আমার প্রিয় পোস্ট
- নতুন ডিজিটাল ক্যামেরা মালিকের প্রথম ছয়টি ভুল - হাসান বিপুল
- লোকাল হিরো, রেইনবোর কবীর ভাই এবং একজন ঝিনুক - হাসান বিপুল
- শুভ জন্মদিন, রাশেদ - মোসতফা মনির সৌরভ
- ৭ নভেম্বরের ব্যবচ্ছেদঃ কি পেলাম কি হারালাম - সীমানা ছাড়িয়ে
- ১৮+ কৌতুক প্লিজ ব্যান করবেন না, অথবা করার ইচ্ছা থাকলে ,একটা কারণ দর্শাও নোটিশ পাঠাবেন।এক্সট্রিমলি ম্যাচিউরডদের জন্য। - বিলাল
- ঈদের আনন্দ ও এগিয়ে যাওয়া পথ.......... - রেটিং
-
ঈদ ও পূজা উপলক্ষে একখানা স্বপ্নদৃষ্ট পোস্ট
- আশরাফ মাহমুদ
- ক্লেদাক্ত বৃষ্টিতে নতুন ঈশ্বরের সাথে......(উৎসর্গ রাশেদ ও এক্সিমো) - অন্যমনস্ক শরৎ
- সামুব্লগ বিবাহ -৩ - আউলা
- লাল গাড়ি আর লাল বালিকার গল্প - নিধিরাম সর্দার
- বিবর্তনের 'স্মৃতিফলক': শহীদ প্রজন্ম,বুয়েট - ফারহান দাউদ
- ঝড়ের প্রতীক্ষায় - নীলকণ্ঠ
- টিপাইমুখ বাধ প্রসংগে: চাই সংগ্রামের আন্ত:সংযোগ - দিনমজুর
- (কল্প গল্প) --- রোবসেপিয়ান্সের ভালোবাসা - শান্তির দেবদূত
- ব্যক্তিগত কথা: শুদ্ধতা - জ্বিনের বাদশা
- ৮০০তম পোষ্টঃ কিছু আবোল-তাবোল কথা - এস্কিমো
- এ'টিমের জন্মদিন ।। সময়ের নবকুমারদের জন্য তিনউল্লাস - হাসান মোরশেদ
- অৌড টু রাশেদ ভাই - প্রাকৃত
- ENIGMA প্রেমীদের জন্য এবার ENIGMA ভিডিওগ্রাফির ডিভিডি - শয়তান
- সেবা প্রকাশনীর কিছু জনপ্রিয় বইয়ের উৎস সন্ধান - জানজাবিদ
- ইতিহাসের পাতা থেকে - বোলারস ব্যাকড্রাইভ
- একজন খুব সাধারণ বাবার জন্য। - নরাধম
- মুক্তিযুদ্ধে সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের শহীদ তিন ছাত্র মুক্তিযোদ্ধা জগৎজ্যোতিদাস, তালেব ও গিয়াস - শামস শামীম
- সশস্ত্র বাহিনীতে গণহত্যা (১৯৭৫-১৯৮১) একটি প্রামাণ্য দলিল - শওকত হোসেন মাসুম
- ডক্টর মোহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেইন : যার কাছে বাঙালীর অসীম কৃতজ্ঞতা - অমি রহমান পিয়াল
- Summer of 69 :: বুয়েটিয়ান ভার্শন(আমার প্রথম ভিডিউ পুষ্ট) - ভাঙ্গা পেন্সিল
- আমাদের টমি আর শের আলীর গল্প - এস্কিমো
- চিটির রান্নাঘর থেকে ঐতিহাসিক রেসিপি- রসমালাই - চিটি (হামিদা রহমান)
- রাখাল তোমাকে চিঠি.................... - সুলতানা শিরীন সাজি
- আমাদের আয়নায় তোমাদেরও ছায়া পড়ে - আশরাফ মাহমুদ
- মন হাওয়ায় পেয়েছি তোর নাম, মন হাওয়ায় হারিয়ে ফেললাম - একরামুল হক শামীম
- একজন অদেখা আপন - অমি রহমান পিয়াল
- আজকা ড়াষুর জন্মদিন - বিষাক্ত মানুষ
- মুক্তিযুদ্ধে বাবা হারানো এক মেয়ের কথা................... - সুলতানা শিরীন সাজি
- প্রবাসী ব্যাচেলরদের জন্য অতি সরল রেসিপি - আতিকুল হক
- কারন, মেঘ দিয়েছে প্রথম চুম্বন ...। - খোলাচিঠি
- লিনাক্স :: একটি বিশ্বস্ত, শক্তিশালী এবং স্বপ্নের অপারেটিং সিস্টেম (ইতিহাস, ইন্সটল, ব্যবহার) - পাপী
- একদিন আমি- যা হবার তাই হোকনা - কি আসে যায় - দ্যা গ্রীম রিপার
- অবাঞ্চিত দুরাশা - অন্ধকারের রাজকন্যা
- তুমি আছো বলে [কবিতা] - রোডায়া
- রাজকন্যা তোমায় - অদৃশ্য
- পরী এবং বিশটি বছর - ধূসর মেঘমালা
- ইচ্ছে করে ----- [উইনিং] - বিষাক্ত মানুষ
- আমি মরে গেলে কী হবে এই ব্লগবাড়ি ? ( হোসেইনের কবিতাঞ্জাল ) - হোসেইন
- ও বন্ধু তোমায় ----- (আইয়ুব বাচ্চু) - বিষাক্ত মানুষ
- পুনর্জন্ম ......... (ফ্যান্টাসী ছোট গল্প) - শান্তির দেবদূত
- বালক হেটে চলে বালিকার পিছু পিছু - আসিফ আহমেদ
- বর্তমান ( উতসর্গ- ব্লগার রাশেদ ভাইকে) - একরামুল হক শামীম
- কাজলাদিদি .............. উতসর্গ আউলাদি - হনলুলু
- সহজিয়া উবুন্টু ৮.০৪ শিক্ষা!!! - রোকন
- সমর্পন - রোডায়া
- ...অত:পর ! - প্রজাপতি
- হয়তো সে আসে ধীরে... - নীলাঞ্জনা
- আজ তুমি আসবে বলে - ইরতেজা
- উৎসর্গ ....... আমার সতের বছর বয়স ...... - হনলুলু
- নির্বোধ ভালবাসার গল্প: কয়জনে পারে? -1 (সত্যকাহিনী) - জ্বিনের বাদশা
- কবিতা 2: স্বপ্নের ফেরীওয়ালা - জ্বিনের বাদশা
- ডাল উইথ সাওয়ার কার্ড - আউলা
- প্রথম সবকিছু - রোডায়া
- বালক - বালিকা - স্বপ্নকর
- না পাঠানো চিঠি - তামিম ইরফান
- স্বপ্নবাজি - কিংকর্তব্যবিমূঢ়
- রঞ্জনা ----- (অঞ্জন দত্ত) - বিষাক্ত মানুষ
- স্ট্রীম থেকে মেইনস্ট্রিম : বাংলাদেশ (খন্ড ০২) - তৌফিক আহমেদ
- সালাউদ্দিনকে - ২ (শেষ) - নরাধম
- ভালোবাসার এপাশ ওপাশ - আনোয়ার সাদাত শিমুল
- একটি মৃত্যু আর আমার যত আক্ষেপ - ডাক্তার আইজউদ্দিন
- :: কাল ঘুম নেমে আসে তার দু'চোখ জুড়ে :: - নজমুল আলবাব
- আমার কোনদিন দুধ চা খাওয়া হবেনা - নজমুল আলবাব
- বাবা বলেছিলেন বড় হও- - ডাক্তার আইজউদ্দিন
- শুভ জন্মদিন,রাশেদ - মোসতফা মনির সৌরভ
- ডেথ অব আ জিনিয়াস : জহির রায়হান - অমি রহমান পিয়াল
- হু্ম্ম্.........থ্রি চিয়ারস ফর রাশু! - নরাধম
- স্থিরচিত্র - ফয়সল
- নভেম্বর রেইন, আমার প্রিয় দুঃখ গান - লাল দরজা
- প্রেসারকুকারে পুডিং (ব্লগে "হুমম" কমেন্টটা জনপ্রিয়কারী বন্ধুর জন্য) - েজবীন
- রাশেদের কোবতে - মানুষ
- অবশেষে বিরিয়ানি রেসিপি - হাসিব
- সব বাবারা দেখতে এক রকম! - মানবী
- গণহত্যার ছবি : নূরুল উলা - হাসিব
- লুই কান এবং বাংলাদেশ - তানভীর
একাত্তরের গণহত্যা ও নারী নির্যাতনঃ কিছু সাক্ষীর বয়ান
২৫ শে মার্চ, ২০০৮ ভোর ৬:৪৫
নিচের লেখাটি Century of Genocide: Eyewitness Accounts and Critical Views By Samuel Totten, William S. Parsons and Israel W. Charny (New York: Garland Publishing, 1997) বইয়ের দশম চাপ্টার (পৃ. ২৯১-৩১৬) থেকে অনুবাদ করা ও সংক্ষেপিত। এই চাপ্টারের নাম Eyewitness Accounts: Genocide in Bangladesh by Rounaq Jahan.
