আমার প্রিয় পোস্ট

কথা নিয়ে খেলতে খেলতে আমরা কোথায় চলে গেছি! আমাদের ফিরে আসার বোধ জাগলো যখন, ফিরে আসা সহজ হলো না

''রবীন্দ্রনাথ'' ও বিএসএফ এর খুনাখুনি

১৯ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৩

শেয়ার করুন:                   Facebook

(রিপোস্ট জরুরী মনে হল, কারণ, হান্নান সরকার-কৃষ্ণপদ দাস-রেজাউল-জয়নাল.. এই তালিকা দীর্ঘতর হচ্ছে। আর জুজু বিষয়ক নতুন তত্ত্ব ছড়ানো হচ্ছে সবখানে। কিছু লিঙ্ক এবং ছবি যোগ করলাম, গত কয়েকদিন ধরে খুঁজতে খুজতে পাওয়া)

গত বৃহস্পতিবার দিবাগত মধ্যরাতে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বি এস এফ'র গুলিতে বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বি ডি আর এর দুই সদস্য নিহত হয়েছেন। এ দুজন হচ্ছেন: বগুড়ার গাবতলী উপজেলার কীর্তনীয়া গ্রামের হাবিলদার মো. আব্দুল হান্নান সরকার (বয়স: ৫৩) এবং মাগুড়ার শালিখা উপজেলার খোলাবাড়ী গ্রামের কৃষ্ণপদ দাশ (বয়স: ৩৯)। চাপাইনবাব গঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার দুর্লভপুর ইউনিয়নের রঘুনাথপুর সীমান্তের পদ্মা নদীতে এ ঘটনা ঘটে। আমরা বি ডি আরের এই দুই বীর সেনানীর আত্মার শান্তি কামনা করি। আমরা বিশ্বাস করি, দেশের জমিনের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এই দুই যোদ্ধার আত্মত্যাগ জাতি কখনো ভুলে যাবে না।

পত্রিকায় পড়েছি, বিডিআরের এই দুই সদস্যর গ্রামে এখন কান্নার রোল। যদিও এর মধ্যে শহীদ মো. আব্দুল হান্নান সরকারের পুত্র আর. জি. কিবরিয়া তাঁর পিতার আত্মত্যাগের রাজনৈতিক দার্শনিক তাৎপর্য ভুলে যান নি।

তিনি বলেছেন, আমি গর্বিত, কারণ আমার বাবা দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে গিয়ে প্রাণ দিয়েছেন। আর শহীদ মো. আব্দুল হান্নান সরকারের বড় আশা ছিল- চাকুরী থেকে অবসর নেয়ার পর পবিত্র মক্কা জেয়ারতে যাবেন। Click This Link

শহীদপুত্র আর. জি. কিবরিয়ার মত আমরাও বি ডি আর এর এই দুই সদস্যের আত্মত্যাগের রাজনৈতিক-দার্শনিক তাৎপর্য বুঝতে চাই। এই বোঝাপড়া আরো নির্মোহ হয় যদি আমরা একে সাম্প্রতিক আন্ত / র্জাতিক প্রেক্ষাপটে বিশেষ করে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের পরিসরে স্থাপন করি।

সেনাবাহিনী প্রধান মঈন উ আহমদের ভারত সফর নিয়ে বলি। প্রতিবেশী দেশে আমাদের সেনাপ্রধান শুভেচ্ছা সফরে যাবেন- এতে কোন আপত্তি নেই। কিন্তু সফরের স্থান বাছাইয়ের মধ্যে তাঁর মনোভাবের সাংস্কৃতিক অভিমুখটি বুঝা যায়। আমাদের সেনাপ্রধান রবি ঠাকুরের শান্তি নিকেতন পরিদর্শনে গেছিলেন, কাঁধে ঐ বিশেষ বিদ্যা নিকেতনের ওর্না ঝোলানো ছবিটাও আমরা পত্রিকায় দেখেছি। Click This Link

