অনেক বৃষ্টি, আলসেমী এবং বৈষয়িক ব্যস্ততা, তার মধ্যে হঠাৎ ব্লগে ঢু মারলে একটু সবার মতই ব্লগাতে ইচ্ছে হয়। তাই পুরনো ডায়েরীর থেকে তুলে দিলাম। যে আমার দ্বিধা ছিল ব্লগ সম্ভবত কবিতার জায়গা নয়, কর্কশ গদ্য লেখার স্থান। যেখানে বিতর্ক হবে, মতামত তৈরী হবে। অথবা রাজনৈতিক কবিতা। মজার ব্যাপার হচ্ছে গত কিছুদিন থেকে আমি পুরনো ডায়েরী থেকে কবিতা পোস্ট করে যাচ্ছি। আমার এই কবিতাগুলি যত জনেই পড়েছে সবাই পুরাদস্তুর প্রেমের কবিতাই অভিহিত করেছে। কখনো কখনো আমিও নি:সন্দেহ নই।...
জগদীশ বসু
মেয়েটি উদ্ভিদের মত
আমি তার একটি ঋষি পাতা
তার সাথে কথা বলতে বলতে হায় জগদীশ
আমার ভাব হয়ে গেছে
তুমি যেমন গাছের প্রাণ নিয়ে মাতো, প্রেম নয়
পৃথিবীতে প্রাণের অঙ্কুরোদগমের মত সকাল
সূর্য নামে পাতায়
তারপরে বুড়ো হতে হতে
ইচ্ছের সোনালী আঁশ পুড়ে
প্রবীণ সুখের মত অনিচ্ছে হয়
অনিচ্ছেও অবশেষে লীন হয়ে যায়
মেয়েটি উদ্ভিদের মত
আমি হরবোলা পাখি,
তার সাথে কথা বলতে বলতে হায়
আমার ভাব হয়ে গেছে, প্রেম নয়
সারাদিন
ঘাসের আওয়াজ বুক ছাপিয়ে শুনি
বুকের ভিতর পাখির ছোট বাসা
কেউ এলো কি ঘাসের অতীত? নাহ
প্রজাপতির ডানা ভাঙে ঘাসে
সারাটা দিন বৃষ্টি পড়ে শুধু
টাপুর টুপুর বৃষ্টি শুধু পড়ে
শব্দেরা সব অবশ হয়ে এলে
ঝিঁঝিঁর আওয়াজ বুক ছাপিয়ে শুনি
জোনাক পোকা ঘাস ফরিঙের ওড়া
বুকের ভিতর নিজের নিঃশ্বাসে
বুকের ভিতর কেবল বাজে ভয়
যেন হঠাৎ আসে বিস্ময়
সারাটা দিন বৃষ্টি পড়ে শুধু
টাপুর টুপুর বৃষ্টি শুধু পড়ে
বেলা শেষে কেউ না আসে ঘরে
টাপুর টুপুর বৃষ্টি শুধু পড়ে
প্রজাপতি ওগো প্রজাপতি
ওগো ফড়িং ঝিঁঝিঁ জোনাক পোকা
আরা গভীর নৈঃশব্দ আনো
আমি যেন তার আসাটা শুনি

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

