবাহ বন্ধনে পুরুষের প্রতি নির্দেশ আছে মহর দিতে (সুরা নিসা, আয়াত ২৪) অথচ নারীকে কোন অর্থ প্রদান করতে নির্দেশ দেয়া হয়নি। এ ক্ষেত্রে বৈষম্য দুর করা হলে নারী ক্ষতিগ্রস্থ হবে।
সুতরাং সর্বক্ষেত্রে নারী পুরুষের সমতা বিধান হয়তো সম্ভব নয় কিংবা বৈধ নয় অথবা নারীর জন্য কল্যাণকর নয়।
২। নারী উন্নয়ন নীতি ২০১১ এর ১০নং ধারায় নারীর প্রশাসনিক ক্ষমতায়ন, সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর্যায়ে নারীর অন্তর্ভুক্তি এবং সরকারের নীতি নির্ধারনী পর্যায়ে অধিক হারে নারীদের অংশ গ্রহণকে ইতিবাচক বলে প্রশংসা করা হয়েছে। এটা কুরআন-সুন্নাহ পরিপন্থী এবং নিন্দনীয়, কেননা আল্লাহ তা'য়ালা পুরুষদেরকে নারীদের উপর কর্তৃত্ব দান করেছেন (সুরা নিসা, আয়াত-৩৪, মিশকাত শরীফ ২৮২ পৃ: )। নারী পুরুষ একের প্রতি অন্যের অধিকার রয়েচে, তবে নারীর প্রতি পুরুষের অধিকার বেশি (সুরা বাকারা, আয়াত-২২৮। নারীদের হাতে জাতির ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব বর্তালে রসুল(স: ) মানুষের বেঁচে থাকার চেয়ে মরে যাওয়াকে উত্তম বলেছেন (তিরমিযী শরীফ, ২য় খন্ড ৫২পৃ: )।
নারীদের হাতে যারা ক্ষমতা অর্পন করে তারা কোন দিন সফলতার মুখ দেখবে না বলে রসুল ঘোষণা দিয়েছেন, বুখারী শরীফ-৬৩৭পৃ: । পুরুষের অনুগত থাকা নারীকে উত্তম নারী বলে প্রশংসা করা হয়েছে, সুরা নিসা, আয়াত-৩৪।
মোট কথা প্রশাসন এবং রাস্ট্রীয় দায়িত্বের কোন কোন ক্ষেত্রে শর্তসাপেক্ষে নারীদের অংশগ্রহণ বৈধ থাকলেও নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে তাদের ব্যাপক উপস্থিতি অবৈধ, জাতির জন্য ধ্বংসাত্মক এবং নিন্দনীয়।
৩। জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি ২০১১ এর ১৭.৯ ধারায় উল্লেখ আছে যে, পিতা-মাতা উভয়ের পরিচয় সন্তানের পরিচিতির ব্যবস্থা করা। এ ধারাটি কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী, কারণ কুরআনে বলা হয়েছে তোমরা তাদেরকে তাদের পিতৃ পরিচয়ে ডাকো, এটাই আল্লাহর নিকট ন্যায় সঙ্গত (সুরা আহজাব, আয়াত- ৫)। রসুল (স: ) সন্তানের পরিচয়ের নিমিত্তে বলেছেন স্ত্রী যার সন্তান তার (বুখারী শরীফ ৬১৬পৃ: )। কিয়ামতের দিনও মানুষকে ডাকা হবে তার পিতৃ পরিচয়ে (মিশকাত শরীফ ৪০৮পৃ: )।
মাতৃ নামের পরিচয়ের সভ্যতা তাদের থেকেই এসেছে যাদের পিতার পরিচয় নেই। নারী উন্নয়নের নামে এ ধারাটি অন্তর্ভূক্ত করে পাশ্চাত্য সভ্যতার আলোকে পিতৃ পরিচয়হীন অবৈধ সন্তানকে বৈধতার সনদ প্রদানের কোন দুরভিসন্ধী সরকারের আছে কিনা তা জানা নেই।
৪। জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি ২০১১ এর ১৮.১ ধারায় বাল্য বিবাহের বিরুদ্ধে আইনের কঠোর প্রয়োগের কথা বলা হয়েছে, এটা কুরআন-সুন্নাহ্ পরিপন্থী।
কারণ উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়িশা (রাযি: ) এর সহিত রসূল (স: ) এর বাল্য কালে বিবাহ হয় (বুখারী শরীফ ৭৭১পৃ: )। কুরআনে কারীমের সুরায়ে তালাকের ৪র্থ আয়াতে ঋতুস্রাব (মাসিক) শুরু হয়নি এমন অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েদের তালাক পরবর্তী ইদ্দাত নির্ধারণ করেছে ৩মাস, যা বাল্য বিবাহেরই সুস্পষ্ট প্রমাণ। আল্লাহ তা'য়ালা বৈধ বৈবাহিক সম্পর্কের মাধ্যমে যুবক-যুবতীদের সতীত্ব রক্ষার সুযোগ দিলেও বাঁধ সেধেছে নারী উন্নয়ন নীতি। অথচ উভয়ের সম্মতিতে অবৈধ দৈহিক সম্পর্ক গড়ে উঠলে তা ঠেকানোর কোন আইন এ নীতিমালায় নেই। সুতরাং বাল্য বিবাহকে আমরা উৎসাহ দিচ্ছিনা কিন্তু এটাকে অবৈধ বলা কুরআন- সুন্নাহ্ বিরোধী যা এ নীতিমালায় করা হয়েছে।
