শীত দুপুরে সাদা পথ জুড়ে রোদটাকে ঘুম ঘুম ভোরে মনে হয়, এসময় প্রিয়তমাকে চিঠি লিখেছি কতশত বার। ঘন হয়ে আসা মেঘের আঁধারে ভিজে ধুয়ে গেছে সে চিঠি, লেখাগুলো স্রোতে ভেসে গেছে রাস্তার পাশেই বিবর্ধিত থাকা জমিনে।
আমার এই আমিকে একাগ্র চিত্তে খুঁচিয়ে চলেছি রাত না পোহানো ঘরের ফায়ারপ্লেসের সামনে।
***
পথের সীমারেখা টেনে আমি জীবনের ছন্দ মেলাতে চেয়েছিলাম, প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে নরম রোদের সকাল দেখতে চেয়েছি, শুনতে চেয়েছি আমার জানলায় আকাশ সামিয়ানার নীচে বন্দী করে রাখা পাখির ডাক। কিন্তু এরকম কিছুই হয়নি।
ক্লান্ত চোখে এঁকেছি শুধু জলছবি।
***
এবার তবে আমি জাদুকর। আমার হাতে একটি রুমাল।
***
রুমাল পুড়ছে, পুড়ছে রাত, আগুনে বাতাস, জোছনা অসহায়, আমার প্রিয়তমা কাঁদছে! আমি ছায়া হয়ে তাকে দীর্ঘ নদী বাতলে দিলাম, আমার কাছ থেকে এক টুকরো রোদ নিয়ে সে নদীর পাড় ধরে হাঁটতে হাঁটতে মিলিয়ে গেলো।
আমি তবে এখনো তাকে ভালোবাসি!
বলো কত অভিমানে নিজেকে
কোন কোন সময় আমি
বড় একা হয়ে যাই,
তখন নিজেকে বড়
নিঃস্ব মনে হয়,
তুমি নেই বলে
সব আঁধার মনে হয়,
তুমি নেই বলে
আজ এমন দুঃসময়!
বলো কতো অভিমান তুমি
লুকিয়ে রেখেছ,
বলো কতো অভিযোগে তুমি
নিজেকে ঢেকেছ!
পথিক মনের এই ক্লান্ত চোখে
ছিলো জলে ভরা আঁকা,
নিঃসীম আঁধারে হারিয়ে এলে
রেখে গেলে দীর্ঘশ্বাস!
তুমি নেই বলে
সব আঁধার মনে হয়,
তুমি নেই বলে
আজ এমন দুঃসময়!
বলো কতো অভিমান তুমি
লুকিয়ে রেখেছ,
বলো কতো অভিযোগে তুমি
নিজেকে ঢেকেছ!
বর্ষার অজস্র ধারা জলে
তবু ভেজে দুনয়ন,
কোন কারনেই তবু আসোনি ফিরে
কাটেনা যে এই জীবন!
তুমি নেই বলে
সব আঁধার মনে হয়,
তুমি নেই বলে
আজ এমন দুঃসময়!
বলো কতো অভিমান তুমি
লুকিয়ে রেখেছ,
বলো কতো অভিযোগে তুমি
নিজেকে ঢেকেছ!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

