আমার প্রিয় পোস্ট

ইচ্ছে করে হারিয়ে যাই তোমার সীমানায়

বঙ্গোপসাগরে যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে...............

০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৪২

শেয়ারঃ
0 0 0

মিয়ানমার জোর করে বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের সীমানায় প্রবেশ করে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান করছে। বঙ্গোপসাগরের বিরোধপূর্ণ জলসীমায় যুদ্ধ জাহাজ পরিবেষ্টিত অবস্থায় মিয়ানমার তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান শুরু করে বর্তমানে কাজ বন্ধ রাখলেও সেখানে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এবং নৌবাহিনী সতর্ক করে দেয়ার পর মিয়ানমার অনুসন্ধান বন্ধ রাখলেও স্থান ত্যাগ করেনি। কক্সবাজার, টেকনাফ ও সেন্টমার্টিন থেকে প্রাপ্ত খবরের ভিত্তিতে ঢাকায় একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, বর্তমানে সমুদ্রের ঐ এলাকায় বাংলাদেশ ও মিয়ানমার নৌবাহিনীর যুদ্ধ জাহাজ সার্বক্ষণিক টহলে রয়েছে। সমুদ্রের মিয়ানমার এলাকায় তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য তাদের নিজস্ব ১১টি ব্লক রয়েছে। কিন্তু মিয়ানমার বাংলাদেশের সীমানায় প্রবেশ করে এলাকাটি নিজেদের বলে দাবি প্রতিষ্ঠিত করার কৌশল হিসাবে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান কাজ করতে চাইছে।

মিয়ানমার নৌবাহিনীর সহযোগিতায় তাদের পক্ষে বিরোধপূর্ণ জলসীমানায় তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান কাজ করতে এসেছে। অথচ এই মিয়ানমারের ভিতরে বাংলাদেশ নিজের কোটি কোটি টাকা ব্যায়ে রাস্তা বানিয়ে দিতে চেয়েছেলি সামান্য একটু সুবিধার জন্য।

মিডিয়াতে দেশবাসীকে তা ঠিকমত জানানো হচ্ছেনা। বর্তমানে দেশবাসী ওবামার জয় আর শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন নিয়ে ব্যাস্ত। অথচ এখন এই International Politics এর ব্যাপারে রুখে দাঁড়ানো দরকার। কারন এর পরেই বিরোধপূর্ন বঙ্গোপসাগরের জায়গাগুলো ভারত দখল করবে। সবাই রুখে দাঁড়ান বর্তমান বিশ্বায়নের এসময়ে মিয়ানমারের এই প্রাগৈতিহাসিক চিন্তা-চেতনা ও ঘৃন্য International Politics-এ যুক্ত হওয়ার বিরুদ্ধে।

 

সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৩৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৫৮
ইসতিয়াক আহম্মেদ বলেছেন: আমাদের যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে.........
আমি যদি হুকুম দিতে নাও পারি তবুও তোমরা থেমে থেকোনা........
অনেকদিন পর একটা যুদ্ধের সুযোগ এসেছে........
আমাদের শক্তি ধেখাবার সুযোগ এসেছে তোমরা এর সদ ব্যবহার কোরো................
জয়বাংলা.........জয় ইসতিয়াক
২. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১৫
সুখী মানুষ বলেছেন: আমার ভাই ও এই নিয়ে মহা উদ্বিগ্ন :(। জানিনা কি হবে।
৩. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১৮
সাহোশি৬ বলেছেন: আমাদের নৌবাহিনী কি করছে? কোথায় আমাদের সেই বীর সিপাহীরা যারা দেশের জন্য হাসতে হাসতে তাদের জান কুরবান করতে প্রস্তুত। আমাদের জেনারেল সাহেব কি করছেন? জনগন তাঁর প্রতিভায় মুগ্ধ হয়ে তাকে চার তারকা জেনারেল বানিয়ে দিল। কোথায় তার সেই হুংকার?

