মাত্র ২১ বছর বয়েসে জার্মানীর মত দলে আলাদা করে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করে ফেললেন তুর্কী বংশোদ্ভূত ফুটবলার জার্মান ফুটবলার মেসুট ওজিল। যাকে অনেকে এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপের সেরা আবিষ্কার হিসাবে মনে করছেন।
তবে মেসুট ওজিলের এমন অবস্থার জন্য কিছুটা ধন্যবাদ পাবেন মাইকেল বালাক। বাকিটা সব সময়ই সৃষ্টিকর্তার জন্য রেখে দেন মেসুট ওজিল। প্রবলভাবে ধর্মবিশ্বাসী এই জার্মান ফুটবলার কোরআন শরিফ পড়ে তবেই ম্যাচের জন্য মাঠে নামেন। সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ তো তিনি দিতেই পারেন; কিন্তু মাইকেল বালাককে কী কারণে! আসলে ওজিলের জার্মানির প্রথম একাদশে খেলাটিই নিশ্চিত ছিল না। সেটা নিশ্চিত করে দিয়েছে মাইকেল বালাকের ইনজুরি। ঘানার বিপক্ষে জয়সূচক একমাত্র গোলটি করে জার্মানিকে দ্বিতীয় রাউন্ডে পেঁৗছে দেওয়া এই মিডফিল্ডার কিছুটা কৃতজ্ঞ তাই সাবেক জার্মান অধিনায়কের কাছেও।
অনেক দিন ধরে যেন এই সুযোগটিই খুঁজছিলেন ওজিল। গত বছর ফেব্রুয়ারিতে জার্মানির হয়ে অভিষেক হয়েছিল তাঁর। ক্যারিয়ারের তৃতীয় আন্তর্জাতিক ম্যাচেই পেয়েছিলেন প্রথম গোলের দেখা। কিন্তু বালাক, শোয়েনস্টাইগার ও পিওতর ট্রচস্কিদের ভিড়ে নিজেকে আলাদা করে চেনানো তো একটু কঠিন। তুর্কি বংশোদ্ভূত এই ফুটবলারও তাই অপেক্ষায় ছিলেন সময়মতো জ্বলে ওঠার, সবার নজর কাড়ার। অস্ট্রেলিয়াকে ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত করা প্রথম ম্যাচেই তাঁর পারফরম্যান্সে মুগ্ধ ছিল জার্মান সমর্থকরা।
দলের যখন দরকার, ঠিক তখনই জ্বলে উঠতে পেরেছেন। নিঃসন্দেহে তাই জার্মানির এই জয়ের নায়ক ওজিল। তবে ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার পাওয়া এই জার্মান মিডফিল্ডার কিন্তু কৃতিত্ব দিয়েছেন বাকি সবাইকে, 'আমার সতীর্থরা সবাই আমাকে সহযোগিতা করেছে। আমি শুধু বলে শট নিয়েছি।' বিনয়ী ওজিল একা কৃতিত্ব নিতে না চাইলেও গ্রুপ পর্যায়ের তিন ম্যাচেই তাঁর পারফরম্যান্সে মুগ্ধ স্বয়ং জার্মান কোচ জোয়াকিম লো, 'ওর কাছে আমার প্রত্যাশা অনেক বেড়ে গেছে। পরের ম্যাচটি আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আশা করছি, সেখানেও সে এভাবেই আমাদের মুগ্ধ করে যাবে।'
সু্ত্র- টেলিগ্রাফ এবং কালের কন্ঠ- http://www.kalerkantho.com/

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