এই চাপ্টারে একাত্তরের গণহত্যার বেশ কিছু সাক্ষীর কথা বলা হয়েছে। প্রথম দুই অংশে ২৫ শে মার্চ কালো রাতে ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে ঘটে যাওয়া হত্যাকান্ডের সাক্ষী দুইজনের কথা বলা হয়। একজন ছিলেন জগন্নাথ হলের ছাত্র আর অন্যজন বুয়েটের একজন টিচার। ৩য় ও চতুর্থ সাক্ষী বর্ণনা দেন পাকিস্তানিদের নারী নির্যাতনের। আর পঞ্চম সাক্ষী এক গ্রামে ঘটে যাওয়া কিছু নিরপরাধ কিশোর হত্যার কিছু বিবরন তুলে ধরেন। আর শেষ সাক্ষীর কথা থেকে বিহারীদের কিছু তান্ডবলীলার কথা জানা যায়।
জগন্নাথ হলের হত্যাকান্ড
এই অংশটুকু নেয়া হয়েছে রশিদ হায়দারের এডিট করা “১৯৭১: ভয়াভয় অভিজ্ঞতা” (ঢাকা, জাতীয় সাহিত্য প্রকাশনী, ১৯৮৯) বইয়ের কালি রঞ্জনশীলের “জগন্নাথ হলে ছিলাম ” অধ্যায় থেকে (পৃ. ৫)।
আমি দক্ষিন ব্লকের ২৩৫ নাম্বার রুমে ছিলাম। ২৫ তারিখ রাতে গোলাগুলি আর বোমা-শেল ফাটার শব্দে আমার ঘুম ভেঙ্গে যায়। হতভম্ব হয়ে চিন্তা করছিলাম কি করা যায়। তারপর আমি ছাত্র সংসদের জেনারেল সেক্রেটারি সুশীলের কাছে যাবার জন্য ক্রল করে ৪র্থ তলায় উঠলাম। তার রুমে আরো কিছু ছেলে এরই মধ্যে এসে পড়েছিল কিন্তু সুশীল তখন রুমে ছিল না। ছাত্ররা আমাকে বলল ছাদে যেতে যেখানে আরো বেশ কিছু ছেলে আশ্রয় নিয়েছিল। কিন্তু আমি (হয়ত কিছুটা স্বার্থপরের মত) ভাব্লাম নিজের মত করে থাকি; আর তাই চতুর্থ তলার উত্তর কোনার দিকে চলে গেলাম আস্তে আস্তে ক্রল করে। জানাল দিয়ে আমি দেখছিলাম আর্মিরা সার্চলাইট দিয়ে ছাত্রদের খোঁজে রুমে রুমে তল্লাশি চালাচ্ছিল। আর খুঁজে পেলেই তাদেরকে শহীদ মিনারের কাছে নিয়ে যেয়ে গুলি করছিল। পাকিস্তানি আর্মিরা মাঝে মাঝেই মর্টার ব্যবহার করছিল হলের দিকে তাক করে। অ্যাসেম্বলির সামনের টিন শেড আর উত্তর ব্লকের বেশ কিছু রুমে আগুনও ধরিয়ে দেয় তারা।
কিছু সময় পরে ৪০-৫০ জন পাকিস্তানি আর্মি দক্ষিণ ব্লকে আসে আর ডাইনিং রুমের জানালা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে। আর লাইট জ্বালিয়ে যেসব ছাত্র সেখানে আশ্রয় নিয়েছিল তাদের উপরে গুলি বর্ষণ করে। আর্মিরা যখন সেই রুম থেকে বের হয়ে আসে, তখন তারা হলের কেয়ারটেকার প্রিয়নাথদাকে মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে বিভিন্ন রুমের দিকে নিয়ে যাচ্ছিল। সেই সময়ে আমি তাদের দেখতে পারছিলাম না কারন আমি বাথরুম থেকে বের হয়ে ৪র্থ তলার সানশেডে লুকিয়েছিলাম। কিন্তু গোলাগুলির শব্দ, ছাত্রদের আহাজারি আর আর্মিদের ভাংচুরের শব্দ ঠিকই শুনতে পাচ্ছিলাম।
আর্মিরা চলে গেলে আমি আবার বাথরুমে এসে লুকাই। জানালা দিয়ে দেখতে পেলাম সলিমুল্লাহ হলেও আগুব জ্বলছে। শহরের উত্তর আর পশ্চিমাংশও জ্বলছিল।
সকাল বেলাতে ছাত্রদের গলার আওয়াজ পেয়ে আমি বের হই। দেখি কিছু ছাত্র প্রিয়নাথদার মৃতদেহ বয়ে নিয়ে যাচ্ছে নিচের দিকে আর আর্মিরা তাদের পাহারা দিচ্ছে। আর্মিরা আমাকেও বলে ছাত্রদের সাহায্য করার জন্য। হল থেকে মৃতদেহগুলো নিয়ে নিয়ে আমরা বাইরের মাঠে জড়ো করছিলাম। সেই সময়ে আমরা কয়েকজন ছিলাম ছাত্র, কয়েকজন মালি, গেট রক্ষকের দুই ছেলে আর বাকিরা ছিল পয়পরিস্কারকারী। পয়পরিস্কারকারীরা আর্মিদের বলল যে তারা তো বাঙ্গালি না, তাদের যেন যেতে দেয়া হয়। আর্মিরা তাদের আমাদের কাছ থেকে আলাদা করে নেয়। আর্মিরা সারাক্ষণ আমাদের লাথি মেরেছিল আর চিৎকার করছিল “"We will see how you get free Bangladesh! Why don't you shout Joy Bangla”। আমাদের তিনটি গ্রুপে ভাগ করে আমি যেই গ্রুপে ছিলাম সেটাকে নিয়ে তারা ইউনিভার্সিটির কোয়ার্টারে যায় আর পাঁচ তলার সবগুলো রুম চেক করে এবং মূল্যবান জিনিসপত্র সব লুট করে। নিচের তলায় আমরা স্তপ করে রাখা মৃতদেহ দেখেছিলাম বেশ কিছু।
ফিরে আসার পরে আমাদের দিয়ে মৃতদেহগুলো শহীদ মিনারে নিয়ে আগে থেকেই সেখানে রাখা আরো অনেক মৃতদেহের সাথে জড়ো করায়। আমার সাথী ও আমি যখন সুনীলদার (হলের গার্ড) মৃতদেহ বয়ে নিচ্ছিলাম তখন পাশের বস্তি থেকে মহিলাদের চিৎকার শুনতে পাই। আর্মিরা ঐসময়ে পয়পরিস্কারকারীদের উপরে গুলিবর্ষণ করছিল। আমি বুঝলাম যে আমাদেরও সময়ে এসেছে কারন যারা আমাদের আগে লাইনে ছিল তাদেরকে একসারিতে দাড় করিয়ে আর্মিরা গুলি করছিল। আমি ঐসময়ে দেখেছিলাম ড. দেবের (ফিলোসফি বিভাগের প্রফেরস) মৃতদেহ। আমি তখন ওনার মৃতদেহের পাশে শুয়ে পড়ি সুনীলদার লাশ ধরে থাকা অবস্থায় আর গুলির অপেক্ষায় থাকি। কিছুক্ষণ পরে চোখ মেলে দেখি তারা সবাই চলে গেছে।
তারপর আমি যাই পাশের বস্তিতে। সেখানে ইদু ভাই (পুরান বই বিক্রেতা) আমাকে অভয় দেন। তারপর পুরান ঢাকা হয়ে নদী পার হয়ে (মাঝি টাকা নেন নাই) শিমুলিয়া, নওয়াবগঞ্জ হয়ে আমি এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে বরিশালে আমার গ্রামে চলে আসি।
ড. নূরুল উলার ডকুমেন্টারি
এই অংশটুকু নেয়া হয়েছে Amita Malik's The Year of the Vulture (New Delhi: Orient Longmans, 1972, pp. 79-83) থেকে।
