somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মিশন গাঙচিল-২

১৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মিশন গাঙচিল-১

মিশন কোড নাম- গাঙচিল
-------------------------- কাহিনীর শুরু...
১ম অংক-
২০১৪ ইং ১৭ই ফেব্রুয়ারী হেডকোর্য়াটারে বসে চায়ের পেয়ালা নিয়ে ঝিমুচ্ছে সালাম । হন্তদন্ত হয়ে বরকত প্রবেশ করল । বরকতের আকস্মিক প্রবেশে সালামের সুন্দর ঘুমটা গেল ভেঙ্গে । বিরক্তি নিয়ে তাকিয়ে আছে সে । কি হয়েছে প্রশ্নের জবাবে উত্তর আসে যে, নিয়ন্ত্রক একটা চিঠি পাঠিয়েছে । সালাম ভাবলেষহীনভাবে বসেই থাকে । এই নিয়ন্ত্রক কখনও চিঠি কখনও এসএমস কখনও এমএমএস কখনও ইমেইল কখনো পেজার কখনও পার্সেল কখনও পাখির মাধ্যমে:) বার্তা পাঠায় । খুবই আজীব ব্যাপার । সালাম মাঝে মাঝে মনে মনে হেসে উঠে এই মজার ব্যাপার নিয়ে । যদিও আজ পর্যন্ত কেউই নিয়ন্ত্রকের দেখা পায় নাই ।:-*

২য় অংক-
ঘড়িতে এখন রাত ১ টা বাজে । সাধারণত এই সময়ে ভূত প্রেত নিয়ে গবেষনা করার কথা কিন্তু ওরা ১১ জনের গবেষনা এখন শুরু হয় ।B-) একে একে সবাই উপস্থিত হয়েছে সালাম(নেতা), বরকত(সহনেতা), জব্বার(উপনেতা), চার্লি ডি(আইটি), বদি(বোমা বিশেষজ্ঞ), বাংলার ৫(বৈমানিক), হিরো এনওয়ান(বৈমানিক ও কমান্ডো), কেএফজি(ইঞ্জিনিয়ার), রিপিটার(ডাক্তার), রুস্তম টু(নাবিক), অল্টার(অজানা) । কিন্তু না একজন সংখ্যায় কম, অল্টার কোথায়? গতানুগতিকভাবেই অল্টার এবারও অনুপস্থিত কিন্তু উপস্থিত !:-* তার ভার্চুয়াল চেহারা ফুটে উঠছে তার নির্দিষ্ট চেয়ারে । প্রত্যেকের ডেস্কের সামনে পাতলা কম্পিউটার এর পর্দায় সব ভেসে উঠছে অথার্ত তাদের নতুন মিশন-গাঙচিল নিয়ে । এদিকে চার্লি ডি পিৎসা কামড়াতে ব্যস্ত হয়ে আছে ।:P সালাম একটা কষে ধমক দিল । আর চার্লি ডি এর মুখ খানা পাঙ্গাস মাছের মত হয়ে যায় ।/:) তো সালাম বিস্তারিত জানাতে শুরু করে ...
সালাম: আমাদের টার্গেট রাঙ্গামটির গহীন অরণ্যের একটি নিউসিএলফ্রন্টের একটি অংঙ্গ সংগঠন রকেটটিম । নীচের ছবি:

