আমার প্রিয় পোস্ট

ব্যবসা করা মহা পাপ

১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৩১

শেয়ারঃ
0 0 0


এক মাসেরও বেশি সময় ধরে পত্রপত্রিকা সরগরম চিনির বাজার নিয়ে। প্রায় প্রতিদিনই শিরোনামে চিনির বাজারের খবর। অবশ্যম্ভাবীভাবেই ব্যবসায়ীদের দায়ী করা হচ্ছিল চিনির অস্বাভাবিক দাম বাড়ার জন্য, যার পরিণতিতে আমরা দেখতে পেলাম, ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হলো।

কোনো দ্রব্যের দাম বাড়লে তাতে অবশ্যই ব্যবসায়ীদের হাত থাকে। তবে সেটা বাজারের নিয়মে হচ্ছে, নাকি কোনো অসদুপায় অবলম্বন করে করা হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখা জরুরি। যদি বলা হয়, অসদুপায় অবলম্বন করে দাম বাড়ানো হয়েছে, তাহলে সে অসদুপায়টি সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা দরকার। চিনির দাম বাড়ার পেছনে ব্যবসায়ীরা আসলেই দায়ী থাকতে পারেন। কিন্তু তা প্রকৃতভাবে চিহ্নিত না করে তাঁদের হয়রানি করাটা কোন আইনের মধ্যে পরে?

চিনির ক্ষেত্রে যে অভিযোগটা এসেছে, সেটা হলো, ব্যবসায়ীরা চিনি মজুদ করে দাম বাড়িয়েছেন। কথা হলো, ব্যবসায়ীরা যদি এত সহজেই চিনির দাম বাড়াতে পারেন, তাহলে তাঁরা তা প্রতিবছর এক-দুবার করেন না কেন। চাইলেই তো তাঁরা সেটা পারেন। অসুবিধা কী?
শেষবার চিনির এ রকম অস্বাভাবিক দাম বেড়েছিল ২০০৬ এর এপ্রিলে। এর পর থেকে তিন বছরে চিনির কেজি ৪০ টাকার ওপরে আর ওঠেনি, বলতে গেলে এ বছরের মে মাসের আগ পর্যন্ত।

একজন ব্যবসায়ী, তিনি যে পরিমাণ টাকাই বিনিয়োগ করেন না কেন, তিনি কিন্তু একটা ঝুঁকি নিয়েছেন। ব্যবসা করা মানেই কাড়ি কাড়ি টাকা চলে আসবে, তা কিন্তু নয়। হিসাবে সামান্য ভুলের জন্য কাড়ি কাড়ি টাকা চলে যাওয়ারও যথেষ্ট আশঙ্কা আছে। একজন ব্যবসায়ী টাকা বিনিয়োগ করেছেন মুনাফা করার জন্য, দাতব্য প্রতিষ্ঠান চালানোর জন্য নয়। সে জন্য ব্যবসায়ীকে মুনাফাখোর বলে গালি দেওয়াটা কি ঠিক? মুনাফার টাকা দিয়েই তো তাঁকে জীবিকা নির্বাহ করতে হবে।
একজন ব্যবসায়ী যখন ঝুঁকি নিয়েছেন, তখন তিনি যথাসম্ভব লাভ করার চেষ্টা করবেন। তাঁর উদ্দেশ্য থাকবে, কম দামে দ্রব্য কিনে বেশি দামে বিক্রি করা। বেশি দামে বিক্রি করার যেকোনো সুযোগ তিনি নেওয়ার চেষ্টা করবেন।

আমাদের চিনি ব্যবসায়ীর কথায় ফিরে আসি। ধরা যাক, আজ তিনি ৫০ বস্তা চিনি কিনলেন। এক সপ্তাহ পর খবর এল, আগামী মাস থেকে দাম বাড়বে। কারণ, বিশ্ববাজারে চিনির ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। ওই ব্যবসায়ী তখন অবশ্যই কিছু পরিমাণ চিনি বিক্রি না করে রেখে দেবেন আগামী মাসে বিক্রি করার জন্য। এটা ব্যবসার জন্য কি খুব স্বাভাবিক ব্যাপার নয়?
অনেক ব্যবসায়ী যখন একসঙ্গে ব্যাপারটা করবেন (এবং এটা করার জন্য তাঁদের মধ্যে কোনো সলাপরামর্শ বা তথাকথিত সিন্ডিকেট করার দরকার হবে না, ব্যবসার সহজাত প্রতিক্রিয়া হিসেবে সবাই এটা করবেন), তখন বাজারে সরবরাহ কমে যাবে এবং চিনির দাম বেড়ে যাবে। তখনি আমরা দেখতে পাব, বাজারে চিনির স্বল্পতা এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে মজুদ করার প্রবণতা বাড়ছে। এটাকে কোন হিসেবে অপরাধ বলব, তা কিন্তু বলা মুশকিল।

