আমার প্রিয় পোস্ট
- বর্ষসেরা লেখা সমাচার: মানস চৌধুরীর পোষ্ট ''দেখে'' আমার প্রতিক্রিয়া - রিফাত হাসান
- খালেদা জিয়া: দগ্ধ থেকে বিদগ্ধতা - রিফাত হাসান
- শার্লক হোমস রাজনীতিবিদগণ ও কয়েকটি বিলম্বিত নোট - রিফাত হাসান
- ল্যামপোস্টের আলোয়: আরো কিছু জরুরী কথা-বার্তা - রিফাত হাসান
- ‘জিহাদি বই’ সিন্ড্রোম, ‘শিবির’ সন্দেহে গ্রেফতার এবং অন্যান্য আলাপ - রিফাত হাসান
- রবীন্দ্রবন্দনা: রবীন্দ্রনাথের বিরুদ্ধে - রিফাত হাসান
- সামহোয়ারইনের মডারেশন নীতিমালা: একটি ভিন্ন পর্যবেক্ষণ - রিফাত হাসান
- ইতিহাস তর্কের কাইজ্যা, আদালত অবমাননা ও কুটনৈতিক শিষ্টাচার - রিফাত হাসান
- বিস্তর পরের নোট: ব্লগে আমার দুই বছর পূর্তিতে আড়মোড়া ও কিছু পুরনো আলাপ - রিফাত হাসান
- এক-এগার দ্বিতীয় পর্ব, প্রাণ প্রকৃতি ও ভূখণ্ডের উপর আমাদের নায্য হকের লড়াই এবং একটি পুলিশি রাষ্ট্রের ছায়া - রিফাত হাসান
- সরকারের প্রেসনোট, জননিরাপত্তার প্রেতাত্মা ও হিজবুত তাহরীর - রিফাত হাসান
- রাষ্ট্রের ধর্মবাসনা, দলের ভণ্ডামি, জামাত নেতৃত্বের গ্রেফতার ও অন্যান্য প্রশ্ন - রিফাত হাসান
- বাংলাদেশের 'উত্তর-ঔপনিবেশিক' বিচারকবৃন্দ: ব্লাক স্কিন, হোয়াইট মাস্কস - রিফাত হাসান
- সংবিধান মুদ্রণ ও পুনর্মুদ্রণ ব্যবসায়ীরা - রিফাত হাসান
- কনষ্টিটিউশন পর্যালোচনাঃ সুরঞ্জিতের বক্তব্য অনুযায়ী বাকশাল চতুর্থ সংশোধনীও অবৈধ (পর্ব-৩) - পি মুন্সী
- আমরা নতুন কোনভাবে বিডিআরের ইতিহাস পড়ব - রিফাত হাসান
- খিস্তি ঠাটে ত্রিতাল ভৈরবের জঙ্গনামা: সামহোয়ার নিয়ে আরো কিছু ভণিতা - রিফাত হাসান
- নোটন নোটন পায়রাগুলি ও কয়েক চিরকুট নোট - রিফাত হাসান
- ভাস্কর্য বিতর্ক: কয়েকটি প্রশ্ন ও কিছু ফুটনোট - রিফাত হাসান
- বিশ্বাসীদের অন্তর্ভূক্ত হবার আমন্ত্রণ: আমি কেন গ্রহণ করতে পারছি না প্রিয় সামহোয়ারইন - রিফাত হাসান
- আ টরচার্ড ইমেজ: রেহনুমা আহমেদের ফ্যাসিবাদীতা, ভণ্ডামী ও একটি মিশ্র অনুভূতির থিওরি, তারেক রহমান ও তার মায়ের অপরাধ ও শাস্তি এবং আমাদের নারী ভাবনা - রিফাত হাসান
- একটি প্রাথমিক আলোচনার খসড়া: জামাত, জামাত বিরোধী রাজনীতির বিষয় আশয় ও যুদ্ধাপরাধ রাজনীতি - রিফাত হাসান
- ফাহমিদুল হকের বহুলপঠিত একটি পোস্ট এবং ব্লগের লিখিয়েরা: একটি পর্যবেক্ষণ - রিফাত হাসান
ভাস্কর্য বিতর্ক: কয়েকটি প্রশ্ন ও কিছু ফুটনোট
২০ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৪
ফাজলামোর সমস্যা
ফাজলামোর একটা সীমা থাকা দরকার, এই শিরোনাম দিয়ে একটি পোস্ট দিয়েছিলাম গত পরশু বা তার আগের দিন। এই বাক্যটি দিয়ে আলোচনা শুরু করার পর, অনেকেই বললেন, ফাজলামো শব্দটার কারণে আলোচনাটার ফোকাস এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে। অনেকেই আবার না বোঝার কথা বলে কমেন্টের পর কমেন্ট করে গেলেন, কী কন বুঝাইয়া দেন। কেউ আবার প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে পোস্ট দিলেন, তিনি ফাজলামোটাই করতে চান। এবং তার এই ফাজলামোর স্পৃহা নিয়ে তিনি পোস্টদাতার সাথে বাতচিত করার আগ্রহ রাখেন তার পোস্টে।