@ইসতিয়াক আহম্মেদ, এবার দেশের জনগন নয় বরং যুদ্ধ করবে দেশের সিপাহীরা, জনগন শুধু চেয়ে চেয়ে দেখবে। জনগন গত পয়তিরিশ বছর থেকে শুনে আসছে আমাদের বীর সিপাহীদের বীরত্ব গাঁথা, এবার সময় এসেছে হাতেনাতে প্রমান নেবার।

বীর সিপাহী, এগিয়ে চল। লেফট রাইট লেফট, ঘাস বিচালী ঘাস-----
৪. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৩০
আসিফ বলেছেন: বার্মিজ ব্যাটাদের বার্মিজ স্যান্ডেল দিয়া পিটায়া সোজা করা উচিত।
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৫৬

লেখক বলেছেন: Exactly

৫. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৫৭
রাজর্ষী বলেছেন: আসল কাহীনি কি সেটা জানতে হবে। আমি মায়ানমারের বক্তব্য ও জানতে চাই।
৬. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:০২
সৌম্য বলেছেন: উগ্র জাতীয়তা বোধ আর ধর্মান্ধতা একটা অপরাধ। যেই প্লেসটা নিয়া গেঞ্জাম ঐটার পজিশন টা গুগল আর্থে দেখেন একটূ।

আর যুদ্ধ লাগার কোন চান্স নাই। নেটে যা দেখলাম। বার্মিজ ইঞ্জিনিয়ার দের রক্ষা করতে মায়ানমার একটা জাহাজ রাখছিলো। আর জবাবে বাংলাদেশ নেভী ৪টা ব্যাটেল শিপ পাঠিয়েছে। একটা ডেস্ট্রয়ার আরেকটা ফ্রিগেট আছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মায়ানমার তাদের জাহাজ প্রত্যাহার করেছে। বাংলাদেশ নেভীও ফিরে আসছে।

যুদ্ধ করতে কোন পক্ষই রাজি না। আর লাগলেও মায়ানমার সামরিক সম্ভারে অনেক পিছিয়ে আছে। ওদের সামরিক সরকার দুর্নীতি বন্ধ করে একটূ যদি দেশের দিকে তাকাতো অনেক এগিয়ে যেত দেশটা।

পাশা পাশি দুই দেশে এরকম সীমান্ত গোলযোগ এবং গুলি ছোড়া ছুড়ি কিংবা সীমান্তে শক্তি প্রদর্শন খুব স্বাভাবিক। সব সময় হয়। যুদ্ধ অনেক পরের ব্যাপার।
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:২২

লেখক বলেছেন: আমরাতো অসভ্যের মত কেউ যুদ্ধ চাইনা।

৭. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৩২
সৌম্য বলেছেন: আমরা যুদ্ধ চাই না। কিন্তু আপনার ব্লগের কথা গুলো এরকম, সবাই দুর্বল পেয়ে আমাদের শুষে নেয়, একটা দুর্বলরে পাইছি, চল এরে সাইজ করি, অনেকটা এরকম। তথ্য গুলো লেটেস্ট না, সাউদার্ন ব্লকে উত্তেজনা কমে এসেছে। কিন্তু ব্লগটায় মানুষ উত্তেজিত হচ্ছে, কিছু কমেন্টস এরকমঃ

ইসতিয়াক আহম্মেদ বলেছেন: অনেকদিন পর একটা যুদ্ধের সুযোগ এসেছে........
আমাদের শক্তি ধেখাবার সুযোগ এসেছে তোমরা এর সদ ব্যবহার কোরো................

আসিফ বলেছেন: বার্মিজ ব্যাটাদের বার্মিজ স্যান্ডেল দিয়া পিটায়া সোজা করা উচিত।


সাহোশি৬ বলেছেন: আমাদের নৌবাহিনী কি করছে? কোথায় আমাদের সেই বীর সিপাহীরা যারা দেশের জন্য হাসতে হাসতে তাদের জান কুরবান করতে প্রস্তুত। আমাদের জেনারেল সাহেব কি করছেন? জনগন তাঁর প্রতিভায় মুগ্ধ হয়ে তাকে চার তারকা জেনারেল বানিয়ে দিল। কোথায় তার সেই হুংকার?