যে ঘটনার কথা বললাম, সেটার কিন্তু উল্টোটাও ঘটতে পারে। দেখা গেল, ব্রাজিলে চিনির বাম্পার ফলনের ফলে বিশ্ববাজারে এর দাম কমার সম্ভাবনা দেখা দিল। তখন কিন্তু সেই ব্যবসায়ী তড়িঘড়ি করে চিনি বিক্রি করে দেওয়ার চেষ্টা করবেন। ফলে বাজারে চিনির আধিক্য দেখা দেবে এবং চিনির দাম কমে যাবে। তখন যদি ওই ব্যবসায়ী ক্ষতির সম্মুখীন হন, তখন কি সরকার তাঁকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসবে? ক্ষতি হলে ব্যবসায়ী একা সামলাবেন, আর লাভ করতে গেলে সেটা মহা পাপ হয়ে যাবে—এ রকম মনোভাব ও আচরণ কি ব্যবসায়ীদের প্রতি অবিচার হয়ে যায় না?

আকস্মিক মূল্য পরিবর্তনের ব্যাপারগুলো তখনি ঘটে, যখন ব্যবসায়ীদের ভবিষ্যতের মূল্য সম্বন্ধে প্রত্যাশা পরিবর্তিত হয়। সরকারের যদি কোনো ব্যবস্থা নিতে হয়, তাহলে কীভাবে এই মূল্য প্রত্যাশা তৈরি হচ্ছে, সেটা বুঝতে হবে। ভারত একটি অন্যতম বৃহত্ চিনি উত্পাদনকারী দেশ, যেখানে এ মৌসুমে চিনির উত্পাদন ৪৫ ভাগ কমে গেছে। এটা মূলত হয়েছে অনাবৃষ্টি এবং চাষীদের অন্যান্য শস্যের প্রতি বেশি ঝুঁকে যাওয়ার ফলে। সে জন্য এ বছরের শুরু থেকেই চিনির দাম আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়তে শুরু করেছে। এই জানুয়ারিতে চিনির দাম যেখানে ছিল সাড়ে ১২ সেন্ট/পাউন্ড, সেখানে জুন মাসের মধ্যে তা বেড়ে প্রায় সাড়ে ১৮ সেন্ট/পাউন্ড হয়ে গেছে। অর্থাত্ আন্তর্জাতিক বাজারে চিনির দাম প্রায় ৫০ ভাগ বেড়েছে। আমাদের দেশের চিনির চাহিদার ৯০ ভাগ আমদানি করা এবং স্বাভাবিকভাবেই বিশ্ববাজারের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। সুতরাং এটা খুবই স্বাভাবিক যে, ব্যবসায়ীদের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা থেকে স্থানীয় বাজারেও মূল্য বাড়তে শুরু করবে। এর পরও একই সময়ে আমাদের দেশীয় বাজারে কিন্তু চিনির দাম সেভাবে বাড়েনি, বেড়েছে ২৫ ভাগের বেশি নয়। পরবর্তী সময়ে অবশ্য চিনির দাম পর্যায়ক্রমে আরও বাড়ে।

ব্যবসায়ীদের মধ্যে এই মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশাটা তৈরি হতো না, যদি সরকার ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের মাধ্যমে পর্যাপ্ত চিনি আমদানি করতে পারত। তাহলে বাজারে মূল্য বৃদ্ধির আশঙ্কা অনেকাংশেই স্তিমিত হয়ে আসত এবং ব্যবসায়ীরাও তখন মজুদ করার কোনো প্রয়োজনীয়তা বোধ করতেন না।
সরকারকে খেয়াল রাখতে হবে, কী ধরনের অস্বাভাবিক পরিস্থিতির কারণে ব্যবসায়ীরা মজুদ করছেন। তা না করে দাম বাড়লেই ব্যবসায়ীদের পেছনে লাগা, তাঁদের ধরার জন্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা খুবই অপরিপক্ব বাণিজ্যনীতির পরিচায়ক। এতে ব্যবসায়ীদের আস্থা কমে যায় এবং দীর্ঘ মেয়াদে এর ক্ষতিকর প্রভাব অর্থনীতিতে পড়তে পারে।