এই সব প্রতিক্রিয়ার পর, আমি নিশ্চিত হতে পারলাম, যে পর্যবেক্ষণ নিয়ে আমি আমার পোস্টখানি দিয়েছিলাম, তার সত্য জায়গাটি সত্যই আছে। সেটি হল এই: শুয়োরের বাচ্চা কওমী, ফেনেটিক মোল্লা, বাচ্চা তালিবান এইসব শব্দ দিয়ে যেখানে আলোচনা শুরু এবং সারা হয়, সেই আলোচনার গন্তব্য বা পরিণতি কোনটাই শুভ তো নয়ই, আলোচনাটা বিপথগামী এবং ভয়ঙ্কর। ফাজলামোও বটে। তবে এক্ষেত্রে আমাদের ফাজলামোগুলোকে কেউ ফাজলামো বলে অভিধা দিলে তার ব্যাপারে আমরা জঙ্গী হয়ে ওঠার আওয়াজ তুলি, আর আমাদের ফাজলামোগুলির ব্যাপারে শুয়োরের বাচ্চাগুলো ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলে ওদেরকে জঙ্গী বলে গালি দেই।
একটি আগ্রহউদ্দীপক লাইন
একটি আগ্রহউদ্দীপক লাইন, আজকের প্রথম আলোতে পেলাম। আমাদের লড়াই এমন এক শক্তির সঙ্গে, যারা বোঝে না ফুল কী, সংস্কৃতি কী, গান কী, কবিতা কী-
চারুকলা ইনস্টিটিউটের বকুলতলায় সচেতন শিল্পীসমাজের ব্যানারে কন্ঠশিল্পীদের প্রতিবাদী সংগীতানুষ্ঠানের প্রাক্কালে তারা এরকম উচ্চারণটি করেন।
এই ভাস্কর্য আন্দোলনের সিগনিফিকেন্ট অনুভূতিটারে আমরা নিদ্বিধভাবে স্পর্শ করতে পারলাম, এইবার বোধ হয়। সকল লুকোছাপার পরও, ওরা এই কথাটি উচ্চারণ করে ফেলেছে, যে, এটি একটি লড়াই, তাদের ভাষায়, যারা বোঝে না ফুল কী, সংস্কৃতি কী, গান কী, কবিতা কী- তাদের সঙ্গে। এই বিবৃতিটি ভয়ঙ্কর হলেও, অভিনব ব্যাপার নয়। যাদের আফ্রিকান কালো মানুষের দাসত্বের ইতিহাস এবং আমেরিকায় রেড ইণ্ডিয়ানদের পদানত করার ইতিহাস পড়া আছে এবং এটির রাজনৈতিক পাঠ করেছেন, তাদের কাছে। সেই সময়েও এমন কথাটিই শোনা গিয়েছিল সাম্রাজ্যবাদিদের মুখে। ওরা বোঝে না ফুল কী, সংস্কৃতি কী, গান কী, কবিতা কী। ওরা অসভ্য, তাই ওদের নির্মূল কর, পদানত কর, দাস কর এবং হত্যা কর। কিন্তু বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে এই বাক্যটি শিহরণ জাগানো, এই কারণে যে, এই প্রথম বর্ণচোরা সাম্রাজ্যবাদের গোলাম বর্ণবাদী গোষ্ঠি সরাসরি কোন রাখঢাক না করেই নিজেদের বিবৃতিতে এই আকাঙ্ক্ষার তথ্য প্রকাশ করল। এবং নতুন পরিস্থিতির ডাইনামিজম হলো, ওরা ফকির লালনকে বাউল পরিচয় দিয়ে এমনই এক পেটিবুর্জোয়া, বর্ণবাদী, ফ্যাসিস্ট লড়াইয়ের জন্য আইকন বানালো।
কয়েকটি প্রশ্ন
ভাস্কর্য আন্দোলনের কাহন জানলাম।
এখন ভাস্কর্য এবং সেই সংক্রান্ত জটিলতাটারে বোঝার চেষ্টা করি। ভাস্কর্য বনাম মূর্তি বনাম রাস্ট্র। এ যাবত ব্লগে ভাস্কর্য সংক্রান্ত বেশীরভাগ আলোচনায় উঠে এসেছে মূলত ভাস্কর্য বনাম মূর্তি এবং শুয়োরের বাচ্চা মৌলভি তত্ত্ব ও তৎসম্পর্কিত আমাদের ঘোর ও বিবমিষা। কিন্তু এর সাথে রাষ্ট্রের একটা সম্পর্কের জায়গা আছে যেইটা আমরা বেমালুম ভুলে গেছি। মূলত রাষ্ট্র কোন চরম বা চুড়ান্ত কনসেপ্ট না। নাগরিকের কনসেন্ট, নাগরিকের সাথে একটি অলিখিত চুক্তি, যেইটারে আমরা সোশাল কন্ট্রাক্ট বলতে পারি, সেইটাই রাষ্ট্র গঠনে আপাতত বৈধতা তৈরী করে। এই জায়গায় দাঁড়িয়ে, কিছু প্রশ্ন ছুঁড়ে দিতে ইচ্ছুক আমি সাধারণ্যের কাছে। তারপরেই কথা শেষ করবো।