তাঁর রবীন্দ্রনাথ পরিদর্শনে আমাদের কোন আপত্তি নেই: বিশেষ করে যে মানবিক রবীন্দ্রনাথের সাথে আমাদের আশৈশব আত্মীয়তা। কিন্তু, মঈন উ আহমদ কি আসলেই প্রকৃত রবীন্দ্রনাথে পৌঁছতে পেরেছিলেন।


ভারত তার পররাষ্ট্রনীতির প্রয়োজন পূরণার্থে এক নতুন রবীন্দ্রনাথকে নির্মাণ করেছে। এই রবীন্দ্রনাথ গোঁড়া হিন্দু, ব্রাহ্মণ এবং প্রবলভাবে জাতীয়তাবাদী ''ইণ্ডিয়ান''। ভারতীয় পররাস্ট্র দপ্তরের এই ''রবীন্দ্রনাথ'' বৈচিত্রে বিশ্বাস করে না, আধিপত্যে সহায়ক। এই রবীন্দ্রনাথ পরিদর্শনে গেলে আপনার কাঁধে গোলামীর ওর্না ঝুলবেই।

আমাদের সেনাপ্রধান বোধ হয় শান্তিনিকেতনের রবীন্দ্রনাথকে আদি রবীন্দ্রনাথ ঠাউরেছেন। ভেবেছেন, তার সফরের পর ভারত গঙ্গায় পানি বইয়ে দেবে, বিএসএফ গুলি করে আর পাখির মত মানুষ মারবে না, বাণিজ্যে সমতা আসবে।

সেনাপ্রধানের ভাবনা যে ভুল এখন আমরা তা বুঝতে পেরেছি। আমরা বুঝি, সমঝোতা ও সম আত্মীয়তার নামে গোলামীর ওর্না পরলেই দ্বিপাক্ষিক সমস্যার সমাধান হবে না। জাতি হিশেবে আত্মমর্যাদার সাথে টিকে থাকাটাই হচ্ছে আমাদের জন্য এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

এবং আমরা যাতে ভুলে না যাই, শহীদ মো. আব্দুল হান্নান সরকার মক্কা জেয়ারতে যেতে চেয়েছিলেন, শান্তি নিকেতন নয়।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ''রবীন্দ্রনাথ'' ও বিএসএফ এর খুনাখুনি ;
প্রকাশ করা হয়েছে: ডায়েরী  বিভাগে ।

 

  • ৩৪ টি মন্তব্য
  • ৩৯৯ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১৬ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৫
comment by: কিরিটি রায় বলেছেন: আমরা বি ডি আরের এই দুই বীর সেনানীর আত্মার শান্তি কামনা করি। আমরা বিশ্বাস করি, দেশের জমিনের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এই দুই যোদ্ধার আত্মত্যাগ জাতি কখনো ভুলে যাবে না।

+++
১৯ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৮

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন।

২. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৬
comment by: কিরিটি রায় বলেছেন: সেনাপ্রধানের ভাবনা যে ভুল এখন আমরা তা বুঝতে পেরেছি। আমরা বুঝি, সমঝোতা ও সম আত্মীয়তার নামে গোলামীর ওর্না পরলেই দ্বিপাক্ষিক সমস্যার সমাধান হবে না। জাতি হিশেবে আত্মমর্যাদার সাথে টিকে থাকাটাই হচ্ছে আমাদের জন্য এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

++
১৯ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৯

লেখক বলেছেন: সেটাই।

৩. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২০
comment by: বিবেক সত্যি বলেছেন:


গ্রুপেন ফুয়েরার বলেছেন:

সবুজে শ্যামলে আঁকা থোকা থোকা জুঁই
নাও, নদী, ঢেউ, জল, দেবনা কিছুই
উজাড় দু হাত জুড়ে শোধ দেব ঋণ
দেবনা সীমানা ছেড়ে ইঞ্চি জমীন...