শিক্ষকদের অন্তেস্টিক্রিয়ার সময়ে বাংলা ডিপার্টমেন্টের প্রফেসর রফিক উল ইসলাম আমাকে ফিসফিস করে বলেন যে টিভি স্টেশনে একটি ডকুমেন্টারি আছে ২৫ শে মার্চের গণহত্যার। সাথে সাথে আমি জামিল চৌধুরিকে জিজ্ঞাসা করি এই ব্যাপারে। তিনি আমাকে কনফার্ম করেন ব্যাপারটা। তিনি আরো জানান ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটির একজন প্রফেসর এই ভিডিওটি ধারন করেছিলেন। ৫ই জানুয়ারিতে আমি অনুমতি পাই টিভি কেন্দ্রে এই ভিডিওটি দেখার।
প্রায় ২০ মিনিটের এই ভিডিওটিতে দেখা যায় জগন্নাথ হল থেকে লাশ বয়ে কিছু মানুষ বের হচ্ছে। লাশগুলো বেশ সারিবদ্ধভাবে রাখা হয়। এভাবে আস্তে আস্তে লাশের স্তুপ করে ফেলা হয়। শেষ হবার পরে যারা লাশগুলো বয়ে এনেছিল তাদের লাইন দাড় করিয়ে রেখে গুলি করে মেরে ফেলা হয়।
এই ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ (ইলেকট্রিক্যাল ডিপার্টমেন্টের টিচার ড. নূরুল উলার নিজের ভাষায় বলে যাওয়া) পাবেন এম. এম. আর. জালাল ভাইয়ের পোস্টে।
যদি ইউ টিউবে দেখতে সমস্যা হয়, ডাউনলোড এর লিঙ্ক
নারী নির্যাতন
এই অংশটুকু নেয়া হয়েছে রশিদ হায়দারের এডিট করা “১৯৭১: ভয়াভয় অভিজ্ঞতা” (ঢাকা, জাতীয় সাহিত্য প্রকাশনী, ১৯৮৯) বইয়ের মো. আখতারুজ্জামান মন্ডলের “আমাদের মা বোন” অধ্যায় থেকে (পৃ. ১৯৭)।
আমরা ভুরুঙ্গমারি স্বাধীন স্বাধীন করার জন্য ১১ই নভেম্বর থেকে পশ্চিম, উত্তর ও পূর্ব দিক থেকে একযোগে আক্রমণ শুরু করি। ইন্ডিয়ান বিমান বাহিনী ঐদিন সকালে উপর্যপরি বিমান হামলা শুরু করে। ১৩ই নভেম্বরে আমরা নিকটবর্তী হই আর ইন্ডিয়ান বিমান বাহিনীও তাদের অ্যাটাক জোরদার করে। ১৪ তারিখ সকালে পাকিস্তানিদের গোলাগুলি বন্ধ হয়ে যায় আর আমরা ভুরুঙ্গমারিতে প্রবেশ করি জয় বাংলা বলতে বলতে। ৫০-৬০ জন পাকিস্তানি আর্মিকে আটক করি আর তাদের ক্যাপ্টেনকে (captain Ataullah Khan) পাই ব্যাঙ্কারে মৃত অবস্থায়। ঐ সময়েও সে এক মৃত নারীকে জরিয়ে ধরেছিল। তাঁর সারা শরীরে নির্যাতনের দাগ। তাঁকে আমরা কবর দেই।
তখনো ভাবিনি আর কত নির্মম দৃশ্য দেখা বাকি আছে। ওয়্যারলেসে আমাকে সার্কেল অফিসে যেতে বলা হয়। সেখানে আমরা বেশ কিছু অল্প বয়সী নারীকে তালাবদ্ধ অবস্থায় পাই। তাদেরকে দরজা ভেঙ্গে আমরা মুক্ত করি। দরজা ভাঙ্গার পরে আমরা তাঁদেরকে নগ্ন, ধর্ষিত নির্যাতিত অবস্থায় দেখতে পাই। আমরা সাথে সাথে রুম থেকে বের হয়ে চারটা লুঙ্গি আর চারটা বেডশিট ছুড়ে দেই ভিতরে। আমরা তাদের সাথে কথা বলার চেষ্টা করি কিন্তু তাঁরা খুবই শকড অবস্থায় ছিলেন। একজন ছিলেন ছয় সাত মাসের প্রেগনেন্ট। একজন ছিলেন ময়মনসিংহের কলেজ ছাত্রী। তাঁদেরকে চকিৎসার জন্য ইন্ডিয়ান আর্মির গাড়িতে করে ইন্ডিয়াতে নিয়ে যাওয়া হয়। আমরা রাস্তার আশেপাশে গর্তে অনেক খুলি আবিস্কার করি। খুলিগুলোতে লম্বা চুল আর ছেঁড়া শাড়ি পেচানো ছিল, অনেকের হাতে চুড়ি ছিল। ভুরুঙ্গমারি হাই স্কুলের একটি রুমে ১৬ জন নির্যাতিত নারীকে উদ্ধার করি। আশেপাশের প্রাম থেকে তাদের নিয়ে আসা হয়েছিল। সার্কেল অফিসের বিভিন্ন রুমে আমরা অনেক প্রমান পাই যে নারীদের জানালার সাথে বেঁধে রেখে বারবার রেপ করা হয়েছিল। পুরা মেঝে ভরে ছিল রক্তে, লম্বা চুলে আর ছেঁড়া কাপড়ে।
একজন নির্যাতিতের কথা পাবেন নিচের ইউ টিউব লিঙ্কে।
এক কর্মকর্তার স্ত্রী
এই অংশটুকু নেয়া হয়েছে Amita Malik's The Year of the Vulture (New Delhi: Orient Longmans, 1972, pp. 141-42) থেকে।
তিনি (২৫ বছর বয়স) ছিলেন এক সরকারী কর্মকর্তার স্ত্রী। তাঁর তিন ছেলেমেয়ে ছিল। আর্মিরা প্রথমে তাঁর স্বামীকে নিয়ে যায়, আর প্রায় অর্ধ মৃত অবস্থায় ফেরত দেয়। তারপর অন্য একদল আর্মি আসে সকাল ৮-৯ টার দিকে। আর তাঁকে রেপ করে তাঁর স্বামী সন্তানদের সামনে। তারপর আরো একদল আর্মি আসে দুপুর ২.৩০ টার দিকে আর তাঁকে তুলে নিয়ে যায়। এক ব্যাকারে আটকে রেখে তাঁকে বারবার রেপ করে প্রতি রাতে তিনি অজ্ঞান না হওয়া পর্যন্ত। তিন মাস পরে যখন তিনি ফিরে আসেন, তিনি ছিলেন প্রেগন্যান্ট। গ্রামের মানুষজন তাঁকে সহানুভুতি জানায় কিন্তু তাঁর স্বামী তাঁকে ফেরত নিতে অস্বীকার করে। গ্রামের মানুষ জোর করায় তাঁর স্বামী আত্মহত্যা করে। আমরা তাঁকে সাহায্য করার চেষ্টা চালাচ্ছি কিন্তু তিনি একটি কথাই বারবার বলে যাচ্ছেন “But why, why did they do it? It would have been better if we had both died”।
এক মৌলভির কথা
এই অংশটুকু নেয়া হয়েছে Amita Malik's The Year of the Vulture (New Delhi: Orient Longmans, 1972, pp. 102-4) থেকে। এটি শেখ মুজিবের নিজ গ্রামের কাহিনী।
১৯শে এপ্রিল, ১৯৭১ তারিখে সকাল ৮ টার দিকে প্রায় ৩৫ জন আর্মি লঞ্চে করে আমাদের গ্রামে আসে। কিছুদিন আগে আমি শেখের বাবা মাকে বলেছিলাম গ্রাম ছেড়ে যেতে কিন্তু তাঁরা রাজি হন নাই। আর্মিরা এসে আমাকে দেখতে পেয়ে জিজ্ঞাসা করে, এই মৌলভি, শেখের বাবা মা কোন বাড়িতে থাকে। আমি তাঁর বাবাকে ডেকে আনি। আমরা একটা চেয়ার দিয়েছিলাম কিন্তু আর্মিরা তাঁকে মাটিতে বসতে বাধ্য করে। তারপর শেখের মা আমার হাত ধরেন, আর আমি তাঁকে চেয়ারে বসতে সাহায্য করি। আর্মিরা শেখের বাবার পিঠে স্টেন গান আর আমার পিঠে একটি রাইফেল ধরে আর বলে দশ মিনিটের মাঝে তোমাদের মেরে ফেলবো।
