আরও সাহসী ৫টি নক্ষত্র যুক্ত হল
অনন্তের আলোর মিছিলে!
দেখ, বিশ্বের বৃহত্তম ব দ্বীপ যখন এক দলের অন্ধকারে লিপ্ত হয়েছিল,
চারধারে কৃষ্ণ বন্দনার সুরেলা প্রলাপের বিকার ছড়িয়ে পড়ছিল
তখন আলোর উৎসকে,
মুক্তির আনন্দকে,
সহস্রধারায় বিকাশের
শতদল ফুটতে দেওয়ার আশ্বাসকে, তোমরা যাকে বলো গণতন্ত্র, যারা ফিরিয়ে আনার প্রধান ফটক খুলে দিল
তাদেরকে পুরস্কৃত করা হল ফাঁসির কারবালায় নিয়ে।
এখন সে ভূমি থেকে কেবল
কৃষ্ণপক্ষের শীৎকার শোনা যাচ্ছে।
দাদাদের পদচুম্বনের প্রতিযোগিতায় কে কাকে পেছনে ফেলবে।
নদীর বিনিময় গদি!
দেশের ভেতর দিয়ে কুমীরের যাতায়াতের পথ খুলে দেয়া।
আজ শুধু প্রশ্নের ভিড় নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে হতবাক মানুষ!
স্বাধীন দেশে ত্রিশ হাজার মুক্তিযোদ্ধাকে যারা হত্যা করেছে তাদের
বিচার কবে হবে?
কবে হবে '৭৪এর দুর্ভিক্ষের হোতাদের বিচার?
এসপি মাহবুব সহ সে দিনের জল্লাদরা এখন হেটে ঘুরে খেলারাম খেলে যায়
কেউ কেউ শুনি তেল কোম্পানীর দালালী করছে!
লালবাগ থানা হাজত থেকে গুম হয়ে যাওয়ার বিরুদ্ধে মামলা ঝুলছে কিন্তু বিচার এগোয় না সে কথা কি জানে দেশের উচ্চতর আদালত?
এই সেই উচ্চ আদালত, সংবিধান কেটে একদল করা হল সে সময় কথা বলেনি,
কথা বলেনি দুর্ভিক্ষের দিনগুলোতে,
কথা বলেনি, আমাদের বেরুবাড়ি তুলে দেয়ার দিনগুলোতে।
অথচ ফাঁসির রশি শানাতে এগিয়ে এসেছে এই আদালত আর পোষা বিচারপতির দল!
পিলখানার হত্যার দিনগুলোতে কোথায় ছিলেন আদালত ?
দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়ে। কোথায় থাকেন আদালত!
বৃহত্তর ব দ্বীপের অন্ধকার আবার কবে কাটবে কবে মুছবে এই পরাজয়ের গাথা!
৫ সাহসী সূর্যের বিনিময় এ দেশের মানুষ কি আবার আলোর পথ খুঁজে পাবে!
আবার কি খুজে পাবে এ ভূমি সেই সাহসী পদরেখা অনুসরণকারী আরো কোনো সাহসীতর পুরুষকে!
কান্না অস্ত্র হয়ে উঠবে।
হতাশা হয়ে উঠবে সংগ্রাম।
মানুষের মুক্তির কুল পাওয়া যাবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