এখান থেকে প্রায় প্রায় ১২০ কি.মি. দূরে আছে আর্মি অস্থায়ী ক্যাম্প । কিন্তু বর্তমানে তা পরিত্যক্ত । অর্থাৎ পাবর্ত্য সন্ত্রাসীরা গোপন বোমা বিস্ফোরনে ধ্বংস করে ফেলেছে এই ক্যাম্প । বর্তমানে সেখানে কিছুই নাই । কিন্তু আমরা আজ ব্রিফিং শেষে সেখানে রওনা দিব । সেখান এই মিশন গাঙচিল এর অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করা হবে । আমাদের সহযোগীতা করবে বাংলাদেশ আর্মির সাবেক মেজর এক্স ও তার কমান্ডোরা । আমাদের যা করতে তা শুধু নির্দেশ পালন । আর আভ্যন্তরীন কাজ যেমন অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন, সব ধরনের সুযোগ সুবিধা নিশ্চয়তা করা, যোগাযোগ স্থাপনা ইত্যাদি শতভাগ শেষ করা হয়েছে । সেই অস্থায়ী ক্যাম্পের নাম বেইসওয়ান । প্রথমেই আমরা মূল হেডকোর্য়াটার থেকে AH64-apache হেলিকপ্টার এ আধা ঘন্টার মধ্যে রওনা দিব । মিশন গাঙচিল শুধু বাদুড়েঁই পরিচালিত হবে । সেখানে ইতমধ্যে আমরা নতুন ওরা ১১ জন এর জন্য নৌ-স্পিড বোট পাব । যদিও ওরা ১১ জন এর কার্যক্রম ভূমিতে পরিচালিত হচ্ছে কিন্তু এই মিশন-গাঙচিল এর মাধ্যমে আমরা নৌ পথেও পরিচালনা করতে যাব । আগামীতে প্রয়োজনবোধে ওরা ১১ জন আকাশেও পরিচালিত হতে পারে । আমি আশা রাখি এতে আমাদের চৌকসতা কমবে না বরং বৃদ্ধি পাবেন । আমাদের আগামী অস্থায়ী বেইসওয়ান এর প্রধান মিস. শাহানা আফরিন । অর্থাৎ যে কেউ বেইসওয়ান থেকে বের হতে পারবে না বা ঢুকতে পারবেন না, আমাদের মিশন শেষে বেইসওয়ান এ ঢুকতে অনুমতি নিতে হবে । কারণ নিরাপত্তার জন্য । এর আগের সংস্থা বিডিসোয়াট ঠিক এইভাবেই পরিচালিত হচ্ছিল এবং ঠিক এরকমই অস্থায়ী ক্যাম্পে ছদ্মবেশী সন্ত্রাসীরা ঢুকে সম্পূর্ণ বিনাশ করে ফেলে সেই সংস্থাকে তারই পরিপ্রেক্ষিতে নতুন নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয় । মনে রাখতে হবে আমরা যদিও প্রধান দল হয়ে থাকি না কেন, মিস.শাহানা আফরিনকে মান্য করতে হবে । আর আমাদের প্রত্যেকের আঙ্গুলের ছাপ, চোখের মণির রং, কথার উচ্চারণ ইত্যাদির ডাটা ইতিমধ্যে মিস.শাহানা আফরিন এর কাছে পৌছে গিয়েছে । তাই যখন আমরা অস্থায়ী ক্যাম্পে প্রবেশ করতে চাব তখন আমাদেরকে বেইসওয়ান এর কোড নাম দিয়ে প্রবেশ করতে হবে । যা হচ্ছে আলফা২ । এরপর নিয়ম মোতাবেক চেক স্পটে আমাদের আঙ্গুলের ছাপ, চোখের মণির রং, কথার উচ্চারণ পরীক্ষা করা হবে । যা মাত্র মিনিট দুই একের ব্যাপার । এরপর পরের দিন বাদুড়েঁ আমরা নতুন সংযোজিত নৌ জাহাজ Littoral Combat Ship (LCS) High-Speed Surface Ship নিয়ে পৌছব আনুমানিক টার্গেট ৫০০ গজের মধ্যে । টার্গেট নাম উড়িশা । সেখান থেকে নৌ স্পিড বোট-Combat Boat 90H করে বরকতের নেতৃত্বে হিরো এনওয়ান ও বদি যাবে । আর মাদার নৌ জাহাজ Littoral Combat Ship (LCS) High-Speed Surface Ship এ অবস্থান করবে রুস্তম টু সাথে থাকবে চার্লি ডি, রিপিটার,কেএফজি আর আমি, জব্বার এবং অল্টারও থাকব বেইসওয়ান-এ কিন্তু আমরা ব্যাকআপ হিসেবে । সুতরাং মনে করতে হবে আমরা নাই !:-* যদি আব্যশক প্রোয়োজনীয়তা পরে তাহলে মেজর এক্স ও তার কমান্ডোরা পরিচালনায় আসবে । আশা রাখি এই ধরনের পরিস্থিতি আসবে না ।:) যখন বরকত স্পিড বোট ছেড়ে তার তার দল সহ(হিরো এনওয়ান ও বদি) সাতরেঁ পারে পৌছবে তখন আমাদেরকে সিগনাল পাঠাবে হাইটেক ডিভাইসের মাধ্যমে যা পানিতে নষ্ট হবে না । তখনই আমাদের সর্তক হতে হবে । তারপর তারা যখন সফলভাবে বোমা নির্দিষ্ট স্থানে স্থাপিত করতে পারবে তারপর তারা সিগনাল পাঠাবে ও নিরাপদে স্পিডবোটে ফেরত যাবে, তারপর আমি বেইসওয়ান থেকে নির্দেশ পাঠাবো অপেক্ষারত বাংলার ৫কে যে আকাশে জঙ্গী বিমান নিয়ে অপেক্ষায় আছে । নির্দেশ পাওয়া মাত্র সে আকাশে থেকে সাপোর্ট দিবে । যদি চার্লি ডি সবুজ সংকেত দেয় তাহলে সে আকাশ থেকে ভূমিতে আঘাত করবে । এরপর হয়ত সম্মুখ যুদ্ধের প্রয়োজন পরতে পারে তখন তোমরা মাদার শিপ নিয়ে তা প্রতিহত করার চেষ্টা করবে । যদি অতিরিক্ত প্রয়োজন পরে তাহল বদি স্পিড বোট থেকে কালাশিন্কো হ্যান্ডমিসাইল নিক্ষেপ করবে । তারা যদি পরাজয় স্বীকার করে তাহলেও বিরত থাকবে না । কারন তার বিডিসোয়াটকেও রেহাই দেয় নাই ।X( প্রতিশোধমূলক হলেও নির্দেশ আমার নয় বরং নিয়ন্ত্রকের । যদি সব শেষ হয় তাহলে বরকত ম্যাসেজ পাঠাবে চার্লি ডিকে আর চার্লি ডি শিওর হলে আমাকে জানাবে তাহলে আমি বাংলার ৫ কে জঙ্গী বিমান নিয়ে ফিরে যেতে বলব এবং মিশন বন্ধ করব ।
আশা করি কারউ কোন প্রশ্ন নাই ।:)

