আমার প্রিয় পোস্ট

গেরিলা কথাবার্তা

খিস্তি ঠাটে ত্রিতাল ভৈরবের জঙ্গনামা: সামহোয়ার নিয়ে আরো কিছু ভণিতা

১৮ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:১৭

শেয়ারঃ
0 2 0

ব্লগের লিখিয়েরা: পুরনো নোট থেকে

সামহোয়ার নিয়ে এটি আমার তৃতীয় লেখা। প্রথম ফাহমিদুল হকের একটি লেখার আলোচনা করতে গিয়ে এই লেখাগুলোর শুরু। ''খিস্তি ঠাটে ত্রিতাল ভৈরবের জঙ্গনামা'' আমার এই শিরোনামটি সামহোয়ারের সেই উত্থাল মুহূর্তটির কথা মনে করিয়ে দেয়। সেটিতে যা বলেছিলাম তার সারসংক্ষেপ হল: বাংলাদেশের উত্থান মুহূর্তে ভূমিকা পালনকারী দৃশ্যমান দুটি শ্রেণী, বুর্জোয়া মধ্যবিত্ত্বশ্রেণী-উদ্ভূত পলিটিক্যাল এলিট এবং পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত বুদ্ধিবৃত্তির চর্চাকারী ইন্টালেকচুয়াল এলিট; উভয়ের পাকিস্তানী হেজিমনির বিরুদ্ধে যে দৃশ্যত অবস্থান (দৃশ্যত বলা হচ্ছে, কারণ তার ভিতরে একটি সুবিধাবাদী অবস্থানও ছিল), তা বাংলাদেশ-বিপ্লব পরবর্তী সময়ে তার চরিত্রের মৌলিক কোন ট্রান্সফরমেশন ঘটাতে পারে নি। ফলে এই উভয়বিধ শ্রেণী বাংলাদেশ-বিপ্লবের অন্তর্নিহিত মর্মার্থ- হাজার বছরের লড়াই, সংগ্রাম ইত্যাদির ভিতরকার নানা বাঁক, টানাপোড়ন ও শক্তির জায়গাগুলো- ধরতে ব্যর্থ হয়েছে। দ্বিতীয়ত মুক্তিযুদ্ধের বৃহত্তর আবহ নিয়ে অপেক্ষাকৃত তরুণ প্রজন্মের (সংবেদনশীল তরুণদের কথা ব্যতিরেকে) যে জনপ্রিয় আগ্রহ বর্তমানে জারি আছে তাতে উল্লেখিত দুটি শ্রেণীরই ইমেজ বীরসুলভ, পর্যালোচনামূলক নয়। তাই পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের পুনর্গঠনে উভয়ের যে মৌলিক ভূমিকা পালন করার দরকার ছিল, সেটি স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশ অভিজ্ঞতায় প্রবলভাবে অনুপস্থিত।

এই ইতিহাসঅভিজ্ঞতার পরিপ্রেক্ষিতে সামইনে ব্লগারদের লেখালেখি বিষয়ক আমার ব্যক্তিগত মূল্যায়নটা ছিল, ব্লগের গড়পড়তা লিখিয়েরা সকলে ধ্রুপদি গ্রেকো-রোমান এবং সেই সাথে রেনেসাঁস ও এনলাইটেনম্যান্ট আনিত আধুনিকতার মূল মটো ফ্রি উইল, যার ভৌত প্রকাশ মত প্রকাশের স্বাধীনতা বা ফ্রিডম অব এক্সপ্রেশন, এটাকেই ইমিটেশন অর্থে ধারণ করেন। আমি ইমিটেশন বলেছি; ফাহমিদুল হক, যার লেখাকে কেন্দ্র করে সেদিনের সেই আলোচনার অবতারণা, এবং যারা পোস্টটিতে তার পক্ষে বিপক্ষে তখন অবস্থান নিয়েছিলেন, তারাও এই ছদ্ম অবস্থানের কুশিলব।

এই ছদ্ম অবস্থানের কারণেই, ব্লগে বিভিন্ন সময়ে জামাত এবং জামাত বিরোধী অর্থে স্বাধীনতার 'স্বপক্ষ' এবং 'বিপক্ষ' এবং 'নাস্তিক'- 'আস্তিক' ইত্যকার বিতর্কের বিভিন্ন পক্ষসমূহ পরস্পরের মতামত রুদ্ধ করে দেয়ার জন্য যে ধরণের আক্রমণাত্মক ভঙ্গি (ক্ষেত্র-বিশেষে একঘরে করা, বর্জন, ব্যান এবং গালি-গালাজ দিয়ে হেনস্থা) ইত্যাদি অবলম্বন করেছেন, তাতে আমাদের দেশের হালনাগাদ ইন্টেলেকচুয়াল এলিটদের মধ্যে পাকিস্তানি আমলের উল্লেখিত দুই শ্রেণীর ভিতরকার বিরাজমান সার্বিক অপরিপক্কতার বিষয়টিই নতুনভাবে দৃষ্ট হয়। প্রগতিশীলতার বৈশিষ্ট্য হিশেবে 'মত প্রকাশের স্বাধীনতা' নামক যে প্রপঞ্চটি আমরা বহুবার আওড়িয়েছি, সেটির অন্তর্নিহিত অনুপ্রেরণার সম্পূর্ণ বিপরীত আচরণ আমরা প্রদর্শন করেছি এইসব ক্ষেত্রে।

সামহোয়ারইন ব্লগ: কর্তৃপক্ষীয় রাজনীতি

এতো গেল ব্লগের লিখিয়েরা। কিন্তু সামহোয়ারইন ব্লগ আর ব্লগের লিখিয়েরা দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। সামহোয়ার ইন ব্লগের কর্তৃপক্ষীয় রাজনীতির দিক থেকে যে কোন ব্লগীয় তৎপরতা প্রতিষ্ঠান হিশেবে তার অবস্থান এবং টিকে থাকার প্রশ্নের সাথে জড়িত। এই দিকটা বিবেচনা করলে এর মধ্যেই ব্লগে বহু নতুন ঘটনা ঘটেছে যেগুলি তাৎপর্যময় গুরুত্ব বহন করে। অনেকেই বলছেন, সামহোয়ার এই প্রথম প্রতিষ্ঠান হিশেবে নিজের অবস্থান ঘোষণা করেছে। একাত্তরের বাংলাদেশ বিপ্লবের পর একটি ভূখণ্ডের রাষ্ট্র হয়ে ওঠার সাধনা এবং ভাঙচুরের ইতিহাস গুরুত্বপূর্ণ, সেই সাথে রাষ্ট্রের ভিতরে ছোট রাষ্ট্রীয় ফেনোমেনা 'প্রতিষ্ঠান' এর নিজের সত্ত্বা সম্পর্কে সচেতন হয়ে ওঠার চেষ্টা এবং তার চোখা বাঁকগুলোও এই ইতিহাসেরই অংশ হিশেবে গুরুত্বপূর্ণ।

এই ব্যাপারটিকে ধর্তব্যে রেখেই আরো একটি প্রাগ-সতর্কতা। একটি রাজনৈতিক জনগোষ্ঠির জন্য রাষ্ট্রের সাধনা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার সন্দেহ নেই, কিন্তু সেই রাষ্ট্র যখন পোপ হওনের আকাঙ্ক্ষা তথা ধর্মাকাঙ্ক্ষা পোষণ করে তখন এর পেছনে রাষ্ট্রের যে বাসনা ও আগ্রাসী চরিত্র দাঁড়ায় নাগরিকের জায়গা থেকে তার পর্যালোচনা এবং মোকাবেলাও জরুরী হয়ে পড়ে। রাষ্ট্রের যখন ধর্মাকাংক্ষা জাগে, রাষ্ট্রের ভিতরে প্রতিষ্ঠান আর রাষ্ট্রের সম্পর্ক তখন এক জায়গায় এসে সেই ধর্মাকাংক্ষাকে বাঁচানোর জন্য কাজ করে। ফলত প্রতিষ্ঠান নিজের 'প্রতিষ্ঠান' সত্ত্বা সম্পর্কে সচেতন হয়ে ওঠার পর, তার ভিতরে রাষ্ট্রের মতই দানা বাধে ধর্মাকাঙ্ক্ষা। সামহোয়ারেরও এই পর্বটি বেশ কিছুদিন আগে থেকেই শুরু হয়েছে।

প্রথম তার এ চরিত্রটি ধরা পড়ে 'নিরাপদ' 'অনিরাপদ' শ্রেণী বিভাজনের মাধ্যমে। সামহোয়ারইন ব্লগ এর মডারেটরগণ ব্লগারদেরকে 'নিরাপদ' মানে বিশ্বাসী হতে বলছেন এবং তার জন্য তাদের ফোন নাম্বার চেয়েছেন। বিশ্বাসী না হতে পারলে, তাদের পোস্ট সংকলিত পোস্টে সরাসরি স্থান পাবে না। আর ডিফল্ট অনুসারে, সংকলিত পোস্টই আসল পেইজ হিশেবে ভিজিটরদের কাছে উপস্থিত হবে। মানুষ অবিশ্বাসীদের লেখা দেখবে না। অবিশ্বাসীদেরকে, পোস্ট দিয়ে বিনীতভাবে অপেক্ষা করতে হবে, এবং মডারেটরদের যথাযথ সময় হবে যখন, তারপর যথার্থ মডারেশনের পর, যদি দেখেন, সেই অবিশ্বাসী লোকটা ঈমানদারের মতন কাজ করেছেন, রাষ্ট্র, এবং অথরিটির নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে না, তাহলে অবিশ্বাসীর পোস্ট জেল থেকে ছাড়া পাওয়া যেতে পারে। বেশ সিগনিফিকেন্ট এই ঘটনার নিকটবর্তী আগে এবং পরে আরো বহু ঘটনা ঘটেছে, যা সামহোয়ার এর এই পর্বটিকে পর্যালোচনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সর্বসাম্প্রতিক পিলখানার ঘটনায় রাষ্ট্রের ঘোষিত চতুর শোকে ব্লগের কালো কাপড় পরিধান, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে কর্তৃপক্ষীয় তত্ত্বাবধানে পিটিশন লেখালেখি, এমনকি নির্বাচনের আগে বিশেষ ব্যানার টাঙিয়ে ক্ষমতা হেজিমনি তৈরী করা, শ্রেষ্ঠ লেখা নির্বাচন, ষ্টিকি পোষ্টগিরি এবং কিছুদিন আগের বহুল আলোচিত ব্লগের চুড়ান্ত নিয়মাবলীর কঠোর প্রয়োগ, যার মাধ্যমে কারো কারো ভাষায়, বাংলা ব্লগের মাস্তান ''বারো ভুইয়াঁ''র পতন হলো। এমনকি কখনো কখনো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভুল-প্রয়োগ বা অপপ্রয়োগ, যার গুপ্ত হত্যার শিকারও হয়েছেন অনেকেই। তার মধ্যে আমিও আছি (অন্যান্যদের মধ্যে এই মুহূর্তে রাইসু এবং মাহবুব মোর্শেদেরটা আপাতত মনে পড়ছে, তারা এর প্রতিবাদে নিজেরাই স্ব-উদ্যোগী হয়ে ব্লগে তাদের সব পোষ্ট পর্যন্ত মুছে দিয়েছেন)। কর্তৃপক্ষের এইসব কর্মকাণ্ডের একটাই উদ্দেশ্য: ব্লগে কর্তৃপক্ষীয় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা। মজার ব্যাপার হলো, শুরুতে কর্তৃপক্ষীয় নিয়ন্ত্রণের টুলস ছিল সেই ''বারো ভুইয়াঁ'', সেটি ঘটানো হয়েছিল তাদের কর্মকাণ্ডের প্রতি সীমাহীন উদাসীনতায়, তাদের ইচ্ছা অনিচ্ছার হাতে মডারেশন এবং ব্লগের ঘোষিত নীতিমালাকে বাক্সবন্দী করে, বিপরীতে আবার এখন এসে তাদের পতন ঘটানোতেই সেই পোপগিরির পথ খোঁজা হল, নীতিমালার চুড়ান্ত এবং চরম প্রয়োগ ঘটানোর মাধ্যমে। এই উভয়বিধ চরমপন্থাই বিপদজনক বলে মনে করি আমি। এবং মোকাবেলা জরুরী হয়ে ওঠে সামহোয়ার তথা প্রতিষ্ঠানের ধর্মবাসনা।

মনে রাখতে হবে, সামহোয়ার প্রতিষ্ঠান হিশেবে নিজের সত্ত্বা সম্পর্কে সচেতন হয়ে উঠার কালে প্রথমে তার এই বোধটা আসা জরুরী যে, দেশকালের আকাঙ্খা এবং সমাজের রাজনৈতিক সত্ত্বার মাত্রাটাই একটি নির্দিষ্ট স্থানের গণমাধ্যমের সংস্কৃতি ও প্রাকটিসের মূল নির্ধারক। ফলে বাইরের কোন স্বার্থ-উদ্যোগ এবং ক্ষমতা সম্পর্ক বরং এটির প্রাতিষ্ঠানিক স্পিরিটকেও ক্ষতিগ্রস্হ করবে।

প্রসঙ্গ বার ভুইয়াঁ

এই ক্ষেত্রে 'বার ভুইয়াঁ' শব্দবন্ধটি প্রথম ব্যবহার করেছিল মনে হয় বন্ধু ফিউশন ফাইভ। যাই হোক, আপাতত এই শব্দটি ধার করি। আমরা উপরে দুটি দিক আলোচনা করেছি, একটি হল ব্লগের গড়পড়তা লিখিয়েদের বুদ্ধিবৃত্তিক অবস্থান এবং দ্বিতীয়টি প্রতিষ্ঠান হিশেবে সামহোয়ারের কর্তৃপক্ষীয় রাজনীতি। দেখা গেছে ব্লগের বিভিন্ন মুহূর্তের বাঁক এবং ঢেউগুলোর আলোচনাকালে বা রেসপন্স করার সময়ে এই দুটি দিকই মোটামোটি অনালোচিত থেকে যায়, যেটি ছাড়া সঠিক এবং উপযুক্ত অবস্থান ঠিক করা অসম্ভবই মনে করি।

ফলত দেখা যায়, আমাদের বন্ধুরা যখন ব্লগে বার ভুইয়াঁর পতনকে পর্যালোচনা করতে আসেন, তারা এটিকে অকুণ্ঠ সমর্থন জানান এবং ব্লগে এইসব গোষ্ঠীবদ্ধতার কুফল সম্পর্কে লেখালেখি করেন। উভয় পক্ষের মধ্যেই এমনও অনেকে আছেন ব্লগে যাদের ভাষা, প্যাশন এবং অন্যান্য কিছু বিষয়ের আমি গুণমুগ্ধ। যেমন কৌশিক। আর কথিত বার ভুইয়াঁর পালের নেতা হাসিবের প্যাশনেরতো তুলনাই হয় না। যদিও এই প্যাশন সবসময় ব্লগ খবরদারীতে ব্যস্ত থাকত। আমি একদিক থেকে তার এই প্যাশনেরও গুণমুগ্ধ। কিন্তু সেই কারণে নয়, তার বিবিধ ভিলেজ পলিটিক্স এবং ব্যান আন ব্যানের সালিশদারীর বিরোধীতা এবং এইসবের বিরুদ্ধে আমার নীতিগত এবং নৈতিক অবস্থান সত্বেও একজন হাসিবের এই ব্যান এবং যে কারো ক্ষেত্রেই নীতিমালার 'চরম' প্রয়োগ বা অপপ্রয়োগকে অসমর্থন করতে পারি। এই অসমর্থন কোনভাবেই সিনিয়র ব্লগার বা সেলিব্রেটি ব্লগার ইত্যকার ফাজলামোপূর্ণ ফ্যানোমেনায় বুদ হয়ে থাকার সুবিধাবাদিতা নয়। কারণ আমার কাছে ব্লগের লিখিয়েদের সমস্যা কোনভাবেই এই যুথবদ্ধতায় বা গোষ্ঠিবদ্ধতায় বা স্রেফ যুথবদ্ধ খবরদারীর প্রশ্নে সীমাবদ্ধ নয়। এটি বোঝার জন্য আমরা নজর দিতে পারি যারা ব্লগে বারো ভুইয়াঁর পতনে উল্লসিত তারা আবার নিজেরাই অবচেতন যুথবদ্ধতায় অথবা ব্যক্তি চেতনার জায়গায় 'জামাত-শিবির'কে পাশবিকভাবে তাড়ানো এমনকি নিধনের পক্ষে অবস্থান প্রকাশ করেছে গত কয়েকদিন আগেও। তাই, সমস্যাটা যদিও যুথবদ্ধতা বা খবরদারীতে প্রকাশিত হয় কিন্তু তার মৌল চরিত্রটা ধরতে গেলে এই লেখার প্রথম পর্বে আলোচিত বাংলাদেশ বিপ্লবের পর দেশের হালনাগাদ ইন্টেলেকচুয়াল এলিটদের মধ্যে পাকিস্তানি আমলের দুই শ্রেণীর ভিতরকার বিরাজিত সার্বিক অপরিপক্কতা এবং সেই হেতু তৈরী হওয়া ছদ্ম অবস্থানটিরেই ধর্তব্যের মধ্যে আনতে হবে । যেই ছদ্ম অবস্থান এবং চেতনা থেকে প্রতিনিয়ত বার ভুইয়াঁর জন্ম হয়।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): সামহোয়ারব্লগব্লগ পলিটিক্স ;
প্রকাশ করা হয়েছে: ছোটগল্প  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৮ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৩
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন: হ। একটা বিষয় আমি কইছিলাম আগে যে, মডারেশন যদি করতেই হয় সেইটা যাতে স্বতস্ফুর্ত হয়। ব্লগ রাজনীতির মত অমতের ওপর যাতে মডারেশন ভরসা না করে।
১৮ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৭

লেখক বলেছেন: সেটাতো আছেই।

২. ১৮ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:৪১
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন: আপনার আগের পোষ্টুগলোও পড়েছি-লিংকগুলো সব পড়া হয়নি-বেশিরভাগ পড়েছি। কর্তৃপক্ষকে আমি রাজনীতি না বলে সংস্কৃতি হিসেবে উল্লেখ করে একটা পোষ্ট দিয়েছিলাম। যদিও সেটাকে এক অর্থে রাজনীতি বলে উল্লেখ করা যায়। কিন্তু আমি তাকে সংস্কৃতিই বলতে চাই। রাজনীতিকে রাজনীতি বলতে চাই বলে।

তবে আপনার সমালোচনার সাথে একমত।
১৮ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অন্তত একমত হবার জন্য।

৩. ১৮ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:৪২
আরিফ জেবতিক বলেছেন: মূল লেখাটি আপাতত ভালোই লেগেছে , তবে আরেকবার পড়ার পরে পুরো সিদ্ধান্ত টানা যাবে ।

আপাতত একটা তথ্য নিয়ে দ্বিমত পোষন করছি ।
আপনি লিখেছেন :
কর্তৃপক্ষের এইসব কর্মকাণ্ডের একটাই উদ্দেশ্য: ব্লগে কর্তৃপক্ষীয় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা। মজার ব্যাপার হলো, শুরুতে কর্তৃপক্ষীয় নিয়ন্ত্রণের টুলস ছিল সেই ''বারো ভুইয়াঁ'', সেটি ঘটানো হয়েছিল তাদের কর্মকাণ্ডের প্রতি সীমাহীন উদাসীনতায়, তাদের ইচ্ছা অনিচ্ছার হাতে মডারেশন এবং ব্লগের ঘোষিত নীতিমালাকে বাক্সবন্দী করে, বিপরীতে আবার এখন এসে তাদের পতন ঘটানোতেই সেই পোপগিরির পথ খোঁজা হল, নীতিমালার চুড়ান্ত এবং চরম প্রয়োগ ঘটানোর মাধ্যমে।


আমি আপনার লেখায় দেয়া কয়েকটা লিংকে একটু চোখ বুলিয়েও দেখলাম , এবং এতে মনে হয়েছে এই একই ধরনের একটা নিউজ চারিদিকে ছড়ানো হচ্ছে যে , একসময় এই ব্লগে কর্তৃপক্ষের আস্কারায় এ-টিম টিকে ছিল এবং এখন কর্তৃপক্ষ দমন নীতি নেয়ায় তাদের পতন(!) ঘটেছে ।

বিষয়টি কি আদতেই তাই ?
ইতিহাস ঘাটলে আমি দেখতে পাই , এই ব্লগে সর্বাধিক বার ব্যান খাওয়া আঈজুদ্দিন প্রতি সপ্তাহে নতুন নতুন নিক নিয়ে আসতেন ।
এভাবে এটিমের অসংখ্য নিক প্রতি সপ্তাহে ব্যান করা হতো , এবং তার পাশাপাশি সেই ব্লগাররা আবার নতুন নতুন নিক নিয়ে হাজির হতেন । সুতরাং কর্তৃপক্ষের সাথে তাদের এক ধরনের ইঁদুর বেড়াল খেলার দৌড় সবসময়ই ছিল ।

আমি পরিষ্কার ভাবে ধারনা করতে পারি যে কর্তৃপক্ষ বর্তমানে এমন কোন নবুওত প্রাপ্তি ঘটেনি যাতে করে তারা এই প্রক্রিয়া বন্ধ করতে পারেন । নতুন নিক নেয়া কোন কঠিন কাজ নয় সামহোয়্যার ব্লগে ।


হাসিবের ব্যান নতুন কোন ঘটনা নয় , তার এই নিকটি এর আগে কোন ধরনের ঘোষনা ও ব্যাখ্যা ছাড়াই একবছর ব্যান ছিল , সুতরাং
আমি বরং ভাবছি যে এটিমের প্রতি কর্তৃপক্ষ এখন অনেক উদার হয়েছেন , অন্তত তাঁরা ব্যান করার কিছুমিছু একটা কারন বের করে হলেও মেইল করেন । তাঁদের এই ভদ্রতা বোধটুকুর জন্য ধন্যবাদ ।


আপনি যেভাবে দেখছেন যে কর্তৃপক্ষ তাঁর প্রাতিষ্টানিক রূপ পেতে যাচ্ছে , একই জায়গায় দাড়িয়ে আমি দেখতে পাচ্ছি যে এটা ক্রমেই ব্যাক্তিগত দিকে টার্ন নিচ্ছে । এখানে ব্যক্তিগত হৃদ্যতা ও শত্রুতা মডারেশনকে যদি প্রভাবিত করে , তাহলে প্রতিষ্ঠান হয়ে ওঠাটা বরং দিরং হয়ে যায় ।




১৮ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:৩৯

লেখক বলেছেন: ব্যক্তিগত হৃদ্যতা ও শত্রুতা মডারেশনকে যদি প্রভাবিত যদি করে, তাহলে সত্যিই আপনার আশঙ্কাটি সত্য হবে। কর্তৃপক্ষের আসকারা যে ছিল, সেটি প্রত্যক্ষ না হয়ে কখনো কখনো এরকমও হতে পারে যে, মডারেশন এর ব্যাপারটি তাদের যুথবদ্ধ মাস্তানির সফলতা ব্যর্থতার উপর ছেড়ে দেওয়া। শুধু এটিম কেন, ব্যক্তিগত হৃদ্যতা ও শত্রুতা মডারেশনকে প্রভাবিত করছে, এটিকে আপনার মত আমিও সত্য মনে করি নিজের অভিজ্ঞতায়। যদিও আমি নিশ্চিত নই আমার প্রতি কে বা কারা এইরূপ ব্যক্তিগত শত্রুতা মনে পোষণ করাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে, কিন্তু যখন দেখি কর্তৃপক্ষের অটোমডারেশনের 'সাধারণ' থেকে 'নিরাপদ' হয়ে যাওয়ার নির্ধারিত মেয়াদ পার হওয়ার পর আরো বহুত লম্বা সময়, প্রায় এক মাস পর্যন্ত আমি কর্তৃপক্ষের বরাদ্দকৃত স্টেটাস অনুযায়ী অনিরাপদই থাকি, তখন বুঝি যে, অটো মডারেশন-টেশন কিছু না, আরো কিছু জটিল ম্যাকানিজম এখানে আছে।

৪. ১৮ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৯
তরিকুল হুদা বলেছেন: ব্যাপক......................ব্যাপক
১৮ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:০৮

লেখক বলেছেন: হা হা হা, আপনি দেখি ভালই চোরামিপূর্ণ মন্তব্য শিখে গেছেন।

১৮ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:২৩

লেখক বলেছেন: এইটাও। :)