তারা শেখের বাড়ি থেকে একটি ডায়েরি আর কিছু ঔষধ নেয়, আর আমার কাছে চাবি খুঁজে। আমি চাবি দিলে তারা ট্রাঙ্ক ভেঙ্গে তল্লাশি চালায়; যদিও পাঁচটি চামুচ ছারা আর কিছুই মেলে নাই। তারা একটি ছবি দেখে আমাকে জিজ্ঞাসা করে এটা কার। শেখ মুজিবের বলায় তারা সেইটাও নিয়ে যায়।
তারা আমাকে রাইফেল দিয়ে মেরে শেখের বাবার পাশে টেনে নেয় আর আবারো মেরে ফেলার হুমকি দেয়। আমি জিজ্ঞাসা করি শেখের বাবাকে কেন মারবে? তারা বলে “"Is lire, keonki wohne shaitan paida kira hai" ["Because he has produced a devil."]” আমাকে কেন মারবা যে কিনা মসজিদের ইমাম? তারা বলে “Aap kiska imam hai? Aap vote dehtehain" ["What sort of an imam are you? You vote."]” ক্যাপ্টেন তখন আরো বলে ৮ মিনিট গেছে আর ২ মিনিট পরে গুলি করা হবে। তখন একজন মেজর দৌড়ে আসে লঞ্চ থেকে আর নির্দেশ দেয় আমাদের না মারার। আর শেখের বাড়ি পুড়িয়ে দেয়া হয়।
আমি সাথে সাথে মসজিদে যায় আর প্রায় ৫০ জনের মত গ্রামবাসীকে দেখতে পাই। আর্মিরা এরই মধ্যে তিনজন বালককে টেনে বের করে গুলি করে মারে। খান সাহেব (শেখ মুজিবের চাচার) একজন কিশোর ভৃত্য ছিল এরশাদ নামে। আর্মিরা আমাকে তার কথা বললে আমি বলি যে সে একজন কাজের ছেলে। কিন্তু তখন এক রাজাকার মৌলভি (পাশের গ্রামের) বলে যে ঐ ছেলেটা শেখ মুজিবের আত্মীয় যা আদতে মিথ্যা ছিল। আর্মিরা এরশাদকেও লাইনে নিয়ে যায়। ছেলেটা পানি খেতে চাইলেও দেয়া হয় নাই। ঢাকা থেকে আসা একটি কিশোর যে সেখানে তার বাবার সাথে কাজ করতো তাকেও মেরে ফেলে আর্মিরা। এরশাদকে তার মায়ের সামনে গুলি করে মারে। গুলির পরে এরশাদ একটু নড়াচড়া করলে আবার তাকে গুলি করে। আর্মিরা ঐদিন মোট ছয়জন নির্দোষ কিশোরকে হত্যা করে কোন কারন ছাড়াই। তোরাব ইয়াদ আলীর মা বারবার বলেও ছেলেকে কবর দেয়ার জন্য নিয়ে যেতে পারেন নি, কারন আর্মিরা চাচ্ছিল এইসব মৃতদেহ দেখিয়ে সবাইকে ভয় দেখাতে। এই বিধবার ১০ বছরের সন্তান মিঠুকেও তারা গুলি করে। কারন ছিল মিঠু মুক্তি বাহিনীকে সাহায্য করেছিল।
ফয়েজ লেকের হত্যাকান্ড
এই অংশটুকু নেয়া হয়েছে রশিদ হায়দারের এডিট করা “১৯৭১: ভয়াভয় অভিজ্ঞতা” (ঢাকা, জাতীয় সাহিত্য প্রকাশনী, ১৯৮৯) বইয়ের আব্দুল গোফরানের “ফয়েজ লেকের গণহত্যা” অধ্যায় থেকে।
পাহাড়তলির আকবর শাহ মসজিদের কাছে আমার একটা দোকান ছিল। ১০ই নভেম্বর, ১৯৭১ সকাল ৬ টার দিকে প্রায় ৪০-৫০ জন বিহারি আমার দোকানে এসে জোর করে আমাকে নিয়ে যায়। তারা আমাকে ফয়েজ লেকে নিয়ে যায়। সেখানে আমি দেখতে পাই পাম্প হাউজের উত্তর পাশে লেকের ধারে অনেককে হাত বেঁধে রাখা হয়েছে। বিহারিদের হাতে ছুড়ি, তলোয়ার বা শার্প অন্য কোন অস্ত্র ছিলো। বিহারিরা প্রথমে বাঙ্গালিদের মারধোর করছিল আর অস্ত্রধারীদের কাছে নিয়ে যাচ্ছিল। একদল অস্ত্রধারী বিহারিরা অসহায় মানুষগুলোর পেটে ঘুষি মারছিল আর তলোয়ার দিয়ে মাথা বিচ্ছিন্ন করছিল। আমি বেশ কয়েক গ্রুপ বাঙ্গালিকে এভাবে মেরে ফেলতে দেখি। একজন বিহারি আমার দিকে আগায় আর আমার সোয়েটার খুলে নেয়। তখন আমি তাকে ঘুসি মেতে লেকে ঝাঁপ দেই। অন্যপাড়ে যেয়ে আমি খোপের আড়ালে লুকাই। তারা আমার খোঁজে আসলেও আমি ভাগ্যক্রমে লুকিয়ে থাকতে সক্ষম হই। ঝোপের আড়ালে থেকে আমি আরো অনেককে একইভাবে হত্যা করতে দেখি।
দুপুর দুইটা পর্যন্ত এই হত্যাকান্ড চলতে থাকে। এ সময়ের দিকে তারা ১০-১২ জন বাঙ্গালির একটি দলকে আনে। আর তাদেরকে দিয়ে গর্ত খুড়িয়ে লাশগুলো কবর দেয়ায় এবং তাদেরকেও মেরে ফেলে অবশেষে। তারপর আনন্দে চিৎকার করতে করতে বিহারিগুলো চলে যায়। তখনো অনেক লাশ আশেপাশে পড়ে ছিল।
ছবি কৃতজ্ঞতাঃ উইকিপিডিয়া
প্রকাশ করা হয়েছে: মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:৫২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
আলম ভাই বলেছেন:
কষ্ট করার জন্য কৃতজ্ঞতা৷ একই সাথে আপনার যদি ব্লগস্পট বা অন্যকোথাও স্পেস থাকে সেখানেও পোস্ট কইরা রাখেন৷ গুগুল সার্চে যেন আসে
লেখক বলেছেন: আচ্ছা।
আমারে আপনি কইরা কইলে সিরিকাস মাইন্ড খামু। আমারে আবার আপ্নে কইরা কবে থাইকা কন মিয়া!! ![]()
লেখক বলেছেন: এই পোস্টটা লেখার সময়ে আমার চোখে পানি আসছিলো। আর খালি চিল্লাইতে ইচ্ছা করতেছিল পাকিস্তানি তোরা শুয়োড়ের জাত। তোরা সব শুয়োড়।
সমালোচনাকারী বলেছেন:
স্টিকি করা হোক! গুড জব রাশু!
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস।
বোঘদাদি হেকিম বলেছেন:
রাশেদ পোলাট চোখের সামনে জাঝা হইয়া গেলো। ষ্টিকি করা হউক
লেখক বলেছেন: সব আপ্নাগো দোয়া। অনেক ধন্যবাদ গুরু।
আলম ভাই বলেছেন:
ভালো কথা কওনের সময় সবাইরে আপ্নে কই৷ রেগুলার কথার সময় তুমি, সেইসময় আইজুদারেও তুমি কই৷ ছাগুদের মাঝে মাজে তুই বলে থাকি
লেখক বলেছেন: আচ্ছা।
বোঘদাদি হেকিম বলেছেন:
আলমে আমারে আবার আপনে কইলো কবে?
