বিয়ের সময় মেয়ে রান্না করতে জানে কিনা, এটা ছিল স্বাভাবিক প্রশ্ন। স্বামীর পরিবারকে মজার মজার রান্না করে খাওয়ানোর মতো রান্না জানা মেয়েরা পছন্দের তালিকায় শীর্ষে থাকনে। এখন সময় বদলেছে, বর্তমান প্রজম্মের মেয়েদের রান্নায় অনীহা দেখা দিচ্ছে। সুতারাং যারা এমন ভাবনা মাথায় রেখে বিয়ের পিড়িতে বসতে যাচ্ছেন তাদের জন্য অশনি সংকেত সামনে।
মা দাদিদের মজার মজার রান্নার ভোজন রসের গল্পের অধ্যায় শেষ। সকালে রুটি তরকারির পরিবর্তে এসে গেছে বাটার পাউরুটি, জ্যাম জেলি, দুধ কর্ণফেল্কস এর সংস্কৃতি। সন্ধ্যাবেলায় লুচি আলু, মুড়ি মোড়কির জায়গায় এগরোল, বার্গার, চাউমিন। পৌষের পিঠা সিনেমায় জায়গা করে নিয়েছে। সেই স্বাধ পাওয়া না গেলে নারকেল নাড়ু, তিলের নাড়ু, চিড়ের মোয়ায় দোকোনের ভেজালসহ পাওয়া যায়। কিনে খেতে ইচ্ছে করে পেট নষ্ট হয়।
প্রতিযোগিতার দিনে মেয়েরাও এখন ক্যারিয়ার নিয়ে ব্যস্ত। হারিয়ে যাচ্ছে যৌথ পরিবার। প্রতিদিনের ব্যস্ততায় স্বামী, সন্তানকে রান্না করে খাওয়ানোর সময় কোথায়? দুধের স্বাধ ঘোলে মেটাতে নির্ভর করতে হয় মাসি, বুয়ার উপর। খাবার যেমনই হোক চোখ বন্ধ করে খেয়ে নিতে হচ্ছে।শুধু খাবার নয়, শাড়ীতেও অরুচি আসছে যুগের কারনে। এখন মেয়েরা জন্সি টপ আর সালোয়ার কামিজে অভ্যস্ত হয়ে পড়ছে। কোনপ্রকার ত্যাগ স্বীকার বা সমঝোতা করতে রাজী নয় আজকের মেয়েরা। রূপ রস গন্ধে ভরা এ পৃখিবীতে মুক্ত বিহঙ্গের মতো বিচরন করতে চায়। রান্না ঘরের উনুনে মা দাদীদের মতোন সোনার অঙ্গ পুড়ার মানসিকতা নেই। নিজেদের বয়সকে ধরে রাখতে হাজার টাকার বিনিময়ে পাওয়া বিউটি টিপস সে কখনও নষ্ট হতে দেবে না। আজকের মেয়েরা স্বাবলম্বী হতে চায়, অন্যের মুখাপেক্ষি হয়ে থাকতে চায় না।
যে মেয়েটি সকাল ৮টায় বা তারো আগে বাস, কার, ট্রেনে কর্মক্ষেত্রে যাচ্ছে আর বিকেল ৫টা বা তারও পরে বের হয়ে রাতে ঘরে ক্লান্ত হয়ে ফিরছে ঘরে তার কাছ থেকে ঘরোয়া রান্না করা খাবার চাওয়া একটু বাড়াবাড়ি নয় কি.....

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