****
এই শপথেই বলীয়ান হোক / ঐক্যবদ্ধ হোক পুরো জাতি...
১৯ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২১

লেখক বলেছেন: হোক।

৪. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৫
comment by: আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: "সমঝোতা ও সম আত্মীয়তার নামে গোলামীর ওর্না পরলেই দ্বিপাক্ষিক সমস্যার সমাধান হবে না। জাতি হিশেবে আত্মমর্যাদার সাথে টিকে থাকাটাই হচ্ছে আমাদের জন্য এখন বড় চ্যালেঞ্জ"। সহমত।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অনেক আচরণ-ই আমাকে ধন্ধে ফেলে।কিন্তু ভারতীয় পররাষ্ট্রনীতি ও রবীন্দ্রনাথের সম্পর্কের ব্যাপারটা ঠিক বুঝলাম না।
১৯ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৮

লেখক বলেছেন: ভারতের পররাষ্ট্র দফতর তাদের সাম্রাজ্যের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতিনিধি হিশেবে রবীন্দ্রনাথকে উপস্থাপন করে। বিদেশী প্রতিনিধি দলের সফরসূচীতে শান্তি নিকেতন পরিদর্শন অন্তর্ভূক্ত করে। কিন্তু, পররাষ্ট্র দপ্তরের ডিসকোর্সে কোন রবীন্দ্রনাথ উপস্থাপিত হয়?

সর্বভারতীয় কনফেডারেশন সহায়ক রবীন্দ্রনাথ, যে কনফেডারেশন তাঁর প্রতিবেশী ক্ষুদ্র জাতি-রাষ্ট্রগুলোকে গ্রাস করতে চায়।

৫. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ৮:০২
comment by: আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: হমম..আপনার ব্যাখাটা বুঝলাম। ব্রিটিশ-ভারতেই রবীন্দ্রনাথের জন্ম এবং মৃত্য।ব্রিটিশ ভারত কলোনিয়াজমের আণ্ডারে মোটামুটে ভাবে একত্রিতভাবে এক রাষ্ট্র ছিলো।যতদূর বুঝি, রবীন্দ্রনাথ এই ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধিভূক্ত ভারতের অখন্ডতা'র পক্ষে ছিলেন।সেই সময়ের(সময়টা খুবই গুরুত্ত্বপূর্ণ এখানে) মানুষ হিসেবে সেইটা অনেকটাই স্বাভাবিক।
ভারতের সম্প্রসারণবাদী আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পায় স্বাধীণ দেশ হিসেবে পাকিস্তান-ভারত অভ্যুদয়ের পর থেকে এবং যে কোন রাষ্ট্রের সম্প্রসারণবাদী নীতিতে সংস্কৃতি গুরুত্তপূর্ণ।এমনকি লেখক কিং লেখনী রাষ্ট্রিয় স্বার্থের বিপরীতে গেলেও সেটাকে ব্যবহার করে(আমি বলছি না, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ভারতীয় সম্প্রসারণবাদ বিরোধী)।
এখানে লেখকের দায়টা কি এবং কিভাবে?
১৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:২৯

লেখক বলেছেন: লেখকের দায় প্রথমে, তারপরে ঐটারে নির্মাণ করা হয়েছে পররাস্ট্র দপ্তরের মাধ্যমে। আপনি খেয়াল করবেন, ''রবীন্দ্রনাথ'' বলেছি, যেইটা নির্মাণকৃত, সাদাসিধে রবীন্দ্রনাথ নয়। যদিও সাদাসিধে কোন রবীন্দ্রনাথের অস্তিত্ব সম্বন্ধে সন্দেহ করা সম্ভব।

৬. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ৮:৪০
comment by: অমলকান্তি বলেছেন: হুদাহুদি রবীন্দ্রনাথরে টাইনা আনাটা পুরানা রোগ।
১৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৩৫

লেখক বলেছেন: পুরনো রোগগুলা থেকে দূরে থাকা ভাল। তার মানে আপনাকে দূর হতে বলছি না।

৭. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:০০
comment by: সারাদিন বলেছেন: অমল হুদাহুদি তোমারে হোমিওপেথি মারতে কে কইছে, পুরানো রোগ, জটিল রোগ এইসব দিয়া কী ঢাকবার চাও। রিফাতদা, জট্টিল লিখসেন। আমার একটি পুস্ট আছে, দেইখা আসনের আমন্ত্রণ।