দস্যু বনহুর বলেছেন:
অসাধারন কাজ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
অসাধারণ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
শফিউল আলম ইমন বলেছেন:
রাশেদ ভাই আরেকটা অসাধারন পোষ্ট।খাটুনি করার জন্য ধন্যবাদ ও কৃতগ্গতা।
পোষ্টটি স্টিকি করার জন্য কতৃপক্ষের কাছে অনুরোধ করছি।
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস।
এস্কিমো বলেছেন:
রাশেদ,বলার মতো ভাষা নেই। শুধু একটা কথাই বলতে চাই - ১৯৭৫ থেকে ১৯৯০ পর্যণ্ত যে কঠিন অন্ধকারাচ্ছন্ন সময় ছিল - তা কেটে গেছে।
আমার পক্ষ থেকে অসংখ্য শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: আপ্নাকেও ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস।
মানুষ বলেছেন:
অসাধারণ কাজ করছে পোলা। স্টিকি করা হোক।
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু।
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস।
দোলাহাসান বলেছেন:
অসাধারণ। স্টিকি করা হোক।
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস।
আবুল বাহার বলেছেন:
মুক্তিযুদ্ধের এই সব অসমান্য দলিল আমাদেরই সংরক্ষন করতে হবে । আগুনঝরা কথা মালা । রাশেদ আমিও অনেক সময় লেখার সময় চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনা । ভাবি মানুষ হয়ে মানষের উপর এমন নির্মমতা কিভাবে করতে পারে ওরা । ইসলামের নামে ওদের এই নির্মমতাকে আবার জায়েজ করার চেষ্টা করে এখনো কোন কোন শুয়রের বাচ্চার দল.
লেখক বলেছেন: কি আর বল্বো!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
রাতমজুর বলেছেন:
স্টিকি করা হোক। +
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস।
রামন বলেছেন:
খুনি পাকিস্তানি কর্তৃক হাজারো নির্মম ও বর্বরতার কাহিনী থেকে কিছু তথ্য আজকের এই বিশেষ দিনে অসাধারনভাবে উপস্হাপনার জন্য অশেষ ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ঠিক। এর থেকেও একাত্তরে ভয়াভয় কত কিছু যে অজানা রয়ে গেছে। কে জানে! কি আর বল্বো!
রাগিব বলেছেন:
রাশেদ, অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: আপ্নাকেও ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
নেমেসিস বলেছেন:
বছর বছর কি এগুলোই দেখে যাবো? এই সব মানুষগুলোর জন্য রাস্ট্রীয়ভাবে কবে কিছু একটা করে দেখাবো আমরা ? ইদানীং ভীষন লজ্জা লাগে । এই দেশে এতো কিছু হলো কিন্তু আসল কাজটাই হচ্ছে না তবু আপনাকে ধন্যবাদ । নির্মম ঐ ইতিহাসকে তুলে ধরার জন্য ।
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস।
লাল দরজা বলেছেন:
কবি গাহিয়া ছিলেন,
আমাদের দেশে সেই ছেলে হবে কবে
কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে...
কবির সে আক্ষেপ আজ নিশ্চয় লাঘব হইয়াছে,
আমাদের ছেলেরা অনেক ভালো কাজ করিতেছে।
ছোট ছোট বালু কনা বিন্দু বিন্দু জল
গড়ে তোলে মহা দেশ সাগর অতল...
রাশু ভাই, অনেক দোয়া রইল। পবিত্র কাজে নিজেকে এমনি জড়িয়ে রাখুন।
আমাদের টেটনা বুদ্ধি-বেজী'রা যাই বলুক ভার্চুয়াল জগতের এই রকম বিন্দু বিন্দু আবেগের জল আর বালু কনার মতো ছোট ছোট প্রচেষ্টা'র নিশ্চয় অনেক দাম। আনেক দাম।
প্রতিটি ক্ষুদ্র চেষ্টাই অনন্য, এ বিশ্বাসই মানুষকে আশাবাদী করে প্রেরনা দেয়।
আমার রাশু ভাই হুমাইতে হমাইতে এ্যাত্তো বড় একটা পোষ্ট লেখার মতো বড় হইছে ভাবতেই আমি আকুল হয়ে যাই।
স্বাধীনতা'র শুভেচ্ছা, ভাই আমার।
লেখক বলেছেন: লালুদাআআআ!
অনেক অনেক ধন্যবাদ এত্ত এত্ত সুন্দর একটা কমেন্টের জন্য।
দোয়া করবেন।
আমি আসলেই খুব খুশি হইছি আপনার কমেন্টে। খুব ভালো লাগছে।
আপ্নাকেও স্বাধীনতার শুভেচ্ছা।
নিবিড় অভ্র বলেছেন:
ধন্যবাদ.......এই পোস্টের জন্য...........
আর হ্যা...... পাকিস্তানি আর্মি আর রাজাকারদের শুয়োর বলবেন না। প্লিজ.........। কারণ একটু আগে ১ টা শূকর এসে আমাকে বলে গেল, এরকম চলতে থাকলে লজ্জায়,ঘৃণায় শূকর জাতি মিলিতভাবে আত্মহত্যা করবে!!!!
ওরা কেঁদে বলছিল আমরা সৃষ্টির সেরা জীব হয়ে যেন শূকরদের পাক আর্মি বলে গাল না দিই!!!
এখন কি করা যায় বলেন তো?? পাক আর্মি বা রাজাকারের চেয়ে জঘন্য কোন গালি খুঁজে বের করুন ............... জলদি..........
নইলে গালি দিতে না পেরে আমরা হিংস্রতর হয়ে উঠব যে..।
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক সুন্দর করে একটা কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ।
এদেরকে যে আসলে কি বলে গালি দেয়া যায় সেইটা নিজেও বুঝতেছি না।
সাগর নীল বলেছেন:
দেখেন সাধীনতাকে পজীটভ চোখে দেখুন , মনে রাখবেন এইটা ছিল মুক্তির জন্য যুদ্ধ। আর বাংলাদেশ কি মুক্তিপেয়েছে ? বাংলাদেশ তো দুনিয়ার সবচেয়ে গরীব দেশ। আগে আমাদের ইকোনোমিকালি ডেভেলাপ করতে হবে। তবেই রিয়েল সাধীনতা পাব। ৭১ এ যে অপরাধগুলো হয়েছে তার বিচার তো অলরেডি হয়ে গেছে, এখন আর অইগুলি নিয়ে হা পিত্তেশ না করে আসুন দেশ গড়ার কথা বলি, আসুন দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করি।
লেখক বলেছেন: ছাগু তোরে ব্লক কর্লাম।
চেতনা শব্দটার মানে বুঝিস!!
জেনারেল বলেছেন:
অসংখ্য ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ওয়েল্কাম বস।
লেখক বলেছেন: তাই নাকি!
সাইফুর বলেছেন:
রাশু দাদারে সেলাম
লেখক বলেছেন: হে হে!
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস।
লেখক বলেছেন: ধুর মিয়া!
মানুষ বলেছেন:
রাশু পারলে নীল ছাগলটাকে ব্লক করো। নিজের আপনজনের করুন কাহিনী পড়েও যে শুওর বলতে, পারে যা হবার হয়ে গেছে ... তাকি কি বলবো, নৃপংশুক নাকি ট্রেইটর? এই পোস্টে কোন অপবিত্র কথা দেখতে চাই না।
লেখক বলেছেন: দিছি।
পুসকি বলেছেন:
অসাধারণ। স্টিকি করা হোক।
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু পড়ার লাগি।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: পড়ে, জানে, কিন্তু বিবেক নাই ওদের!
লেখক বলেছেন: হুমম...
তানজিলা হক বলেছেন:
ভালো লিখা++++++
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
অপর মানব বলেছেন:
এইখানেও কোন এক বরাহ নন্দন এসে মায়নাস দিয়েছে। রাশেদ তার নামটা বলেন।অসাধারন কাজ করছেন ভাই আপনে।
লেখক বলেছেন: চেতনা মনে হয়। নাইলে নীল ছাগুটা।
হইছে, তাই না? অনেক কিছু জানতে পারলাম........কাজেই আপনার
কষ্ট স্বার্থক.......। প্লাস.....
লেখক বলেছেন: খুশি হইছি পড়ছো দেখে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: হুমম...
