আবু বকরের হত্যার পর আপনার দলের প্রতি অনুগত
হিসেবে চিহ্নিত দৈনিক একটি সম্পাদকীয় লিখেছিলো।
আমি সেটা হঠাৎ করে দেখেছিলাম।
হাতে কাজ ছিলো না।
দুপুরে ভাত ঘুম দেয়ার বৃথা চেষ্টায়
ক্লান্ত।
চা খেলাম।
কফি খেলাম।
তারপর লুকিয়ে আইসক্রিম খেলাম।
বড় মেয়েটা দেখে না দেখার ভান করে অবাক হয়ে চলে গেল।
ছোট ছেলেটা খেলনা খোজার নাম করে এসে চুপে চুপে ঘরে ঢুকল।
তারপর খেলনা না নিয়েই বিদায় নিল।
ওর মা পাশের ঘর থেকে একবারও এলো না।
তারপরও সময় যাচ্ছে না।
কি আর করি।
দেখলাম সম্পদকীয়।
প্রধানমন্ত্রী কি জবাব দিবেন... এ জাতীয় শিরোনাম ছিল।
পোষা বাঘ বাঘ নয়।
পোষা শিল্পী শিল্পী নয়।
পোষা ব্লগার ব্লগার নয়।
সব কথার মধ্যে লুকিয়ে থাকা সত্যসার হল, বিক্রিত মানুষ চিরদিনই বিকৃত মানুষ।
পোষা সাংবাদিক বিকৃত মানুষের চেয়েও হীন বলতেন নূরী স্যার।
নূরী স্যার নেই। কিন্তু সেই বিকৃততর মানুষের ভিড়ে ভেসে যায় দেশ।
না প্রধানমন্ত্রী বকরের মৃত্যু নিয়ে আপনাকে কোনোদিন জবাব দিতে হবে না।
ডিজিটাল অভিধানে জবাবদানের কোনো ঠাই নেই।
আপনি নিরাপদে উজির-নাজির, সেনাপতি, রাজদূত-দূতী স্বজন-পরিজন, অনুগত, মোসাহেব নিয়ে বনভোজন করুন। অর্ধকোটি টাকা তুচ্ছ অতিশয়।
রাজমহিষীর কি 'হাউস' বলে কিছু থাকতে নেই! নেই সখ আহ্লাদ বলে কিছু! ১১ মাসে ১২বার বিদেশ ভ্রমণ, বছরে একবাপর বনভোজন না এসব তেমন কিছুই নয়।
বকরের মৃত্যু নিয়ে যা বলার বলে দিয়েছেন, 'স্বরাষ্ট্র' খাতুন।
'বিছিন্ন ঘটনা।'
একগুলিতেই যুদ্ধ শেষ!
তার মানে এটাই শেষ নয়।
এরকম বিছিন্ন ঘটনা ঘটেছে আনন্দমোহন কলেজে।
আরো ঘটবে।
ঘটবে।
ঘটতে থাকবে।
তবে আমার ভয় হয়, বিছিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে শেষ পর্যন্ত কারা কারা ছিন্ন হয়ে যাবে।
ইতিহাস বাঁকা মুখে হাসছে।
পিলখানা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত তার হাঁসি ছড়িয়ে পড়ছে।
এবার সে বাঁকা হাসির রূপান্তর কি হয় দেখি!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


