আমার প্রিয় পোস্ট
- বর্ষসেরা লেখা সমাচার: মানস চৌধুরীর পোষ্ট ''দেখে'' আমার প্রতিক্রিয়া - রিফাত হাসান
- খালেদা জিয়া: দগ্ধ থেকে বিদগ্ধতা - রিফাত হাসান
- শার্লক হোমস রাজনীতিবিদগণ ও কয়েকটি বিলম্বিত নোট - রিফাত হাসান
- ল্যামপোস্টের আলোয়: আরো কিছু জরুরী কথা-বার্তা - রিফাত হাসান
- ‘জিহাদি বই’ সিন্ড্রোম, ‘শিবির’ সন্দেহে গ্রেফতার এবং অন্যান্য আলাপ - রিফাত হাসান
- রবীন্দ্রবন্দনা: রবীন্দ্রনাথের বিরুদ্ধে - রিফাত হাসান
- সামহোয়ারইনের মডারেশন নীতিমালা: একটি ভিন্ন পর্যবেক্ষণ - রিফাত হাসান
- ইতিহাস তর্কের কাইজ্যা, আদালত অবমাননা ও কুটনৈতিক শিষ্টাচার - রিফাত হাসান
- বিস্তর পরের নোট: ব্লগে আমার দুই বছর পূর্তিতে আড়মোড়া ও কিছু পুরনো আলাপ - রিফাত হাসান
- এক-এগার দ্বিতীয় পর্ব, প্রাণ প্রকৃতি ও ভূখণ্ডের উপর আমাদের নায্য হকের লড়াই এবং একটি পুলিশি রাষ্ট্রের ছায়া - রিফাত হাসান
- সরকারের প্রেসনোট, জননিরাপত্তার প্রেতাত্মা ও হিজবুত তাহরীর - রিফাত হাসান
- রাষ্ট্রের ধর্মবাসনা, দলের ভণ্ডামি, জামাত নেতৃত্বের গ্রেফতার ও অন্যান্য প্রশ্ন - রিফাত হাসান
- বাংলাদেশের 'উত্তর-ঔপনিবেশিক' বিচারকবৃন্দ: ব্লাক স্কিন, হোয়াইট মাস্কস - রিফাত হাসান
- সংবিধান মুদ্রণ ও পুনর্মুদ্রণ ব্যবসায়ীরা - রিফাত হাসান
- কনষ্টিটিউশন পর্যালোচনাঃ সুরঞ্জিতের বক্তব্য অনুযায়ী বাকশাল চতুর্থ সংশোধনীও অবৈধ (পর্ব-৩) - পি মুন্সী
- আমরা নতুন কোনভাবে বিডিআরের ইতিহাস পড়ব - রিফাত হাসান
- খিস্তি ঠাটে ত্রিতাল ভৈরবের জঙ্গনামা: সামহোয়ার নিয়ে আরো কিছু ভণিতা - রিফাত হাসান
- নোটন নোটন পায়রাগুলি ও কয়েক চিরকুট নোট - রিফাত হাসান
- ভাস্কর্য বিতর্ক: কয়েকটি প্রশ্ন ও কিছু ফুটনোট - রিফাত হাসান
- বিশ্বাসীদের অন্তর্ভূক্ত হবার আমন্ত্রণ: আমি কেন গ্রহণ করতে পারছি না প্রিয় সামহোয়ারইন - রিফাত হাসান
- আ টরচার্ড ইমেজ: রেহনুমা আহমেদের ফ্যাসিবাদীতা, ভণ্ডামী ও একটি মিশ্র অনুভূতির থিওরি, তারেক রহমান ও তার মায়ের অপরাধ ও শাস্তি এবং আমাদের নারী ভাবনা - রিফাত হাসান
- একটি প্রাথমিক আলোচনার খসড়া: জামাত, জামাত বিরোধী রাজনীতির বিষয় আশয় ও যুদ্ধাপরাধ রাজনীতি - রিফাত হাসান
- ফাহমিদুল হকের বহুলপঠিত একটি পোস্ট এবং ব্লগের লিখিয়েরা: একটি পর্যবেক্ষণ - রিফাত হাসান
নির্বাচন, ধর্মনিরপেক্ষতা ও দক্ষিণ এশিয়ায় মার্কিন সমরনীতি: ফরহাদ মজহারের একটি লেখার লিঙ্ক
২২ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৪৮
বাংলাদেশে নির্বাচন, ধর্মনিরপেক্ষতা ও দক্ষিণ এশিয়ায় মার্কিন সমরনীতি বিষয়ে আলোচনা করতে গিয়ে সজিব ওয়াজেদ জয়কে উদ্ধৃত করে ফরহাদ মজহারের এই লেখাটি আমার কৌতুহল জাগিয়েছে। ব্লগের অন্যান্য পাঠকদের জন্য এর ভূমিকাংশটি এবং লিংকটি তুলে দিলাম।
সম্প্রতি Harvard International Review নামক একটি পত্রিকায় সজীব ওয়াজেদ জয় ও কার্ল জে সিওভাক্কো (Carl J. Ciovacco) মিলে একটি নিবন্ধ লিখেছেন। ছাপা হয়েছে ১৯ নভেম্বর ২০০৮ তারিখে। (দেখুন, http:/ http://www.harvardir.org / articles/1784/)।
যে সময়ে লেখাটি ছাপা হয়েছে, বাংলাদেশের নির্বাচনের সময়, বিচার করলে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে এখন যে নির্বাচনী রাজনীতি চলছে তাকে কিভাবে সাজানো হয়েছে বা হচ্ছে সেটা বোঝার জন্য এই লেখাটি পড়া ও বোঝা গুরুত্বপূর্ণ। তা ছাড়া আমি সজীব ওয়াজেদ জয়কেও বুঝতে চাই। বেশ কয়েক বছর আগে তিনি যখন দেশে ফিরছিলেন তখন তাঁর বিরুদ্ধে নানান প্রচারণা চলেছিল। আমি তা নিন্দা করেছি। বিশেষত শেখ হাসিনা নিজের ‘ডাইনেস্টি’ প্রতিষ্ঠা করতে চান এই অপবাদ দিয়ে রাজনীতিতে জয়ের সম্ভাব্য ভূমিকাকে নষ্ট করবার একটা তৎপরতা আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরেই তৎপর ছিল। ‘মানবজমিন’ পত্রিকায় ছাপা আমার বক্তব্য ছিল সোজা। জয় যদি বাংলাদেশের নাগরিক হিশাবে কোন অবদান রাখতে চান, এটা তাঁর অধিকার। (আশা করি তিনি এখনও বাংলাদেশের নাগরিক রয়েছেন, মার্কিন নাগরিক হননি)। তিনি শেখ হাসিনার পুত্র কিংবা শেখ মুজিবুর রহমানের নাতিন্ধ এটা তার দোষ বা অপরাধ নয়। রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হিসেবে তাঁর একটা গ্রহণযোগ্যতা আগেই তৈরি হয়ে থাকা স্বাভাবিক। সেটাও তাঁর দোষ নয়। তা ছাড়া আওয়ামী লীগ বৃদ্ধ ও প্রৌঢ়দের ভারে স্থবির। সেখানে তরুণরা সচলতা আনতে পারেন। একটি রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হয়ে জয় বিদেশে দীর্ঘদিন থেকে কী শিখলেন, কী জানলেন সেটা জানার আগ্রহ অনেকেরই আছে। আমিও ব্যতিক্রম নই। লেখাটি পড়ে আমি বুঝেছি সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের যে নীতি মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়ন করছে, আওয়ামী লীগকে দিয়ে সজীব ওয়াজেদ জয় সেই নীতিই বাস্তবায়ন করার কথা বলছেন। তাঁর রাজনীতি সম্পর্কে আমার ধারণা আরো স্পষ্ট হয়েছে। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, বাংলাদেশের একমাত্র রাজনৈতিক কর্তব্য বা তাঁর ভাষায় 'A Secular Plan' হচ্ছে ইসলামি রাজনীতির বা তাঁর ভাষায় ‘ইসলামিজম’ ঠেকাতে বাংলাদেশে পরিপূর্ণ যুদ্ধে নেমে পড়া। কারণ যাকে নিয়ে বা যেখানে তিনি লেখাটি ছেপেছেন তাতে পরিষ্কার মার্কিন সন্ত্রাস ও যুদ্ধের অধীনে শুধু নয়, এমনকি সন্ত্রাসবিরোধী সামরিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সহায়তায় তিনি তাঁর পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করবার কথা ভাবছেন। (কিংবা তাঁকে দিয়ে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ এই কাজটিই করিয়ে নিতে চাইছে)। আগামী নির্বাচনে আওয়ামী ম্যানিফেস্টো হিশাবে আমরা এই লেখাটি পাঠ করতে পারি। জয়কে ধন্যবাদ দিতে হয় কারণ আগামী দিনে আওয়ামী লীগের রাজনীতি কী হতে যাচ্ছে তার আগাম নমুনা তিনি আমাদের জানিয়েছেন।
জয়ের এই লেখাটি নিয়ে লিখবার কোন প্রয়োজন বোধ করতাম না। বেশ কয়েকট কারণে লেখাটি সম্পর্কে মন্তব্য করতে হচ্ছে। লেখাটিতে তাঁকে শেখ হাসিনার ‘উপদেষ্টা’ হিশাবে পরিচয় দেয়া হয়েছে, যিনি আওয়ামী লীগের প্রেসিডেন্ট। অতএব আমার এই লেখাও আওয়ামী লীগের প্রেসিডেন্ট শেখ হাসিনার একজন উপদেষ্টার নীতিনির্ধারণী লেখার ওপর আলোচনা। একে আমরা উপেক্ষা করতে পারি না। (তবে আশ্চর্য হয়েছি, তিনি যে শেখ হাসিনা ওয়াজেদের পুত্র, সেই তথ্য এই লেখায় তাঁর পরিচিতিতে নাই)।
![]()
শেখ হাসিনার উপদেষ্টা জয়ের সাথে বিশেষ অন্তরঙ্গ মুহূর্তে শেখ হাসিনা
দ্বিতীয় কারণ হচ্ছেন্ধ জয় একলা নন, সঙ্গে আরেকজন লেখক আছেন। আওয়ামী লীগের প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা হিশাবে লিখলে লেখাটি তার একার হওয়াই বাঞ্ছনীয় ছিল। ব্যক্তি হিশাবে তিনি অবশ্য যে কারো সঙ্গেই যৌথ লেখা লিখতে পারেন। তবে আওয়ামী লীগের প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা হিশাবে অন্য কোন উপদেষ্টা বা আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের কারো সঙ্গে লিখলে সেটা ভালো দেখাত। কিন্তু জয়ের লেখার সঙ্গী কার্ল সিওভাক্কোর পরিচয়ে বলা হচ্ছে, তিনি একজন গবেষক এবং তার সাম্প্রতিক গবেষণা থিসিস হচ্ছে আলকায়েদার ‘গণমাধ্যম সংক্রান্ত স্ট্র্যাটেজি’। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধের আলোকে আলকায়েদার বিরুদ্ধে তথ্য ও গবেষণার কাজ এটা। তিনি এই থিসিসটি লিখেছেন সরাসরি মার্কিন সেনা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ওয়েস্ট পয়েন্টের (West Point) একটি বিশেষ গবেষণা কেন্দ্রের জন্য। কেন্দ্রটির নাম Combating Terrorism Center at West Point। মার্কিন সেনাবাহিনী তাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সামরিক ভাবে সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলার জন্য যাদের শিক্ষা দেয় এবং সেখানে যারা গবেষণা করে তাদেরই একজন এই লেখাটির সঙ্গে জড়িত। সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলার জন্য মার্কিন সামরিক নীতি ও কৌশলের সঙ্গে লেখাটির সঙ্গতি বোঝাবার জন্যই দুইজনের লেখা হিশাবে লেখাটি হয়তো ছাপা হয়েছে। যাতে বোঝানো যায় শেখ হাসিনার রাজনীতি মার্কিন সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলার সামরিক রাজনীতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ভাবেই জড়িত। সেই ভাবে লেখাটি পড়বার সুযোগ রয়েছে অবশ্যই। আমরা সেই ভাবেই লেখাটিকে পাঠকদের পড়তে বলব। লেখাটিকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া ছাড়া গত্যন্তর নাই। এটাও পাঠকদের জানা গুরুত্বপূর্ণ যে কার্ল সিওভাক্কো একজন মার্কিন সেনা কর্মকর্তা। তিনি ইরাক ও সৌদি আরবে মার্কিন সেনাদায়িত্বে কর্মরত ছিলেন।...
বিস্তারিত লেখাটি পড়ার জন্য নিম্নের লিঙ্কে:
নির্বাচন, ধর্মনিরপেক্ষতা ও দক্ষিণ এশিয়ায় মার্কিন সমরনীতি
সজিব ওয়াজেদ জয়ের ব্লগস্পটের লিঙ্কটিও আগ্রহীদের জন্য শেয়ার করলাম: http://www.sajeeb.blogspot.com/
প্রকাশ করা হয়েছে: http://sunnitoshia.blogspot.com/ বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
বেয়াকুফ বলেছেন:
জামাত ও রাজাকারের পুস্টে চোখ বুইজা, কিসু না পইড়াই মাইনাস।
লেখক বলেছেন: গুড।
বেয়াকুফ বলেছেন:
--
লেখক বলেছেন: বেয়াকুফগণ মাইনাস দিলে ভালই হয়। তাদের এই জায়গায় না আসাই ভাল।
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন:
হুমম ...ব্লগস্পটের লেখাটি আমি দেখেছি।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে- আওয়ামী লীগ আগামীতে তাদের দলকে কিভাবে দেখতে চায় তার ওপর নির্ভর করবে তারা ''আমেরিকান সেকুলার প্লানার'' জয়ের বক্তব্য কিভাবে নেবে।
লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন।
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন:
ধার করা বুদ্ধিজীবিতার দর্কার নাই। আপনি নিজের বুদ্ধি দিয়া এট্টু বিশ্লেষন যুদি দিতেন।
লেখক বলেছেন: আমার নিজের বুদ্ধি আপনার মত প্রখর না। কথা সত্য।
সাইফ শিশির বলেছেন:
প্রথম কথা হলো->সন্দেহ নাই যে, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলার জন্য মার্কিন সামরিক নীতি ও কৌশল অন্যকথায় মার্কিন সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলার সামরিক রাজনীতি বাংলাদেশকে যে চোখে দেখে তার প্রকাশ এই লেখা।
দ্বিতীয় কথা-
>লেখকদের একজন হলেন বাংলাদেশের একটি রাজনৈতিক দলের প্রধানের পুত্র, যে লেখক এখনো বাংলাদেশের নাগরিক। লেখক সাংগঠনিকভাবে দলটির কেউ কি না সেটি আমার জানা নেই। তবে লেখাটিতে তিনি নিজের পরিচয় দিয়েছেন দলটির প্রধানের উপদেষ্টা হিসেবে। এবং দলটির তাতে আপত্তি নাই।
অর্থাৎ ওই লেখাটির সাথে দলটির রাজনীতির কোনো অমিল নাই।
তৃতীয় কথা-
>এসবই প্রকাশিত লেখাটি এবং লেখকদ্বয়ের পরিচয়ের ওপর ভর করে বলা। আমরা অপেক্ষা করবো আওয়ামী লীগের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ার জন্য। তারা কি সত্যিই ''আমেরিকান সন্ত্রাসবিরোধী অনন্ত যুদ্ধ ব্যাবসার'' ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে টেনে নিয়ে যেতে চায় কি না?
লেখক বলেছেন: সেটি দলটির সভানেত্রীও কারাগার থেকে বের হয়েই ঘোষণা দিয়েছিলেন, মনে থাকবে নিশ্চয়ই আমাদের।
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন:
আমার বুদ্ধি খুবই ভোঁতা, আসলেই ভোঁতা। এসব ইস্যুতে পেইড বুদ্ধিজীবিরা তো তার পেইড মতাদর্শিক ধারণঈ দেবে, তাইনা?
সেজন্যই আপ্নার বিশ্লেষণ জান্তে চাচ্ছিলাম।
লেখক বলেছেন: আপাতত আমার এই বিশ্লেষণটি পছন্দ হচ্ছে। কোন ভীন্নমত যদি তৈরী হয় কখনো, আলাপ করবো নিশ্চয়। আপনার ভীন্নমত থাকলে বলতে পারেন। সেটি জানার জন্যইতো এই পোষ্ট। অর্থাৎ এই বিষয়টিতে একটা আলোচনা তোলার চেষ্টা।
অলস ছেলে বলেছেন:
প্রথমেই, চমৎকার বর্ণনার জন্য ধন্যবাদ।নির্বাক হাসান লেখাটা দিয়েছিলেন, ওখানে যা কমেন্ট করেছিলাম, তাই পেষ্ট করছি, টায়ার্ড লাগছে আবার লিখতে:
অলস ছেলে বলেছেন: ২০০১ এর আগ পর্যন্ত আর্মী রিক্রুট এর ৫% মাদ্রাসা থেকে আসতো। ২০০৬ এর মধ্যে মাদ্রাসা থেকে আর্মী রিক্রুট এর অনুপাত ৩৫%।
ডাটা দেইখা বুঝা শেষ। এখন প্রফেসর এস্কিমোর দায়িত্ব এটা প্রমাণিত করা।
হেতের আম্মারে জরুরী ভিত্তিতে আম্রিকা যাওয়া দরকার। পোলায় মারিজুয়ানা নইলে এলএসডি ধরচে কনফার্ম।
অথবা, আগামী দশকের হামিদ কার্জাই/শালাবী হইবার খায়েশ।
উপদেষ্টা জয় তার আসল চেহারা যখন দেখাইবে, তখনও জাতির ধ্বংসস্তুপের চারপাশে হৈ হৈ রবে শীৎকার করার ভুমিকা এই কাক ভুষুন্ডি আর বেয়াকুফরাই পালন করিবে ইনশাআলালাহ।
লেখক বলেছেন: দুঃখিত, লিঙ্কটি আগে কেউ দিয়েছে জানতাম না, জানলে পুনর্বার দেওয়ার প্রয়োজন ছিল না। আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন:
সুবিধে বা অসুবিধের কথা হলো- জয় নিজের পরিচয় দিয়েছেন বাংলাদেশের একটি রাজনৈতিক দল-প্রধানের উপদেষ্টা হিসেবে। এটা এক দিয়ে অসুবিধের। কারন- বাংলাদেশর একটি রাজনৈতিক দলের উপদেষ্টা যখন দেশের ব্যাপারে আমেরিকান কর্মকৌশলের মকশো করতে বসেন তখন তা সুবিধের কথা নয়।আর সুবিধের কথা হলো- দেশের মানুষ এখন এই নির্বাচনী ইশতেহার টি বিবেচনায় নিতে পারবে। জয় যদি পরিচয়টি না দিতেন এবং তার দল যদি চুপ থেকে সায় না দিত তাহলে এটা সম্ভব হতো না।
যথার্থ পরিচয় না নিয়ে, ছদ্মনামের আড়ালে আলাপ খুব সুবিধের হয় না।
লেখক বলেছেন: হাঁ, সেই কথাটিই গুরুত্বপূর্ণ।
আকাশ সুনীল বলেছেন:
জয় এখন দেখি আমেরিকায় বসে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। সে ইরাকের হামলাকারী এক মার্কিন সামরিক কর্মকর্তার সাথে যৌথভাবে বাংলাদেশ বিরোধী লেখা লিখছে। আওয়ামীলীগ যে বরাবর ই বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বিদেশে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালায় তা আবার প্রমান নয়। জয় তোমার যদি কিছু করার থাকে বাংলাদেশে এসে খেটে খাওয়া মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়ে কিছু কর। বাংলাদেশের মানুষের মনমানসিকতা বুঝ। ধর্ম বাংলাদেশের মানুষের অন্তরের ভিতরে গাথা। তোমার মা ও নির্বাচন আসলে পট্টি বাধে।
দেশের বিরুদ্ধে আর ষড়যন্ত্র কইর না।
লেখক বলেছেন: হুমম..
