গ্রাহকের ঘরে ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তি পৌঁছে গেলেই তারা পাবেন দ্রুতগতির তারবিহীন ইন্টারনেট সংযোগ। ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তিতে গ্রাহক পর্যায়ে ইন্টারনেটের গতি কোনো অবস্থাতেই সেকেন্ডে ১২৮ কিলোবাইটের নিচে নামবে না বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়। একই সঙ্গে খরচ হবে বর্তমান ইন্টারনেট খরচের চেয়ে অনেক কম। বিভিন্ন প্যাকেজ আকারে এই খরচ ৩০০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে বলে জানা গেছে।
গত ২৪ সেপ্টেম্বর উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে লাইসেন্স পাওয়া কোম্পানিগুলোর ৬ মাসের মধ্যে অপারেশনে আসার শর্ত ছিল। কিন্তু নানা অজুহাতে তারা কার্যক্রম শুরু করতে বিলম্ব করে। ওয়াইম্যাক্সের জন্য অধীর অপেক্ষায় থাকা গ্রাহকদের সংযোগ পেতে আরো কিছুদিন অপেক্ষা করতে হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো।
এদিকে অজের ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড বাংলাদেশ লিঃ সম্প্রচার কাজ শুরু করলেও ওয়াইম্যাক্সের লাইসেন্স বিজয়ী শীর্ষ প্রতিষ্ঠান বাংলালায়ন কমিউনিকেশন্স লিঃ এ সপ্তাহে তাদের যন্ত্রাংশ বসানোর কাজ শেষ করবে। সেক্ষেত্রে আগস্টের শুরুতে তারাও পরীক্ষামূলক সম্প্রচারে যাবে। তবে ইতিমধ্যে বেশ কয়েক হাজার গ্রাহক নিবন্ধন করে ফেলেছে। বাংলালায়নের এসব নিবন্ধিত গ্রাহক পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের সময় থেকেই উচ্চগতির তারহীন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পাবে বলে জানা গেছে।
নিলামে চারটি কোম্পানিকে লাইসেন্সের জন্য মনোনীত করা হলেও শেষ পর্যন্ত এই দুটি প্রতিষ্ঠানই লাইসেন্স নিয়েছে। নিলামে বিজয়ী একটি কোম্পানি আর্থিক অসচ্ছলতার কথা বলে পরে লাইসেন্স নেয়নি। অন্যদিকে একমাত্র সরকারি অপারেটর বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিঃ (বিটিসিএল) এখনো তাদের পার্টনার খুঁজে পায়নি।
-তথ্যসূত্রঃ ইত্তেফাক

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

