somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

তু ষা র ক ন্যা [রূপকথা]

১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৪৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সে অনেক দিন আগের কথা। তুষার আবৃত্ত এক রাজ্যে বাস করতো রাজা আর রাণী। তাদের কোনো সন্তান হয় না বলে প্রজারা তাদের এড়িয়ে চলতো। পাছে তাদের দেখলে যাত্রাভঙ্গ হয়। সন্তান হয় না বলে তাদের মনেও রাজ্যের ব্যথা এসে ভর করে। তাই রাজা মনের দুখে রাজ্য ছেড়ে হিমালয়ে চলে যায়। হিমালয় পাহাড়ের কোল ধরে হাঁটতে হাঁটতে এক দরবেশের দেখা পেয়ে রাজা তাঁকে জিজ্ঞেস করে। ‘আপনি কি বলতে পারবেন আমার সন্তান হবে কি না।’ দরবেশ বলল, ‘বাবা হতাশ হচ্ছো কোনো। আল্লাহর ওপর ভরসা রাখো। সে সব পাড়ে। তুমি রাজ্যে ফিরে যাও। দেখো আল্লাহ কি করেন।’ রাজা দেশে ফিরে এসে দেখে রাণী অন্তসত্বা, মা হবে। রাজা আনন্দে রাজ্যের প্রজাদের খাওয়ার ব্যবস্থা করে। এভাবে চলতে থাকে এক মাস নয় দুই মাস নয় পাঁচ পাঁচ মাস।

সেদিন বাইরে অনেক ঠান্ডা। আকাশ থেকে পড়ছে তুষার। রাণী তখন জানালার সামনে বসে অনাগত সন্তানের জন্য কাঁথা সেলাই করছে। হঠাৎ তার হাতের আঙুলে সুঁই ফোটে এক ফোঁটা রক্ত বের হয়। বাইরে থেকে একফালি তুষার এসে কাঁটাস্থানে পড়ে। রাণী এ দৃশ্য দেখে ব্যথা ভুলে যায় আর মনে মনে ভাবে; আমার যদি রক্তের মতো লাল ঠোঁট, তুষারের মতো শাদা একটি মেয়ে হতো। ভাবতে ভাবতে সে ঘুমিয়ে পড়ে।

সময় যেতে যেতে একদিন বাচ্চা হওয়ার সময় আসে। প্রসব বেদনা সহ্য করতে না পেরে রাণী মারা যায় কিন্তু বাচ্চাটি বেঁচে যায়। বাচ্চাটি ঠিক রাণীর কল্পনার মতোই হয়েছে। তার ঠোঁট রক্তের মতো লাল, শরীর তুষারের মতো শাদা। এতো সুন্দর বাচ্চা দেখে রাজা তার মেয়ের নাম দিলো তুষার কন্যা।

মেয়েকে নিয়ে রাজার অনেক চিন্তা। এখন সে বড় হয়েছে। সাত বছর। তাকে দেখার জন্য একজন মানুষ দরকার। সভাসদের পরামর্শে রাজা মেয়েকে দেখার জন্য আর একটি বিয়ে করে। রাজার নতুন বউটি ছিলো ভীষণ হিংসুটে। তার ছিলো এক জাদুর আয়না। আয়নাটি কথা বলতে পারে। নয়ারাণী ভাবে সে এই দেশের সবচেয়ে সুন্দরী নারী। তার থেকে কেউ সুন্দর নেই। তাই সে আয়নাকে জিজ্ঞাসা করে‘ হে আয়না বলতো এ রাজ্যের সবচেয়ে সুন্দরী কে?’ আয়না জবাব দেয় ‘আপনি মহারাণী। আপনি।’