বাংলাদেশের কোনো আইনে মজুদদারির বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট কোনো কিছু বলা নেই। Anti hoarding act 1953-এ যেটা বলা আছে, সেটা হলো—কোনো প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে উল্লেখ করতে হবে, কত দিন ধরে মজুদ করলে সেটা অপরাধ বলে গণ্য হবে। সে ধরনের কিছু এখানে হয়নি। আর প্রজ্ঞাপন জারি করাটাও সহজ নয়। মজুদ কীভাবে অন্যায় হবে, সেটা সংজ্ঞায়িত করাও খুব সহজ নয়। একজন খুচরা বিক্রেতা আর একজন পাইকারি বিক্রেতার মজুদ অবশ্যই এক হবে না। শুধু তা-ই নয়, দুজন পাইকারি বিক্রেতার মধ্যেও অনেক পার্থক্য হতে পারে, যেটা নির্ভর করবে ব্যবসার আকারের ওপর। সুতরাং আইন করে বলে দেওয়া যে এত দিনের বেশি মজুদ রাখলে অপরাধ হবে, সেটা খুবই অকার্যকর একটা পদ্ধতি হবে।

যেই ৭৪ হাজার বস্তা চিনি আটক করা হয়েছে, সেটা কোন আইনের কোন অধ্যাদেশ অনুযায়ী হয়েছে, সেটা ব্যবসায়ী-মহলের জানার অধিকার রয়েছে।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে যখন জিনিসপত্রের দাম বেড়ে গেল, তখন ব্যবসায়ীদের হয়রানি আর গ্রেপ্তার করে ব্যবসায়ী-সমাজে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হলো। ফলে বাজারে দাম তো কমেইনি, উল্টো আরও বেড়ে গিয়েছিল। বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে হলে তা করতে হবে বাজারের নিয়মেই। বাজারের অদৃশ্য হাত কোনো দৃশ্যমান শক্তির হুমকির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যে কতটা কঠিন, সেটা আমাদের নীতিনির্ধারকেরা একেবারেই মনে রাখেন না।

নিজেকে আমি ভাগ্যবান মনে করছি যে, আমি পেশায় কোনো ব্যবসায়ী নই। বিশেষত, কোনো নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের ব্যবসায়ী। তাহলে মনে হয়, এত দিনে সমাজে অপাঙেক্তয় হয়ে যেতাম। আজকে চালের দাম বাড়লে লোকজন বলত, ‘এই চালের ব্যবসায়ীদের কারসাজির জন্য গরিব লোকজন দুই মুঠো ভাত খেতে পারছে না।’ কালকে আলুর দাম বাড়লে লোকজন বলত, ‘ব্যাটা, তোর জন্য আলু খেতে পারছি না।’ আর চিনির ব্যবসায়ী হলে তো কথাই নেই। এতক্ষণে ফেরারি আসামি হয়ে আত্মগোপন করে থাকতে হতো!

ড. রুশাদ ফরিদী: সহকারী অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

__________________________________________________
এবার আমার কিছু কথা

একজন ব্যাবসায়ী হিসাবে আমি নিজে ভাগ্যবান মনে করি। আমার বাপ ও একজন ব্যবসায়ী। বিভিন্ন ভাবে বিচার করলে তাকে একজন শক্তিশালী বড় ব্যবসায়ী বলা যায়। তিনি বিভিন্ন ব্যবসার পাশাপাশি পার্ট টাইম হিসাবে ছোট আকারে চিনির ব্যবসা করেন।
গত চার মাস আগে তিনি ২০০০০০ (দুই লাখ)কেজি চিনি কিনেছিলে এ্যজ ইউজুয়াল ব্যবসার উদ্দেশ্যে।কিন্ত তার ভাগ্য এতই খারাপ ছিলো যে, দিনদিন চিনির দাম কমতে শুরু করলো। টেনশানে বেচারার নাওয়া খাওয়া ঘুম হারাম হয়ে গেল। শেষে প্রায় ২৫ লাখ টাকা লস করে বাপ সব চিনিগুলা বিক্রি করে দিলো এই চিন্তা করে যে , আর কিছুদিন থাকলে ৫০ লাখ লস হবে। আহা বেচারা !
আপচুচ, এত প্রবীন ব্যবসায়ী হয়েও কোনদিন সিন্ডিকেটের খোজ পেলেন না।