তীরন্দাজ বলেছেন:
অসাধারণ! সত্য কথন! সাবাশ রাশেদ!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
রাগিনী বলেছেন:
চেতনাধর্মী লেখার জন্য ভালো লাগলো.........স্বাধীনতা অর্জন করেছি এখন রক্ষাতেই স্বার্থকতা।
++++++
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস।
পুতুল বলেছেন:
রাশু ভাই,খুব ভাল লাগল ,জীবনের ১ম কমপিউটারে বাংলা লিখা সার্থক হল;এত অসাধারণ লেখায় সাধুবাদ জানাতে পেরে!ভাল থেকো 'ভাবী'
লেখক বলেছেন: শুভ ভাবী!!!!! আপ্নাকেও অনেক ধন্যবাদ।
সাথে পুতুল ভাইকেও।
লেখক বলেছেন: আপ্নাকেও থ্যাঙ্কস পড়ার জন্য।
মিরাজ বলেছেন:
অসাধারণ কাজ । রাশেদের লেখা ব্লগের সেরা পোষ্ট ।
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস।
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু টাকিলা চাচ্চু।
লেখক বলেছেন: ওয়েলকাম।
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু।
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস।
রাশেদ বলেছেন:
জানা আপা ও সা. ইনকে অনেক ধন্যবাদ পোস্টটা স্টিকি করার জন্য।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
রুবেল শাহ বলেছেন:
দোস তুলানাহীন কাজটা করেছিস----------ধন্যবাদ দোস-------------- +
আমার নেট খারাপ ছিল তাই পড়তে পারিনি-- অনেক দেরিতে পড়লাম
ভাল থাকিস
লেখক বলেছেন: সমস্যা নাই। পড়া হইলেই খুশি আমি। থ্যাঙ্কু।
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
অসাধারণ বলার পাশাপাশি শুধু বিনীতভাবে এইটুকু বলবো এটি ব্লগে আপনার সেরা পোস্ট। ধন্যবাদ রাষূ ভাই।
লেখক বলেছেন: হা হা! তাই নাকি!
থ্যাঙ্কু।
লেখক বলেছেন: বুঝতেছি না কি হইতেছে।
সময় দেও তাদের।
লেখক বলেছেন: হু। পোস্ট করে দেখছি সংকলন বিভাগে আসে না। একদম উপরে ক্রমানুসারে ট্যাব সিলেক্ট কর। তাইলে দেখতে পাবা। আমি তো পইড়া আসলাম তোমার পোস্ট।
ইয়র্কার বলেছেন:
তথ্যবহুল পোস্টের জন্য স্যালুট!
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস বস।
এম্নে কইয়া শরম দিয়েন না।
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
একেবারে তাজা লেখা, ভাই। এখনও আবেগে কাঁপছি আর ওদের গাল দিচ্ছি। দুঃখ একটাই ওদের বিচার আমরা করতে পারলাম না।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
অক্ষর বলেছেন:
ইয়র্কার বলেছেন: তথ্যবহুল পোস্টের জন্য স্যালুট!
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু।
তামিম ইরফান বলেছেন:
দারুন লেখছেন ড়াশু ভাই।অনেক কিছু জানতে পারলাম। আপনা কে এই পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ জানানোর মতো ভাষা খুজে পাচ্ছিনা।
লেখক বলেছেন: পড়ছো, তাতেই খুশি আমি।
মানবী বলেছেন:
অসাধারন পোস্ট, ধন্যবাদ ভাইয়া।এধরনের একটি পোস্ট রেডি করে এসছিলাম আজ সামহোয়্যারের জন্য, ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারে প্রথম পাতার দূরাবস্থা দেখে আর ইচ্ছে করেনি। এখন বুঝতে পারছিনা পোস্ট করবো কিনা!!!
রাশেদকে আবারো ধন্যবাদ চমৎকার পোস্টের জন্য।
+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপুনি।
ফায়ারফক্স ব্যাবহার করেন। সব ওকে দেখাবে।
http://www.mozilla.com/firefox/
আবারো ধন্যবাদ আপনাকে পড়ার জন্য।
লেখক বলেছেন: হা হা! তাই নাকি!
মানবী বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া। আমি এক্সপ্লোরারে লয়াল ইউজার, অন্য ব্রাইজার ইউজ করতে ইচ্ছে করেন :-)পোস্টটি এমনি দিচ্ছি, কারো পক্ষে পড়া সম্ভব হলেই হলো।
আবারো ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: হা হা! আচ্ছা।
তবে ফায়ারফক্স একবার ইউজ করলে ভুলেও আর IE উইজ করবেন না জীবনে। ![]()
থ্যাঙ্কু, দেন, পড়তে যাইতেছি।
কিন্তু কথা হচ্ছে সংকলন বিভাগে ভালো লিখা কি মাপকাঠির বিচারে
নির্বাচিত হবে তা তো বলে নাই...নাকি আগের মতো নির্বাচিত হবে??
লেখক বলেছেন: এইটাই তো প্রশ্ন! দেখা যাক কি হয়!
কতবতবকতকত বলেছেন:
জটিলস; ফাটাফাটিসটিকস...! আর কিছু খুজেঁ পাচ্ছি না বলার মত। পেলে আবার এসে জানিয়ে যাব। কোথা থেকে খুজে পেলে এত তথ্য? ওয়াও। রিয়েলি ব্রিলিয়েন্ট!!!
অবাংগালী কথাগুলো ইংরেজী লেটারে লিখেছো দেখে খুব ভাল লেগেছে। আর ওটা হবে, "you cast vote".
+ এবং প্রিয় পোস্টে রাখলাম। As u deserved this!
লেখক বলেছেন: আমারো তাই ধারন। কিন্তু মেইন ইংলিশে You Vote লেখা ছিলো দেখে আর চেঞ্জ করি নাই।
থ্যাঙ্কু।
ফয়সল নোই বলেছেন:
ভাল্লাগলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যইবাদ।
ফয়সল নোই বলেছেন:
না,আসলেই আপনার এই লেখাটি দেখে এতো ভালো লেগেছে যে কি বলবো!আমি ভাবতাম আপনি ডিজুস!বুঝাই যাচ্ছে অনেক পরিশ্রম হয়েছে লেখাটির জন্য।আর এই পরিশ্রম করেছেন দেশাত্ববোধক তাড়না থেকে।আপনার এই বোধের প্রতি আমার শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।
লেখক বলেছেন: হা হা! ডিজুস হইতে পারলে তো ভালোই ছিলো। কপাল খারাপ।
থ্যাঙ্কস সুন্দর কমেন্টের জন্য।
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
দারুণ দারুণ এবং দারুণ কাজ হয়েছে, প্রিয় রাশেদ । অনেক ধন্যবাদ কষ্টলব্দ এই পোস্ট উপহার দেবার জন্য ।
প্রিয়তে যোগ করলাম।
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস শিপন ভাই।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: হু, দিয়ে দিছি। থ্যাঙ্কস।
ইরতেজা বলেছেন:
কি আর বলব রাশেদ ভাই? মুখের ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। সামহোয়ারে এই প্রথম বার কোন ব্লগ পর পর দুই বার পড়লাম। এত এত কষ্ট করে এত বড় একটা দলিলের জন্য স্যালুট নিন।আমি খুব অবাক হলাম একজন স্বামী তার অসহায় বৌঊকে বাড়ী তুলে নেয় নি। এই মানুষেরা রাজাকারের চেয়ে অধ্ম।
ফয়েজ লেক আমার বাসার খুব কাছে। সেখানে একটা স্মৃতিসৌধ হবার কথা ছিল । সেটা কি হয়েছে। আশির দশকেও ভাল করে খুজলে সেখানের ঝোপে মানুশের হাড় পাওয়া জেত।
এত বড় অন্যায়, এত নিষ্ঠুর , এত করুন, এত বড় পাপের বিচার না হইলে নিজেরে আর মানুষ বইলা দাবি করতে লজ্জা হইব।
লেখক বলেছেন: হু! জাফর ইকবালের একটা উপন্যাস আছে এইরকম ঘটনার স্বীকার হওয়া এক মা'কে নিয়ে।
আকাশ কুশুম বলেছেন:
পড়তে পড়তে চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনা । কতখানি নিষ্ঠুর ও র্ববর হলে মানুষ মানুষের উপর এমন অত্যাচার করে। পাকিস্তানি কর্তৃক হাজারো নির্মম ও বর্বরতার কাহিনী বিভিন্ন লিংক থেকে তুলে এনে আমাদের পড়ার সুযোগ করে দিয়েছেন বলে আপনাকে অনেক সাধুবাদ।
লেখক বলেছেন: কি যে বলি...
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
এমন ভাল পোষ্ট এ ব্লগে খুব বেশী নেই....ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করব না। এমন লেখাইতো মানুষের মাঝে দেশপ্রেম জাগিয়ে তুলবে...আর হানাদারের জন্য ঘৃনা। আমাদের মানুষগুলোর প্রতি এত অত্যাচার হয়েছে আমরা এত ত্যাগ স্বীকার করেছি...আবার একবার নাড়া দিল মানুষের মনে..আবার একবার আমরা মানুষ হলাম। রাশেদ....
লেখক বলেছেন: খুব খুশি হইছি আপনার কমেন্টে। থ্যাঙ্কস আপনাকে।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
জটিল্লেখা!
