নিহত সত্যের পক্ষে কথা বলতে এসে আমি চুপ...
নিহত সত্যের পক্ষে কথা বলতে এসে আমি চুপ হয়ে থাকি!
ডিজিটাল রাজত্বের ডিজিটাল রাণী কিংবা স্বরাষ্ট্র খাতুনের আর্শীবাদে
রাম দা, কিরিচ এবং উদ্যত আগ্নেয়ান্ত্র নিয়ে যারা ঘুরছে
তাদের দেখে ঘুমের ঘোরেও বালকের দু:স্বপ্ন দেখার মতো কেঁপে কেঁপে উঠি।
আদালতের ছায়া দেখলেও ভয় লাগে, আজকাল!
বাপরে!
হত্যার নায়ক আজ বিচারপতির আসনে,
কিংবা সুপ্রিম কোটে সুপ্রিম মাস্তানী দেখিয়ে পদাঘাত করেছেন যিনি
তিনিও এখন বিচারক।
গান্ধী পাস মানে থার্ডক্লাসধারীরা নতুন বিচারক হয়েছেন!
প্রধান বিচারপতি লোক দেখানো বিলম্ব করছেন।
একদা মধ্যরাতে শপথ হয়ে যাবে আর তারা আসন পাবেন।
ডাইনির কাছে পুত সমপর্ন , মানে এই আদালতে বিচারের জন্য যেতে হবে ভাবতেও ঘাম ঝরে।
আমাদের কামলা ছিল মুজিবের বাপ,
বড় নিরীহ মানুষ ছিল, একাই সাতজনের কাম করতে পারতো, তবে কেউ ঠকালে ক্ষেপে বাঘ হয়ে যেত, মুরব্বির কান এড়িয়ে তিনি বলতেন, 'আমার 'বিচার' ঠেকাও পরে নাই যে ওর কাছে পয়সা চাইতে চামু।'
এখানে 'বিচা'র অর্থ কি জানতে বুঝতে অনেক সময় লেগেছিল,
আজ আদালতের দিকে তাকালে যদি মনে হয়, বসে আছেন 'বিচার'পতির দল তাহলে নিজ গুণে ক্ষমা করবেন সুশীল সমাজ।
আজকাল পোষা পণ্যা, বাধা রক্ষিতা, কিংবা শেকল গলায় সারমেয়র মতো সুশীলদারা আপনাদের জ্ঞানের ন্যাজ নাড়ছেন।
দুদককে যখন হাফ লেডিজ প্রেসিডেন্টের ডান্ডার তলায় নিয়া ফেলা হয় তখন কথা কন না কেনো!
দাদারা মানা করেছেন, মুখের সামনে ধরা লোভনীয় জীবিত বা সুপক্ক মাংসের টুকরা সরে যাবে!
তাই কথা কননা। সাবাস।
আমার বউ পোলাপান আছে,
মেয়ে ভার্সিটিতে যায়,
বউ চাকুরি করে,
ছেলে পড়ছে।
নিহত সত্যের পক্ষ নিয়া কথা কইতে গেলে কখন কে কি হয়ে যায় ভেবে দিন রাত ভয়ে কাঁপি!
তাই নিহত সত্যের পক্ষে কথা কই না।
ভয়ে চুপ।
দমবন্ধ করে থাকি।
পাড়ায় পাকিস্তানী সৈন্য ঢুকলে এভাবে দম বন্ধ করে থাকতাম একাত্তুরে।
রক্ষী বাহিনী আসলে এ ভাবে দমবন্ধ করে থেকেছি ৭২, ৭২, ৭৩ এবং ৭৫এর আগষ্টের আগে।
আর ভেবেছি কবে এদের দিন ফুরাবে।
মায়ের ফ্যাকাশে মুখের দিকে তাকিয়ে থেকে
দোয়ায় ইউনুস পড়েছি।
এখন দমবন্ধ করে থাকি একই ভাবে....

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

