আমার প্রিয় পোস্ট
- হাইব্রীড বীজ নিয়ে আশঙ্কা সত্যি হলো এবার 'সত্যিরা' ভয়াবহ আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ! - মনজুরুল হক
- দেখাদেখি বদলে যাওয়া... তাইলে কী বদলাইল? - ব্রাত্য রাইসু
- ভাস্কর্য বিতর্ক: কয়েকটি প্রশ্ন ও কিছু ফুটনোট - রিফাত হাসান
- ওপেনসোর্স সফটওয়্যারের জগতে আপনাকে স্বাগতম (অনেকগুলো সফটওয়্যারের বর্ননাসহ ডাউনলোড লিংক) - নাফিস ইফতেখার
- ডিভাইস ড্রাইভার (সমাপ্ত) - মাইক্রোকাতার
- খোদার কসম, এই রোদ্দুরে রেডিক্যাল হতে চাওয়া কাজের কথা নয়। বরং আমরা সুবিধামতো একটিভিস্টই থাকি। - রিফাত হাসান
- বিশ্বাসীদের অন্তর্ভূক্ত হবার আমন্ত্রণ: আমি কেন গ্রহণ করতে পারছি না প্রিয় সামহোয়ারইন - রিফাত হাসান
- উইন্ডোজ এর শম্বুক গতি -১
- আবুফয়সাল আহমেদ
- কার্ল মার্কস ও তথাকথিত প্রকৃতি বিজ্ঞান (Natural Science) - পি মুন্সী
- আ টরচার্ড ইমেজ: রেহনুমা আহমেদের ফ্যাসিবাদীতা, ভণ্ডামী ও একটি মিশ্র অনুভূতির থিওরি, তারেক রহমান ও তার মায়ের অপরাধ ও শাস্তি এবং আমাদের নারী ভাবনা - রিফাত হাসান
- একটি প্রাথমিক আলোচনার খসড়া: জামাত, জামাত বিরোধী রাজনীতির বিষয় আশয় ও যুদ্ধাপরাধ রাজনীতি - রিফাত হাসান
- জামাত রাজনীতির রাজনৈতিক বিচার - পি মুন্সী
- আমার নাস্তিকতা, মিথ্যা কথার বয়ান এবং একটি সাদা রঙের মেঘ - রিফাত হাসান
- কিছু আলটপকা ভাবনা, কিছু জরুরী আলাপ - রিফাত হাসান
- ফাহমিদুল হকের বহুলপঠিত একটি পোস্ট এবং ব্লগের লিখিয়েরা: একটি পর্যবেক্ষণ - রিফাত হাসান
- ইসরাইল - অপ বাক
- 'আমি আরব গেরিলাদের সমর্থন করি' ১ - ফারুক ওয়াসিফ
- নারীর সমানাধিকার নীতি, ষড়যন্ত্রতত্ত্ব ও বাঙালি মুসলমানের গৃহবিবাদ - মাহবুব মোর্শেদ
- চড়ুই পাখির নকশা! - ফারজানা মাহবুবা
কথা নিয়ে খেলতে খেলতে আমরা কোথায় চলে গেছি! আমাদের ফিরে আসার বোধ জাগলো যখন, ফিরে আসা সহজ হলো না

খোদার কসম, এই রোদ্দুরে রেডিক্যাল হতে চাওয়া কাজের কথা নয়। বরং আমরা সুবিধামতো একটিভিস্টই থাকি।
০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:০০
রোদ্দুর ভীষণ হলে আমাদের চা জুড়িয়ে যায়।
রোদ একটু কমুক, ততক্ষণ ভদ্রস্থ থাকার জন্য
জনারণ্যে একটিভিস্ট হয়ে থাকি।
রেডিক্যাল হতে হলে অনুকুল সময় প্রয়োজন।
তার চেয়ে বরং পুঁজির ব্যালকনিতে বসে এক কাপ চা চলুক। ঘন লাল রক্তের মতো চায়ে সামান্য একটিভিজমের নুন, একটু প্রগতির দ্রবণ, একটি নারীবাদী পাতা ছেড়ে দিলে কী চমৎকার আড্ডা হয়ে যায়!
আমরা কেন শুধু শুধু রেডিক্যাল হতে যাব?
লাক্সের সুগন্ধি ফেনায় স্নান সেরে বরং আমরা এই চমৎকার ব্যালকনিতে বসে একটু নন্দনতত্ত্বের আলাপ পাড়ি। আহা, গ্রামীণের বিজ্ঞাপনগুলো আমাদেরকে কী সুন্দর নন্দন আর একটিভিজমের অনভূতি দেয়। এই ঘোর কর্পোরেট মুহূর্তে রেডিক্যাল হওয়াটা কি কোন কাজের কথা, বলুন? বাংলালিঙ্ক স্পনসর না হলে আমাদের ভাষাকে কে বাঁচাত?
এনজিওগিরির মাধ্যমে আমরা নারীমুক্তির কনসালটেন্সি যদি না করতাম, তাহলে নারীমুক্তি না হোক, নিদেনপক্ষে মহান একটিভিস্টদের পবিত্র জীবনটা হুমকির মুখে পড়তো না?
এখন ভীষণ রোদ্দুর। খোদার কসম, এই রোদ্দুরে রেডিক্যাল হতে চাওয়া কাজের কথা নয়। বরং আমরা সুবিধামতো একটিভিস্টই থাকি।
(একজন একটিভিস্টের সাম্প্রতিক একটি পোস্টে মন্তব্য করতে গিয়ে, মন্তব্যের পরিবর্তে এই লেখাটি।)
লেখক বলেছেন: এই লেখাটি কতটা মহৎ হয়েছে বলতে পারবো না, মহত্তের চেয়েও, আমি একটিভিজম ব্যাপারটার সুবিধাবাদিতাটা ধরতে চেয়েছি, যেটি উল্লেখিত পোস্টে চার পর্বে আলোচনা করতে চেয়েছেন লেখক।
লেখক বলেছেন: আর হাঁ, মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
ফাহমিদ ভাইয়ের পোস্ট নিয়া নিরন্তরে লেখার বাঞ্ছা করি। আপতত, শুধু এই : আপনের কবিতা ভাল লাগছে।ইতি গজঃ অশত্থামা হত।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মাহবুব ভাই। আপনার লেখাটি পড়ার অপেক্ষায় থাকলাম। কিন্তু নিরন্তর ব্যাপারটা বুঝলাম না। প্রথম আলো ব্লগ? যদি তাই হয়ে থাকে, এখানে নয় কেন? জানতে পারলে খুশি হব?
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
নিরন্তরে মানে অন্যত্র, মানে অন্য পোস্টে। মানে সামহয়ারেই।
লেখক বলেছেন: ওহো, ধন্যবাদ আবার এসে বুঝিয়ে দিলেন বলে। ইতি গজঃ অশত্থামা হত।- এইটা বুঝি নাই।
ভূপর্যটক বলেছেন:
খুবই সুন্দর গদ্য।সবার আগে চিন্তায় লড়াকু সক্রিয় কর্মী হতে হয়। সে জন্য যোগ্য করে নিজেকে গড়ে তুলতে, সাজাতে হয়।
তবে এরও আগে একটা তাগিদ লাগবে, একদম নিজের তাগিদ। বিষয়টা যদি হয়, অন্যের প্রয়োজন মিটানো, অন্যের জন্য, অন্য কারো জন্য মুক্তি বা বিপ্লবের তাগিদ - তাহলে সময় নষ্ট না করাই ভালো। বিপ্লব প্রথমত নিজের জন্য হতে হবে, পরে বন্ধু-শত্রুর ভেদাভেদ বা বন্ধু-শ্রেণী খুজে নেয়া; শত্রু কারা, অবশ্যই চিন্তা অর্থে, পরিস্কার থাকতে হবে।
এ্যাকটিভিষ্ট হওয়ার জন্য সমাজ তাদের জন্য দুধ-ভাত নিয়ে বসে থাকবে- এট কোন কালেই কোন সমাজে ছিল না, থাকবে না। পশ্চিমে যেটাকে ফেভারেবল সামাজিক পরিস্হিতি মনে হচ্ছে ওটা উপরে আপনার বর্ণনামত একটিভিজমের মত; ফলে ঐরকমই এ্যাকটিভিষ্ট বের হবে ওখান থেকে।
কেউ এ্যাকটিভিষ্ট কী না কীধরণের এ্যাকটিভিষ্ট তা মাপতে আমাদের দেশে এক অদ্ভুত পেটিবুর্জোয়া এক দৃষ্টিভঙ্গী আছে। এ্যাকটিভিষ্টের কাজের রাজনৈতিক গুরুত্ত্ব, চিন্তার স্বচ্ছতা - এক কথায় তাঁর কাজ দিয়ে তাকে মাপা উচিত; কী করে নিজেকে সে সমাজে বাঁচিয়ে রেখেছে এই বিচারটা যেখানে সেকেন্ডারী।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য। আপনার কথাগুলির সাথে একমত পোষণ করা যায়। এ্যাকটিভিষ্ট হওয়ার জন্য সমাজ তাদের জন্য দুধ-ভাত নিয়ে বসে থাকবে- এই ভাবনাটা প্রভুত্ব করছে আমাদের কথিত একটিভিস্টদের ভাবনায়। আর অইটার বিষয়ে একটা রোমান্টিক গা বাঁচানো পোষাকি আবেগ বা রিপ্রেজেন্টেশন কাজ করে আমাদের একটিভিস্ট ভাবনায়।
আর, হাঁ, এইটা একটা গদ্য, সম্ভবত। অথবা প্রকরণহীন। প্রকরণের কী দরকার।
লেখক বলেছেন: সত্যি বলেছেন। সে জীবন বড়ো বেশী রেডিক্যাল। ![]()
আহমেদ হেলাল ছোটন বলেছেন:
কে এক্টিভিস্ট আর কে নয় এর বিচার করার দায়িত্ব নিয়েছে কতিপয় পেশাদার এনজিও এর কর্মী।চিন্তায় অনেকেই এক্টিভিস্ট কিন্তু কাজের ক্ষেত্রে নয়- আবার অনেকের বুকনিটুকু ষোলোআনা আছে কিন্তু কাজের ক্ষেত্রে হা হতোষ্মি.....।
ধন্যবাদ এমন একটি সুন্দর কাব্যময় লেখার জন্য।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনার মন্তব্যটা গুরুত্বপূর্ণ।
রিফাত হাসান বলেছেন:
শিরোনামটা বিস্তৃত করলাম।
লেখক বলেছেন: খোদার কসম, এই রোদ্দুরে রেডিক্যাল হতে চাওয়া কাজের কথা নয়। বরং আমরা সুবিধামতো একটিভিস্টই থাকি।
জাতেমাতাল বলেছেন:
রিফাত, বিশ্বাস করেন, আমারও ভীষন ভীষন শখ ছিলো এক্টিভিস্ট হওয়ার, কিন্ত কি করবো- আমার উপার্জন এত কম.........আর ইয়ে- মানে বাজারে জিনিষ পত্রের দাম এত বেশী............।
লেখক বলেছেন: হা হা হাঃ, সুন্দর মন্তব্য করেছেন। আপনাকে ধন্যবাদ।
বিশ্বাস করেন, এটি আপনার সুবিধাবাদিতা নয়, তা ছাড়া হাওয়াই এক্টিভিজম ব্যাপারটা বেশ রোমান্টিক, অইটার জন্য আপনি একই সাথে কর্পোরেটের দালালী এবং এক্টিভিজম চালিয়ে যেতে পারবেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
সুকাব্যের মোড়কে আপনার লুক্কায়িত জিজ্ঞাস্য বোধহয় ধরতে পেরেছি।আপনার বিদ্রুপ কিংবা ঠাট্টার আড়ালের প্রশ্ন আদতেই গুরুত্বপূর্ণ ।তবে যে নির্দিষ্ট পোষ্টের আপাত প্রতিক্রিয়া,আপনার পোষ্টটি; আলোচনাটাওইখানে করলেই বোধকরি ভালো হতো।আমি যে কিনা আক্ষরিকভাবেই বহুজাতিক কোম্পাণীর নুন খাই এবং সো-কলড (পোষাকি) একটিভিষ্ট হওয়ার জন্য তড়পাই,তার জন্য বহুৎ ফায়দা হইতো।
সুবিধাবাদিতা কিংবা আপোষকামিতা কি এক? নাকি তাকে এক করে দেখা উচিত?উত্তরটা আমার নিশ্চিত জানা নাই।
সুবিধাবাদিয়াতা'য় ব্যাক্তি স্ব-উদ্যেগী পক্ষান্তরে আপোষকামিতা'য় ব্যাক্তি বাধ্যবাধকতার জালে আটকা পড়ে।সামাজিক,আর্থিক,
পারিবারিক বিভিন্ন দাবীকে মেনে নিতে বাধ্য হয়।অবশ্য এই বাধ্যবাধকতার কতটুকু সে কোন প্রতিরোধ ছাড়াই মেনে হয়,আর কতটুকুই বা প্রিটেন্ডেড প্রতিরোধের পর মেনে নেয়,সেইটা নির্ণয় করা
বেশ গুরুত্বপূর্ণ হলে কষ্টসাধ্য।শেষপর্যন্ত ব্যাক্তির সম্পর্কে চারিদিকে সে
পারসিভ্ড সততা প্রচলিত থাকে,সেটার উপর নির্ভর করতে হয়।
ফাহমিদুল হকের পোষ্টটি পড়ে কি তাকে সুবিধাবাদি নাকি আপোষকামী এক্টিভিষ্ট কোনটা মনে হয়?
টেক্ট যদি লেখকের মনোভাব কিংবা মানসিক দ্বন্দকে উপস্থাপনে ব্যার্থ না হয় কিংবা আমি ভুল বুঝে না থাকি তাইলে কিন্তু তাঁর প্রতিবাদ অবস্থান সত্বেও আপোষকামীতার চিত্র ফুটে ওঠে।এখন এই প্রতিবাদ কতটুক খাঁটি আর কতটুকু ভেজাল,সেটার মাপার কোন দাড়িপাল্লায় মাপার উপায় আছে কি?
ব্যাক্তি বিশ্বাসে আস্থা ছাড়া?
লেখক বলেছেন: প্রথমত ধন্যবাদ শিমুল আপনাকে, লেখাটির জিজ্ঞাস্য ব্যাপারটির সাথে সহমত পোষণ করেছেন বলে। এই লেখাটি গদ্য আকারে হলে নিশ্চিত থাকুন মন্তব্য হিশেবেই আলোচ্য পোস্টটির কমেন্টবক্সে স্থান পেত। আর কমেন্টে বসে কাব্য করাটারে অনেকে স্ট্যাণ্ডবাজি হিশেবেই নেবে বলে আমার শঙ্কা, আমারো অন্য কারো ব্যাপারে তেমনটিই মনে হত।
আপনি প্রশ্ন করেছেন, ফাহমিদুল হকের পোষ্টটি পড়ে তাকে সুবিধাবাদি নাকি আপোষকামী এক্টিভিষ্ট মনে হয় আমার। ফাহমিদ ভাইয়ের ব্যাপারে এই প্রশ্নটি আসার আগে, তার একটিভিজমের ধারণাটিরে আমার শিক্ষিত শহুরে মধ্যবিত্তর ন্যাকামী মনে হয়েছে। আমাদের চিন্তা ও চেতনায় যখন ভণ্ডামি থাকে, আমাদের তৎপরতার চেষ্টাগুলো তখন এরকম ন্যাকামিতে পর্যবসিত হয়। তাঁর লেখাটিতে শ্রেয়া নামের একজন খুব মজার মন্তব্য করেছেন: আপসের কারণে এক্টিভিজমের তালিকা ছোট হতে থাকুক, কিন্তু ইচ্ছেটা থাকুক, সক্রিয়তা বলবৎ থাকুক।... এ প্রসঙ্গে উপরে একজনের কমেন্টের উত্তরে বলা কথাটি আবার উচ্চারণ করছি: এ্যাকটিভিষ্ট হওয়ার জন্য সমাজ কারো জন্য দুধ-ভাত নিয়ে বসে থাকবে- এই ভাবনাটা সুবিধাবাদীই শুধু নয়, বিপদজনক।
ফাহমিদ ভাইয়ের ঐ লেখাটিতে মরিয়ম নামের একজন ব্লগারের মন্তব্যটি কপি করে এখানে দেওয়ার লোভ সামলাতে পারছি না: ফরহাদের একটি লিখা পড়েছিলাম অনেক দিনে আগে। বিষয় ছিল চিন্তা ও তৎপরতার সমান্তরাল অগ্রযাত্রার প্রয়োজনীয়তার কথা। ব্লগ পাঠে আমার অনেক উপকার সমূহের একটি হচ্ছে দেশের এক্টিভিস্ট হগল ও তৎপরতার কাঙখা ও পরিচালিতির পথ সমূহতে যে চিন্তা-ঘাটতি তৈরী হয়েছে তার উদাহরণ খুঁজে পাওয়া। সে যেমন নানা-কথার লেখায়, তেমন কবিতায়ও। কিছু শব্দমালার রোমান্টিকতায় সকলে আটকে থেকে একটিভিটি দেখানো চিন্তা-ঘাটতি বৈ কি।
তৎপরতার কথা বলতে গিয়ে আমরা সামগ্রিক রাজনৈতিক তৎপরতাকে ভুলি। এক্টিভিজমে তেমন একটা সুবিধা আছে। বিষয়টি এমন, আপাত সময়ে নিজের জন্য এতটুকু পথ নৈতিক ভেবে নেয়া, যেটুকুতে নিজের ফিটেস্ট নিয়ে সংকটে পড়তে না হয়। এজন্য পিতার পয়সায় সিনেমা নাদেখে আমি এক্টিভিস্ট হৈসি- এমন আত্মতৃপ্তি ব্লগীয় লেখায় সন্তুষ্টির সাথে আসে। অথচ প্রয়োজন যে সামগ্রিক (holistic) রাজনৈতিক তৎপরতার সেটিকে ভুলি। খন্ডিত ভাবে যারা তৎপরতা দেখাচ্ছেন, আপনার এখানে যাদের কথা ইতিভাবে আছে- তাদের পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন এটিই।
এই তৎপরতা আমাদেরকে প্রগতিশীলতার পরিসরে যেমন ঠাঁই দেয়, তেমনি আড়ং-এর বহুমূল্য তথাশোভিত মাটির অলংকার পরিতেও সহায়তা করে। সামগ্রিক রাজনৈতিক তৎপরতায় আধ্যাত্যর প্রয়োজনও আছে জানি, জোছনার জোয়ারে (চিন্তা) সিদ্ধার্থর ক্ষমতা ছাড়িবার তৎপরতাকে কি করে ভুলি।
মুসতাইন জহির বলেছেন:
আজ স্বীকার করে বলি, রিফাত ভাই আপনার প্রতিভায় মুগ্ধ হইছি।
কাটকাট, সরল আর অসাধারণ ক্ষিপ্রতায় বলে ফেলেছেন আসল কথাগুলো। কিছুটা ইঙ্গিত আর ইশারার মাঝখানে ঝুলিয়ে দিয়েছেন মধ্যবিত্তের ন্যকামির কদু আর কমলালেবু।
ভূপর্যটকের সাথে সহমত।
লেখক বলেছেন: মধ্যবিত্তের ন্যকামির কদু আর কমলালেবু। বেশ ভাল বলেছেন জহির ভাই। অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
অনেক অনেক দারুণ উপস্হাপনা.........।দেশ এ থাকতে এন জি ও তে কাজ করার সুবাদে যতটুকু দেখেছি.......
সবাই কি ভয়ানক ভাবে নিজের সুবিধমত একটিভিস্ট তা আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি......
হয়তো কোন একদিন লিখবো......আমার সাদামাটা লেখনিতে তার কতটুকু লেখা হয়ে উঠবে কে জানে.......।
ভালো থাকবেন।
নিরন্তর শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও শুভেচ্ছা।
ফাহমিদুল হক বলেছেন:
আপনাকে ধন্যবাদ ঐ আলোচনায় নতুন মাত্রা আনার জন্য। আমার প্রশ্ন হলো আপনার রেডিকালিজম আর আমার এক্টিভিজম ঠিক কতটুকু আলাদা? পার্থক্য অবশ্যই আছে. কিন্তু ঠিক কতটুকু?
"তার একটিভিজমের ধারণাটিরে আমার শিক্ষিত শহুরে মধ্যবিত্তর ন্যাকামী মনে হয়েছে। আমাদের চিন্তা ও চেতনায় যখন ভণ্ডামি থাকে, আমাদের তৎপরতার চেষ্টাগুলো তখন এরকম ন্যাকামিতে পর্যবসিত হয়।"
আপনার রেডিকালিজম ঠিক কতটুকু ন্যাকামীমুক্ত তাও জানতে ইচ্ছে করে। আমার অবস্থান ছিল মোটা দাগে ওরকমই যে একজন শহুরে শিক্ষিত মধ্যবিত্তের পক্ষে (যার মধ্যে আপনিও পড়েন) এমনকি খাঁটি রেডিকাল হওয়াও সম্ভব নয়। আপনি যদি আমাকে বাংলাদেশের চেনাজানা একজন রেডিকাল মানুষের কথা বলতে পারেন তাহলে বুঝতে পারতাম তারা ন্যাকামির মাত্রা কতটুকু, কিংবা হয়তো, আদৌ নেই।
আমার খেট এটুকু যে এক্টিভিজম বলতে আমি যা বুঝতে চেয়েছি, তাকে আপনি এনজিও/সুশীল সমাজে প্রচলিত নারীবাদ/মাইক্রোক্রেডিট ইত্যাদিকে ঘিরে যে এক্টিভিজমের জারগন চালু আছে তার সঙ্গে মিলিয়ে ফেলেছেন। আর আমি কতটুকু পারি আর কতটুকু পারিনা তা স্পষ্ট করে বলার পরেও তাকে 'ভন্ডামি' বলতে চাইছেন। এহেন সংজ্ঞায়নহেতু বিভ্রান্তি প্রকৃত ভণ্ডদের সুবিধে এনে দেবে, আমি নিশ্চিত।
আপনার কাব্যের তীর্যকতা প্রশংসনীয়।
লেখক বলেছেন: ফাহমিদ ভাই, আমি একটি কবিতা লিখেছি (লোকে তাইতো বলছে), আপনার একটি লেখা আমার এই লেখাটিতে প্রেরণা দিয়েছে, সন্দেহ নেই। কিন্তু এর মানে এই নয় যে, ব্যক্তি ফাহমিদুল হককে ভণ্ড বা ন্যাকা বলার কোন উদ্দেশ্য বা প্রবণতা এই লেখাটিতে আছে। তবে, একটিভিজম বিষয়ে আপনার ধারণাটিরে ধরতে চেয়েছি। এখানে ফাহমিদুল যতটা আছেন, তার উপরে আছর করা শিক্ষিত সুবিধাবাদী পৌত্তলিক জ্বিনটা তার চেয়ে বেশী সম্রাট হয়ে আছেন।
আর কবিতা কখনোই কেবল খণ্ডিত ব্যক্তিতে লীন হয়ে যায় না, সমগ্র পর্যন্ত বিস্তৃত হবার কাঙ্ক্ষা রাখে।
যাই হোক, আপনার এক্টিভিজম এর ধারণা আমার মধ্যে যেসব কারণে খটকা তৈরী করেছে:
১. নৈর্ব্যক্তিক ''মানব মুক্তির এক্টিভিজম'', যার রূপটি নিয়ে আপনি বিবিধ রোমান্টিকতায় ভোগেন। যেমন আপনার এক্টিভিস্ট কাঙ্ক্ষার লিস্টি প্রকাশ- এবং তার সাথে নিরন্তর আপোশের জন্য দুঃখ করে কনফেশনাল স্টেটম্যান্ট। কিন্তু, কোন রাজনৈতিক দার্শনিক পাটাতনে দাঁড়িয়ে আপনি এইসবের বিরোধিতা করতে ইচ্ছুক, তার কোন স্বচ্ছ ধারণা আপনি আমাদের দেন নাই, বা দিতে প্রস্তুত নয়।
২. খ্রীস্চিয়ান থিউলজিতে কনফেশন ব্যাপারটির যে স্বর্গীয় গুরুত্ব আছে, তৎপরতার জায়গায় অইটার মত সুবিধাবাদিতা আর হয় না। আর একটু ব্যাখ্যা করি। চিন্তা ও তৎপরতার জায়গাটি কনফেশন বা আপোষের নয়, তওবা এবং জিহাদের।
এই দুটি প্রশ্নের উত্তর পেলে হয়তো আমরা আলোচনায় এগিয়ে যেতে পারবো। আমার কাব্যপ্রচেষ্টার তীর্যকতার প্রশংসা করলেন, সেজন্য বিনীত ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: এই রোদ্দুরে রেডিক্যাল হতে চাওয়া কাজের কথা নয়।
মরিয়ম বলেছেন:
চমৎকার তো!
দারুন কবিতা। ধন্যবাদ হাসান ভাই। একটা বিষয় কি, ব্লগ সুবাদে এমন কিছু মানুষের সাথে পরিচিত হচ্ছি যারা সত্যিকার অর্থে একটি সামগ্রিক রাজনৈতিক তৎপরতা নিয়ে কাজ করে/আগ্রহী, এবং আমার কাছে এটিই নৈতিক মনে হয়। এটি 'মাছ দিয়ে ভাত খাইলাম' টাইপের অযথা ব্লগানোর (আর্ম-চেয়ার এক্টিভিজমের) চেয়ে মহৎ মনে হয়।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। ফাহমিদ ভাইয়ের পোস্টে আপনার করা কমেন্টটি কপি করেছি উপরে কোন একটি কমেন্টে, সুযোগ পেয়ে জানিয়ে দিলাম। ধন্যবাদ, আবারো।
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন:
প্রিয় পোষ্টে গেল। আপাতত এটুকুই।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শরৎ, মন্তব্যের জন্য।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শিপন আপনাকে। অনন্য বলায় বিব্রত হচ্ছি।
ফাহমিদুল হক বলেছেন:
১. রাজনৈতিক পাটাতনের কথা আমি উল্লেখ করেছি। পোস্টে বলেছি: এক হিসেবে এক্টিভিজম বামপন্থী ঘরানার কাজ হলেও, অ-বামপন্থী লিবারেল বা সচেতন গণতান্ত্রিক চেতনাসম্পন্ন নিযুত মানুষ বিশ্বব্যাপী নানা মাত্রার এক্টিভিজমের সঙ্গে যুক্ত।২. তৎপরতার জায়গায় কনফেশন অবশ্যই যুতের কিছু না। কিন্তু আমি কতটুকু তৎপর হতে পারি তার সংজ্ঞায়ন স্পষ্ট করাটা দোষের কিছু হতে পারেনা, অন্তঃত কিছু করার ভান করার চাইতে।
আমি আর্মচেয়ার রেভুলিউশনারি না, আমি মাঠেও থাকি। আমাকে রোমান্টিক এক্টিভিস্ট বলাটায় আপত্তি থাকলো।
লেখক বলেছেন: ফাহমিদ ভাই, একটিভিজম নিয়ে আপনার প্রকাশিত ধারণাটিরে রোমান্টিক বলেছি, ব্যক্তি ফাহমিদুল হককে নিয়ে কোন কমেন্ট করা এই আলোচনার মুখ্য নয়। আপনি বেশ একটা ডিফেন্সিভ জায়গা থেকে আলাপ করছেন, অইটা না করে যদি বিষয়টি নিয়ে একটু বিস্তারিত আলোচনা করতেন আপনি, আমরা সাধারণ পাঠকসকল উপকৃত হতাম। এক্টিভিজম নিয়ে উল্লেখিত পোস্টটিতেও আপনার সরল রোমান্টিক ভালমানুষী আছে, বিষয়ের গভীরে প্রবেশের কাঙ্ক্ষা নেই।
যাই হোক, ভাল থাকবেন।
কোলাহল বলেছেন:
কয়েকটি বাক্যে আসল কথাটা বুঝিয়ে দিয়েছেন। দারুন। ভাবতে বাধ্য হচ্ছি_আমরা কেন শুধু শুধু রেডিক্যাল হতে যাব?
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ কোলাহল মন্তব্যের জন্য।
খোমেনী ইহসান বলেছেন:
এক্টিভিজম কিম্বা বিপ্লবীপনা নিয়ে তাত্ত্বিক বাগাড়ম্বর করার মালপানি ভাই আমার টেকে নেই। তবে কাজে করতে গিয়ে দেখেছি বড় এক্টিভিস্টরা, বিপ্লবীরা সুবিধার জায়গাটুকুতে কত ছোট আর ইতর।আমি মফস্বল থেকে আসা একজন ছেলে কিছু কায়-কারবার চালাতে গিয়ে এদের কারণে ভুগেছি ঢের।
শুধু এতটুকু বলি লড়াইটা যারা সামগ্রিক জায়গা থেকে না দেখে মুখ ভর্তি স্লোগান আর কাগজের পাতায় কিছু কথা ঝেরে দেওয়াকে বুঝে তারা ইতিতে সেয়ানা ভন্ডই হয় বটে।
আপনার পোস্টটি এ্যাক্টিভিজমকে ঘিরে ভুল রোমান্সকে নিশ্চয় ক্ষমা করার যোগ্য।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: লড়াইটারে সামগ্রিক জায়গা থেকে না দেখে মুখ ভর্তি স্লোগান আর কাগজের পাতায় কিছু কথা ঝেরে দেওয়াটারে নেওয়ার যে প্রবণতা, সেই বিষয়ে আপনার মতামতটির সাথে সহমত পোষণ করছি।
ভুল রোমান্সকে আপনি ক্ষমা করতে ইচ্ছুক, কিন্তু আমি একজন ক্ষুদ্র মানুষ, আমার সেই ক্ষমা করার এখতিয়ার আছে বলে মনে করি না। গালভরা একটিভিজম নিয়ে কেউ সুখে থাকতে চাইলে আমাদের আপত্তি থাকার কথা নয়, কিন্তু কেউ যদি অইটারেই তার মৌলিক তৎপরতার জায়গা ও পদ্ধতি ভেবে বসেন, তার দায় তাকে নিতে হবে।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
অনেক তত্ত্ব কথা শুনলাম। আমি ভাই খুব একটা শিক্ষা অর্জন করি নাই এখনও তাই কিছু প্রশ্ন আছে @মন্তব্যকারি সবাই এবং পোস্ট দাতা। বাংলাদেশে এই মুহুর্তে একজন রেডিক্যাল অথবা এক্টিভিস্টের দরকার বলে মনে করেন নাকি একজন যোগ্য দার্শনিকের দরকার। যেমনটা ছিল সক্রেটিস, প্লেটো বা রেনেসার সময়কার দার্শনিকেরা। কারন আমার মনে হয় ভন্ডদের বাদ দিলেও যদি রিয়েল এক্টিভিস্ট কেউ থেকেও থাকে তার চিন্তার স্পষ্টতার অভাবের জন্যই তার একটিভিজমের বারোটা বাজবে। তাছাড়া মি. একটিভিস্ট তার সঠিক কর্মপদ্ধতিও বেছে নিয়ে ব্যর্থ হয়ে, বুড়া কালে ব্যর্থতা খতিয়ান লিখে রেখে যাবে।
আপনাদের কি মত?
লেখক বলেছেন: এখানে কোন তত্ত্বকথা হয়েছে বলে মনে হয় আপনার? অন্তত আমি আমার পোস্টে তেমন কিছু কপচিয়েছি মনে করি না। আর একটি কথা, এই পোস্ট থেকে আপনার কিছুটাও যদি শিক্ষা অর্জন হয়ে থাকে, সেটি ঝেড়ে ফেলতে পারেন, অথবা দ্বিমত জানাতে পারেন। কারণ, কোনরূপ শিক্ষা দেওয়া নেওয়া এই পোস্টের উদ্দেশ্য নয়। আলোচনা করাটাই উদ্দেশ্য।
আপনার দ্বিতীয় প্যারার কথাটি গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে কথা হলো, রাজনৈতিক দার্শনিক পাটাতন ছাড়া রেডিক্যাল অবস্থান আপনি কোন জায়গা থেকে নিবেন? তাহলে একজন রেডিক্যাল অবস্থানের মানুষ একই সাথে একজন দার্শনিকও হবেন বটে।
খোমেনী ইহসান বলেছেন:
@ বিবর্তনবাদী-এই দেশে সবাই দার্শনিক ও নেতা দর্শন করে বেড়ায়। অথচ বুঝদার কর্মী খুঁজে না। এইটা ভারতবর্ষের ঐতিহাসিক ভক্তিবাদীতার এক কু-অভ্যাস। যার ফলে এক সময় বাবা বলে যার পায়ে মাথা কুটি না কেন তার খাদেম তথা কর্মীদের কর্মকান্ডে আবার শালা বলে দূরে ঠেলি।মূলত ভক্তিবাতকে দূরে ঠেলে মুক্তির মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে প্রতিরোধের ধর্ম পালন করলেই প্রত্যেক ব্যক্তিই দার্শনিক হয়ে ওঠতে পারে।
----------------------
@ রিফাত ভাই-আমি খুব দুঃখিত যে আপনাকে আমার বক্তব্য বুঝাতে পারি নি বলে। আমি 'আপনার পোস্টটি এ্যাক্টিভিজমকে ঘিরে ভুল রোমান্সকে নিশ্চয় ক্ষমা করার যোগ্য' বলে বুঝাতে চেয়েছি যারা এ্যাক্টিভিজমকে মহিমান্বিত করতে গিয়ে আসল লড়াইটা এড়িয়ে যান তারা আপনার পোস্টের মাধ্যমে ভুল স্বীকার করে নিতে সক্ষম হবেন। আর যে নিজের ভুল বুঝতে পেরে লড়াইয়ে ফিরে আসবে তাকে তো অবশ্যই ক্ষমা করে বুকে টেনে নেয়া যায়। সেটা আপনি-আমি যে কেউ করার এখতিয়ার রাখে।
-------------------
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ঠিক আছে। ধন্যবাদ।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
তত্ত্ব কথা শব্দটার জন্য মাইন্ড করবেন না। এমনিতেই লিখেছিলাম। সরি। @খোমেনী ইহসান - সেটা ঠিক আছে। কিন্ত আগেতো দর্শনটা ঠিক করতে হবে উদ্দেশ্য ও কর্মপন্থা নির্ধারনের জন্য। নইলে আপনি কি কর্মসূচী বাস্তবায়নের জন্য কর্মী খুজবেন?
