আমার প্রিয় পোস্ট
- বর্ষসেরা লেখা সমাচার: মানস চৌধুরীর পোষ্ট ''দেখে'' আমার প্রতিক্রিয়া - রিফাত হাসান
- খালেদা জিয়া: দগ্ধ থেকে বিদগ্ধতা - রিফাত হাসান
- শার্লক হোমস রাজনীতিবিদগণ ও কয়েকটি বিলম্বিত নোট - রিফাত হাসান
- ল্যামপোস্টের আলোয়: আরো কিছু জরুরী কথা-বার্তা - রিফাত হাসান
- ‘জিহাদি বই’ সিন্ড্রোম, ‘শিবির’ সন্দেহে গ্রেফতার এবং অন্যান্য আলাপ - রিফাত হাসান
- রবীন্দ্রবন্দনা: রবীন্দ্রনাথের বিরুদ্ধে - রিফাত হাসান
- সামহোয়ারইনের মডারেশন নীতিমালা: একটি ভিন্ন পর্যবেক্ষণ - রিফাত হাসান
- ইতিহাস তর্কের কাইজ্যা, আদালত অবমাননা ও কুটনৈতিক শিষ্টাচার - রিফাত হাসান
- বিস্তর পরের নোট: ব্লগে আমার দুই বছর পূর্তিতে আড়মোড়া ও কিছু পুরনো আলাপ - রিফাত হাসান
- এক-এগার দ্বিতীয় পর্ব, প্রাণ প্রকৃতি ও ভূখণ্ডের উপর আমাদের নায্য হকের লড়াই এবং একটি পুলিশি রাষ্ট্রের ছায়া - রিফাত হাসান
- সরকারের প্রেসনোট, জননিরাপত্তার প্রেতাত্মা ও হিজবুত তাহরীর - রিফাত হাসান
- রাষ্ট্রের ধর্মবাসনা, দলের ভণ্ডামি, জামাত নেতৃত্বের গ্রেফতার ও অন্যান্য প্রশ্ন - রিফাত হাসান
- বাংলাদেশের 'উত্তর-ঔপনিবেশিক' বিচারকবৃন্দ: ব্লাক স্কিন, হোয়াইট মাস্কস - রিফাত হাসান
- সংবিধান মুদ্রণ ও পুনর্মুদ্রণ ব্যবসায়ীরা - রিফাত হাসান
- কনষ্টিটিউশন পর্যালোচনাঃ সুরঞ্জিতের বক্তব্য অনুযায়ী বাকশাল চতুর্থ সংশোধনীও অবৈধ (পর্ব-৩) - পি মুন্সী
- আমরা নতুন কোনভাবে বিডিআরের ইতিহাস পড়ব - রিফাত হাসান
- খিস্তি ঠাটে ত্রিতাল ভৈরবের জঙ্গনামা: সামহোয়ার নিয়ে আরো কিছু ভণিতা - রিফাত হাসান
- নোটন নোটন পায়রাগুলি ও কয়েক চিরকুট নোট - রিফাত হাসান
- ভাস্কর্য বিতর্ক: কয়েকটি প্রশ্ন ও কিছু ফুটনোট - রিফাত হাসান
- বিশ্বাসীদের অন্তর্ভূক্ত হবার আমন্ত্রণ: আমি কেন গ্রহণ করতে পারছি না প্রিয় সামহোয়ারইন - রিফাত হাসান
- আ টরচার্ড ইমেজ: রেহনুমা আহমেদের ফ্যাসিবাদীতা, ভণ্ডামী ও একটি মিশ্র অনুভূতির থিওরি, তারেক রহমান ও তার মায়ের অপরাধ ও শাস্তি এবং আমাদের নারী ভাবনা - রিফাত হাসান
- একটি প্রাথমিক আলোচনার খসড়া: জামাত, জামাত বিরোধী রাজনীতির বিষয় আশয় ও যুদ্ধাপরাধ রাজনীতি - রিফাত হাসান
- ফাহমিদুল হকের বহুলপঠিত একটি পোস্ট এবং ব্লগের লিখিয়েরা: একটি পর্যবেক্ষণ - রিফাত হাসান
কলোনিয়াল ক্লাব; যেখানে নেটিভদের প্রবেশ নিষেধ
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:০০
![]()
সম্প্রতি ঢাকা ক্লাবে স্বজনদের একটি অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে গিয়ে কবি ও দার্শনিক ফরহাদ মজহার বেশ বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন। যারা এ সংক্রান্ত টিভি নিউজ এবং পত্রিকার খবর পড়েছেন, তারা ব্যাপারটিরে কীভাবে দেখছেন খুব বেশি জানার সুযোগহয় নাই আমার; কিছুক্ষণ আগে এ সংক্রান্ত একটি পোস্ট চোখে পড়ল পথিক এর- সেটি ছাড়া। প্রসঙ্গত বলে নেই, এই পৌঢ় ব্যক্তিত্বের বিষয়ে যাদের কিছুমাত্র জানা শোনা আছে, তারা বেশ ভাল করেই জানেন যে, তিনি সবসময় লুঙ্গি পরতে স্বাচ্ছন্দ অনুভব করেন। এমনকি যদ্দুর দেখেছি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানগুলোতে অংশগ্রহণের সময়ও অন্য কোন পোশাকে তাঁকে মনে পড়ে না। ব্যক্তিগতভাবে তিনি অনেকটাই একজন ঋষি বা সাধকের জীবন যাপন করেন বলে মনে হয়েছে আমার; যে সাধকের সাধনা শুধু ব্যক্তির গভীরে বূদ হয়ে থাকে না, সমাজ রাজনীতি ও কৃষিকাজে তৎপর।
তো প্রথমে আমার সুবিধাবাদি মন ভেবেছিল, ফরহাদ মজহার এই ব্যাপারটিরে এড়িয়ে গিয়ে নিজের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ রাখার চেষ্টা করলেই সম্ভবত ভাল করতেন। কী দরকার বিতর্কে যাবার, হাসিমুখে নিজের পরিচয়টা দিয়ে অথবা ভিতরে না ঢুকেই চলে আসতে পারতেন তিনি। ভাবমূর্তি এবং স্ট্যাটাস সম্পর্কে অতিশয় টনটনে আমার মতো সুবিধাবাদি মানুষের অনুকরণের দিকে গেলেন না তিনি। তা না করে তিনি প্রতিবাদ করলেন এই বলে যে, এটি একটি কলোনিয়াল নিয়ম, আর ক্লাবের সেক্রেটারি অহংকারের সাথেই এর উত্তরে বললেন এটিতো কলোনিয়াল ক্লাবই।
এটার অর্থ কি এটাই যে, য়ু ব্লাডি নেটিভস আর নট এলাউড হিয়ার!!!!?
