আমার প্রিয় পোস্ট

গেরিলা কথাবার্তা

আ টরচার্ড ইমেজ: রেহনুমা আহমেদের ফ্যাসিবাদীতা, ভণ্ডামী ও একটি মিশ্র অনুভূতির থিওরি, তারেক রহমান ও তার মায়ের অপরাধ ও শাস্তি এবং আমাদের নারী ভাবনা

০৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৭

শেয়ারঃ
0 0 0

I AM against torture. Nothing justifies torture. This is a principled stand, there are no ifs and buts.
আ টরচার্ড ইমেজ: রেহনুমা আহমেদ, New Age on 26th June 2008

রেহনুমা আহমেদের ফ্যাসিবাদীতা, ভণ্ডামী ও একটি মিশ্র অনুভূতির থিওরি

রেহনুমা আহমেদের লেখা আমি খুব আগ্রহভরে পড়ি, নৃবিজ্ঞানে আমার আগ্রহ, একই সাথে নারীবাদের গলি ঘুপচিগুলোতে তাঁর স্বর এবং সক্রিয়তাগুলো দৃষ্টি আকর্ষণীয় বলে। গতকাল আমার কাছে একটা মেইল আসে, ওয়ার্ডপ্রেসে শহীদুল ব্লগে প্রকাশিত রেহনুমার একটি লেখার লিঙ্কে ইনভাইট করে, যেটি ২৬ জুন ২০০৮ তারিখে নিউএজ পত্রিকায় উপসম্পাদকীয় বিভাগে ছাপা হয়। আমি তৎক্ষণাৎ লেখাটি পড়ি, পড়ে, কিছুক্ষণ নির্বোধের মত দাঁড়িয়ে থাকি। তারপর বসে পড়ার সময় যখন হয়, বিবমিষা জাগে।

রেহনুমা লেখাটি শুরু করেছেন একটি প্রিন্সিপলড স্ট্যাণ্ড ঘোষণা এবং সাথে সাথে সেই প্রিন্সিপলড স্ট্যাণ্ডকে দলিত করেছেন কিছু প্রিজুডিস এবং ফ্যাসিবাদী গোঁড়ামী দিয়ে। লেখাটির সারকথা হলো, টরচার ব্যাপারটা কখনোই সমর্থনযোগ্য নয়, কিন্তু সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমানকে রিমাণ্ডে নিয়ে সব হাড়-গোড় গুঁড়ো করে দিলেও এতে তাঁর অনুভূতিতে লাগে না। ''I am against torture. I have always been against torture, and yet I have no sympathy for Tarique Rahman who, in all likelihood, is now a victim of torture."। এই ব্যাপারে তার বরাত হলো, সিএনজি ড্রাইভার, রিকসা ড্রাইভার, তরকারী বিক্রেতা, পাশাপাশী নিজের ভিতরে বিরাজমান ঘৃণা বা আবেগ। এইটারে রেহনুমা মিশ্র অনুভূতি নাম দিয়ে তত্ত্বায়িত করতে চায়।

What concerns me more is our mixed feelings over torture. (প্রাগুক্ত)

আমার বিবমিষার কারণ হলো, তারেক রহমান বিষয়ে একজন আওয়ামীলীগ নেত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামীলীগ নেতাদের ফ্যাসিবাদী গালাগাল আর রেহনুমার মিশ্র অনুভূতি (mixed feelings)র থিওরির ভাষা এক এবং লক্ষ অভিন্ন গন্তব্যে যায়। বাঙালী জাতীয়তাবাদ নামের কিম্ভূত দৈত্যের ভাষা এবং বয়ন, যা আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে ফ্যাসিবাদী রূপ ধারণ করেছে, তার সাথে রেহনুমার এই অন্ধ অপ্রগতিশীল আত্মীয়তা, রেহনুমার ব্যাপারে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে।

রেহনুমার বোধ-বুদ্ধিতে কি এটা ধারণ করার ক্ষমতা আছে, যে, সিএনজি ড্রাইভারদের বরাত দিয়ে ক্লাস কনশাসনেস বুঝাতে হলে কিছু না গিলে, স্বাভাবিক অবস্থায় সম্ভব না। বহুত মানুষতো ক্রসফায়াররে ভালা এবঙ জরুরী কাম মনে করে, বহুত লোওয়ার ক্লাস। তো এই ফ্যাসিবাদরে কি ক্লাস পলিটিকস বলে জাহির করন সম্ভব? তাই করতে চান রেহনুমা?

একটি কথা মনে পড়ে , রেহনুমার সাথে কোন একদিন দেখা হয়েছিল আমার। চট্টগ্রামে আমার কিছু পরিচিত বন্ধু তারেক মাসুদের মাটির ময়না ছবিটি নিয়ে একটি ঘরোয়া আড্ডার আয়োজন করেছিল, তারেক ছিলেন, হঠাৎ রেহনুমা আসলেন কোত্থেকে খবর পেয়ে। চট্টগ্রাম এসেছিলেন কোন একটা কাজে হয়তো। তো অই অনুষ্ঠানে মুক্ত আলোচনা পর্বে রেহনুমা মাটির ময়নার ব্যাপারে যে অভিযোগটি করলেন সেটি হলো, এখন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের এই সময়ে মাটির ময়না- যেটিতে মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থা এবং মৌলবাদ বিষয়ে মার্কিন ডিসকোর্সের সমর্থন আছে, তার ফলে সন্দেহ তৈরী হয়। মাটির ময়না বিষয়ে যদিও আমি আরো অন্যভাবে চিন্তা করতে ইচ্ছুক, রেহনুমার এই সুক্ষ্ম বিষয়ে কথা বলার আগ্রহটারে আমার পছন্দ হয়েছিল।

কিন্তু রেহনুমার ইন্টেলেকচুয়াল অরিয়েন্টেশন এবং প্রতিবেশে যে ফ্যাসিবাদ গেড়ে আছে, তার বুদ্ধিজীবীতার আড়ালে যে আওয়ামী দলবাজিতা, তার খবর পাইনি আগে, আর তার প্রকাশ এমন ভালগার দলীয় ও আওয়ামী স্টাইলে ঘটবে, সেটিও ভাবতে পারিনি। একজন বন্ধুর মন্তব্য হলো, এটি হইলো পোস্ট বেঙ্গলি নেশনালিস্ট এক কিম্ভূত রেহনুমা, জাহেলিয়াতে আচ্ছন্ন- যে বোগাস নারীবাদী, যার সমস্ত কাছার কাপড় ঐ এক লেখায় খুলে পড়েছে সবার কাছে।

তারেক রহমান ও তার মায়ের অপরাধ ও শাস্তি এবং নারী ভাবনার নতুন প্রেক্ষিত


বেশ কিছুদিন আগে, ''ফাহমিদুল হকের বহুলপঠিত একটি পোস্ট এবং ব্লগের লিখিয়েরা: একটি পর্যবেক্ষণ'' শিরোনামের আমার অবজার্বেশনে ব্লগীয় পরিসরে নারী ব্লগারদের সাথে আলোচনায় অংশগ্রহণের পরিবর্তে তার নারীত্বের ফেনোমেনাগুলোকে মতামত প্রতিষ্ঠার উপাত্ত হিশেবে ব্যবহার এবঙ তার উপর হামলা করার প্রবণতাটারে ফ্যাসিবাদী বলে উল্লেখ করেছিলাম।

এখন সেই আলোচনাটাই জাতীয় পরিসরে প্রাসংগিক মনে হচ্ছে আবার। যদিও তার রূপ অন্য।

খুলেই বলি।

সাম্প্রতিক সময়ের প্রভাবশালী দার্শনিক মিশেল ফুকো তার ডিসিপ্লিন এণ্ড পানিশ: দ্য বার্থ অব প্রিজন গ্রন্থে দেখিয়েছেন কীভাবে রাষ্ট্র অপরাধী এবং তার শরীরকে ব্যবহার করেছে ক্ষমতা এবঙ বৈধতা নির্মাণের জন্য, এই জায়গায় দাঁড়িয়ে তিনি প্রশ্ন করেছেন বন্দীর বিমানবীকীকরন এবঙ তার নির্যাতনের প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্যকে। এইটা একটা প্রশ্ন বটে।

তার সাথে সঙযুক্ত প্রশ্ন হলো, নারীবাদ তারেক রহমানের উপরে এই নির্যাতন প্রক্রিয়াকে কীভাবে দেখবে? এইটা কি কোনভাবে নারীবাদের সাথে সঙস্লিষ্ট?

আমি যে পর্যবেক্ষণটির কথা বলছি, সেটি বলে, তারেক রহমানের উপরে এই নির্যাতনের গুরুতর সংযোগ আছে নারীবাদের সাথে, সেইটা বুঝা খুবই দরকারী বিষয় এখন আমাদের কাছে। জানুয়ারী ২০০৭ এর পর এই নতুন পরিপ্রেক্ষিত তৈরী হয়েছে বাংলাদেশে, যখন একটি গণবিরোধী সরকারের লেজিটিমেসির প্রশ্ন আসলো। এইটা শুধূ ফুকোর ক্ষমতা ও লেজিটিমেসির প্রশ্ন নয়, নারীবাদের ভিতরের প্রশ্ন।

কীভাবে?

জানুয়ারী ২০০৭ এর পর দৃশ্যমান যে প্রপঞ্চটি আমাদের সামনে হাজির, একটি গণ বিরোধী সরকার তার লেজিটিমেসির জন্য দুই জন নারীর শরীরের উপর যেরকম নির্ভরশীল, আর কোন কিছুর উপর তেমন টি নয়। এটা শুরু হলো, সেই দুজন নারীর শরীরটারে বিদেশে চিকিৎসার অজুহাতে, সীমান্তের ওপারে বাহির করে দিয়ে দেশান্তরী করার চেষ্টার মাধ্যমে, প্রাচীন গ্রীকের মতো। এবঙ তার পরিপ্রেক্ষিতেই নারীবাদের পপুলার ডিসকোর্সগুলোর রূপান্তর শুরু হল নারী এবঙ পুরুষের ইকুয়াল ইমপ্রিজনমেন্ট এবঙ শাস্তি ঘোষণার মাধ্যমে। ইকুয়াল রাইট- রাষ্ট্র যখন তার প্রবক্তা,- শাস্তি এবং নির্যাতনের জেণ্ডারড রূপ এখান থেকেই শুরু।

এখানে, এই জায়গা থেকে বুঝতে পারা সম্ভব, জানুয়ারী ২০০৭ এর পর নারীর উপরে যে নির্যাতন সেটি কতটা জেন্ডারর্ড রূপ পেয়েছে। এই প্রেক্ষিতে, ভেবে দেখা যাক, খালেদা জিয়ার উপর রাষ্ট্রের নির্যাতনটা কীরকম?

এটা বাস্তবিকপক্ষেই একজন বাঙলাদেশী নারীর জন্য না ভাবাটা এবঙ উপলব্ধি না করাটা কঠিন যে, খালেদা জিয়ার পানিশমেন্টের জেণ্ডারড রূপটা কতটা পাশবিক । প্রত্যেক বাঙলাদেশের নারী জানে, এটা কেমন নিষ্ঠুরতা যে, একটি গণবিরোধী সরকারের লেজিটিমেসি দিতে বাধ্য করার জন্য তার সকল পুত্র-পরিবার গ্রেফতার হয়েছে এমনকি কোনপ্রকারের জামিনের অধিকার ছাড়া। কিন্তু সেটাই সব নয়, আরো আছে। বাঙলাদেশের মায়েরা কীভাবে এই দৃশ্যটি সহ্য করবে যে, একজন রাজনীতিবিদ এবং একটি মা দীর্ঘ সময় অন্তরীন থাকার পর তার মুমূর্ষ সন্তানকে কোর্টে দেখতে পায় এবঙ তার প্রথম সন্তানের স্পাইনাল কর্ড বেঁকে যাওয়ার সংবাদই শুধু শুনে না, চিরপঙ্গু হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনার কথা শুনতে হয়। এবং এটার একমাত্র উদ্দেশ্য হলো, ছেলেদের জিম্মি করে, যেটি হল নারীত্বের অনিবার্য অনুভূতি, গণবিরোধী সরকারের লেজিটিমেসি আদায় করা। এটি একজন নারী নেতৃত্বের প্রতি নিষ্ঠুর, চরম এবঙ জেণ্ডারড পানিশম্যাণ্ট।

(চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর আনোয়ারা বেগমের ঋণ স্বীকার করে)

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): politicsfeminismpolitics of feminismtorturetorture of Tarique RahmanfascismBengali nationalistrehnuma ;
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:০৮
ইউনুস খান বলেছেন: এটা বাস্তবিকপক্ষেই একজন বাঙলাদেশী নারীর জন্য না ভাবাটা এবঙ উপলব্ধি না করাটা কঠিন যে, খালেদা জিয়ার পানিশমেন্ট কতটা জেণ্ডারড রূপ নিয়েছে। প্রত্যেক বাঙলাদেশের নারী জানে, এটা কেমন নিষ্ঠুরতা যে, একটি গণবিরোধী সরকারের লেজিটিমেসি দিতে বাধ্য করার জন্য তার সকল পুত্র-পরিবার গ্রেফতার হয়েছে এমনকি কোনপ্রকারের জামিনের অধিকার ছাড়া। কিন্তু সেটাই সব নয়, আরো আছে। বাঙলাদেশের মায়েরা কীভাবে এই দৃশ্যটি সহ্য করবে যে, একজন রাজনীতিবিদ এবং একটি মা দীর্ঘ সময় অন্তরীন থাকার পর তার মুমূর্ষ সন্তানকে কোর্টে দেখতে পায় এবঙ তার প্রথম সন্তানের স্পাইনাল কর্ড বেঁকে যাওয়ার সংবাদই শুধু শুনে না, চিরপঙ্গু হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনার কথা শুনতে হয়। এবং এটার একমাত্র উদ্দেশ্য হলো, ছেলেদের জিম্মি করে, যেটি হল নারীত্বের অনিবার্য অনুভূতি, গণবিরোধী সরকারের লেজিটিমেসি আদায় করা। এটি একজন নারী নেতৃত্বের প্রতি নিষ্ঠুর, চরম এবঙ জেণ্ডারড পানিশম্যাণ্ট।
০৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:১৩