৬. ১৮ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৩৯
সুমন রহমান বলেছেন: বাংলাদেশের উত্থান মুহূর্তে ভূমিকা পালনকারী দৃশ্যমান দুটি শ্রেণী, বুর্জোয়া মধ্যবিত্ত্বশ্রেণী-উদ্ভূত পলিটিক্যাল এলিট এবং পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত বুদ্ধিবৃত্তির চর্চাকারী ইন্টালেকচুয়াল এলিট; উভয়ের পাকিস্তানী হেজিমনির বিরুদ্ধে যে দৃশ্যত অবস্থান (দৃশ্যত বলা হচ্ছে, কারণ তার ভিতরে একটি সুবিধাবাদী অবস্থানও ছিল), তা বাংলাদেশ-বিপ্লব পরবর্তী সময়ে তার চরিত্রের মৌলিক কোন ট্রান্সফরমেশন ঘটাতে পারে নি। ফলে এই উভয়বিধ শ্রেণী বাংলাদেশ-বিপ্লবের অন্তর্নিহিত মর্মার্থ- হাজার বছরের লড়াই, সংগ্রাম ইত্যাদির ভিতরকার নানা বাঁক, টানাপোড়ন ও শক্তির জায়গাগুলো- ধরতে ব্যর্থ হয়েছে। দ্বিতীয়ত মুক্তিযুদ্ধের বৃহত্তর আবহ নিয়ে অপেক্ষাকৃত তরুণ প্রজন্মের (সংবেদনশীল তরুণদের কথা ব্যতিরেকে) যে জনপ্রিয় আগ্রহ বর্তমানে জারি আছে তাতে উল্লেখিত দুটি শ্রেণীরই ইমেজ বীরসুলভ, পর্যালোচনামূলক নয়।

-- ভালো পর্যবেক্ষণ।
১৯ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৫১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সুমন রহমান মন্তব্যের জন্য।

৭. ১৯ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১:০৮
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: প্রতিষ্ঠানও বলা যায়, তবে সামহোয়্যারের সবচেয়ে ইতিবাচক দিক হল তার পেশাদারিত্ব। দিনে দিনে তারা আরো পেশাদার হয়ে উঠছে। সাম্প্রতিক কৃত্রিম অস্থিরতার সময়ও তারা পেশাদারিত্বের পরিচয় রেখেছে। হুটহাট পোস্ট ড্রাফট করে ফেলা, তারপর "আনব্যান অমুক" "আনব্যান তমুক" স্লোগান দিয়ে দিয়ে ব্লগের এ-মাথা থেকে ও-মাথা তড়পানি- এইসব বহু পুরনো কৌশল। এবার দেখলাম, তারা নিজেরাই নিজেদের "সেলিব্রিটি ব্লগার" "জনপ্রিয় ব্লগার" ঘোষণা দিয়ে বিভিন্নজনের ব্লগে ব্লগে গিয়ে মন্তব্য দিচ্ছিল যে, 'আমরা না লিখলে সামু অচল।' তো, সামু অচল হয়নি, বরং নাকে খত দিয়ে দিয়ে সবাই ফিরে এসেছে ব্লগে। হা হা হা....। এমনিতে হাতেগোনা কয়েকজন ছাড়া বাকি সবারই মূল ভিত্তি সামহোয়্যার। সামহোয়্যার ছাড়া এদের পরিচয় "আ বিগ জিরো"। ফলে ফিরে আসতে তারা বাধ্যই। অতি ব্যবহারে একটি অস্ত্রের যে কী করুণ দশা হয়, এই প্রথম তা আমরা দেখলাম। ভবিষ্যতে আরো চমক নিশ্চয়ই অপেক্ষা করছে!

মডারেশন নিয়ে কথা উঠছে। সেটা স্বাভাবিকই। তবে দুনিয়ার কোনো মডারেটরের পক্ষেই কাউকে শতভাগ সন্তুষ্ট করা অসম্ভব। আবার কোনো মডারেটরের পক্ষেই শতভাগ নিরপেক্ষ থাকাও অসম্ভব। ব্লগে এখন যেটা হচ্ছে, তা মূলত এইরকম- আপনার সঙ্গে মিলছে না, তাই মডারেশন পদ্ধতি বদলে ফেলতে হবে। কিন্তু মনে রাখতে হবে, সামহোয়্যার এখন আগের চেয়েও অনেক পেশাদার।

ভালো কথা, হাসিবের ব্যানের জন্য আপনার খুব মায়া হয়, আমারও হয়, কিন্তু বাবুয়ার জন্য কেন নয়? বাবুয়াকে নিয়ে এই ব্লগে কী নোংরা রাজনীতি চলেছে, আপনি জানেন?
১৯ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৪৯

লেখক বলেছেন: প্রথম কথা: 'সামহোয়ার ছাড়া তাদের পরিচয় আ বিগ জিরো', এই অজুহাতে সামহোয়ারের কর্তৃপক্ষীয় নীতি এবং তার প্রয়োগ যদি ফ্যাসিবাদী হয় তার জন্যও একটি প্রতিবাদী অবস্থান দরকার আছে বলে মনে করি। "সেলিব্রিটি ব্লগার" "জনপ্রিয় ব্লগার" ''সিনিয়র ব্লগার'' এই ফাজলামোপূর্ণ শ্রেণীকরণের বাইরে গিয়েই এই অবস্থান আসতে পারে, কিন্তু এর ভিতরে বুদ থেকে এটি সম্ভব নয়। এটি যদি না হয়, তাহলে কর্তৃপক্ষীয় মডারেশনের চেক এণ্ড ব্যালেন্স থাকবে না।

দ্বিতীয়ত: কাউকে সন্তুষ্ট করার প্রশ্ন আসছে কেন? নিরপেক্ষতা এবং ট্রান্সপারেন্সি না থাকলে কেন স্রেফ ফালতু নীতিমালার দোহাই দেবেন?

তৃতীয়ত: হাসিবের ব্যানের জন্য আমার কোন মায়া হয় না। কিন্তু আমার নীতিগত অবস্থান থেকে শুধু হাসিব কেন, ''যে কারো ক্ষেত্রেই নীতিমালার 'চরম' প্রয়োগ বা অপপ্রয়োগকে অসমর্থন করতে পারি'' বলেছি। সেখানে অবশ্যই বাবুয়া বা অন্য অনেকেই আসবেন। খেয়াল করুন, আমি বলেছি, ''তার বিবিধ ভিলেজ পলিটিক্স এবং ব্যান আন ব্যানের সালিশদারীর বিরোধীতা এবং এইসবের বিরুদ্ধে আমার নীতিগত এবং নৈতিক অবস্থান সত্বেও একজন হাসিবের এই ব্যান এবং যে কারো ক্ষেত্রেই নীতিমালার 'চরম' প্রয়োগ বা অপপ্রয়োগকে অসমর্থন করতে পারি।'' বাবুয়াকে নিয়ে এই ব্লগে যে নোংরা রাজনীতি নয় শুধু ''ভিলেজ পলিটিক্স'' চলেছে, তার বিরুদ্ধে অবশ্যই আমার নীতিগত অবস্থান এবং তা অসমর্থন ও প্রতিবাদ করি।

৮. ১৯ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১:১১
সত্যেন্দ্র ছাতু বলেছেন: মাইনাছ দিবাম ছাই বাটন খুজে না পাই।
১৯ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:০৫

লেখক বলেছেন: আপনার মাথার উপরে থেকে ডাইনে গেলে এই বাটনটি পাওয়া যাবে। কবি বলেছেন, একবার না পারিলে দেখ শতবার।

৯. ১৯ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ২:০২
জাতেমাতাল বলেছেন: রিফাত ভাই, দল বেঁধে আপনি আমি সবাই যদি এ বছর আওয়ামীলীগ অথবা পরের বছর দল বেঁধে বি এন পি কে ভোট দিই, তবে ভোটের লাইনে আপনার সাথে তো আমার দেখা হবে, কুশলাদি বিনিময় হবেই-- তো এই যুথবদ্ধতা আপনার কাছে নেতিবাচক কেনো?

আমরা যদি স্বমস্বরে বলতে থাকি দলবাজি খারাপ, গোষ্ঠিতন্ত্র আমরা চাই না, তবে তো তার জন্য আমাদের যুথবদ্ধ দেখাবেই। আপনি চান বা না চান দল পাকিয়ে যাবেই।

দল পাকানো খারাপ নয়, যদি বারো ভুঁইয়ারদের আমরা ব্লগে পয়দা হতে না দেই আর দলবাজি না করি। দলের ভিতরও যদি সমালোচনার জায়গাটা নিরন্তর জারি রাখি। খবরর্দারী যদি প্রশয় না দেই।
১৯ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৩৪

লেখক বলেছেন: দলবাজি বা যুথবদ্ধতারে তো এরকম কিছু বলি নাই যা আপনি বলতে চাইতেছেন? নাকি আপনিও তরিকুল হুদার মতো না পড়ে চোরামি..

১০. ১৯ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ২:১৩
দেশী পোলা বলেছেন: ৩খ. যদি পোস্ট কিংবা ছবিতে ব্যক্তি আক্রমণ, হয়রানিমূলক, কুৎসা রটনামূলক, অশ্লীলতা, কুরুচিপূর্ণ, আপত্তিকর, গালিগালাজ এবং পর্ণগ্রাফি সম্বলিত বক্তব্য কিংবা বিষয় থাকে

এইখানে কুরুচি'র সংজ্ঞা কি? কার কার আপত্তি গ্রহনযোগ্য? এইটা ক্লিয়ার না। কেউ কেউ গালি দিয়ে পার পেয়ে যায়, আবার কারো কারো ঠেস মারা কথা শুনে মডুদের বিবেক-আবেগ চেগিয়ে বসে। আপনার কোন পোস্টকে একজন রুচিবিহীন বললেই সেটাকে ব্যান করা হবে, এটা কেমন কথা? চেচামেচি হলে হোক, একঘরে হলে হোক। ব্যান-আনব্যানের হর্তা-কর্তাদের বিবেকের কাঠি ওঠা-নামা করে কেন?

সমালোচনার কথা মুখে বললেই হবে না, শুনতেও হবে।
১৯ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৪৬

লেখক বলেছেন: ''ব্যান-আনব্যানের হর্তা-কর্তাদের বিবেকের কাঠি ওঠা-নামা করে কেন?'' সেটাই।

১১. ১৯ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:২৫
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: বাহ চমতকার, আপনি যে এত ভালো লিখতে পারেন কখনোই ভাবি নাই। মনে হইতেছে কেউ লিখ্যা দিছে এতই চমতকার। আমি মুগ্ধ, অনেস্টলি। একটু সংশোধনীর জন্য আবেদন। কমরেড লুকালের থিকা বারো ভুইয়া ধার করছেন ভালো কথা। কিন্তু উনার দাবি উনিও নাকি সেইখানে ছিলেন। তাইলে লিখেন লুকাল মাইনাস বারো ভুইয়া কিংবা তেরো ভুইয়া যা থেকে লুকাল নীতিগত কারণে সরে এসেছেন।
১৯ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৫৮

লেখক বলেছেন: ''মনে হইতেছে কেউ লিখ্যা দিছে এতই চমতকার।'' আপনার এই মহামূল্যবান মন্তব্যে আমি মুগ্ধ, অনেস্টলি। ''লুকাল মাইনাস বারো ভুইয়া কিংবা তেরো ভুইয়া যা থেকে লুকাল নীতিগত কারণে সরে এসেছেন।'' ওওও।

১২. ১৯ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৩১
এস্কিমো বলেছেন: মানুষ এতো অবসর সময় পায় কোথায়। পলিট্রিক্সের কথা বলতে গিয়ে পুরা বারোমাসী লিখে ফেলে।
১৯ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৩২

লেখক বলেছেন: আহা, এত ব্যস্ত প্রাণীর এখানে না আসাই উত্তম। কী বলেন!

১৩. ১৯ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:২৭
আরিফ জেবতিক বলেছেন: "এবার দেখলাম, তারা নিজেরাই নিজেদের "সেলিব্রিটি ব্লগার" "জনপ্রিয় ব্লগার" ঘোষণা দিয়ে বিভিন্নজনের ব্লগে ব্লগে গিয়ে মন্তব্য দিচ্ছিল যে, 'আমরা না লিখলে সামু অচল।'

খাইসে ! এরকম দুইচারজনের নাম জানতে ইচ্ছা করছে ।@ ফি.ফা ।
আহা , মানুষ যে কতো ভুল ধারনা নিয়েই বেঁচে থাকে ।


যাক , আপনি যেটা বলছেন , সামহোয়্যারে আপনি পেশাদারিত্বের ছাপ দেখতে পাচ্ছেন , সেটা নিয়ে দ্বিমত এই জায়গায় যে এটাকে আমি পেশাদারিত্ব নয় , বরং পেশাদারিত্ব কায়েমের চেষ্টায় রত দেখতে পাচ্ছি ।
নি:সন্দেহে এটা ইতিবাচক চেষ্টা ।

কিন্তু সমস্যা হচ্ছে পেশাদারিত্ব যখনই আপনি বলবেন , তখনই আপনি একটা নিরপেক্ষ অবস্থান নিতে বাধ্য হবেন ।

এখন কথা হচ্ছে সেটা নিরপেক্ষ অবস্থান নিতে হলে আপনাকে ব্যক্তিগত ক্ষোভ বিদ্বেষের উপরে অবস্থান নিতে হবে , যেটা নিচ্ছে বলে আমার পর্যবেক্ষনে মনে হচ্ছে না ।

একজন মহিলার নামে নোংরা মন্তব্য করা হয়েছে , নীতিমালা মাফিক সেটা গ্রহনযোগ্য নয় । এখন একজন এর প্রতিবাদ করেছে , নীতিমালা মাফিক এই প্রতিবাদটা করার কথা মেইল করে বা ওরকম কোনভাবে , কিন্তু সে এটা ব্লগে লিখেছে ।

এই কারনে যে নোংরা মন্তব্য করেছে এবং যে সেটার প্রতিবাদ করেছে , এই দুই প্রকার মানুষের উপর যদি একই ধরনের শাস্তি প্রয়োগ করা হয় , তাহলে সেটাকে পেশাদারিত্ব বলতে গেলে আমি হেসে ফেলব ।

আর ব্লগ মুছে ফেলাটা তো চরম তুঘলকি শাস্তি ছিল , এটা নীতিমালায় আছে বলে স্মরণ করতে পারলাম না । যদি থাকে , তবু্ এটা করার আপত্তি জানাচ্ছি , আর যদি না থাকে তাহলে ওটা করার জন্য বেশি আপত্তি জানাচ্ছি ।

২০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:২৬

লেখক বলেছেন: আরিফ, আপনার এ মন্তব্যটি যদিও ফিফাকে উদ্দেশ্য করে, অনুমতি দিলে আমিও একটু কথা বলে উঠতে পছন্দ করবো। যেমন, আপনি যদি ঘটিনাটিকে স্রেফ একটি নোংরা মন্তব্যের প্রতিবাদ বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন, তখন আমার কথা বলাটা দরকারী মনে হয়। সামইন কর্তৃপক্ষের ফ্যাসিবাদী হয়ে উঠা এবং তার প্রকাশ হিশেবে চরম পদক্ষেপগুলোর বিরোধীতা করার মানে এই নয় যে, ফিফা কথিত বারো ভুইয়াঁর মাস্তানী এবং ভিলেজ পলিটিক্সরে বৈধ বানাবেন। যেমন সেদিন হাসিব যা করেছিল তাকে স্রেফ নোংরা মন্তব্যের প্রতিবাদ হিশেবে জাহির করা। এমনকি আপনি যখন বলেন যে, ''একজন মহিলার নামে নোংরা মন্তব্য করা হয়েছে , নীতিমালা মাফিক সেটা গ্রহনযোগ্য নয়''- এটিও সেদিনের ব্লগ সালিশকারদের খণ্ডিত বক্তব্য। কারণ, মেয়েদের নিয়ে মন্তব্য করার ব্যাপারে কোন স্পেশাল ক্লজ নেই ব্লগ নীতিমালায়, যেটি আছে সেটি হল যে কোন ব্লগার সম্পর্কে মন্তব্য। শুধু তাই নয়, হাসিব এবং তার সহবন্ধুরা সেইসময় পুরুষ ব্লগারকে গালি দেওয়া সমর্থন এবং নারী, শুধু সেই নারী যে জামাত শিবিরের কেউ নহে, সেই ব্লগারকে গালী দেওয়ার মধ্যে তফাত আবিস্কার করেছেন।

২০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:২৯

লেখক বলেছেন: ''আর হাঁ, ব্লগ মুছে ফেলাটা তো চরম তুঘলকি শাস্তি ছিল।'' পরিপূর্ণভাবে আপনার সাথে সহমত।

১৪. ১৯ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৪২
আরিফ জেবতিক বলেছেন: আমার উপরের মন্তব্যে একটা সিরিয়াস সংশোধনী দরকার হয়ে পড়েছে ।
===============
হাসিব জানিয়েছেন :

আরিফ ভাই,
আমি দুইবার কোন সমস্যাতে ক্লিক করে ঘটনা জানাইছিলাম ।
প্রথমবার জানা কৈলেন সেইটা পান নাই ।
পরে আবার করি ।
তারপরও কোন পদক্ষেপ না নেওয়াতে আমি পোস্ট দেই ।
================
আরেকটু এড করি :

এখানে আমি সদ্য পিকনিক ফেরতা অনেকের কাছেই শুনতে পেলাম যে তাদের জানানো হয়েছে হাসিবের উপর ১৭টা অভিযোগের ভিত্তিতে এই একশন নেয়া হয়েছে ।

এর মানে কি , এই স্পেসিফিক ইস্যুতে ১৭টা কমপ্লেন ? যদি তাই হয় তাহলে ১৭ এর ১০ গুন মানুষ তো তার আনব্যান দাবী করেছে ।
ভোট গুনে মডারেশন হতে পারে না নিশ্চয়ই ।

আর যদি পূর্বতন অভিযোগ হয়ে থাকে , তাহলে বলতে হয় ১৭টা অভিযোগ পর্যন্ত অপেক্ষা করাটাও ব্যর্থতা ছাড়া কিছু নয় ।


উভয় দিক থেকে বিবেচনা করলেও , একে প্রাতিষ্ঠানিকতা বা পেশাদারিত্ব ভাবতে গেলে যে পরিমান রসবোধ সম্পন্ন হতে হয় , ততোটুকু হতে পারছি না ।
২০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৪১

লেখক বলেছেন: স্রেফ অভিযোগের ভিত্তিতে এ্যাকশন নেওয়া কাজের কথা নয়। ব্লগ কর্তৃপক্ষের সেই অভিযোগগুলোর সত্যাসত্য এবং অন্যান্য আপেক্ষিক বিষয় আশয় বিচার করার ক্ষমতা যদি না থাকে, তাহলে কেমনে মডারেটর হবেন আর পেশাদার হবেন?

১৫. ১৯ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:০৭
মকসুদ আলম বলেছেন: তবে একটা কথা ঠিক, আপনি অনেক লিখতে পারেন।
১৯ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৫১

লেখক বলেছেন: এটাও ঠিক, আপনি কমেন্ট করিতে পারেন।

১৬. ২০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:০৭
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: স্যরি। আপনারে আমিও অস্ট্রিয়ান ছাগল রিফাত ভাবছিলাম। সেয় তো ভালো কইরা বাংলা লিখতে পারে না। তবে নিজেরে আপনি দলছুট দাবি করেন নিকি? আপনিও তো নিজেরে একটা দলের এবং একটা গোষ্ঠীর প্রতিনিধি হিসেবে আইডিন্টিফাই করছেন নানা ক্লুয়ের মাধ্যমে। যাউগ্গা। ভালো লিখছেন।
২০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১:০২

লেখক বলেছেন: যাউগ্গা। ধইন্যবাদ আপনারে। আমিতো ভাবছিলাম কোথায় কী, পান্তাভাতে ঘি।

''তবে নিজেরে আপনি দলছুট দাবি করেন নিকি? আপনিও তো নিজেরে একটা দলের এবং একটা গোষ্ঠীর প্রতিনিধি হিসেবে আইডিন্টিফাই করছেন নানা ক্লুয়ের মাধ্যমে।''- নাহ আমি তেমনটি দাবী করছি নাতো।

১৭. ২০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:১০
মাসুদ জাকারিয়া বলেছেন:
ব্যাপক......................ব্যাপক
২০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১:১৩

লেখক বলেছেন: এইরূপ ব্যাপক মন্তব্যের শেষ কোথায়?

১৮. ২০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:১১
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: তয় যাই কন না কন। এইসব বাল ফালাইন্যা কথাবার্তার আসলেই তেমন আউটপুট নাই। সামুতে দেখলাম ব্লগাররা পন্ডিতে ভক্তি করে না, তারা সিম্পল লুকজন পছন্দ করে। আমি বহু পন্ডিতি চুদানো পুস্টাইছিলাম। কেউ দেখি পুছেও না। আবার বালছাল লিখলে দেখি ঠিকাছে, তুরুক- কমেন্ট পাই। বটম লাইন হইতেছে- নানা ধরণের দিকনির্দেশনা তৈরি ও বিশ্লেষণে ঘুম হারাম কইরা কুনু লাভ নাই আসলে। এইখানে ছাগুর মতো লুকও থাকবো, আমরাও থাকুম। সবাই লিখবো। মাঝখানে কিছু শাহবাগ ভিত্তিক বুদ্ধিজীবির কিছু পুস্ট বাড়বো। আর সামু ক্রোনার কামাইবো।
২০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১:২৭

লেখক বলেছেন: হাঁ, আপনে যাই কন না কন, আপনার এই সুমতি বাংলা ব্লগ এর জগতকে ''বাল ফালাইন্যা কথাবার্তা''র পরিবর্তে ''বালছাল'' লেখালেখিতে সমৃদ্ধ করবে। (আপনি যদি ফান করে থাকেন, তাইলে আমিও ফান করেছি, আর আপনি যদি সিরিয়াসলি বলে থাকেন, এটিরে কোনমতেই ফান হিশেবে নেওয়া উচিত হবে না।)

১৯. ২০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:২৯
ফাহমিদুল হক বলেছেন: ভালো পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ।
আপনার অন্তর্দৃষ্টি গভীর, ভাষা মনোহর (যদিও খানিক দুর্বোধ্য) ও ইস্যুকে সামগ্রিক জায়গা থেকে দেখার ক্ষমতা আছে।

আরিফ জেবতিকের মতোই মনে করি, বাবুয়ার ব্যান আর হাসিবের ব্যান সমান নয়। অপরাধের মাত্রা ভিন্ন কিন্তু শাস্তি এক।
তেত্রিশের নিচে সবাই ফেল, এই হিসাবে আর যাই হোক বিচারিক দন্ড হয়না।
এটিম/বারো ভুঁইয়ার ব্যাপারগুলো এখনও হলো না বোঝা। এই রাজনীতিতে যারা যুক্ত বা মুক্ত তাদের ব্যাখ্যা শুনেই চলেছি কেবল।

নির্বাচনের আগ দিয়ে 'দগ্ধমাতা খালেদা' বিষয়ক পোস্টটির কারণে আমি ক্ষুব্ধ ছিলাম। মন্তব্য করতেও ইচ্ছে করেনি।

তাই আপনার বাড়িতে তেমন আসা হতো না। আবার আসা শুরু করেছি।
২০ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৩

লেখক বলেছেন: '''দগ্ধমাতা খালেদা' বিষয়ক পোস্টটির কারণে আমি ক্ষুব্ধ ছিলাম। মন্তব্য করতেও ইচ্ছে করেনি।''--

প্রথমত আপনি শিরোনামটিকে ভুলভাবে কোট করেছেন। দ্বিতীয়ত কারো এই ননসেন্স ক্ষুব্ধতা বা ইচ্ছে অনিচ্ছের ব্যাপারে আমার স্বভাবগত কারণেই কোন আগ্রহ নেই, এই দুটি বিষয়ের বাইরে এসে যদি আপনি বা যে কেউ আমার সাথে আলাপ করতে আসেন, সে ব্যাপারে আমার কোন অনাগ্রহ থাকবে না কথা দিতে পারি। আর আমি এই ব্লগটিরে নিজের বাড়ি মনে করি না, অতটা কাব্য বা রসবোধও আমার নেই। কিন্তু আপনি এখন থেকে কষ্ট করে আমার ব্লগে আসা শুরু করেছেন জেনে আমি অবশ্যই খুশি হয়েছি এবং আনন্দিত। জানিয়ে রাখি, আপনার ব্লগে যাওয়ার ব্যাপারে আমার এরকম কোন মানসিক পরিস্থিতি এবং আপত্তি তৈরী হয়নি।

পরিশেষে আপনার মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ।

২০. ২০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৪৪
মকসুদ আলম বলেছেন: অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: তয় যাই কন না কন। এইসব বাল ফালাইন্যা কথাবার্তার আসলেই তেমন আউটপুট নাই। সামুতে দেখলাম ব্লগাররা পন্ডিতে ভক্তি করে না, তারা সিম্পল লুকজন পছন্দ করে। আমি বহু পন্ডিতি চুদানো পুস্টাইছিলাম। কেউ দেখি পুছেও না। আবার বালছাল লিখলে দেখি ঠিকাছে, তুরুক- কমেন্ট পাই। বটম লাইন হইতেছে- নানা ধরণের দিকনির্দেশনা তৈরি ও বিশ্লেষণে ঘুম হারাম কইরা কুনু লাভ নাই আসলে। এইখানে ছাগুর মতো লুকও থাকবো, আমরাও থাকুম। সবাই লিখবো। মাঝখানে কিছু শাহবাগ ভিত্তিক বুদ্ধিজীবির কিছু পুস্ট বাড়বো। আর সামু ক্রোনার কামাইবো।
২০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১:৩৪

