১৯৭২ সালের সেপ্টেম্বর মাস, চমৎকার রৌদ্রজ্জল দিন। পড়ন্ত বিকালে মৃদু বাতাসে হাটছিলাম ধানমন্ডী ৩২ নাম্বারের সড়কের ফুটপাতে। মনটা প্রশান্তিময় হয়ে উঠেছিল, কারন সদ্য স্বাধীন হওয়া আমার দেশের রাস্তায় বুক ফুলিয়ে হাঁটছিলাম এই ভেবে। যাহোক যখন বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক সেই বাড়ির সামনে দিয়ে যাচ্ছিলাম হটাৎ বিকট এক বিষ্পোরনের শব্দে আমি জ্ঞান হারিয়ে রাস্তা ফুটপাতে পরে যায়। কিছুক্ষনের মধ্যেই নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা আমাকে গিরে ফেলে। তারা ভাবছিল আমি আত্নগাতি বোমা হামলা চালিয়ে মারা গিয়েছি। কিছুক্ষন পর আমার জ্ঞান ফিরে আসলে আমি দেখতে পাই নিরাপত্তা বাহিনী আমাকে ঘিরে রেখেছে। আমাকে চ্যাকিং করার পর কিছুই পেলোনা। যাহোক একটু পরে তারা দেখতে পেল আমার পাশে একটা মৃত কাঁক পরে আছে। এরপর তারা উপরে তাকিয়ে দেখে বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার বিষ্পোরনে এমন বিকট আওয়াজের সৃষ্টি এবং কাঁকই এর জন্য দায়ী।
কিন্তু নিয়তির কি নিমম পরিহাস, ঘটনার আজ প্রায় ৪০ বছর পর তারা আমাকে সেই কাঁক হত্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দিলো। পশু আইনে আমাকে এরেস্ট করার জন্য র্যাবের বিশেষ হেলিকাপ্টার আমার রুমের উপর দিয়ে চক্কর দিচ্ছে। বড়ই আতংকে আছি।
উল্লেখ্য আমার জন্ম ৮২ সালে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