তো সবার মাঝখান থেকে হাত উঠালো রিপিটার । বলে উঠল তার একটা প্রশ্ন আছে । সেটা কি জানতে চাইল সালাম । তো রিপিটার বলল, আচ্ছা আমাদের উচিত তো আগে থেকেই পরিচিত হওয়া নতুন কলিগদের সাথে তো তোমার কাছে কি মিস.ফারজানা আফরিন এর ফোন নাম্বার আছে ?:-* তো জবাবে ভারিক্কি কন্ঠে সালাম বলল ফারজানা নয় শাহানা আফরিন । ঐ একই হল আফরিন তো ! তো আফরিনার প্রাইভেট নাম্বার হলে ভাল হয় ।:P সারাদিন কত অফিসিয়াল কাজ করে, ঘরেই সময়পাবে কথা বলার,(সবাই বড়বড় চোখে তাকিয়ে আছে) তখন বলে মানে মিশন-গাঙচিল নিয়ে কথা বলার ।;) সালাম বলল ঠিকাছে পড়ে দেখা যাবে । ....




[ঠ্যাংনোট]
কেই এই মেজর এক্স !, কারাইবা মেজর এক্স এর কমান্ডো!
কি এই বাদুড়ঁ !
এই নিউসিএলফ্রন্টই বা কি !
জানতে হল পর্বে দেখুন


নতুন সংযোজিত:
নৌ স্পিড বোট-Combat Boat 90H
নৌ জাহাজ-Littoral Combat Ship (LCS) High-Speed Surface Ship
আগের:
জঙ্গী বিমান- F-16 ও F-117
হেলিকপ্টার-AH64-apache
ট্যাংক-M1A1
জিপ-J8 Military Jeep Wrangle
আগ্নেয়াস্ত্র- HK416 ও L115A3
পিস্তল- fn57
ছোড়া- Microtech Combat Troodon Dagger
দেহরক্ষক- Miguel Caballero Polo
মস্তক আবরনী- Multifunctional Helmet with virtual image display, vga cam, voice recog. & mic.




জয় বাংলা জয় বাংলাদেশ,
মাতৃভূমি আমার সোনার বাংলাদেশ ।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:৫৫
৫টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শিক্ষা খাতে শুরু হয়েছে তারেক রহমান ম্যাজিক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৯


রাজনীতির মাঠে ক্ষমতার হাতবদল যেমনই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের আসল নজর থাকে জীবনের মৌলিক জায়গাগুলোতে। আর একটি দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো শিক্ষা ব্যবস্থা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এমন কেন?

লিখেছেন তাই-ফি, ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:৪৪

একটা গল্প দিয়ে শুরু করা যাক।

শেষ বিচারের পর নরকে শাস্তি ভোগ করছে পাপীরা। বিশাল বিশাল তেলের ড্রামে তাদের একবার ডুবিয়ে আবার ভাসিয়ে তোলা হচ্ছে। প্রতিটি ড্রামের সামনে একজন করে পাহারাদার... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×