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু।
লেখক বলেছেন: হু!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু।
রোবোট বলেছেন:
আজ ২৬শে মার্চ। আজ মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী কোনো পোস্ট ছাপা হবে না ।৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধের কোন বিপক্ষ শক্তির বাণী পোষ্ট করা যাবেনা ।
ব্লগাররা সাহায্য করুন।
লেখক বলেছেন: আছি।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: যাক! বাইচা আছো! ![]()
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
দুইদিন ব্লগে আসি নাই।আইসাই দেখি তোমার পোষ্ট স্টিকি করছে।দুর্দান্ত লেখছো ও চমৎকার কালেকশন।প্রিয়তে রাখলাম।++
লেখক বলেছেন: তাই নাকি! মেলা থ্যাঙ্কস।
মনের কথা বলেছেন:
দারুন কাজ করেছ।
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস তোমারে।
জাতিষ্মর বলেছেন:
স্টিকি করা হোক। +
লেখক বলেছেন: হুমম...
লেখক বলেছেন: ধুর মিয়া!
থ্যাঙ্কু থ্যাঙ্কু।
লেখক বলেছেন: মোস্ট ওয়েলকাম আপ্নারে।
সৈয়দ আমিরুজ্জামান বলেছেন:
ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ওয়েল্কাম।
দুঃখবিলাস বলেছেন:
রাশু, এটা শুধু সা,ই, নয়, অন্য কোথাও রাখো। গুগল বা অন্য কোথা থেকেও যেন সার্চ করে পাওয়া যায়, সেই ব্যবস্থা করো।তোমায় ধন্যবাদ, ভালো লেখার জন্য।
_______
এই ধরণের পোস্টে যারা মাইনাস দেয়, তাদের কথা ভাবছি। এত সাহস পায় কি করে?
লেখক বলেছেন: হোকে।
ব্লগে তো দেখতেছেন তাদের লাফালাফি! কি আর কমু! ![]()
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
জটিল হয়েছে।
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস।
দিগন্ত বলেছেন:
পড়ে চোখে জল চলে এল। কিন্তু লেখার শেষে দেখি - "পোস্টটি ৬৩ জনের ভাল লেগেছে, ২ জনের ভাল লাগেনি"। কোনো মানুষের পক্ষে এই পোস্টে "ভাল্ লাগেনি" দেওয়া সম্ভব?
লেখক বলেছেন: তারা মানুষ কে বলছে! অমানুষ সব জায়গাতেই আছে।
ফাহমিদুল হক বলেছেন:
ধন্যবাদ, অভিনন্দ্ন। প্লাস।
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস ফাহমিদ ভাই।
হতাশ_আমি_যাণ্ত্রিক বলেছেন:
আমার মাঝে মাঝে মনে হয় রাজাকার কুত্তার বাচ্চাগুলারে গুলি করে মেরে ফেলি।আর একটা জিনিস বুঝি না যে, যারা এদের সাথে স্বার্থের জন্য হাত মেলায় তারা কেমন মানুষ, আরে ভাই ওরা তো চান্স পেলে তোকে ও মেরে ফেলতো। আবার এই হাত মেলানো লোকদের মধ্যে নাকি কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধাও আছে (রাজনৈতিক দলের নেতা)! এদের মন মানসিকতা বোধহয় স্বয়ং almighty god ও জানেন না। আমার ইচ্ছা করে কি জানেন? রং দে বাসন্তী ' র মতো কিছু একটা করে ফেলি। এদের বাঁচা উচিত না।
লেখক বলেছেন: সব ক্ষমতার লালসা! আর কি কমু...
সুদীপ্ত শর্মা বলেছেন:
সস্তা ধন্যবাদ ছাড়া আর কিইবা দিতে পারি....
লেখক বলেছেন: পড়লেই হবে ভাইজান।
একস্লিপ বলেছেন:
খুবই ভালো কাজ হয়েছে এটি।
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস।
বালুকাবেলা বলেছেন:
দাদা, আগে পড়ার সময় পাইনি, এখন পরলাম সত্যি খুব মুল্যবান একটি পোষ্ট। এড করলাম আমার প্রিয় পোষ্টে !
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস তোমারে।
প্রিয় বলেছেন:
চমৎকার, আমি কি আমার ওনলাইন সাইটের জন্যে লিখাটি নিতে পারি?
লেখক বলেছেন: ওকে। সমস্যা নাই। তবে এটি অনুবাদ করা। মুল লেখাটার লিঙ্ক উপরে আছে।
রিফাত হোসেন বলেছেন:
ধন্যবাদ । এই পাকিস্তানকে এত ছাড় দিল কিভাবে বাংলাদেশ আমি বুঝে পাই না ।
লেখক বলেছেন: আপ্নে এত পুরান ব্লগার হইয়াও এই কথা কন!! মেলা পোস্ট তো আলরেডি পাবার কথা এরই মধ্যে এই ব্যাপারে। ডাইন দিকে তাকাইয়েন প্রথম পাতায়। একটা পোস্ট আছে এই বিষয়ে।
ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপ্নাকেও ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু চিকনা।
ইয়র্কার বলেছেন:
হ, সেইডাই।
হনলুলু বলেছেন:
৫
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
Great!
মুক্তি বলেছেন:
আহারে কি কু পথে এই পোষ্টাকে দৃষ্টি আর্কষনীতে আনা হইলো। চু চু চু। কি অবস্থা, অবশ্য মুক্তিযুদ্ধের ধর্মনিরপেক্ষতার চেতনা প্রতিষ্ঠিত করার জন্য ধর্ষণ করতে পারলে। এই পোষ্ট কু পথে কেন স্টিকি করা যাবেনা?
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
দারুন কাজ রাশেদ ভাই+++
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
একদিন হয়তো সামহোয়ারে এমন পোস্টই স্টিকি হবে। তখন শুরু থেকে করা মন্তব্যগুলোও একই থাকবে। শুধু বদলে যাবে নামগুলো
রুবেল শাহ বলেছেন:
রাশু দোস অসাধারণ পোষ্টাটা এত দেরিতে আমি খেয়াল করলাম-------অসাধারন পোষ্ট। প্রিয়তে +
মানবী বলেছেন:
অবাক হয়ে যাই! একজন মানসিক ভারসাম্যহীন আর্ধোন্মাদ কিভাবে এতো জন মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করে!!!!!!!!!!!!
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
এসব কি শুরু হয়েছে রাশেদ ? অসহ্য লাগছে ।দয়াকরে, আপনার পোস্টটি ফিরিয়ে দিন ।
মিরাজ বলেছেন:
৩০ শে মার্চ, ২০০৮ ভোর ৪:১১comment by: মানবী বলেছেন: অবাক হয়ে যাই! একজন মানসিক ভারসাম্যহীন আর্ধোন্মাদ কিভাবে এতো জন মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করে!!!!!!!!!!!!