গুড। আমরা অন্তত জানতে পারলাম যে, বাংলাদেশে এখনো ঘোষিতভাবে কিছু কলোনিয়াল প্রতিষ্ঠান রয়ে গেছে, যেখানে লুঙ্গি পরা বেয়াদপ নেটিভ মানুষদের প্রবেশ নিষেধ। তখন এই প্রশ্ন করাটা উচিত হবে, যে, বিভিন্ন রকম উপনিবেশের বিরুদ্ধে দীর্ঘ জেহাদের পর অর্জিত সাংবিধানিকভাবে সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রে আমরা এইসব কলোনিয়াল প্রতিষ্ঠানগুলোকে আদৌ বেড়ে উঠতে দেবো কি, বা সেইসবের অস্তিত্ব মেনে নেবো কি-না।
কেউ কেউ হয়তো আইনি প্রশ্ন তুলে তর্ক জুড়ে দেবেন যে, একটা ক্লাবের নিজস্ব ড্রেসকোড থাকতেই পারে। মানলাম, কিন্তু সেটি কাদের জন্য প্রযোজ্য হবে- ক্লাবের নিজস্ব সদস্য ছাড়া আর কারু উপর এই নিয়ম ফলাবার কোন অধিকার এইরকম কোন প্রতিষ্ঠান রাখে কি-না- ফরহাদ মজহার কি ঢাকা ক্লাবের সদস্য হতে গিয়েছিলেন- এইসব প্রশ্ন ছাড়াও ক্লাব যখন পাবলিকলি ব্যবহার করার জন্য ভাড়া দেওয়া হয়, তখন এই ক্লাবে কে কোন পোশাক পরে আসবেন তার প্রেসকিপশন ক্লাব কোন অথরিটিবলে দেবে- এই প্রশ্নটিও গুরুত্বপূর্ণ। আমরা অবশ্যই আর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নও এখানে তুলতে পারি যে, লুঙ্গি কেন বাংলাদেশের মত একটি দেশ- যার অধিকাংশ মানুষের সাধারণ পোশাক- সেই দেশের একটি ক্লাবের ড্রেস কোডে অন্তর্ভূক্ত হবে না, যেখানে আজিব নিয়মে একটি কলোনিয়াল ড্রেসই সব জায়গায় ড্রেসকোড হিশেবে রাখা হয়?
পরিশেষ, ফরহাদ মজহার "ফরহাদ মজহার" এই পরিচয় নিয়ে ক্লাবে ঢোকার অনুমতি পেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি "ফরহাদ মজহার" হিশেবে ঢুকতে রাজি ছিলেন না, যে কোন একজন মানুষ, লুঙ্গি যার সাধারণ পোশাক, তাদের একজন হয়ে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের ভিতরে অবস্থিত যে কোন জায়গায় ঢোকার আইনগত অধিকার চেয়েছেন- যে অধিকার মৌলিক অধিকার হিশেবে সংবিধান সবাইকে দিয়েছে।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ফরহাদ মজহার, ঢাকা ক্লাব, লুঙ্গি, কলোনিয়াল ড্রেস ;
প্রকাশ করা হয়েছে: http://sunnitoshia.blogspot.com/ বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:০২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: দিয়ে ফেলেন![]()
খোলা_আকাশ বলেছেন:
লুঙ্গি পরে গেলে সমস্যা কি বুঝি না। শার্ট প্যান্টই যে ভদ্রলোকের পোশাক এটা কে ঠিক করেছে? শ্রীলংকার একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে দেখতাম লুঙ্গি পরে সব জায়গায় যাচ্ছে। আরবরাওতো তাদের ঐতিহ্যবাহী যোব্বা পরে সব জায়গায় যায়।
লেখক বলেছেন: শার্ট প্যান্ট ভদ্রলোকেরই পোশাক, এই ভদ্রলোক শ্রেণীর ইতিহাস হল কলোনিয়াল প্রভুদের চাকরি বাকরি করা।
লেখক বলেছেন: তার মানে চাকর বাকরের পোশাক।
পোড়া মরিচ বলেছেন:
ফরহাদ মাজহার একজন বিখ্যাত ব্যক্তি, বাংলাদেশের গর্ব। এত বড় ব্যক্তিক্তকে অপমান করে ঢাকা ক্লাব খুব খারাপ একটি কর্ম করেছে। সেখানে শাড়ি পড়ে ঢুকতে পারলে লুঙ্গির কি দোষ? আর লুঙ্গি আমাদের জাতীয় পোষাক, নিচে আন্ডারওয়ার পড়লেই হল।
লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যের কটাক্ষ ভাল লাগল না।
অমিত হাসান বলেছেন:
ইউনুস ভাই যদি ফতুয়া পরে নোবেল পুরষ্কার নিতে পারে তাহলে মজহার ভাইয়ে কেন লুঙ্গি পরে একটা ক্লাবে ঢুকতে পারবে না।
লেখক বলেছেন: shetai.