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন।

২. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:০৯
ইউনুস খান বলেছেন: এটা বাস্তবিকপক্ষেই একজন বাঙলাদেশী নারীর জন্য না ভাবাটা এবঙ উপলব্ধি না করাটা কঠিন যে, খালেদা জিয়ার পানিশমেন্ট কতটা জেণ্ডারড রূপ নিয়েছে। প্রত্যেক বাঙলাদেশের নারী জানে, এটা কেমন নিষ্ঠুরতা যে, একটি গণবিরোধী সরকারের লেজিটিমেসি দিতে বাধ্য করার জন্য তার সকল পুত্র-পরিবার গ্রেফতার হয়েছে এমনকি কোনপ্রকারের জামিনের অধিকার ছাড়া। কিন্তু সেটাই সব নয়, আরো আছে। বাঙলাদেশের মায়েরা কীভাবে এই দৃশ্যটি সহ্য করবে যে, একজন রাজনীতিবিদ এবং একটি মা দীর্ঘ সময় অন্তরীন থাকার পর তার মুমূর্ষ সন্তানকে কোর্টে দেখতে পায় এবঙ তার প্রথম সন্তানের স্পাইনাল কর্ড বেঁকে যাওয়ার সংবাদই শুধু শুনে না, চিরপঙ্গু হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনার কথা শুনতে হয়। এবং এটার একমাত্র উদ্দেশ্য হলো, ছেলেদের জিম্মি করে, যেটি হল নারীত্বের অনিবার্য অনুভূতি, গণবিরোধী সরকারের লেজিটিমেসি আদায় করা। এটি একজন নারী নেতৃত্বের প্রতি নিষ্ঠুর, চরম এবঙ জেণ্ডারড পানিশম্যাণ্ট।
০৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:১৯

লেখক বলেছেন: আবার।

৩. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:১৯
কিরিটি রায় বলেছেন: -------একজন বন্ধুর মন্তব্য হলো, এটি হইলো পোস্ট বেঙ্গলি নেশনালিস্ট এক কিম্ভূত রেহনুমা, জাহেলিয়াতে আচ্ছন্ন- যে বোগাস নারীবাদী, যার সমস্ত কাছার কাপড় ঐ এক লেখায় খুলে পড়েছে সবার কাছে।


-----এবং এটার একমাত্র উদ্দেশ্য হলো, ছেলেদের জিম্মি করে, যেটি হল নারীত্বের অনিবার্য অনুভূতি, গণবিরোধী সরকারের লেজিটিমেসি আদায় করা। এটি একজন নারী নেতৃত্বের প্রতি নিষ্ঠুর, চরম এবঙ জেণ্ডারড পানিশম্যাণ্ট।

+++++

০৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:২০

লেখক বলেছেন: ঠিক। ধন্যবাদ সহমত জানানোর জন্য।

০৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৪২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৫. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৭
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: আসলেই ক্রশফায়ারই সমাধান, অবৈধ টাকা খুজার নাম কইরা এগুলানরে শেষ করা ফেললে দেশের তেমন ক্ষতিবৃদ্ধি হইতো না।
--
০৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৩

লেখক বলেছেন: ক্রশফায়ার-

৬. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৩
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: আসলে দল বা তারেক কোন কথা না,
একজন নিরীহ মানুষ, একজন বস্তির দোকানদার আর একজন তারেক রহমান, যেই হোক না কেন, অমানবিক টর্চার সমর্থনযোগ্য নয়।
০৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৪

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন। ধন্যবাদ সহমত দেওয়ার জন্য।

৭. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৫
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: একটা চমৎকার বিষয় নিয়ে এসেছেন।
দেশে নারী অধিকার নিয়ে এত মাতামাতি হয়। আর গত একবছরে যে সরাসরি শক্তিপ্রয়োগ করে দেশের রাজনীতি থেকে মুল নেতৃত্বের দুজন নারীকে ছেটে ফেলার প্রচেষ্টা অব্যহত আছে, এটা কি নারীদের প্রতি বৈষম্যের গন্ধ বয়ে নিয়ে চলে না?
০৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৫০

লেখক বলেছেন: সেটাই। আর নারীকে মানসিকভাবে নির্যাতন করা হচ্ছে সন্তানকে পণবন্দী করার মাধ্যমে। যেইটারে আমরা জেণ্ডারড পানিশমেন্ট বলছি। খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রে যেইটা খুবই দৃশ্যমান। ভয়ঙ্করভাবে।

৮. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৮
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: সবকিছূই খুব স্থুলভাবে হচ্ছে। সোজা বাংলায় মধ্যযুগীয়। তবু সেটাকে বৈধভাবে চিন্তা করতে আমরা নানা উপায় বাধ্য হয়ে বের করছি। অবশ্যই ডান্ডার ভয়ে। এই একুশ শতকে এসে এমনটি দেখে সভ্যতার এগিয়ে যাওয়া নিয়ে সন্দেহ জাগে। জীবনে চলার পথে চিন্তাধারা পরিবর্তিত হয়ে যায়।
০৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:০৫

লেখক বলেছেন: একুশ শতক কি চুড়ান্ত কিছু? আর এই বৈরীতা সব সময়েই থাকবে, তার রূপ পরির্তন করে। আমাদেরও যেটা দরকার, সঠিক সময়ে সঠিক রাজনীতিটা বুঝা, সতর্ক থাকা।

০৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৩

লেখক বলেছেন: আর একটা ব্যাপার খেয়াল করেছেন? নির্বাচন- জরুরী অবস্থার স্বাভাবিকতায়, মানুষকে একটা জ্ঞান তৈরী করে দেওয়া যে, সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে- মানুষ ভোট দিয়েছে- আওয়ামীলীগরে ভোট দিয়েছে মানুষ। কথা হলো, মানুষ আওয়ামীলীগরে ভোট দিয়েছে, এইটা প্রমাণিত হয় কি এই নির্বাচনের দ্বারা? একমাত্র আওয়ামীলীগই জরুরী অবস্থার স্বাভাবিকতায় নির্বাচন করতে রাজী হয়েছে, সরকারকে প্রয়োজনীয় লেজিটিমেসি দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তার নেত্রী, বিএনপি এবং অন্যান্য দলগুলো নয়, তারা দলীয়ভাবে অংশগ্রহণ করে নি কোথাওই। যেখানে প্লেয়ার আছে একজনই, সেখানে বিনা প্রতিদ্ধন্ধিতায় নির্বাচিত হলেও এর কোন রাজনৈতিক গুরুত্ব নেই।

১০. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৭
কথামালা বলেছেন:


ফ্যাসিবাদ'

প্রসঙ্গ তোলার জন্য ধন্যবাদ । তয় এই ফ্যাসিবাদের মধ্যে আমরা সবাই মনে হয় বাধা পড়েছি । একটু ভেবে দেখুন বিচার-আইন বহির ভূত এত যে ঘটনা এই সরকার কিংবা পূর্বের সরকার গুলো ঘটাইছে ( যেমন ক্রশফায়ার) আমরা কি কিছু বলেছি ।
০৭ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১০

লেখক বলেছেন: বলেছি এবং বলা দরকার।

১১. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৭
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: খুব ভাল লেগেছে। তবে রেহনুমার আর্টিক্যালের লিংক না থাকায় লেখাটি বুঝতে অসুবিধা হয়েছে কোথাও কোথাও।

ধন্যবাদ লেখাটির জন্য।
০৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৮:০৯

লেখক বলেছেন: নিউএজের অফিসিয়াল সাইটের আরকাইভে গিয়ে নির্দিষ্ট তারিখের পত্রিকা সার্চ দিলে লেখাটা পাবেন। ধন্যবাদ মন্তব্য করার জন্য।

১২. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫০
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: আপনার এই লেখার উপর পরে এসে মন্তব্য করব। তবে আবার বললাম, খুব সুন্দর হয়েছে লেখাটি।
০৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৫৪

লেখক বলেছেন: আবার ধন্যবাদ।

১৩. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:০৫
পাগল কবি বলেছেন: আমি নারীবাদ বা ফ্যাসিবাদ ভাল বুঝি না। তবে এইটা বুঝি যে খারাপ লোকদের ছাইড়া দিলে তারা কখনো ভাল কাজ করবে না। টিট ফর ট্যাট কথাটা তো আর এমনি এমনি আসে নাই।এছাড়া মাইরের উপরে ঔষধ নাই কথাও অতীব খাটি কথা। যে অন্যের ক্ষেত্রে মানবাধিকার খাটায় না, তার ক্ষেত্রেও মানবাধিকার খাটানোর কোন কারণ দেখি না আমি। আমার মতে তারকে জিয়া না শুধু, বাকী সব কয়টারেই এমন মাইর দেয়া উচিত যাতে জীবনে আর দ্বিতীয়বার চিন্তা না করে দেশের ক্ষমতা হাতে নিয়া প্রশাসনের বারোটা বাজাইয়া সাধারণ মানুষের রক্ত শোষন কইরা নিজেদের ফায়দা হাসিল করার।
০৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২৯

লেখক বলেছেন: আপনার এই মতামতের মূল্য আছে, সেটি এই জায়গায় যে, আপনে করাপশন চান না। কিন্তু করাপশন দূর করনের পদ্ধতির জায়গায় নয়।

পদ্ধতির জায়গায় কথা বলতে হলে ফ্যাসিবাদ, নারীবাদ- এইসবই বুঝতে এবং আমলে নিতে হবে। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

১৪. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২৪
মাসুদ রানা* বলেছেন: পাগল কবিকে বলবো, বাকি সব কয়টাতো ছাড়া পেলো, পাচ্ছে। এখন তারেক রহমানকেও ছেড়ে দেয়া উচিৎ। বাকি সব কয়টারে সহ মাইর দেয়ার কথা বলে বলে তারেক রহমানের ক্ষতি করার কোনো মানে দেখি না। আর তিনি অসুস্থ। তাকে পঙ্গু করে দেয়ার জন্যে নিশ্চয় ১/১১ এর সৃস্টি হ্য় নাই।
০৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩২

লেখক বলেছেন: ১/১১ র সৃষ্টি কি কোন মহৎ ব্যাপার বলে আপনি মনে করেন? মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

১৫. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩০
নীল লাল সবুজ বলেছেন: আর একটা ব্যাপার খেয়াল করেছেন? নির্বাচন- জরুরী অবস্থার স্বাভাবিকতায়, মানুষকে একটা জ্ঞান তৈরী করে দেওয়া যে, সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে- মানুষ ভোট দিয়েছে- আওয়ামীলীগরে ভোট দিয়েছে মানুষ। কথা হলো, মানুষ আওয়ামীলীগরে ভোট দিয়েছে, এইটা প্রমাণিত হয় কি এই নির্বাচনের দ্বারা? একমাত্র আওয়ামীলীগই জরুরী অবস্থার স্বাভাবিকতায় নির্বাচন করতে রাজী হয়েছে, সরকারকে প্রয়োজনীয় লেজিটিমেসি দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তার নেত্রী, বিএনপি এবং অন্যান্য দলগুলো নয়, তারা দলীয়ভাবে অংশগ্রহণ করে নি কোথাওই। যেখানে প্লেয়ার আছে একজনই, সেখানে বিনা প্রতিদ্ধন্ধিতায় নির্বাচিত হলেও এর কোন রাজনৈতিক গুরুত্ব নেই।

ঠিক বলেছেন। বরিশালে যা হয়েছে তা লজ্জার।
০৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩৬

লেখক বলেছেন: জরুরী দিক। ধন্যবাদ।

১৬. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৪৪
পাগল কবি বলেছেন: তারেক রহমান পঙ্গু হইলেও দেশের তেমন কোন ক্ষয়বৃদ্ধি হইবে বইলা মনে করি না। ইন ফ্যাক্ট পুরা দেশটাকেই পঙ্গু করার চেষ্টায় তারেক রহমানের যে বড় ভূমিকা ছিল, এইটা ওপেন সিক্রেট ব্যাপার।

শেখ হাসিনারে ছাইড়াও সরকার ভুল করছে। ১/১১ যেই কারণেই হইয়া থাকুক, আমরা এর ফল হিসাবে রাজনীতির মধ্যে বড় একটা পরিবর্তন আশা করছিলাম। এবং বড় ছোট নির্বিশেষে সব কয়টা দুর্নীতিবাজের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি। কিন্তু এখন ঘুইরা ফিরা যে লাউ সেই কদু-ই আবার আসতাছে ক্ষমতায়। :(

সব কয়টাই পুরানা পাপী। আর এইবার এই পাপীগুলার মধ্যে আওয়ামীলীগ যে আগাইয়া থাকবে সেইটাই তো স্বাভাবিক। একে তো বিএনপির নিজেদের মধ্যেই হাজার রকম ভাঙ্গন। তার উপরে সর্বশেষে ক্ষমতাসীন দল হিসাবে তাদের দুর্নীতি অত্যাচারের কথাও তো মানুষ এতো তারাতারি ভুইলা যায় নাই। প্রহসনমূলক ভোটের প্রেক্ষাপট তৈরীতে তো পুরা বেলাইজ্জার মতোই কাজ কইরা গেছিল বিএনপি। তাদের সদিচ্ছার অভাব, এবং ক্ষমতা আকড়াইয়া থাকার বাসনার প্রেক্ষিতেই পরিস্থিতির দাবী অনুযায়ী ১/১১ আসছে।
১৭. ০৮ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:১৮
রিফাত হাসান বলেছেন: তারেক রহমান পঙ্গু হইলে দেশের ক্ষতি বৃদ্ধি হইবো কিনা, সেটি বিতর্কের বিষয়, এবং এখানে আলোচ্য নয়। আর, কারো ব্যাপারে কোন প্রিজুডিস গ্রহণ করা আমার এই পোস্টের গন্তব্যের সাথে খাপ খায় না।

সেই সাথে এই কথাটিও বইলা রাখি, ১/১১র কোন স্বর্গীয় গন্তব্য এবং কারণ ঘটে নাই, তাই এর কনসিকোয়েন্সগুলোরে তার ভিত্তিতেই আলোচনা করতে হবে, সমালোচনা করার জন্য তৈরী থাকতে হবে। ইলেক্টিসিটি চলে গেছে অনেক্ষণ হলো, চার্জের বয়সও অনেক্ষণ হলো। পরে কথা হবে। ধন্যবাদ।
১৮. ০৮ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৪৬
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: আপনার নৃবিজ্ঞানে আগ্রহ জাইনা ভালো লাগলো। কিন্তু আপনার স্বর যতটা বিশ্লেষী হওনের কথা তারচেয়ে বেশি ব্যক্তি ইমেজরে খারিজ করণের। রেপ্রিজেন্টশনাল রাজনীতির গল্পে এইটা অন্য এজেন্সীশীপ ও ঘারানার ইঙ্গিত দেয়। শিরোনাম চেইন্জ করতে পারেন।

লিংক দেন। আপনার অভিযোগ বা তথাকথিত বয়ান যার সাপেক্ষে সেটা পইড়া বক্তব্য দেয়া কাজের হইব। আর আপনার বক্তব্য যে এজেন্সীর কথা কয় সেটা সেটাকে কিন্তু একভাবে প্রো-বিএনপিও কওন যায়। তারেক রহমান বা শেখ হাসিনার কান যে কোনটার জন্যই বেদনা বোধ করার যে তাগিদ তা এলিটিস্ট। হে হেজেমনি সেইটারে বৈধতা দেয় বা জ্ঞাত শিক্ষিত/ অশিক্ষিত জনের হুতাশ সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখে সেইটা আপনার বিশ্লষণে নাই। ফলে দেখা যায় যে আপনার উদ্দেশ্য যতটা রেহনুমা খারিজ আর আপনার ফুকো জ্ঞান জাহিরের ততটা পরিস্থিত বিশ্লষণের না। আপনি ফ্যাসিবাদের কথা বলেন, জেন্ডার্ড নিপীড়নের কথা বলেন কিন্তু এইটার এলিট রূপ দেখেন না। কেন হাসিনাখালেদাএরশাদের দু:খে জনগণ আন্দোলিত হইয়া কাঁদে এইরূপ প্রচারণার খোলাসা করেন না। গল্প কি শেষ পর্যন্ত আরেক জ্ঞাত শিক্ষিতের গুরুবাদী ঘরানাবাদী এলিট রাজনীতির নাকি?
০৮ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:০৫

লেখক বলেছেন: নিউএজের অফিসিয়াল সাইটের আরকাইভে গিয়ে নির্দিষ্ট তারিখের পত্রিকা সার্চ দিলে লেখাটা পাবেন। ধন্যবাদ মন্তব্য করার জন্য।

পরে কথা হবে।

০৮ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:০৫

লেখক বলেছেন: হাহা। আর কিছু?

০৮ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:২৪

লেখক বলেছেন: এত্ত কষ্ট করলেন কেনরে ভাই, শুধু একটা বিয়োগ চিহ্ণ দিলেই আমি বুঝে নিতাম, পুরা চা-র অক্ষরের একটি শব্দরে আপনি বানান কইরা আমাকে শুনাই দিলেন- সময় নষ্ট।

২০. ০৮ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:১৭
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: আলোচনা পড়ছি। কি বলব বুঝতে পারলাম না। এই নির্বাচনে প্রমান তো হল যে সরকারের দুর্নীতি দমন অভিযান জনগনের হৃদয়ে সাড়া জাগাতে পারে নি। সরকার তো এটা স্বীকার করে নিয়েছে।
০৮ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:০৬

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন।

২১. ০৮ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৮:০১
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: মাসুদ রানার কমেন্ট ভাল লাগল।
০৮ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:০৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

০৮ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:০৭

লেখক বলেছেন: হুমমম...

২৩. ০৮ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৮:০৯
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন:
(একটা অফ টপিক কথা- শেখ হাসিনা আর খালেদা জিয়াকে আমার কখনোই নারী মনে হয় নাই। )
০৮ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:০৮

লেখক বলেছেন: সত্যি? ভাবনার বিষয়। হাহাহ।

২৪. ০৮ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৮:১২
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন:
(এদের দু'জনের একজনও যদি আসলেই নারী হইতেন, দুইজনেরই শাসনামলে একটু হইলেই জনগনের জন্যে 'নারী সুলভ মায়া'-র বহিপ্রকাশ আমরা দেখিতে পাইতাম। তাহা দেখি নাই। অতএব তারেককে পিটায়ে লাশ বানায়ে ফেললেও খালেদার জেন্ডার পানিশমেন্ট নিয়ে আমার মাথা ব্যাথা নাই :) )
০৮ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:১১

লেখক বলেছেন: (আমার মাথা ব্যথা)

০৮ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:১৫

লেখক বলেছেন: বাহ, তোমার তিনটা বিশাল কমেন্ট! ধন্যবাদ কমেন্ট করার জন্য।

২৫. ০৮ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:৫৭
রাজর্ষী বলেছেন: ফা. মা. এর পয়েন্টটা গুরুত্বপুর্ন। এখানে জেন্ডার নাই।
০৮ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:২৫

লেখক বলেছেন: ঠিক? আপনি কনফার্ম?

২৬. ০৮ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৩
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: জেন্ডার নাই এটা কি পুরো সত্যি? খালেদা জিয়াকে বিদেশ যেতে চাপ সৃষ্টির পেছনে তারেককে কি ইস্যু করা হয় নি? মাতৃত্বের ব্যপারটিকে তো ইস্যু করা হয়েছে। আমার তাই মনে হয়েছে। হতে পারে আমার ভুল হয়েছে।
০৮ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:২৬

লেখক বলেছেন: জেণ্ডার নাই এটা কোন তত্ত্ব?

২৭. ০৮ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:০০
রাজর্ষী বলেছেন: এ ধরনের তাত্তিক বিশ্লেষন কোন একটি বিষয়কে কেন্দ্রে নিয়ে আসে যা বাস্তবতার অন্য উপাদান গুলোর সাথে মিথস্ক্রিয়া বা সামগ্রিক দৃষ্টিভংগীকে অস্পষ্ট করে। যেমন,
এখানে যদি আপনি শুধুমাত্র রেহনুমার বক্তব্যের অসামান্জস্যতা দেখাতে চান তাহলে, আপনি হয়তো পাবেন যে উনি আগে ঐ বলেছেন আর এখন এই বলছেন, আমি এ ব্যাপারে আগ্রহী নই।
আপনি যদি এখানে শুধুমাত্র জেন্ডার বিশ্লেষন করতে চান তাহলে "খালেদা জিয়াকে বিদেশ যেতে চাপ সৃষ্টির পেছনে তারেককে কি ইস্যু করা" এখানে জেন্ডার এর উপাদান পাবেন, আমি মানি।
কিন্তু বাস্তবতা হল এটা রাজনীতি, ক্ষমতার চলমান দ্বন্দ। এখানে মা না হয়ে যদি বাপ হত তাহলেও এভাবে চাপ সৃষ্টি হত।

আবার মা হয়ত অতীতে ছেলের ক্ষমতায়নে ভুমিকা রেখেছেন, নারীবাদ ঐ বিষয়কে কিভাবে দেখবে অথবা দেখবে না হয়ত, কারন ওখানেও জেন্ডার নাই।

সব বিষয়কে একসাথে ভাবলে অনেক তাত্ত্বিক বিষয়কে আলাদা ভাবে গুরুত্ব দেয়া যায় না।
০৮ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:১০

লেখক বলেছেন: আপনার কথাগুলো ভাবনার, কিন্তু ফ্যাসিবাদ তখন এবং এখন কখনোই সমর্থন করার জিনিশ নয়। ধন্যবাদ আপনাকে।

২৮. ০৮ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:১৩
রাসেল ( ........) বলেছেন: রেহনুমা ২১শে জুলাই আরও একটা মজার লেখা লিখেছে, সেটারও একটা প্রতিক্রিয়া আশা করছিলাম, না কি এটা ব্যকডেট ফায়ার?

কল্পিত মুক্তিযোদ্ধা তত্ত্ব, জাতিয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ, যা জামাত থেকে অর্থ সহায়তা গ্রহন করে এবং যার কেন্দ্রীয় অফিস জামাতের একটা নেতার ভাড়ায় চলে, এবং যেখানে শুধুমাত্র অনুরুদ্ধ মানুষেরা সেক্টর কমান্ডারদের যুদ্ধাপরাধের বিচার চাইতে আসে, এবং একজন রিফাত হাসান, যিনি একুশে টেলিভিশনের এই সাজানো নাটকটির কাছা খুলে ফেলেন ব্লগে-

তবে রেহনুমার এই লেখায় ঠিক যৌনতার রাজনীতি কিংবা মাতৃত্বের রাজনীতির অনুসন্ধানের সস্তা আবেগীয় উপস্থাপন- রেহনুমা আহমেদের নিজস্ব মতামত কিংবা মতবাদের সাথে ঐক্য কিংবা অনৈক্য নিয়ে আলোচনা নয়। বরং এখানে অহেতুক একটা বক্তব্য পেশ করবার প্রচেষ্টা এবং সেখানে আরও কিছু পরিচিত মুখ, আব্দুল্লাহর মাতা কিংবা ফারজানা মাহবুবা, তারা সবাই এই রিফাত হাসানের ভক্তা- তবে আমি নই, তাকে আমার সস্তা ভাঁড় মনে হয়, অনেক বাক্যের পরতে এবং অনেক বোরখার আড়ালেও তার লেখায় সেই ১৪০০ বছরের পুরোনো রাজনীতির পঁচা গন্ধটা নাকে লাগে।

তবে রিফাত হাসানের উপস্থাপনে প্রলেতারিয়েত, দ্বান্দিক বস্তুবাদ, এবং হ্যান ত্যান একটা ইসলামী সমাজতান্ত্রিক ভাববাদ আমাকে আনন্দিত করে, মক্কার খেজুর গাছের কাঁটা আর ক্যাকটাস চাবানো অনেকেই লিখে এখানে। রিফাত হাসাত কোট টাই টুপি পড়া নতুন সংযোজন এই যা।
০৮ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:২৫

লেখক বলেছেন: আপনাকে আমার ভাঁড় মনে হয় না।

০৮ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৫১

লেখক বলেছেন: আর একটা কথা, কাউকে থার্ড সন বলতে আড়ষ্ট বোধ করি।

২৯. ০৮ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:২৫
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: @রাসেল,রিফাত হাসানের বক্তব্যের সাথে আমিও একমত নই।রেহনুমা আহমেদ'কে ব্যাক্তিগত আক্রমন করা হযেছে বলে মনে হয়ছে।তাছাড়া উনি নারীবাদ'কে যেভাবে উপস্থাপন করেছেন,আমার ঠিক মনে হয়নি।

কিন্তু আপনার বক্তব্যও তো একইরকম মনে হলো,আপনি তাকে অযথা ব্যাক্তিগত আক্রমন করলেন।আপনার বক্তব্য অনেকটাই পূর্বনির্ধারিত এবং এই পোষ্টের সাথে অপ্রাসংগিক।
০৮ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৪০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ শিমুল আপনাকে।

রেহনুমা আহমদ বিষয়ে কিছুটা কঠিন স্বরে কথা বলেছি, এটার কারণ এই নয় যে, তাকে অপদস্ত করার ইচ্ছা। কাছা শব্দটা মূলত পুরুষকে উদ্দেশ্য করেই বেশী ব্যবহৃত হয়, মনের ভিতরে গুটি মেরে থাকা ফ্যাসিবাদী অংশের প্রকাশ অর্থে আমি ব্যবহার করেছি। রেহনুমাকে নারী হিশেবে ট্রিট করার চেয়ে চিন্তা ও তৎপরতা চর্চার কর্মী হিশেবে আমার এই পর্যবেক্ষণ। তারপরও জামাল ভাস্কর নামে একজন যখন এখানে এই বিষয়টারে সামনে নিয়ে পোস্ট দেন, আমার মনে হয়েছিল শব্দটা হয়তো অপমানজনক হয়েছে, কিন্তু অইটারে উইথড্র করলে বরং যেটা প্রতিষ্ঠিত হয় সেইটা হলো কাছা শব্দটা ব্যবহার কইরা আমি বর্তমান পোস্টে দ্বান্দ্বিক অবস্থান নিয়েছি।

নারীবাদকে আমি যেভাবে উপস্থাপন করেছি, আপনার কেন তা ঠিক মনে হয়নি, জানলে উপকৃত হতাম। আমারও বুঝার বিষয় আছে।

উপরের কমেন্টকারীর উত্তরে আপনার কথা এবং আমার জবাবটি যথেষ্ট মনে করি। কৃতজ্ঞতা।


৩০. ০৮ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৪৬
রাসেল ( ........) বলেছেন: হুমম আমার এই বক্তব্যটা অপ্রাসঙ্গিক এটা মেনে নিচ্ছি সানন্দে, তবে রিফাত হাসানের ভাষার ব্যবহার এবং উপস্থাপন আমার ঠিক পছন্দের সাথে যায় না। নারীর মাতৃত্বের প্রাকৃতিক এবং সামাজিক পরিধি এক নয়। এটাকে কোনো এক সুতায় বাঁধবার চেষ্টা, এটাকে একটা রাজনৈতিক রূপ দেওয়া কিংবা একই সুতোয় বেঁধে রেহনুমাকে নাঙ্গা করে দেওয়ার একটা আত্মতৃপ্তি আমাকে আপ্লুত করে না।

বরং আমার রেহনুমার কাছা খুলে যাওয়ার চিত্রতে অন্য একটা সাম্প্রদায়িকতা চোখের সামনে আসে। সেটা ভারতবিদ্বেষের সাথে মিলে আমাকে যে অনুভুতি দেয় সেটার প্রকাশ মক্কার খেজুরের কাঁটা আর ক্যাকটাস খেয়ে ব্লগে লেখা মানুষের ছবিটাকে সানন্দে মন্তব্যে উপস্থাপনে বাধ্য করে।

যেই একই ভাষার তীর্ষক ব্যবহারে খালেদা জিয়ার মাতৃত্ব এবং তারেকের নির্যাতনে রেহনুমার মানবিকবোধের কোথাও সাড়া না জাগার বিষয়টাকে শেষ পর্যন্ত নারী বলেই এটা জেন্ডার বায়াসড উপস্থাপনে আগ্রহী করে-
যেখানে অবশেষে মায়ের মাতৃত্ববোধকে ভিত্তি করে খালেদা জিয়ার বাৎসল্যবোধকে আহত করে তাকে নির্বাসন দ্বন্দ্ব দেওয়ার তত্ত্বাবধায়কীয় গুঢ় রহস্যের কাছা খুলে যাওয়া রিফাত হাসানের অনবদ্য মাইক্রোস্কোপে দেখি তখন আদতে আমি কখনই আসলে এই পোষ্ট পড়ে জাগা অনুভুতির বাইরে আসি নি


যাই হোক রাহনুমার লেখাটার লিংক দিলাম, আসলে ভালো

http://www.newagebd.com/2008/jul/21/edit.html
০৮ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৫৯

লেখক বলেছেন: রাসেল, আপনারে একটা কথা কই, আমি আলোচনার লগে ইউটোপিয়ান হওয়া পছন্দ করি না, এইটা আমার কাম না, আপনার কাম।

তো সবিনয়ে অনুরোধ, আমার লেখা পড়ার সময় অইগুলারে পকেটে ভইরা রেখে আইসেন।

০৮ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫৬

লেখক বলেছেন: আলগা গপ-শপের জন্য আপনার ব্লগ তো আছেই। আমার সময় না হলেও আপনি নিজেই না হয় নিজের জীবনের সাথে মধু যাপন কইরেন।

৩১. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:০৩
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: "এবং এটার একমাত্র উদ্দেশ্য হলো, ছেলেদের জিম্মি করে, যেটি হল নারীত্বের অনিবার্য অনুভূতি, গণবিরোধী সরকারের লেজিটিমেসি আদায় করা। এটি একজন নারী নেতৃত্বের প্রতি নিষ্ঠুর, চরম এবঙ জেণ্ডারড পানিশম্যাণ্ট"।

প্রথমেই বলে নিই,এক্সট্রা জুডিশিয়াল কিলিং কিংবা টরচার সেলে নির্যাতন আমি দুইটা'ই অবৈধ মনে করি।কিন্তু তারেক রহমানে যখন টর্চার সেলে নির্যাতন করা হয়,সেইটা অনৈতিক জেনেও আমি কিছুটা হলেও আমজনতার আবেগ দ্বারা তাড়িত হয়।কিন্তু সে আবেগ'কে আমি অবশ্য কোন কিছু দ্বারা বৈধতা করবো না।

খালেদা জিয়ার পরিচয় আসলে কিভাবে নির্ধারিত হবে বা হওয়া উচিত।সে কি প্রথমত এক রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব নাকি একজন নারী অথবা মা।তার "রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব" কিংবা "মা" এই দুটো এনটিটি যদি মুখোমুখি দ্বাড়ায়,তাইলে আপনি তাকে কোন পরিচয় নির্ধারণ করতে চান?

রাজর্ষি যেমন বলেছেন "কিন্তু বাস্তবতা হল এটা রাজনীতি, ক্ষমতার চলমান দ্বন্দ। এখানে মা না হয়ে যদি বাপ হত তাহলেও এভাবে চাপ সৃষ্টি হত"।

এখন বাপের সামনে যদি ছেলেকে জিম্মি করে,ছেলেকে নিষ্ঠুর নির্যাতন করে লেজিটেমেসী আদায়ের চেষ্টা করা হয়,তাইলে কি আমরা বলল,এইটা পুরুষ নেতৃত্বের প্রতি চরম,জেন্ডারড পানিশমেন্ট"।

নারীত্ত্বের প্রাকৃতিক এবং সামাজিক রুপ'কে এক করে দেখা হয়েছে বলে মনে হয়েছে।

কিছুদিন আগে দৈনিক গুলোতে একটা বেশ চাঞ্চল্যকর খবর এসেছিল,আমি বেশ চমকে উঠেছিলাম।"মা তাঁর আপন নেশাখোর ছেলের হাত থেকে রেহাই পেতে তাকে
খুনী ভাড়া করে হত্যা করেছে"।এইখানে এক মা তাঁর নারীত্বের অনিবার্য অনুভূত ছাপিয়ে সামাজিক কিংবা ব্যাক্তিগত বোধ দ্বারা চালিত হয়েছে।

নারীত্বের প্রাকৃতিক এবং সামাজিক রুপ'কে আলাদাভাবে দেখার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি।

০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:২৯

লেখক বলেছেন: ফ্যাসিবাদিতা ব্যাপারটা তাত্ত্বিক, কবি, ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ, সামরিক জন কারোই মনোপলি নয়, সেটি আম জনতার মনেও থাকতে পারে, যখন দুই টাকার জিনিশ চুরির জন্য গণপিটুনি এবং খুন সংঘটিত হয়, এবং রিকসাওয়ালারে পিটাই। প্রতিবাদের পদ্ধতি যখন ফ্যাসিবাদী রূপ নেয়, অক্টোবর মাসের ঢাকার রাজপথ তখন অন্য ভাষায় কথা বলে। তারেক রহমানের উপরে নির্যাতন দেখে আম জনতার সাথে আপনারও ভাব এবং আবেগ উদিত হয়, এটা সম্ভব। আমাদের ভিতরে এই ফ্যাসিবাদিতার অবস্থান এত বড় জায়গায় যে, সেটিরে আবেগ বলে জাহির করে বৈধতা নেওয়ার কৌশল অবলম্বন করি। নিজের একটা সন্তুষ্টির পোশাক।

খালেদা জিয়া একজন রাজনৈতিক নেতা এবং একজন মা এবং নারী। এই তিনটি সত্তাই মনে রাখা দরকার বলে মনে করি এই আলোচনার জন্য। খালেদা একজন রাজনৈতিক নেতা এবং তার উপরে নির্ভর করছে একটি ইলেজিটিমেট সরকারের লেজিটিমেসি, যার জন্য তার অসুস্থতার গল্প শুনিয়ে নির্বাসন প্রচেষ্টা, এবং তার জন্য পদ্ধতি হিশেবে বেছে নেওয়া এই জেণ্ডারড নির্যাতন। এখন, এই সময়ে, কোন যদির উত্তর আমার কাছে নেই, বাস্তবতা হলো, এই ফ্যাসিবাদ এবং নির্যাতনের বিরুদ্ধে কথা বলা প্রত্যেক প্রগতিশীল মানবিকতাবোধসম্পন্ন একটিভিষ্টের কর্তব্য।

বাপের সামনে ছেলেকে জিম্মি করা কেন জেণ্ডারড পানিশমেন্ট নয়, শুধুই ফ্যাসিবাদীতা, অথচ মায়ের সামনে ছেলেকে জিম্মি করাকে কেন জেণ্ডারড পানিশমেন্ট বলি সে বিস্তর আলোচনার ব্যাপার- সংক্ষেপে হলো- একজন পুরুষ অটোনোমাস একটা লাইফ লিড করে, যেখানে তার জায়গাটি একার, কিন্তু একজন নারী একই সাথে তার সন্তান এবং অন্যান্য ফেনোমেননগুলোর জীবনও যাপন করেন, এবং তার থেকে দূরে থাকাটা নারীর পক্ষে অসম্ভব একটা ব্যাপার- আপনি আমাদের ফ্যামিলি কনটেক্সটগুলো খেয়াল করুন। ছেলে মেয়ে এইসব ব্যাপারগুলো মাতৃত্বের এবং নারীর খুব কাছের, পুরুষ তো এইভাবে ফিজিক্যালি তাদের কাছে আসতে সক্ষম নয়, কালচারালভাবেই। এইটাই এর মূল কারণ।

পরিশেষে, ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৩৮

লেখক বলেছেন: আপাতত ঘুমুতে যাই। বাংলাদেশে এখন রাত্তির টইটম্বুর।

৩২. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:০৯
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: "খালেদা জিয়া একজন রাজনৈতিক নেতা এবং একজন মা এবং নারী। এই তিনটি সত্তাই মনে রাখা দরকার বলে মনে করি এই আলোচনার জন্য"।

আলোচনা ভেদে ব্যাক্তির এনটিটি আলাদা আলাদা হলে ব্যাক্তিভেদে কিন্তু ব্যাক্তির মূল্যায়নও কিন্তু আলাদা আলাদা হতে পারে।এবং সেটা অনেকটাই বৈধতা পায় তখন।

খালেদা জিয়া যখন রাষ্ট্রক্ষমতায়,এবং তারেক জিয়া যখন সেই রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করে সেটা,তখন কিন্তু তার মা'র বিশাল প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব সেইটাকেই মুলধণ করে।তখন কাছে মাতৃত্বের অনিবার্য রুপ (যেটাতে আবার পারিবারিক শাসন,নিষেধ ইত্যাদিও থাকে) ছাপিয়ে উঠে পাওয়ার রিলেশনে মায়ের অনেক উচ্চে অবস্থান।
আবার খালেদা জিয়া যখন আরাফাতের পরিবর্তে তারেক'কে যুগ্ম মহাসচিব পদে নিয়োগ দেয়,সেইখানকেও তার রাজনৈতিক বিবেচনায় মুখ্য।
রেহনুমা আহমেদ মিক্সড ফিলিংস বলতে কি বুঝিয়েছেন,আমি ঠিক নিশ্চিত না,কিন্তু
খালেদা জিয়া'র রাজনৈতিক পরিচয় যদি তাঁর ভাবনায় মুখ্য হয়ে যায়,তাইলে কি সেইটা খুব ভুল কিছু হবে?
০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৯

লেখক বলেছেন: বিষয় যেখানে নির্যাতন এবং একটা প্রিন্সিপল স্ট্যান্ড ঘোষণা করা, অইটারে নিয়ে আন্দোলন, সেখানে তার রাজনৈতিক পরিচয়-প্রসূত ঘৃণারে আগাম জাহির করা এবং এই নিয়ে মিক্সড ফিলিংস এর ফ্যান্টাসি তৈরী করা, হয় গাধামী নয় ফ্যাসিবাদী চিন্তা, রেহনুমার ক্ষেত্রে যেটি প্রকট। তাই বোগাস বলেছি।

আরো বিস্তর আলোচনার সুযোগ আছে। সময় নিয়ে হয়তো আলোচনা হবেও। ধন্যবাদ।

৩৩. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৪৩
রাসেল ( ........) বলেছেন: যৌনাঙ্গে মাথা ঢুকিয়ে কিংবা যৌনাঙ্গ মুখে ঢুকিয়ে আলোচনা চলে না।

নারীর শরীর, যৌনাঙ্গ, পুরুষাঙ্গ এবং সামাজিক নারী পুরুষ আলাদা সত্ত্বা।

নারীবাদি রাজনীতি এবং পুরুষবাদীতাও ঠিক নারী পুরুষ শরীরের উপরে নির্ভর করে না।

নারীর মাতৃত্ব যেমন একটা বোধ, পুরুষের পিতৃত্বও তেমনই একটা বোধ, দুটোই আসলে বাৎসল্যবোধ। নিজের অস্তিত্বের সম্প্রসারণের বোধ।

ইউটোপিয়া নিয়া আলোচনা করতে চাই নি, করতে চাইছিলাম আপনার মুখের ভিতরে ঢুকে থাকা যৌনাঙ্গ নিয়ে, ভোদা আর ধন দিয়া নারী এবং পুরুষের বিভাজনটা অশালীন, যদিও এই লেখা সেই রসে ভেজা।

খালেদা জিয়া যখন রাষ্ট্রপ্রধান তখন তার নারী অবস্থান একটা সত্য- তবে এই সত্যের বাইরের সত্যগুলোও আছে, নারীর মাতৃত্ব জিম্মি করবার রাজনীতির জন্য তারেকের উপরে নির্যাতন হয়েছে এই উপসংহার নিয়ে যদি আলোচনা করতে চান তাহলে এখানে আলোচনা না করে যেটা পছন্দ সেখানে মাথা কিংবা মুখ ব্যবহার করতে থাকেন ভাই।

উপদেশ দিচ্ছি কারণ সেটা এখানে প্রয়োজনীয়-

জেন্ডারড শব্দটার রাজনৈতিক ব্যবহারে যৌনাঙ্গ নেই সামাজিক প্রবনতায় পুরুষের নারীকে অধস্তন করে রাখবার প্রয়াসে যত রকমের ছলচাতুরি প্রয়োজন সেটা করবার প্রয়াস জেন্ডারবায়াসড ডিশিসন।
খালেদা জিয়াকে নারী হিসেবে দমিয়ে রাখবার জন্য তাকে নির্বাসন দেওয়ার ফালতু তত্ত্বের দেমাগ কম না দেখা যাচ্ছে আপনার।

নারী হিসেবে দমিয়ে রাখবার প্রয়াস থাকলে আদতে তার গত ২৫ বছরের রাজনীতি জীবনটাকে অবজ্ঞা করা হয়। সেখানে তার নারী শরীর এবং তার যৌনাঙ্গ রাজনৈতিক ভাবে আক্রান্ত হয়েছে?

কাঁঠাল পাতা এবং সাথে কলার ছোকলা খেয়ে চেষ্টা করে দেখতে পারেন, ক্যালসিয়াম আর জিঙ্কের অভাব কমবে। সেই সাথে কিছু পরিমার পটাসিয়াম শরীরে ঢুকলে হয়তো শব্দভিত্তিক জীবনযাপন এবং কিবোর্ডের রজঃস্রাব নিঃসরণ সম্ভব হবে।

ধন্যবাদ।
০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৪

লেখক বলেছেন: হাহাহঃ। আপনার উপদেশ বেশ উপাদেয় এবং সরস, আপনিও যথেষ্ট উপ(ভোগ) করেছেন বোঝা যায়। যৌনাঙ্গ, ভোদা আর ধন নিয়া আপনার এক্কেবারেই আগ্রহ নেই দেখছি। হায় খোদা!

৩৪. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৬:৪১
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: আলোচনা চলুক। সময় করে এসে মন্তব্যও করব।
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩১

লেখক বলেছেন: চলুক।

৩৫. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৬
মুসতাইন জহির বলেছেন: প্রেভোকেটিভ আলোচনা। দূরে থাকা দুষ্কর।

কয়েকটি বিষয় উইঠা আসছে, এই পোস্ট ও আলোচনায়।

আশা করি অংশগ্রহণ করতে পারবো। বিশেষত, ফ্যাসিবাদ, বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ, নারী ও নির্য়াতনের বর্তমান পরিপেক্ষিত-- এই কয়টি জুরুরি প্রসঙ্গে।

০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫২

লেখক বলেছেন: দূরে থাকা অন্যায়। তাই, আশা করি অংশ গ্রহণ করবেন।

৩৬. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৩
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: রিফাত ভাই,
পুরা টাসকি খায়া গেলাম। করছেন কী আপনে?
আমি ব্যক্তিগতভাবে রেহনুমা আহমেদের মনন ও মণীষার ভক্ত কোনোকালেই আছিলাম না। পরন্তু বহু সহপাঠীরেই দেখছি ওনার বুদ্ধিজীবীতায় মুগ্ধ। মানুষের মুগ্ধতার অধিকারকে ছোট কইরা দেখি না আমি। আপনার তাত্ত্বিক ব্যাকগ্রাউন্ড সম্পর্কে কিছুটা খোঁজ থাকার দৌলতে পোস্ট দেইখা ভাবছিলাম, শেষে ব্লগেও রেহনুমা-বন্দনা শুরু হইলো। কিন্তু পইড়া দেখলাম ঘটনা অন্য। এইখানে আমি কিন্তু রেহনুমা আহমেদকেই সমর্থন করতে চাই।
আমরা যখন ব্লগে বা পত্রিকায় কলাম লিখি তখন কি শুধু নিজের নারীবাদী বা ফুকোপড়া চৈতন্যের জায়গা থিকা কথা কই? কইতে পারি? আমার মনে হয় না। কত কত ক্ষমতাকেন্দ্র, হেজিমনি আমাদের প্রত্যহ চালিত করে যে, তার সঠিক পরিসংখ্যান রাখাই দায় হয়া পড়ে। কিন্তু আপনি যদি কোনো একটা তাত্ত্বিক পরিকাঠামো বা কেতা নিজের আত্মপ্রকাশের জন্য বাইছা নেন তাইলে সেইটা কেমনে রক্ষা করবেন সেইটা ইস্যু বটে, কিন্তু কখনো কখনো মানুষ সেইটা ভুইলা বসতে পারে। সেইখানে দুষ্ট সাবকনশাস আইসা কাজ করতে পারে।
আমি বলবো, আপনি রেহনুমার একটা লেখা থিকা সিদ্ধান্তে আসতে গিয়া রেহনুমা স্কুলেরই অন্তর্ভুক্ত হইলেন। এইভাবে দেখলে ওনার দোষ ধরা অবশ্যই চলে কিন্তু সার্বিকভাবে তারে খারিজ করা যায় না।
রেহনুমা যেমন কইরা মাটির ময়নারে খারিজ করছেন সেই পদ্ধতিতে আপনেও কিন্তু তারে খারিজ করলেন।
আমি বরং বিষয়টাকে অন্যভাবে দেখতে আগ্রহী। কেমনে?
শয়নে, স্বপনে, জাগরণে নারীবাদ বা ফ্যাসিবাদবিরোধীতা বা মার্ক্সবাদ কি আসলেই সম্ভব? কোথাও মুখ কান ফসকাবে না? আর যদি খোদ কলম বা কী বোর্ডই ফসফায়ে একটা বড় লেখা তৈয়ার কইরা নেয় তাইলে সেইটার কাফফারা কেমনে দিবো?
১০ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:৫৭

লেখক বলেছেন: অনেক ক্ষমতা-কেন্দ্র এবং হেজিমনির ভিতরে আমাদের বসবাস, সত্য বলেছেন। কিন্তু তাত্ত্বিক পরিকাঠামো ছাড়া সেইগুলির বিচার কেমনে করবেন?

আপনি রেহনুমার একটা লেখা থিকা সিদ্ধান্তে আসতে গিয়া রেহনুমা স্কুলেরই অন্তর্ভুক্ত হইলেন।- কথাটা বুঝলাম না।

আর একটা কথা, রেহনুমারে খারিজ করা আমার উদ্দেশ্য না।

শয়নে, স্বপনে, জাগরণে নয়, দায়িত্ব নিয়ে কথা বলার সময় জরুরী আলোচনা না কইরা যদি ফালতু পেঁচাল পাড়েন রেহনুমা, তার সেই সুবিধাবাদিতার অবস্থানটারে ধইরা দেওন দায়িত্ব জ্ঞান করি।

মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ মাহবুব ভাই।

৩৭. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৪০
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: রেহনুমার যে লিংকটা দেয়া হয়েছে উপরে সেটা জামাত বিরোধিতা করে। আমার মনে হয় সেটা এই লেখার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:০২

লেখক বলেছেন: ওয়ার্ডপ্রেসের লিঙ্ক: http://shahidul.wordpress.com/2008/06/26/

০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:১৩

লেখক বলেছেন: নিউএজের লিঙ্ক: http://www.newagebd.com/2008/jun/26/edit.html

৩৮. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৩০
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: পড়লাম লিংক। অবাক লাগল। রেহনুমা আহমেদের লেখায় তারেক রহমানের প্রতি একটা আক্রোশ যেন ফুটে উঠেছে। এরকম আবেগ সমৃদ্ধ লেখা কি করে উপ সম্পাদকীয় হয়? আবেগের উপকরন আমার কাছে খারাপ লাগে না, তবে রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে লেখাতে যুক্তির উপকরনই আমার কাছে কাম্য। আবেগের পরিমান বেশী হওয়াটা সাহিত্যের ক্ষেত্রে মানায়। বাস্তবের বিষয় নিয়ে আবেগের ছড়াছড়ি ভালো লাগে না।

যে যুক্তিতে রেহনুমা তারেকের উপর নির্যাতনে নির্লিপ্ত থেকেছেন, সেই একই যুক্তি ১৫ ই আগস্টের ক্ষেত্রে খাটে। কিন্তু তার পরেও ১৫ ই আগস্টের হোতারা এখন জেলে। জাতি এই হত্যাকান্ডের বিরোধিতা করেছে বলেই এটা সম্ভব হয়েছে।

তারেকের বিরুদ্ধে এত যদি অভিযোগ থাকে তবে একটা জোড়ালো মামলা কেন এখন পর্যন্ত দায়ের করা গেল না? অথচ প্রচুর আওয়ামী/বি এন পি রাজনীতিবিদদের দুর্নীতির কারনে জেল হয়েছে। দুদক যে মামলাটি দাড় করিয়েছে তাতে হাস্যকর ভাবে দিনকালকে অবৈধ (?) সম্পদ হিসেবে দেখিয়েছে। অথচ চেষ্টা তো কম হল না। মামুনকে মৃত্যুমুখে নেয়া হয়েছে। তারেককে বার বার রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। হাড্ডি পর্যন্ত ভাংগা হয়েছে। অথচ অন্য রাজনীতিবিদদের ক্ষেত্রে এসব কিছু লাগে নি। এমনিতেই জেল হয়েছে। এতই স্পষ্ট দুর্নীতি।

তারেকের ব্যপারে রেহনুমা এই অনুভূতি যুক্তির উপর প্রতিষ্ঠিত নয়। এটা তিনি দাবীও করেন নি। কিন্তু বাংলাদেশের পত্র পত্রিকা যখন আবেগ আশ্রয়ী লেখাকে এতটা গুরুত্ব দিতে পারে। তখন বোঝা যায় আমরা আসলে পেছানো একটি জাতি।
১২ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:১৪

লেখক বলেছেন: ভাবার বিষয়।

৩৯. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৩৭
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: "Midway through her account of torture, she wonders, the men who tortured me must have gone home to their wives and children. They must have caressed them as people do caress their loved ones. Could his wife tell, could their children tell what deeds these very hands had performed?"

রেহনুমার এই কথাটা অবশ্য ১০০ ভাগ খাটি। আপনারা জানেন কিনা জানিনা, এই ব্লগে এক বিবাহিত পুরুষ একজন নারী ব্লগারকে বিছানায় নেবার প্রস্তাব দিয়েছিলো। আরো আশ্চর্যের ব্যপার হল সে কন্যার জনক এবং কন্যাকে ভালবাসার দাবী করে।

এমন কি এরকম প্রস্তাব দেবার পরে যখন ব্লগে প্রতিবাদ উঠল, তখন বিভিন্ন ভাষায় সে নিজেকে জাস্টি ফাই করে। আরো মজার ব্যপার তার কিছু সহব্লগার যারা বিভিন্ন সময় ইসলামের সমালোচনা করে এই বলে যে ইসলাম নারীকে অর্ধেক সম্পদ দিয়েছে - তারাও তাকে সমর্থন জানিয়ে সেই নারী ব্লগারের সমালোচনা করে। সেলুকাস। কি বিচিত্র এই দেশ!!!!!!!!!!!!!
১০ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:১৩

লেখক বলেছেন: রেহনুমা এক জায়গায় এই ১০০ ভাগ খাঁটি কথা বলবেন আর এক জায়গায় তারই বিনাশ করবেন- প্রিন্সিপলড স্ট্যাণ্ড ঘোষণা করবেন, যেখানে নো ইফস এণ্ড বাটস- কিন্তু যদি ভিকটিমটারে তার মনে না ধরে- তারে ইচ্ছেমতো খুন করে ফেলতে বলবেন- এই সুবিধাবাদিতা এবং ফ্যাসিবাদরে কঠোর সমালোচনা করতে হবে এবং চিহ্ণিত করতে হবে।

৪০. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৫১
রাসেল ( ........) বলেছেন: আউট অফ কনটেক্সট একটা প্রশ্ন, সার্টিফিকেটে উম্মু আব্দুল্লাহ নাম লিখবার সময় ঠিক কিভাবে নিশ্চিত হওয়া গেলো এই মেয়েটা একদিন সন্তানের জন্ম দিবে, সেটা পুরুষ শিশু হবে এবং সেই শিশুর নাম আব্দুল্লাহ হবে?

ভবিষ্যতদ্রষ্ট্রা বাংলাদেশের ইসলামী মানুষেরা বন্ধ্যা নারীর নাম রেখেছিলো উম্মুল মোমেনা।
০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:০৮

লেখক বলেছেন: রাসেল, এইবার আপনারে থামানো প্রয়োজন, আপনার মন্তব্যগুলো বিষয়সংস্লিষ্ট নয়, আপনার এই মন্তব্যটা রাখলাম, কিন্তু আপনার আর কোন মন্তব্য করার প্রয়োজন দেখছি না আমার এই পোস্টে। ধন্যবাদ। এবং খোদা হাফেজ।

৪১. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:০৫
হাসিব মাহমুদ বলেছেন: ব্যাপক হাস্যরসাত্মক আলোচনা এখনো চলতেছে দেইখা ভাল্লাগলো । মুসতাকিন জহির আবার কোন টপিকে কি বলেন সেইটা দেখার জন্য বইসা থাকলাম । আর উম্মু আব্দুল্লাহ রেহনুমার আর্টিকেল নিয়ে আলাদা প্রতিক্রিয়া পোস্ট দিতারেন । সেইটাও উপভোগ্য হবে হলফ করে বলা যায় । আর কেউ না পড়লেও আমি গিয়া পড়ুম । এক স্বাধীনতা তুমিরে দিয়া আর কতদিন !
০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:১০

লেখক বলেছেন: খুশির খবর।

৪২. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:০৬
রাসেল ( ........) বলেছেন: স্বাভাবিক আগ্রহ আর ম্যানিয়া এক না, মাত্রাগত পার্থক্যের বোধটা থাকলে এই লেখার জন্য কিবোর্ডনির্যাতিত হতো না তব হাতে।

আলোচনা যেখানে সেখানে গিয়ে খেলতে হবে-

তারেককে নির্যাতন করা হচ্ছে খালেদা জিয়াকে দেশ ত্যাগে বাধ্য করবার জন্য- এই অবস্থান থেকে দেখাটা হাতের মুঠোতে পাহাড় আড়ালের বোধটাকে জাগ্রত করছে।

তবে এইসব ফ্যান্টাসি, জাহেলিয়াত আর খিলাফাতের বানী নয়, আলোচনা করতে চাই জেন্ডার ডিসক্রিমিনেশন এবং জেন্ডারড পলিটিক্স নিয়ে। আলোচনা করি ঠিক কোন পর্যায়ে গিয়ে সন্ত্রাসের মাত্রা পোষ্ট ইলাভেন পর্যায়ে গিয়ে জেন্ডারড রূপ পেয়েছে রাষ্ট্রের হাতে?

আলোচনা করি নারীবাদ এবং সন্ত্রাসের সম্পর্ক নিয়ে, ঠিক কোন নারীবাদিতা কোন পর্যায়ে সহিংস হয়ে নারীকে আহত করবার বাসনায় তৃপ্তি পায়?
১০ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৪

লেখক বলেছেন: স্বাভাবিক আগ্রহ আর ম্যানিয়া এক না। ঠিকাছে। আমিও কই। আপাতত অন্য মন্তব্যগুলি পড়ি, আপনার লগে গপশপ বহুত হইছে।

৪৩. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২০
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: ব্যক্তি আমিকে নিয়ে একটা মন্তব্য করা হয়েছিলো। তার প্রসংগে হয়ত বা মন্তব্য করতাম। তবে রিফাত, আপনি মনে হয় তাকে আপাতত ব্লক করেছেন এ পোস্টের জন্য, তাই আর এ ব্যপারে কিছু বললাম না। তবে আমার কথাগুলো যৌক্তিক এবং সে যুক্তি যে উক্ত ব্লগারের পক্ষে ভাংগা অসম্ভব - সেটা বুঝতে পারলাম।

রেহনুমার নারী নির্যাতন নিয়ে উপরের কয়টি লাইন আমি সমর্থন করি। আমারও এটি খুব অবাক লাগে। এসব যৌন বিকৃত আচরনকারী পুরুষ কি করে ফ্যামিলিকে ভালবাসার দাবী করে।
১০ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:১৯

লেখক বলেছেন: ঠিকাছে।

১০ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:২৪

লেখক বলেছেন: কিন্তু আমি কাউকে ব্লক করি নি। অইটা আমার স্বভাবে নেই। পারতপক্ষে অইটাকে ছাড়াই কাজ করাকে পছন্দ করব। আশা করি, উল্লেখিত মন্তব্যকারী সচেতন হবে। ধন্যবাদ।

৪৪. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৪০
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: "আমি ব্যক্তিগতভাবে রেহনুমা আহমেদের মনন ও মণীষার ভক্ত কোনোকালেই আছিলাম না। পরন্তু বহু সহপাঠীরেই দেখছি ওনার বুদ্ধিজীবীতায় মুগ্ধ। "

রেহনুমার লেখার স্টাইল, শব্দ চয়ন - সবই চমৎকার। সুতরাং কারো পক্ষে মুগ্ধ হওয়া স্বাভাবিক, বিশেষত সমমনাদের পক্ষে। তবে আমি লেখালেখিতে যুক্তি, বাস্তবতা এবং বস্তুনিষ্ঠতা বেশী গুরুত্ব দেই বলে শুধু মাত্র প্রকাশ ভংগির সৌন্দর্য থাকলেই মুগ্ধ হয়ে যাই না।
১০ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:৩৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪৫. ১০ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:১১
পি মুন্সী বলেছেন: রিফাত একটা ভালো প্রসঙ্গ তুলেছেন। ধন্যবাদ।

রেহনুমার বক্তব্য সত্যিই ভয়ংকর।

নিজের নীতিগত অবস্হান আর নিজের ব্যক্তিগত ভালো লাগা না লাগার স্পষ্ট তফাৎ কোন সমাজের মানুষ যখন টের পায় বা করতে শিখে তখন তা থেকে বোঝা যায় ঐ সমাজ ও তার মানুষ বয়স্ক পরিপক্কতার একটা ধাপ পার হতে পেরেছে। এটাকেই অনেকে ফিউড্যালিটি (fudality) মুক্তির বিষয় বলে গণ্য করেন।

রেহনুমা দাবী করছেন, তিনি নীতিগতভাবে টর্চারের বিরুদ্ধে; কোন কিছু দিয়েই টর্চারকে ন্যায্যাতা দিতে তিনি নারাজ। তাঁর এই নীতিগত অবস্হান এতই শক্ত যে যেকোন কিন্তু বা যদি ধরণের বাকচাতুরীতে ফেলে এ থেকে তিনি নড়বেন না। তাঁর নিজের ভাষায় শুরুতে তিনি বলে নিচ্ছেন, ''I AM against torture. Nothing justifies torture. This is a principled stand, there are no ifs and buts.''।

নীতিগত দিক - মানে ব্যক্তি বিশেষের কথা ভেবে এই নীতি কথা শোনানো হচ্ছে না বা ধার্য হয়নি। ব্যক্তি নির্বিশেষে একথা মানা হচ্ছে। এমনকি ব্যক্তির ছবি দেখা গেল কী গেল না অথবা ছবি দেখে আমাদের তাতে মন গললো না কী গললো না, কারো কারো মনে তা সিমপ্যাথি জাগাতে পারলো কী পারলো না - এসব কোন কিছুই এখানে বিবেচনার বিষয় না। এমনকি যে টর্চারের হুকুমদাতা অথবা খোদ টর্চারকারী তাকেও টর্চার করা যাবে না - এই নীতিগত অবস্হান সেক্ষেত্রেও তাঁর পক্ষ নিয়ে দাঁড়াবে। তবেই এটা নীতিগত দিক।

কিন্তু পরক্ষণেই রেহনুমা বলছেন, I am against torture. I have always been against torture, and yet I have no sympathy for Tarique Rahman who, in all likelihood, is now a victim of torture.। অর্থাৎ রেহনুমার নিজের ভাষাতেই তারেক টর্চারের (সম্ভাব্য) ভিকটিম হওয়া সত্ত্বেও রেহনুমার নীতিগত অবস্হান এখানে প্রযোজ্য নয়। কেন? কারণ তারেকের প্রকাশিত ছবি রেহনুমার মনে sympathy জাগাতে পারেনি।
দেখা যাচ্ছে রেহনুমার টর্চার বিরোধী নীতিগত (?) অবস্হান এবার নতুন শর্ত ও ভিত্তির উপর দাড়াতে চাইছে। ভিত্তিটা হলো, যদি টর্চারের ভিকটিম বা তাঁর প্রকাশিত ছবি রেহনুমার মনে sympathy জাগাতে পারে তবেই ভিকটিম রেহনুমার নীতিগত (?) অবস্হানের আনুকূল্য পাবে। এছাড়া আরও লিষ্ট আছে। যেমন, Tarique was generally not liked. Not at all. Scores of grievances flew all around. He was a novice to politics but was nominated the BNP senior joint secretary general in one go...... আগ্রহী পাঠক এই পুরা প্যার‌্যাগ্রাফটা পরে নিতে পারেন। ওর মুল কথাটা হলো তারেক বা টর্চারের ভিকটিম ভালো লোক না মন্দ লোক, লোকে কী বলে, ভিকটিম ক্ষমতা কুক্ষিগত করা স্বভাবের কী না, রেহনুমার মনে sympathy জাগাতে পারে কী না -- এর উপর নির্ভর করছে রেহনুমার নীতিগত (?) অবস্হান ঐ টর্চারের ভিকটিমের পক্ষে দাড়াবে কী না।
আচ্ছা কাল যদি কোন ন্যায্য আইনি কারণে রেহনুমা গ্রেফতার ও টর্চারের ভিকটিম হন তাহলে আমরা কী কাউকে এরকম লিখে বেড়াতে দেখবো - রেহনুমার স্বভাব খারাপ, তাঁর চোখ টেরা, তাঁর টর্চারক্লিষ্ট ছবি আমাদের মনে sympathy জাগাতে পারেনি? আমরা কী রেহনুমার ব্যক্তি স্বভাব-চরিত্র দিয়ে টর্চারের ভিকটিম রেহনুমার বিচার করবো? অনুমান করি রেহনুমা এভাবে ভাবেন নি, ভাবলে লিখতে পারতেন না। তারেকের বিরুদ্ধে আমাদের কারও জেনুইন অভিযোগ থাকতেই পারে। কিন্তু এর জন্য টর্চারের বিরুদ্ধে নীতিগত অবস্হান টলবে কেন?


আচ্ছা, আমরা কী ভেবে দেখেছি আমাদের এই বিচার-মনোভাব-চিন্তাই আমাদের শাসক রাষ্ট্রের হাতে টর্চারের ক্ষমতা, ন্যায্যাতা তুলে দিয়েছি ও দিচ্ছি? এতে বিগত ১৯ মাস ধরে পরাশক্তির বসানো শাসকের ক্ষমতার বৈধতা ও সমর্থন কী এখান থেকে তৈরী করে দিচ্ছি না? অগণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের চরিত্র, রূপ কী আমরাই আকার দিচ্ছি না?

আমরা "নীতিগত অবস্হান" এই কথার মানে কী তা বোঝার মত পরিপক্ক এখনও হইনি। জেন্ডার নিয়ে, উত্তর-আধুনিকতা নিয়ে আলোচনার খায়েশ করি অথচ প্রাক-পুজিতান্ত্রিক মন চিন্তার আতুর ঘর ছাড়তে পারেনি। ধরা যাক, তারেকের বিরুদ্ধে সমস্ত অভিযোগ, কানকথা প্রচার সত্য অথবা শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আতাঁতের অভিযোগ সত্য। এসব সত্ত্বেও এদের উপর কোন টর্চারের হলে ভিকটিমের পক্ষে নীতিগত অবস্হান নিয়ে দাঁড়ানোর কর্তব্য আমরা এখনও জ্ঞান করতে শিখিনি। আমরা কে কোন দলকে পছন্দ করি এই দলবাজিই আমাদের অবস্হানের মাপকাঠি। মুখে কোট-আনকোট চুরি করা শব্দ "নীতিগত অবস্হান" বলে দাবী করি অথচ তা ব্যক্তি বিশেষের প্রতি পছন্দ অপছন্দের উর্ধে উঠতে পারেনা। ব্যক্তি sympathy জাগাতে পারলো কী না তার ভিতরে আটকে থাকি আর বড় মুখ করে প্রচার করি "নীতিগত অবস্হান" নিয়েছি। "ক্রশফায়ারের" নামে কাউকে মেরে ফেললে আমাদের বিকার হয়না বরং খুশি হয়ে মিডিয়ার পরদিন প্রচার হয় সে কত বড় সন্ত্রাসী ছিল। আমরা তা জেনে পরিতৃপ্ত হই। "নীতিগত অবস্হান" এর কথা মনে আসে না। এধরনের নাবালক অবস্হানের উদাহরণ ভুরি ভুরি। বাবা বুশ বা ছেলে বুশের ইরাক আক্রমণ, হামলা, দখলদারি ও সার্বভৌমত্ত্ব লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে নীতিগত অবস্হান নিয়ে বিরোধীতার বদলে সাদ্দাম স্বৈরাচার ছিল অতএব বুশের দখলদারিকে ন্যায্য ভাবি। একবারও চিন্তা করতে আমরা অক্ষম -কাল বাংলাদেশের ক্ষেত্রে একই অজুহাত তৈরী হতে পারে।

রেহনুমা আমাদের নীতিগত প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, কোন "কিন্তু বা যদি"র বাকচাতুরীতে ফেলে টর্চারের ভিকটিমের পক্ষ তিনি ছাড়বেন না। আমরা এখানে অন্য এক রেহনুমাকে দেখতে পাচ্ছি; তিনি "কিন্তু বা যদি" দিয়ে বাকচাতুরী করছেন।

তবে এতসব কিছু বলার পর রেহনুমা নিজেই নিজের ভিতরের যেন এক অস্বস্তির কথা বলছেন,
This ambivalence in me is new. I see it reflected in others...........What concerns me more is our mixed feelings over torture.

রেহনুমা আলজিরিয় বিপ্লবীদের উপর টর্চারে পারদর্শী ফরাসি পুলিশের মনোবিকারের নৃতত্ত্ব আমাদের জানিয়েছেন। নৃতত্ত্ববিদ হিসাবে নিজের mixed feelings over torture যা তাকে আবার concerns me more করে -- এর নৃতত্ত্ব কী? এই সাহস কী তার হবে? কেন তারেকের টর্চারক্লিষ্ট ছবি দেখে মানুষ হিসাবে তাঁর sympathy জাগে না? আর sympathy জাগার সাথে টর্চারের বিরুদ্ধে নীতিগত অবস্হানের সম্পর্কই বা খুজতে হচ্ছে কেন?


১২ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:১৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা দীর্ঘ আলোচনার জন্য।

নৃতত্ত্ববিদ হিসাবে নিজের mixed feelings over torture যা তাকে আবার concerns me more করে -- এর নৃতত্ত্ব কী? আমারো জানার ইচ্ছে আছে।

৪৬. ১০ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৮:০৮
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: মুন্সীর আলোচনা ভাল লাগল। "ভিকটিমের পক্ষে নীতিগত অবস্হান নিয়ে দাঁড়ানোর কর্তব্য আমরা এখনও জ্ঞান করতে শিখিনি।"

একমত।
১২ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:১৬

লেখক বলেছেন: একমত আমিও।

৪৭. ১০ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:২৯
মুসতাইন জহির বলেছেন: এতক্ষণে মনে হইতাসে আলোচনা একটা ভালো দিকে গড়াইছে। বিশেষত পি মুন্সির গোছানো মন্তব্যে।

শুরুতেই বইলা নেওয়া ভালো যে এটা ব্যক্তি রেহেনুমার প্রসঙ্গ নয় বরং তাঁর রজিনীতি বা এইধরণের অবস্থান ঘোষণার রাজনীতির।


একটা বিষয় শুরু থেকেই আমার মনে হচ্ছিল, যখন আমি প্রথম তাঁর লেখাটি পড়ছিলাম, যে নির্যাতনের বিরূদ্ধে নীতিগত অবস্থান নেওয়ার জন্য নিজের অনুভুতির প্রসঙ্গ কেন? সমবেদনা বা অনুভবকে কেন রেহেনুমার এতটা দরকারি মনে হইলো?
তথাপি, মিশ্র ও নতুন এক দোলাচল/ দ্বিধা। এই নতুন দ্বিধার নৃতত্ত্ব বুঝতে হবে।
১২ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:১৭

লেখক বলেছেন: এই নতুন দ্বিধার নৃতত্ত্ব বুঝতে হবে। সঠিক।

৪৮. ১০ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৪৯
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: একটা কথা বলা হয় নি। রেহনুমার নাম আমি এই প্রথম শুনলাম এখানে এসে। হয়ত ইংরেজী পেপার খুব একটা পড়িনা বলে। তবে এত আলোচনার পরে রেহনুমার দুটো লেখা পড়া হয়ে গেল। একেবারে খারাপ লাগে নি। তিনি তার অনুভূতি ব্যক্ত্ করেছেন। সেটা তিনি করতেই পারেন। আবেগ অনুভূতি অনেক সময় যুক্তির মাপকাঠি ধরে চলে না। সেটাকে ভন্ডামি বলা ঠিক হবে কিনা জানি না। যাদের আমরা অপছন্দ করি, তাদের দুরাবস্থা কি আমাদের হৃদয় ছুয়ে যায়?

সুতরাং রিফাত ভাই, আপনার সাথে পুরো একমত হতে পারলাম না।
১২ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:১৮

লেখক বলেছেন: মিক্সড ফিলিংস?

৪৯. ১০ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৪৭
মুসতাইন জহির বলেছেন: তো যা বলছিলাম, রেহেনুমার 'নতুন একটা দোলাচল' এবং মিশ্র অনুভূতির নৃতত্ত্ব বুঝাটা কেন দরকারি।

যে সেময়ে বা যে ঘটনায় তাঁর এই দোলাচল তৈরি হল সেটা বাংলাদেশের জন্য যেকোন বিচারেই একটা নতুন বাস্তবতা। জানুয়ারি ১১। সুশীল, বাম আর সেক্যুলার পন্থিদের অভিন্ন শ্লোগান দিয়ে ঝাপিয়ে পড়া 'বিপ্লবী' পরিস্কার অভিযানের মধ্যে পরাশক্তির 'সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের' কায়কারবার পরিচালনার টাইম এটা। একবারও এদের কাউকে 'সাম্রাজ্যবাদ' কথাটা বা নাজিলকৃত এই প্রগতিশীল সরকারের সাথে পরাশক্তির সম্পর্কটা উল্লেখ করতে দেখা যায়নি। তয় বাংলাদেশের প্রগতিশীলতা বা বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদী চৈতন্যের এই অনিবার্য নতুনত্বের বাইরে রেহেনুমাও পড়েন নাই। নতুনত্ব নিয়া যে তিনি খুব মুশকিলে পড়ছেন বা তাঁর ভাষায় ambivalence তাও ঠিক না। কারণ পরক্ষণেই তিনি আর আর সকলের মাঝেও তা দৃশ্যমান দেখছেন। বলা ভালো দেখাইছেন। সেখানে তিনি কিন্তু তাঁর কোন বন্ধু বা প্রগতিশীল মধ্যবিত্তের কথা পাড়েন নাই ( যেমন যুদ্ধাপরাধ বিষয়ে একটা লেখার ভনিতায় একজন প্রগতিশীল নারী চলচিত্র নির্মাতার কথা উদ্ধিৃতি দিয়াছেন) পাড়ছেন শ্রমিক, ট্যাক্সি ড্রাইভারের কথা। তাদের মুখ দিয়া যে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন তার সাথে তাঁর নিজের একাত্মতাকেও আলাদা করেন নাই। বরং মিশ্র অনুভূতির পক্ষে সেটা যেন একটা সাফাই। তাঁর নৃতত্ত্বটা বুঝা দরকার এখানে যে, রেহেনুমা নিজেরে জাস্টিফাই করার জন্য একটা বিশেষ শ্রেণীর প্রতিনিধী সাজতে গেলেন কেন, সেটা বুঝার জন্য। সাথে সাথে সমাজতত্ত্বটাও।

রিফাত হাসানের সাথে এখানে একমত হওয়ার যথাযথ কারণ আছে যে, এতে নির্ভেজাল ফ্যাসিবাদিতার প্রকাশ ঘটেছে। যার আঁতুড় ঘর আবার বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ।

মাহাবুব মোর্শেদ রেহেনুমার কোন পয়েন্ট এবং কেন সমর্থন করতে চান তার কোন উল্লেখই করেন নাই। তাহলে আমরা কি ধরে নেব? উল্টা স্বপ্ন বা জাগরণের পিছলানো নিয়া কি প্যাঁচাইতে চাইলেন তাও বুঝলাম না। আশা করি তিনি বিশদ করবেন।
১২ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:২১

লেখক বলেছেন: নোটেবল পর্যবেক্ষণ। নকতা দিয়া রাখনের মত। ধন্যবাদ জহির ভাই।

৫০. ১১ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:০১
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: মুসতাইন জহির,
আমার মন্তব্যরে প্যাঁচানো আখ্যা দিলে তো আপনের লগে আর আলোচনা চলে না। তাই না?
৫১. ১১ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:০৩
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: রিফাত ভাই,
আমার সামান্য বুঝে আমি বিদ্বান অবিদ্বান নির্বিশেষে যে কোনো ব্যক্তিরে তাত্ত্বিক ইউনিট হিসাবে না দেইখা জৈবিক ইউনিট হিসাবে দেখতে পারি। জৈবিক মানুষের স্খলন আমার দৃষ্টিতে খুবই সাধারণ ব্যাপার। কিন্তু আমার বুঝে তাত্ত্বিক স্খলন বইলা কোনো জিনিশ আবিষ্কার করতে পারি নাই। তর্কটা এইখানে কেন আইলো এইটা নিয়া নিজে আমি একটু নাজেহাল বোধ করতেছি। যদি আমি কইতাম, আপনে যা কইছেন তা যথার্থ, এবং আপনি সঠিক পদ্ধতিতে অ্যাড্রেস করছেন। কথা সঠিক কইছেন। (শুধু কাছার কাপড়ের বদলে অন্য শব্দ কইতে পারতেন।) তাইলে আর কথা থাকতো না।
কিন্তু কথা তৈরি হইতেছে অন্য জায়গায়। একটা উদাহরণ দিয়া আমার কথায় আসি। জামাল ভাস্কর আপনের কাছার কাপড় নিয়া আলোচনা করছেন। সেইখানে তার যুক্তি এমনভাবে আগাইছে যে, আপনে যেহেতু কাছার কাপড় ব্যবহার করছেন অতএব আপনের যুক্তি বাতিল। অন্তত ভঙ্গিটা ওইরকম।
রেহনুমা তারেক মাসুদের মাটির ময়নায় সন্ত্রাস-বিরোধী যুদ্ধের আলামত দেইখা যে প্রতিক্রিয়া দেখাইছেন তাতে একই রকম প্রবণতা প্রকাশ পাইছে। মাটির ময়না বা আপনের এই লেখার আরও অনেক স্তর সেইখানে একটা নির্দিষ্ট তাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গির দ্বারা খারিজ হওয়ার জোগাড় হইছে। অথচ একটা ভাষ্যের এক বা দুইটি স্তরের সেইখানে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথা ছিল।
আমি এই প্রবণতারে একদেশদর্শী বইলা জানি।
আপনের আলোচনায় আপনি যুক্তির যে লাইনে এগিয়েছেন, তাতে রেহনুমা আহমেদ নিপীড়ন-বিরোধী অবস্থানে থাকতে পারেন নাই (উল্লেখিত লেখায়) এই বিশ্লেষণ জোরদার। রেহনুমার এই অবস্থান অগ্রহণযোগ্য। এইখানে তিনি সমাজে ক্রিয়াশীল আধিপত্যবাদী মতাদর্শের বাইরে গিয়া দেখতে পারেন নাই। এইখানে যদি আপনি রেহনুমাকে ফ্যাসিবাদী কইতে চান তাইলে আমার আপত্তি নাই। কিন্তু সাথে সাথে আমাদের সরকার ও নির্যাতনকারীদের পক্ষের সবাইরে ফ্যাসিবাদী কইতে হয়। সেই কওয়ার গুরুত্ব অবশ্যই আছে। কিন্তু রেহনুমারে ফ্যাসিবাদী কওয়ার গুরুত্ব আরও বেশি। তার মতো নারীবাদী ও নিপীড়ন-বিরোধীকে ফ্যাসিবাদী বলার সুযোগ পাওয়াটাই একটা ঘটনা। আর তার যদি যথার্থ কারণ থাকে তাইলে সেটা বিশাল ব্যাপার। কারণ এইটা গুরুতর তাত্ত্বিক স্খলন।
আপনি যেভাবে তার এই স্খলনের লগে দুই নারীর শরীর এবং রাজনীতিকে লিঙ্ক করছেন তা অভিনব। চমকপ্রদ। এটাকে অনেক দূর পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া যায়। আপনি নিয়েছেনও। কিন্তু মানুষকে জৈবিক এনটিটি হিসাবে দেখলে খুব বেশি দূর যাওয়া যায় না। আমি এইটাকে রেহনুমার একটা ভুল হিসাবে দেখতেই বেশি আগ্রহী হবো। হ সুবিধাবাদীতা কইলেও আমার আপত্তি নাই। কিন্তু আপনে যদি কন, রেহনুমা ইজ বাতিল তাইলে আমার কথা আছে। রেহনুমার কথা ও কাজের একটা উদাহরণ নিয়া আমাদের কথা হইছে। আরও তো উদাহরণ থাকলো। সেইগুলা নিয়া কথা বলার অবকাশ রাখতে হবে।
ওরাল কালচারে অভ্যস্ত তাত্ত্বিকরা যখন লিখিত মাধ্যমে আসবেন তখন অনেক কথা, উপকথা, প্রতিকথা তৈরি হবে। সেই কথার রাস্তা খোলা থাকুক।
'বুঝলেন! তারমানে এই হইলো রেহনুমা।' এই ভঙ্গিটা থেকে বের হওয়া দরকার। ' এই হইলো রিফাত হাসান যে কি না কাছার কাপড় খুইলা দেওয়ার কথা বলে।' 'এই হইলো জামাল ভাস্কর যিনি তার অসম্ভব রুচিবোধের কারণে রিফাত হাসানের ব্লগে আইসা আলোচনা করতে পারেন নাই।' আমি যুক্তি চালনার এই স্কুলিংয়ের বিপদের কথাই শুধু কইতে চাইছি।

আপনারে ধন্যবাদ।
১২ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:৪৪

লেখক বলেছেন: এই পোস্টের গন্তব্য পরিস্কার, এদেশের ন্যাশনালিস্ট পোস্ট ন্যাশনালিস্ট বুদ্ধিজীবীতার মইধ্যে যে কিম্ভূত দৈত্যের মত ফ্যাসিবাদিতা গেঁড়ে আছে তার স্বরূপ দেইখা অভিভূত হওনের প্রতিক্রিয়া।

আমি এখানে রেহনুমাকে খণ্ডিত আকারে নয়, তার বুদ্ধিজীবীতা নারীবাদ হাবিজাবি এইসবের উল্টা পাতায় কী কাজ করে, ব্যাপারটা পর্যবেক্ষণে আগ্রহী।

গুরুতর তাত্ত্বিক স্খলন তখনই ঘটে, যখন নিজের ঘোষিত ভিত্তিমূলে নিজেই আঘাত করে, এবং অইটারে বিনাশ কইরা মিক্সড ফিলিংস এর কথা কয় রেহনুমা। তাত্ত্বিকতা আর অন্য এন্টিটির দূরত্ব আমার কাছে নেই বললেই চলে, যেইটারে আপনি গুরুত্বপূর্ণ ঠাওরেছেন।

কথার রাস্তা খোলা থাকুক। এবং কর্মের রাস্তাও।

অনেক ধন্যবাদ মাহবুব ভাই।

৫২. ১১ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৪০
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: আলাপচারিতার রসময়তায় যে উদারবাদী সংবেদী পুংবাদীতার শোল মাছটা বারবার লাফ দিয়ে উঠছে সেটাকে রেজিস্টার করে কথা শুরু বরং। আশাকরি তর্কে অংশগ্রহণকারী পুরুষ ব্লগারগণ আবার কোস্তাকুস্তি শুরু করবেন না যে তিনিই শ্রেশ্ঠ সংবেদী নারীবাদী পুরুষ। ফলে আলোচনায় মাথায় রাখা দরকার যে বিশেষ নারীত্ব নিয়ে আমাদের তর্কাতর্কি সেটা পুরুষেরাই আলোচনা করছেন। প্রসঙ্গটা উঠালাম কারণ এর কিছু গুণগত ভিন্নতা আছে। তারমানে আবার এও নয় নারী পুংবাদী হতে পারেন না।

দেখা যাচ্ছে যে নিজ নিজ বোঝাপড়া নিয়া অনেকেই বয়ান দিলেন। এবং প্রত্যেকের(নিজেরটা সহ বলছি) বয়ানই সাবজেক্টিভ, পজিশনাল এবং আবশ্যিকভাবে রাজনৈতিক। তবে মজার বিষয় হইল জ্ঞানত্ত্বীয়ভাবে অনেকেই আর একটু সংবেদী কৌশলগত মানবতা, জাতীয়তাবোধ, নারীবাদী অবস্থান থেকে কথা বলছেন। অনেকে আবার পুরান পথ 'অনুভূতি' র দিকে হাঁটা দিলেন। কিন্তু লক্ষ্যনীয় বিষয় হইল যে প্রগতিবাদী চিন্তা, তাড়ণা, বিশ্ষেষণ এক্ষেত্রে কাজ করছে সেটার একটা ঔপনিবেশিক ঐতিহ্য আছে। তো এখন সেইটারে খুইজা বাদ দিয়া "বিশুদ্ধ" হইতে হইব? না, বাদ দেওন যে সম্ভব না সেটা নিয়া আমার দ্বিমত নাই কিন্তু সচেতন হওয়া সম্ভব এইটা মনে করি।

দেশের বুদ্ধিজীবিদের কাছে আমাদের প্রত্যাশা এই জিনিস চোখে পড়ল লেখকের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। এরপর অনেকের মধ্যেই। তাইলে ফালাফালির কারণ কি? কারণ বুদ্ধিজীবিতার রাজনৈতিক অর্থনীতিতে "রেহনুমা আহমেদ" আইকনিক। তার কওনের সাথে মত দ্বিমতের গল্প আছে। তারে খারিজ বা গ্রহণ করতে হয়। তারে উপেক্ষা করলেও কইতে হয়। যেমনটা অনেক সকল আইকনের গ্রাহকেরা করে থাকেন। যার যার গুরুবাদীতা জিন্দাবাদ।

আলোচনা থেকে যে প্রশ্নটা প্রথমে মনে হইল তা হল
১/১১ এর আগে কি কোন রাজনৈতিক জেন্ডার্ড নিপীড়ণ হয় নাই? নিশ্চই হইছে। তাইলে খালেদা আর তার ছেলে নিপীড়ণ নিয়া এত মাতামাতি ক্যান? কারণ তারা আইকন। অবশ্যই এলিট আইকন। এই এলিট আইকনকে ঘিরে আমাদের এই পক্ষ তো সেই পক্ষ খেলাধুলা। "আমাদের" জাতীয় পরিচয়ের সম্পৃক্তি ও বিযুক্তি। যার সাথে খেলা করে শ্রেণী, সুযোগ, এজেন্সীশীপ। আমাদের পক্ষবিপক্ষ।

রেহনুমার লেখার সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং দিকটি বোধহয় এইটা যে ; "মানবতা"র কোন নির্দিষ্ট একশীলিভূত আকার নাই। তিনি একদিকে যে প্রিন্সিপাল মেনে চলেন আবার সেইটারে খারিজও করেন। খোঁচান বা ইংগিত করেন অন্য প্রসংগের দিকে।
ফলে সেই অর্থে এই লেখা প্রবল বৈপরীত্যমূলকতায় পরিপূর্ণ। ফলে কারো কাছে এই অংশ খুবই সত্য তো অন্য অংশ না। কেউ এর রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত বোধ করেন তো বিপরীত অবস্থান বোধ করেন। কেউ মাঝামাঝি বা অন্যকিছু।
তাহলে প্রথাগত ঐক্যমূলক প্রগতিবাদ আমাদের কি ধারনা দেয়? দেয় যে পরিশেষে সকলের জন্য মঙ্গলজনক, নিরপেক্ষ মানবতা থাকতে হইব। রেহনুমার লেখা যে এজেন্সীর কথা বলে তার বিপরীত পক্ষ সেই মানদন্ডে মাইপা কইব সে ফ্যাসীবাদী। মজার বিষয় হইল এই পুরা লেখা আমার পাঠে খন্ড খন্ড। পরিস্থিত এবং তার নিজ সম্পৃক্তি নিজের মত কইয়া বয়ানকারী, এবং একই সাথে "দেশের' কথা বলা। তাইলে এই লেখার কি রাজনৈতিক এজেন্সীশীপ নাই? আছে, না পইড়াও কইতে পারি আছে, তবে এখন পইড়া কইতাছি যে আছে।

১. খালেদার মাতৃত্বরে বেরাজনৈতিকভাবে পাঠ করে কেবল একটা সংবেদন অনুভূতি দিয়ে দেখতে উনি চান না।
২. মানুষ যদি নিজের এজন্সীর প্রতি সৎ থাকে তাইলে সে তার অনুভূতিরও দৃঢ় প্রকাশক হইব। তাই তার কাছে তারেকের বেদনা কোন সমবেদনা জাগায় না। যদিও প্রগতিবাদী ভালো ভালো অবস্থানে এসব কথা কওন "ঠিক" না। অনুমান করি তিনি এর সাথে আরো যুক্ত করতে চান যে সিএনজি ড্রাইভারের অনুভূতির তার কাছাকাছি।
৩. ফলে তার বিবেচনা ও সকল এজেন্সীশীপ সমেত তিনি বক্তব্য প্রকাশ করেন
৪. একটা তীব্র বক্তব্য হাজির হয় সবসময়ই যে নারী নানাভাবে নির্যাতিত। কিন্তু খালেদার নির্যাতনে তিনি খুব আলোড়িত হন না। (যদিও প্রত্যাশিত যে সচেতন বুদ্ধিজীবিমাত্রই আলোড়িত হবেন)। যদিও বাস্তবতা বলে যে পরিস্থিতি মত অনেক বুদ্ধিজীবিই অনেক কথা এড়িয়ে যান। মাঝে মাঝে তিনিও এটা করেন। আসলে সবাই করেন। (এইটারে মেথডিক্যালি দেখাও দরকার, ফাঁকা আবেগ দিয়া না)।
.......................................

এইসব আরো অনেক কিছু কওন যায়তো.... এখন আর ইচ্ছা করতাছে না। তবে কয়েকটা কৌতুহল. বিশেষত রাসেল........, মোর্শেদ, আর আপনার কাছে...পি, উম্মের কাছেও (নিরপেক্ষ হইতে চাইতাছিনা, অনেকের আলাপ শুনতে চাইতাছি)
১. কোন কিছুরে যদি সামষ্টিকতা দিয়া মোকাবিলা করতে হয় তাইলে কি করা যাইতে পারে?
২. বহু পথ ,ভিন্নতা আর এজেন্সীশীপ থাকবই কারণ আপনারা সবাই জ্ঞাত...(অজ্ঞাত হবার ফ্যান্টাসীতে ভুগিনা) তাইলে আধুনিকতা ডিসকোর্সের বহুকিছুর একচ্ছত্র ক্ষমতা যেমন রাষ্ট্র, কর্পোরেট এগুলারে ক্যামনে ডিল করবেন?
১২ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:১৮

লেখক বলেছেন: কোন কিছুরে যদি সামষ্টিকতা দিয়া মোকাবিলা করতে হয় তাইলে কি করা যাইতে পারে?-

এই ব্যাপারটা বুঝতে পারি নাই। দ্বিতীয়টা ব্যাপক পরিসরের প্রশ্ন বা কৌতুহল, আপাতত এই ছোট পরিসরে আলোচনা অসম্ভব। যদি আপনার ইচ্ছে থাকেতো, আপনার কথাগুলো বয়ান করুন।

এজেন্সি এবং সাবজেক্ট নিয়ে আপনার আগ্রহের অন্ত নেই, কিন্তু আমার আগ্রহ ঐ এজেন্সির ভিতরে ঘাপটি মেরে থাকা ফ্যাসিবাদিতা- যা রেহনুমার লেখায় প্রকাশিত এবং বয়ানিত।

ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

৫৩. ১২ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৩৮
মুসতাইন জহির বলেছেন: মাহবুব সাহেব, আপনার কথাটা ঘোরালো মনে হইছে এবং পরিস্কার কোন ধারণা করতে পারি নাই।

আপনাকে আবারও বিশদ করার অনুরোধ। আলোচনাটা অবশ্যই চালানো দরকার, আমি নিজে তা আন্তরিকভাবে চাই।
১২ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:১৯

লেখক বলেছেন: আলোচনাটা অবশ্যই চালানো দরকার

৫৪. ১২ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:৪১
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: জহির সাহেব,
আমার কথা আপনে বুঝতে পারেন নাই, বা বুঝার আগ্রহ পান নাই সেটা ঠিক আছে কিন্তু ঘোরালো প্যাঁচালো ইত্যাদি শব্দ আসে কোত্থিকা?
আপনার ধারণা পরিষ্কার করার কোনো আগ্রহ আমার নাই।
আলোচনা চালানোর জন্য আলোচনা আমি করি না। আপনে করলে করেন।
১২ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:২৬

লেখক বলেছেন: মাহবুব ভাই, কারো কাছে আপনার মন্তব্য পরিস্কার না মনে হতেই পারে- জহির ভাই তো বলেইছেন তিনি পরিস্কার ধারণাটা পেতেই আন্তরিকভাবে আলোচনাটা চালিয়ে যেতে ইচ্ছুক।

আপনাদের কথাবার্তায় হাত ঢুকিয়ে দিলাম- স্যরি।

৫৫. ১২ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৮
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: রিফাত ভাই, তারপরেও আমি বলব রেহনুমার সীমাবদ্ধতা ভন্ডামির পর্যায়ে পড়ে না। গাফফার চৌধুরী যেখানে দিবালোকের মত সত্যকে মিথ্যা বলে চালিয়ে দেন, আবেদ খান সহ আরো অনেক কলামিস্ট যেখানে আওয়ামীদেরকে সারা জীবন ভোটের রাজনীতিতে অগ্রগামী মনে করে, সেখানে আলাদা করে রেহনুমাকে কোন তকমা আমি লাগাতে চাই না।

১৩ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৯

লেখক বলেছেন: আপনার এই কথাটা সম্ভবত আমি বুঝতে পারি নাই।

৫৬. ১৪ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:৫৬
রাজর্ষী বলেছেন: রেহনুমা টরচার এর বিপক্ষে প্রাইমারী স্ট্যান্ড নেওয়ার পরেও কেন তারেকের টরচার দেখে সহানুভুতি জাগেনা সেটা বুঝা কি খুব কঠিন?
দুইটা বিষয় তো আলাদা। একটা আরেকটাকে প্রভাবিত করতে পারে কিন্তু এক আরেকটাকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রন নাও করতে পারে।
১. আদর্শিক অবস্থান।
২. ব্যাক্তিক অনুভুতি।

অনুভুতি স্থান, কাল, পাত্রভেদে আলাদা হতে পারে যদিও আদর্শিক অবস্থান একই।
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:১৩

লেখক বলেছেন: বেশ জটিল মনে হচ্ছে রেহনুমার অনুভূতি আর ইন্টেলেকচুয়ালিটির ফারাক! এত্ত সহজভাবে বুঝিয়ে দিলেন আপনি।- হাঃ।

৫৭. ১৪ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৯
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: স্যরি, সংক্ষিপ্ত মন্তব্যের জন্য। আমার মনে হল "ভন্ডামি" আর "ফ্যাসিবাদিতা" শব্দ দুটো রেহনুমার জন্য কড়া শব্দ হয়ে যায়। রেহনুমা নিজেই স্বীকার করেছেন টর্চারের বিরোধী হওয়া সত্ত্বেও তারেকের প্রতি নির্যাতন তাকে বিচলিত করে না।

এটার মধ্যে ভন্ডামি পেলাম না। তার সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তবে তা ভন্ডামি নয়।

এই আমেরিকাতে যারা গুয়ানতামো তে তালিবানদের উপর নির্যাতনের প্রতিবাদ করেছিলেন তারা নির্যাতন বিরোধী অবস্থান থেকে প্রতিবাদ করেছিলেন, তালিবানদের প্রতি সমর্থন থেকে নয়। সেরকম অবস্থান নিতে অনেকেই ব্যর্থ হন। রেহনুমাও হয়েছেন। এটাকে ভন্ডামি / ফ্যাসিবাদিতা বলতে চাই ছি না।
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:২০

লেখক বলেছেন: এতটা সরলভাবে দেখা সম্ভব নয়। নীচে পি মুন্সির একটা কমেন্ট আশা করি ব্যাপারটাকে পরিস্কার করেছে। ধন্যবাদ।

৫৮. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৮:৩০
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: সবশেষে একটি কথা না বললেই নয়। তারেকের নির্যাতন বিরোধী অবস্থান কিন্তু অনেক আওয়ামীই নিয়েছেন।

আমার পোস্ট টি দেখুন:

Click This Link


পরিশেষে সুন্দর আলোচনা এবং সেরকম আলোচনার পরিবেশ তৈরীর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:৩০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৫৯. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৮:৩৪
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: স্যরি, "আওয়ামী" নয়, হবে "আওয়ামী সমর্থক"
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:১৪

লেখক বলেছেন: ঠিকাছে।

৬০. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:৫৫
রাজর্ষী বলেছেন: জটিল করে ভাবলে বললে, একধরনের ভাব ছাড়া আর কিছুই পয়দা হয়না। ব্যাপারটা আসলে এত্ত এর থেকে বেশি সহজ।

আর হাঃ শব্দ দ্বারা কি বুঝাতে চাইলেন? আঁতেলেকচুয়াল আলোচনাতে কি এই শব্দ চলে? এটাকেওতো আরেকজন, বর্নবাদী আচরন হিসাবে বিশ্লেষন করে সা.ই. তে পোস্ট দিয়ে দিতে পারে।

১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৩

লেখক বলেছেন: আঁতেলেকচুয়াল আলোচনা এইটা নয়, আপনের ভুল ধারণা। হাঃ-এর কারণে কি রাগ করলেন? ক্ষমা চাহিয়তি!

৬১. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:২৭
পি মুন্সী বলেছেন: বেশ দেরি করে ফেললাম বোধহয়। তবু বিষয়টা জরুরী, তাই লিখছি।

প্রসঙ্গটা এবার তুলবো ব্যক্তি রেহনুমাকে নিয়ে নয়, আমাদের সবার কথা মনে রেখে। আর এমনিতেও আগে আমি একে ব্যক্তি রেহনুমার প্রসঙ্গ হিসাবে দেখিনি। এভাবে বলা যায়, ব্যক্তি রেহনুমার মধ্য দিয়ে আমাদের অনেকের চিন্তার অস্পষ্টতা এতে প্রকাশিত হয়ে পড়েছে। অন্যদের সাথে রেহনুমার তফাৎ এতটুকু যে রেহনুমা তা লিখে প্রকাশ করেছে। চিন্তার এই অস্পষ্টতাকে ভন্ডামি না বলতে চাইলেও তা মনের আনাচে লুকিয়ে থাকা ফ্যাসিবাদী ঝোঁক অবশ্যই। আবার চিন্তার অস্পষ্টতা এখনও আমাদের কেটেছে আমি নিশ্চিত নই। বিশেষত রাজর্ষী ও উম্মুর কথা যদি প্রতিনিধিত্ত্বমূলক বক্তব্য ধরি।

রাজর্ষী বলেছেন: রেহনুমা টরচার এর বিপক্ষে প্রাইমারী স্ট্যান্ড নেওয়ার পরেও কেন তারেকের টরচার দেখে সহানুভুতি জাগেনা সেটা বুঝা কি খুব কঠিন? আর উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: রেহনুমা নিজেই স্বীকার করেছেন টর্চারের বিরোধী হওয়া সত্ত্বেও তারেকের প্রতি নির্যাতন তাকে বিচলিত করে না।

নীতিগত অবস্হান বা প্রিন্সপল স্ট্যান্ড - এটা প্রাইমারী স্ট্যান্ড নয়, আদর্শিক অবস্থানও নয়। এমনকি কেউ দাবী করলো সে 'টর্চারের বিরোধী' - এথেকে স্পষ্ট হলো না এটা তার নীতিগত অবস্হান কী না। এই বিরোধীতা নীতিগত অবস্হানের কারণে কী না।

খুচরা নোট আকারে শুরু করছি।

১ নীতিগত অবস্হান বলার সাথে সাথে ঐ বিচার মাপকাঠি আর ব্যক্তি বিশেষের কথা মাথায় রাখতে পারে না। নীতিগত অবস্হান মানে ব্যক্তিকে নৈর্ব্যক্তিক করে ভেবে নিয়েই কেবল ঐ নীতি তার কথার প্রকল্প নিয়ে আগে বাড়তে পারে, কথা সাজাতে পারে। নীতিগত অবস্হান মানে তাই এক সার্বজনীন অবস্হা, নির্বিশেষে সবার জন্য, যে কেউ - এই ভাব বজায় থাকতেই হবে। নইলে তা নীতিগত অবস্হান বলার কোন মানে হয় না।

২ এটা প্রাইমারী স্ট্যান্ড নয়। প্রাইমারী স্ট্যান্ড নীতিগত ধরণের হতে পারে নাও পারে। প্রাইমারী স্ট্যান্ড আমরা এতটুকু বুঝতে পারি, যার ভিত্তিতে পরবর্তী অবস্হানগুলো (সেকেন্ডারী স্টান্ডস) দাড়ায়। তবে তা ব্যক্তিকে নির্বিশেষ করে নৈর্ব্যক্তিক করে দাড়ানো কী না তা উহ্য রেখেছে, স্পষ্ট নয়, করাটা ওখানে জরুরী নয়।
৩ নীতিগত অবস্হান এমনই যা আদর্শগত অবস্হানের সীমা ছাড়িয়ে উর্ধে সমান প্রযোজ্য হতে পারে। কোন এক আদর্শের বাইরে বা অন্য আদর্শে যার অবস্হান তাকেও ছুতে পারে, জায়গা করে দিতে পারে। কারণ নীতিগত অবস্হানের সীমানা আরো বড়। সে নৈর্ব্যক্তিক ও সার্বজনীন।
৪ কখনও কখনও নীতিগত অবস্হান বলে কোন কিছু উপধারাসহ (sub clause) রূপ হাজির হয়। সেক্ষেত্রে কথাটার মধ্যে সাপেক্ষে বা যদি- কিন্তু জাতীয় শব্দ ও অর্থ থাকে। তবে নীতিগত অবস্হান যদি বলে নেয় এই অবস্হানের মধ্যে যদি কিন্তুর কোন স্হান নাই তবে অবশ্যই তা সবচেয়ে শক্ত নীতিগত অবস্হান। রেহনুমা যেমন বলেছেন, there are no ifs and buts. কিন্তু এত শক্ত কথা তিনি বলবার চেষ্টা করেছেন বুঝা যায় তবে নিজেই কখন - yet I have no sympathy -এই yet ব্যবহার করে ফেলেছেন সেই অসততা তাঁর নিজেরই খেয়াল নাই। পরিণতিতে আবার সৎ হবার চেষ্টা করে বলছেন mixed feelings over torture । তাঁর মন যদি এখন মিক্স ফিলিং এর পর্যায়ে রয়ে যায় তো অসুবিধা কী? এটাকে থিতু না করে এখনই নীতিগত অবস্হান বলে বাগড়ম্বরা, মহান করতে টুকলিফাই শব্দে জাহির করতে গিয়ে সব ধরা খেয়েছে। প্রমাণ করেছেন, অবস্হান প্রকাশ দূরে থাক, একটা বাক্যের লজিক দাড় করানোর মত মনযোগী এখনও তিনি হতে পারেননি। অনেকে এটাকে বলে, 'আপনার কথা হয় না'।
এই পরিস্হিতিতে আমরা বুঝতে পারি রেহনুমা এখনও কোন নীতিগত অবস্হান নাই, তৈয়ার নন। ফলে রেহনুমা কী আসলেই নীতিগত নয় সাধারণভাবে টর্চার বিরোধী কী না আমরা জানি না। উম্মু আবদুল্লাহ ব্যবহারিক দিক থেকে নীতিগত অবস্হান বিষয়টা ঠিক বুঝেছেন বলে মনে করি।




১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

৬২. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:৪৪
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: রিফাত ভাই, এবার নূতন লেখা দিন। এটার আলোচনার মনে হয় ইতি টানতে পারি।

আশা করি আমার অনুরোধে কিছু মনে করবেন না।
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: নাহ, মনে করলাম না।

৬৩. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৫:৪৩
বিডি আইডল বলেছেন: কঠিন ঘ্যাণীদের কঠিন কঠিন বক্তব্য..মাথার উর্পে দিয়া গেছে
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৫৯

লেখক বলেছেন: সঠিক বলেছেন, মাথার উর্পে যাওনেই নিরাপদ হইছে।

৬৪. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:০০
রিফাত হাসান বলেছেন: আলোচনার সমাপ্তি ঘটল কি? সবাইকে ধন্যবাদ আলোচনায় অংশগ্রহণ করার জন্য।
৬৫. ২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:০৯
প্রতিদিন বলেছেন: এই পোস্টখানা চোখে পড়ে নাই এদ্দিন। ভালাই কইছেন রিফাত ভাই।

কিন্তু আমার একখান কথা আছে, ওয়েস্টের সেক্সুয়ালিটিতে বিপরীত লিঙ্গের নির্যাতনে মহার্ঘ সুখ লাভের একখান ব্যাপার- আপনে কি খেয়াল কইরা দেখছেন? তারেকের নির্যাতনে রেহনুমার এই সুখ অথবা মহানন্দলাভের মুহূর্তটারে আমার ঐ জায়গা থিকা মনে লয়। সেক্সুয়াল ব্যাফার-স্যাফার। টরচার্ড ইমেজ টিমেজ কিসসু না, ফালতু কেচাল সবটি।
২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩৭

লেখক বলেছেন: আলোচনার দেখি এখনো সমাপ্তি ঘটে নাই।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৪৭

লেখক বলেছেন: করেন।

৬৭. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৫২
নীতিশ বৈরাগী বলেছেন: না আপনে কখনোই আপনাগো কল্পিত ধুসর ক্ষেত্রের লোক না। আপনি বিএনপি/জামাতের লোক। আপনার কথার বটম লাইন তাই কয়। তো কথাটা বাকি পোস্টগুলাতে এইরকম স্পষ্ট কইরা কইলে হইতো না?

তাইলে আর আপনার ব্লগে টাইম খরচ করার দরকার পড়তো না।
৬৮. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১০ রাত ১১:১৮
আবদুল্লাহ আল জাফর মালেক বলেছেন: তারেকের জন্য কান্দে!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৫৪৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমরা কী দারুণ গল্পসভা কথা সাম্রাজ্যে ছিলাম
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