মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০১১
মানবজমিন ডেস্ক: ভারতে যৌন ব্যবসা পরিচালনার দায়ে এই প্রথম বাংলাদেশের ২ নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে তিন দেহপসারিণীকে। তাদের সবার বয়স ১৫ বছরের মধ্যে। গ্রেপ্তার করা দালালের নাম হিমায়েত মজিদ মোল্লা (২৮) ও রিংকু মুজাওয়ার মোল্লা (২৫)। গতকাল এ খবর দিয়েছে ভারতের একটি অনলাইন ট্যাবলয়েড দৈনিক। এতে আরও বলা হয়েছে, ওই দুই বাংলাদেশীকে মুম্বই ও কোলাপুরে পতিতাবৃত্তি পরিচালনার দায়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ বলেছে, উদ্ধার করা কিশোরীদের ভাল চাকরির প্রলোভন দিয়ে ভারতে নিয়ে গিয়েছিল ওই দুই দালাল। তারা ছলেবলে কৌশলে নারীদের প্রলোভন দেখিয়ে সীমান্ত পেরিয়ে অন্য দেশে নিয়ে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করে। গ্রেপ্তার হওয়া দুই দালালকে ভারতের পাসপোর্ট অ্যাক্ট, ফরেনার রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট ও প্রিভেনশন অব ইমোরাল ট্রাফিকিং অ্যাক্টের অধীনে অভিযুক্ত করা হয়েছে। কোলহাপুরে তাদের চার সহযোগীকে আটক করা হয়েছে। তারাও সবাই বাংলাদেশী। সবাই মিলে তারা পুনে, মুম্বই ও কোলহাপুরে দুই বছর ধরে যৌন ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। ডিসিপি (ক্রাইম) রাজেশ ব্যানসোডে বলেছেন, এ ধরনের যৌন ব্যবসার কথা এই প্রথম ফাঁস হলো। আমরা এ বিষয়ে অনুসন্ধান করছি। গত ২৩ শে জুন মুম্বই পালিয়ে যাওয়ার পথে বুন্দ গার্ডেনের কাছে এসটি স্ট্যান্ড এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় হিমায়েত ও রিংকুকে। ওই অভিযানে অংশ নেন কনস্টেবল অশোক তাকালকার ও পুলিশের একটি দল। তাদেরকে নেতৃত্ব দেয় সোসাইটি সিকিউরিটি সেলের পিআই ভানুপ্রতাপ বার্জ। গ্রেপ্তার করার পর হিমায়েত ও রিংকু স্বীকার করেছে তারা মাঝেমধ্যেই বাংলাদেশে যাওয়া-আসা করতো। তারা মেয়েদের ভাল চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার ফাঁদে ফেলতো। তারা মেয়েদের কোলহাপুর বা পুনেতে নেয়ার পর বাধ্য করতো পতিতাবৃত্তিতে নামতে। তাদেরকে কোলহাপুরের প্রথম সারির একটি হোটেলেও সরবরাহ দিতো।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