-----------------------------------------
পূর্ণ সহমত । আমরা পুতুল নাচের মতো করে নাচছি, এটাই সবচেয়ে বেশী অসহ্য লাগছে ।
রাশেদের এই পোষ্ট আমি কোন অবস্থাতেই মেনে নিতে পারিনা ।
লেখক বলেছেন: আমিও মেনে নিতে পারতেছি না। অরিজিনাল পোস্টটা লেখার সময়ে আমার চোখে পানি আসছিল, সেই পোস্টে আমাকে এইসব লিখতে হইতেছে। কিন্তু ওয়ামি ব্যান হবার পর থেকে তাদের আস্ফালন অতিরিক্ত বেড়ে গেছে। সেইটা নিশ্চই খেয়াল করেছেন। নীতিমালা আসার পরেও এইসব দেখতে হচ্ছে বলে রাগ সাম্লাতে পারতেছি না। এইটা এইসবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ। এর বাইরে আর কিইবা করার আছে আমার!! তারা তো বহাল তবিয়তে ঠিকই ব্লগিং করে যাচ্ছে। পোস্টগুলোও প্রথম পাতায় আছে এখনো। তাই প্রতিবাদ জানাইলাম এভাবে। জানি এইটা অনেকেই পছনদ করবে না, কিন্তু আমি নিরুপায়।
হনলুলু বলেছেন:
অসাধারণ লেখা রাশেদ ভাই।
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
good work
মানবী বলেছেন:
রাশেদ, খুব সহজ একটি কথা ভেবে দেখুন।কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষনের জন্য কিছু লিংক দিয়েছেন, সেই কর্তৃপক্ষ জাগবেন/আসবেন প্রায় চার ঘন্টা পর। এই চার ঘন্টা আপনি কিন্তু এই পোস্টগুলোর পাবলিসিটি করছেন।
সাধারন ব্লগাররা কৌতুহলী হয়েও ক্লিক করবেন, পোস্টদাতা আনন্দে আটখান! আমরা মহা মহা হিট সংখ্যা জানিয়ে নতুন নতুন বিরক্তিকর পোস্ট পাবো! এই চেইন রিএ্যাকশন চলতেই থাকবে।
লেখক বলেছেন: আপুনি আমিও মেনে নিতে পারতেছি না। অরিজিনাল পোস্টটা লেখার সময়ে আমার চোখে পানি আসছিল, সেই পোস্টে আমাকে এইসব লিখতে হইতেছে। কিন্তু ওয়ামি ব্যান হবার পর থেকে তাদের আস্ফালন অতিরিক্ত বেড়ে গেছে। সেইটা নিশ্চই খেয়াল করেছেন। নীতিমালা আসার পরেও এইসব দেখতে হচ্ছে বলে রাগ সাম্লাতে পারতেছি না। এইটা এইসবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ। এর বাইরে আর কিইবা করার আছে আমার!! তারা তো বহাল তবিয়তে ঠিকই ব্লগিং করে যাচ্ছে। পোস্টগুলোও প্রথম পাতায় আছে এখনো। তাই প্রতিবাদ জানাইলাম এভাবে। জানি এইটা অনেকেই পছনদ করবে না, কিন্তু আমি নিরুপায়।
প্রতিদিন তারা এইসব পোস্ট দিয়ে যাচ্ছে। এইটা তার বিরুদ্ধে প্রতিকী প্রতিবাদ।
আমি লজ্জিত আপনি যদি কষ্ট পেয়ে থাকেন।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
মিরাজ আপনি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে পোস্ট রিস্টোর করে ফেলেন। আপনার অস্থিরতা কমে যাবে। মন থেকে সায় না এলে কিছু করা ঠিক না।
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
কিন্তু সমস্যাও আছে....এইটাও একটা কাদা (নোংরা কাদা) ছোড়াছুড়ি খেলা।তাই এইটা গুড ওয়ার্ক েয েসেন্স বললাম সেটা র চেয়ে খারাপ দিকটাো ভেবে দেখার মতো....
ওই সব গোবেচারা উন্মাদদের কে বেশী লাই দেয়া হয়ে গেলোনা এইটা ষ্টিকি করার কথা বলে
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
পথিক। দুইদিক ভাইবাই তারপর সিদ্ধান্তসূচক কথা বলা ভালো।
মিরাজ বলেছেন:
@ অমি রহমান পিয়ালআমার পোষ্ট ড্রাফট করা নিয়ে কোন অস্থিরতা নেই ।
আপনি প্রতিবাদের জন্য হলেও এইসব নোংরামীকে (যেটি এখন রাশেদের ষ্টিকি পোষ্টের কনটেন্ট) মেনে নিতে পারছেন, কিন্তু আমি সেটি পারছিনা । নোংরামী আমার কাছে নোংরামীই । সবার চিন্তাভাবনার ধরণ একই হবে এমনটি আমি আশাও করিনা । তবে আমার যা মনে হচ্ছে সেটি বলার স্বাধীনতা নিশ্চয়ই আছে, তাই না!!
আপনার পরামর্শটা একটু অযাচিত মনে হলো । তারপরও ধন্যবাদ ।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
অবশ্যই মিরাজ, আমার আপনার ভাবনার স্বাধীনতার প্রতি সম্মাণ জানাই। এই নোংরামীকে মেনে নিতে পারছি না। সহ্য করলাম এতদিন। দেখলাম। এখনতো প্রতিক্রিয়া জানাবোই। মাঝে মাঝে নোংরামীটা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে হয়, নইলে মানুষ নাক চেপে বা চোখ বন্ধ করে এড়িয়ে যায়। আমি মনে করি রাশেদ এই পোস্টটা দিয়ে ঠিক সে কাজটাই করেছে। চোখে আঙুল দিয়ে চোখবন্ধ করে রাখা ব্লগারদের দেখিয়ে দিচ্ছে দেখুন এখানে কি হচ্ছে। আমি আপনাকে অযাচিত পরামর্শ দিয়েছি বলে খুবই দুঃখিত। ক্ষমা করে দেবেন। আর দেবো না।
ইয়র্কার বলেছেন:
একমত@অমি পিয়াল ভাই।নোংরামী সহ্য করারও একটা সীমা থাকে। সাগর নীল, বান্না, প্রশ্ন কত, ত্রিভুজেরা দিনের পর দিন কর্তৃপক্ষের নাকের ডগায় এইসব করে যাচ্ছে। শায়ে শয়ে আপত্তি পড়ছে, কোনো বিকার নেই। নোংরামিকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে ডেখাতেই হয়।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
আরেকটা ছোটো উদাহরন দিই মিরাজ, এই পোস্টটায় Click This Link আরো অনেকের সঙ্গে আপনিও গিয়ে লাল বোতাম চেপে এসেছিলেন। আমার ধারণা কর্তৃপক্ষের দেয়া উপহারটির সেটাই প্রথম ব্যবহার। পোস্টটা কিন্তু বহাল তবিয়তেই আছে এখনো। সামহোয়ারের উচিত যেটা করতে পারবে সেটারই প্রতিশ্রুতি দেয়া। এসবে মানুষ ভরসা হারায়।
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
কি হইছিলো বস??এইটা চমৎকার লেখছো!!
জানা বলেছেন:
মিরাজ বলেছেন: ৩০ শে মার্চ, ২০০৮ ভোর ৪:১১comment by: মানবী বলেছেন: অবাক হয়ে যাই! একজন মানসিক ভারসাম্যহীন আর্ধোন্মাদ কিভাবে এতো জন মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করে!!!!!!!!!!!!
-----------------------------------------
পূর্ণ সহমত । আমরা পুতুল নাচের মতো করে নাচছি, এটাই সবচেয়ে বেশী অসহ্য লাগছে ।
রাশেদের এই পোষ্ট আমি কোন অবস্থাতেই মেনে নিতে পারিনা ।
>>আপনার একটি অসাধারণ তথ্যবহুল লেখা কর্তৃপক্ষ যখন স্টিকি করে অসংখ্য পাঠকের নজর কাড়ে তখন হঠাৎ আপনার এই অস্বাভাবিক এবং নোংরা পদক্ষেপ পুরো সুস্থ পরিবেশটি ধ্বংস করে দেয়ার অভিপ্রায় সুস্থ মাথায় বোধগম্য নয় রাশেদ!!!!!!!!
আরিফুর রহমান বলেছেন:
ব্যান কেনো?
কতবতবকতকত বলেছেন:
কিন্তু তাই বলে ব্যান করবেন কেন? রাশেদকে কি একটা বার ওয়ার্নি দেয়া যেত না? ব্যান করা একটা ইউজারের জন্র সর্বোচ্চ শাস্তি। এই অপশনটা সিভিয়ার কেসের জন্য রিজার্ভ রাখা হয়, হুট করে তা ব্যবহার করার জন্য না। আর আপনার যদি রাজাকারদের সব পোস্ট মুছে দিতেন, ওদেরকে ধরে ধরে ব্যান করতেন, তাহলে তো রাশেদ এই "অস্বাভাবিক এবং নোংরা পদক্ষেপ" নেবার সুযোগ পেত না।যত শীঘ্র সম্ভব রাশেদের আনব্যান দাবী করছি।
কতবতবকতকত বলেছেন:
@ জানাভাবী।
নাঈম বলেছেন:
রাশেদ এবং এস্কিমোর আনব্যান চাই
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন:
নাইম বলেছেন: রাশেদ এবং এস্কিমোর আনব্যান চাই
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন:
জানা আপু, আমি রাশেদ ভাইকে সমর্থন করলাম। তাহলে আমিওতো তার চেয়ে কম যাইনা। এবার আমাকে ব্যান করেন। দেখি কতজনকে আপনি ব্যান করতে পারেন।।।
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
ঠেলা
লেখক বলেছেন: হা হা! এই সেই পোস্ট যার থেকে এতো কিছু হইছিলো! ![]()
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
বিডি আইডল বলেছেন:
ঠেলা
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
মুহাম্মদ মোহেব্বুর রহমান বলেছেন:
গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক দলীল। ধন্যবাদ রাশেদ ভাই।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
স্বপ্নকথক বলেছেন:
প্রিয়তে।
রাজসোহান বলেছেন:
ঠেলা
আমি তুমি আমরা বলেছেন:
চরম
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

