লেখক বলেছেন: উনাকে বলেছিলাম, হাঁ, আপনে যাই কন না কন, আপনার এই সুমতি বাংলা ব্লগ এর জগতকে ''বাল ফালাইন্যা কথাবার্তা''র পরিবর্তে ''বালছাল'' লেখালেখিতে সমৃদ্ধ করবে। (আপনি যদি ফান করে থাকেন, তাইলে আমিও ফান করেছি, আর আপনি যদি সিরিয়াসলি বলে থাকেন, এটিরে কোনমতেই ফান হিশেবে নেওয়া উচিত হবে না।)

২০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১:৩৫

লেখক বলেছেন: কিন্তু আপনার কাজটা কী বুঝলাম না। দোভাষীরতো দরকার নেই।

২১. ২০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১:০৭
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: 'সামহোয়ার ছাড়া তাদের পরিচয় আ বিগ জিরো', এই অজুহাতে সামহোয়ারের কর্তৃপক্ষীয় নীতি এবং তার প্রয়োগ যদি ফ্যাসিবাদী হয় তার জন্যও একটি প্রতিবাদী অবস্থান দরকার আছে বলে মনে করি।

এটা অলরেডি আছে। সাম্প্রতিককালে যেমন ব্লগ মুছে ফেলার বিরুদ্ধে দলমতনির্বিশেষে উল্লেখযোগ্য ঐকমত্য দেখা গেছে। তাতে কর্তৃপক্ষের সাড়াও মিলেছে দ্রুতই। কোনো দল বা কোনো সংঘের এতে ভূমিকা ছিল না। এই প্রতিবাদ ছিল স্বতঃস্ফূর্ত। সুতরাং এ ব্যাপারে নিঃসন্দেহ হওয়া যায় যে, কর্তৃপক্ষের স্বৈর মনোভাব প্রকাশ পেলে তার প্রতিবাদও স্বতঃস্ফূর্তভাবেই গড়ে উঠবে।

কর্তৃপক্ষীয় মডারেশনের চেক এণ্ড ব্যালেন্স থাকবে না।
আমরা যতো চেঁচামেচি করি না কেন, বাংলাব্লগ এখনো বলার মতো কিংবা প্রভাব ফেলার মতো জায়গায় আসেনি। সরল কথা হল, সামহোয়্যার একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে দিয়েছে। আমরা ব্লগাররা সেই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে লেখালেখি করছি, মতবিনিময় করছি। সচলায়তন, প্রথম আলো ব্লগ কিংবা আমারব্লগের উদাহরণ পাশাপাশি রাখলে মতবিনিময় কিংবা মতপ্রকাশের জন্য সামহোয়্যারের কোনো তুলনা হয় না। কিছু ভুল-ভ্রান্তি নিশ্চয়ই মডারেটরদের আছে। তবে বর্তমান মডারেশন সিস্টেম, আমার মতে খুবই উদার। আপনি এখানে এমনকি স্বয়ং কর্তৃপক্ষকে তুলোধুনো করেও প্রায়ই পার পেয়ে যাবেন, ব্যক্তি আক্রমণ মাত্রা ছাড়িয়ে গেলে কোনো কোনো ক্ষেত্রে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ব্লগারসংখ্যা বাড়ার পর সামহোয়্যারের একটি নীতিমালা আছে। ব্লগারদের দাবি মেনে তাতেও বারকয়েক কাটাছেঁড়া হয়েছে। এমন এক স্বর্গরাজ্যে আদতে কোনো আন্দোলন-সংগ্রামের প্রয়োজন পড়ে না। তবু আমরা দেখছি, আন্দোলনের অভাব নেই। বদ্ধ ঘরে বিড়াল প্রহার চলছেই!

বাবুয়া-হাসিব জটিলতা
যদিও সম্পূর্ণই ব্লগের বাইরের একটি ঘটনা, তারপরও বাবুয়া যেহেতু অমার্জিত কিছু শব্দ ব্যবহার করে ফেলেছিলেন, আমরাও চেয়েছিলাম তার শাস্তি হোক। ওই সময়টাতে আমরা অনেকেই নিরব থেকে প্রাণপণে চাইছিলাম যেন ভুল করে হলেও ওই মহিলার নাম কেউ প্রকাশ না করেন। তাতে ওই মহিলাকে আরো বেশি অসম্মান করা হয়। কিন্তু হাসিব স্বয়ং খুব সচেতনভাবে সেই মহিলার নাম প্রকাশ করেছেন। ব্লগের বারো ভূঁইয়া সেই মহিলার নামটি প্রচারে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছিলেন। বাবুয়ার যে অপরাধ, সেই অপরাধে সমান দোষী এরাও। যদিও কর্তৃপক্ষের উদারতায় হাসিব ছাড়া আর সকলেই পার পেয়ে গেছেন। মহিলার সম্মান পুনরুদ্ধার নয়, তাদের মূল লক্ষ্য ছিল বাবুয়ার ওপর প্রতিশোধ নেওয়া। আমার আপত্তিও এই জায়গায়।

এখন প্রায় সব সংবাদপত্রেই দেখবেন, নির্যাতিতা নারীর নাম-পরিচয়-ছবি প্রকাশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এমনকি এখন কিছু কিছু পত্রিকা নির্যাতিতা নারীর স্বজন কিংবা তার সুনির্দিষ্ট ঠিকানাও প্রকাশ করে না। সবকিছুরই লক্ষ্য একটিই, নির্যাতিতা নারীকে যেন শনাক্ত করা সম্ভব না হয় এবং তাকে যেন দ্বিতীয়বার লাঞ্ছিত হতে না হয়।
২২ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৮

লেখক বলেছেন: আপনি ঠিকই বলেছেন, বাংলাব্লগ এখনো বলার মতো কিংবা প্রভাব ফেলার মতো জায়গায় আসেনি। সামহোয়্যার একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে দিয়েছে মাত্র। তাই সামহোয়ারে কর্তৃপক্ষীয় মডারেশন নিয়ে সুখবোধ আর স্বর্গরাজ্যের স্বস্থি নিয়ে বসে থাকার কোন সুযোগ নেই। এটি এমনকি প্রতিষ্ঠান হিশেবে সামইনের জন্যও বিপদজনক। আর হাসিব-বাবুয়া সংক্রান্ত ব্যাপারে আরিফ জেবতিককে দেওয়া উত্তরটি তুলে দিচ্ছি: ''এমনকি আপনি যখন বলেন যে, ''একজন মহিলার নামে নোংরা মন্তব্য করা হয়েছে , নীতিমালা মাফিক সেটা গ্রহনযোগ্য নয়''- এটিও সেদিনের ব্লগ সালিশকারদের খণ্ডিত বক্তব্য। কারণ, মেয়েদের নিয়ে মন্তব্য করার ব্যাপারে কোন স্পেশাল ক্লজ নেই ব্লগ নীতিমালায়, যেটি আছে সেটি হল যে কোন ব্লগার সম্পর্কে মন্তব্য। শুধু তাই নয়, হাসিব এবং তার সহবন্ধুরা সেইসময় পুরুষ ব্লগারকে গালি দেওয়া সমর্থন এবং নারী, শুধু সেই নারী যে জামাত শিবিরের কেউ নহে, সেই ব্লগারকে গালী দেওয়ার মধ্যে তফাত আবিস্কার করেছেন।'' এ বিষয়ে আপনার মতামত কী?

আপনার পরের পর্যবেক্ষণটি ভালো। বিশেষত সংবাদপত্রে নির্যাতিতা নারীর নাম উল্লেখ না করা বিষয়ক চিন্তা। এবং আপনি ঠিকই ধরেছেন, মহিলার সম্মান পুনরুদ্ধার ওদের উদ্দেশ্য ছিল না।

২২. ২০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১:১১
দেশী পোলা বলেছেন: ফিফা বলেছেন: নির্যাতিতা নারীর নাম-পরিচয়-ছবি প্রকাশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এমনকি এখন কিছু কিছু পত্রিকা নির্যাতিতা নারীর স্বজন কিংবা তার সুনির্দিষ্ট ঠিকানাও প্রকাশ করে না। সবকিছুরই লক্ষ্য একটিই, নির্যাতিতা নারীকে যেন শনাক্ত করা সম্ভব না হয় এবং তাকে যেন দ্বিতীয়বার লাঞ্ছিত হতে না হয়।


এটা কবে থেকে হল? দেশের সব সংবাদপত্রে দেখি ধর্ষিতাদের মৃতদেহ নাম ঠিকানা ছবিসহ প্রকাশ পাচ্ছে
২৩. ২০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১:৪৮
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: দেশী পোলা @ আপনি সম্ভবত প্রবাসে থাকেন। তাই হয়তো জানেন না। প্রথম শ্রেণীর প্রায় সবগুলো পত্রিকাই (ব্যতিক্রম কিছু তো আছেই) কঠোরভাবে এই নীতি মেনে চলেন।
২২ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:২০

লেখক বলেছেন: জানলাম। কারণ আমারো ব্যাপারটি জানা ছিলো না।

২৪. ২০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১:৫৭
মেঘ বলেছেন: বাবুয়া ঐ নারীর কাছে না কি মাফ চাইছে

মাফ চাইলেই কি?? যে একবার একজনের শারীরিক কোন ত্রুটি নিয়ে মন্তব্য করতে পারে তার সব ধরনের বিশ্বাসযোগ্যতা ই হারিয়ে যায়- সে কাল আমাকেও বলতে পারে।
২২ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৫

লেখক বলেছেন: উপরে ফিউশন ফাইভ আর আরিফ জেবতিকের কমেন্টের উত্তরে কিছু কথা বলেছি। আপনার সেদিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

২৫. ২০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ২:০৯
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
মেঘ @
ব্লগের বাইরে কতোকিছুই ঘটে আমার-আপনার সবারই। কিন্তু তার বিচার তো ব্লগে হতে পারে না। ব্লগের বাইরের ঘটনা বাইরেই মীমাংসা হয়ে গেছে। তাছাড়া বাবুয়া তার মন্তব্যে সুনির্দিষ্ট কারো নাম উল্লেখ করেননি। হাসিবই প্রথম খুব সচেতনভাবে ব্লগের একজন শ্রদ্ধেয় মহিলা ব্লগারের সুস্পষ্ট নামোল্লেখ করে তাকে চরম অসম্মান করেছেন। এই দুজনের মধ্যে কার অপরাধ বেশি?
২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:২৬

লেখক বলেছেন: গুরুত্বপূর্ণ যদিও, আমি মনে করি, এটির বাইরেও আমি যে বিষয়গুলির কথা বলেছি, আলোচনায় সেইসব কিছুর বিস্তার ঘটানো প্রয়োজন। নইলে এটি স্রেফ আইনী মারপ্যাঁচের কাইজ্জাই থেকে যাবে, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অন্য বিষয়গুলিরে এড়িয়ে যেতে চাওয়ার অভিযোগসহ।

২৬. ২০ শে মার্চ, ২০০৯ ভোর ৪:৩০
জাতেমাতাল বলেছেন: রিফাত ভাই, আপনার অভিযোগ মেনে নিয়ে নতুন করে আপনার পোষ্ট আবার পড়লাম, বেশ কয়েকবার, তাতে লাভ কি হয়েছে তা অবশ্য কইতে পারি না, তবে আপনার আপাত স্ববিরোধের জায়গা থেকে দু একটা প্রশ্ন মাথার মধ্যে পয়দা হইছে।

আপনার আলোচনা থেকেই বলি, —সাধারন ব্লগাররা মত প্রকাশের স্বাধীনতার যথাযথ অনুশীলন না হওয়ার জন্য যদি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে তাদের মত প্রকাশের অধিকার কে নিশ্চিত করতে পারে? নিশ্চয়ই ব্লগ মডারেটর? এ ছাড়া আর কার কাছেই বা সে সাহায্য চাইতে পারে? ব্লগ মডারেটর এ ক্ষেত্রে তার মডারেশন পলিশি অনুসরন করবেন, সাধারন সেই ব্লগারকে তার মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে।