Click This Link
১৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৩৩

লেখক বলেছেন: আপনার ব্লগে গেলাম, আপনাকে দেখি ইতোমধ্যেই ব্যান করা হয়েছে, আপনার কথামত। আপনার পোস্টটি দেখে ভালই আমোদ পেয়েছি, সত্য কথাটিরে আপনার মত করে বলেছেন, ওরা হয়তো বুঝতে পারেনি। আপনার বিদায় ভাষণটা চমৎকার। :)

৮. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:২৩
comment by: েক আিম বলেছেন: 'ভাবছ কেন: আমরা তোমার শান্তি প্রিয় শান্ত ছেলে তবু শত্রু এলে অস্ত্র হাতে ধরতে জানি: তোমার ভয় নেই মা: আমরা প্রতিবাদ করতে পারি।

আরে ওরা ভারতীয়রা দেখে গেছে ৭১ এর পাকি শুয়োর গুলারে কেমনে চুদছি। এই ভারতীয়রা কোনদিন আমাদের ভুখন্ডে সরাসরি হামলা করবে না: জান নিয়ে ফিরতে দেব না।
খালি আমাদের বন্ধুত্বের সুযোগে কিছু এই সেই করে আর তার জবাব ও তারা পাবে।

আর এই পোষ্টে কোন মাগ ী র সন্তান - দিছে: সাহস থাকলে নাম টা বলে যা।
১৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৩৮

লেখক বলেছেন: সেই। ধন্যবাদ আপনারে।

৯. ১৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৪৩
comment by: আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

আমাদের দুই শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা । সমবেদনা শহীদ পরিবারের প্রতি ।

আকন্ঠ ঘৃণার বমি ভারতীয় এই সামন্ত আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ।
আসুন, আমাদের ঘৃণার থু থু সামন্ত প্রতিবেশীকে উপহার দেই ।

ভারতীয় পণ্য বর্জন করি ।
২০ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:২৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। ঠিক বলেছেন।

১০. ২০ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:১২
comment by: আন্দালীব বলেছেন: শহীদদের আত্মা ও আত্মত্যাগের প্রতি নিরন্তর শ্রদ্ধা জানাই।

'সামন্ত প্রতিবেশী' শব্দজোড়ও খুব যথার্থ নয় ভারতের জন্য....

রিফাত ভাই, আপনার লেখাটি খুবি প্রয়োজনীয় ও সময়োপযোগী লেগেছে।
২০ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৩১

লেখক বলেছেন: আন্দালীব, অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

নিরন্তর শ্রদ্ধা দিয়ে স্মৃতিসৌধ হয়, নিন্দা দিয়েও কিচ্ছুটি হয় না, যেটি দরকার, সেটি হলো গণপ্রতিরক্ষার কনসেপ্ট ডেভেলপ করা এবং রাজনৈতিক জ্ঞান ''অর্জন" করা, যেটারে দিয়ে আমরা প্রতিবেশীর অম্লমধুর ভালবাসা ও বন্ধুত্বমূলক বাসনাগুলিরে ছেঁকে তার আধিপত্যের ছকটারে বুঝতে পারব।

১১. ২০ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৪
comment by: বন্ধনহীন বলেছেন: পত্রিকাগুলো যদি মিথ্যা না বলে থাকে, তবে তাদের বাংলাদেশের সীমান্ত ডুকেই গুলি করা হয়েছে।

এরপরেও এধরণে পোস্টে মাইনাস দেখে অবাক হলাম। দালাল সবদিকেই।
২০ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:০২

লেখক বলেছেন: মাইনাস ব্যাপারটারে আমি কখনো গুরুত্ব দিয়ে দেখি নাই। দরকার আছে বলে মনে করি না। মন্তব্য দেয়ার মত করে মতামত জমা নেই বা সাহস নেই বলেই কেউ কেউ এ কাজটি করে থাকেন, আমার ধারণা। তবে এই পোস্টের যে কোন বিরোধীতা কষ্টের, যখন সীমান্তের মানুষ জীবন দিয়ে লড়াই করছে ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে।