পোড়া মরিচ বলেছেন:
ফরহাদ মাজহারের ছবির জন্য আবারও ধন্যবাদ। উনিও আমার ওস্তাদের মত লক্ষীট্যারা দেখে ভাল লাগল
লেখক বলেছেন: ও।
পোড়া মরিচ বলেছেন:
আমি মন্তব্যে কটাক্ষ করিনি রিফাত ভাই। আমি মনে করি লুঙ্গির নিচে আন্ডারওয়ার পড়া হাইজেনিক, স্বাস্থ্যসম্মত। অরূপ রাহী ভাই পড়েন না, তাই মনে হল, আর কিছু না।
লেখক বলেছেন: .
মুক্তি মণ্ডল বলেছেন:
ফরহাদ মজহার ওই কলোনিয়াল ক্লাবে ঢুকতে পারে নাই বলে সেটা টিভি নিউজ হয়েছে, ব্লগেও লেখা জোখা চলছে..সগীর, রহিম ওখানে ঢুকতে না পারলে কোন লেখা আসে না, বা কোন খবরও হয় না...এর কারণ কি?
একজন কবিকে ক্লাবে ঢুকতে না দেবার জন্য ঘৃণা জানাই।
লেখক বলেছেন: সেটাই। তাই-
ফরহাদ মজহার "ফরহাদ মজহার" এই পরিচয় নিয়ে ক্লাবে ঢোকার অনুমতি পেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি "ফরহাদ মজহার" হিশেবে ঢুকতে রাজি ছিলেন না, যে কোন একজন মানুষ, লুঙ্গি যার সাধারণ পোশাক, তাদের একজন হয়ে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের ভিতরে অবস্থিত যে কোন জায়গায় ঢোকার আইনগত অধিকার চেয়েছেন- যে অধিকার মৌলিক অধিকার হিশেবে সংবিধান সবাইকে দিয়েছে।
বাঙ্গাল বলেছেন:
তর্কটা ইউটিউবে থাকলে নিজে দেখে কিছু বলতাম। পড়ে যা বুঝলাম,"একি ঘটনা ঢাকার যেকোন ৫ তারা হোটেলের লবিতে হতে পারত। এরমানে মেজাজ মনন ও রুচিতে কলোনিয়াল আবেশ কিছু মাত্র কমে নাই আমাদের"।
লেখক বলেছেন: তর্ক ছিল সংক্ষিপ্ত। দাঁড়োয়ান ছিল স্বয়ং ক্লাবের সেক্রেটারি, যিনি সদম্ভে ঘোষণা দিয়েছেন এটি কলোনিয়াল ক্লাব। ইউটিউবে হয়তো আপলোড করবে কেউ কেউ। তখন পাবেন।
"একি ঘটনা ঢাকার যেকোন ৫ তারা হোটেলের লবিতে হতে পারত। এরমানে মেজাজ মনন ও রুচিতে কলোনিয়াল আবেশ কিছু মাত্র কমে নাই আমাদের"।
সত্য।
নিম গাছ বলেছেন:
তিনি অভিযোগ করেছেন ঢাকা ক্লাবে নাকি অসামাজিক কাজ চলে (অর্থাৎ মদ-মাগী)! তাইলে সারছে! ঢাকা ক্লাবে খোঁজ নেয়া দরকার।
লেখক বলেছেন: এটাতো ওপেন সিক্রেট।
অমিত হাসান বলেছেন:
ঢাকা ক্লাব অসামাজিক কাজ চলে এবং চলবে।আমরা বলার কে?
লেখক বলেছেন: হুম।
মুক্তি মণ্ডল বলেছেন:
দরকার লুঙ্গী আন্দোলন। আইন করা হৌক। সব জায়গায় লুঙ্গী পরে যাওয়া যাবে। স্কুল, কলেজ, অফিস আদালত সব জায়গায় লুঙ্গী এলাউ করতে হবে এই নিয়ে আন্দোলন হৌক। আছি সাথে। রাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের একজন চাকরও যদি ইচ্ছে করে সে লুঙ্গী পরে অফিস করবে, একজন উকিলও যদি ইচ্ছে করে সে লুঙ্গী পরে কোর্টে দাঁড়াবে তা যেন সে পারে...আরো আরো..জায়গায় একজন ব্যক্তি যাতে লুঙ্গী পরে এক্ট করতে পারে তার জন্য আসুন গলা মিলাই....
লেখক বলেছেন: দরকার লুঙ্গী আন্দোলন- ব্যাপারটারে ঠাট্টার পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া কি ঠিক হবে? এখানে কোন চাকর বাকরের কথা হচ্ছে না, একজন স্বাধীন সার্বভৌম নাগরিক এর কথা হচ্ছে। শার্ট প্যাণ্ট তো আসলেই চাকর বাকরের পোশাক। স্কুল, কলেজ, অফিস আদালত এমনকি রাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের একজন চাকর- এইসবের কোন ক্যাটাগরীতেই তো ফরহাদ মজহার বা একজন নিমন্ত্রিত স্বাধীন সার্বভৌম সাধারণ অতিথি পড়েন না। পোশাকের ক্ষেত্রেও যদি ফ্রিডম অব চয়েস না থাকে স্বাধীন মানুষের, তাইলে কেমন স্বাধীনতা?
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন:
ড্রেস কোডের মাইরে বাপ লুঙ্গী জিন্দাবাদ।
লেখক বলেছেন: ![]()
বায়লোজি বলে আমি নাকি ছেলে!! বলেছেন:
অই বেটায় সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী কতা কইয়া কইয়া সাম্রাজ্যবাদের মদের আড্ডায় গেছে/যায় কেন?!!হেয় কি ফিডার বেবি যে ঢাকা ক্লাবের কর্মকান্ড/স্বভাব জানে না?!!
য়েখন ধাক্কা খায়া পাক্কা হওয়ার ভান করতাছে।
ফরহাদরে লুঙ্গী পইরা ঢাকা ক্লাবে ঢুকতে দেয় নাই ঠিকাছে য়েই রকম বহু জায়গা আছে যেইখানে লুঙ্গী পইরা ঢুকতে দেয় না।
দৈনিক বহুত পাব্লিক অনেক জায়গায় বিতাড়িত হয়। কই তখনতো আপনাদের বাঙ্গালিয়ানায় আগাত লাগে না!!!
ফরহাদ মজহার কি বাঙ্গালী পরিচয় ইজারা লিয়া ফালাইছে??!!
যে ফরহাদের লুঙ্গী বাংলার আইডি?!!
যাদের সর্বাঙ্গে বাংলা জীবনে লুঙ্গী ছাড়া কিছু দেখে নাই ওরা যে গলা ধাক্কা খায় তখন কই যায় আপনেগো বাঙ্গালিয়ানা?!!
ফরহাদতো পড়ে সাউদ ইন্ডিয়ান লুঙ্গী আর যারা জীবনে পাটের লুঙ্গী ছাড়া কিছু পরে নাই হেগো কথা কিছু কন।
য়েন,জি,ও ধর্মী বাঙালী জীবন ছাড়েন।
লেখক বলেছেন: ফরহাদ মজহার "ফরহাদ মজহার" এই পরিচয় নিয়ে ক্লাবে ঢোকার অনুমতি পেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি "ফরহাদ মজহার" হিশেবে ঢুকতে রাজি ছিলেন না, যে কোন একজন মানুষ, লুঙ্গি যার সাধারণ পোশাক, তাদের একজন হয়ে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের ভিতরে অবস্থিত যে কোন জায়গায় ঢোকার আইনগত অধিকার চেয়েছেন- যে অধিকার মৌলিক অধিকার হিশেবে সংবিধান সবাইকে দিয়েছে।
আপনার জিজ্ঞাসা হল: "সাম্রাজ্যবাদের মদের আড্ডায় গেছে/যায় কেন?!!"
স্বজনদের অনুষ্ঠানে (ভ্রাতৃস্পুত্রির জন্মদিন অনুষ্ঠানে, তাইতো শুনেছিলাম মনে হয়) নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে গিয়েছিলেন ফরহাদ। আর এটি সাম্রাজ্যবাদের মদের আড্ডা নয় এটি হল কলোনিয়াল চাকর বাকরদের মদ আর বিলাসের আড্ডা। দুইয়ের কিছু প্রায়োগিক ফারাক আছে জনাব।
শালার আজব চিড়িয়া... স্বাধীন হইয়াও মনটা পরাধীন কইরা রাখছে.. তাগো র জন্য করুনা.....
ফরহাদ মাজহার .. চোখে আঙুল দিয়া অসঙ্গতিটা চোখে পড়াইছে... এদের মনে যে সাম্রাজ্যবাদের বিষ... দালালীপনা..
আর এই পোষ্টেও ধন্যবাদ.. নীচে ও যে কিছূ কলোনিযাল দালাল আছে প্রমাণ করায়। মাইনাসে প্রকাশ পাইল
লেখক বলেছেন: ![]()
পোড়া মরিচ বলেছেন:
কিরিটি রায়ের মন্তব্যে প্লাস, দেখেন না কলোনিয়াল দালাল কিছু নিকটাও কলোনি থেকে ধার করে
লেখক বলেছেন: .
দাউদ বলেছেন:
যত তন্ত্র মন্ত্র আর বাদ মতবাদ বলিনা কেন এগুলো সফল হবে না ব্যুউপনিবেশিক মানসিক আচরনের কারনে। ফরহাদ মজহারকে নিয়ে যারা লুঙ্গি বিতর্কে নেমেছেন তাদের অধিকাংশই এর শিকার- এ মন্তব্য অতিরিক্ত কি ?
লেখক বলেছেন: উপরে বাঙালের মন্তব্য দ্রষ্টব্য।
মুক্তি মণ্ডল বলেছেন:
রিফাত হাসান আমি ব্লগে ঠাট্টা সাধারণত করি না। আমি সিরিয়াসলি কথাগুলো বলেছি। সব জায়গায় যাতে লুঙ্গী এলাউ হয় সেটার জন্য যা যা করার তা করা উচিত। ফরহাদ মজহার কোন ক্যাটাগরিতে পড়ে বা পড়ে না তা আমার বিবেচ্য নয়। রাস্ট্রের নিয়ম থাকে তা আমরা মানি। এটার জন্যও নিয়ম দরকার। শুধু অতিথির জন্য নয় সবার জন্যই এক নিয়ম হওয়া দরকার।
লেখক বলেছেন: দুঃখিত আপনি ঠাট্টা করেছেন বলতে চাইনি, কিন্তু এই ধরণটা আলোটনাটারে ঠাট্টার পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে- এটাই আশঙ্কা করেছি। আপনার সাথে একমত যে, এখানে ফরহাদ মজহার কোন বিষয় নয়, সবার জন্যই এই কথা প্রযোজ্য।
আকাশ অম্বর বলেছেন:
পোষ্টে প্লাস্। ধন্যবাদ লেখক।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
আমরা আরও অঙ্গীকার করিতেছি যে, আমাদের রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য হইবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এমন এক শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজের প্রতিষ্ঠা- যেখানে সকল নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত হইবে। এইটা বাংলাদেশে সংবিধানের প্রস্তাবনার তৃতীয় অনুচ্ছেদ। দেশে আলাদা এলিট ক্লাব এবং সেখানে নানা বিধি নিষেধ বলবৎ রেখে কিভাবে সাম্য, স্বাধীনতা এবং সুবিচার নিশ্চিত করা সম্ভব তা বোঝ দায়।
লেখক বলেছেন: দেশে আলাদা এলিট ক্লাব এবং সেখানে নানা বিধি নিষেধ বলবৎ রেখে কিভাবে সাম্য, স্বাধীনতা এবং সুবিচার নিশ্চিত করা সম্ভব তা বোঝ দায়।
সহমত।
ফিনিক্সম্যান বলেছেন:
পোষ্টে +@ বিবর্তনবাদী, Click This Link এই লিঙ্কে আপনার সর্বশেষ মন্তব্যটি বেশ কাজের মনে হৈসে। এইখানে কপি কইরা দিতে পারেন বস।
@পোড়া মরিচ, লক্ষীট্যারা লই মশকরা কি ঠিক হৈসে?
লেখক বলেছেন: মন্তব্যটা পড়েছি। হাঁ, খুব ভাল বলেছেন বিবর্তনবাদী। আপনাকেও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
বায়োলজী, তথ্য জাইনা কথা কইলে ভাল হয়, নাইলে নিজেরে বিশাল বেকুব প্রমাণ করা ছাড়া লাভ হয় না।
পোড়া মরিচের উত্তোরোত্তর কলোনিয়াল চাকর হবার পথে উন্নতি কামনা করি যাতে একদিন তিনি ঢাকা কেলাবের দারোয়ান হইবার পারেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বিস্তারিত মন্তব্যের জন্য।
লেখক বলেছেন: আপনারেও ধন্যবাদ।।
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
সেলিব্রেটিগো নিয়া আর পারা গেল না, পাবলিকের দৃষ্টি আকর্ষনের জন্য কত কি যে করে Click This Linkগ্রিন কার্ড লইয়া এইসব কলোনিয়াল দেশে ক্যান যে পইড়া আছে।
লেখক বলেছেন: বুঝলাম না।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
একটা ক্লাব বানায়া যদি নিয়ম করে যে , প্যান্ট পড়ে ঢুকা যাবে না তখন ঢাকা ক্লাবের সেই জারজ সেক্রেটারীও "অধিকার"- "সংবিধান" চোদাইতে গলা ফাটাবে !
লেখক বলেছেন: ![]()
অচেনা সৈকত বলেছেন:
ছ্যা ছ্যা!!! দেশে দেকি ঘোর কলিকাল!!! লুঙ্গী পরে যদি চলাফেরার স্বাধীনতা নাই থাকল তাইলে ক্যামনে কি?
লেখক বলেছেন: হাহা, ক্যামনে কি?
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ খোমেনি। কালকে ঢাকা থাকার সম্ভাবনা আছে। তাহলে দেখা হবে ইনশাআল্লাহ।
লেখক বলেছেন: ![]()
মগ্নতা বলেছেন:
আলাদা পোষ্ট আকারে দিয়া দিলাম মন্তব্য:ঢাকা কেলাবের জেনারেল সেক্রেটারী সায়েব দম্ভ ভইরা যখন কইলেন এইটা একটা কলোনিয়াল কেলাব। ভাইবা দেখলাম, কথাখান পুরাপুরি মিথ্যা নহে। উনিশ শতকের মাঝামাঝি টাইমে (১৮৫১ সন) বঙ্গ উপনিবেশের শাসনকর্তা ফিরিঙ্গিগো মউজ ফুর্তির জন্য এই কেলাব প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৪৭ সনে স্বাধীনতার কিছু আগ পর্যন্তও এই কেলাবে নন গোরা নেটিভগো প্রবেশ নিষেধ ছিল। তাই, নি:সন্দেহ হওন যায়, এই কেলাব নেটিভগো লাইগ্যা তৈরী হয় নাই, ফিরিঙ্গি উপনিবেশকারীগো লাইগ্যা তৈরী হৈসে।
ওখে।
এরপর ১৯৪৭ আর ১৯৭১ দুইখান মহা ইতিহাস গেছে এই ভূখণ্ডের উপ্রে দিয়া। তার মধ্যে চইলা গেছে ফিরিঙ্গি, কিন্তু রাইখা গেসে তাগো গোলাম শ্রেণী। চিন্তা, চেতন, পোশাক সবটিতে ফিরিঙ্গি হওনের চেষ্টা। তারাও তাগো প্রভুদের মতন নিজেগোরে ফিরিঙ্গি ভাইবাই কথা কয়। আর অন্য সকলরে নেটিভ। এইটা মনের মইধ্যে আছে ঠিকই। কিন্তু ঐ কলোনিয়াল ফিরিঙ্গির গোলাম কুত্তাটা এই প্রথম মুখে আনসে। দম্ভ ভইরা কইসে, এইটা কলোনিয়াল ক্লাব।
এই উচ্চারণ কইরা ঐ গোলামের বাচ্চা দুইটা মহা ইতিহাসরে অস্বীকার করসে: এক ১৯৪৭ যখন তিতুমির দুদুমিয়াদের রেডিক্যাল মুভমেণ্ট তাগো প্রভুদের শেষতক পালায়া যেতে বাধ্য করসিল , দুই আমাগো ৭১- যার উপরে দাঁড়াই আছে বাংলাদেশ।
এই বেয়াদপ লোকটার শাস্তি কি হওন যায়?
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মগ্নতা, দীর্ঘ মন্তব্যের জন্য। কিন্তু তারে আলাদাভাবে শাস্তি দেওয়ার কোন অর্থ নেই। শুধু আমাদের মাথা এবং ঘাড় থেকে এই কলোনিয়াল ভূত তাড়াতে হবে, তাহলেই এর শাস্তি হবে। আর, হটকারীদেরকে ইতিহাসও ক্ষমা করবে না।
লেখক বলেছেন: পড়লাম।
লেখক বলেছেন: খোঁজ নেন।
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: দেখলাম। ভাল।
তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি বাংলাদেশের মত জায়গায় লুঙী পরে সব জায়গায় যাওয়ার অধিকার থাকা উচিত।
লেখক বলেছেন: বাংলাদেশের মত জায়গায় লুঙী পরে সব জায়গায় যাওয়ার অধিকার থাকা উচিত।
সবাই দেখলাম ব্যাপক ঠাট্টা করতোসে ঘটনাটা নিয়া ।
যেন ফরহাদ মাজহার লেফটিষ্ট প্রাক্তন নাস্তিক হওয়াই তার অপমান যায়েজ হয়ে যায় ।
ঘটনা টা ছোট্ট কিন্তু আমাদের মানসিকতার পুরো ছবিটা ফুটে উঠে এই ছোট্ট একটা ঘটনায় --
যাদেরই আমি মু্ক্তচিন্তার ধারক বাহক হিসাবে জানি -- তারা বেশ ব্যাংগ করছে এটা নিয়া ।
আমার কেবল ছোট একটা প্রশ্ন - - এই যে অপমান লুংগির জন্য কালকে আপনি প্যান্ট -- সুটেড --বুটেড হয়ে গেলেও আপনার অপমান হতে পারে । মূল বিষয়টা হচ্ছে তোমার কাছে টাকা নাই -- আমাদের কাছে আছে .
আর কোলনিয়াল গোলামি কথায় তো মুখে থুথু আসলো --
পরে হাসি আসছে --চাকর গুলো লম্ফ ঝম্প দেখে ।
~~
ফরহাদ মাজহার সম্পর্কে আমি খুব একটা জানি না -- তার প্রতি আমার কোন সহানুভুতিও নেই --
শুধু চারিপাশের নর্তন কুর্দন দেখছি।
~~
ফারহানের কমেন্তে ঝাজা ।
দারোয়ানের জয় ।
লেখক বলেছেন: সেটাই।
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন:
ছবিটা বিপুল ভায়ের তোলা। হাসান বিপুল। এট্টু লেইখা দিয়েন।-----------
আর ব্লগে দেখি ভালাই 'মিশ্র প্রতিক্রিয়া' হইছে। কারনও আছে। প্রথমত, 'ইউটার্ন' রা তো এইখানেও আছে! দ্বীতিয়ত, 'ইউটার্ন'দের ভাষায় 'মফিজ' হইলেও মনে মনে নিজেদের 'ইউটার্ন' ভাইবা সুখ পায় এমুন হতভাগারাও আছে। তৃতীয়ত, এদের ছাড়া অনেকেই আছেন যারা নানা কারনে মজহারকে স্রেফ 'ঘৃনা' করেন।
লুঙ্গী পড়ে ঢাকা ক্লাবে ঢুকতে গিয়ে মজহার এর বদলে অন্য কেউ বাধা পেলে বেচারা লুঙ্গীর পক্ষে অন্তত তৃতীয় শ্রেনীকে পাওয়া যেত।
লেখক বলেছেন: ঠিক আছে। যুক্ত করে দিলাম।
লুঙ্গী পড়ে ঢাকা ক্লাবে ঢুকতে গিয়ে মজহার এর বদলে অন্য কেউ বাধা পেলে বেচারা লুঙ্গীর পক্ষে অন্তত তৃতীয় শ্রেনীকে পাওয়া যেত।
হাঁ, এটাই সত্য।
লেখক বলেছেন: এইটা আপনার পোষ্ট থেকে নিয়েছিলাম।
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন:
আর ব্লগার লংকার রাজা'র অবস্থান আমার ভালো লাগছে- ''লুঙ্গী পোষাক হিসেবে পছন্দ-অপছন্দ করাটা আমার ব্যক্তিগত ব্যপার হতে পারে, কিন্তু নিজের ইচ্ছাটা অন্যের উপর চাপিয়ে দেওয়াটা যুক্তিযুক্ত নয়। লুঙ্গী কোন অশালীন পোষাক নয়, এবং দীর্ঘদিন ধরে এটা আমাদের পোষাক হওয়ায় এর সাথে একটা ঐতিহ্যগত ব্যপার জড়িত। এখন কোন দেশীয় প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এই পোশাককে এ্যলাউ না করাটা হয়ত বেআইনি হবে না, কিন্তু কতটা নৈতিক সেটা ভাবার বিষয়''
লেখক বলেছেন: সেটাই।
ফিনিক্সম্যান বলেছেন:
Click This Linkএই পোষ্টখানাও লিঙ্কাইলাম বস। আরজুর কমেন্টে +
লুঙ্গী পড়ে ঢাকা ক্লাবে ঢুকতে গিয়ে মজহার এর বদলে অন্য কেউ বাধা পেলে বেচারা লুঙ্গীর পক্ষে অন্তত তৃতীয় শ্রেনীকে পাওয়া যেত।
লেখক বলেছেন: হুম।
লেখক বলেছেন: বাহ!!
লেখক বলেছেন: হাঃ।
ব্রুটাস বলেছেন:
চুতমারানির ছবি দেওনের জন্য মাইনাস
লেখক বলেছেন: apotti janalam.
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মুনশিয়ানা। বেশ ভাল করেছেন, এটি অনেকেই খোঁজ করছিলেন।
লেখক বলেছেন: লায়ন হতে আমি ঘেন্না বোধ করবো।
একটা ছোট্ট সাদামাটা গল্প বলি, ঢাকা ক্লাবের বিষয়ে বলতে পারবো না, গল্পটি লায়ন মানে আপনাদের মতো যারা লায়ন হতে ভালবাসেন, নিজেরে লায়ন ভেবে গৌরব বোধ করেন বা লায়ন ইত্যকার পশুদের সাথে পরিচয়ে শ্রদ্ধায় বিগলিত হয়ে যাবেন বলে ইচ্ছা প্রকাশ করছেন তাদের জন্য।
আমার বড় ভাই তার এক লায়ন বন্ধুর নামের আগে লায়ন শব্দ ব্যবহারের আদিখ্যেতার বিষয়ে খুব হাসি ঠাট্টা করছিলেন- কাউকে পরিচয় দেবার সময় তিনি বলেন আমার নাম 'লায়ন অমুক..', আমার আম্মা তখন তাকে খুব ভৎসনা করে বললেন, মানুষকে নিয়ে এভাবে হাসি ঠাট্টা করা ঠিক না, এই লোক হয়ত জানেই না লায়ন একটি পশুর নাম।
কথাটা সত্যি। যেমন আপনি।
আমার পরিচিত এক লায়ন আছেন, আমাদের বাড়ীওয়ালা, জগতশ্রেষ্ঠ কৃপণ; ভাড়াটিয়ারা দূরের কথা, এমনকি কর্মচারীর সাথেও 'জরুরী' কথা সারেন 'মিসকল' দিয়ে, এবং অতি দ্রুত তার জবাব না দিলে দেখা হলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন আমি কেন তার ফোনের জবাব দেইনি এতবার মিসকলদেবার পরও। আর আমার সাথে প্রথম যেদিন পরিচয় হলো, বাব্বাহ, অন্তত আধা ঘণ্টা ওয়াজ করলেন যেন এই দোজখের মত দেশ ছেড়ে ইউরোপ আমেরিকার কোন দেশে গিয়ে পাড়ি জমাই, কারণ বাংলাদেশ হচ্ছে ভিক্ষার দেশ, ওরা লায়নরাই নাকি এই দেশকে কোনমতে তাদের মহান সেবা দিয়ে টিকিয়ে রেখেছে।
লেখক বলেছেন: আর একটি কথা, আম্মার কথাটি ঠাট্টা ছিল না, তিনি সত্য ধরে নিয়েই কথাটি বলেছিলেন, আগের দিনের মানুষতো- লায়ন নামে একটা যে মনুষ্য প্রজাতি থাকতে পারে, তা তাঁর অজানা ছিল।
সবাক বলেছেন:
ঢাকা ক্লাবতো ক্লাব, ফরহাদ মাজহারতো ঋষী!!
ফরহাদ মাজহারের জন্য অন্তত লুঙগী কেন্দ্রিক দেশীয় সংস্কৃতিপ্রেম ঠাওর হচ্ছে। এটা খুব ভালো দিক।
কেমন আছেন বস?
লেখক বলেছেন: আল্লার রহমতে আমি বেশ ভাল আছি। আপনার কেমন চলছে?
আপনার ঠাট্টাটারে আর একটু স্পষ্ট করলে আমার আর একটু বুঝার সুবিধা হতো।
রিফাত হাসান বলেছেন:
আর ঢাকা ক্লাব? যেটিরে তারা নিজেরাই দর্পভরে 'কলোনিয়াল ক্লাব' বলে ঘোষণা দেয়-? অর্ধ শতাব্দীরও বেশ আগে যেই কাদা শরীর থেকে ধুয়ে পবিত্র হয়েছি, সেই কাদা এবং কলঙ্কের এমন সদর্প ও সগৌরব উদযাপনে আমার মনের গোপন শয়তানও ঘেন্না বোধ করবে।
লেখক বলেছেন: এই মন্তব্যটি ন হন্যাতের জন্য।
সবাক বলেছেন:
ভালো থাকার জন্য আমার যথেষ্ট প্রচেষ্টা।
বছরের শুরুতে ঢাকায় চীন মৈত্রি সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় কৃষি কনভেনশনে গিয়েছিলাম। সেখানে একজন কৃষক লুঙগী পরে এসেছিলেন। তাকে ঢুকতে বাধা দেয়া হয়েছিলো। পরে আয়োজকদের একজন এসে বিষয়টি মীমাংসা করেন। ওই কনভেনশনে অন্তত ২ শতাধিক সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন। পরদিন কারো কারো রিপোর্টে একলাইনে বিষয়টি এসেছিলো। আমার এখন খুব আপসোস হচ্ছে - লোকটা কেন ফরহাদ মাজহার হইলো না?
লেখক বলেছেন: বিস্তারিত মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ সবাক।
সেই বার লোকটা ফরহাদ মজহার না হওয়ার কারণে আমরা কেউই জানতে পারি নাই। এইবার ফরহাদ মজহার হওয়ার কারণে আমরা যদি স্রেফ ফরহাদরে বিষয় বানিয়ে লাফালাফি করি, তার কোন মূল্য আছে বলে মনে করি না। এইটা যারা এই ইস্যুতে স্রেফ ফরহাদ স্তুতি এবং ফরহাদ বিরোধিতায় মেতে উঠেছেন, তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
ফরহাদের অনন্যতা এখানেই যে, ফরহাদ এখানে নিজেরে বিষয় হতে দেন নাই। তার প্রমাণ হলো, ফরহাদ মজহার "ফরহাদ মজহার" এই পরিচয় নিয়ে ক্লাবে ঢোকার অনুমতি পেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি "ফরহাদ মজহার" হিশেবে ঢুকতে রাজি ছিলেন না, যে কোন একজন মানুষ, লুঙ্গি যার সাধারণ পোশাক, তাদের একজন হয়ে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের ভিতরে অবস্থিত যে কোন জায়গায় ঢোকার আইনগত অধিকার চেয়েছেন- যে অধিকার মৌলিক অধিকার হিশেবে সংবিধান সবাইকে দিয়েছে। এখানে যেই কৃষকরে সেইদিন চীনমৈত্রি সম্মেলন কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হয় নাই, ফরহাদ তারেও সাথে নিয়েছেন। এটাই এই জায়গার জরুরী পলিটিকস।
যদিও প্রথমে আমার সুবিধাবাদি মন ভেবেছিল, ফরহাদ মজহার এই ব্যাপারটিরে এড়িয়ে গিয়ে নিজের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ রাখার চেষ্টা করলেই সম্ভবত ভাল করতেন। কী দরকার বিতর্কে যাবার, হাসিমুখে নিজের পরিচয়টা দিয়ে অথবা ভিতরে না ঢুকেই চলে আসতে পারতেন তিনি। ভাবমূর্তি এবং স্ট্যাটাস সম্পর্কে অতিশয় টনটনে আমার মতো সুবিধাবাদি মানুষের অনুকরণের দিকে গেলেন না তিনি। তা না করে তিনি প্রতিবাদ করলেন এই বলে যে, এটি একটি কলোনিয়াল নিয়ম, আর ক্লাবের সেক্রেটারি অহংকারের সাথেই এর উত্তরে বললেন এটিতো কলোনিয়াল ক্লাবই।
কিছু লোক এমন যে, যাদের বেআদবীটাই সমাজের আদব তৈরী করে। ফরহাদ তাদের মধ্যে পড়েন। ছফা ভাইকেও তেমন দেখেছি।
লেখক বলেছেন: ফরহাদ আপনার না-পছন্দ, এইটা এই অংকের জন্য বড্ড্ বিপদ!