একদিন তুষার কন্যা রাণীর ঘরে যায়। তখন আয়নাটি ছিলো পর্দামুক্ত। আয়নাটি তুষার কন্যাকে দেখে তার রূপে মুগ্ধ হয়। রাণী তখন গোসলখানায় বলে তুষার কন্যা চলে যায়। গোসল শেষে রাণী আয়নার সামনে আসে এবং তাকে জিজ্ঞাসা করে ‘আয়না বলতো এ রাজ্যের সবচেয়ে সুন্দরী কে?’ আয়না সাথে সাথেই জবাব দেয় ‘তুষার কন্যা।’ ‘তুষার কন্যা! তুষার কন্যা সবচেয়ে সুন্দরী!!’ রাণী মহােেপ যায়। মনে মনে ইরাদা করে, ‘এ রাজ্যে আমার চেয়ে সুন্দরী! না; এরাজ্যে আমার চেয়ে সুন্দরী কেউ থাকতে পারবে না। কেউ না। আমার চেয়ে যে বেশি সুন্দরী হবে, আমি তাকেই মেরে ফেলবো।’

রাণী সুযোগ খুঁজতে থাকে কখন তার সুন্দরের চমরশত্র“ তুষার কন্যাকে মারবে। রাজা একদিন শিকারে গেলে রাণী রাজজল্লাদকে হুকুম করে ‘তুষার কন্যাকে জঙ্গলে নিয়ে মেরে তার রক্ত নিয়ে আয়। জল্লাদ তুষার কন্যাকে জঙ্গলে নিয়ে যেই মারতে যাবে তখনই তুষার কন্যার করুন দুটি চোখ তার চোখের সাথে চোখাচোখি হয়। জল্লাদের মায়া লাগে, ‘আহা মা মরা মেয়ে।’ জল্লাদ তুষার কন্যাকে তার মায়ে ষড়যন্ত্রের কথা খুলে বলে, ‘আপনার সৎ মা আপনাকে মারার জন্য আমাকে হুকুম করেছে কিন্তু আমি আপনাকে মারতে পারবো না। মা ছাড়া একটি অবুঝ মেয়েকে আমি কখনই মারতে পারবো না। যদি মারি আল্লাহ আমাকে কখনই মাফ করবে না। আপনি বরং এই জঙ্গলেই থেকে যান। আর কখনই এ জঙ্গল থেকে বের হবেন না।’ এই বলেই জল্লাদ জঙ্গল ত্যাগ করে চলে যাবার আগে একটা বনছাগল মেরে তার রক্ত সাথে করে নিয়ে যায়। রাণী রক্ত দেখে আনন্দে হাসতে হাসতে চলে যায় আয়ানার সামনে। আয়নাকে জিজ্ঞেস করে ‘বলতো আয়না এখন এ রাজ্যের সবচেয়ে সুন্দরী কে?’ আয়না বলে, ‘তুষার কণ্যা।’ রাণী আয়নার কথা শুনে রেগে যায় ‘ওকেতো মেরে ফেলা হয়েছে।’ আয়না উত্তর দেয়, ‘তুষার কন্যা মরেনি ও জীবিত। ওকে যে জঙ্গলে মারতে নেয়া হয়েছিলো তুষার কন্যা সেখানেই আছে।’

তুষার কন্যা জঙ্গলের ভেতর হাঁটতে হাঁটতে একটি খালি ঘর দেখতে পায়। ঘরে কেউ নেই। তুষার কন্যা সে ঘরে আশ্রয় নেয়। সন্ধা শেষ হয়ে যখন রাত হয় তখন ঘরের মালিক দরবেশ আসে। দরবেশ জিজ্ঞাসা করে ‘তুমি কে? এখানে কি করে আসলে?’ তুষার কন্যা বলে, ‘আমি তুষার কন্যা। আমি এ রাজ্যের রাজকন্যা। আমার সৎ মা আমাকে মারার জন্য জল্লাদ দিয়ে এখানে পাঠিয়েছে। জল্লাদ দয়া করে আমাকে না মেরে এখানে রেখে চলে গেছে। পরে আমি হাঁটতে হাঁটতে এখানে চলে আসছি। আর ঘরে কাউকে না দেখে এখানে একটু আশ্রয় নিলাম।’ তখন দরবেশ বলল, ‘মা তুমি এখানেই থাকো। তোমার কোনো অসুবিধা হবে না। আমিই তোমাকে লালন-পালন করবো।