১২. ২০ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:১৪
comment by: বন্ধনহীন বলেছেন:
খুন দুটি ভারতীয় আধিপত্যবাদের কারণে হয়নি, বরং ভারতীয় মিডিয়া কর্তৃক আরোপিত সাধারণ ভারতীয়দের মানসিকতার কারণে হয়েছে। বিএসএফরা যতই প্রোফেসানাল হোক, তারা তো আর এর বাইরে নয়। বাংলাদেশীদের ব্যপারে তাদের ধারণা অত্যন্ত নীচু ধরণের। ব্রামনের বন্দুক থেকে একটা শুদ্র মারা গেলে পাপ হয়না।
২০ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:২৮

লেখক বলেছেন: আধিপত্যবাদের ধারণাটি ইণ্ডিয়ায় এসে ব্রাহ্মন্যবাদে রূপ নিয়েছে, তার প্রকাশ বিভিন্ন। ভারতীয় মিডিয়া, ভারতীয়দের মানসিকতা, এবং ভারত রাস্ট্রের মানসিকতায় প্রকাশের যে বিভিন্ন রূপ আছে, তার সম্মিলিত সঙজ্ঞা আধিপত্যবাদ। একটা অন্যটার থেকে আলাদা হবার কোন উপায় নেই; নাগরিক, নাগরিক স্বার্থ, নাগরিকের কর্পোরেট এবং অন্যান্য বাসনা এবং তার প্রায়োগিক কলকব্জা হলো রাস্ট্রীয় কাঠামো; এবং এইসবই রাস্ট্রের চরিত্র ঠিক করে।

ব্রামনের বন্দুক থেকে একটা শুদ্র মারা গেলে পাপ হয়না। খুব সত্যি কথাটিই বলেছেন। ধন্যবাদ।

১৩. ২০ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৬
comment by: বন্ধনহীন বলেছেন: "হ্ম" লেখে কিভাবে? জানিনা বলে অনিচ্ছাকৃত বানান ভুল লিখতে হয়েছে।
২০ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৮

লেখক বলেছেন: সমস্যা নেই। বানান ফানান ব্যাপার না। আমি বিজয় ব্যবহার করি, অই পদ্ধতিতে প্রথমে হ তারপরে ্ তারপরে ম লিখতে হয়। তখন হ্ম হয়ে যায়। তার মানে প্রথমে বিজয় সিলেক্ট করে আই চাপুন, তারপর জি, তারপর এম। ব্যাস সত্যিকার ব্রাহ্মন পাই গেলেন। এইবার অইটারে নিয়ে কী করতে চান? :)

১৪. ২১ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৩৫
comment by: রিফাত হাসান বলেছেন: এই লেখাটা রিপোস্ট করা দরকার।
২১ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৩৬

লেখক বলেছেন: কী বলেন আপনি?

১৫. ২১ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৪৮
comment by: আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: হমম......করে ফেলেন।
২১ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:০৩

লেখক বলেছেন: দেখি, একটা ছবি খুঁজছি, সেনাপতি মহোদয়ের গেরুয়া রঙের চাদর গায়ে ছবি।

১৬. ২১ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৩১
comment by: হোঁদল কুঁত কুঁত বলেছেন: লেখাটা পড়ছি আগেই। প্লাসও দিছিলাম। মন্তব্য করতে সময় পাইনাই। ধন্যবাদ নেন।
২২ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:২৫

লেখক বলেছেন: নিলাম।

১৭. ২২ শে জুলাই, ২০০৮ ভোর ৪:১৫
comment by: উম্মে হানী বলেছেন: "গোলামীর ওর্ণা" ভালই বলেছেন।
ঐ ওর্ণাটা ছুঁড়ে ফেলতে হবে।
ধন্যবাদ।
২২ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৩১

লেখক বলেছেন: হাঁ, ঠিক বলেছেন।

 



 


যে জীবন ফড়িঙের, দোয়েলের
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ২৯৪৭৭