@ইসতিয়াক আহম্মেদ, এবার দেশের জনগন নয় বরং যুদ্ধ করবে দেশের সিপাহীরা, জনগন শুধু চেয়ে চেয়ে দেখবে। জনগন গত পয়তিরিশ বছর থেকে শুনে আসছে আমাদের বীর সিপাহীদের বীরত্ব গাঁথা, এবার সময় এসেছে হাতেনাতে প্রমান নেবার।

বীর সিপাহী, এগিয়ে চল। লেফট রাইট লেফট, ঘাস বিচালী ঘাস-----


আর সুখি মানুষ ঘাবরে গেছে।

০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:০৭

লেখক বলেছেন: বহুবছর পর মজার একটা কথা শুনলাম।
বাংলাদেশীদের “উগ্র জাতীয়তাবোধ”। সত্যি যদি এমনটি হত, তাহলে মন্দ হতো না। আসলে এটা ভুল হয়েছে। আপনাকে লিখতে হবে উগ্র দলীয়তাবোধ। কারন দেশ থেকে দল বড় আর দলের অনেক উর্দ্ধে নেতা!

আপনার কথা শুনে মনে হচ্ছে, সমস্ত News Agency-এর Report ভুল। আর মিয়ানমার হচ্ছে ধোঁয়া তুলসীপাতা।

তবু আমি চাই, আপনার কথাই যেন সত্যি হোক।

৮. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:০১
আরিফ জেবতিক বলেছেন: সৌম্য কেন মনে করছেন বার্মিজ আর্মি আমাদের চেয়ে দুর্বল ?
আমি তো জানি তাদের আর্মির সংখ্যা প্রায় চারলক্ষ ।
দীর্ঘদিন ধরে আর্মি শাসিত হওয়ার কারনে , তারা যা কিছু উন্নতি করেছে তা ঐ আর্মি বিভাগেই । কেনাকাটার কমিশনের স্বার্থে সেখানে অনেক অস্ত্রপাতি থাকার কথা তাদের কাছে ।

সবচাইতে বড় বিষয় হচ্ছে চীন । চীনের অন্ধ সমর্থনের কারনে বার্মা টিকে আছে এখনও ।
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:০৬

লেখক বলেছেন: আপনি ঠিক বলছেন আরিফ। আসলে এটা এত হাল্কাভাবে নেওয়ার কিছু নেই। এটা International Politics. ওরা বাংলাদেশকে একটু বাজিয়ে দেখতে চাচ্ছে।

৯. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:১৭
বিডিআর বলেছেন: মিয়ানমার শালারা একটা আোদা জাতি।

১০. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:১৯
মুকুট বলেছেন: প্রতিরোধ দরকার! মিডিয়াও চুপ!
১১. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:২৩
ধীবর বলেছেন: @সৌম্য............ আপনার কথা বার্তায় স্পস্ট যে আপনি ভারতীয়। যেচে পড়ে আমাদের ব্যাপারে নাক না গলাতে আসলেই খুশি হই। ভারত আর বার্মা যে যুক্তি করে আমাদের অংশে তেল গ্যাস মাছ চুরি করার ষড়যন্ত্র করছে সেটি বুঝতে বাকি নেই। পাছে বার্মার কান ধরে টানলে ভারতের নাম চলে আসে, সেই ভয়তেই কি আমাদেরকে উগ্র জাতিয়বাদের দোষ দিচ্ছেন?

