আবারো এলোমেলো কিছু লাইন। এক্টার সাথে আরেকটার কোন মিল নাই!
তখন পড়ি ক্লাস ফোরে। পছন্দ হলো এক মেয়েকে। আমার থেকে মনে হয় এক ইয়ার জুনিয়র। আমার তো দেখে খুব পছন্দ হলো। একবার ভাবলাম তাকে একটা চিরকুট দেই। তখন নিয়মিত হিন্দী ছবি দেখতাম, হয়তো সেখান থেকেই আইডিয়াটা আসছিল মাথায়! কিন্তু পরে অবশ্য সাহসে কুলায় নাই হাতের লেখা যদি চিনে ফেলে সেই কারনে। প্ল্যান ছিল মেয়েটার গাড়িতে ফেলে আসব চিরকুট! শালার সাহস আমারে খাইলো!
ক্লাস থ্রিতে যখন পড়ি, তখন শ নাম দিয়ে একটা মেয়ে আসলো আমাদের ক্লাসে। ম্যাডাম তারেই বানাইলো ক্লাস ক্যাপ্টেন। মেয়েটা সুন্দর ছিল কিন্তু খবরদারি করতো খুব। মেজাজটা যাইতো বিলা হয়ে। কিন্তু সুন্দর মেয়ে দেখে মনে হয় কোন পোলাই তারে কিছু বলতো না।
ক্লাস ফোরে যখন পড়ি তখন কিছু পোংটা পোলাপাইনের সাথে খাতির হয়। এক পোলা আমারে শিখাইলো দুইটা মেয়ে দেখলে বলতে দুই দুগুনে চার! যদিও বলি নাই কোনদিন। সাহস নাই। আরেকটা শিখাইছিল মেয়ে দেখলে হাতের বই ফেলে দিয়ে বউটা পড়ে গেছে বলতে। এইটাও পারি নাই বলতে। সাহস নাই!
ক্লাস ফোরে যখন পড়ি তখন ফাইভে বা সিক্সে পড়া এক আপুর সাথে বেশ বেশ খাতির হইছিল। জামাই বউ খেলেছিলাম তার সাথে!
ক্লাস ফাইভে এক ইয়ারের জন্য এক কেজি স্কুলে পড়তাম। তখন যেই মেয়ে ফার্স্ট ছিল তারে ডাউন দেই ফার্স্ট সেমিস্টার এক্সামে। মেয়েটার চেহারা দেখে কষ্ট পাইতাম খুব।
এরপর খালি রাস্তা ঘাটে মেয়ে দেখেই টাইম গেল। নাইন বা টেনে পড়ার সময়ে স্যরের বাসায় এক মেয়েকে দেখে মাথা খারাপ হয়ে হইছিল, মনে হয় রাইফেলস পাবলিকে পড়ত সে। ভুলে গেছি। ভয়াভয় সুন্দর এক মেয়ে ছিল।
ইন্টারে কেমিস্ট্রি পড়তাম ইমাম হোসেন নামে এক স্যরের কাছে। ওনার ব্যাচে একবার এক মেয়ে আসলো, হা করে সবাই মিলে তাকিয়ে থাকতাম, মেয়েটা দুই তিন দিন আমাদের সাথে পড়েই ব্যাচ চেঞ্জ করে। খুব দাগা খাইছিলাম সেইবার।
তারপর ভার্সিটিতে এসে মেয়েদের সাথে মনে হয় প্রথম ফ্রেন্ডশিপ করলাম!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