এখন আমরা অফিসে বসে হা হুতাস করি, চিনিটা যদি আর এক দু মাস রাখা্ যেত তাহলে কি বাম্পারটায় না মারা যেত। :((

এটাই হলো ব্যবসা। ব্যাবসায়ীরা কোটিকোটি টাকা ইনভেস্ট করে যে পরিমান টেনশানে থাকে তাতে কে কোথায় কি করছে, কি বলছে এসব খোজ নেয়ার সময় /এনার্জি কোনটায় থাকেনা।
আর এ সু্যোগে কিছু মাথামোটা লোক মনগলা কথা যেমন মুনাফাখোর, সিন্ডিকেট ইত্যাদি বলে ব্যাবসায়ীদেরকে গালি দ্যায়।

সরকারের কথা আর কি বলবো।এ সম্পর্কে কিছু বলার নাই X((


 

বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

২. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:০৬
মামুনুর রহমান খাঁন বলেছেন: মুনাফার জন্যই মানুষ ব্যাবসা করে এটাই স্বাভাবিক।

কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে ৫ টাকায় একটা জিনিষ কিনে একজ ব্যাবসায়ী কতটাকায় বিক্রি করবেন? ৬ টাকায় বিক্রি করলেও মুনাফা আবার ১০ টাকায় বিক্রি করলেও মুনাফা। ৬/৭ টাকায় বিক্রি করাকে কেও দোষ দেবেনা। প্রশ্ন উঠবে তখন যখন টাকার নেশা তাকে উন্মাদ করে দেবে এবং ৫ টাকার জিনিষ ১০ টাকায় বিক্রি করে তাড়াতাড়ী অধিক লাভ করতে চাইবেন। তখনই তাকে বলা হয় মুনাফাখোর।

কিছুদিন আগে এনটিভিতে একটা রিপোর্টে দেখিয়েছিল কিভাবে একজন ব্যাবসায়ী ৯ টাকায় শশা কিনে কাওরানবাজারে ২৫ টাকায় বিক্রি করে।

ডাক্তারীর মত ব্যাবসাও একটা মহান পেশা। কিন্তু তার জন্য উদ্দেশ্যটাও মহৎ হওয়া জরুরী।

ধন্যবাদ
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:১৫

লেখক বলেছেন: আসলে মুল্য নির্ধারন করাটা তো কখনোই ব্যবসা্য়ীদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নয়।
মুল্য নির্ধারন করে বাজার। উপরে সহকারী অধ্যাপক সাহেব বিস্তারিত বলেছেন।

৯ টাকার জিনিস ২৫ টাকায় যে বিক্রি করে খুজলে তারো অনেক লিমিটেশান পাওয়া যাবে।

ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

৩. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:১৩
লংকার রাজা বলেছেন: মাইনাস।স্যারের লেখাটা একদম একপেশে।লেখা পড়লে মনে হবে ব্যবসায়ীরা সব সাধু,কোন রকমে খেয়ে-পড়ে আছেন সব।

ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট এদেশে কি করছে সেটা নতুন কোন বিষয় নয়।বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য নেয়া এদের বেশিরভাগ স্টেপই জনবিরোধী।
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:১৯

লেখক বলেছেন: আপনি ব্যবসা করলে বুঝতেন স্যারের লেখাটা কতখানি সত্য। তবে আমি মানি সব জায়গার মতো এখানেও কিছু খারাপ মুনাফাখোর আছে।

আর খারাপের শক্তিই অবশ্য বর্তমান দুনিয়ায় বেশি।

৪. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:২০
কিরিটি রায় বলেছেন: মামুনুর রহমান খাঁন বলেছেন: মুনাফার জন্যই মানুষ ব্যাবসা করে এটাই স্বাভাবিক।

কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে ৫ টাকায় একটা জিনিষ কিনে একজ ব্যাবসায়ী কতটাকায় বিক্রি করবেন? ৬ টাকায় বিক্রি করলেও মুনাফা আবার ১০ টাকায় বিক্রি করলেও মুনাফা। ৬/৭ টাকায় বিক্রি করাকে কেও দোষ দেবেনা। প্রশ্ন উঠবে তখন যখন টাকার নেশা তাকে উন্মাদ করে দেবে এবং ৫ টাকার জিনিষ ১০ টাকায় বিক্রি করে তাড়াতাড়ী অধিক লাভ করতে চাইবেন। তখনই তাকে বলা হয় মুনাফাখোর।

এত সহজে উনি যা বিশ্লেষন করলেন শেষের অংশটুকুও দিতে বলেন...কোন গোপন চুক্তি বলে সরকার নিজেই এবার চিনির দাম বাড়িয়ে দিল!!!!

হামলা মামলা হঠাৎ সব স্তিমিত হয়ে গেল!!! উল্টো মন্ত্রী নিজেই সাফাই গাইতে শূরু করলেন...

১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:২৯

লেখক বলেছেন: উনিই বলুক

৫. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:২৬
ফারুক৫৫ বলেছেন: ৫ টাকার জিনিষ ১০ টাকায় বেচা কি এত সহজ? বাজারে যদি সেই একই জিনিষ ৬/৭ বা ৯ টাকায় ও পাওয়া যায় , তবে কোন পাগলে ১০ টাকায় কিনবে? বাংলাদেশ সব সম্ভবের দেশ , তবুও মনে করি না চাইলেই ইচ্ছা অনুযায়ী যে কোন দামে যে কোন জিনিষ বেচা যায়।
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:২৮

লেখক বলেছেন: এক কথাটা কেমনে বুঝাবো রে ভাই।

তাইলে তো আমার বাপজান লাভের জন্য চিনি কিনে ২৫ লাখ আর লস করতো না।

ইচ্ছামতো দাম বসায়া ২ কোটি লাভ করতো।

৬. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:০০
মামুনুর রহমান খাঁন বলেছেন: যাদেরকে আমরা সিন্ডিকেট বলি তারা নিশ্চই ভিনগ্রহের এলিয়েন নয়? তারাও ব্যবসায়ী। আর সরকারের সাথে তাদের আঁতাত তো অজানা কিছু নয়।
কিন্তু এই পোস্ট পড়লে মনে হবে ব্যবসায়ীরা সব সাধু,কোন রকমে খেয়ে-পড়ে আছেন সব।

@কিরিটি রায়! এবার আমার একটা প্রশ্নের জবাব দেবেন? সরকারের সাথে যারা বৈঠক করেছে তারা কি ব্যাবসায়ী নয়? সরকারের বেধে দেয়া দামে দ্রব্য বিক্রি করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে হাসিমুখে মিডিয়ার সামনে কথা বলেন আর তারপরদিনই জিনিসের দাম বেড়ে যায় কেন?
৭. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৯
মহিসন খান বলেছেন: ভাই,
আপনার সাথে একটু আলাপ করতে চাই। আমাকে মেইল করুন প্লিজ।


I am waiting to hear from you.
১১ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:১৮

লেখক বলেছেন: কি জানতে চান?? আমাকে মেইল করুন।

৮. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৯
হামদান বলেছেন: মামুনুর রহমান খাঁন বলেছেন:

কিন্তু এই পোস্ট পড়লে মনে হবে ব্যবসায়ীরা সব সাধু,কোন রকমে খেয়ে-পড়ে আছেন সব।


ভাই, ব্যবসা করা খুব ভালো...কিন্তু ডাকাতি করা ভালো নয়

একটা কথা ঠিক যে, সরকারের কোন মাথা ব্যথা নাই আম পাবলিকের জন্য। না হলে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস গুলা বিশেষ ব্যবস্থায় বিক্রি করতো।
১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:২৪

লেখক বলেছেন: সরকারই সব নষ্টের গোড়া।

X((

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৯৮৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
I am not far, but alone. Like a pair of rail tracks in winter morning.............
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই