আমার প্রিয় পোস্ট
- হাইব্রীড বীজ নিয়ে আশঙ্কা সত্যি হলো এবার 'সত্যিরা' ভয়াবহ আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ! - মনজুরুল হক
- দেখাদেখি বদলে যাওয়া... তাইলে কী বদলাইল? - ব্রাত্য রাইসু
- ভাস্কর্য বিতর্ক: কয়েকটি প্রশ্ন ও কিছু ফুটনোট - রিফাত হাসান
- ওপেনসোর্স সফটওয়্যারের জগতে আপনাকে স্বাগতম (অনেকগুলো সফটওয়্যারের বর্ননাসহ ডাউনলোড লিংক) - নাফিস ইফতেখার
- ডিভাইস ড্রাইভার (সমাপ্ত) - মাইক্রোকাতার
- খোদার কসম, এই রোদ্দুরে রেডিক্যাল হতে চাওয়া কাজের কথা নয়। বরং আমরা সুবিধামতো একটিভিস্টই থাকি। - রিফাত হাসান
- বিশ্বাসীদের অন্তর্ভূক্ত হবার আমন্ত্রণ: আমি কেন গ্রহণ করতে পারছি না প্রিয় সামহোয়ারইন - রিফাত হাসান
- উইন্ডোজ এর শম্বুক গতি -১
- আবুফয়সাল আহমেদ
- কার্ল মার্কস ও তথাকথিত প্রকৃতি বিজ্ঞান (Natural Science) - পি মুন্সী
- আ টরচার্ড ইমেজ: রেহনুমা আহমেদের ফ্যাসিবাদীতা, ভণ্ডামী ও একটি মিশ্র অনুভূতির থিওরি, তারেক রহমান ও তার মায়ের অপরাধ ও শাস্তি এবং আমাদের নারী ভাবনা - রিফাত হাসান
- একটি প্রাথমিক আলোচনার খসড়া: জামাত, জামাত বিরোধী রাজনীতির বিষয় আশয় ও যুদ্ধাপরাধ রাজনীতি - রিফাত হাসান
- জামাত রাজনীতির রাজনৈতিক বিচার - পি মুন্সী
- আমার নাস্তিকতা, মিথ্যা কথার বয়ান এবং একটি সাদা রঙের মেঘ - রিফাত হাসান
- কিছু আলটপকা ভাবনা, কিছু জরুরী আলাপ - রিফাত হাসান
- ফাহমিদুল হকের বহুলপঠিত একটি পোস্ট এবং ব্লগের লিখিয়েরা: একটি পর্যবেক্ষণ - রিফাত হাসান
- ইসরাইল - অপ বাক
- 'আমি আরব গেরিলাদের সমর্থন করি' ১ - ফারুক ওয়াসিফ
- নারীর সমানাধিকার নীতি, ষড়যন্ত্রতত্ত্ব ও বাঙালি মুসলমানের গৃহবিবাদ - মাহবুব মোর্শেদ
- চড়ুই পাখির নকশা! - ফারজানা মাহবুবা
কথা নিয়ে খেলতে খেলতে আমরা কোথায় চলে গেছি! আমাদের ফিরে আসার বোধ জাগলো যখন, ফিরে আসা সহজ হলো না

আ টরচার্ড ইমেজ: রেহনুমা আহমেদের ফ্যাসিবাদীতা, ভণ্ডামী ও একটি মিশ্র অনুভূতির থিওরি, তারেক রহমান ও তার মায়ের অপরাধ ও শাস্তি এবং আমাদের নারী ভাবনা
০৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৭
I AM against torture. Nothing justifies torture. This is a principled stand, there are no ifs and buts.
আ টরচার্ড ইমেজ: রেহনুমা আহমেদ, New Age on 26th June 2008
রেহনুমা আহমেদের ফ্যাসিবাদীতা, ভণ্ডামী ও একটি মিশ্র অনুভূতির থিওরি
রেহনুমা আহমেদের লেখা আমি খুব আগ্রহভরে পড়ি, নৃবিজ্ঞানে আমার আগ্রহ, একই সাথে নারীবাদের গলি ঘুপচিগুলোতে তাঁর স্বর এবং সক্রিয়তাগুলো দৃষ্টি আকর্ষণীয় বলে। গতকাল আমার কাছে একটা মেইল আসে, ওয়ার্ডপ্রেসে শহীদুল ব্লগে প্রকাশিত রেহনুমার একটি লেখার লিঙ্কে ইনভাইট করে, যেটি ২৬ জুন ২০০৮ তারিখে নিউএজ পত্রিকায় উপসম্পাদকীয় বিভাগে ছাপা হয়। আমি তৎক্ষণাৎ লেখাটি পড়ি, পড়ে, কিছুক্ষণ নির্বোধের মত দাঁড়িয়ে থাকি। তারপর বসে পড়ার সময় যখন হয়, বিবমিষা জাগে।
রেহনুমা লেখাটি শুরু করেছেন একটি প্রিন্সিপলড স্ট্যাণ্ড ঘোষণা এবং সাথে সাথে সেই প্রিন্সিপলড স্ট্যাণ্ডকে দলিত করেছেন কিছু প্রিজুডিস এবং ফ্যাসিবাদী গোঁড়ামী দিয়ে। লেখাটির সারকথা হলো, টরচার ব্যাপারটা কখনোই সমর্থনযোগ্য নয়, কিন্তু সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমানকে রিমাণ্ডে নিয়ে সব হাড়-গোড় গুঁড়ো করে দিলেও এতে তাঁর অনুভূতিতে লাগে না। ''I am against torture. I have always been against torture, and yet I have no sympathy for Tarique Rahman who, in all likelihood, is now a victim of torture."। এই ব্যাপারে তার বরাত হলো, সিএনজি ড্রাইভার, রিকসা ড্রাইভার, তরকারী বিক্রেতা, পাশাপাশী নিজের ভিতরে বিরাজমান ঘৃণা বা আবেগ। এইটারে রেহনুমা মিশ্র অনুভূতি নাম দিয়ে তত্ত্বায়িত করতে চায়।
What concerns me more is our mixed feelings over torture. (প্রাগুক্ত)
আমার বিবমিষার কারণ হলো, তারেক রহমান বিষয়ে একজন আওয়ামীলীগ নেত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামীলীগ নেতাদের ফ্যাসিবাদী গালাগাল আর রেহনুমার মিশ্র অনুভূতি (mixed feelings)র থিওরির ভাষা এক এবং লক্ষ অভিন্ন গন্তব্যে যায়। বাঙালী জাতীয়তাবাদ নামের কিম্ভূত দৈত্যের ভাষা এবং বয়ন, যা আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে ফ্যাসিবাদী রূপ ধারণ করেছে, তার সাথে রেহনুমার এই অন্ধ অপ্রগতিশীল আত্মীয়তা, রেহনুমার ব্যাপারে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে।
রেহনুমার বোধ-বুদ্ধিতে কি এটা ধারণ করার ক্ষমতা আছে, যে, সিএনজি ড্রাইভারদের বরাত দিয়ে ক্লাস কনশাসনেস বুঝাতে হলে কিছু না গিলে, স্বাভাবিক অবস্থায় সম্ভব না। বহুত মানুষতো ক্রসফায়াররে ভালা এবঙ জরুরী কাম মনে করে, বহুত লোওয়ার ক্লাস। তো এই ফ্যাসিবাদরে কি ক্লাস পলিটিকস বলে জাহির করন সম্ভব? তাই করতে চান রেহনুমা?