৫। জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি ২০১১ এর ২২.৪ ধারায় নাটক ও চলচ্চিত্র নিমার্ণে নারীকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে সরকারি অনুমোদনের ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে।
এটা সম্পূর্ণ কুরআন-সুন্নাহ্ বিরোধী এবং নিজ মা-বোন-কন্যাকে চলচ্চিত্রের মাধ্যমে অন্যের উপ-ভোগের পাত্র বানানোর রুচি বিকৃত মানুষের কাজও বটে। এটা পর্দার লংঘন, বেগানা নারী পুরুষের অবাধ মেলা-মেশা এবং মুসলিম শালিন সমাজকে পাশ্চাত্য বেহায়া সমাজে রূপান্তরের পায়তারা। এহেন নির্লজ্জ কাজের প্রতি উৎসাহ দান এবং এ কাজে সরকারি অনুদান দেয়া সুরা নূর, আয়াত ৩১, সূরা মায়েদা আয়াত ২ এবং মেশকাত শরীফ ২৬৭,২৬৯ এর সম্পূর্ণ লংঘন, যা বলার অপেক্ষা রাখে না।
৬। জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি ২০১১ এর ১.২-৪.১-৫.৭-১.-৮-৯-১৬.১-১৬.২-১৬.৩-১৬.৪-১৬.৫-১৬.৭-১৬.১২-১৬.১৫-১৭.৭-২৩.২-২৪.২-২৫.১-২৫.২-২৬.৩-৩১.৪-৩৩.৭-৩৬.১ ও ৩৬.৩ ধারায় শিক্ষা, কর্মসংস্থান, বাজার ইত্যাদি ক্ষেত্রে নারীর
সমঅধিকার/সমসুযোগ অথবা সম অংশ গ্রহণের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে নারীদের স্বতন্ত্র কোন প্রতিষ্ঠান থাকবে কিনা তা বলা হয় নাই। তবে আমাদের দেশে প্রচলিত নিয়ম হল নারী পুরুষের সহশিক্ষা, সহকর্মক্ষেত্র। এটা সম্পূর্ণ কুরআন-সুন্নাহ্ পরিপন্থী। কেননা কুরআন-সুন্নাহ্ এর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান পর্দা। আমাদের এ মুসলিম অধ্যুষিত দেশে পর্দা পালনের প্রতি মহলিাদের উপর কোন আইনগত ব্যবস্থা তো নেই, উৎসাহ প্রদানেরও কোন ব্যবস্থা নেই। বরং হাইকোর্ট এর রায়ের মাধ্যমে পর্দার প্রতি কঠোরতা করতে নিষেধ করা হয়েছে। স্কুল, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় সহ অফিস-আদালতের সর্ব ক্ষেত্রে বেগানা নারী-পুরুষের খোলা-মেলা সহাবস্থান এবং বে-পর্দা অবাধ বিচরণ আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে চলেছে। যা অনেক অশ্লীলতার দ্বার উন্মোচনকারী এবং ইভটিজিং এর প্রতি উৎসাহ দানকারী। আমাদের দেশে প্রচলন অনুসারে উক্ত ধারাগুলিতে পর্দা নিয়ম এবং বেগানা নারী পুরুষের স্বতন্ত্র অবস্থানসহ কুরআন-সুন্নাহ্ এর বেশ কিছু নিয়ম লংঘন করা হয়েছে। (সুরা নূর ৩১, মিশকাত ২৬৭,২৬৯)