রাণী তুষার কন্যাকে মারতে না পেরে খুব গোষ্ষা হয়। আয়নার মাধ্যমে তুষার কন্যা দেখে, সে কোথায় থাকে। কি করে। এবার সে নিজেই মারার জন্য প্রস্তুতি নেয়। রাণী ফেরীওয়ালী সেজে ঐ জঙ্গলে ডুকে আর হাঁটতে হাঁটতে দরবেশের ঘরের সামনে আসে। এসেই ডাকতে থাকে, ‘চুড়ি নেমেন চুড়ি, লেইছ ফিতা আছে, লিপিস্টিক আছে।’ ফেরীওয়ালীকে দেখে তুষার কন্যা ঘর থেকে বের হয়ে এসে জিনিসপত্রের সামনে বসে। তুষার কন্যা যখন মনোযোগ দিয়ে চুড়ি, ফিতা, লিপিস্টিক দেখতে থাকে তখনি রাণী একটি ফিতা দিয়ে তার গলায় ফাঁস দেয়। তুষার কন্যা সাথে সাথেই জ্ঞান হারায়। রাণী তারাতাড়ি বাড়ি ফিরে যায়।

রাতে দরবেশ এসে দেখে তুষার কন্যা ঘরের সামনে অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছে। তার গলায় একটি নতুন ফিতা দিয়ে বাঁধা। দরবেশের বুঝতে বাকি থাকলো না তুষার কন্যাকে মারার জন্য কেউ এসেছিলো। সে সঙ্গে সঙ্গে গলার ফাঁস খুলে দেয়। মাথায় পানি দেয়। আর আল্লাহ কাছে দোয়া করতে থাকে, যেনো তুষার কন্যার মৃত্যু না হয়। কিছুণ পর তুষার কন্যার জ্ঞান ফিসে আসে। জ্ঞান ফিরতে দেখে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জানায়।

তুষার কন্যা মরে গেছে ভেবে রাণী গোসল সেরে সেঁজেগুঁজে আয়নার সমনের গিয়ে দাঁড়ায়। আর মনে মনে ভাবে এবার আমার চেয়ে সুন্দরী এ রাজ্যে আর কেউ নেই। সে আয়নাকে এবার জিজ্ঞাসা করে ‘আয়না বলতো এ রাজ্য সবচেয়ে সুন্দরী কে?’ আয়না উত্তর দেয় ‘তুষার কন্যা।’ আয়নার কথা শুনে রাণী তেলে বেগুলে জ্বলে ওঠে ‘আয়না, আমি তোর মনিব। তুই আমার কথা না বলে শুধু তুষার কন্যার কথাই বলিস? দাসীরাতো মনিবকে খুশি করার জন্য মিথ্যা কথাও বলে। তখন আয়না বলে, ‘মনিব আমি আপনার দাসী কিন্তু আমি কখনই মিথ্যা বলতে পারবো না।’ আয়নার কথা শুনে রাণী আরো রেগে আয়নাকেই ভেঙ্গে ফেলে। আর তখনি তুষার কন্যাকে মারার জন্য ফলওয়ালী সেজে তুষার কন্যাকে মারার জন্য রওয়না করে।

দরবেশের বাড়ির সামনে এসে সে আবার ডাকতে থাকে ‘ফল রাখবেননি, ফল। খুব ভালো, মিষ্টি ফল’ ফলের কথা শুনে তুষার কন্যা ঘরের বারান্দায় এসে বলে, ‘কী ফল বেচো তুমি?’ রানী বলল, ‘আপনি কাছে এসে দেখে যান।’ তুষার কন্যা বলে, ‘না আমার ঘর থেকে বের হওয়া নিষেধ, তুমি ওখান থেকে বলো, পছন্দ হলে কিনবো।’ রানী বলে ‘আমার কাছে আপেল, কমলা ও কলা আছে।’ তখন তুষার কন্যা আপেল কিনার জন্য কাছে আসে আর লাল লাল আপেল ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখতে থাকলে রানী বলে ‘আপেল খুব মিষ্টি, আপনি একটা আপেল একটু খেয়ে দেখতে পারেন।’ রানীর কাছে এমন একটি আপেল আছে যার অর্ধেক বিষ মাখা আর অর্ধেক বিষহীন। রাণী বিষহীন অংশটুকু খেয়ে দেখালো। তখন তুষার কন্যা বিশ্বাস করে বাকি অংশটুকু খায়। খাওয়ার সাথে সাথেই বিষক্রিয়ায় তার বুক জ্বালা করতে থাকলে এক সময় জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। মরে গেছে দেখে রানী চলে যায়। রাতে দরবেশ এসে দেখে তুষার কন্যার জ্ঞান নেই। সে অনেক চেষ্টা করেও জ্ঞান ফেরাতে পারেনি।

এদিকে রাজা শিকার শেষে রাজ্যে ফিরে মেয়ের কথা জানতে চায়। রানী বলে, আপনি শিকারে যাওয়ার পর রাজকন্যাকে কে বা কারা ধরে নিয়ে গেছে। আমি অনেক চেষ্টা করেছি কিন্তু তাকে খুঁজে পাইনি। বলেই মিছেমিছি কান্না জুড়ে দেয়। রাজা রাণীর কান্না দেখে তাকে বিশ্বাস করে। নিজের ভাগ্যকে দোষারুপ করে কাদতে থাকে।

তুষার কন্যার জ্ঞান ফিরেনি বলে দরবেশ একটি কাঁচের কফিন বানায়। সেই কফিনে তুষার কন্যাকে রেখে দেয়। সময় যায়। সময়ের সাথে সাথে তুষার কন্যাও বড় হয়। বড় হতে হতে একদিন তুষার কন্যা যুবতি হয়। এ-সময় পাশের রাজ্যে রাজপুত্র শিকার খুঁজতে খুঁজতে দরবেশের বাড়ির সামনে এসে পড়ে। তার প্রচন্ড পানির তৃষ্ণা পায়। সে দরবেশের খালি ঘরে প্রবেশ করে পানির জন্য। অমনি তার চোখে পড়ে এক কাঁচের কফিন। কফিনের ভেতর এক অপরূপ সুন্দরী। কাঁচের ভেতরের সুন্দরীকে দেখেই রাজপুত্র প্রেমে পড়ে। সে পানির তৃষ্ণা ভুলে গিয়ে কফিনের সামনে বসে পড়ে আর এক নয়নে তার দিকে চেয়ে থাকে। চেয়ে থাকতে থাকতে রাত হয়ে যায়। দরবেশ বাড়ি ফিরে দেখে তার আঙ্গিনায় ঘোড়া। ঘরের ভেতরে কে যেনো বসে আছে। দরবেশ ঘরে প্রবেশ করেই রাজপুত্রকে জিজ্ঞাসা করে ‘তুমি কে? এখানে কি চাও?’ রাজপুত্র জবাব দেয় ‘আমি পাশের রাজ্যে রাজপুত্র রাহনাব। আমি এই কফিনটা কিনতে চাই। আপনি যতো স্বর্ণমুদ্রার বিনিময়ে বেচতে চান আমি ততো স্বর্ণমুদ্রা দিতে রাজি আছি।’ দরবেশ বলে, ‘আমি তুষার কন্যাকে কখনই বেচবো না। তুমি যতোই স্বর্ণমুদ্রা দাও।’ রাজপুত্র রাহনাব বলে, ‘তুষার কন্যা! তাহলে কি ও এ রাজ্যের রাজকন্যা। হারিয়ে যাওয়া তুষার কন্যা।’ দরবেশ বলল, ‘হ্যাঁ হারিয়ে যাওয়া তুষার কন্যা। আমি আমার নিজের চেয়েও তুষার কন্যাকে বেশি ভালোবাসি। ও আমার মেয়ে। তাই আমি ওকে বেচতে পাড়বো না।’ রাজপুত্র রাহনাব বলে, ‘আপনি যেমন করে ওকে যতœ করে রেখেছেন আমি ঠিক তেমন করেই রাখবো।’ দরবেশ তাতেও রাজি হয় না। তাই রাহনাব দরবেশকে বলে, ‘আপনিতো বৃদ্ধ হয়ে গেছেন। যদি মরে যান তখন তুষার কন্যার কি হবে।’ এবার দরবেশ একটু চিন্তায় পড়ে যায়। চিন্তা শেষে দরবেশ বলে, ‘যাও তুমি ওকে নিয়ে যাও। তার জন্য আমাকে কিছুই দিতে হবে না। তুমি শুধু তুষার কন্যাকে যতেœ রেখো।’

তুষার কন্যাকে পাওয়ার আনন্দে রাহনাব নাচতে থাকে আর একাই কাঁচের কফিনটি নিয়ে ঘোড়ার ওপর ওঠাতে গিয়ে পড়ে যায়। অমনি কাঁচের কফিনটি টুকরো টুকরো হয়ে তুষার কন্যা মাটিতে গড়িয়ে পড়ে। মাটিতে পড়ার সময় তুষার কন্যার মুখ থেকে বিষ গড়িয়ে পড়ে। বিষ পড়ে যেতেই তুষার কন্যা আড়মো ভেঙে জেগে ওঠে। দরবেশ ও রাহনাব অবাক হয়ে চেয়ে থাকে। এ কি হলো। তাদের প্রিয় তুষার কন্যা বেঁচে আছে। সে জীবন ফিরে পেয়েছে। তারা আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জানায়। দুহাত তুলে আল্লাহর কাছে মুনাজাত করে। ‘আল্লাহ তোমার দয়া অসীম। তুমি ইচ্ছে করলে মারতো পারো। ইচ্ছে করলে জীবন দিতে পারো।’

আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জানিয়ে তুষার কন্যা, রাহনাব ও দরবেশ রাহনারদের রাজ্যে যায়। রাহনাবের পিতাকে দরবেশ সব কথা খুলে কয় আর ওদের বিয়ের আয়োজন করতে বলে। দরবেশ আরো বলে অবশ্যই যেনো তুষার কন্যার পিতা মাতাকে দাওয়াত দেয়া হয়।

আশ পাশের সকল রাজ্যের রাজাদের দাওয়াত দিয়ে মহাধুমধামে তুষার কন্যা ও রাহনাবের বিয়ে হয়। বিয়ে শেষে তুষার কন্যা বাপ মায়ের পা ছুঁয়ে সালাম করে তার পরিচয় দিয়ে সব কথা খুলে বলে। রানী তখন কেঁদে মা চায়। ‘আমার ভুল হয়ে গেছে। আমি ঈর্ষাকারত ছিলাম; আমাকে মা করে দাও।’ তুষার কন্যা সৎ মাকে মা করে দেয়। রাজা নিজের মেয়েকে ফিরে পেয়ে আল্লাহ কাছে শুকরিয়া জ্ঞাপন করে মোনাজাত করে আর তুষার কন্যা রাজ্য লিখে দেয়। তখন স্বামীর রাজ্য আর নিজের রাজ্য নিয়ে তারা সুখে শান্তিতে বসবাস করতে থাকে।
১০টি মন্তব্য ৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×