মিশন কোড নাম- গাঙচিল
-------------------------- কাহিনীর শুরু...
১ম অংক-
২০১৪ ইং ১৭ই ফেব্রুয়ারী হেডকোর্য়াটারে বসে চায়ের পেয়ালা নিয়ে ঝিমুচ্ছে সালাম । হন্তদন্ত হয়ে বরকত প্রবেশ করল । বরকতের আকস্মিক প্রবেশে সালামের সুন্দর ঘুমটা গেল ভেঙ্গে । বিরক্তি নিয়ে তাকিয়ে আছে সে । কি হয়েছে প্রশ্নের জবাবে উত্তর আসে যে, নিয়ন্ত্রক একটা চিঠি পাঠিয়েছে । সালাম ভাবলেষহীনভাবে বসেই থাকে । এই নিয়ন্ত্রক কখনও চিঠি কখনও এসএমস কখনও এমএমএস কখনও ইমেইল কখনো পেজার কখনও পার্সেল কখনও পাখির মাধ্যমে
২য় অংক-
ঘড়িতে এখন রাত ১ টা বাজে । সাধারণত এই সময়ে ভূত প্রেত নিয়ে গবেষনা করার কথা কিন্তু ওরা ১১ জনের গবেষনা এখন শুরু হয় ।
সালাম: আমাদের টার্গেট রাঙ্গামটির গহীন অরণ্যের একটি নিউসিএলফ্রন্টের একটি অংঙ্গ সংগঠন রকেটটিম । নীচের ছবি:
এখান থেকে প্রায় প্রায় ১২০ কি.মি. দূরে আছে আর্মি অস্থায়ী ক্যাম্প । কিন্তু বর্তমানে তা পরিত্যক্ত । অর্থাৎ পাবর্ত্য সন্ত্রাসীরা গোপন বোমা বিস্ফোরনে ধ্বংস করে ফেলেছে এই ক্যাম্প । বর্তমানে সেখানে কিছুই নাই । কিন্তু আমরা আজ ব্রিফিং শেষে সেখানে রওনা দিব । সেখান এই মিশন গাঙচিল এর অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করা হবে । আমাদের সহযোগীতা করবে বাংলাদেশ আর্মির সাবেক মেজর এক্স ও তার কমান্ডোরা । আমাদের যা করতে তা শুধু নির্দেশ পালন । আর আভ্যন্তরীন কাজ যেমন অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন, সব ধরনের সুযোগ সুবিধা নিশ্চয়তা করা, যোগাযোগ স্থাপনা ইত্যাদি শতভাগ শেষ করা হয়েছে । সেই অস্থায়ী ক্যাম্পের নাম বেইসওয়ান । প্রথমেই আমরা মূল হেডকোর্য়াটার থেকে AH64-apache হেলিকপ্টার এ আধা ঘন্টার মধ্যে রওনা দিব । মিশন গাঙচিল শুধু বাদুড়েঁই পরিচালিত হবে । সেখানে ইতমধ্যে আমরা নতুন ওরা ১১ জন এর জন্য নৌ-স্পিড বোট পাব । যদিও ওরা ১১ জন এর কার্যক্রম ভূমিতে পরিচালিত হচ্ছে কিন্তু এই মিশন-গাঙচিল এর মাধ্যমে আমরা নৌ পথেও পরিচালনা করতে যাব । আগামীতে প্রয়োজনবোধে ওরা ১১ জন আকাশেও পরিচালিত হতে পারে । আমি আশা রাখি এতে আমাদের চৌকসতা কমবে না বরং বৃদ্ধি পাবেন । আমাদের আগামী অস্থায়ী বেইসওয়ান এর প্রধান মিস. শাহানা আফরিন । অর্থাৎ যে কেউ বেইসওয়ান থেকে বের হতে পারবে না বা ঢুকতে পারবেন না, আমাদের মিশন শেষে বেইসওয়ান এ ঢুকতে অনুমতি নিতে হবে । কারণ নিরাপত্তার জন্য । এর আগের সংস্থা বিডিসোয়াট ঠিক এইভাবেই পরিচালিত হচ্ছিল এবং ঠিক এরকমই অস্থায়ী ক্যাম্পে ছদ্মবেশী সন্ত্রাসীরা ঢুকে সম্পূর্ণ বিনাশ করে ফেলে সেই সংস্থাকে তারই পরিপ্রেক্ষিতে নতুন নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয় । মনে রাখতে হবে আমরা যদিও প্রধান দল হয়ে থাকি না কেন, মিস.শাহানা আফরিনকে মান্য করতে হবে । আর আমাদের প্রত্যেকের আঙ্গুলের ছাপ, চোখের মণির রং, কথার উচ্চারণ ইত্যাদির ডাটা ইতিমধ্যে মিস.শাহানা আফরিন এর কাছে পৌছে গিয়েছে । তাই যখন আমরা অস্থায়ী ক্যাম্পে প্রবেশ করতে চাব তখন আমাদেরকে বেইসওয়ান এর কোড নাম দিয়ে প্রবেশ করতে হবে । যা হচ্ছে আলফা২ । এরপর নিয়ম মোতাবেক চেক স্পটে আমাদের আঙ্গুলের ছাপ, চোখের মণির রং, কথার উচ্চারণ পরীক্ষা করা হবে । যা মাত্র মিনিট দুই একের ব্যাপার । এরপর পরের দিন বাদুড়েঁ আমরা নতুন সংযোজিত নৌ জাহাজ Littoral Combat Ship (LCS) High-Speed Surface Ship নিয়ে পৌছব আনুমানিক টার্গেট ৫০০ গজের মধ্যে । টার্গেট নাম উড়িশা । সেখান থেকে নৌ স্পিড বোট-Combat Boat 90H করে বরকতের নেতৃত্বে হিরো এনওয়ান ও বদি যাবে । আর মাদার নৌ জাহাজ Littoral Combat Ship (LCS) High-Speed Surface Ship এ অবস্থান করবে রুস্তম টু সাথে থাকবে চার্লি ডি, রিপিটার,কেএফজি আর আমি, জব্বার এবং অল্টারও থাকব বেইসওয়ান-এ কিন্তু আমরা ব্যাকআপ হিসেবে । সুতরাং মনে করতে হবে আমরা নাই !
আশা করি কারউ কোন প্রশ্ন নাই ।
তো সবার মাঝখান থেকে হাত উঠালো রিপিটার । বলে উঠল তার একটা প্রশ্ন আছে । সেটা কি জানতে চাইল সালাম । তো রিপিটার বলল, আচ্ছা আমাদের উচিত তো আগে থেকেই পরিচিত হওয়া নতুন কলিগদের সাথে তো তোমার কাছে কি মিস.ফারজানা আফরিন এর ফোন নাম্বার আছে ?
[ঠ্যাংনোট]
কেই এই মেজর এক্স !, কারাইবা মেজর এক্স এর কমান্ডো!
কি এই বাদুড়ঁ !
এই নিউসিএলফ্রন্টই বা কি !
জানতে হল পর্বে দেখুন
নতুন সংযোজিত:
নৌ স্পিড বোট-Combat Boat 90H
নৌ জাহাজ-Littoral Combat Ship (LCS) High-Speed Surface Ship
আগের:
জঙ্গী বিমান- F-16 ও F-117
হেলিকপ্টার-AH64-apache
ট্যাংক-M1A1
জিপ-J8 Military Jeep Wrangle
আগ্নেয়াস্ত্র- HK416 ও L115A3
পিস্তল- fn57
ছোড়া- Microtech Combat Troodon Dagger
দেহরক্ষক- Miguel Caballero Polo
মস্তক আবরনী- Multifunctional Helmet with virtual image display, vga cam, voice recog. & mic.

জয় বাংলা জয় বাংলাদেশ,
মাতৃভূমি আমার সোনার বাংলাদেশ ।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:৫৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