বাংলাদেশে কঠোর জাতিয়তাবাদের ভীষন প্রয়োজন। কেননা নেতা নেত্রিরা বিদেশ বন্দনায় এতই মশগুল যে এদের হাতে আমাদের সার্বভৌমত্ব নিরাপদ নয়। বর্তমান বাস্তবতায় কঠোর জাতিয়তাবাদের বিকল্প নেই।
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৪১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১২. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৩১
সাহোশি৬ বলেছেন: সৌম্য কি বাংলাদেশী?
১৩. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৪৮
সাহোশি৬ বলেছেন: @ সৌম্য: "যুদ্ধ করতে কোন পক্ষই রাজি না। আর লাগলেও মায়ানমার সামরিক সম্ভারে অনেক পিছিয়ে আছে। ওদের সামরিক সরকার দুর্নীতি বন্ধ করে একটূ যদি দেশের দিকে তাকাতো অনেক এগিয়ে যেত দেশটা।"

উত্তর: মায়ানমার সামরিক সম্ভারে আমাদের থেকে পিছিয়ে আছে এই তথ্য কোথ্থেকে পেলেন? কিছুদিন পরপরই তো এসে আমাদের বিডিআরদের চড় থাপ্পর দিয়ে যায়।

চীন হলো বার্মার সমর্থক। চীনের আস্কারা পেয়েই বার্মা এত স্পর্ধা দেখাতে পারে।

"পাশা পাশি দুই দেশে এরকম সীমান্ত গোলযোগ এবং গুলি ছোড়া ছুড়ি কিংবা সীমান্তে শক্তি প্রদর্শন খুব স্বাভাবিক। সব সময় হয়।"