লেখক বলেছেন: ঠিক আছে। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
খোমেনী ইহসান বলেছেন:
@বিবর্তনবাদী-পৃথিবীতে দর্শন এ পর্যন্ত যা হইছে যথেষ্ট। নতুন কোন দর্শন, ধর্ম বা অবতারের আর প্রয়োজন নেই। এখন আপনি আপনার জীবন সংগ্রাম কার দর্শনে প্রভাবিত হয়ে পরিচালিত করবেন তার দায় আপনার বা আমারই।আচ্ছা বলুন তো ভেঙ্গে-চুড়ে কিছু একটা করার প্রস্তাব ওঠলে আমরা কোন তরিকায় বা কোন বয়ানে কথা বলব এ প্রশ্ন নিয়ে টানাটুনি চলে কেন?
একজন গার্মেন্টস শ্রমিক কিংবা একজন কৃষক কিন্তু সারা জীবন লড়ছে। সে ঠিক ডাক পেলে কিন্তু সবুর করে না। দৌড় দেয়। শামিল হয়। মরে বা বাঁচে। এবং হয়তো নতুন বঞ্চনানুভূতির শামিল হয়।
আর অক্ষরজ্ঞানঅলারা দর্শন ঠিক হয় নি বলে দ্বিধা করে।
আবারো ধন্যবাদ।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
খোমেনী ইহসান: আপনি যা বলতে চাচ্ছেন তার সাথে দ্বিমত পোষণ করব না এখানে। এ নিয়ে আলাদা পোস্ট দেবার ইচ্ছা আছে, যদি সময় করতে পারি তখন কথা হবে, ইনশাল্লাহ।ধন্যবাদ এগেইন। ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন: আপনার আলাদা পোস্ট পড়ার ইচ্ছে রইলো।
আলাপ বলেছেন:
যেকোন বিষয়কেই ব্যক্তিগত ভবাবে নেয়ার প্রবণতা প্রবৃত্তিমূলক। এটি এমন প্রবৃত্তি, যেটিকে নিয়ন্ত্রন বা পরিমার্যনের মাধ্যমে মানুষ ব্যক্তিমালিকানা নির্ভর কেন্দ্রিক সভ্যতার চেয়ে ভিন্নতর ভাবে সভ্য হতে আগ্রহী।এক্টিভিজম নিয়ে স্যারের পূর্ববর্তী একটি লেখায় মন্তব্য করতে যেয়ে এবং করে, ব্যক্তিগতভাবে-নেয়ার-প্রবণতার বিষয়টির সাথে আরবার পরিচিত হই। ব্যক্তি আমি একটি লেখা/ একটি পোস্ট/ টুকরো অভিমত/ নিবন্ধ- লিখেছি বলেই এর সমস্তর মালিকানা আমারই এমন মনোভঙ্গী প্রবৃত্তি প্রসূত বলেই আমার মনে লয়।
এছাড়া, এক্টিভিজম একটি ব্যক্তিক ধারনা; ব্যক্তি কতক নান্দিনিক মাধ্যম সমেত হুট করে এটিতে জড়িত হতে পারে (এই অর্থে) সামগ্রিক পূর্বপ্রস্তুতির লাড়াই ভাবনা বা মনস্কতা ব্যতিরেকে। ফলতঃ আত্মতুষ্টি হয়ে পড়ে এর অন্তিম গন্তব্য। এবং ফলতঃ নিজের আত্মতুষ্টিতে মোচড় লইলে প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে ওঠা স্বাভাবিক। এই আত্মতুষ্টি যাপনের প্রয়োজনীয়তা হতে উদ্বুত নয়, ফলে শত্রু-মিত্র ভেদ জ্ঞান এখানে নিস্ক্রিয় হয়ে রয়। এখানে যেটি উপস্থিত সেটি হচ্ছে নগরে আমার নব্য নব্য কতক পরিচিতি বোধ বা আইডেনটিটি সক্রিয় হয়। আমি কেবল নিরঙ্কুস পড়াই-ই না, গরীব দূঃখীদের জন্য দরদে আমি লিখিতও হই। আমাকে পাঠ করে একসময় সকলে বিপ্লবী হয়ে উঠবে। (বলা যায়না, এজন্য একসময় আমাকে হেমলকও পান করিতে হইতে পারে)।
আমার ধারনা, যাপনের প্রয়োজনীয়তা থেকেই লড়াইয়ে সম্পৃক্ততা অর্জন করতে হয়, এত করে সঠিক ডাকটি দেয়া সম্ভব, সাড়াটি পাওয়াও। ধন্যবাদ সকলকে।
লেখক বলেছেন: আপনার ভাবনাটি গুরুত্বপূর্ণ। পরে বিস্তারিত আরো বলার ইচ্ছে আছে। মন্তব্যের সঙক্ষিপ্ত উত্তর আপাতত। ভাল থাকুন।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
হমম..
লেখক বলেছেন: হুমমম..


















একটি এক্টিভিস্ট গদ্যর চেয়ে একটি কবিতা কত ভাবে মহৎ হতে পারে তার উদাহরণ।