somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এমা ওয়াটসন ...

০৬ ই নভেম্বর, ২০১০ ভোর ৬:৪৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :























এমা শার্লট ডিউয়ার ওয়াটসন (ইংরেজী ভাষায়: Emma Charlotte Duerre Watson) (জন্ম ১৫ এপ্রিল ১৯৯০) একজন ব্রিটিশ অভিনেত্রী এবং মডেল। তিনি হ্যারি পটার চলচ্চিত্রে হারমায়োনি গ্রেঞ্জারের চরিত্রে অভিনয় করে খ্যাতি অর্জন করেন। ওয়াটসন নয় বছর বয়সে এই চরিত্রে প্রথম অভিনয় করেন। এর আগে তিনি বিদ্যালয়ের মঞ্চ নাটকে অভিনয় করেছিলেন। ২০০১ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত ওয়াটসন ছয়টি হ্যারি পটার চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। এসব চলচ্চিত্রে তাঁর সহকর্মী ছিলেন ড্যানিয়েল রেডক্লিফ এবং রুপার্ট গ্রিন্ট। এছাড়া তিনি হ্যারি পটারের শেষ চলচ্চিত্র হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস-এও অভিনয় করবেন। হ্যারি পটার চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি একাধিক পুরস্কার অর্জন করেন। এছাড়া এসব চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি ১০ মিলিয়ন পাউন্ডেরও বেশি পারিশ্রমিক পান। তিনি ২০০৯ সালে প্রথমবারের মত মডেলিং করেন।

২০০৭ সালে ওয়াটসন হ্যারি পটার চলচ্চিত্র ছাড়াও অন্য দুইটি চলচ্চিত্রের সাথে তাঁর সম্পৃক্ততা ঘোষণা করেন। একটি হল শিশু-ঔপন্যাসিক নোয়েল স্ট্রিটফিল্ডের উপন্যাশ অবলম্বনে নির্মিত ব্যালেট সুজ এবং অন্যটি দ্য টেল অফ ডেসপ্যারক্স নামে একটি অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্র। ব্যালেট সুজ ২০০৭ এর ডিসেম্বরে টেলিভিশনে প্রচারিত হয় যা প্রায় ৫.২ মিলিয়ন দর্শক উপভোগ করেন। দ্য টেল অফ ডেসপারেক্স নামের অ্যানিমেশন চলচ্চিত্রটি মার্কিন ঔপন্যাসিক কেট ডিক্যামিলোর একই নামের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত হয়। এটি ২০০৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং বিশ্বব্যাপী ৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি আয় করে।

১৯৯০ সালের ৪ এপ্রিল প্যারিসে এমা ওয়াটসন জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম জ্যাকলিন লুসবি এবং মাতার নাম ক্রিস ওয়াটসন। তাঁরা উভয়ই ব্রিটিশ আইনজীবী। এমা ওয়াটসনের একজন ফ্রেঞ্চ দাদি রয়েছে, তিনি ওয়াটসনের ৫ বছর বয়স পর্যন্ত প্যারিসে ছিলেন। পরবর্তিতে এমা ওয়াটসনের বাবা-মায়ের বিবাহবিচ্ছেদ হলে তিনি তাঁর মা এবং ছোট ভাইসহ যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ডশায়ারে স্থানান্তরিত হন। ছয় বছর বয়স হতে ওয়াটসন অভিনেত্রী হতে চাইতেন। স্টেজকোচ থিয়েটার আর্টস-এর অক্সফোর্ড শাখায় তিনি কয়েক বছর সঙ্গীত, নাচ ও অভিনয়ের প্রশিক্ষণ নেন। দশ বছর বয়সের মধ্যে তিনি স্টেজকোচের বেশ কয়েকটি নাটকে অভিনয় করেন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল আর্থার: দ্য ইয়ং ইয়ার্স এবং দ্য হ্যাপি প্রিন্স। কিন্ত্য পটার পটার চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পূর্ব পর্যন্ত তিনি কখনো পেশাগতভাবে অভিনয় করেননি। একটি ম্যাগাজিনে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে ওয়াটসন বলেছেন, হ্যারি পটার চলচ্চিত্র সিরিজের ব্যপ্তি সম্পর্কে পূর্বে আমার ধারণা ছিল না, যদি থাকত তবে আমি অত্যন্ত বিস্মিত হতাম।

১৯৯৯ সালে হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ফিলোসফার্স স্টোনের চিত্রগ্রহণ গ্রহণ শুরু হয়। ব্রিটিশ লেখিকা জে কে রাউলিং রচিত জনপ্রিয় উপন্যাস অবলম্বনে এই চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়েছে। নির্মাতা সংস্থা অক্সফোর্ডের স্টেজকোচ থিয়েটার আর্টসের এক শিক্ষকের মাধ্যমে এমা ওয়াটসনের খোঁজ পায়। তারা ওয়াটসনের আত্মবিশ্বাসে অভিভূত হয়ে যান। আটবার অডিশনের পর চলচ্চিত্রটির প্রযোজক ডেভিড হেম্যান ওয়াটসন এবং তাঁর সহকর্মী অভিনেতা ড্যানিয়েল রেডক্লিফ ও রুপার্ট গ্রিন্টকে বলে যে, তাঁরা চলচ্চিত্রের যথাক্রমে হারমায়োনি গ্রেঞ্জার, হ্যারি পটার ও রন উইজলি চরিত্রে অভিনয় করবে। জে কে রাউলিং ওয়াটসনকে তাঁর প্রথম যোগ্যতা পরীক্ষাতেই সমর্থন করেছিলেন।

২০০১ সালে প্রকাশিত হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ফিলোসফার্স স্টোন ছিল এমা ওয়াটসনের প্রথম অভিনিত চলচ্চিত্র। চলচ্চিত্রটি প্রকাশের প্রথম দিনেই অসাধারণ ব্যবসায়িক সাফল্য অর্জন করে এবং এটি ২০০১ এর সর্বাধিক সফল চলচ্চিত্রে পরিণত হয়। সমালোচকগণ চলচ্চিত্রটির তিন প্রধান অভিনেতা-অভিনেত্রীর প্রশংসা করেন। এছাড়া এমা ওয়াটসনের অভিনয়ের বিশেষ প্রশংসা তাঁরা করেন। দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ তাঁর অভিনয়কে প্রশংসনীয় আখ্যায়িত করে এবং আইজিএন উল্লেখ করেছে, তাঁর অভিনয় ছিল সবচেয়ে নজরকাড়া। এই চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য ওয়াটসন পাঁচটি পুরস্কারের জন্য মনোনীত হন এবং ইয়ং আর্টিস্ট অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন।

এক বছর পর ওয়াটসন আবার হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অফ সিক্রেটস-এ অভিনয় করেন। এটি হ্যারি পটার সিরিজের দ্বিতীয় চলচ্চিত্র। যদিও চলচ্চচিত্রটি মিশ্র প্রতিক্রিয়া লাভ করে, পর্যালোচকগণ প্রধান অভিনেতা-অভিনেত্রীর অভিনয়ের ব্যাপারে প্রশংসা করেন। লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস ওয়াটসন এবং তাঁর সহকর্মীদের ব্যাপারে বলেছে যা, তাঁরা পূর্বের তুলনায় অধিক পরিপক্কতার পরিচয় দিয়েছেন। এদিকে দ্য টাইমস চলচ্চিত্রের পরিচালক ক্রিস কলম্বাসকে সমালোচনা করে বলেছে, চলচ্চিত্রে ওয়াটসনের জনপ্রিয় চরিত্রকে যথাযোগ্য মর্যাদা দেওয়া হয়নি। ওয়াটসনের এই চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য জার্মান ম্যাগাজিন ব্র্যাভো তাঁকে অটো অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত করে।

২০০৪ সালে হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অফ আজকাবান প্রকাশিত হয়। এই চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য এমা ওয়াটসনের প্রশংসা করা হয় এবং বলা হয়, তাঁর চরিত্রটি মনোমুগ্ধকর এবং অভিনয়ের জন্য একটি দারুণ চরিত্র। সমালোচকগণ রেডক্লিফের অভিনয়কে কদর্য বলে আখ্যায়িত করলেও ওয়াটসনের অভিনয়ের প্রশংসা করেছে। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস ওয়াটসনের অভিনয়ের গুণকীর্তন করে বলেছে, সৌভাগ্যক্রমে রেডক্লিফের নম্র অভিনয় ওয়াটসনের তীক্ষ্ম অধীরতা দ্বারা ঢাকা পড়েছে। কিন্তু হারমায়োনি সবচেয়ে বেশি সাধুবাদ অর্জন করেছে। যদিও প্রিজনার অফ আজকাবা হ্যারি পটার সিরিজের সবচেয়ে কম ব্যবসায়িক সাফল অর্জনকারী চলচ্চিত্র, কিন্তু এতে ওয়াটসনের ব্যক্তিগত অভিনয় তাঁকে দুইটি অটো অ্যাওয়ার্ড এবং টোটাল ফিল্ম ম্যাগাজিনের চাইল্ড পারফরম্যান্স অফ দ্য ইয়ার এনে দিয়েছে।

২০০৫ সালে হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য গবলেট অফ ফায়ার প্রকাশিত হওয়ার মাধ্যমে এমা ওয়াটসন এবং হ্যারি পটার সিরিজ উভয়ই নতুন মাইলফলক অর্জন করে। প্রকাশের প্রথম সপ্তাহেই চলচ্চিত্রটি রেকর্ড ভঙ্গ করে। সমালোচকগণ ওয়াটসন ও তাঁর সহ-অভিনেতাদের ক্রমাগত পরিপক্কতার প্রশংসা করেন। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস ওয়াটসনকে অতি আন্তরিক বলে অভিহিত করেছে। ওয়াটসন ও তাঁর প্রধান দুই সহ-অভিনেতাদের পরিপক্কতা বৃদ্ধির সাথে সাথে মানসিক অবস্থারও পরিবর্তন ঘটতে থাকে। ওয়াটসন বলেছে, আমি সমস্ত তর্ক-বিতর্ক পছন্দ করতাম...আমি মনে করি এটা অনেক বেশি বাস্তবধর্মী যে তাঁরা তর্ক করবে এবং এক্ষেত্রে সমস্যার সৃষ্টি হবে। এই চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য ওয়াটসন তিনটি পুরস্কারের জন্য মনোনীট হন এবং ব্রোঞ্জ অটো অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন। পরবর্তিতে ওয়াটসন সবচেয়ে কম বয়সী ব্যক্তি হিসেবে টিন ভগ ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে উপস্থিত হন। ২০০৬ সালে ওয়াটসন বাকিংহাম প্রাসাদে রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথের ৮০তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত হ্যারি পটারের একটি ক্ষুদ্র সংস্করণে হারমায়োনির ভূমিকায় অভিনয় করেন।

হ্যারি পটার সিরিজের পঞ্চম চলচ্চিত্র হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অফ দ্য ফিনিক্স ২০০৭ সালে প্রকাশিত হয়। চলচ্চিত্রটি বহুল পরিমাণে ব্যবসায়িক সাফল্য অর্জন করে। অবমুক্তির প্রথম সপ্তাহেই চলচ্চিত্রটি বিশ্বব্যাপী ৩৩২.৭ মিলিয়ন ডলার আয় করে। এই চলচ্চিত্রে সবচেয়ে উত্তম নারী অভিনেত্রী হিসেবে এমা ওয়াটসন ন্যাশনাল মুভি অ্যাওয়ার্ড অর্জন করে। ওয়াটসন ও হ্যারি পটার চলচ্চিত্রের খ্যাতি ক্রমেই বৃদ্ধি পেতে থাকে। ২০০৭ সালের ৯ জুলাই ওয়াটসন, ড্যানিয়েল রেডক্লিফ ও রুপার্ট গ্রিন্ট গ্র্যাউম্যান চাইনিজ থিয়েটারে তাঁদের হাত, পা ও জাদুদন্ডের ছাপ মুদ্রিত করে।

অর্ডার অফ দ্য ফিনিক্স এর সাফল্য সত্ত্বেও হ্যারি পটার চলচ্চিত্রের সিরিজের ভবিষ্যৎ সন্দিহান হয়ে পড়ে। প্রধান তিন অভিনেতা-অভিনেত্রীই সিরিজের শেষ দুইটি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য চুক্তির ব্যাপারে দ্বিধাদ্বন্দ অনুভব করেন। রেডক্লিফ অবশেষে ২০০৭ এর ২ মার্চে চুক্তি করে। কিন্তু ওয়াটসন তুলনামূলকভাবে অধিক দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন। তিনি বলেন যে, সিদ্ধান্তটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ; কারণ এই চুক্তির ফলে পরবর্তি চার বছর ধরে তাঁকে দুইটি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য সময় দিতে হবে। অবশেষে তিনি স্বীকার করেন যে, তিনি আর হারমায়োনির চরিত্র চালিয়ে যেতে দিবেন না। ২৩ মার্চ ২০০৭ এ ওয়াটসন চুক্তি করেন। এই দুইটি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য ওয়াটসনের পারিশ্রমিক দ্বিগুণ করে ২ মিলিয়ন পাউন্ডে পরিণত করা হয়। সিরিজের ষষ্ঠ চলচ্চিত্রের চিত্রগ্রহণ ২০০৭ এর শেষের দিকে শুরু হয়। ওয়াটসন ২০০৮ এর ১৮ ডিসেম্বর থেকে ১৭ মে পর্যন্ত এই চলচ্চিত্রের অভিনয়ের কাজ করেন।

হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্সের প্রথম অভিনয় শুরু হয় ১৫ জুলাই ২০০৯। তবে এর কার্যক্রম ২০০৮ এর নভেম্বরে শুরু হওয়ার কথা ছিল। এ সময়ে প্রধান তিন অভিনেতা-অভিনেত্রীই তাদের বয়ঃসন্ধিকালের শেষ পর্যায়ে উপনীত হন। সমালোচকগণ চলচ্চিত্রটির পর্যালোচনার জন্য ক্রমেই আগ্রহী হয়ে উঠছিলেন। লস অ্যাঞ্জেলস টাইমস এই চলচ্চিত্রকে যুক্তরাজ্যের সমকালীন অভিনয়ের সর্বাঙ্গীন নির্দেশিকা বলে অভিহিত করে। ওয়াটসন তাঁর সবচেয়ে উত্তম অভিনয় এতে প্রদর্শন করবেন বলে দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট আশা প্রকাশ করে। দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ প্রধান তিন অভিনেতা-অভিনেত্রীদের সম্পর্কে বলে, তাঁরা এখন নব-মুক্তির স্বাদপ্রাপ্ত ও উদ্দীপনাসম্পন্ন, তাঁরা তাদের সর্বোত্তম অভিনয় কুশলতা প্রদর্শন করতে আগ্রহী।

ওয়াটসনের হ্যারি পটার সিরিজের সর্বশেষ চলচ্চিত্র হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস এ অভিনয়ের কাজ ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০০৯ এ শুরু হয়ে ১২ জুন ২০১০ এ শেষ হয়। and ended on 12 June 2010. আর্থিক ও পান্ডুলিপিগত কারণে মূল বইটির কাহিনীকে দুই খন্ডে বিভক্ত করে দুইটি চলচ্চিত্র নির্মাণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস এর প্রথম এবং দ্বিতীয় পর্ব যথাক্রমে নভেম্বর ২০১০ ও জুলাই ২০১১ এ প্রকাশিত হবে বলে নির্ধারিত হয়েছে।

হ্যারি পটের ব্যতীত এমা ওয়াটসনের অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র হল ব্যালেট সুজ, যা ২০০৭ সালে প্রকাশিত হয়। ঔপন্যাসিক নোয়েল স্ট্রিটফিল্ড রচিত একই নামের উপন্যাস অবলম্বনে এই চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়। চলচ্চিত্রটির পরিচালক স্যান্ড্রা গোল্ডব্যাচার মন্তব্য করেছিলেন যে, চলচ্চিত্রের উচ্চাকাঙ্খী অভিনেত্রী পলিন ফিসেলের চরিত্রে অভিনয়ের জন্য ওয়াটসন অত্যন্ত উপযুক্ত; সে তীব্র, সূক্ষ্ম মনোভাবের অধিকারী। চলচ্চিত্রটি ২০০৭ সালে যুক্তরাজ্যে প্রচারিত হয়। সমালোচকদের পর্যালোচনায় এটি অপ্রশংসনীয় হওয়া সত্ত্বেও প্রায় ৫.৭ মিলিয়ন দর্শক চলচ্চিত্রটি উপভোগ করেন।

ওয়াটসন অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্র দ্য টেল অফ ডেসপ্যারক্স-এ প্রিন্সেস পী-এর চরিত্রে কন্ঠ দিয়েছেন। ম্যাথিউ ব্রোডরিক অভিনীত এই চলচ্চিত্রটি একটী শিশু-চলচ্চিত্র। এটি ২০০৮ এর ডিসেম্বরে প্রকাশিত হয় এবং বিশ্বব্যাপী প্রায় ৮৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করে। The Tale of Despereaux was released in December 2008 and grossed $87 million worldwide.

২০০৮ এর এপ্রিলে এমা ওয়াটসন নেপোলিয়ন এন্ড বেটসি নামক আসন্ন চলচ্চিত্রে বেটসি বোনাপার্ট-এর চরিত্রে অভিনয় করেছে বলে গুজব ছড়ায়। কিন্তু তাঁর ওয়েবসাইটে বলা হয় যে, এ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের ব্যাপারে ওয়াটসন কোন চুক্তি করেননি এবং চলচ্চিত্রটি প্রকাশে ব্যর্থ হয়। ওয়াটসন চলচ্চিত্রে বা টেলিভিশন নাটকে অভিনয়ের পরিবর্তে পড়ালেখার প্রতি অধিক মনোযোগ প্রদান করেন।

২০১০ সালের মে মাসে ওয়াটসন দ্য পার্কস অফ বিয়িং এ ওয়ালফ্লাওয়ার উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্রে অভিনয় করবে বলে খবরে প্রকাশিত হয়। ওয়ান নাইট অনলি ব্যন্ডের প্রধান গায়ক জর্জ ক্রেইগের সাথে সাক্ষাতের পর একই মাসে তিনি ঘোষণা দেন যে, ব্যান্ডটির একটি সঙ্গীত ভিডিওতে তিনি অংশ নেবেন। হ্যারি পটার চলচ্চিত্র সিরিজে জরিত হওয়ার পর একটি গীতি চলচ্চিত্রে অভিনয়েরও ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন ওয়াটসন। ওয়াটসন অভিনীত সে ইউ ডোন্ট ওয়ান্ট ইট শীর্ষক সঙ্গীত ভিডিওটি ২০১০ এর ২৬ জুনে চ্যানেল ৪-এ প্রথম প্রচারিত হয় এবং ১৬ অগাস্টে অবমুক্ত হয়।

ওয়াটসন যতই বয়সে পরিণত হতে থাকে, ততই তিনি ফ্যাশন অনুরাগী হয়ে ওঠেন। তিনি বলেছেন যে, ফ্যাশনকে তিনি শিল্পের সদৃশ মনে করেন এবং এ বিষয়ে তিনি বিদ্যালয়ে পড়ালেখা করেছিলেন। ২০০৮ এর সেপ্টেম্বরে তিনি একটি ব্লগে উল্লেখ করেন যে, আমি শিল্পের প্রতি বেশি মনোযোগ প্রদান করছি এবং তার চেয়েও বেশি মনোযোগ প্রদান করছি ফ্যাশনে।

২০০৮ সালে ব্রিটেনে সংবাদ প্রকাশিত হয় যে, ফ্যাশন হাউস চ্যানেলের বিপণন মডেল হিসেবে কিরা কিরা নাইটলির পরিবর্তে অভিনয় করবেন। কিন্তু পরবর্তিতে ওয়াটসন ও নাইটলি উভয়ই স্পষ্টভাবে এর অস্বীকার করেন। কয়েক মাসের অবিরত গুজবের পর ২০০৯ এর জুনে ওয়াটসন নিশ্চিত করেন যে, তিনি ফ্যাশন হাউস বারবারির বিপণন মডেল হবেন এবং তাকে নির্ধারিত পারিশ্রমিকের চেয়ে প্রায় ছয় গুণ পারিশ্রমিক প্রদান করা হবে। পরবর্তিতে ২০১০ সালে বারবারির বসন্ত/গ্রীষ্মের ক্যাম্পেইনে ছোট ভাই অ্যালেক্স, গায়ক জর্জ ক্রেইগ ও ম্যাট গিলমারের সাথে ওয়াটসন উপস্থিত হন।

২০০৯ এর সেপ্টেম্বরে ওয়াটসন পিপল ট্রি নামক একটি বাণিজ্য মেলার ব্র্যান্ডের সাথে তাঁর সম্পৃক্ততার ঘোষণা দেন। পিপল ট্রি-এর বসন্তকালীন পোশাক সম্ভার তৈরীতে সৃজনশীল উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেন। এসব পোশাক ২০১০ এর ফেব্রুয়ারীতে অবমুক্ত করা হয় এবং এতে ফ্রান্সের দক্ষিণাঞ্চল থেকে সিটি অফ লন্ডনের সমকালীন ফ্যাশনের ধারা ব্যবহৃত হয়। দ্য টাইমস এই পোশাক সম্ভারকে আটপিঠে অভিহিত করে। এছাড়া ইউ ম্যাগাজিন, হিট, টিন ভগ, কসমোপলিটন, পিপল সহ বিভিন্ন ট্যাবলয়েডে এসব পোশাক সম্বন্ধে তথ্য প্রচারিত হয়। তবে এতে কাজ করার জন্য ওয়াটসন কোনো পারিশ্রমিক পাননি। তিনি বলেছেন, মানুষকে দক্ষ করতে এবং তাদের ক্ষমতায়নের জন্য ফ্যাশন একটি দারুণ উপায়। সাহায্যপ্রার্থী মানুষকে সহায়তার জন্য তাদেরকে নগদ অর্থ দান করার চেয়ে তাদের তৈরী পোশাক ক্রয় করা উত্তম। তিনি আরো বলেন, আমি মনে করি আমার মত তরুণেরা অগ্রসরমান ফ্যাশনকে ঘিরে মানবতাবাদের ব্যাপারে অধিক সচেতন হচ্ছে। পরবর্তিতে পিপল ট্রি-এর শরৎ/শীতকালীন পোশাক সম্ভারের নকশার জন্যেও ওয়াটসন কাজ করেন।

ওয়াটসনের বিবাহবিচ্ছেদপ্রাপ্ত মা ও বাবা প্রত্যকেই ইতোঃমধ্যে তাদের অংশীদার জুটিয়ে ফেলেন। ওয়াটসনের বাবার টোবি নামে একটি পুত্র সন্তান এবং দুইজন জমজ কন্যা সন্তান হয়। কন্যা সন্তানদ্বয়ের একজনের নাম নিনা ও অন্যজনের লুসি। ওয়াটসনের মায়ের আবার দুইটি পুত্র সন্তান হয়। তাঁরা (ওয়াটসনের সৎ ভাইদ্বয়) প্রায়ই ওয়াটসনের সাথে থাকেন। ওয়াটসনের আপন ভাই, আলেকজান্ডার অতিরিক্ত অভিনেতা হিসেবে হ্যারি পটার সিরিজের দুইটি চলচ্চিত্রে আবির্ভূত হয়েছেন। এছাড়া ওয়াটসনের সৎ বোনদ্বয়ও বিবিসিতে প্রচারিত ব্যালেট সুজ-এ পলিন ফসিলের চরিত্রে অভিনয় করেন।

মা ও ছোটভাইসহ অক্সফোর্ডে স্থানান্তরের পর ওয়াটসন দ্য ড্রাগন স্কুলে ২০০৩ এর জুন পর্যন্ত পড়ালেখা করেছিলেন। পরবর্তিতে তিনি হেডিংটন স্কুলে ভর্তি হন। হেডিংটন স্কুল শুধু ছাত্রীদের জন্য পরিচালিত একটি ইন্ডিপেন্ডেন্ট স্কুল, এটিও অক্সফোর্ডে অবস্থিত। চলচ্চিত্রের চিত্রগ্রহণের সময় ওয়াটসন ও তাঁর সহ-অভিনেতাগণ দিনে সর্বোচ্চ পাঁচ ঘন্টা পর্যন্ত পড়ালেখা করতেন। চলচ্চিত্রে অধিক সময় ব্যয় করলেও ওয়াটসন ভাল ফলাফল অব্যাহত রেখেছিলেন। ২০০৬ এর জুনে ওয়াটসন জিসিএসই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এতে তিনি ১০টি পাঠ্য বিষয়ের মধ্যে আটটিতে A* এবং দুইটিতে A গ্রেড অর্জন করেন। জিসিএসই পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের জন্যে হ্যারি পটার সিরিজে অভিনয় সেটে তাকে নিয়ে সবাই ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করতো। ২০০৮ সালের এ লেভেল পরীক্ষাতে ওয়াটসন ইংরেজী সাহিত্য, ভূগোল ও মানবিকে A গ্রেড অর্জন করেন। ২০০৭ সালে এএস (অ্যাডভান্সড সাবসিডিয়ারি) পরীক্ষাতে তিনি মানবিক ইতিহাস বিষয়েও A গ্রেড অর্জন করেন।

বিদ্যালয় ছাড়ার পর ওয়াটসন ২০০৯ এর ফেব্রুয়ারীতে হ্যারি পটার আন্ড দ্য দেথলি হ্যালোস এ অভিনয়ের জন্য এক বছরের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা হতে বিরতি নেন। কিন্তু তিনি বলেছেন যে তিনি অবশ্যই সে সময় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে চেয়েছিলেন। বিভিন্ন উৎস হতে খবর ছড়ায় যে তিনি নিশ্চিত ট্রিনিটি কলেজ, কেমব্রিজ; কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটি; ব্রাউন ইউনিভার্সিটি বা ইয়েল ইউনিভার্সিটিতে পরবেন। তবে ওয়াটসন এ ব্যাপারে জনস্মমুখে কোন মন্তব্য করতে অনাগ্রহী ছিলেন। তিনি আরো বলেন যে, তিনি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তাঁর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করবেন। ২০০৯ এর জুলাই এ জোনাথোন রোস এবং ডেভিড লেটারম্যানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ওয়াটসন বলেন যে, তিনি যুক্তরাষ্ট্রে লিবার‌্যাল আর্টস বিষয়ে উচ্চশিক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি আরো বলেন, চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি বিদ্যালয়ে বেশি একটা সময় দিতে পারেননি। এজন্য যুক্তরাষ্ট্রের বিস্তৃত পাঠ্যসূচি তাকে ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে অধিক আকর্ষণ করেছে। ২০০৯ এর জুলাই এ ওয়াটসনের বিরুদ্ধে দ্বিতীয়বারের মত গুজব ছড়ায়। দ্য প্রোভিডেন্স জার্নাল খবরে প্রকাশ করে যা, অনিচ্ছা সত্ত্বেও ওয়াটসন রোড আইল্যান্ডের প্রোভিডেন্সে অবস্থিত ব্রাউন ইউনিভার্সিটি বেছে নিয়েছেন। কিন্তু সাক্ষাৎকারে ওয়াটসন তাঁর পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয় সম্বন্ধে কিছু বলেননি। সাক্ষাৎকারে ড্যানিয়েল রেডক্লিফ বলেন যে, ২০০৯ এর সেপ্টেম্বরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবর্ষ শুরুর পরপরই হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স মুক্ত পাবে বলে নির্ধারিত হয়েছে। ওয়াটসন বলেন, আমি স্বাভাবিক থাকতে চাই...আমি এটা অন্যান্যদের মতই সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে চাই। যতক্ষণ না পর্যন্ত হ্যারি পটার-এর পোস্টার সর্বত্র দেখতে পাই, ততক্ষণ পর্যন্ত আমি স্বাভাবিক থাকবো।

জুলাই ২০০৭ নাগাদ, হ্যারি পটারে অভিনয়ের মাধ্যমে ওয়াটসন ১০ মিলিয়ন পাউন্ডেরও বেশি আয় করেছেন। তিনি স্বীকার করেছেন যে, অর্থের জন্য তাকে কখনোই অভিনয় করতে হবে না। ২০০৯ এর মার্চে ফোর্বস ম্যাগাজিন ওয়াটসনকে বিশ্বের ষষ্ঠ মূল্যবান তরুণ তারকার মর্যাদা দেয়। ২০১০ এর ফেব্রুয়ারীতে তিনি হলিউডের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক প্রাপ্ত নারী তারকা হন। ২০০৯ এ তিনি প্রায় ১৯ মিলিয়ন পাউন্ড আয় করেন। কিন্তু পড়ালেখা ছেড়ে পুরোদস্তর অভিনেত্রী হওয়ার ব্যাপারে অনিচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তিনি এ ব্যাপারে বলেন, মানুষ বুঝতে পারে না, কেন আমি এটা চাই না...বিদ্যালয় জীবন আমাকে আমার বন্ধুদের সান্নিধ্যে রাখে, বাস্তবতার সান্নিধ্যে রাখে শিশু অভিনেত্রী হিসেবে কাজ করার ব্যাপারে ওয়াটসন ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করেন। তিনি বলেছেন যে, তাঁর অভিভাবক ও সহকর্মীবৃন্দ তাকে এই ইতিবাচক অভিজ্ঞতা অর্জনে সহায়তা করেছেন। ওয়াটসনের সাথে তাঁর সহকর্মী হ্যারি পটার তারকা ড্যানিয়েল রেডক্লিফ ও রুপার্ট গ্রিন্টের ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব রয়েছে। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, অভিনয়ের কাজের চাপের জন্য এবং তাদের সাথে দশ বছর চলচ্চিত্র সিরিজে অভিনয়ের কারণে এখন তারা প্রকৃত অর্থেই সহোদরের মত।

ওয়াটসনের শখের মধ্যে রয়েছে নাচ, সঙ্গীত, ফিল্ড হকি, টেনিস, শিল্পকলা এবং তিনি ওয়াইল্ড ট্রাউট ট্রাস্টকে সমর্থন করেন। তিনি নিজেকে কিছুটা নারীবাদী মনে করেন।ওয়াটসন তার সহকর্মী অভিনেতা জনি ডেপ এবং জুলিয়া রবার্টস-এর ভক্ত।







সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১২:০১
২১টি মন্তব্য ৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলা সাহিত্যে জায়গা পাচ্ছেন ওসমান হাদী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:১৭


সংবাদপত্র যা বলছে
জাগো নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১০ জুন ২০২৬ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যবই পরিমার্জন-সংক্রান্ত কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকসহ... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, ক্রাউড ফান্ডিং-এর সুযোগ তৈরি করে সরকারী লাভজনক প্রজেক্টে জনগণের বিনিয়োগ নিন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:৩১

বাংলাদেশের বর্তমান সরকার বিনিয়োগ পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তিত, তা বুঝা যাচ্ছে। নাহলে, খোদ প্রধানমন্ত্রী দেশে বিনিয়োগ নিয়ে আসতে জনগণকে অনুরোধ করতেন না। আমার মন হয়, দেশের মানুষের কাছেই অনেক সম্পদ আছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিএনপির আবালীপনা।

লিখেছেন তানভির জুমার, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮

বিএনপি ৫০ হাজার নাচের শিক্ষক নিয়োগ দিতে যাচ্ছে। যার পেছনে ১০ বছরে ব্যায় হবে ১৫ হাজার কোটি টাকা। যা দিয়ে ফুল প্যাকেজ ৩০ টি জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

×