আঁধিয়ারে ভেসে যায় চাঁদ-সওদাগর,
কে কারে ভাসায় ভাবি যমুনার কূলে,
ছায়াকে সঙ্গী ভেবে তুলে রাখি কাগজ-কলম,
বোধেরা দেয় না ধরা জোছনার নীল উপকূলে।
মাছেরা মাছেতে বাড়ে- কৌশলে মৎস শিকার,
তারচে' দূরে ভাসে- শেকড়ের আজব জলধি-
লেখা তো যায় না তারে, শব্দরা আকিঞ্চিতকর-
আঁধিয়ারে ভাসে নাও, ভেসে যায় চাঁদ-সওদাগর।
কলমে কালিতে কালো জীবিকার বন,
মন সদা ভাসমান, স্থাণু শুধু আকাশের চিল,
পতনের ঘোর শুধু ক্যানভাসে- সাবেক খবর-
আঁধারে আঁধার ঠুকি- জোছনার খুঁড়ছি কবর।
তোমাকে লিখিনি, লেখা- জানি সে’তো সুদূরের প্রায়,
ডোলড্রাম, পেভমেন্ট, ফ্ল্যাট ফ্ল্যাট সুরকির হাতে-
রংবাহারের যত সখ্যতা- এক মনে নোট লিখে রাখে।
যেদিকে চাই যেতে- চলে যাই- কাছে-পিঠে ছায়া,
বসলেই বসে পড়ে সে’ও অতঃপর,
আড়ালে আড়াল নদী, ভেসে যায় চাঁদ সওদাগর।
মনেতে মাতাল তুমি, ফুল তোল এইবেলা একা,
তোমাকে খুঁজতে গিয়ে খুঁজে পাই জোনাকী’র হাট।
মৃতদার- ফেরী করি থোকা থোকা অন্ধকার রাত,
থ্রি-চিয়ার্স- মাতা মেরী- (জন্মান্ধতা)!
আকাশের ছাপাখানা এইবেলা বন্ধ’ কি? হায়-
বেহালা বাজিয়ে ওরা সপ্তমে তুলে দিল সুর।
কতটা একলা হলে মিশে থাকে রাত্রি-দুপুর,
এহেন একলা রাতে কড়া নাড়ে সাবেক জোনাকী!
ছায়ারা থাকে না আর ভাসমান, মিশে যায় জলে,
কে হায় চঁদের বুড়ি- সুতো কেটে যায় অতঃপর-
উপমান খুঁজে ফের উপনীত আজব শহরে-
ট্রাম্পেট বেজে যায় মাথার ভেতর-
ভেসে যায়, ভেসে যায় চঁদ-সাওদাগর।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে মে, ২০১০ রাত ৯:২৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