লেখক বলেছেন: ভাল।
ভার্সিটি লাইফতো শেষ... এখন দেখি ৬/৭ বছর আগের সেই বামপন্থী নেতা কর্মীরা কোথায় আছে?? সকাল বিকাল যে এনজিও গুলোকে গালি দিত অধিকাংশের গতি সেখানেই। আর কিছু আছে মাল্টিন্যাশ্লানে... আরও কিছু বিদেশ যাবার ধান্ধায় আছে ...আহ...
তখনই দেখতাম কোন লিটিল ম্যাগ, যার পাতায় পাতায় মাল্টিন্যাশ্নাল কোম্পানী আর সাম্রাজ্যবাদের বদনাম... আবার সেসব কোম্পানীরই একটা বিজ্ঞাপনের আশায় এলিটদের নির্দিধায় তেল মারত
আপ্নি যেভাবে শুরুতেই বললেন ... লায়ন হতে আমি ঘেন্না বোধ করবো। কিংবা টাকা-পয়সা আমার ভালো লাগে না, বাংলাদেশের অধিকাংশ লোকই এটাই বলে। কিন্তু মজার ব্যাপার সাম্রাজ্যবাদী কোম্পানীতে চাকরী পেলে এই আদর্শ বাক্সবন্দী করে জয়েন করতে চলে যাবেন। অন্তত অভিজ্ঞতা সেটাই বলে।
কিন্তু ওয়ারিদ, গ্রামীন, কিংবা শেভরনে একটা চাকরি পেলে আমি ঠিকই জয়েন করব, মজার ব্যাপার আপ্নিও করবেন মুখে সাম্রাজ্যবাদ- নীপাত যাক শ্লোগান দিতে দিতে।
বামদের অনেকেই ভন্ড বলে। মনে হয় কথাটা সত্য। গত ৫০ বছরে এদের ইতিহাস... আর বর্তমান অভিজ্ঞতায় এটাটুকু বলতে পারি, আমাদের দেশের শতকরা নিরনব্বই ভাগ বামই আদর্শগত দিক থেকে একসময় ১৮০ ডিগ্রী ঘুরে যায়।
রিফাত হাসান বলেছেন:
২৬ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩১ dear blogger,your post (সরকারের প্রেসনোট, জননিরাপত্তার প্রেতাত্মা ও হিজবুত তাহরীর) have been kept in your blog as draft due to violation of the blog rules. please do not republish this writing again on the blog or we will be forced to ban you from the blog.
3g. if a post contains information or material or instruction that maybe used to harm the stability of the society or blog community.
৩ছ. যদি কোন পোস্টে সন্নিবেশিত তথ্য কিংবা বিষয় অথবা নির্দেশনা সমাজ এবং ব্লগ কমিউনিটির জন্য হুমকি স্বরূপ হয়।
regards,
somewherein blog team.
১৩ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৫৩
[link|http://prothom-aloblog.com/users/base/rifathasan/24|সরকারের প্রেসনোট, জননিরাপত্তার প্রেতাত্মা ও হিজবুত তাহরীর[]
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন:
ওই নিরীহ পোস্টটা মুছে ফেলা হইছে!মজা পাইসি।
সরকার যা কিছু হুমকি মনে করে, নিষিদ্ধ করে; ব্লগও যদি সেইটারে হুমকি মনে কইরা নিষিদ্ধ করে তাইলে ব্লগটা গেলো কই? একই পাল্লা দিয়া সরকার আর ব্লগ দুইজনেই ওজন করতে আছে!
------------
তয়, হিজবুতরে নিষিদ্ধকরন নিয়া আপনে যা বলছেন, যে জায়গা থেকে বলছেন সেইটাতে আমার আগ্রহ নাই।
লেখক বলেছেন: মুশকিলে ফেললেন আরজু। আপনার অনাগ্রহ জানার ইচ্ছে রইলো। কিন্তু পোস্ট টা কেন ফেলে দেয়া হল- তার রসায়ন নিয়ে আমি কিন্তু বেশ ভাবনায় পড়ে গেলাম।
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন:
না। কিছু কমুনা। এইসব নিয়া কথা বলতে আগ্রহ নাই। আমি একখান চিরায়ত পোস্ট দিছি। এইটা দেখেন
লেখক বলেছেন: হুম দেখলাম এবং কমেন্টও করলাম।
রাগ ইমন বলেছেন:
আপনার নিজের তথ্য ভাণ্ডারে আপনার মত নেটিভদের প্রবেশ অধিকার আছে তো ? একটু পড়ুন আর বলুন ।
Click This Link
লেখক বলেছেন: আপনার লেখাটি অবশ্যই সময় করে পড়বো। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: na. apni koment korsilen naki?
লেখক বলেছেন: ব্লগ কর্তৃপক্ষের বন্ধুরা ভাল মশকরা পারেন দেখি।
কৌশিক বলেছেন:
আপনার সাথে আলাপের উৎসাহ হারালাম।
লেখক বলেছেন: আরে কৌশিক ভাই, সম্ভবত আমার কথার ভুল মানে করলেন। তাহলে দুঃখিতই হবো। "বন্ধু" শব্দটি আপনারে উদ্দেশ্য করে কখনোই নয়। এটি কর্তৃপক্ষকেই বন্ধু সম্বোধন করলাম বস।
লেখক বলেছেন: হাঁ, সব মিলিয়ে ভালই।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...























+++++++++