আমার প্রিয় পোস্ট

গেরিলা কথাবার্তা

আমরা নতুন কোনভাবে বিডিআরের ইতিহাস পড়ব

০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:১১

শেয়ারঃ
0 0 0

শার্লক হোমস রাজনীতিবিদগণ ও কয়েকটি বিলম্বিত নোট লেখাটিতে ফেসবুকে এক বন্ধুর মন্তব্যের উত্তরে কিছু কথা বলেছিলাম। ওখানে বেশ সংক্ষিপ্ত আকারে বলতে হয়, কমেন্টের স্পেসগুলো খুব সংক্ষিপ্ত সময়ে শেষ হয়ে যায়। কয়েক কিস্তিতে লিখতে হয়। তাই বিস্তারিত বলা হয়ে উঠে না। বলেছিলাম, ব্লগে বিস্তারিত কিছু বলার চেষ্টা করবো। তারো আগে, বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আমার এক বন্ধু আমাকে বলেছিল, কন্সপিরেসি থিওরি যদিও কোন কাজের কথা নয়, এবং যদিও একটি ঘটনা কে ঘটিয়েছে সেটি সাংবাদিকীয় আলোচনার বিষয় এবং এই আলোচনার চেয়ে কেন ঘটেছে এবং এর ফলাফল কী হতে পারে এইসবের পর্যালোচনাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকে, এই বিডিআর বিদ্রোহ ঘটনাটির বিষয়ে স্রেফ এর ফলাফল নিয়ে আলোচনা করেই ক্ষান্ত হবার অবকাশ নেই। এটি একই সাথে ইন্টালিজেন্সের গুরুতর তদন্তের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এবং এটি খুবই জরুরী।

যাই হোক, বন্ধুর সেই কমেন্টের সূত্রে, আমার পর্যবেক্ষণের ক্ষুদ্র কিছু নোট এখানে তুলে ধরছি। এটি নিয়ে আমি ব্লগারদের সাথে মত বিনিময় করতে ইচ্ছুক। তারা তাদের মতামত জানিয়ে আমার পর্যবেক্ষণগুলির বিশ্লেষণ করুন, সেটি আমি আগ্রহভরেই আশা করছি।

সরকার এবং রাষ্ট্র

আমার বন্ধু এবং প্রতিবেশীদের মধ্যে বেশ কিছু আওয়ামীলীগ সমর্থক এবং কর্মী রয়েছে তাদের সাথে আমার কথাবার্তা হয়েছে এ নিয়ে। আমি বুঝতে চেয়েছি একজন সর্বনিম্ন স্থরের আওয়ামীলীগ কর্মীর এই বিষয়ে চিন্তা কী। মজার ব্যাপার হলো তারা সবাই তাদের নেত্রী এবং অন্যান্যদের মতো করেই, মানে মাঠের ভাষায়, আমার সাথে কথা বলেছে। বলেছে সরকারের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র। আমি খুব ভেবে দেখেছি, আমাদের দেশের রাজনৈতিক দলগুলো খুব ভালভাবেই 'সরকার' চেনে, যেটি মূলত দল-ঘনিষ্ট, কিন্তু রাষ্ট্র ব্যাপারটারে মূলত চেনেই না, অথবা চেনবার প্রয়োজন অনুভব করে না। তাই যে কোন ঘটনাকেই সরকারের সমস্যায় রিডিয়ুস করে ফেলে, রাষ্ট্রের গভীরতর সংকটমুহূর্তেও।

আইনি বিচারের শোরগোল এবং অপরাপর

আমরা কি ইচ্ছে করেই এটিরে স্রেফ আইনি বিচারের প্রশ্নে রিডিয়ুস করে ফেলছি, যাতে এর অপরাপর বিবেচনাগুলোরে পাশ কাটানো যায়? দেখা যায়, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিডিআর বিদ্রোহে নিহত সেনাকর্মকর্তাদের স্ত্রীগণকে প্রায় প্রতিদিনই একটি করে চেক বিলোচ্ছেন, হত্যাকাণ্ডের যথোপযুক্ত শাস্তির কথা বলছেন, আর বিডিআর জওয়ানগণ হাসপাতালে গিয়ে মারা যাচ্ছেন এবং এইভাবেই বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনাটিরে স্রেফ একটি হত্যাকাণ্ড আর তার আইনি বিচারের প্রশ্ন এবং ক্ষতিগ্রস্থদের ভিতরকার একটি নির্দিষ্ট শ্রেণীকে ক্ষতিপুরণ দেওয়ার প্রশ্ন হিশেবে দাঁড় করিয়ে দিতে চাচ্ছেন। তাহলে প্রশ্ন হবে, অপরাপর বিবেচনাগুলোরে পাশ কাটানোর চেষ্টা কেন?

বিডিআরের নাম পরিবর্তন, পোশাকে বিবমিষা এবং আনন্দ বন্দনা

বিডিআরের নাম পরিবর্তন বিষয়টারে আমার পূর্বের লেখাটিতে সেনাবাহিনীর একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠির প্রতিশোধস্পৃহা কিনা প্রশ্ন করেছিলাম, এখন সেই প্রশ্নটিকে আরো বড়ো জায়গায় স্থাপন করতে ইচ্ছুক আমি। নিছক সেনাবাহিনীর প্রতিশোধস্পৃহা দিয়ে এটিরে প্রশ্ন করা বেকুবি হবে, এটির সাথে সেনাবাহিনী এবং বিডিআরকে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেবার ঘটনা, তার সম্ভাব্য ফলাফল, বেনিফিসিয়ারী এবং সাম্প্রতিক ঘটনাক্রম যেখানে এসে দাঁড়িয়েছে তার বিবেচনাটাই আলোচনায় আনা বেশী জরুরী। বিডিআর ডিসিপ্লিনের নতুন প্রধান মেজর জেনারেল মঈনুল হোসেন গত কয়েকদিন আগ থেকে বেশ কিছু বিপদজনক এবং প্রশ্নবিদ্ধ করা যায় এমন তৎপরতা দেখিয়েছেন, কথা বলেছেন। একটি দেশের একটি নির্দিষ্ট রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের প্রধান এমন তৎপরতা দেখালে তার তৎপরতাগুলোর উদ্দেশ্য সম্পর্কে গুরুতর প্রশ্ন করা ফরজ হয়ে যায়। পিলখানা ঘটনায় ভগ্ন বিধ্বস্ত একটি বাহিনীর রেসকিউ মিশন সময়ের একজন প্রধান হিশেবে তার দায়িত্ব ছিল বিডিআর জোয়ানদের ভগ্ন মনোবল ফিরিয়ে আনা, সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরীদের নৈতিক সাহসকে উদ্বুদ্ধ করা, ভেঙে যাওয়া ডিসিপ্লিন পুন:প্রতিষ্ঠা করা। বিশেষত যখন এটি সেই বাহিনী, যারা প্রতিনিয়ত বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সীমান্ত শত্রুকে মোকাবেলা করে, প্রাণ দেয় এবং সীমান্ত ও দেশকে নির্ঘুম পাহারা দিয়ে শত্রুর হাত থেকে রক্ষা করে। বাংলাদেশের ডিসিপ্লিন্ড বাহিনীগুলোর মধ্যে বিডিআরই হলো একমাত্র বাহিনী যাদের ভিতরে ঐতিহাসিকভাবে এবং ঐতিহাসিক প্রয়োজনেই দেশপ্রেম নামে একটি বিষয় স্পিরিট হিশেবে প্রতি মুহূর্তে জারি ছিল, সীমান্ত শত্রুর সাথে মোকাবেলার সময়, রাষ্ট্রের সীমান্তকে রক্ষা করার ঐতিহাসিক দায়িত্ব নিয়ে, জীবন দিয়ে, যা তারা প্রতিনিয়ত প্রমাণ করে। তাহলে এখন এই জরুরী মুহূর্তে আসুন জেনারেল সাহেবের বাক্য এবং তৎপরতাগুলোকে আমরা একটু খেয়াল করি। প্রথমেই তিনি জোয়ানদের উদ্দেশ্য করে বলছেন, বিডিআরের পোশাক পরে এবং এই বাহিনীর সদস্য হিশেবে তাদের লজ্জিত হওয়া উচিত। তারপরে যখন ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফ নিহত বিডিআর মহাপরিচালক জেনারেল শাকিলকে মরণোত্তর সম্মাননা দেবার কথা ঘোষণা দিল, তার জন্য বিনয়ে নুয়ে গিয়ে এই নতুন বিডিআর প্রধান ভারতের পুরষ্কারে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেছেন, ভারত বিডিআর বিদ্রোহের মুহূর্তে চাইলেই বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করতে পারত, কিন্তু তারা তা করেন নাই। অতপর তিনি বলছেন, বিডিআরের পোশাকে আমাদের সহকর্মীদের রক্তের দাগ লেগে আছে। এই পোশাক পরে আমরা আমাদের সহকর্মীদের আত্মাকে অপমাণ করতে পারবো না। (এইসব ন্যাকামোর মানে কী?) অবশেষে, পার্শ্ববর্তী দেশে গিয়ে, বিডিআর পুনর্গঠনে বিএসএফের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি, এবং ঘোষণা দিয়েছেন, ‘বাংলাদেশের মাটিতে ভারতবিরোধী কোন কর্মকাণ্ড হতে দেবো না’। লক্ষণীয়, সংসদে প্রধানমন্ত্রীও একই ঘোষণা দিয়েছেন। এবং বাস্তবিক অর্থেই এখন বিডিআর বিদ্রোহে একটি প্রতিবেশী দেশের সম্পৃক্ততা এবং বেনিফিশিয়ারী হবার বিষয়ে যে কোন অভিযোগ সরকার কর্তৃক অসহনীয়ভাবে দমন করা হচ্ছে। এ সংক্রান্ত লিফলেট হাতে হিজবুত তাহরীর নামে সংগঠনের কর্মীদের গ্রেফতার দ্রষ্টব্য।

নতুন বিডিআর নেতৃত্বের এইসব তৎপরতার পর, আমরা এই পিলখানার ঘটনা, সেনাবাহিনীকে বিডিআরের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে খোদ সেনাসদস্যদের একটি শ্রেণীকে দিয়ে বিডিআর এর বিরুদ্ধে বিদ্বেষ এবং ঘৃণা ছড়ানো, বিডিআর বিলুপ্তির ঘোষণা, বিডিআর ডিসিপ্লিনকে বিএসএফ এর সহযোগিতায় পুনর্গঠনের প্রস্তাব, এবং ‘বাংলাদেশের মাটিতে ভারতবিরোধী কোন কর্মকাণ্ড হতে দেবো না’- এই ঘোষণাকে কোন কোন ধরণের প্রশ্ন করতে পারি? বিডিআরকে ইতিহাস থেকে মুছে দেওয়ার চেষ্টাগুলোর সাথে মুক্তিযুদ্ধে বিডিআরের তিন জন বীর শ্রেষ্ঠ, রৌমারীর যুদ্ধসহ অসংখ্য ঘটনা কি ইতিহাসে আগের মত থাকবে? মুক্তিযুদ্ধে বিডিআরের অবদানকে আমরা নতুন কোনভাবে ইতিহাসে পড়ব?

প্রথম আলো

সেই সাথে বাংলাদেশে সংবাদ মাধ্যমগুলোর জায়ান্ট প্রথম আলোর তৎপরতাকেও আমরা প্রশ্ন করেছিলাম এর আগে। পিলখানার ঘটনার পরমুহূর্তেই, বাংলাদেশের ভূমি যে সবসময় প্রতিবেশী দেশের সাতটি প্রাদেশিক রাজ্যের স্বাধিকারকামী লড়াকুদের সাহায্যার্থে ব্যবহৃত হয়ে এসেছে, এবং এর পিছনে বিগত সরকারগুলোর সমর্থন ছিল, এই ব্যাপারটি প্রতিষ্ঠিত করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিল এই পত্রিকা। বলেছিলাম, বাংলাদেশের সরকার, সামরিক বাহিনী, জনগণ, সর্বোপরি রাষ্ট্রের জন্য এই ভয়াবহ পাজলড এবং সংকটমুহূর্তে প্রথম আলোর এই দশ ট্রাক অস্ত্রের কামান কোনদিকে দাগান হয়েছে?

জেএমবি ফোবিয়া এবং ক্রিকেট

এবং জেএমবি ফোবিয়া। একজন মন্ত্রীর এফবিআইএর সাথে বৈঠকের পরই মিডিয়া, মন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখেও 'জেএমবি' বোল ফুটল। যদিও আমরা চুপ করে আছি তদন্ত প্রতিবেদনের জন্য, বিশেষ গ্রুপগুলো সক্রিয় হয়ে উঠেছে জেএমবি এবং অন্য কিছু ইসলামপন্থি দলের সম্পৃক্ততা প্রমাণের জন্য। আমরা না বলার আগেই, প্রণব মুখার্জি ঘোষণা করেছে মুম্বাই ঘটনা, বাংলাদেশে বিডিআর বিদ্রোহ এবং পাকিস্তানে শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটদলের উপর হামলা একই শত্রুর কাজ। মজার ব্যাপার হলো, পাকিস্তানে ক্রিকেটদলের উপর হামলা ঘটার পরপরই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বাংলাদেশে পাকিস্তানী ক্রিকেটদলের সফর সাময়িকভাবে স্থগিত করেছিল। আমি ক্রিকেট বুঝি না, না বুঝার কারণে এ বিষয়ে খবর রাখি না বললেই চলে। কিন্তু তখন এর রাজনীতিটা আমি অনুমান করতে পেরেছিলাম। আমার তখনই যে সন্দেহ হয়েছিল সেটি কয়েকদিন পর বিসিবি পাকিস্তানী ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফরে নিষেধাজ্ঞা জারী করার ঘোষণা দিয়ে সত্য প্রমাণিত করল। রাজনীতিটা খুব সহজ, কারু না বুঝার কথা নয়। পাকিস্তানকে সব দিক দিয়ে ভঙ্গুর করে রাখতে পারলেও ক্রিকেট বিশ্বে পাকিস্তানের একটি ব্রাণ্ড ইমেজ আছে, যেটি ভাঙ্গার চেষ্টা পাকিস্তানের সাথে নিরন্তর কনফ্রন্টেশনে থাকা ভারত নিজের পররাষ্ট্রনীতি হিশেবে চাইতেই পারে। কিন্তু বাংলাদেশের সরকার কোন আগ্রহে ভারতের সেই পররাষ্ট্র নীতি বাস্তবায়ন করবে?

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বিডিআর বিদ্রোহ ;
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:১৭
মদনকুমার বলেছেন: আপনার জ্ঞানের কুনু কিনারা নাই /:)
০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:২৬

লেখক বলেছেন: শিউর।

২. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:২৫
সুদীপ চৌধুরী বলেছেন:
আমি এতো খবর-দার লোক নই। তবে দুইয়ে দুইয়ে চার ভালোই মিলাইছেন..
০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:৩৩

লেখক বলেছেন: ওহো। খবর-দার হওয়া দরকার।

৩. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:৩৮
কেল্টু বলেছেন:

এই মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে, মন্তব্য করার সময় ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলীর দিকে খেয়াল রাখুন । শর্তাবলী

০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:৪১

লেখক বলেছেন: আরবী মন্তব্য নট গ্রান্টেড। সো আপনি না কমেন্টালে খুশি হবো।

৪. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:৩৯
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন: ক্রিকেট বিশ্বে পাকিস্তানের ব্রাণ্ড ইমেজ নষ্ট করার ভারতীয় পররাষ্ট্রনীতি! পাকিস্তানের ক্রিকেট ইমেজ নষ্ট হলে, আমার মনে হয় সবচেয়ে ক্ষতি হবে ভারত। অনেক ভাবেই হবে। উপমহাদেশের ক্রিকেট এবং ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগ টিকিয়ে রাখতে হলে পাকিস্তানকে দরকার।

আসলেই রাজনীতিটা খুব সহজ। ;)
০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:৪৫

লেখক বলেছেন: রিপন, এইটা সহজ অর্থনীতির হিশেব নয়, রাজনীতির হিশেব।

০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৯

লেখক বলেছেন: মানে, স্রেফ ''অর্থনীতি'' নয়, এটি একই সাথে রাজনীতির হিশেবও।

৫. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:৪৪
মদনকুমার বলেছেন:

এই মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে, মন্তব্য করার সময় ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলীর দিকে খেয়াল রাখুন । শর্তাবলী

০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:৪৬

লেখক বলেছেন: আরবী মন্তব্য নট গ্রান্টেড। সো আপনি না কমেন্টালে খুশি হবো। এবং আপনারা দুজন ব্লক্ড।

৬. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:৫৯
আবদুর রহমান (রোমাস) বলেছেন:

এই মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে, মন্তব্য করার সময় ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলীর দিকে খেয়াল রাখুন । শর্তাবলী

০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:০৪

লেখক বলেছেন: আপনি কি পুলিশের লোক? পুলিশের লোক ব্লগে আসায় ভয় পাইলাম। ভয় পেয়ে আপনারে ব্লক করে দিলাম। আপনি শুধু পড়তে পারবেন। কমেন্ট করতে পারবেন না।

৭. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:১৫
খারেজি বলেছেন:




আপনার শিরোনাম দেখে যতটা আশাবাদী হয়েছিলাম, মর্মবস্তু ততটাই নিরাশ করল।
আ.লীগ বিডিআর প্রশ্নে ভারতের নতজানু - এর মানে এই না যে মূল ধারার রাজনীতিবিদ, মিডিয়া কিংবা দলগুলোর কর্মীদের অধিকাংশই আপনার ধারণাগুলোর বাইরে কিছু ভাবছে।

"এটি একই সাথে ইন্টালিজেন্সের গুরুতর তদন্তের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।" বেশ! আপনার আলোচনায়ও সবচে' আড়ালে পড়ে যাচ্ছে এই বিদ্রোহের গণভিত্তি কি কারণে তৈরি হয় তার অনুসন্ধান।

রাষ্ট্র ও সরকার এক না, খুবই সংগত। ক্ষমতাসীন রাজনীতিবিদরা এভাবে রিডিউস করে ফায়দা তোলে।

রাষ্ট্র ও জনগণও এক না। এটাও আরেক ধরনের রিডাকশন। কখনো কখনো জনগণের স্বার্থ প্রতিষ্ঠিত হয় না রাষ্ট্রের খোল নলচে না পাল্টে। বাংলাদেশ রাষ্ট্র ক্রমশঃ উর্ধশ্বাসে সেদিকে গিয়েছে।

বাহিনীর সুরক্ষায় জনগণের কোন স্বার্থ আমি দেখি না। তাদের নিজেদের স্বার্থের দ্বন্দ্বেও জনগণের ক্ষতি নেই, যত মর্মান্তিক ভাবেই হেকা এই এক বিদ্রোহ প্রতিষ্ঠানগুলোর মুখোশ মুহুর্তের জন্য খুলে দিয়েছিল: যত অল্প সময়ের জন্যই হোক।



০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:০৯

লেখক বলেছেন: খারেজি আপনার মন্তব্যটিকে বেশ গুরুত্বের সাথেই নিচ্ছি। শিরোনাম দেখে কোন কারণে আশাবাদী হয়েছিলেন, অর্থাৎ এখানে কোন আলোচনাটি পাওয়ার আশা করেছিলেন আমার জানার আগ্রহ আছে। কারণ আমি জানিই, এই লেখাটিতে আমি কিছুটা অগোছালো ছিলাম এবং তাড়াহুড়ো করেছি। এটার কারণ হলো, কথাগুলো বলে ফেলার সময় চলে যাচ্ছে, আর আমার ব্যস্ততা কাটছে না।

ক্রমানুসারে পরিস্কার হতে চেষ্টা করি আপনার মন্তব্য সম্পর্কে। প্রথমত কেউ আমার ধারণাগুলোর বাইরে ভাবছে নাকি এটাই ভাবছে, সেটি এই আলোচনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়। আমি সবার থেকে ব্যতিক্রম কিছু ভাবছি সেরকম কিছুও বলি নাই।

বিদ্রোহের গণভিত্তি কি কারণে তৈরি হয় সেটি বিস্তারিত আলোচনা। ''কখনো জনগণের স্বার্থ প্রতিষ্ঠিত হয় না রাষ্ট্রের খোল নলচে না পাল্টে'', একমত। ''এই এক বিদ্রোহ প্রতিষ্ঠানগুলোর মুখোশ মুহুর্তের জন্য খুলে দিয়েছিল: যত অল্প সময়ের জন্যই হোক'', এখানেও দ্বিমতের অবকাশ নেই। তবে যেটিরে গুরুত্বপূর্ণ মনে করি সেটি হল, বিডিআর পুনর্গঠনের ভাবনা স্রেফ বাহিনীর স্বার্থ হিশেবে দেখি না, ব্যক্তি মানুষ নয়, কালেক্টিভ মানুষ, যারে আপনি জনগণ বলেন, যার রাজনৈতিকতার আপাত প্রকাশ রাষ্ট্রে, তার সংকট হিশেবে দেখি।

৮. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:১৮
খারেজি বলেছেন:


ভবিষ্যতে নিশ্চয়ই এই বিদ্রোহের ইতিহাস লেখা হবে: সদর দরজা দিয়ে প্রকাশ না পাওয়া শ্রেণী কতটা নির্মম, পাশবিক আর জিঘাংসু হতে পারে সেটার পাঠ তখন নেয়া যাবে।

কিন্তু শ্রেণীর অবসান হয়নি।

ব্লগে নিষেধাজ্ঞা কাটলে আশা করি এ বিষয়ে একটা পোস্ট দিতে পারব।
০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৬

লেখক বলেছেন: আপনার লেখা পড়ার আশা রাখি অবশ্যই, আর আমরা সেই ইতিহাসের ইশারা এবং পাঠ এখনই পাচ্ছি।

৯. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:৩১
মনজুরুল হক বলেছেন:

খারেজির সাথে অনেকাংশেই একমত। শুরুটা দেখে উৎসুক্য বেড়েছিল। ঠিক সেই গতিতেই তা কমেও গেল, বিশেষ ধরণের ট্যাগিংয়ের কারণে।

আর যেটা গুলিয়ে দিয়েছে তা হলো, এক ক্ষুরে অনেকগুলো মাথা কামানোর চেষ্টাটা।

আপনি কিভাবে দেখেন ধরতে পারিনি, তবে বিডিআর ইস্যুটা এখন আর কোন বিশেষ বাহিনীর ভেতরকার ইস্যুতে সীমাবদ্ধ নেই। এটা এখন সামগ্রীক সমাজবাস্তবতার অলঙ্ঘণীয় দলিল।

ক্লাস এর বিষয়টি খুব সচেতন ভাবেই কি এড়িয়ে গেলেন? বুঝতে পারলাম না বলে আবারো পড়লাম, নাহ্ পরিষ্কার হলো না।
০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৪

লেখক বলেছেন: আপনার এই বিশেষ ধরণের ট্যাগিং চিহ্নিত করাটারে আমি দেখি পলায়নপরতা হিশেবে। নীচে ঘোর কলি-যুগ এইটারে খুব ভালভাবে উপস্থাপন করতে পেরেছেন। তাই তার থেকেই কোট করি। আমারো প্রশ্ন, রাষ্ট্রগঠনের আবশ্যিক শর্তকে আমরা আজো মানসিকতার সমস্যা বলে চিহ্নিত করতে অভ্যস্ত কেন? কলিযুগ থেকেই পড়ুন, এখানে আপনি বাংলাদেশ রাষ্ট্রের কর্তাব্যক্তিদের কথাবার্তা ও কর্মকান্ডের গতিধারার যে ব্যাখ্যা করেছেন তাতে একদল ট্যাগিং বিষয়ক আলাপ তুলে নিজেদের যে অবস্থানটা খোলাসা করলেন তাকেই বরং মানসিক দূরবস্থার চিত্র বলা যায়। আগেই ধরে নিয়েছেন ভারতের বিরোধিতা করা যাবেনা। তাতে অসাম্প্রদায়িক(সেল্ফ স্টাইল ট্যাগিং) থাকার সার্টিফিকেটই বুঝি হারাতে হয়! নিজের ট্যাগিং বাচাইতে অন্যের উপর সিল মারা আরকি। এটা বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদের ক্লাসিক খাসিলত-- প্যাথলজিক্যাল ফিচার।

তবে আপনার এই কথাটি সত্য মনে করি: বিডিআর ইস্যুটা এখন আর কোন বিশেষ বাহিনীর ভেতরকার ইস্যুতে সীমাবদ্ধ নেই। তবে যেটা খণ্ডিত মনে হয়েছে সেটি হল এটিরে স্রেফ সামগ্রীক সমাজবাস্তবতার দলিল বলে অভিহিত করে। সমাজ আর রাষ্ট্রের বিবেচনারে একটা নির্দিষ্ট পরিসর পর্যন্ত ভীন্ন পর্যালোচনার জায়গা মনে করি। উপরে খারেজীর উত্তরে বলেছি: বিডিআর পুনর্গঠনের ভাবনা স্রেফ বাহিনীর স্বার্থ হিশেবে দেখি না, ব্যক্তি মানুষ নয়, কালেক্টিভ মানুষ, যারে আপনি জনগণ বলেন, যার রাজনৈতিকতার আপাত প্রকাশ রাষ্ট্রে, তার সংকট হিশেবে দেখি।

১০. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:১৭
রাসেল ( ........) বলেছেন: মনজুরুল ভাই ভারতো ফোবিয়ার সর্বোচ্চ জায়গা এখানে পাওয়া যাবে আসলে,
পৃথিবীতে ভূমিকম্প হলেও সেটা ভারতীয় ষড়যন্ত্রে হয়, বাংলাদেশে যখন জোয়ার হয় সেটাও ভারতীয় চক্রান্ত, যখন ভাটা হয় সেটাও ভারতীয় চক্রান্ত-

রিফাতের ভারতম্যানিয়ার কোনো সুরাহা হবে না ভবিষ্যতেও।

সে ক্রিকেট বুঝে না, কিন্তু শেষ লাইনে এসে ঠিকই মেরে দিলো বোমা, বাংলাদেশে পাকিস্তানের ক্রিকেট টিমের সফর স্থগিত করার বিষয়টাও আদতে ভারতীয় চক্রান্ত।

চৈত মাসে ঘাসও শুকায়া গেছে, কাঁঠাল পাতারও মনে হয় ঠিক মতো যোগান নাই।

লিখায় পুষ্টি আসে নাই
০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৩

লেখক বলেছেন: রাসেল, আপনি দেখি কাঠালপাতাকে কোনদিনই অতিক্রম করতে পারলেন না। এতটা নিরামিষাশি হয়ে রাষ্ট্র বিষয়ে কথা বলা অন্যায়। তারপরও মঞ্জুরুল হকের উত্তরে বলা কথাটুক একটু পড়ুন, যদি নিজেরে অতিক্রম করতে পারেন।

১১. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:০৮
প্রতিদিন বলেছেন: ভালা লিখিছেন। পেলাস। তয় লেখা আরো বিস্তারিত হলিা ভালা হইত রিফাত ভাই।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:১৩

লেখক বলেছেন: গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ। বিস্তারিত হলিা ভালা হইত।

১২. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৪২
কৌশিক বলেছেন: আপনার আগের পোস্টে আমি মন্তব্য করেছিলাম "নাম পরিবর্তন বিষয়ক আমার ধারণা স্রেফ কর্পোরেটিজম, বিদ্রোকে লিগাল ধরলে নাম পরিবর্তন আবশ্যক নয়।" এটাকে একটু ব্যাখ্যা করা দরকার।

আমি বোঝাতে চেয়েছি বিদ্রোহকে যদি সাধারণ মানুষ শেষপর্যন্ত মেনে নেয় বা নিত, তবে বিডিআর নামটা বরঞ্চ আইকনিক ও প্রতিবাদের প্রতীক হতে পারতো। কিন্তু বিডিআর এর কর্পোরেট ইমেজও দেখা যায়, ডালভাত কর্মসূচী, মেগাশপ ইত্যাদি কল্যানে - সেহেতু এটা বিদ্রোহ বা ষড়যন্ত্র যা বলেই প্রতিষ্ঠিত হোক ইতিহাস বা বর্তমান তদন্ত ফলশেষে, বিডিআর এর নাম পরিবর্তন অভ্যণ্তরীণ ব্যবস্থাপনা ও প্রচারণার ক্ষেত্রে উপ বা সহযোগী হবে, ব্রান্ডিং ইমেজ পুনরুদ্ধারের মত।

স্বাধীন রাষ্ট্র পাশ্ববর্তী বৃহৎ রাষ্ট্রকে ভয় পাওয়া একদমই প্রাকৃতিক নিয়মে ঘটে থাকে। বৃহৎ বৃক্ষের ইচ্ছে না থাকলেও ছায়াতলের লতাগুল্মকে সে তার নিজের অস্তিত্বের কারণেই বিপন্ন করে ফেলে। ভারত জুজু অথবা ভারত-লিনিং হওয়া নিয়ে যেকোন বিতর্কই বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিপক্ষে। বর্তমান বিশ্ব-রাষ্ট্র ব্যবস্থায় নিজের দেশ ছাড়া বাকী সব দেশই ভিন্ন আরেকটা পক্ষ। সব দেশই এভাবে ভাবে....। এখন আমাদের অর্থনৈতিক জোট নিয়ে বরঞ্চ ভাবার সময় হয়েছে। ভারতীয় উপমহাদেশে অভিন্ন মুদ্রা, শ্রম, সন্ত্রাস প্রতিরোধ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য প্রাথমিক প্রতিবন্ধকতাগুলো দূর করতে হবে।

রিফাত ভাই - এ বিষয়টা নিয়ে বরঞ্চ ভাটা জরুরী মনে হচ্ছে। অর্থনৈতিক জোট - রাজনৈতিক অবস্থানের ক্ষেত্রে শত্রু মনোভবকে পরিহারে সহায়তা করে।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৯

লেখক বলেছেন: বিদ্রোহকে লিগাল ধরলে নাম পরিবর্তন আবশ্যক নয়- এই বাক্যটিরে তখন একটু খোলাসা করতে অনুরোধ করেছিলাম। এখনো পুরোটা পরিস্কার হলো না। তবুও আমার মতামত খোলাসা করি।

বিডিআর এর অভ্যন্তরে নানারকম বিভেদ এর অনুভূতি এবং অসন্তোষ জারি ছিল, এই বিদ্রোহ যদি তার নৈতিক দিকটা ধরে রাখতে পারত, তাহলে এটিরে আমি সেনাবাহিনী বনাম বিডিআর সঙঘাত নাম দিতাম না কখনোই, সুবিধাভোগি অফিসারদের বিরুদ্ধে সাধারণ জোয়ান শ্রেণীর প্রতিবাদ বলতাম। এখনো ঐ বিদ্রোহের যাবতীয় ক্রিমিনালাইজেশনের পরও আমি মনে করি, এর মধ্যে সেই বীজ লুকায়িত ছিল, এবং এটিরেই ব্যবহার করেছে তৃতীয় সুবিধাভোগি পক্ষ। জোয়ানদের অধিকার বঞ্চিত হওয়ার ক্ষোভকে পুঁজি করে সেই তৃতীয় পক্ষ সেনাবাহিনী আর বিডিআর দুটি ডিসিপ্লিনকে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ রাষ্ট্রকে নিরাপত্তা হুমকির মধ্যে ফেলার জন্য।

আপনার অবগতির জন্য বলি, সাধারণ মানুষ এখনো এবং সবসময়ই বিডিআর এর প্রতি সহানুভূতিশীল, এমনকি আপনি দেখেছেন বিদ্রোহের প্রথম প্রহরে মানুষের মধ্যে তাদের প্রতি কী আবেগ আর সহমর্মীতা ছিল সারাদিন, এটা ছিল বিগত দুই বছরের সেনা অরাজকতার প্রতি মানুষের ক্ষোভ এবং বিডিআরের প্রতি মানুষের ভালবাসার বহির্প্রকাশ। এটির কারণ হলো, বিডিআর সেই বাহিনী, যারা প্রতিনিয়ত বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সীমান্ত শত্রুকে মোকাবেলা করে, প্রাণ দেয় এবং সীমান্ত ও দেশকে নির্ঘুম পাহারা দিয়ে শত্রুর হাত থেকে রক্ষা করে। বাংলাদেশের ডিসিপ্লিন্ড বাহিনীগুলোর মধ্যে বিডিআরই হলো একমাত্র বাহিনী যাদের ভিতরে ঐতিহাসিকভাবে এবং ঐতিহাসিক প্রয়োজনেই দেশপ্রেম নামে একটি বিষয় স্পিরিট হিশেবে প্রতি মুহূর্তে জারি ছিল, সীমান্ত শত্রুর সাথে মোকাবেলার সময়, রাষ্ট্রের সীমান্তকে রক্ষা করার ঐতিহাসিক দায়িত্ব নিয়ে, জীবন দিয়ে, যা তারা প্রতিনিয়ত প্রমাণ করে।

আর কোন বিদ্রোহ কখনোই লিগ্যেলি সেটলম্যান্ট হওয়া সম্ভব নয়। আইন কোন বেয়াদবীকে প্রশ্রয় দেয় না। তাই আইন এবং বিদ্যমান ব্যবস্থাকে পরিবর্তনের যে কোন লড়াই আইনকে না মেনেই করতে হয়। তাই বিদ্রোহ লিগ্যাল কি ইলিগ্যাল এই আলোচনা ধরে বিডিআর বিদ্রোহকে বুঝা যাবে না। কিন্তু কেন নাম পরিবর্তন আবশ্যক হয়, এটিরে আপনি উত্তর দেয়ার চেষ্টা করেছেন আপনার এই প্রশ্নরেও ফাঁকি দিয়ে। বলেছেন এটিরে স্রেফ কর্পোরেটিজম মনে করেন, বিডিআর এর নাম পরিবর্তন অভ্যণ্তরীণ ব্যবস্থাপনা ও প্রচারণার ক্ষেত্রে উপ বা সহযোগী হবে, ব্রান্ডিং ইমেজ পুনরুদ্ধারের মত।

প্রথম কথা: আমি এটিরে কর্পোরেটিজম মনে করি না। একটি দেশরক্ষাবাহিনীর ভিতরে কর্পোরেটিজম আনার প্রশ্নটিই এটিরে হত্যা করার নামান্তর। এমনকি ডালভাত কর্মসূচী, মেগাশপ ইত্যাদি কার মস্তিস্কের ফসল এখনি তদন্ত করা দরকার। বিডিআরের কাজ সীমান্ত পাহাড়া দেওয়া, ডাল বিক্রি করা নয়। বিডিআর কোন কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান নয়, বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরে প্রচুর অভ্যুত্থান, ক্যু, এবং গুপ্তহত্যা হয়েছে, এইসব লিগ্যালি বিবেচনা সম্ভব নয়, তাই বলে আপনি সেনাবাহিনীর ব্রাণ্ড ইমেজ পুনরুদ্ধারের নামে সেনাবাহিনীর নাম পাল্টানোর মত আজগুবি প্রস্তাব দিয়ে বসবেন না, যেমন দিচ্ছেন বিডিআর এর বেলায়।

আমি বলেছি, এটি বিডিআর এর গৌরবময় ইতিহাসকে মুছে দেওয়ার এবং আত্মহত্যার নামান্তর। বিডিআরকে ইতিহাস থেকে মুছে দেওয়ার চেষ্টাগুলোর সাথে মুক্তিযুদ্ধে বিডিআরের তিন জন বীর শ্রেষ্ঠ, রৌমারীর যুদ্ধসহ অসংখ্য ঘটনা কি ইতিহাসে আগের মত থাকবে? মুক্তিযুদ্ধে বিডিআরের অবদানকে আমরা নতুন কোনভাবে ইতিহাসে পড়ব? যখন বিডিআরই নেই!

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৪

লেখক বলেছেন: সেজন্যই বলেছি, বিডিআরের অবদানকে আমরা নতুন কোনভাবে ইতিহাসে পড়ব? যখন বিডিআরই নেই! আমরা নতুন কোনভাবে বিডিআরের ইতিহাস পড়ব?

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:৫৪

লেখক বলেছেন: আপনার পরবর্তী প্যারায় বলা কথাগুলো নিয়ে আলাদা আলোচনায় অথবা পরে এই লেখাতেই বলার আশা রাখি।

১৩. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৫
সন্দীপন বসু মুন্না বলেছেন: আমাদের দেবদুতদের জন্য নতুন গ্রুপ ছোটদের সামহয়্যারইন
Click This Link
আপনার মেধা-জ্ঞান-প্রজ্ঞা ছড়িয়ে দিন আগামী প্রজন্মের মাঝে...
Click This Link
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:৪৭

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। ব্যাপারটি খুব ভাল লাগল।

১৪. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৯
ঘোর-কলিযুগ বলেছেন: মুশকিলটা এখনো রয়ে গেছে একদম মূলে, গোড়ার জায়গায়। এই যে আপনি কথা পাড়ার সাথে সাথে ট্যাগিং বিষয়ক ঝামেলায় আটকালেন, থেমে যেতে হচ্ছে, এটা হলো সেই সংকটেরই চরিত্র লক্ষণ যেখানে এখনো 'জাতীয়' বলে অভিন্ন ও অবিভাজ্য কোনো সম্প্রদায় চেতনা অস্তিত্ব লাভ করতে পারেনি। দুই দিক থেকেই।


যাঁরা মনে করছেন আপনি আদতে একটা ভারত বিরোধি মানসিকতার লোক, তাদেরকে আপনি প্রশ্ন করতে পারছেন না যে বাংলাদেশের যে-কোনো নাগরিক ভারত তথা এই জনগোষ্ঠীর বাইরে আলাদা রাজনৈতিক অস্তিত্ব নিয়ে বর্তমান সব-রাষ্ট্রকে কেন শত্রু জ্ঞান করবে না? কেন রাজনৈতিক চেতনার প্রশ্নটিকে; রাষ্ট্রগঠনের আবশ্যিক শর্তকে আমরা আজো মানসিকতার সমস্যা বলে চিহ্নিত করতে অভ্যস্ত? কেন আমরা বলতে ভয় পাই যে আমাদের স্বাধীন এবং আলাদা অস্তিত্ব মানেই বিরোধপূর্ণ স্বার্থের স্বীকৃতি। বিরোধ আছে বলেই আমরা এখনো আলাদা। বিরোধিতা তো করতেই হবে।


এখন যদি কেউ মনে করে যে বাংলাদেশ রাষ্ট্রসত্তার অংশিদার হয়েও সে অন্য কোনো রাষ্ট্রকে শত্রুজ্ঞান করতে ইচ্ছুক নয় তখন বরং সেই না চাওয়া নিয়েই প্রশ্ন তোলা দরকার।


তো, ঐতিহাসিক এবং ভূরাজনৈতিক কারণে, আমাদেরকে বেষ্টন করে থাকার পরিপেক্ষিতে পাশ্ববর্তি রাষ্ট্র হিসেবে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই যুক্ত হওয়া বেশকিছু স্টেক থাকার কথা যা অন্য রাষ্ট্রের সাথে মিলবে না। যেমন সিমান্ত বিরোধ। ফলে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের প্রতিরক্ষার অন্যতম প্রধান অংশ বিডিয়ার'র সাথে মূলত ভারতেরই স্টেক জড়িত থাকবে, আছে। এটা ষড়যন্ত্র খোঁজার বিষয় নয়। তারপর আসে নির্দিষ্ট ঘটনার বেলায় ফ্যাক্টস বাই ফ্যাক্টস বিশ্লেষণ।


এখানে আপনি বাংলাদেশ রাষ্ট্রের কর্তাব্যক্তিদের কথাবার্তা ও কর্মকান্ডের গতিধারার যে ব্যাখ্যা করেছেন তাতে একদল ট্যাগিং বিষয়ক আলাপ তুলে নিজেদের যে অবস্থানটা খোলাসা করলেন তাকেই বরং মানসিক দূরবস্থার চিত্র বলা যায়। আগেই ধরে নিয়েছেন ভারতের বিরোধিতা করা যাবেনা। তাতে অসাম্প্রদায়িক(সেল্ফ স্টাইল ট্যাগিং) থাকার সার্টিফিকেটই বুঝি হারাতে হয়! নিজের ট্যাগিং বাচাইতে অন্যের উপর সিল মারা আরকি। এটা বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদের ক্লাসিক খাসিলত-- প্যাথলজিক্যাল ফিচার।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:৪৩

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যের সাথে সহমত না জানিয়ে পারছি না। এটা হলো সেই সংকটেরই চরিত্র লক্ষণ যেখানে এখনো 'জাতীয়' বলে অভিন্ন ও অবিভাজ্য কোনো সম্প্রদায় চেতনা অস্তিত্ব লাভ করতে পারেনি। এবং রাজনৈতিক চেতনার প্রশ্নটিকে; রাষ্ট্রগঠনের আবশ্যিক শর্তকে আমরা আজো মানসিকতার সমস্যা বলে চিহ্নিত করতে অভ্যস্ত। আমরা বলতে ভয় পাই যে আমাদের স্বাধীন এবং আলাদা অস্তিত্ব মানেই বিরোধপূর্ণ স্বার্থের স্বীকৃতি।

এবং ঐতিহাসিক এবং ভূরাজনৈতিক কারণে, আমাদেরকে বেষ্টন করে থাকার পরিপেক্ষিতে পাশ্ববর্তি রাষ্ট্র হিসেবে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই যুক্ত হওয়া বেশকিছু স্টেক থাকার কথা যা অন্য রাষ্ট্রের সাথে মিলবে না। যেমন সিমান্ত বিরোধ। ফলে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের প্রতিরক্ষার অন্যতম প্রধান অংশ বিডিয়ার'র সাথে মূলত ভারতেরই স্টেক জড়িত থাকবে, আছে। এটা ষড়যন্ত্র খোঁজার বিষয় নয়।

এবং এখানে ট্যাগিং বিষয়ক আলাপ তুলে কেউ কেউ নিজেদের যে অবস্থানটা খোলাসা করলেন তাকেই বরং মানসিক দূরবস্থার চিত্র বলা যায়। আগেই ধরে নিয়েছেন ভারতের বিরোধিতা করা যাবেনা। আর এটা মূলতই বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদের ক্লাসিক খাসিলত-- প্যাথলজিক্যাল ফিচার।

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:৪৯

লেখক বলেছেন: বিস্তারিত মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

১৫. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:৪১
আবদুল ওয়াহিদ বলেছেন:
রিফাত আপনার লেখাটা আরো ব্যাখ্যা সহকারে এবং জোরালো হওয়া দরকার ছিলো। এখন বাংলাদেশ প্রশ্নে কোন রাষ্ট্রই বন্ধু নয়। বন্ধুত্বের সুশীল আবরন ভেদ করা প্রয়োজন। বন্ধু প্রশ্নে সকল নিপীড়িত জনগণের সাথেই আছি।

বন্ধু রাষ্ট্র আমাদের সরকার প্রধানকে নিরাপত্তা দেবে অথবা বি ডি আরের সাবেক প্রধানকে মরণোত্তর পদক দেবে...হুমম ভালা কথা। তার আগে প্রশ্ন হলো বি ডি আর ট্রাজেডীর সময় ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রস্তুতি দেখে আঁচ করা যায় তারা ঘটনাটা কি হবে তা জানত। তবে তারা কেনো বন্ধু রাষ্ট্রকে সাবধান করে নাই, এই প্রশ্ন আপনার কাছে না, যারা বন্ধুত্বের মহাজনী করে তাদের কাছে।

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:০৬

লেখক বলেছেন: হয়তো জানত। এবং জেনে রাখুন, বন্ধুত্বের মহাজনদের কাছে আপনার প্রশ্নের উত্তর থাকবে না। ওরা হয় বোকা, নয় শয়তান।

১৬. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১১
রিফাত হাসান বলেছেন: অলস ছেলের মন্তব্যটি ভুলে মুছে গেছে। সেজন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত। তিনি যদি মন্তব্যটি আবার দিতে পারেন, সুবিধা হয়।
০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৫

লেখক বলেছেন: ওহ পেলাম, তিনি বলেছেন, পড়লাম। কোন দ্বিমত নেই। চমৎকার লেগেছে।

একটা প্রশ্ন। 'আমরা প্রশ্ন করেছিলাম' বা 'আমরা না বলার আগেই' বলতে কাদেরকে বুঝিয়েছেন? এটা কি আপনার ব্যক্তিগত বিশ্লেষণ না? নাকি কোন দল বা প্রতিষ্ঠানের পক্ষে?

উত্তরে বলা হয়েছিল, ধন্যবাদ সহমতের জন্য। 'আমরা' মূলত আমির প্রসার। এখানে 'আমরা' বলতে বাংলাদেশ রাষ্ট্রকেও বুঝিয়েছি।

১৭. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৬
গুরুভাই বলেছেন:

এই মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে, মন্তব্য করার সময় ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলীর দিকে খেয়াল রাখুন । শর্তাবলী

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:২৪

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ব্লক করা হল।

১৮. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:৪৩
খোমেনী ইহসান বলেছেন: আমার ধারণা আপনি একটু ঝিমায়া পড়ছেন। পোস্টে কমজুরি আছে। তবে বক্তব্য নিয়া আপত্তি নাই। আরেকটু খোলাসা করলে আমাদের বিলাসী বন্ধুরা কিছুটা ইয়াদ করতে পারবে।

ভালো থাকেন।
০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:০১

লেখক বলেছেন: কমজোরিটা দেখায়ে দিলে ভাল হতো। আপনার সাথে সহমত।

১৯. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৭
কৌশিক বলেছেন: প্রথমেই সাধারণক্ষমা ঘোষণা ও মিডিয়ায় মহানভাবে বিদ্রোহকে তুলে ধরার ঘটনার পেছনে যদি সরকার-পক্ষের নিরন্তর সহযোগিতা ও মেকানিজম থাকতো তবে বিদ্রোহকে লিগালভাবে প্রতিষ্ঠা করা কোন ব্যাপারই ছিল না।
০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:৫২

লেখক বলেছেন: দেখুন, প্রথমত আওয়ামীলীগকে বাঁচানো বা তাদের বিরুদ্ধে অপবাদ দেওয়ার কাজ আমার নেই। এমনকি আমি যেসব বিষয়ের কথা বলেছি, তাতে আওয়ামীলীগ জড়িত হওয়ার কথা বলা হয়নি, পাশ্ববর্তী রাষ্ট্র ভারতকে সন্দেহের চোখে দেখা দরকার বলেছি। আর মজার ব্যাপার হলো, ভারতের হাতেই বিডিআর তথা বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষা এবং দক্ষীণ এশিয় টাস্কফোর্স এর নামে বাংলাদেশে সন্ত্রাস দমনের তালুকদারি তুলে দেওয়ার ব্যাপার এ সরকারের পক্ষ থেকে শুধু ভাবাই হচ্ছে না, রীতিমত তোড়জোড় শুরু হয়েছে। নতুন বিডিআর প্রধানের সবরকমের তড়পানি তারই প্রমাণ। এমনকি গতকালকে দেখলাম কর্ণেল ফারুক সাহেব বলেছেন, বিডিআর একটি ক্রিমিণাল সংগঠন। দুইজনের এই সব তৎপরতার পর আমার কাছে এই কর্ণেল ফারুক সাহেব আর ব্রিগ্রেডিয়ার মঈনুলের চেয়ে ক্রিমিণাল আর কাউরে মনে হয় না। আর আওয়ামীলীগ এই ঘটনার অনিচ্ছুক বা ইচ্ছুক দাস, সহযোগী হিশেবে কাজ করেছে। সেটা ভেবে নিতে সাধারণ ইন্টেলিজেন্সই যথেষ্ট বলে মনে করি। এবং এইসব তৎপরতা সম্পর্কে আমাদের হুশিয়ার থাকার দরকার আছে বলেই মনে করি। এটিরে দলীয় প্রবলেম মনে করলে আপনি ইসব বিষয়কে শাদা চোখে দেখার ক্ষমতা হারাবেন। এমনকি যখন বিএসএফ এর তত্তাবধানে সীমান্তরক্ষী বাহিনী তৈরী হবে, সম্ভবত রাষ্ট্রও।

২০. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:৩৯
কৌশিক বলেছেন: আরেকটা কথা, কর্পোরেট বিষয়ে আপনার সাথে আমি একমত। কিন্তু বিডিআর যে থাকবে না তা কিন্তু ঠিক নয়। আজকে একজন সিএনজিওয়ালা বলছিলো সে নাকি শুনেছে বর্তমানে যারা আছে তাদের সবাইকে ছাটাই করে নতুন করে নেয়া হবে। এবং বেশীরভাগই গোপালগঞ্জ থেকে। শুনে ভাল লাগলো, পিলখানা ঢাকার বাইরে গোপালগঞ্জেও পুরা ট্রান্সফর করা সম্ভব হবে হয়তো!
০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০০

লেখক বলেছেন: বিডিআর যে থাকবে না, এ বিষয়ে আপনি একমত না হলেও গতকালকে বাণিজ্যমন্ত্রীর সাংবাদিকদের কাছে বলা কথাটি আপনার শোনা দরকার। তিনি বলেছেন, বিডিআর একটি ক্রিমিনাল সংগঠন তাই এ ধরণের সংগঠনের অস্তিত্বের কোন দরকার নেই। বিডিআর বিলুপ্ত করে সীমান্ত রক্ষার জন্য পার্শ্ববর্তী দেশের আদলে এবং সহযোগিতায় নতুন বাহিনী তৈরী করা হবে।

আর নীচে পি মুনসীর মন্তব্য দ্রষ্টব্য।

২১. ০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৭:১৮
পি মুন্সী বলেছেন: রিফাত, উপরের আগের মন্তব্যটায় কিছু ভুল আছে। মুছে দেন। আমি আবার নিচে দিলাম।

কৌশিক,
বিডিআরকে সারা গোপালগঞ্জের লোক দিয়ে সাজালেও শেখ হাসিনা ভারতের মনজয় করা সীমান্তরক্ষা বাহিনী খাড়া করতে পারবে - শেখ হাসিনার কাছে এই নিশ্চয়তা নাই, পাবে না।
রাষ্ট্রের সীমান্তরক্ষা বাহিনী মানে রাষ্ট্রের মামলা। মানে রাষ্ট্রের শত্রু-মিত্রের মামলা। রাষ্ট্রের বাইরের কাউকে মিত্র মেনে খুশি করে রাষ্ট্রের ভিতরে বাহিনী সাজানো যায় না। কাঠালের আমসত্ত্বের হয় না। কাঠালের কাঠালসত্ত্বই হয় অথবা আমের আমসত্ত্ব বানানো যায়। এটাই আমাদের রাষ্ট্রভাবনার গোড়ার সমস্যা, আদি পাপও বলতে পারেন। ফলে বারবার আমরা ভেঙে ছত্রাখান হই, রাষ্ট্র বলতেও কিছুই টেকে না। বিডিআর ঘটনা থেকে আমরা যদি রাষ্ট্র সম্পর্ক এই প্রাথমিক পাঠ নিতে পারি, কিছু শিখতে পারি _ তবে হয়ত আগামিতে ভিন্ন কিছু আশা করতে পারি।
০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:০০

লেখক বলেছেন: রাষ্ট্রের বাইরের কাউকে মিত্র মেনে খুশি করে রাষ্ট্রের ভিতরে বাহিনী সাজানো যায় না।

সহমত এবং ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

২২. ০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:০৫
ফারহানা আহমেদ বলেছেন: রিফাত, আমি খুব হতাশ হলাম, যখন আপনি রিপনকে বললেন "এইটা সহজ অর্থনীতির হিশেব নয়, রাজনীতির হিশেব"।
০৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:৪২

লেখক বলেছেন: পুরো পোষ্টটার শুধু এই অংশে আপনি কেন হতাশ এই ব্যাপারটি জানলে খুশি হতাম। আমি তার মন্তব্যের উত্তরে আরো কিছু বলেছি, দেখুন।

২৩. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:১৭
আথ্যরিক বলেছেন:
ভালো বলেছেন, বিবেকবান মানুষের মতো।

অবিবেচক সরকার কি বুঝবে কিছু? দু্ঃখ হয় যখন সাদ্দাম কে দেখেও কিছু শিখে না হাসিনা সরকার।

আমার এক কলীগের একটা কথা খুবই ডিপ্লোমেটিক এবং ক্যালকুলেটিভ মনে হয়।

সে বলে, বাংলাদেশের ঘটনাবলী ইংগিত দিচ্ছে যে, হাসিনার রক্তের উপড় দিয়ে জয়কে হাঁটিয়ে নিয়ে বাংলাদেশের প্রধাণ মন্এী করা হবে।

আমিও তাই মনে করি।
০৯ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:০৪

লেখক বলেছেন: আপনার কলিগ বেশ অগ্রসর।

২৪. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৬:৪১
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদের ক্লাসিক খাসিলত-- প্যাথলজিক্যাল ফিচার
~~~~~~~~~~~~~

পোষ্টে অনেক গুলো প্লাস।

একটা ভিন্ন ব্যাপারে আলোচনা করলে আমার মনে হয় এই বিভক্তির ব্যাপারটা আরো স্পষ্ট হবে।
আমাদের বাংগালী জাতি মূল অনুসন্ধান । বাংলা বদ্বীপ হওয়ার পর থেকে ইতিহাসটা ট্র্যাক করতে পারলে
জাতীয় সংকটেও কেন আমরা একমত হতে পারি না সেটা জানা যাবে।

২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:২৩

লেখক বলেছেন: প্লাস দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। আপনার আলোচনাটিও শুনার আগ্রহ রাখি।

২৫. ১৪ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৫
বাঙ্গাল বলেছেন: একজন হতাশ মানুষের প্লাস... তাই দিলাম। এর চেয়ে দামী কিছু নাই।
১৬ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:১৩

লেখক বলেছেন: শুধু হতাশ? আরো কিছু হলে এই হতাশা কাজে লাগে। যেমন আপনার লেখালেখিগুলো।

২৬. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:০৩
বৃক্ষ বলেছেন: U find conspiracy everywhere,
TI is looking for u........... U r the "Greatest Intellectual on the Earth"
২৭. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১৭
সাইফ বাঙ্‌গালী বলেছেন: +++++
হিযবুত তাহরীরের লিফলেটে কী লেখা ছিল , জানতে পারলে ভাল হোত। :|
১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১১ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:০৩

লেখক বলেছেন: এইটা কিসের ইমো।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৬৭৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমরা কী দারুণ গল্পসভা কথা সাম্রাজ্যে ছিলাম
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