একটি কথা মনে পড়ে , রেহনুমার সাথে কোন একদিন দেখা হয়েছিল আমার। চট্টগ্রামে আমার কিছু পরিচিত বন্ধু তারেক মাসুদের মাটির ময়না ছবিটি নিয়ে একটি ঘরোয়া আড্ডার আয়োজন করেছিল, তারেক ছিলেন, হঠাৎ রেহনুমা আসলেন কোত্থেকে খবর পেয়ে। চট্টগ্রাম এসেছিলেন কোন একটা কাজে হয়তো। তো অই অনুষ্ঠানে মুক্ত আলোচনা পর্বে রেহনুমা মাটির ময়নার ব্যাপারে যে অভিযোগটি করলেন সেটি হলো, এখন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের এই সময়ে মাটির ময়না- যেটিতে মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থা এবং মৌলবাদ বিষয়ে মার্কিন ডিসকোর্সের সমর্থন আছে, তার ফলে সন্দেহ তৈরী হয়। মাটির ময়না বিষয়ে যদিও আমি আরো অন্যভাবে চিন্তা করতে ইচ্ছুক, রেহনুমার এই সুক্ষ্ম বিষয়ে কথা বলার আগ্রহটারে আমার পছন্দ হয়েছিল।
কিন্তু রেহনুমার ইন্টেলেকচুয়াল অরিয়েন্টেশন এবং প্রতিবেশে যে ফ্যাসিবাদ গেড়ে আছে, তার বুদ্ধিজীবীতার আড়ালে যে আওয়ামী দলবাজিতা, তার খবর পাইনি আগে, আর তার প্রকাশ এমন ভালগার দলীয় ও আওয়ামী স্টাইলে ঘটবে, সেটিও ভাবতে পারিনি। একজন বন্ধুর মন্তব্য হলো, এটি হইলো পোস্ট বেঙ্গলি নেশনালিস্ট এক কিম্ভূত রেহনুমা, জাহেলিয়াতে আচ্ছন্ন- যে বোগাস নারীবাদী, যার সমস্ত কাছার কাপড় ঐ এক লেখায় খুলে পড়েছে সবার কাছে।
তারেক রহমান ও তার মায়ের অপরাধ ও শাস্তি এবং নারী ভাবনার নতুন প্রেক্ষিত
![]()
বেশ কিছুদিন আগে, ''ফাহমিদুল হকের বহুলপঠিত একটি পোস্ট এবং ব্লগের লিখিয়েরা: একটি পর্যবেক্ষণ'' শিরোনামের আমার অবজার্বেশনে ব্লগীয় পরিসরে নারী ব্লগারদের সাথে আলোচনায় অংশগ্রহণের পরিবর্তে তার নারীত্বের ফেনোমেনাগুলোকে মতামত প্রতিষ্ঠার উপাত্ত হিশেবে ব্যবহার এবঙ তার উপর হামলা করার প্রবণতাটারে ফ্যাসিবাদী বলে উল্লেখ করেছিলাম।
এখন সেই আলোচনাটাই জাতীয় পরিসরে প্রাসংগিক মনে হচ্ছে আবার। যদিও তার রূপ অন্য।
খুলেই বলি।
সাম্প্রতিক সময়ের প্রভাবশালী দার্শনিক মিশেল ফুকো তার ডিসিপ্লিন এণ্ড পানিশ: দ্য বার্থ অব প্রিজন গ্রন্থে দেখিয়েছেন কীভাবে রাষ্ট্র অপরাধী এবং তার শরীরকে ব্যবহার করেছে ক্ষমতা এবঙ বৈধতা নির্মাণের জন্য, এই জায়গায় দাঁড়িয়ে তিনি প্রশ্ন করেছেন বন্দীর বিমানবীকীকরন এবঙ তার নির্যাতনের প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্যকে। এইটা একটা প্রশ্ন বটে।
তার সাথে সঙযুক্ত প্রশ্ন হলো, নারীবাদ তারেক রহমানের উপরে এই নির্যাতন প্রক্রিয়াকে কীভাবে দেখবে? এইটা কি কোনভাবে নারীবাদের সাথে সঙস্লিষ্ট?
আমি যে পর্যবেক্ষণটির কথা বলছি, সেটি বলে, তারেক রহমানের উপরে এই নির্যাতনের গুরুতর সংযোগ আছে নারীবাদের সাথে, সেইটা বুঝা খুবই দরকারী বিষয় এখন আমাদের কাছে। জানুয়ারী ২০০৭ এর পর এই নতুন পরিপ্রেক্ষিত তৈরী হয়েছে বাংলাদেশে, যখন একটি গণবিরোধী সরকারের লেজিটিমেসির প্রশ্ন আসলো। এইটা শুধূ ফুকোর ক্ষমতা ও লেজিটিমেসির প্রশ্ন নয়, নারীবাদের ভিতরের প্রশ্ন।
কীভাবে?
জানুয়ারী ২০০৭ এর পর দৃশ্যমান যে প্রপঞ্চটি আমাদের সামনে হাজির, একটি গণ বিরোধী সরকার তার লেজিটিমেসির জন্য দুই জন নারীর শরীরের উপর যেরকম নির্ভরশীল, আর কোন কিছুর উপর তেমন টি নয়। এটা শুরু হলো, সেই দুজন নারীর শরীরটারে বিদেশে চিকিৎসার অজুহাতে, সীমান্তের ওপারে বাহির করে দিয়ে দেশান্তরী করার চেষ্টার মাধ্যমে, প্রাচীন গ্রীকের মতো। এবঙ তার পরিপ্রেক্ষিতেই নারীবাদের পপুলার ডিসকোর্সগুলোর রূপান্তর শুরু হল নারী এবঙ পুরুষের ইকুয়াল ইমপ্রিজনমেন্ট এবঙ শাস্তি ঘোষণার মাধ্যমে। ইকুয়াল রাইট- রাষ্ট্র যখন তার প্রবক্তা,- শাস্তি এবং নির্যাতনের জেণ্ডারড রূপ এখান থেকেই শুরু।
এখানে, এই জায়গা থেকে বুঝতে পারা সম্ভব, জানুয়ারী ২০০৭ এর পর নারীর উপরে যে নির্যাতন সেটি কতটা জেন্ডারর্ড রূপ পেয়েছে। এই প্রেক্ষিতে, ভেবে দেখা যাক, খালেদা জিয়ার উপর রাষ্ট্রের নির্যাতনটা কীরকম?
এটা বাস্তবিকপক্ষেই একজন বাঙলাদেশী নারীর জন্য না ভাবাটা এবঙ উপলব্ধি না করাটা কঠিন যে, খালেদা জিয়ার পানিশমেন্টের জেণ্ডারড রূপটা কতটা পাশবিক । প্রত্যেক বাঙলাদেশের নারী জানে, এটা কেমন নিষ্ঠুরতা যে, একটি গণবিরোধী সরকারের লেজিটিমেসি দিতে বাধ্য করার জন্য তার সকল পুত্র-পরিবার গ্রেফতার হয়েছে এমনকি কোনপ্রকারের জামিনের অধিকার ছাড়া। কিন্তু সেটাই সব নয়, আরো আছে। বাঙলাদেশের মায়েরা কীভাবে এই দৃশ্যটি সহ্য করবে যে, একজন রাজনীতিবিদ এবং একটি মা দীর্ঘ সময় অন্তরীন থাকার পর তার মুমূর্ষ সন্তানকে কোর্টে দেখতে পায় এবঙ তার প্রথম সন্তানের স্পাইনাল কর্ড বেঁকে যাওয়ার সংবাদই শুধু শুনে না, চিরপঙ্গু হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনার কথা শুনতে হয়। এবং এটার একমাত্র উদ্দেশ্য হলো, ছেলেদের জিম্মি করে, যেটি হল নারীত্বের অনিবার্য অনুভূতি, গণবিরোধী সরকারের লেজিটিমেসি আদায় করা। এটি একজন নারী নেতৃত্বের প্রতি নিষ্ঠুর, চরম এবঙ জেণ্ডারড পানিশম্যাণ্ট।
(চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর আনোয়ারা বেগমের ঋণ স্বীকার করে)
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): politics, feminism, politics of feminism, torture, torture of Tarique Rahman, fascism, Bengali nationalist, rehnuma ;
ইউনুস খান বলেছেন:
এটা বাস্তবিকপক্ষেই একজন বাঙলাদেশী নারীর জন্য না ভাবাটা এবঙ উপলব্ধি না করাটা কঠিন যে, খালেদা জিয়ার পানিশমেন্ট কতটা জেণ্ডারড রূপ নিয়েছে। প্রত্যেক বাঙলাদেশের নারী জানে, এটা কেমন নিষ্ঠুরতা যে, একটি গণবিরোধী সরকারের লেজিটিমেসি দিতে বাধ্য করার জন্য তার সকল পুত্র-পরিবার গ্রেফতার হয়েছে এমনকি কোনপ্রকারের জামিনের অধিকার ছাড়া। কিন্তু সেটাই সব নয়, আরো আছে। বাঙলাদেশের মায়েরা কীভাবে এই দৃশ্যটি সহ্য করবে যে, একজন রাজনীতিবিদ এবং একটি মা দীর্ঘ সময় অন্তরীন থাকার পর তার মুমূর্ষ সন্তানকে কোর্টে দেখতে পায় এবঙ তার প্রথম সন্তানের স্পাইনাল কর্ড বেঁকে যাওয়ার সংবাদই শুধু শুনে না, চিরপঙ্গু হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনার কথা শুনতে হয়। এবং এটার একমাত্র উদ্দেশ্য হলো, ছেলেদের জিম্মি করে, যেটি হল নারীত্বের অনিবার্য অনুভূতি, গণবিরোধী সরকারের লেজিটিমেসি আদায় করা। এটি একজন নারী নেতৃত্বের প্রতি নিষ্ঠুর, চরম এবঙ জেণ্ডারড পানিশম্যাণ্ট।
লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন।
ইউনুস খান বলেছেন:
এটা বাস্তবিকপক্ষেই একজন বাঙলাদেশী নারীর জন্য না ভাবাটা এবঙ উপলব্ধি না করাটা কঠিন যে, খালেদা জিয়ার পানিশমেন্ট কতটা জেণ্ডারড রূপ নিয়েছে। প্রত্যেক বাঙলাদেশের নারী জানে, এটা কেমন নিষ্ঠুরতা যে, একটি গণবিরোধী সরকারের লেজিটিমেসি দিতে বাধ্য করার জন্য তার সকল পুত্র-পরিবার গ্রেফতার হয়েছে এমনকি কোনপ্রকারের জামিনের অধিকার ছাড়া। কিন্তু সেটাই সব নয়, আরো আছে। বাঙলাদেশের মায়েরা কীভাবে এই দৃশ্যটি সহ্য করবে যে, একজন রাজনীতিবিদ এবং একটি মা দীর্ঘ সময় অন্তরীন থাকার পর তার মুমূর্ষ সন্তানকে কোর্টে দেখতে পায় এবঙ তার প্রথম সন্তানের স্পাইনাল কর্ড বেঁকে যাওয়ার সংবাদই শুধু শুনে না, চিরপঙ্গু হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনার কথা শুনতে হয়। এবং এটার একমাত্র উদ্দেশ্য হলো, ছেলেদের জিম্মি করে, যেটি হল নারীত্বের অনিবার্য অনুভূতি, গণবিরোধী সরকারের লেজিটিমেসি আদায় করা। এটি একজন নারী নেতৃত্বের প্রতি নিষ্ঠুর, চরম এবঙ জেণ্ডারড পানিশম্যাণ্ট।
লেখক বলেছেন: আবার।
-----এবং এটার একমাত্র উদ্দেশ্য হলো, ছেলেদের জিম্মি করে, যেটি হল নারীত্বের অনিবার্য অনুভূতি, গণবিরোধী সরকারের লেজিটিমেসি আদায় করা। এটি একজন নারী নেতৃত্বের প্রতি নিষ্ঠুর, চরম এবঙ জেণ্ডারড পানিশম্যাণ্ট।
+++++
লেখক বলেছেন: ঠিক। ধন্যবাদ সহমত জানানোর জন্য।
বেরসিক বলেছেন:
স হ ম ত
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
আসলেই ক্রশফায়ারই সমাধান, অবৈধ টাকা খুজার নাম কইরা এগুলানরে শেষ করা ফেললে দেশের তেমন ক্ষতিবৃদ্ধি হইতো না।--
লেখক বলেছেন: ক্রশফায়ার-
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
আসলে দল বা তারেক কোন কথা না, একজন নিরীহ মানুষ, একজন বস্তির দোকানদার আর একজন তারেক রহমান, যেই হোক না কেন, অমানবিক টর্চার সমর্থনযোগ্য নয়।
লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন। ধন্যবাদ সহমত দেওয়ার জন্য।
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
একটা চমৎকার বিষয় নিয়ে এসেছেন।দেশে নারী অধিকার নিয়ে এত মাতামাতি হয়। আর গত একবছরে যে সরাসরি শক্তিপ্রয়োগ করে দেশের রাজনীতি থেকে মুল নেতৃত্বের দুজন নারীকে ছেটে ফেলার প্রচেষ্টা অব্যহত আছে, এটা কি নারীদের প্রতি বৈষম্যের গন্ধ বয়ে নিয়ে চলে না?
লেখক বলেছেন: সেটাই। আর নারীকে মানসিকভাবে নির্যাতন করা হচ্ছে সন্তানকে পণবন্দী করার মাধ্যমে। যেইটারে আমরা জেণ্ডারড পানিশমেন্ট বলছি। খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রে যেইটা খুবই দৃশ্যমান। ভয়ঙ্করভাবে।
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
সবকিছূই খুব স্থুলভাবে হচ্ছে। সোজা বাংলায় মধ্যযুগীয়। তবু সেটাকে বৈধভাবে চিন্তা করতে আমরা নানা উপায় বাধ্য হয়ে বের করছি। অবশ্যই ডান্ডার ভয়ে। এই একুশ শতকে এসে এমনটি দেখে সভ্যতার এগিয়ে যাওয়া নিয়ে সন্দেহ জাগে। জীবনে চলার পথে চিন্তাধারা পরিবর্তিত হয়ে যায়।
লেখক বলেছেন: একুশ শতক কি চুড়ান্ত কিছু? আর এই বৈরীতা সব সময়েই থাকবে, তার রূপ পরির্তন করে। আমাদেরও যেটা দরকার, সঠিক সময়ে সঠিক রাজনীতিটা বুঝা, সতর্ক থাকা।
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
ঠিকই বলেছেন।
লেখক বলেছেন: আর একটা ব্যাপার খেয়াল করেছেন? নির্বাচন- জরুরী অবস্থার স্বাভাবিকতায়, মানুষকে একটা জ্ঞান তৈরী করে দেওয়া যে, সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে- মানুষ ভোট দিয়েছে- আওয়ামীলীগরে ভোট দিয়েছে মানুষ। কথা হলো, মানুষ আওয়ামীলীগরে ভোট দিয়েছে, এইটা প্রমাণিত হয় কি এই নির্বাচনের দ্বারা? একমাত্র আওয়ামীলীগই জরুরী অবস্থার স্বাভাবিকতায় নির্বাচন করতে রাজী হয়েছে, সরকারকে প্রয়োজনীয় লেজিটিমেসি দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তার নেত্রী, বিএনপি এবং অন্যান্য দলগুলো নয়, তারা দলীয়ভাবে অংশগ্রহণ করে নি কোথাওই। যেখানে প্লেয়ার আছে একজনই, সেখানে বিনা প্রতিদ্ধন্ধিতায় নির্বাচিত হলেও এর কোন রাজনৈতিক গুরুত্ব নেই।
কথামালা বলেছেন:
ফ্যাসিবাদ'
প্রসঙ্গ তোলার জন্য ধন্যবাদ । তয় এই ফ্যাসিবাদের মধ্যে আমরা সবাই মনে হয় বাধা পড়েছি । একটু ভেবে দেখুন বিচার-আইন বহির ভূত এত যে ঘটনা এই সরকার কিংবা পূর্বের সরকার গুলো ঘটাইছে ( যেমন ক্রশফায়ার) আমরা কি কিছু বলেছি ।
লেখক বলেছেন: বলেছি এবং বলা দরকার।
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন:
খুব ভাল লেগেছে। তবে রেহনুমার আর্টিক্যালের লিংক না থাকায় লেখাটি বুঝতে অসুবিধা হয়েছে কোথাও কোথাও। ধন্যবাদ লেখাটির জন্য।
লেখক বলেছেন: নিউএজের অফিসিয়াল সাইটের আরকাইভে গিয়ে নির্দিষ্ট তারিখের পত্রিকা সার্চ দিলে লেখাটা পাবেন। ধন্যবাদ মন্তব্য করার জন্য।
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন:
আপনার এই লেখার উপর পরে এসে মন্তব্য করব। তবে আবার বললাম, খুব সুন্দর হয়েছে লেখাটি।
লেখক বলেছেন: আবার ধন্যবাদ।
পাগল কবি বলেছেন:
আমি নারীবাদ বা ফ্যাসিবাদ ভাল বুঝি না। তবে এইটা বুঝি যে খারাপ লোকদের ছাইড়া দিলে তারা কখনো ভাল কাজ করবে না। টিট ফর ট্যাট কথাটা তো আর এমনি এমনি আসে নাই।এছাড়া মাইরের উপরে ঔষধ নাই কথাও অতীব খাটি কথা। যে অন্যের ক্ষেত্রে মানবাধিকার খাটায় না, তার ক্ষেত্রেও মানবাধিকার খাটানোর কোন কারণ দেখি না আমি। আমার মতে তারকে জিয়া না শুধু, বাকী সব কয়টারেই এমন মাইর দেয়া উচিত যাতে জীবনে আর দ্বিতীয়বার চিন্তা না করে দেশের ক্ষমতা হাতে নিয়া প্রশাসনের বারোটা বাজাইয়া সাধারণ মানুষের রক্ত শোষন কইরা নিজেদের ফায়দা হাসিল করার।
লেখক বলেছেন: আপনার এই মতামতের মূল্য আছে, সেটি এই জায়গায় যে, আপনে করাপশন চান না। কিন্তু করাপশন দূর করনের পদ্ধতির জায়গায় নয়।
পদ্ধতির জায়গায় কথা বলতে হলে ফ্যাসিবাদ, নারীবাদ- এইসবই বুঝতে এবং আমলে নিতে হবে। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ১/১১ র সৃষ্টি কি কোন মহৎ ব্যাপার বলে আপনি মনে করেন? মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
নীল লাল সবুজ বলেছেন:
আর একটা ব্যাপার খেয়াল করেছেন? নির্বাচন- জরুরী অবস্থার স্বাভাবিকতায়, মানুষকে একটা জ্ঞান তৈরী করে দেওয়া যে, সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে- মানুষ ভোট দিয়েছে- আওয়ামীলীগরে ভোট দিয়েছে মানুষ। কথা হলো, মানুষ আওয়ামীলীগরে ভোট দিয়েছে, এইটা প্রমাণিত হয় কি এই নির্বাচনের দ্বারা? একমাত্র আওয়ামীলীগই জরুরী অবস্থার স্বাভাবিকতায় নির্বাচন করতে রাজী হয়েছে, সরকারকে প্রয়োজনীয় লেজিটিমেসি দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তার নেত্রী, বিএনপি এবং অন্যান্য দলগুলো নয়, তারা দলীয়ভাবে অংশগ্রহণ করে নি কোথাওই। যেখানে প্লেয়ার আছে একজনই, সেখানে বিনা প্রতিদ্ধন্ধিতায় নির্বাচিত হলেও এর কোন রাজনৈতিক গুরুত্ব নেই। ঠিক বলেছেন। বরিশালে যা হয়েছে তা লজ্জার।
লেখক বলেছেন: জরুরী দিক। ধন্যবাদ।
পাগল কবি বলেছেন:
তারেক রহমান পঙ্গু হইলেও দেশের তেমন কোন ক্ষয়বৃদ্ধি হইবে বইলা মনে করি না। ইন ফ্যাক্ট পুরা দেশটাকেই পঙ্গু করার চেষ্টায় তারেক রহমানের যে বড় ভূমিকা ছিল, এইটা ওপেন সিক্রেট ব্যাপার। শেখ হাসিনারে ছাইড়াও সরকার ভুল করছে। ১/১১ যেই কারণেই হইয়া থাকুক, আমরা এর ফল হিসাবে রাজনীতির মধ্যে বড় একটা পরিবর্তন আশা করছিলাম। এবং বড় ছোট নির্বিশেষে সব কয়টা দুর্নীতিবাজের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি। কিন্তু এখন ঘুইরা ফিরা যে লাউ সেই কদু-ই আবার আসতাছে ক্ষমতায়।
সব কয়টাই পুরানা পাপী। আর এইবার এই পাপীগুলার মধ্যে আওয়ামীলীগ যে আগাইয়া থাকবে সেইটাই তো স্বাভাবিক। একে তো বিএনপির নিজেদের মধ্যেই হাজার রকম ভাঙ্গন। তার উপরে সর্বশেষে ক্ষমতাসীন দল হিসাবে তাদের দুর্নীতি অত্যাচারের কথাও তো মানুষ এতো তারাতারি ভুইলা যায় নাই। প্রহসনমূলক ভোটের প্রেক্ষাপট তৈরীতে তো পুরা বেলাইজ্জার মতোই কাজ কইরা গেছিল বিএনপি। তাদের সদিচ্ছার অভাব, এবং ক্ষমতা আকড়াইয়া থাকার বাসনার প্রেক্ষিতেই পরিস্থিতির দাবী অনুযায়ী ১/১১ আসছে।
রিফাত হাসান বলেছেন:
তারেক রহমান পঙ্গু হইলে দেশের ক্ষতি বৃদ্ধি হইবো কিনা, সেটি বিতর্কের বিষয়, এবং এখানে আলোচ্য নয়। আর, কারো ব্যাপারে কোন প্রিজুডিস গ্রহণ করা আমার এই পোস্টের গন্তব্যের সাথে খাপ খায় না।সেই সাথে এই কথাটিও বইলা রাখি, ১/১১র কোন স্বর্গীয় গন্তব্য এবং কারণ ঘটে নাই, তাই এর কনসিকোয়েন্সগুলোরে তার ভিত্তিতেই আলোচনা করতে হবে, সমালোচনা করার জন্য তৈরী থাকতে হবে। ইলেক্টিসিটি চলে গেছে অনেক্ষণ হলো, চার্জের বয়সও অনেক্ষণ হলো। পরে কথা হবে। ধন্যবাদ।
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন:
আপনার নৃবিজ্ঞানে আগ্রহ জাইনা ভালো লাগলো। কিন্তু আপনার স্বর যতটা বিশ্লেষী হওনের কথা তারচেয়ে বেশি ব্যক্তি ইমেজরে খারিজ করণের। রেপ্রিজেন্টশনাল রাজনীতির গল্পে এইটা অন্য এজেন্সীশীপ ও ঘারানার ইঙ্গিত দেয়। শিরোনাম চেইন্জ করতে পারেন।লিংক দেন। আপনার অভিযোগ বা তথাকথিত বয়ান যার সাপেক্ষে সেটা পইড়া বক্তব্য দেয়া কাজের হইব। আর আপনার বক্তব্য যে এজেন্সীর কথা কয় সেটা সেটাকে কিন্তু একভাবে প্রো-বিএনপিও কওন যায়। তারেক রহমান বা শেখ হাসিনার কান যে কোনটার জন্যই বেদনা বোধ করার যে তাগিদ তা এলিটিস্ট। হে হেজেমনি সেইটারে বৈধতা দেয় বা জ্ঞাত শিক্ষিত/ অশিক্ষিত জনের হুতাশ সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখে সেইটা আপনার বিশ্লষণে নাই। ফলে দেখা যায় যে আপনার উদ্দেশ্য যতটা রেহনুমা খারিজ আর আপনার ফুকো জ্ঞান জাহিরের ততটা পরিস্থিত বিশ্লষণের না। আপনি ফ্যাসিবাদের কথা বলেন, জেন্ডার্ড নিপীড়নের কথা বলেন কিন্তু এইটার এলিট রূপ দেখেন না। কেন হাসিনাখালেদাএরশাদের দু:খে জনগণ আন্দোলিত হইয়া কাঁদে এইরূপ প্রচারণার খোলাসা করেন না। গল্প কি শেষ পর্যন্ত আরেক জ্ঞাত শিক্ষিতের গুরুবাদী ঘরানাবাদী এলিট রাজনীতির নাকি?
লেখক বলেছেন: নিউএজের অফিসিয়াল সাইটের আরকাইভে গিয়ে নির্দিষ্ট তারিখের পত্রিকা সার্চ দিলে লেখাটা পাবেন। ধন্যবাদ মন্তব্য করার জন্য।
পরে কথা হবে।
লেখক বলেছেন: হাহা। আর কিছু?
লেখক বলেছেন: এত্ত কষ্ট করলেন কেনরে ভাই, শুধু একটা বিয়োগ চিহ্ণ দিলেই আমি বুঝে নিতাম, পুরা চা-র অক্ষরের একটি শব্দরে আপনি বানান কইরা আমাকে শুনাই দিলেন- সময় নষ্ট।
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন:
আলোচনা পড়ছি। কি বলব বুঝতে পারলাম না। এই নির্বাচনে প্রমান তো হল যে সরকারের দুর্নীতি দমন অভিযান জনগনের হৃদয়ে সাড়া জাগাতে পারে নি। সরকার তো এটা স্বীকার করে নিয়েছে।
লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন।
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন:
মাসুদ রানার কমেন্ট ভাল লাগল।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: হুমমম...
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন:
(একটা অফ টপিক কথা- শেখ হাসিনা আর খালেদা জিয়াকে আমার কখনোই নারী মনে হয় নাই। )
লেখক বলেছেন: সত্যি? ভাবনার বিষয়। হাহাহ।
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন:
(এদের দু'জনের একজনও যদি আসলেই নারী হইতেন, দুইজনেরই শাসনামলে একটু হইলেই জনগনের জন্যে 'নারী সুলভ মায়া'-র বহিপ্রকাশ আমরা দেখিতে পাইতাম। তাহা দেখি নাই। অতএব তারেককে পিটায়ে লাশ বানায়ে ফেললেও খালেদার জেন্ডার পানিশমেন্ট নিয়ে আমার মাথা ব্যাথা নাই
লেখক বলেছেন: (আমার মাথা ব্যথা)
লেখক বলেছেন: বাহ, তোমার তিনটা বিশাল কমেন্ট! ধন্যবাদ কমেন্ট করার জন্য।
রাজর্ষী বলেছেন:
ফা. মা. এর পয়েন্টটা গুরুত্বপুর্ন। এখানে জেন্ডার নাই।
লেখক বলেছেন: ঠিক? আপনি কনফার্ম?
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন:
জেন্ডার নাই এটা কি পুরো সত্যি? খালেদা জিয়াকে বিদেশ যেতে চাপ সৃষ্টির পেছনে তারেককে কি ইস্যু করা হয় নি? মাতৃত্বের ব্যপারটিকে তো ইস্যু করা হয়েছে। আমার তাই মনে হয়েছে। হতে পারে আমার ভুল হয়েছে।লেখক বলেছেন: জেণ্ডার নাই এটা কোন তত্ত্ব?
রাজর্ষী বলেছেন:
এ ধরনের তাত্তিক বিশ্লেষন কোন একটি বিষয়কে কেন্দ্রে নিয়ে আসে যা বাস্তবতার অন্য উপাদান গুলোর সাথে মিথস্ক্রিয়া বা সামগ্রিক দৃষ্টিভংগীকে অস্পষ্ট করে। যেমন,এখানে যদি আপনি শুধুমাত্র রেহনুমার বক্তব্যের অসামান্জস্যতা দেখাতে চান তাহলে, আপনি হয়তো পাবেন যে উনি আগে ঐ বলেছেন আর এখন এই বলছেন, আমি এ ব্যাপারে আগ্রহী নই।
আপনি যদি এখানে শুধুমাত্র জেন্ডার বিশ্লেষন করতে চান তাহলে "খালেদা জিয়াকে বিদেশ যেতে চাপ সৃষ্টির পেছনে তারেককে কি ইস্যু করা" এখানে জেন্ডার এর উপাদান পাবেন, আমি মানি।
কিন্তু বাস্তবতা হল এটা রাজনীতি, ক্ষমতার চলমান দ্বন্দ। এখানে মা না হয়ে যদি বাপ হত তাহলেও এভাবে চাপ সৃষ্টি হত।
আবার মা হয়ত অতীতে ছেলের ক্ষমতায়নে ভুমিকা রেখেছেন, নারীবাদ ঐ বিষয়কে কিভাবে দেখবে অথবা দেখবে না হয়ত, কারন ওখানেও জেন্ডার নাই।
সব বিষয়কে একসাথে ভাবলে অনেক তাত্ত্বিক বিষয়কে আলাদা ভাবে গুরুত্ব দেয়া যায় না।
লেখক বলেছেন: আপনার কথাগুলো ভাবনার, কিন্তু ফ্যাসিবাদ তখন এবং এখন কখনোই সমর্থন করার জিনিশ নয়। ধন্যবাদ আপনাকে।
রাসেল ( ........) বলেছেন:
রেহনুমা ২১শে জুলাই আরও একটা মজার লেখা লিখেছে, সেটারও একটা প্রতিক্রিয়া আশা করছিলাম, না কি এটা ব্যকডেট ফায়ার?কল্পিত মুক্তিযোদ্ধা তত্ত্ব, জাতিয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ, যা জামাত থেকে অর্থ সহায়তা গ্রহন করে এবং যার কেন্দ্রীয় অফিস জামাতের একটা নেতার ভাড়ায় চলে, এবং যেখানে শুধুমাত্র অনুরুদ্ধ মানুষেরা সেক্টর কমান্ডারদের যুদ্ধাপরাধের বিচার চাইতে আসে, এবং একজন রিফাত হাসান, যিনি একুশে টেলিভিশনের এই সাজানো নাটকটির কাছা খুলে ফেলেন ব্লগে-
তবে রেহনুমার এই লেখায় ঠিক যৌনতার রাজনীতি কিংবা মাতৃত্বের রাজনীতির অনুসন্ধানের সস্তা আবেগীয় উপস্থাপন- রেহনুমা আহমেদের নিজস্ব মতামত কিংবা মতবাদের সাথে ঐক্য কিংবা অনৈক্য নিয়ে আলোচনা নয়। বরং এখানে অহেতুক একটা বক্তব্য পেশ করবার প্রচেষ্টা এবং সেখানে আরও কিছু পরিচিত মুখ, আব্দুল্লাহর মাতা কিংবা ফারজানা মাহবুবা, তারা সবাই এই রিফাত হাসানের ভক্তা- তবে আমি নই, তাকে আমার সস্তা ভাঁড় মনে হয়, অনেক বাক্যের পরতে এবং অনেক বোরখার আড়ালেও তার লেখায় সেই ১৪০০ বছরের পুরোনো রাজনীতির পঁচা গন্ধটা নাকে লাগে।
তবে রিফাত হাসানের উপস্থাপনে প্রলেতারিয়েত, দ্বান্দিক বস্তুবাদ, এবং হ্যান ত্যান একটা ইসলামী সমাজতান্ত্রিক ভাববাদ আমাকে আনন্দিত করে, মক্কার খেজুর গাছের কাঁটা আর ক্যাকটাস চাবানো অনেকেই লিখে এখানে। রিফাত হাসাত কোট টাই টুপি পড়া নতুন সংযোজন এই যা।
লেখক বলেছেন: আপনাকে আমার ভাঁড় মনে হয় না।
লেখক বলেছেন: আর একটা কথা, কাউকে থার্ড সন বলতে আড়ষ্ট বোধ করি।
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
@রাসেল,রিফাত হাসানের বক্তব্যের সাথে আমিও একমত নই।রেহনুমা আহমেদ'কে ব্যাক্তিগত আক্রমন করা হযেছে বলে মনে হয়ছে।তাছাড়া উনি নারীবাদ'কে যেভাবে উপস্থাপন করেছেন,আমার ঠিক মনে হয়নি।কিন্তু আপনার বক্তব্যও তো একইরকম মনে হলো,আপনি তাকে অযথা ব্যাক্তিগত আক্রমন করলেন।আপনার বক্তব্য অনেকটাই পূর্বনির্ধারিত এবং এই পোষ্টের সাথে অপ্রাসংগিক।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ শিমুল আপনাকে।
রেহনুমা আহমদ বিষয়ে কিছুটা কঠিন স্বরে কথা বলেছি, এটার কারণ এই নয় যে, তাকে অপদস্ত করার ইচ্ছা। কাছা শব্দটা মূলত পুরুষকে উদ্দেশ্য করেই বেশী ব্যবহৃত হয়, মনের ভিতরে গুটি মেরে থাকা ফ্যাসিবাদী অংশের প্রকাশ অর্থে আমি ব্যবহার করেছি। রেহনুমাকে নারী হিশেবে ট্রিট করার চেয়ে চিন্তা ও তৎপরতা চর্চার কর্মী হিশেবে আমার এই পর্যবেক্ষণ। তারপরও জামাল ভাস্কর নামে একজন যখন এখানে এই বিষয়টারে সামনে নিয়ে পোস্ট দেন, আমার মনে হয়েছিল শব্দটা হয়তো অপমানজনক হয়েছে, কিন্তু অইটারে উইথড্র করলে বরং যেটা প্রতিষ্ঠিত হয় সেইটা হলো কাছা শব্দটা ব্যবহার কইরা আমি বর্তমান পোস্টে দ্বান্দ্বিক অবস্থান নিয়েছি।
নারীবাদকে আমি যেভাবে উপস্থাপন করেছি, আপনার কেন তা ঠিক মনে হয়নি, জানলে উপকৃত হতাম। আমারও বুঝার বিষয় আছে।
উপরের কমেন্টকারীর উত্তরে আপনার কথা এবং আমার জবাবটি যথেষ্ট মনে করি। কৃতজ্ঞতা।
রাসেল ( ........) বলেছেন:
হুমম আমার এই বক্তব্যটা অপ্রাসঙ্গিক এটা মেনে নিচ্ছি সানন্দে, তবে রিফাত হাসানের ভাষার ব্যবহার এবং উপস্থাপন আমার ঠিক পছন্দের সাথে যায় না। নারীর মাতৃত্বের প্রাকৃতিক এবং সামাজিক পরিধি এক নয়। এটাকে কোনো এক সুতায় বাঁধবার চেষ্টা, এটাকে একটা রাজনৈতিক রূপ দেওয়া কিংবা একই সুতোয় বেঁধে রেহনুমাকে নাঙ্গা করে দেওয়ার একটা আত্মতৃপ্তি আমাকে আপ্লুত করে না।বরং আমার রেহনুমার কাছা খুলে যাওয়ার চিত্রতে অন্য একটা সাম্প্রদায়িকতা চোখের সামনে আসে। সেটা ভারতবিদ্বেষের সাথে মিলে আমাকে যে অনুভুতি দেয় সেটার প্রকাশ মক্কার খেজুরের কাঁটা আর ক্যাকটাস খেয়ে ব্লগে লেখা মানুষের ছবিটাকে সানন্দে মন্তব্যে উপস্থাপনে বাধ্য করে।
যেই একই ভাষার তীর্ষক ব্যবহারে খালেদা জিয়ার মাতৃত্ব এবং তারেকের নির্যাতনে রেহনুমার মানবিকবোধের কোথাও সাড়া না জাগার বিষয়টাকে শেষ পর্যন্ত নারী বলেই এটা জেন্ডার বায়াসড উপস্থাপনে আগ্রহী করে-
যেখানে অবশেষে মায়ের মাতৃত্ববোধকে ভিত্তি করে খালেদা জিয়ার বাৎসল্যবোধকে আহত করে তাকে নির্বাসন দ্বন্দ্ব দেওয়ার তত্ত্বাবধায়কীয় গুঢ় রহস্যের কাছা খুলে যাওয়া রিফাত হাসানের অনবদ্য মাইক্রোস্কোপে দেখি তখন আদতে আমি কখনই আসলে এই পোষ্ট পড়ে জাগা অনুভুতির বাইরে আসি নি
যাই হোক রাহনুমার লেখাটার লিংক দিলাম, আসলে ভালো
http://www.newagebd.com/2008/jul/21/edit.html
লেখক বলেছেন: রাসেল, আপনারে একটা কথা কই, আমি আলোচনার লগে ইউটোপিয়ান হওয়া পছন্দ করি না, এইটা আমার কাম না, আপনার কাম।
তো সবিনয়ে অনুরোধ, আমার লেখা পড়ার সময় অইগুলারে পকেটে ভইরা রেখে আইসেন।
লেখক বলেছেন: আলগা গপ-শপের জন্য আপনার ব্লগ তো আছেই। আমার সময় না হলেও আপনি নিজেই না হয় নিজের জীবনের সাথে মধু যাপন কইরেন।
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
"এবং এটার একমাত্র উদ্দেশ্য হলো, ছেলেদের জিম্মি করে, যেটি হল নারীত্বের অনিবার্য অনুভূতি, গণবিরোধী সরকারের লেজিটিমেসি আদায় করা। এটি একজন নারী নেতৃত্বের প্রতি নিষ্ঠুর, চরম এবঙ জেণ্ডারড পানিশম্যাণ্ট"।প্রথমেই বলে নিই,এক্সট্রা জুডিশিয়াল কিলিং কিংবা টরচার সেলে নির্যাতন আমি দুইটা'ই অবৈধ মনে করি।কিন্তু তারেক রহমানে যখন টর্চার সেলে নির্যাতন করা হয়,সেইটা অনৈতিক জেনেও আমি কিছুটা হলেও আমজনতার আবেগ দ্বারা তাড়িত হয়।কিন্তু সে আবেগ'কে আমি অবশ্য কোন কিছু দ্বারা বৈধতা করবো না।
খালেদা জিয়ার পরিচয় আসলে কিভাবে নির্ধারিত হবে বা হওয়া উচিত।সে কি প্রথমত এক রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব নাকি একজন নারী অথবা মা।তার "রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব" কিংবা "মা" এই দুটো এনটিটি যদি মুখোমুখি দ্বাড়ায়,তাইলে আপনি তাকে কোন পরিচয় নির্ধারণ করতে চান?
রাজর্ষি যেমন বলেছেন "কিন্তু বাস্তবতা হল এটা রাজনীতি, ক্ষমতার চলমান দ্বন্দ। এখানে মা না হয়ে যদি বাপ হত তাহলেও এভাবে চাপ সৃষ্টি হত"।
এখন বাপের সামনে যদি ছেলেকে জিম্মি করে,ছেলেকে নিষ্ঠুর নির্যাতন করে লেজিটেমেসী আদায়ের চেষ্টা করা হয়,তাইলে কি আমরা বলল,এইটা পুরুষ নেতৃত্বের প্রতি চরম,জেন্ডারড পানিশমেন্ট"।
নারীত্ত্বের প্রাকৃতিক এবং সামাজিক রুপ'কে এক করে দেখা হয়েছে বলে মনে হয়েছে।
কিছুদিন আগে দৈনিক গুলোতে একটা বেশ চাঞ্চল্যকর খবর এসেছিল,আমি বেশ চমকে উঠেছিলাম।"মা তাঁর আপন নেশাখোর ছেলের হাত থেকে রেহাই পেতে তাকে
খুনী ভাড়া করে হত্যা করেছে"।এইখানে এক মা তাঁর নারীত্বের অনিবার্য অনুভূত ছাপিয়ে সামাজিক কিংবা ব্যাক্তিগত বোধ দ্বারা চালিত হয়েছে।
নারীত্বের প্রাকৃতিক এবং সামাজিক রুপ'কে আলাদাভাবে দেখার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি।
লেখক বলেছেন: ফ্যাসিবাদিতা ব্যাপারটা তাত্ত্বিক, কবি, ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ, সামরিক জন কারোই মনোপলি নয়, সেটি আম জনতার মনেও থাকতে পারে, যখন দুই টাকার জিনিশ চুরির জন্য গণপিটুনি এবং খুন সংঘটিত হয়, এবং রিকসাওয়ালারে পিটাই। প্রতিবাদের পদ্ধতি যখন ফ্যাসিবাদী রূপ নেয়, অক্টোবর মাসের ঢাকার রাজপথ তখন অন্য ভাষায় কথা বলে। তারেক রহমানের উপরে নির্যাতন দেখে আম জনতার সাথে আপনারও ভাব এবং আবেগ উদিত হয়, এটা সম্ভব। আমাদের ভিতরে এই ফ্যাসিবাদিতার অবস্থান এত বড় জায়গায় যে, সেটিরে আবেগ বলে জাহির করে বৈধতা নেওয়ার কৌশল অবলম্বন করি। নিজের একটা সন্তুষ্টির পোশাক।
খালেদা জিয়া একজন রাজনৈতিক নেতা এবং একজন মা এবং নারী। এই তিনটি সত্তাই মনে রাখা দরকার বলে মনে করি এই আলোচনার জন্য। খালেদা একজন রাজনৈতিক নেতা এবং তার উপরে নির্ভর করছে একটি ইলেজিটিমেট সরকারের লেজিটিমেসি, যার জন্য তার অসুস্থতার গল্প শুনিয়ে নির্বাসন প্রচেষ্টা, এবং তার জন্য পদ্ধতি হিশেবে বেছে নেওয়া এই জেণ্ডারড নির্যাতন। এখন, এই সময়ে, কোন যদির উত্তর আমার কাছে নেই, বাস্তবতা হলো, এই ফ্যাসিবাদ এবং নির্যাতনের বিরুদ্ধে কথা বলা প্রত্যেক প্রগতিশীল মানবিকতাবোধসম্পন্ন একটিভিষ্টের কর্তব্য।
বাপের সামনে ছেলেকে জিম্মি করা কেন জেণ্ডারড পানিশমেন্ট নয়, শুধুই ফ্যাসিবাদীতা, অথচ মায়ের সামনে ছেলেকে জিম্মি করাকে কেন জেণ্ডারড পানিশমেন্ট বলি সে বিস্তর আলোচনার ব্যাপার- সংক্ষেপে হলো- একজন পুরুষ অটোনোম