উত্তর: তাই নাকি? তাইলে আজকেই বিডিআর গুলি করে দশটা বিএসএফ মেরে ফেলুক। তারপর কি হবে জানেন? আপনি মনে হয় জানেন না, আমরা জানি, বিডিআর প্রধানের চাকরি থাকবে না। আর আমাদের spineless ফখরু বহারতের কাছে পা ধরে মাফ চাইবে এত স্পর্ধা দেখাবার জন্য।
১৪. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:১৮
সৌম্য বলেছেন: ধীবর ভাই, কি দেখে মনে হইলো আমি ভারতীয়। আমার পুরা নাম সাঈদ সৌম্য। আমি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন সক্রিয় সদস্য ছিলাম। আর হ্যা উগ্র জাতীয়তাবাদ ধর্মান্ধতার মতই একটা জিনিস। মানুষ সবাই সমান। সে কালো, ও মঙ্গোলয়েড আমি ওর চেয়ে উন্নত কিংবা আমি বাঙ্গালী, সে আমেরিকান আমি ওরে স্যান্ডেল পিটাবো।
পৃথিবীর এমন একটা দেশ দেখান যাতে সীমান্তে উত্তেজনা নাই। শুধু একটা দেশ দেখান। সীমান্তে উত্তেজনা থাকবেই। বাংলাদেশ মায়ানমারেও আছে। দুই দেশ কোন কারন ছাড়াই মাঝে মাঝে সীমান্তে ডিফেন্স নেয়। কিংবা হালকা গুলি বিনিময় হয়। যতক্ষন না পর্যন্ত এটা মেজর অপস (ডিফেন্স কোম্পানী লেভেলের মেজর অপস) কিংবা হস্টাইল এটাক হলে ব্যাপারটা দুশ্চিন্তার বিষয়।
সীমান্তে এরকম একটা গোলমাল হচ্ছে। মায়ানমারের একটা ছিটমহল বাংলাদেশ ফেরত দিয়েছে কি? আপনি রুমা বাজার, তিন্ডু কিংবা থানছি তে যান, আদীবাসিরা পড়া শুনা করে মায়ানমারে গিয়ে। যাই হোক। মায়ানমার একটা জাহাজ এনেছে সেটা কি ধরনের জাহাজ কোথাও পেলাম না। ছবি দেখে আমার কাছে হালকা টাগ বোট টাইপ মডিফাইট গানশিপ লাগছে। জবাবে বাংলাদেশ ৪টা জাহাজ মোতায়েন করছে। আমাদের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ নেভী অবিচল। যদিও কমেন্টে অনেকে কি কারনে নেভীকে হেয় করছে (যেমনঃ সাহোশি৬ বলেছেন: আমাদের নৌবাহিনী কি করছে? কোথায় আমাদের সেই বীর সিপাহীরা যারা দেশের জন্য হাসতে হাসতে তাদের জান কুরবান করতে প্রস্তুত। আমাদের জেনারেল সাহেব কি করছেন? জনগন তাঁর প্রতিভায় মুগ্ধ হয়ে তাকে চার তারকা জেনারেল বানিয়ে দিল। কোথায় তার সেই হুংকার? ) একটা গানশিপকে মোকাবেলা করতে সংক্ষিপ্ত সময়ে ৪টা ব্যাটেল শিপ যার মধ্যে ফ্রিগেট এবং ডেস্ট্র্ইয়ার আছে। এরপরেও আপনেরা অনেকেই নেভী সম্পর্কে আজে বাজে মন্তব্য করলেন।
সাহসি ৬ঃ বিডি আর কে চর থাপ্পর দেয় আপনাকে কে বললো? মায়ানমারের সাথে মুল সীমান্ত কিন্তু বান্দরবান বরাবর। নাফ নদীর সীমান্ত ছাড়া আর কোথায় বিডিআর আছে। বান্দরবানে বিডিআর ইউনিট আছে ঠিকই। সীমান্তের ধারে কাছে সব আর্মি ক্যাম্প।
আর মায়ানমারের সাথে রাস্তা নির্মান নিয়ে একবার গেঞ্জাম লাগছিল মনে আছে। সীমান্তে রাতারাতি আমরা ২ কোম্পানির ১ আপ ডিফেন্স নিয়ে নিলাম। যেটা ওরা ভাবতেই পারেনি। মায়ানমারকে চীনারা অনেক হেল্প করে। কিন্তু ওদের নেভী এবং ল্যান্ড ফোর্সের সত্যিকার অস্ত্র সম্ভার কি? ওদের এয়ারফোর্সে সব মিগ সিরিজ দিয়ে চায়নারা তৈরি করে দিয়েছে। মিগ ২৯ এর আগে যত গুলা আছে সব ন্যাটো এখন বাতিল করে দিয়েছে। বাংলাদেশেও মিগ ২১ গুলোকে আমরা শোপিস হিসাবে ব্যাবহার করি।
মায়ানমার আর্মিতে জেনারেল টোটাল কয়জন জানেন? আর নিজে বাংলাদেশ আর্মিতে ছিলাম তাই বলছি। একদেশের আর্মি যখন দির্ঘ দিন দেশ চালায় যেটা তার কাজ না, তার মুল কাজ হয়ে যায় দুর্নীতি। দেশ রক্ষা গৌন হয়ে পড়ে। বাংলাদেশ আর্মির যে কোন গ্যারিসনে দেখবেন লিখা আছে ঘাম রক্ত বাঁচায়। আমাদের আর্মির সবচেয়ে বড় শক্তি নিয়মিত অনুশিলনের মধ্যে থাকে। অতি দ্রুত যেকোন স্থানে মোতায়েন করা যায়। ৯৯এ টেকনাফের ওদিকে মায়ানমারের সাথে সীমান্ত উত্তেজনাটা মনে রাখবে,
আর সীমান্তে টুকটাক গোলা গুলি বা দু পক্ষের শক্তি প্রদর্শন মানে এই নয় আমরা জাতিগত ভাবে তাদের ঘৃনা করবো (বার্মিজ দের বার্মিজ স্যান্ডেল দিয়ে পিটাতে হবে)। মায়ানমারের সাধারন লোকেরা কি এই গ্যাস ফিল্ডের সুবিধা পাবে নাকি সামরিক জান্তার পকেট ভারী হবে।
১৫. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:২৮
সৌম্য বলেছেন: সাহসী ৬ঃ বিডিআর বিএসএফ প্রসঙ্গে আপনার কি মনে হয় বিডিআর সীমান্তে কখনোই গুলি ছোড়েনা। খালি বিএস এফ একা ছোড়ে। সীমান্ত চৌকি গুলোতে খুব প্রাথমিক পর্যায়ের শক্তি মোতায়েন থাকে। জোয়ানরা ক্যাম্পের দায়িত্বে থাকে একজন সার্জেন্ট (হাবিলদার)। এগুলোকে বলে বিওপি। আমি তো জানি বিএসএফ বারে বারে অভিযোগ করে বিডিআর সীমান্ত লংঘন করে, যেমন অভিযোগ আমরা করি ওদের বিরুদ্ধে। সীমান্তে খুব রুট লেভেলের ম্যান পাওয়াররা থাকে। ওদের র‌্যাঙ্ক সৈনিক খুব বেশি হলে কর্পোরাল কিংবা সার্জেন্ট। ওরা টেবিল ওয়ার করে না। দু পক্ষই আইন লঙ্ঘন করে।
বিডিআর ডিজির চাকুরী আর রাষ্ট্রপ্রধান সম্পর্কে আপনি কিছু মন্তব্য করলেন। আপনি কি পাদুয়ার ঘটনা মনে করতে পারেন, কিংবা রৌমারী। একটা ছিট মহল। সেটা নিয়ে দুপক্ষের বিরোধিতা আছে। ওটা বাংলাদেশের। ইন্ডিয়া দখল করে রেখেছে। আমরা রাতারাতি ওটা দখল করে জাতিয় পতাকা উত্তলন করলাম। আর ভারত পালটা আক্রমন করে ফেরত চাইলো। (পতাকা বৈঠকেরও সুযোগ এলনা) ইন্ডিয়া একটা কোম্পানী লেভেল রেইড (রেইড মাইনর অপস, মিনিমাম ট্রুপ নিয়ে সহসা সারপ্রাইজ এটাক, পুলিশ রেইডের মত না) করে। বাংলাদেশ ইন্টালিজেন্স খবরটা পেয়ে যাওয়ার ওদের সারপ্রাইজের আইডিয়াটা বুমেরাং হয়ে যায়। কত জন মারা গিয়েছিল ওখানে?
১৬. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:২৮
সাহোশি৬ বলেছেন: @ সৌম্য:

১। ১৯৭১ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত কয়জন বাংলাদেশী (including বিডিআর) বিএসএফের গুলিতে নিহত হয়েছে? আট কয়জন ভারতীয় (including বিএসএফ) বিডিআর এর গুলিতে নিহত হয়েছে? পরিসংখ্যান দেখেন উত্তর পেয়ে যাবেন

২। আপনি কি বাংলাদেশী?
১৭. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:০০
সৌম্য বলেছেন: খুব প্রাউডলি বলতে পারি, আমি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন সদস্য ছিলাম। দেশে যদি যুদ্ধ লাগে রিজার্ভ বাহিনীকে তলব করা হয়। যারা একসময় সদস্য ছিল, বয়স ও অনান্য স্বক্ষমতা আছে তাদেরকে মুল বাহিনীর সাথে ডাকে। এবং আমার ডাক এলে আমি জয়েন করতে দ্বিধা করবো না।
ভাই, যুদ্ধ সম্পর্কে প্রাকটিক্যাল নলেজ নাই। কিন্তু যতটুকু অভিজ্ঞতা আছে তাতে বলছি, এটা খুব খারাপ জিনিস। সীমান্তে গোলযোগ সবসময়ই থাকে, এবং কোন সরকার এটা মেটাতে পারবেনা। তাই বলে উগ্র কন্ঠে বলবো আমরা বার্মিজ দের বার্মিজ স্যান্ডেল মেরে সাইজ করবো, এই ধরনের কথায় জাতিগত হিনমন্যতা প্রকাশ পায়।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৬১৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ইচ্ছে করে হারিয়ে যাই তোমার সীমানায়
razonsun@gmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই