আলিফ লায়লায় দেখছিলাম আলাদীনের চেরাগ।চেরাগে ঘষা দাও,দৈত্য এসে হাজির-হুকুম করুন জাঁহাপনা।দিন বদলাইছে,এখন আলাদীনের চেরাগ লাগে না।এখন আছে মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট।এর ক্ষমতা আলাদীনের চেরাগের চেয়ে কম কিছু না।কী চাই?ভার্সিটি অ্যাডমিশন,special BCS,সরকারী-স্বায়িত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে কোটা,৩২ বছর পর্যন্ত চাকরির প্রার্থিতা,অবসরের বয়স বৃদ্ধি,ঝিলমিলে প্লট......।চেরাগে ঘষা দেই,দৈত্য আসে না।দৈত্যেরও লজ্জা আছে !!!
হুমায়ূন আজাদ আশংকা করেছিলেন - সব যাবে নষ্টদের দখলে।আমার আশংকা সব যাবে মেধাহীনদের দখলে।আমলারা হলেন কোটার ফসল।সাংসদরা সব আকাঠ মূর্খ।মন্ত্রীরা মানুষের চেয়ে গরু-ছাগলে বেশি আগ্রহী।দেশে আজ যত কাক আছে,তার চেয়ে বেশি আছে সুশীল।পার্থক্য শুধু কাক ময়লা খেয়ে পরিবেশ রক্ষা করে আর এরা রাত ১১ টার টক শোতে ময়লা ত্যাগ করে।আমরা নব্য সুশীল সমাজ তা গোগ্রাসে গিলি।ময়লা খেতে কী মজা !!! বন্ধুদের সাথে আড্ডা মেয়ে আর সেক্স পেরিয়ে এসে ঠেকে জাতির-মুক্তি বিষয়ক গভীর চিন্তায়।শত বছর আগে বেগম রোকেয়া নারীকুলের মুক্তি নিয়ে এত চিন্তিত ছিলেন না, থাকলে বাংলার নারীদের আজো বিশ্ববিদ্যালয়ে ইভ টিজিং নিয়ে আন্দোলন করা লাগত না।আর যারা দৃষ্টিবানে-কথার শানে দিনে গোটাকয়েক ধর্ষণ করে একেকজন বীর সেঞ্চুরীয়ান মানিক হন তারা হবেন আমাদের ভাগ্য বিধাতা ।হয় আমলা না হয় মন্ত্রী।একজন মেধাহীন মানুষ তার চারপাশে গাধা-গরু-ছাগল দেখতে পছন্দ করেন।রাজনৈতিক নিয়োগ,কোটাভিত্তিক গরু-ছাগলে দেশ ভরে যায়।এই দেশের ড্রাইভাররা খানা-খন্দে ভরা রাস্তায় বাস চালিয়েছেন গরু-ছাগলের সিগনাল দেখিয়ে।"বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে (ঋনাত্মক গতিতে), ভাবতে ভালই লাগছে :-("
আমরা রাজাকার না, আমরা মুক্তিযুদ্ধের ফসল বাংলাদেশের সন্তান।আমরা মেধাবৃত্তিক-মেধাভিত্তিক বাংলাদেশ চাই।আমরা একটা নূন্যতম কোটাভিত্তিক বাংলাদেশ চাই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