কিন্ত মডারেশন কি শুধু ব্লগ মডারেটরগনই করেন? সামহোয়্যারের বিগত দিনগুলোতে আমরা যা দেখেছি, সমাজের মত ব্লগেও মডারেশন কার্য্যক্রম জারী রাখে সেই সব শক্তি গুলো, যারা দলবাজী আর গোষ্ঠিতন্ত্রের চর্চাকারী। ফলে কর্তৃপক্ষীয় মডারেশনের বাইরেও শক্তিমত্তার কেন্দ্রগুলো কিন্ত ব্লগে আরও রয়ে গেছে—আপনার ভাষায়...... যে ধরণের আক্রমণাত্মক ভঙ্গি (ক্ষেত্র-বিশেষে একঘরে করা, বর্জন, ব্যান এবং গালি-গালাজ দিয়ে হেনস্থা) ইত্যাদি...... এ ধরনের তৎপরতার মধ্য দিয়েও আমরা ব্লগে মডারেশন কর্ম চলতে দেখেছি। সমাজের মতো ব্লগেও আমরা দেখেছি- ক্ষমতার মুলকেন্দ্র যদি শক্তিধর এবং সক্রিয় না হয়, তবে যার যার ব্লগে শক্তি এবং ক্ষমতা আছে— তার পছন্দমাফিক নিয়ম কানুন, বিধি নিষেধ সে কিন্ত ব্লগে আরোপ করতে চাইবেই।

ফলে সিদ্ধান্ত নিতে হবে—মডারেশনের কেন্দ্র হিসাবে আমরা কাদের দেখতে চাই? ঠিক করতে হবে মডারেশনের কেন্দ্রবিন্দু অথবা ক্ষমতার মুলকেন্দ্র কোনটা হবে? ব্লগ কর্তৃপক্ষ? নাকি কোন গোষ্ঠি। বিশেষ কোন গোষ্ঠির ব্লগে উপস্থিতি- যেহেতু ব্লগে পাল্টা গোষ্ঠির প্রতিষ্ঠার ন্যায্যতা তৈরি করবে এবং তা ব্লগে উত্তেজনা এবং হানাহানি এবং দলবাজিকে উৎসাহিত করবে—ফলে শুধু মাত্র কর্তৃপক্ষীয় মডারেশনের পক্ষেই আমাদের অবস্থান নেওয়া উচিত।

এখানে বলে রাখি--কর্তৃপক্ষের নির্বিশেষ মডারেশনএর পক্ষে আমার অবস্থান নয়। মডারেশনএর নীতিমালা কি হবে, কিভাবে তা স্বাধীন মত প্রকাশের এবং একই সাথে তা গালিগালাজ আর অশ্লীল শব্দকে নিষিদ্ধ করার মত সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারবে—এটা অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ একটা আলোচনা, ফলে এটা বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আলাদা পরিসরে আলোচনাটা তুলতে চাই। এই আলোচনাটা আমদের বার বার এবং বিভিন্ন ভাবেই সবার মাঝে তুলতে হবে। আপাতত মডারেশনের কেন্দ্র হিসাবে কর্তৃপক্ষীয় মডারেশনের ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠাই আমাদের এই মুহুর্তের প্রাথমিক করনীয়।

কিন্ত রিফাত ভাই, কর্তৃপক্ষীয় মডারেশন যখন দলবাজি আর গোষ্ঠিতন্ত্রকে উচ্ছেদের লক্ষে সক্রিয় হয় এবং সেই কোপে যখন বারো ভুঁইয়াদের পতন ঘটানো হয়, তখন তা হয়ে যাচ্ছে আপনার ভাষায় ...“সেই পোপগিরির পথ খোঁজা হল, নীতিমালার চুড়ান্ত এবং চরম প্রয়োগ ঘটানোর মাধ্যমে”...। ব্লগকে তখন আপনি রাষ্ট্রের সাথে তুলনা করছেন, শ্রেনী পোপ, সরকার বহুত কিছু এক সাথে টানছেন—ব্লগের মডারেশন নিয়ে আপনার বিস্তর আপত্তি।

হাসিবের ব্যানকে আপনি সমর্থন করতে পারছেন না, নীতিমালার চুড়ান্ত এবং চরম প্রয়োগ ঘটানো হয়েছে বলে। রিফাত ভাই, আপনার কাছে জানতে চাই- এই পোস্টের মন্তব্যের ঘরে পিয়াল যে অশ্রাব্য খিস্তিখেউড় উচ্চারন করেছে, তাকে নীতিমালার চুড়ান্ত এবং চরম প্রয়োগ এর বাইরে ভিন্ন কি পন্থা দিয়ে আপনি নিয়ন্ত্রন করতে চান? এ ক্ষেত্রে মডারেশন ছাড়া কি বিকল্প আপনার হাতে আছে?

সামহোয়্যারের আলোচনা, ব্লগের বাইরে আমাদের বয়োজেষ্ঠ্য শ্রদ্ধাভাজন কিংবা স্নেহাস্পদ দেবদুত সম আত্মজ আত্মজা, আমার কাজের জায়গার অধস্তন সহ অনেকের সাথেই তো আমরা শেয়ার করি, আমাদের ব্লগালোচনার পাঠ নিতে আমন্ত্রন জানাই—তাদের সবার সাথে কম্যুনিকেট করার এটা কি কোন সার্বজনীন ভাষা, পিয়াল এখানে যা স্বাচ্ছন্দের সাথে ব্যবহার করছে?

সাধারন ব্লগার, যাদের কোন গোষ্ঠির বা দলের পৃষ্ঠপোষকতা নাই, তাদের কাছে এটা যদি সুরুচির সেরা উদাহরন না হয়, তবে এখানে সে কর্তৃপক্ষীয় মডারেশনের হস্তক্ষেপ চাইতে পারবে না? এটাকে কি আপনি রাষ্টের পোপগিরির সাথে তুলনা করবেন? নাকি হাসিবের দলবাজির ন্যয্যতা প্রতিষ্ঠা করে বি টিম থেকে জেড টিম খোলার প্রেশক্রিপ্সন দিবেন?

এবং
২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৩৪

লেখক বলেছেন: আপনার দীর্ঘ মন্তব্য পড়ে যা বুঝলাম, আমি আপনাকে আমার অবস্থান পরিস্কার করতে ব্যর্থ হয়েছি। তাই বিষয়গুলো আরো পরিষ্কার করা প্রয়োজন। আপনি বলেছেন, শুধু মাত্র কর্তৃপক্ষীয় মডারেশনের পক্ষেই আমাদের অবস্থান নেওয়া উচিত। সত্যি কথা হলো আপনি মানুন আর নাই মানুন, এটি কর্তৃপক্ষ নিজের হাতে রাখবে, এটাই স্বাভাবিক। এবং এটির বিপক্ষে কোন অবস্থান আমি প্রকাশ করি নাই বলেই আমার বিশ্বাস। প্রশ্নহীন এবং সীমাহীন নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার জন্য যে কোন কর্তৃপক্ষীয় অটোক্রেসির বিষয়ে আমি প্রশ্ন করেছি মাত্র। উপরে ফিউশন ফাইভের মন্তব্যের উত্তরে আমার কথাগুলো হয়ত আপনার কাছে আমার অবস্থান পরিষ্কার করতে সাহায্য করবে।

'সামহোয়ার ছাড়া তাদের পরিচয় আ বিগ জিরো', এই অজুহাতে সামহোয়ারের কর্তৃপক্ষীয় নীতি এবং তার প্রয়োগ যদি ফ্যাসিবাদী হয় তার জন্যও একটি প্রতিবাদী অবস্থান দরকার আছে বলে মনে করি। "সেলিব্রিটি ব্লগার" "জনপ্রিয় ব্লগার" ''সিনিয়র ব্লগার'' এই ফাজলামোপূর্ণ শ্রেণীকরণের বাইরে গিয়েই এই অবস্থান আসতে পারে, কিন্তু এর ভিতরে বুদ থেকে এটি সম্ভব নয়। এটি যদি না হয়, তাহলে কর্তৃপক্ষীয় মডারেশনের চেক এণ্ড ব্যালেন্স থাকবে না। দ্বিতীয়ত: কাউকে সন্তুষ্ট করার প্রশ্ন আসছে কেন? নিরপেক্ষতা এবং ট্রান্সপারেন্সি না থাকলে কেন স্রেফ ফালতু নীতিমালার দোহাই দেবেন? তৃতীয়ত: হাসিবের ব্যানের জন্য আমার কোন মায়া হয় না। কিন্তু আমার নীতিগত অবস্থান থেকে শুধু হাসিব কেন, ''যে কারো ক্ষেত্রেই নীতিমালার 'চরম' প্রয়োগ বা অপপ্রয়োগকে অসমর্থন করতে পারি'' বলেছি। সেখানে অবশ্যই বাবুয়া বা অন্য অনেকেই আসবেন। খেয়াল করুন, আমি বলেছি, ''তার বিবিধ ভিলেজ পলিটিক্স এবং ব্যান আন ব্যানের সালিশদারীর বিরোধীতা এবং এইসবের বিরুদ্ধে আমার নীতিগত এবং নৈতিক অবস্থান সত্বেও একজন হাসিবের এই ব্যান এবং যে কারো ক্ষেত্রেই নীতিমালার 'চরম' প্রয়োগ বা অপপ্রয়োগকে অসমর্থন করতে পারি।'' বাবুয়াকে নিয়ে এই ব্লগে যে নোংরা রাজনীতি নয় শুধু ''ভিলেজ পলিটিক্স'' চলেছে, তার বিরুদ্ধে অবশ্যই আমার নীতিগত অবস্থান এবং তা অসমর্থন ও প্রতিবাদ করি।

আপনি বলেছেন: কর্তৃপক্ষীয় মডারেশন যখন দলবাজি আর গোষ্ঠিতন্ত্রকে উচ্ছেদের লক্ষে সক্রিয় হয় এবং সেই কোপে যখন বারো ভুঁইয়াদের পতন ঘটানো হয়, তখন তা হয়ে যাচ্ছে আপনার ভাষায় ...“সেই পোপগিরির পথ খোঁজা হল, নীতিমালার চুড়ান্ত এবং চরম প্রয়োগ ঘটানোর মাধ্যমে”...।

কিন্তু দেখুন, কর্তৃপক্ষীয় মডারেশন দলবাজি আর গোষ্ঠিতন্ত্রকে উচ্ছেদের লক্ষ্যে সক্রিয় হলে সেটি আমার অসমর্থন পাবে না, এবং আপনি দেখবেন সেই দলবাজি আর গোষ্ঠিতন্ত্রের বিরুদ্ধেই আমার অবস্থান। কিন্তু কয়েকটি কারণে আমি এ বিষয়টিকে ভীন্নভাবে দেখতে আগ্রহী। তার মধ্যে একটি হল আমি এ সংক্রান্ত কর্তৃপক্ষীয় নীতিমালার প্রয়োগটিরে স্বচ্ছ পাই নাই, বরং এটিতে নীতিমালার প্রয়োগের চেয়েও পলিটিক্সই মুখ্য মনে হয়েছে। যার বলি হয়েছেন হাসিবের ভিলেজ পলিটিক্সের শিকার ব্লগার বাবুয়াও। শুধু হাসিব নয়। এবং আমরা এটাও বলেছি যে, কর্তৃপক্ষ এতদিন এই গোষ্ঠির ইচ্ছে অনিচ্ছের হাতেই মডারেশন সহ সবকিছু তুলে দিয়েছিলেন, এবং নিজেরা তাদের হাতের পুতুল থেকেছেন। এখন গোষ্ঠির বদল করতে চাচ্ছেন। নীতিমালার ''চুড়ান্ত প্রয়োগ'' মানে যে কোন শাস্তিমূলক প্রয়োগ নয়, যে অর্থে আমি ব্যবহার করেছি এটিকে, সেটি তার চেয়েও চুড়ান্ত কিছু বুঝায়, ব্লগ মুছে দেওয়াটারে আপনি কি ফ্যাসিবাদিতা মনে করেন না? আর ব্লগকে একটা গোষ্ঠির হাত থেকে উদ্ধার করার পর অন্য আর একটি গোষ্ঠি তৈরী হওয়ার সম্ভাবনাসহ সব পূর্বেকার অবস্থা জারি যদি থেকে যায়, তাহলে এটির বিষয়ে একটি সমালোচনামূলক অবস্থান এবং এর পর্যালোচনা জরুরী বলেই মনে করি। কারণ আমি বিষয়টাকে কোনমতেই স্রেফ দলবাজির সমস্যা এবং একটি গোষ্ঠির ব্লগ খবরদারীর সমস্যা হিশেবে দেখি না। বলেছি, সমস্যাটা যদিও যুথবদ্ধতা বা খবরদারীতে প্রকাশিত হয় কিন্তু তার মৌল চরিত্রটা ধরতে গেলে এই লেখার প্রথম পর্বে আলোচিত বাংলাদেশ বিপ্লবের পর দেশের হালনাগাদ ইন্টেলেকচুয়াল এলিটদের মধ্যে পাকিস্তানি আমলের দুই শ্রেণীর ভিতরকার বিরাজিত সার্বিক অপরিপক্কতা এবং সেই হেতু তৈরী হওয়া ছদ্ম অবস্থানটিরেই ধর্তব্যের মধ্যে আনতে হবে । যেই ছদ্ম অবস্থান এবং চেতনা থেকে প্রতিনিয়ত বার ভুইয়াঁর জন্ম হয়। ব্লগে এই ব্যাপারটিই বোঝার জন্য আমি নজর দিতে বলেছি যারা ব্লগে বারো ভুইয়াঁর পতনে উল্লসিত তারা আবার নিজেরাই অবচেতন যুথবদ্ধতায় অথবা ব্যক্তি চেতনার জায়গায় 'জামাত-শিবির'কে পাশবিকভাবে তাড়ানো এমনকি নিধনের পক্ষে অবস্থান প্রকাশ করেছে গত কয়েকদিন আগেও। এমনকি একজন নারীকে গালী দেওয়াকে কেন্দ্র করেই যদিও এই ঘটনার সূত্রপাত, লক্ষনীয় হলো, এর পক্ষ বিপক্ষের অনেকেই বিভিন্ন সময়ে মত প্রকাশ করেছেন জামাত-শিবিরের সমর্থক কোন নারীকে গালি এবং অপদস্থ করার বিষয়টি তাদের মধ্যে কোন অপরাধের অনুভূতি জন্ম দেয় না, পুরুষদের বিষয়টি বাদই দিলাম।

আপনার উল্লেখিত উপরের মন্তব্যকারী অমি রহমান পিয়ালের বুদ্ধিবৃত্তির স্থর উপরের এই শ্রেণীর অবস্থান থেকে পৃথক মনে করি না। তাই তার এই মন্তব্যের জন্য আমি কখনোই আশা করবো না ব্লগ কর্তৃপক্ষ তার পুরো ব্লগটিই বাতিল করে দেবেন। সেইরকম কিছু হলে আমি তারও ব্যানের বিপক্ষে অবস্থান গ্রহণ করবো, এবং কথা বলবো।

২৭. ২০ শে মার্চ, ২০০৯ ভোর ৪:৩৭
জাতেমাতাল বলেছেন: এবং অতঃপর ব্লগের মডারেশনের দ্বায়ীত্ব আমরা এই সব টিমের হাতে ছেড়ে দিব?
২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৪১

লেখক বলেছেন: না। উপরের উত্তর দ্রষ্টব্য।

২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৪৫

লেখক বলেছেন: এই বড় বড় কমেন্টগুলির মধ্যে আপনার ছোট কমেন্টও বেশী ছোট নয়। :)

২৯. ২০ শে মার্চ, ২০০৯ ভোর ৪:৪১
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন:
এই লেখা কর্তৃপক্ষ কেনো এখনো গাপ করে দেয়নি, তাই ভাবছি! :)
২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৪৬

লেখক বলেছেন: ভাবতে থাকো। :(

২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৪৭

লেখক বলেছেন: ধইন্যবাদ নির্ঝর। নৈঃশব্দ ভাঙছেন। :)

২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৪৮

লেখক বলেছেন: কককককক বাপরে!

৩২. ২০ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৫৭
আলাপ বলেছেন:
আমি কেন যেন রেটিং দিতে পাছিনা। এটা কি কত্তিপক্ষীয় খবরদারীর অংশ? +
২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৫৮

লেখক বলেছেন: নাহ, আমার মনে হয় এটি বাগ। + এর জন্য ধন্যবাদ। আপনার নতুন কবিতা কই?

৩৩. ২০ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:১১
আমিই স্রোত বলেছেন:
বিশাল আলুচনা;
এর মইদ্যে আমার প্রশনো কী খারনে
[-http://www.somewhereinblog.net/blog/srotblog]
এইডারে বাতুল করা অইলো।

এ-টিম খাইলো তিনদিন ব্যান,
আর আমি খাইলাম আজেবোন ব্যান।

আমার নিজের লেখা পুশ্ট, আর আমিই পড়তারিনা, এডিট করতারিনা।
ডিলিট করতারিনা। হোয়াই....
২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:০৯

লেখক বলেছেন: হোয়াই... :(

২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:১৬

লেখক বলেছেন: kemne ki!, ইংরেজী কেন?

৩৫. ২০ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:১৩
মরিয়ম বলেছেন:
বাংলাদেশ বিপ্লবের পর দেশের হালনাগাদ ইন্টেলেকচুয়াল এলিটদের মধ্যে পাকিস্তানি আমলের দুই শ্রেণীর ভিতরকার বিরাজিত সার্বিক অপরিপক্কতা এবং সেই হেতু তৈরী হওয়া ছদ্ম অবস্থানটিরেই ধর্তব্যের মধ্যে আনতে হবে । যেই ছদ্ম অবস্থান এবং চেতনা থেকে প্রতিনিয়ত বার ভুইয়াঁর জন্ম হয়।

সহমত পোষন করা যায় সহজেই।
২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সহমত পোষণ করার জন্য।

৩৬. ২১ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৪৯
আবদুল ওয়াহিদ বলেছেন: সব পোষ্ট দেখে বোঝা গেল যেমন দেশ তেমনই ব্লগ। বিস্তারিত পরে।..
২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৪৪

লেখক বলেছেন: বিস্তারিত বলার পরেই তাইলে আমি বলি, এখন নয়, কী বলেন?

৩৭. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:০৫
এস্কিমো বলেছেন: সবকিছু দেখে মনে হচ্ছে উঠতি বুদ্ধিজীবিদের কোন কামকাজ নাই অখন্ড অবসর সময়ে দাঁদ চুলকিয়ে আরাম করছে এরা।
২৩ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:০০

লেখক বলেছেন: আপনি দেখি বেশ গম্ভীর গম্ভীর গালি দিয়ে যাচ্ছেন। আপনার এই আরাম আমাদেরকে উপভোগ করাতে চাওয়ার মানেটা কী? কথা থাকলে বলে ফেলুন, নইলে স্রেফ চুপ থাকুন। এইরূপ ঠাটসমৃদ্ধ ইশারামূলক গালাগালি অনেকটা সতীনের সাথে ঝগড়ার ভাষা মনে হয়েছে আমার, ফলত আপনার ভাবটাকে আমি সহজভাবে নিতে পারছি না। হয়তো সোজাসোজি একটা গালি দিয়া ফেলান, তারপরে মন ভরে ফূর্তি করতে করতে চলে যাবেন; নয়তো বুক ফুলিয়ে তর্ক করুন। এর একটাও না পারলে স্রেফ চুপ থাকুন। অনুরোধ। ঠাট মারবেন না।

২৩ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৩২

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

৩৯. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:২৪
রিফাত হাসান বলেছেন: কেরামত চৌধুরীর কমেন্ট মুছে দেওয়া হল। এত লম্বা কমেন্ট দরকার নেই। ভবিষ্যতে না করার অনুরোধ করছি, যদি করা হয় তাহলে ব্লক করা হবে।
৪০. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৭
নীতিশ বৈরাগী বলেছেন: আপনার লেখার একটা বিশেষ দিক হইলো যা কইতে চান সেইটা বাদ দিয়া আর সবকিছু কইতারেন। ফ্যাসীবাদের পোটেনশিয়াল শিয়ালরা ধূসরক্ষেত্রেই বসত করেন।
২৩ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:৫১

লেখক বলেছেন: আপনি বৈরাগী মানুষ, এইসব সাংসারিক বিষয় নিশ্চয় আমার থেকে বেশী বুঝবেন।

২৩ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:০১

লেখক বলেছেন: তাই না?

৪১. ২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৩২
আই লাভ ব্লগিং বলেছেন: শেষ প্যারার শেষ লাইনের জন্য প্লাস। এ টীমকে যতই বার ভূইয়া কিংবা অন্যান্য বিশেষণে বিশেষায়িত করা হোক না কেন, আমি মনে করি এটি যতটা না একটি গোষ্ঠী তারচেয়ে অনেক বেশি চেতনা, অন্তত আমার কাছে। আমি নিজে এ টীম মেম্বার না হয়েও এ কথা বলতে পারি, এ টীম মেম্বারদের সামহোয়্যার থেকে বিতারণে আপাতসফল যারা উল্লসিত তারা সম্ভবত চেতনার অমরত্বের ব্যাপারে সচেতন নয়।

আপনার লেখার শুরুর দিকের সাথে একমত নই। কেন নই সেটা অন্য এক দিন বলব। আজ খুব বিজি।:)
২৩ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৫৪

লেখক বলেছেন: ভীন্নমত বিষয়ে শুনতে চাই। তবে, আপনি মনে হয় এটিমকে চেতনা ভাবতে পারায় বেশ আনন্দিত। আমি এই চেতনার নৈরাজ্যকে বিপদজনক ভাবি। আমার পোষ্ট পড়ে নিশ্চয় সেটি বুঝেছেন।

৪২. ২৩ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:৪৮
কার্ল মার্কস বলেছেন: ''মুক্তিযুদ্ধের বৃহত্তর আবহ নিয়ে অপেক্ষাকৃত তরুণ প্রজন্মের (সংবেদনশীল তরুণদের কথা ব্যতিরেকে) যে জনপ্রিয় আগ্রহ বর্তমানে জারি আছে তাতে উল্লেখিত দুটি শ্রেণীরই ইমেজ বীরসুলভ, পর্যালোচনামূলক নয়।'' - গুরুত্বপূর্ণ কথা, বাস্তবতা এটাই। এর পরও জামায়াত, ৭১ ইত্যাদী ইস্যুগুলোর নির্মোহ সিদ্ধান্ত দ্রুত জাতির স্বার্থে জরুরী।
কিন্তু রিফাত হাসান এত কিছুর পরও যাদের লেখায় গালাগালিই সার বস্তু তাদের ব্যান আর ব্লগ মুছে দেওয়ায় আমি খুশি হইছিলাম। এখন বরং তাদের ব্লগ দেখা যাওয়াতে তাদের আবার ফিরে আসার ভয় করতেছি।
২৫ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:০৫

লেখক বলেছেন: আপনার দুটি পয়েন্টই গুরুত্বপূর্ণ। ব্লগ নীতিমালার ট্রান্সপারেন্ট প্রয়োগ আপনার ভয়ের এই ভাবকে স্বস্থি দিতে পারে।

৪৩. ২৪ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৩৮
ফাহমিদুল হক বলেছেন: "কারো এই ননসেন্স ক্ষুব্ধতা বা ইচ্ছে অনিচ্ছের ব্যাপারে আমার স্বভাবগত কারণেই কোন আগ্রহ নেই, এই দুটি বিষয়ের বাইরে এসে যদি আপনি বা যে কেউ আমার সাথে আলাপ করতে আসেন, সে ব্যাপারে আমার কোন অনাগ্রহ থাকবে না কথা দিতে পারি।"

ক্ষুব্ধতা সর্বত্র ননসেন্স হয় কীভাবে?
পাঠকের প্রতিক্রিযাকে এরকমভাবে নাকচ করে দেয়ার মধ্যে লেখকের অসহনশীলতা প্রকাশ পায়।
চেক না করে বলায় ঐ পোস্টের শিরোনাম ভুলভাবে কোট হতে পারে। কিন্তু আমি কেবল পোস্টটাকে চেনাতেই চেয়েছি। খুব বড়ো এদিক ওদিক হলে দুঃখিত।
২৫ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:২৩

লেখক বলেছেন: ফাহমিদ ভাই, পাঠকের প্রতিক্রিয়াকে নাকচ করে দেওয়া নয়, কোন সুষ্পষ্ট অবস্থানে এবং বিতর্কে না থেকে স্রেফ ক্ষুব্ধতা এবং ইচ্ছে-অনিচ্ছে প্রকাশের ব্যাপারটারে হয় অতি-সরলতা আর অপরিপক্কতা, নয় ফাজলামো মনে করি। যেমন একজন এখানে এসে যদি বলে, ''আপনার পোষ্টে এসে কথা বলতে রূচিতে বাধছে।'' আমি এটিরে অপরিপক্কতা এবং ফাজলামো দুটোই মনে করি।

এখানে পাঠকের প্রতিক্রিয়াকে বরং আলোচনায় উসকে দিতে গিয়েই এটিরে ননসেন্স বলেছি। লেখকের অসহনশীলতা কোথায় পেলেন? পাঠকের অসহনশীলতাই দেখিয়ে দিলাম মাত্র।

৪৪. ২৪ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:০১
এস্কিমো বলেছেন: এস্কিমো বলেছেন: সবকিছু দেখে মনে হচ্ছে উঠতি বুদ্ধিজীবিদের কোন কামকাজ নাই অখন্ড অবসর সময়ে দাঁদ চুলকিয়ে আরাম করছে এরা।

- আপনি মনে হয় রেগে গেছেন। আমিতো "উঠতি বুদ্ধিজীবি"দের কথা বললাম। আপনি কি উঠতি বুদ্ধিজীবির শ্রেনীতে পড়েন নাকি?
২৪ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৩

লেখক বলেছেন: নারে ভাই, আমি নিজেরে বুদ্ধিজীবি শ্রেণীরই কোন প্রাণী মনে করি না, উঠতি বুদ্ধিজীবি বা পড়তি বুদ্ধিজীবির শ্রেণীকরণ এর পরের ব্যাপার। কিন্তু আপনি আমারে স্বগোত্রীয় ভেবে ঠাট দেখালেনতো, আপনার স্বগোত্রীয় হওয়া আর এমত কারণে ঠাটপ্রদর্শন- দুটোই আমার জন্য বিব্রতকর। যাই হোক, আপনার এমত তৎপরতার হেতু জানতে পারি কি, মহাত্মা (উঠতি বা পড়তি বুদ্ধিজীবি) এস্কিমো মহাশয়?

৪৫. ২৫ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১:৫৯
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: রিফাত ভাই, বলব না বলব না করেও বলছি। এই সব কথা অরন্যে রোদন। খামাখা সময় নষ্ট।

স্যরি। কিছু মনে করবেন না।
২৫ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৭

লেখক বলেছেন: না। কিছু মনে করলাম না।

২৯ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:১০

লেখক বলেছেন: কিন্তু অরণ্যে রোদন মনে করার কারণ কি আপনার, শুনতে চাই।

৪৬. ২৫ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:২৫
প্রতিদিন বলেছেন: ওহহো এচকিমুর দাঁদ চুলকায়। :)
২৬ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:১৯

লেখক বলেছেন: নাহ, গুণী মানুষজনরে নিয়ে এইসব বলতে নেই।

৪৭. ২৫ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৪৩
আবদুল ওয়াহিদ বলেছেন:

হুমম..
চুলকানি লাগার মতো লেখা হতে পারে।

এটা কি ব্লগীয় সংস্কৃতির পোষ্ট মর্টেম?
২৬ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:২৫

লেখক বলেছেন: কী কইলেন?

২৬ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:০৩

লেখক বলেছেন: এটা কি ব্লগীয় সংস্কৃতির পোষ্ট মর্টেম?- আব্দেল ওয়াহিদ, এই বাক্যটা খোলাসা করেন। :)

৪৮. ২৬ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৮:০৯
ফাহমিদুল হক বলেছেন: রিফাত ভাই, সরাসরি ক্ষোভ প্রকাশও পাঠপরবর্তী প্রতিক্রিয়ার একটি ধরন। যেমন আমি কেবল সেই পোস্টে 'মাইনাস' বলেও চলে আসতে পারতাম। আপনি হয়তো তা মানেননা।

ক্ষোভ প্রকাশের সেই ধরনকে লেখক যখন 'অপরিপক্বতা' ও 'ফাজলামো' বলে মনে করেন তখন মনে হয় লেখকের সহিষ্ণু সেল্ফকে পরাস্ত করে অতি-আত্মবিশ্বাসী ও দুর্বিনীত সেল্ফ সামনে তড়পাতে ব্যস্ত। ব্লগের মতো মিথস্ক্রিয়ামূলক জায়গায় তা লেখকের জন্য ক্ষতিকর, অথচ পাঠকের তাতে কিছুই যায় আসেনা।

শুভার্থীর শুভেচ্ছা।
২৬ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৪৯

লেখক বলেছেন: এটি যে প্রতিক্রিয়ার একটি ধরণ, তাতো বটেই। কিন্তু এই ধরণের প্রতিক্রিয়া স্রেফ প্রতিক্রিয়াশীলতাকেই নির্দেশ করে বলে মনে করি। সামহোয়ার প্লাস মাইনাসের অপশন রেখেছে, তাই এটি আপনি স্বচ্ছন্দে প্রয়োগ করতে পারেন। কিন্তু গুরুত্ত্বপূর্ণ তর্ক-বিতর্ক এবং আলোচনাকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য এটিরেও সাহায্যকারী ভাবি না। বিশেষত যখন আপনার ভিন্নমত আছে আমার কোন লেখার বিষয়ে, সেই ভিন্নমতটি জানার এবং আলোচনা শোনা দরকার আছে বলেই মনে করি। কিন্তু পছন্দ অপছন্দ বা ক্ষুব্ধতা ভিন্নমত নয়, প্রতিক্রিয়াশীলতা। তাকে তর্ক আগায় না, কাইজ্জা হয়। এটিরে আপনি ভাল মনে করেন?

আপনাকেও শুভেচ্ছা।

৪৯. ২৯ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:২৫
ফারহান দাউদ বলেছেন: পোস্ট-মন্তব্য সবই পড়লাম,এর বাইরে বলার মত কিছু পেলাম না নিজে থেকে,মোটামুটি সব পয়েন্টই এসে গেছে মনে হলো।
২৯ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৫৯

লেখক বলেছেন: আপনার সহমত অমত জানলে আরো ভাল লাগত।

৫০. ২৯ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১:২৬
বিডি আইডল বলেছেন: আমি পুলাপান মানুষ...এই ধরণের পোষ্টে আসলে অনেক নতুন নতুন শব্দ আর ব্যাকরণ শিখতে পারি...

পোষ্টে +
৩০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৫২

লেখক বলেছেন: হাঃ হাঃ। যাই হোক, প্লাস দেওয়ারা জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

৫১. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৩১
বাঙ্গাল বলেছেন: বিডি আইডল বলেছেন: আমি পুলাপান মানুষ...এই ধরণের পোষ্টে আসলে অনেক নতুন নতুন শব্দ আর ব্যাকরণ শিখতে পারি...(আমিও...হেহে)
২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:৩৬

লেখক বলেছেন: আরে কী কন! .(অবশেষে আমিও...হেহে)

৫২. ২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১:৫৮
সবাক বলেছেন:
এই পোস্টটি আমি দেরীতেই দেখলাম
=============
যুদ্ধাপরাধ ইস্যু নিয়া বা ব্লগে যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে বতিপয় ব্লগারের লম্পঝম্পের মুখে ব্লগ কর্তৃপক্ষের বাদুর নাচ অসম্ভব বিরক্তির। কেনযে তারা এই ভূমিকা নিয়া রাখে তাই বুঝি না।

গ্রামে বড় হয়ে ভিলেজ পলিটিক্স নিয়ে ভালো একটা ধারনা পেয়েছি। ব্লগিং করতে এসে তার উন্নত রূপও দেখতে পেলাম। উপরের কোন এক মন্তব্যে অমি পিয়াল জোটবদ্ধতার কথা বলেছেন। উটের পাল, দুম্বার পালের লগে কানসাটের জোটবদ্ধতার আসলেই কোন যোগসূত্রা দেখি না।

কিছু ব্লগার নিজেদেরকে ঈশ্বর বানানোর পক্রিয়ায় আছেন। সাথে তাল দিতেছে সমমনা অনেক হেভিওয়েট (হিটধারী) ব্লগার। অনেককেই দেখি আনব্যান হাসিব লেখা প্রোফাইল পিক ব্যবহার করে। তবে এবিষয়ে আমার একটি অভিজ্ঞতা আছে। আমি যখন প্রথম ব্লগিং শুরু করি তখন এক্সিমো আর রাশেদ নামের দুটি নিক ব্যান ছিলো। আমার পরিচিত এক ব্লগার থেকে জানতে পারলাম তারা খুবই জনপ্রিয় এবং দেশপ্রেমী ব্লগার। তখন ফটোশপে কাজ করতে আমার খুব ভালো লাগতো। কিছু কারসাজি করে পোস্টার বানিয়ে তা দিয়ে পোস্ট দিই, যদিও তখন আমি প্রথম পাতায় নাই। প্রতিবাদের উদ্দেশ্য হইলেও নিজ পরিচিতির একটি বিষয় সেখানে ছিলো। ভাগ্য ভালো যে, এক্সিমো বা রাশেদ পরে আর আমার কাছে ঈশ্বর রূপে দেখা দিতে পারে নাই।

ব্লগে কাল পুরুষকে নিয়া অনেক মাতামাতি দেখলাম। নতুন নতুন আমার সাথে দু'চার ঘা হয়ে ছিলো। আস্তে আস্তেতো সবই দেখলাম। এখন বলতে ইচ্ছা হয় "কালপুরুষে লোল ফালায়, আর আমরা সবাই বাল ফালাই"

বাবুয়া ইস্যু নিয়া কিছু বলি=====>>
একজন মানুষের একটা ভুলের কারণে যে তাকে কতোটা শাস্তি ভোগ করতে হয় তা আমি এখানে না এলে দেখতাম না। বাবুয়া নাজনিন খলিলকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করেছেন। যেহেতু ব্লগেই তিনি এ মন্তব্য করেছেন সেহেতু এর জন্য তাকে ব্লগেই নীতিমালা অনুযায়ী শাস্তি পেতে হবে এবং তা পেয়েছেনও। কিন্তু তাকে ব্যান করার পরও এমন কতো বালছাল ব্লগার এটা নিয়া এমন লাফালাফি করেছে!!!! ভাবছিলাম ব্লগ কোন বাংলাদেশে দ্বিতীয় পার্লামেন্ট হইয়া যায় কি না!!

বাবুয়া মন্তব্য পরবর্তী সময়ে তার অনুশোচনার কারনে আমরা কিছু ব্লগার এটাকে মীমাংসা করার চেষ্টা করি। নাজনীন খলিল জীবনেও এমন মন্তব্য ভুলতে পারবেন না, এটা অবশ্যই সত্য কথা। কিন্তু এ মন্তব্যের জন্য কাওকে মরে যেতে হবে এটাও আবার কেমন কথা। এক ব্লগারতো বাবুয়ার পোস্টে গিয়ে মন্তব্য করে এসেছে "এতো মানুষের ঘৃনা নিয়ে আপনি বেঁচে আছেন কি করে?"। অবাক কান্ড... কতোটা অমানুষ হলে একজনকে আত্মহত্যার জন্য প্ররোচনা দিতে পারে? অথচ এ ব্লগারের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে হয়তো তার কোন ধারনাই নেই। একটা বাল পাইছিলো সেটা ছিঁড়তে ছিঁড়তে আবার তাদের মোড়লের কোমরেও দরি বাইন্দা দিলো কর্তৃপক্ষ। এবারতো আরিলেরই বাংলাদেশ ছাড়ার যোগাড় হলো।

ব্লগের ভিতর মোড়লেগো বাল ফালাইতে ফালাইতে বালের লাইগ্যাই আর থাকন যায় না। এটা পুরা আমাজান হইয়া গ্যাছে।

মোড়লের কোমরে দড়িবান্দার পর নাজনীন খলিলকে বুঝানো হইতো আপনের জন্য জীবন দিতে যাইয়া আমাদের মোড়ল ব্যান হইছে, অথচ আপনি ক্যামনে ওই পারভার্টরে ক্ষমা করতে পারলেন? কেউ কেউ বললো- আমাদের না জানিয়ে আপনি কেন তাকে ক্ষমা করলেন? কি আজিব আজিব প্রশনো তাদের? এবার নাজনীন খলিলের উপরই মডারেশন বসাইতে প্রস্তুত ভুঁইয়া বাহিনী।

==========
কিছু কইতে গেলেই কইতো নতুন ব্লগার আপনি। একটু ধৈর্য্য ধরেন। আইচ্ছা ধরলাম। ধৈর্য্য ধইরা এমন কিছু আকামের বাল পাইছি যা দিয়া বালু মোছার ব্রাশও বানানো যাইবো না।





পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
২০ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:৪১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সবাক আপনারে। আপনি যথেষ্ট সাহসী এবং ঝুঁকিপূর্ণ কথাও বলেছেন কিছু কিছু জায়গায়। ভাল থাকবেন।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৭৫১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমরা কী দারুণ গল্পসভা কথা সাম্রাজ্যে ছিলাম
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