৭। জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি ২০১১ এর ২৩.৫ নং ধারায় সম্পদ কর্মসংস্থান, বাজার ও ব্যবসায় নারীকে সমান সুযোগ ও অংশিদারীত্ব দয়া হয়েছে। উক্ত ধারায় সম্পদ শব্দটি ব্যাপক ব্যবহারের দ্বারা উত্তরাধিকারসহ সকল ক্ষেত্রে নারী পুরুষের সমান অধিকার দানের মাধ্যমে সুরা নিসার আয়াত ১১নং এর সুস্পষ্ট লংঘন করা হয়েছে। জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি বিগত ৭ই মার্চ ২০১১ মন্ত্রীসভায় অনুমোদিত হয়। অনুমোদনের পর বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) পরিবেশিত খবরে বলা হয় "ভূমিসহ সম্পদ-সম্পত্তিতে ও উত্তরাধিকারে নারীর সমান অধিকার স্বীকৃতি দিয়ে নারী উন্নয়ন নীতি ২০১১ এর খসড়া অনুমোদন করেছে মন্ত্রীসভা।" মহলিা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ড. শিরিন চৌধুরী বলেন, "জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি ২০১১ অনুমোদন করেছে মন্ত্রীসভা। এটা কার্যকর করার জন্য কোন আইন করা হবে না। নতুন নীতিতে উত্তরাধিকারসহ উপার্জন ও বাজার ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অর্জিত সম্পদে নারীকে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ অধিকার দেয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে উত্তরাধিকার সম্পদে নারীর সমঅধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে (কালের কণ্ঠ-৮ই মার্চ-২০১১, রোজ মঙ্গলবার)" বাসস এবং প্রতিমন্ত্রী ড. শিরিন চৌধুরীর উক্ত বক্তব্য দ্বারা সুস্পষ্ট যে, নারী উন্নয়ন নীতিমালায় উত্তরাধিকার সম্পদে নারী পুরুষের সমঅধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। কিন্তু ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের প্রতিবাদের মুখে সরকার উক্ত ব্যাখ্যা পরিবর্তন করে বলেছেন যে, উক্ত ধারার মধ্যে উত্তারাধিকার সম্পদে নারী পুরুষের সমঅধিকার এর কথা বলা হয়নি, অথচ এটা পূর্বোল্লিখিত বক্তব্যের সাথে সাংঘার্ষিক এবং উক্ত ধারায় ব্যবহৃত শব্দের সহিতও সঙ্গতিপূর্ণ নয়। অতএব, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বরাতে দেশ ব্যাপী প্রচারিত ব্যাখ্যা বিভ্রান্তিমূলক অপব্যাখ্যা বৈ কিছুই নয়।
নারী পুরুষের সম অধিকারে দাবীদারগণ এ নীতিমালায় পুরুষের সহিত চরম বৈষম্য মূলক আচরণ করা হয়েছে। নারী পুরুষের সম অধিকারের দাবী সত্য হলে, ইউনিয়ন পরিষদ, সিটি কর্পোরেশন, জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন, চাকরীর ক্ষেত্রে সংরক্ষিত কোটা, নারীদের জন্য ভিন্ন মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নারীকে পুরুষের উপর অগ্রাধিকার দিয়ে নতুন করে বৈষম্য সৃষ্টি করা হয়েছে। সুতরাং নারী উন্নয়নের মোড়কে আবৃত এই পাশ্চত্য দৃষ্টিভঙ্গির নির্লজ্জ নীতি শুধু কুরআন-সুন্নাহ্ বিরোধীই নয় বরং সম অধিকারেরও বিরোধী এবং আমাদের জাতীয় সংবিধান বিরোধীও বটে।
বস্তুত নারী উন্নয়ন নীতি ২০১১- এ কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী কিছুই নেই বলে প্রধানমন্ত্রীসহ পরিষদবর্গ এবং আওয়ামী নেতাদের প্রচারে আজ বিভ্রান্ত দেশবাসী। জানিনা এটা তাদের মিথ্যাচার না ইসলাম সম্পর্কে অজ্ঞতার প্রমাণ।
অতএব, জেলা ইমাম পরিষদের পক্ষ থেকে ধর্ম প্রাণ মুসলমানদেরকে এ আহ্বান জানানো যাচ্ছে যে, সরকারের অপপ্রচারে বিভ্রান্তির শিকার না হয়ে জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি ২০১১ এর কুরআন-সুন্নাহ্ পরিপন্থী ধারাসমূহ বাতিলের দাবীতে সরকারের প্রতি চাপ অব্যাহত রাখুন এবং ঈমানী দায়িত্ব পালন করুন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