কিছুদিন আগেই দেশে উৎসবের পরিবেশে শান্তিপূর্ণভাবে হিন্দুদের দূর্গাপুজা পালিত হলো, আবার অন্যদিকে ঢাকায় বিমানবন্দরের সামনে লালনমূর্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ এলো মাদ্রাসার ছাত্রদের পক্ষ থেকে। আমাদের মৌলভিগণ কোথাও কোন দুর্গাপুজার বিগ্রহ মূর্তি ভেঙেছে, এরকম কোন সংবাদ আমরা পাইনি, কিন্তু বিমানবন্দরে লালনের ভাস্কর্য তোলার বিরুদ্ধে তারা আন্দোলন করলো। যদি মূর্তিই এই প্রতিবাদের কারণ হয়ে থাকে, তাহলেতো বিগ্রহই ভাঙার কথা, ভাস্কর্য্য কেন?
এই প্রেক্ষিতে প্রথম প্রশ্নটি দাঁড়ায়: বিমান বন্দর বা হাজ্বীক্যাম্প যাই হোক না কেন, পাবলিক স্পেসের সামনে একটি ভাস্কর্য স্থাপনের প্রশ্ন রাজনৈতিক নাকি শিল্প-সংস্কৃতির ব্যাপার?
যদি রাজনৈতিক ব্যাপার হয়ে থাকে, এবং তাই হওয়া সম্ভব, একটি পাবলিক স্পেসে এই ভাস্কর্য নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় রাস্ট্র কি নাগরিকদের সাথে এই সংক্রান্ত রাজনৈতিক বোঝাপড়া শেষ করেছে?
যদি না করে থাকে, তাহলে কি রাস্ট্র এই জায়গায় দাঁড়িয়ে, নাগরিকদের সাথে তার সোশাল কনট্রাক্ট ভঙ্গ করেছে?
ফুটনোট
ক. শিল্প সংস্কৃতি এইসবের কোনটাই ধোয়া তুলসিপাতা নয়, এসবের রাজনৈতিক পাঠ জরুরী।
খ. ষাট সত্তর দশকে ভারতের প্রভাবশালী নকশাল আন্দোলনের সময় আন্দোলনকারীরা প্রচুর ভাস্কর্য ভেঙেছে। মূর্তি নয় ভাস্কর্য, রবীন্দ্রনাথ প্রমুখ এলিট আইকনদের, এবং এলিট সংস্কৃতির বিরুদ্ধে বৈপ্লবিক অবস্থান নিয়েছে।
গ. আফগানিস্তানে যখন জাতিসঙঘের নিষেধাজ্ঞার কারণে অনাহারে প্রচুর শিশু মারা যাচ্ছিল, জাতিসঙঘ তখন বুদ্ধমূর্তি সঙস্কারের জন্য প্রচুর টাকা নিয়ে হাজির হলো- তালেবানরা তখন বলেছিল, আমাদের মূর্তির দরকার নেই, আমাদের শিশুদেরকে আহার দিন।
কিন্তু তারা মূর্তিকেই অগ্রাধিকার দিলো এবং তালিবানরা মূর্তিটি ভাঙলো। আমরা হৈ হৈ করে উঠলাম একটা মূর্তির জন্য, তাদের শিশুগুলোর জন্য আমাদের কোন অনুভূতিই তৈরী হলো না।
তারা মরলো। বোমায় এবং ক্ষুধায়।
ঘ. এটি কোন ধর্মীয় বিষয় নয়, এটি হল আইকনকে ব্যবহার করে রাস্ট্রের ধর্ম হওনের কাঙ্ক্ষা, যেইটারে প্রতিরোধ করা সব নাগরিকের দায়িত্ব।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ভাস্কর্য, লালন, ফাজলামো ;
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
হিডেন স্ট্রিট বলেছেন:
১ম
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
নাভদ বলেছেন:
২
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
বিডি আইডল বলেছেন:
৩য়
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
হাসিব মাহমুদ বলেছেন:
এ্যালা কন আম্রা কি কর্বো ।
লেখক বলেছেন: এ্যালা কি কর্বেন।
রাশেদ বলেছেন:
"কিছুদিন আগেই দেশে উৎসবের পরিবেশে শান্তিপূর্ণভাবে হিন্দুদের দূর্গাপুজা পালিত হলো, আবার অন্যদিকে ঢাকায় বিমানবন্দরের সামনে লালনমূর্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ এলো মাদ্রাসার ছাত্রদের পক্ষ থেকে। আমাদের মৌলভিগণ কোথাও কোন দুর্গাপুজার বিগ্রহ মূর্তি ভেঙেছে, এরকম কোন সংবাদ আমরা পাইনি, কিন্তু বিমানবন্দরে লালনের ভাস্কর্য তোলার বিরুদ্ধে তারা আন্দোলন করলো। যদি মূর্তিই এই প্রতিবাদের কারণ হয়ে থাকে, তাহলেতো বিগ্রহই ভাঙার কথা, ভাস্কর্য্য কেন?"----------
হ! মোল্লারা সব নাদান ভালো মানুষ!
"যদি রাজনৈতিক ব্যাপার হয়ে থাকে, এবং তাই হওয়া সম্ভব, একটি পাবলিক স্পেসে এই ভাস্কর্য নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় রাস্ট্র কি নাগরিকদের সাথে এই সংক্রান্ত রাজনৈতিক বোঝাপড়া শেষ করেছে?"
--------
উত্তম জাঝা দেয়া হইলো! রাইসু ফেইল!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রাশেদ মন্তব্যের জন্য।
লেখক বলেছেন: একটু অপেক্ষা করতে হয়, তারপরে ঠিক হয়ে যায়।
ত্রিভুজ বলেছেন:
ভাল বলেছেন। প্রিয় পোস্টে গেল।আমারো একটা ফ্রি উপদেশ বা পরামর্শ আছে-
ফ্রি উপদেশ বা পরামর্শ:
আপনি এভাবে না লিখে মূর্তি ভাঙার ইস্যুটাকে নিয়ে গরম গরম কিছু রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়ে ফেললে একটু পপুলার হইতে পারতেন। সুযোগের সঠিক ব্যবহার করতে পারলেন না... ধান্ধাবাজী না শিখলে এই দেশে আপনার কোন ভবিষ্যত নাই।
লেখক বলেছেন: উপদেশ জেনে প্রিত হইলাম। ধন্যবাদ।
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন:
আরে এইতো দেখি লেখা যাচ্ছে!------------------------------
"যদি রাজনৈতিক ব্যাপার হয়ে থাকে, এবং তাই হওয়া সম্ভব, একটি পাবলিক স্পেসে এই ভাস্কর্য নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় রাস্ট্র কি নাগরিকদের সাথে এই সংক্রান্ত রাজনৈতিক বোঝাপড়া শেষ করেছে?"
তাই ত!
ভাস্কর্য নি:সন্দেহে শিল্পের মাধ্যম, কিন্তু ভাস্কর্য কোন ব্যাপারগুলো ধারন করবে আর সে কোথায় বসবে এটা অনিবার্যভাবেই রাজনৈতিক আলাপ।
বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ নাগরিকের কাছে রাষ্ট্রতো এই নিয়ে আগাম অনুমতি চাইনি। রাষ্ট্রক্ষমতায় যারা এসেছেন এতোদিন তারা কি নির্বাচনের আগে এসংক্রান্ত কোন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন নাকি? তাও ত দেন নি। জাতির আপন বৈশিষ্ট্য প্রকাশের শিল্পিত মাধ্যম কোনগুলো হবে কোনগুলো হবে কোনগুলো হবেনা এটা নিয়ে তো কোন আলাপ হয়নি এখনো নাগরিকদের সাথে।
প্রগতিশীলতা কিংবা নান্দনিকতার 'একমেবাদ্বীতিয়ম' সংজ্ঞা কে দেয়?
লেখক বলেছেন: প্রগতিশীলতা কিংবা নান্দনিকতার 'একমেবাদ্বীতিয়ম' সংজ্ঞা কে দেয়?
ঠিক প্রশ্নটিই করেছেন।
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন:
সেই সাথে বলে রাখি-যে চিন্তা থেকে আপনি এভাবে লিখছেন কিংবা আমি প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছি সে চিন্তা করে কিন্তু মাদ্রাসার কিশোর ছাত্ররা 'বাউল ভাস্কর্য' টেনে নামায় নি।
বেচারার নেহাতই ফ্রি লিল্লাহ বোর্ডিং-এর ছাত্র। মাদ্রাসার মুহতামিম বলেছে হয়তো যে ওটা না নামাইলে আখেরাত-কেয়ামত সব শেষ! একদিকে আখেরাত কেয়ামত অন্যদিকে ফ্রি বোর্ডিং- সুতরাং বেচারাদের উপায় ছিলো না।
অন্যদিকে বর্তমান সামরিক-সুশীল জোট সরকার এর মাথায় কোন চিন্তাই ছিলো না। সামরিক এবং সরকারে তাদের প্রতিনিধি 'কনসালট্যান্টরা' তে পশ এরিয়ার বাইরে যারা থাকে তাদের নাগরিকই মনে করেন না। সুতরাং কোন প্রশ্নে রাজনৈতিক বোঝাপড়া করার কথা তাদের মাথায় আসার কথা নয়।
আর সুশীলরা ত এই দেশে নিজেদের প্রগতিশীলতার একমাত্র সংজ্ঞা দেনেওয়ালা মনে করে।
( গতকালই সাংবাদিকতা বিভাগে পড়ুয়া এক বন্ধু আমাকে বলছিল- ''আসলে জার্নালিজম ডিপার্টমেন্ট কলাভবনের অন্যান্য ডিপার্টমেন্টের চেয়ে একটু প্রগতিশীল। আমরা প্রতিবছর নবীন বরণে কপালা তিলক লাগাই, রাখী-টাখি বাধি আরকি। কিন্ত গতবারের আগের বছর দেখাগেলো মাদ্রাসা থেকে আসা পোলাপানগুলা এসব করতে রাজী না। আরেফিন স্যার তো তখনই খেপলো।'' আরেফিন স্যার খেপার কারনে কি হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তা ত এখন জানা কথা, কিন্তু আমি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি আমার বন্ধুর বাক্যের সাজানক্রমের দিকে। প্রথমে সে বলছে যে, জার্নালিম ডিপার্টমেন্ট প্রগতিশীল। তার পরের লাইন এই যে- তারা একটি রাখী-তিলক করে আরকি!) প্রগতীশিলতা কতো সস্তা !
ত যা বলছিলাম- এমনি এক সুশিল আমলার ব্যাক্তিগত আগ্রহেই এই ভাস্কর্যের নির্মান উদ্যোগ। বেচারি মাহবুব জামিল! উদ্বোধন আর হলো না! ফলকে নামটা অন্তত থাকতো! হালকা স্লাইসের মতো একটুকরো রবীঠাকুরের ছবি দেয়ালে, নস্যি নেয়ার মতো বুকে ঝাপসা চেয়ের ছবি, আর কুলকুচি করার মতন বিমুর্ত ভাস্কর্য কিংবা চমৎকার ছককাটা কালার কম্বিনেশনের বিমুর্ত চিত্রকলা দিয়েই ত এদের পুতুপুতু প্রগতিশীলতা বাঁচে! ( 'পুতুপুতু' শব্দটা আজফার হোসেনের কাছ থেকে ধার করলাম।)
সুতরাং এই ভাস্কর্য হলো এক আমলার পুতুপুতু প্রগতিশীলতার ব্যাক্তিগত আগ্রাসন এবং নামফলকে নামের লোভের ফল। এবং ভাস্কর্য ভাঙা হলো কেয়ামতের-আখিরাতের চিন্তায় এবং কতকটা ফ্রি বোর্ডিং-এ খাওয়া দাওয়ার বাধ্যবাধকাতার ফলে।
দুটার কোনোটাতেই আমার চিন্তা সায় দেয় না। যতদুর বুঝলাম আপনার চিন্তাও সায় দেয় না।
তবে ভাস্কর্য ভাঙানেওলাদের বিরুদ্ধে যে কারনে যে আদর্শগত জায়গা থেক কথা বলা হচ্ছে সেটা নিরেট রাজনৈতিক জায়গা। এবং যে জায়গায় দাড়িয়ে কবিতা-গান-ফুল-পাখির সোল এজেন্সি নেয়া হচ্ছে, লালনকে বাউল বানানো হচ্ছে সেই রাজনীতির ফলেই তো এখন দ্বি-দলীয় জোট, সামরিক-সুশীল জোট।
সুতরাং এইখানে আমরা কথা না বলে পারি না।
লেখক বলেছেন: আপনি বেশ গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট তুলে ধরেছেন। সেজন্য ধন্যবাদ। তবে একটু আপত্তি যোগ করতে চাই।
রাষ্ট্রের সাথে নাগরিকের সোশাল কন্ট্রাক্টটাই এমন যে, রাস্ট্র নাগরিকের চয়েজগুলিকে প্রিজার্ভ করবে, তাহলে নাগরিকের আখেরাত চিন্তা এর থেকে বাদ যাবে কেন? আপনি যদি শিল্পে পৌত্তলিক হন, মাদ্রাসার মৌলভি তার আখেরাত বিশ্বাস বিসর্জন দেবে কেন? বরং পরেরটা বৈপ্লবিক, আইকনকে অস্বীকার করার ব্যাপারটা। কথা হচ্ছে, শিক্ষিত মানুষ প্রকাশ করে ভাষায়, পৌত্তলিকতায়, ওরা প্রকাশ করে অস্বীকার করে।
এই দুই বিপরীত চিন্তা এবং রাজনীতির সাথে বোঝাপড়াটা রাষ্ট্রকে করতে হবে। আপনার অন্য বক্তব্যগুলিতে সহমত হলাম।
দ্বীপবালক বলেছেন:
ভাল বলেছেন। নিজের অবস্থানটা খোলাসা করেছেন। যাদের কাছে আগে ব্যাপারটা পরিষ্কার ছিলনা তারা এখন ১ম, ২য়, ইত্যাদি হইবে। অসুবিধা নাই।চালিয়ে যান।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ। না বুঝলেন, সেই কষ্ট কোথায় রাখি।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
দেখুন এই ভাস্কর্য ভাঙা নিয়ে এত জটিল চিন্তা ভাবনা করার কিছুই নেই। শান্ত হোন। ব্যাপারটা খুব সিম্পল। নোংরা রাজনীতির খেলা, যার অস্ত্র কিছু ধর্মব্যবসায়ী। এই লেখাটি পড়তে পারেন। ক্লিক করুন
লেখক বলেছেন: লেখাটা পড়বো। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
১৭ আগস্ট দেশব্যাপী বোমা হামলার পর ঐ মাদ্রাসায় জঙ্গীবাহিনী ধরা পরছিলো্ বিপুল পরিমাণ বিষ্ফোরক দ্রব্যসহ...তাগো বোমার সম্ভাবনাময় হুমকীতে এইবার তাই পুজার মন্ডপ কইমা যাইতেছে শহরে...
একটা ঘটনারে এতো সরল কইরা বিশ্লেষণ কইরা কি বুঝাইতে চাইলেন সেইটা বুঝলাম না। রাষ্ট্রের ভূমিকারে প্রশ্ন করছেন সেইটা বুঝছি...বিমানবন্দরের সামনে ভাষ্কর্য নির্মাণে রাষ্ট্রের ভূমিকা কদ্দূর ছিলো সেইটা আপনেরো জানা আছে নিশ্চয়...এখন এই ভাষ্কর্য ভাঙনের ডাক দিয়া সুবিধাভোগী ধর্ম ব্যবসায়িরা আপনের সাধুবাদ পায়...কিন্তু হজ্জ্ব মিনার বানানের আহ্বান আপনে কিভাবে দেখেন? ঐটার সোশ্যাল কন্ট্রাক্ট কি মওলানা নূররা সরকাররে দিছে!? যা কইবেন সবদিক বিবেচনা কইরাই কওয়া প্রয়োজন মনে হয়...
এরআগে আপনে ইসলামের আইকন বিরোধীতা নিয়া বিশাল বক্তব্য দিছেন...আমি জিগাইলাম মুহাম্মদের আইকনিক সত্ত্বা বিষয়ে আপনের বক্তব্য কি...আপনে পোস্ট পইড়া আমার ফাইজলামী করা নিয়া হাস্যরস করলেন কিন্তু জবাব দেওনের প্রয়োজন অনুভব করলেন না।
আর নকশালবাড়ি আন্দোলন কিম্বা তালেবানগো ব্যখ্যাও অনেক একরৈখিক বিশ্লেষণ বইলাই মনে হইলো...এলিটিস্টগো লগে বিরোধীতায় ঔপনিবেশিক সাম্রাজ্যবাদীগো মূর্তি ভাঙা আর মৌলবাদীগো ভাষ্কর্য ভাঙনরে এক কইরা দেখনটাও একটা ফ্যালাসী ছাড়া আর কিছু না।
লেখক বলেছেন: প্রিয় জামাল ভাস্কর
আপনার এলিট পোশাকখানি খুইলা অবশেষে এখানে কমেন্ট করে বসলেন, সেই কৃতজ্ঞতা রাখি কোথায়। আমি একটু কৃতার্থ হইবার সুযোগ পাইলাম। আমি আপনার পোস্টে গিয়ে কথা বলতে চাই নাই, তার কারণ, আপনার জাত্যাভিমানরে শ্রদ্ধা কইরা। ব্রাহ্মণের জাত মারলে পাপ, ইহ এবং পরকাল দুইটাতেই নরক, এই কথাটি মাইন্যা।
তবে আপনার কমেন্টের পরিপ্রেক্ষিতে কয়েকটি নোট:
১. ভাস্কর্য বানানোর প্রতিবাদে অইটার বিপরীতে মিনার বানানোর দাবীটি উঠে এসেছে মৌলভিদের কাছ থেকে। আমরা নাগরিকরা ভাস্কর্য বানানোর কোন দাবী তুলেছি বলে মনে পড়ে না, কিন্তু মৌলভিরা এখন মিনার বানানোর দাবী তুলছে তো। অই দাবীতে যদি গণভিত্তি তৈরী হয়, তাহলে অই গণভিত্তিটাই সরকারের সাথে নাগরিকের বোঝাপড়া তৈরী করবে।
২. আপনার পোস্ট পইড়া আপনার ফাইজলামী করা নিয়া হাস্যরস ব্যাপারটা কোথায় পাইলেন?
৩. মুহাম্মদের কোন আইকনিক সত্ত্বা নেই। তাই মুহম্মদের ভাস্কর্য বা মূর্তি বা ইবাদত কোনটাই ইসলামে গ্রহণযোগ্য নয়।
৪. শেষ কথাটিতে আপনারে গুলিয়ে ফেললাম। মূর্তি ভাঙ্গা, ভাস্কর্য ভাঙ্গা, এই সব শিল্প আর ধর্মের বিতর্ক- কোনটাই আপনার বিষয় নয় তাইলে। মূর্তি বা ভাস্কর্য আপনি ভাঙ্গার অধিকার রাখেন, কিন্তু মাদ্রাসার ছাত্র যেহেতু অচ্ছ্যুত, তারে আপনি সেই অধিকার দিতে চান না। সেই বর্ণবাদিতা।
রিফাত হাসান বলেছেন:
রাষ্ট্রের কনসেপ্টের জায়গাটি সামান্য বিস্তৃত করলাম।
আপনের পোস্টে আমার পোস্টের উল্লেখ আছে কিন্তু বক্তব্যের কোন উল্লেখ আদায় করতে আমার মন্তব্য করতে হইলো...আর তার পরেও সেইখানে যা কইলেন সেইটা না কইলেও খুব বেশী হেরফের হইতো না। এইটারে আমার কৌতুককর মনোভাব নিয়া বক্তব্য দেওন ছাড়া আর কোন কিছু মনে হয় না।
ব্লাসফেমি শব্দটা ইসলামপন্থী রাজনৈতিকগো কাছে বেশ জনপ্রিয়...এই আইনে মুহাম্মদের আইকনিক ভ্যাল্যু কেরম সেইটা একবার যাচাই করতে অনুরোধ করি আপনেরে...আল্লাহ যদি একমাত্র আইকন হয় তাইলে তার পাঠানো দূতিয়ালি নিয়া এতো কেন তবে আষ্ফালন? যারা এই দেশে মডারেট মুসলিম দাবীদার তারাতো আল্লাহরে এক ধইরাই শেখ মুজিবরে আইকন বানায়...
আইকন হইতে হইলে মূর্তি অথবা কথিত ইবাদত লাগবো এইটা এই সময়ে আইসা কন কেমনে? প্রকাশের ভিন্নতায় বিল ক্লিনটনও আমেরিকায় আইকন হয়...আইকন হয় ম্যারাডোনা...তারা কি পূজনীয় হয়?
মূর্তি যদি রাস্তার যানজটের কারনে ভাঙ্গা হয় তাইলে আপনের বক্তব্য কি? কিন্তু সেই একই মূর্তি যখন একটা অংশের বিশ্বাসের বলি হিসাবে ভাঙ্গা হয় তাইলে আমি অবশ্যই তার প্রতিবাদ জানামু...যদি এই বিশ্বাস হয় আমার নিজের চিন্তার স্বাধীনতার পথে প্রতিবন্ধক তাইলে আমি তার পতন চাইতেও রাজী।
তালেবানরা যখন দাড়ি রাখতে না চাওয়া আফঘানিগো রাস্তায় হত্যা-নির্যাতন করে তখন আমার মনে পড়ে...এরা কেমনে গরীব মানুষগো দিয়া পপি চাষ করাইয়া ignorant বানাইয়া রাখে। এক লাদেন সাহেব তার সম্পত্তি দিয়া যখন পারতো এই মানুষগো হাতে উন্নয়নের উৎপাদনের হাতিয়ার...