বেয়াকুফ বলেছেন:
অলস ছেলে, এরকম অলস থাকলে তো হবে না। মাইকেল জ্যাকসনের গেলমান দরকার। পাইতা দেও, শিৎকার পাড়ো, আর পইসা নেওলেখক বলেছেন: আপনার কমেন্টটি মুছলাম না, ব্লকও করলাম না। কিন্তু, আমি আমার ব্লগে এরকম মন্তব্যকে নিরুতসাহিত করি। আশা করি সেটি ভাববেন ভবিষ্যতে।
অলস ছেলে বলেছেন:
আপনার দু:খিত হওয়ার কিছু নেই। আগের লেখাটা শুধু ইংলিশ টেক্সট এর কপি পেষ্ট ছিল। আপনার লেখাটাই দরকার ছিল। আপনাদের মত সুন্দর করে লিখতে পারিনা, তাই লিখিনা। কিন্তু উপদেষ্টা জয়ের মত গুরুত্বপূর্ণ একটা ব্যাপার, আইলসামী করতে পারি না, আজ কাল ছুটি, যদি সম্ভব হয় লেখাটা বাংলা করে রাতে বা কালকে দেবো, এখন ইচ্ছা করছে না।আপনার লেখা আসলেই ভালো হয়েছে। তবে মনে হয়েছে এটা একটা প্রারম্ভিকা। আরও বিস্তারিত এবং বিশ্লেষণ আশা করছি আপনার কাছ থেকে।
বেয়াকুফ, তুমি আইস।
লেখক বলেছেন: আপনার লেখা আসলেই ভালো হয়েছে। তবে মনে হয়েছে এটা একটা প্রারম্ভিকা। আরও বিস্তারিত এবং বিশ্লেষণ আশা করছি আপনার কাছ থেকে।...
আপনার এই ভুল ভাবনার কোন সুযোগ নেই। লেখাটি ফরহাদ মজহারের, আমার নয়। শিরোনামেই কথাটির উল্লেখ করেছি।
অলস ছেলে বলেছেন:
ওহ। বোল্ড করা অংশটুকু ভাল করে না পড়াতে>>>> উল্টা হয়ে গেছে। সরি। আপনিও কিছু লিখেন প্লিজ।
লেখক বলেছেন: দেখা যাক। আগে পড়ছি।
ত্রিভুজ বলেছেন:
খুবই ভয়াভয় কথা... দেখা যাচ্ছে এবারের নির্বাচনের ফলাফলের উপরে বাংলাদেশের মুসলিমদের ভাগ্য নীর্ভর করছে। নির্বাচনটা জেহাদের মত হয়ে যাচ্ছে.....
লেখক বলেছেন: হুমম..
সুন্দর সমর বলেছেন:
ত্রিভুজ বলেছেন: খুবই ভয়াভয় কথা... দেখা যাচ্ছে এবারের নির্বাচনের ফলাফলের উপরে বাংলাদেশের মুসলিমদের ভাগ্য নীর্ভর করছে। নির্বাচনটা জেহাদের মত হয়ে যাচ্ছে.... লেখাটা এই মন্তব্য সহ পড়ুন তা হলে তার সূদুর প্রসারী অর্থ বুঝতে সুবিধা হবে।
লেখক বলেছেন: ঠিক আছে।
ত্রিভুজ বলেছেন:
লেখাটা ইউনিকোডে রুপান্তর করে আমার ব্যাক্তিগত ব্লগে রাখলাম.. যারা নয়াদিগন্তের পেজে পড়তে পারছেন না তাদের জন্য বিশেষ করে...লিংক: http://trivuz.com/blog/?p=175
মকসুদ আলম বলেছেন:
ভালো
লেখক বলেছেন: হমমম..
লেখক বলেছেন: ![]()
মকসুদ আলম বলেছেন:
নতুন প্রবন্ধ লিখছেন না অনেকদিন
বিগব্যাং বলেছেন:
অসাধারণ...মাইন্ড ব্লোয়িং...
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