লেখক বলেছেন: প্রথমত আমার কোন পোশাক খোলার ব্যাপার নেই। আমি নিজেরে প্রলেটারিয়েট বা এলিট কোনটাই বলি নাই। অইটা আপনের সমস্যা।
দ্বিতীয়ত মৌলভিদেরকে নাগরিকত্বের আওতার বাইরে বলি নাই, আপনাদের ''আদার'' বা যারা বোঝে না ফুল কী, সংস্কৃতি কী, গান কী, কবিতা কী- সেই অর্থে মৌলভি একটা ক্যাটাগরি। নাগরিক অর্থে নয়।
তৃতীয়ত: কনতো তালিবানরা কোন হারামজাদারে দাঁড়ি না রাখতে দেখে মার্ডার করছে?
http://www.rawa.org/beard.htm এই লিংকটা গুতাইয়া দেখতে পারেন...
লেখক বলেছেন: who did not want to be named, এরকম সূত্রে আপনি আরাম পাইতে পারেন। আমি এরকম গুতানিতে নেই।
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন:
না বোঝার কৌতুকটার কথা মনে আছে ত?ওই যে . . .
দোস্তের সাথে এক গেরস্ত বাজি ধরছে যে, ২-এ ২-এ কিভাবে চার হয় এটা বুঝাতে পারলে সে তার হালের গরু দুটো দোস্তকে দিয়ে দেবে। তারপর দোস্ত যতই বুঝায় ততই গেরস্থ বলে- বুঝি নাই।
লেখক বলেছেন: মনে আছে। ![]()
১.
ক্যান আপনের আইকনিক সূত্র প্রয়োজন? যেই "হারামজাদা" আপনের তালিবানী ভাইদের হাতে নিগৃহীত হইছে তারে খোঁজ করবেন?
২.
আইকন বিষয়ে কিছু কইলে জ্ঞান লাভ হইতো...
৩.
ট্যাগিংয়ের ব্যাপারটা তখনি আসে যখন কাউরে আপনের বিপরীতার্থক ভাবেন...তো আমারে যেই বৈশিষ্ট্যে এলিট কইলেন, তাতে আপনের নিশ্চয়ই নন-এলিট অবস্থান আছে বইলা ধারণা করলাম...কিন্তু আপনের অবস্থানরে আমার এলিটিস্ট ছাড়া কোন কিছু কোনকালেই মনে হয় নাই...
৪.
আদার কালচার কইতে যেই আদার ব্যাপারীগো বুঝাইতে চাইলেন...তাগো সম্পর্কে আমার মূল্যায়ন আছে...এইরম ট্যাগিংয়ের কিচ্ছা তারাই করে যুক্তির চাইতে বিশ্বাসরে গুরুত্ব দ্যায় বেশি...
লেখক বলেছেন: ১. কৌতুক বোধ করিলাম।
২. জ্ঞানলাভের ব্যাপারটাও। পুরা আলোচনাটারে বাদ দিয়ে আপনার আইকনোলোজির প্যাঁচালটাতে আগ্রহ পাচ্ছি না আপাতত।
৩. আপনের এলিট অবস্থানটা আপনি নিজে জাহির করছিলেন, আমি না। আমি নিজের ব্যাপারে এমন কোন অবস্থান ঘোষণা করি নাই।
৪. আদার কালচার নয়, ''আদার''।
আপনের কৌতুকাক্রান্ত মুখ দেইখা আমি অবশ্যই আনন্দোত হইলাম...
২.
আইকনের যুক্তিটাই আপনের আগের পোস্টে মুসলিমগো মূর্তি বিরোধীতায় প্রধান উপজীব্য ছিলো। ঐটারে নিয়া এইখানে প্যাচাল পাড়তে আপনের আগ্রহ না থাকলেও আপনের মারফত আমার জ্ঞানান্বেষণের আগ্রহ আছে...
৩.
আমি নিজেরে কখনোই অধঃস্তন ভাবতে ভালোবাসি না, এলিট ভাবতে খারাপ লাগে না। তয় আপনের নন-এলিটিয় অবস্থানের রসাস্বাদনটাও ভালো।
৪.
আপনে যেমনে আদার কালচার কইলেন তাতে আমি অন্য কোন সংস্কৃতি না দেইখা আদার ফুলই দেখতে পাইছি...
রিফাত হাসান বলেছেন:
১. আমিও।২. জ্ঞান অন্বেষণ ব্যাপারটা বেশ উপভোগ্য সন্দেহ নেই।
৩. ভালো হইলে খারাপ না।
৪. বুঝলাম না।
লেখক বলেছেন: আমিও, আপাতত।
মামু বলেছেন:
এটি কোন ধর্মীয় বিষয় নয়, এটি হল আইকনকে ব্যবহার করে রাস্ট্রের ধর্ম হওনের কাঙ্ক্ষা, যেইটারে প্রতিরোধ করা সব নাগরিকের দায়িত্ব।
লেখক বলেছেন: সেটাই। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















