নিজের চ্যানেল!
এতকিছু পাওয়ার পরেও আপনি যদি সন'ষ্ট না হন, তাহলে কেন তৈরি করুন না নিজেরই একটি? ঠিক আছে, এক্ষেত্রে হয়ত আপনার কিছু অর্থের প্রয়োজন পড়তে পারে কিন' আপনার হাতে রয়েছে নিজের টিভি চ্যানেল। আপনি এটি থেকে নিংড়ে নিতে পারেন সুবিধা এবং বিজ্ঞাপন বা দর্শন-প্রতি মূল্য ধার্য করে করতে পারেন বাণিজ্য। ইন্টারনেট টিভি কোম্পানি ন্যারোস্টেপ (http://www.narrowstep.com) মনে করে, যে কেউই তৈরি করতে পরে নিজস্ব টিভি সেবা। ‘ই-বে অভ পার্সোনাল ব্রডকাস্টিং’ হওয়ার আশা নিয়ে ন্যারোস্টেপ ইতোমধ্যেই রিসার্চ-টিভি (http://www.researchtv) এবং এক্সট্রিম স্পোর্টস চ্যানেল ‘হাই.টিভি’-সহ ৫০টিরও বেশি চ্যানেল প্রদান করছে। এছাড়া ন্যারোস্টেপ উদ্ভাবিত এবং পুরষ্কারপ্রাপ্ত টেলিভিশন অপারেটিং সিস্টেম টেলভিওএস ব্যবহৃত হচ্ছে টেলিওয়েস্ট এবং আইটিভির ব্রডব্যান্ড টিভির পরীক্ষামূলক সমপ্রচারে। ২০০৬ সালের মধ্যেই এই সংস'া ‘সামান্য অর্থের’ বিনিময়ে যে কাউকে তার নিজস্ব চ্যানেল তৈরি এবং ব্যবস'াপনার সুযোগ দেবে। প্রকৃতপক্ষে, ব্রডব্যান্ড টিভি হবে একটি বিপ্লব এবং এটিই হয়ে যাবে ওয়েব। ন্যারোস্টেপ মনে করে যে এটি হবে আসলে একটি ভিডিও ব্লগিং বা ভ্লগিং এবং এমন এক ভূবন যেখানে লক্ষ লক্ষ দর্শকের সামনে শত শত চ্যানেলের বদলে হবে শত শত দর্শকের সামনে লক্ষ লক্ষ চ্যানেল! আসলে বিপ্লবটা শুরুও হয়ে গেছে। সমপ্রতি বিবিসি রিপোর্ট করেছে যে ইতালিতে একজন মানুষ তার অ্যাপার্টমেন্ট ব্লকের অন্যান্যদের জন্য ‘সংবাদ সমপ্রচার’ করছে ব্রডব্যান্ড টিভিতে। আরেকজন ‘অন এয়ারে’ দিয়েছে তার ফুঁ দিয়ে ফোলানো পুতুলের সঙ্গে সকালের নাস-া নিয়ে নির্মিত নিজের চলচ্চিত্র! নরওয়েতে ইন্টারনেট টিভি ব্যবহৃত হচ্ছে লাইভ ট্র্যাফিক ক্যামেরার সমপ্রচারে। একইভাবে ওপেন মিডিয়া নেটওয়ার্ক (http://www.omn.org) নিজেকে মনে করে যে এটি পাবলিক টেলিভিশনেরই একটি পুনঃআবিষ্কার; যে কেউই এখানে নিজেদের প্রোগ্রাম আপলোড করতে পারে।
কত টাকা লাগবে?
এসব সেবা পেতে কত টাকা গুণতে হবে সে সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী করা কঠিন। কিছু পাওয়া যাবে বিনামূল্যে, কিছু নির্ধারিত চাঁদায় আর কিছু প্রতি অনুষ্ঠানে দর্শন-প্রতি নির্ধারিত ফি-র বিনিময়ে। পরিমাণ কতই আর হবে - ১ থেকে ৩ পাউন্ড মানে, ১০০ থেকে ৩০০ টাকায়। অবমুক্তির মাত্র তিন সপ্তাহের মধ্যেই ভিডিও আইপড অ্যাপল ‘আইটিউনের’ মাধ্যমে বিক্রি করেছে এক মিলিয়ন ভিডিও। ২০০৫ সালের মে মাসে অরেঞ্জ চালু করেছে মবি-টিভি (http://www.mobitv.com) নামের থ্রি-জি মোবাইল টিভি সেবা। স্কাইয়ের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ভোডাফোন তাদের গ্রাহকদের জন্য থ্রি-জি সেবা দিতে সক্রিয় হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ঊনিশটি চ্যানেল বিনামূল্যে লভ্য হবে। পরে অবশ্য মাসে পাঁচ পাউন্ড করে ফি দিতে হবে। ইতোমধ্যে ওটু এবং আর্কাইভা (পূর্বতন এনটিএল ব্রডকাস্ট) অক্সফোর্ডে মোবাইল ফোনে সরাসরি টেলিভিশন দেখার পরীক্ষামূলক সমপ্রচার শুরু করেছে।
মূলকথা
মূলকথাটা পরিষ্কার। ইন্টারঅ্যাকটিভ টেলিভিশন হয়ে যাবে একটি অবারিত ব্যক্তি ও সর্বজনীন বাণিজ্যিক পণ্য বা সেবা। আর আমরা মানে দর্শকরাই হয়ে যাব এর নিয়ন্ত্রক! ইন্টারনেটের পর্দা আবির্ভূত হবে বিভিন্ন রূপে। মানুষ টেলিভিশন দেখবে স্যাটেলাইট, ব্রডব্যান্ড, আইপিটিভি, মোবাইল ফোন এবং ওয়াই-ফাই হটস্পটের মাধ্যমে। প্রকৃতপক্ষে পুরো দূরলোকন ভূবনটা পৌঁছে যাবে এক সীমাহীন সীমানে-! এখন অনেকেই এসএমএস করে অনুরোধ করে নিজের বানানো ওয়েবপেজ ভিজিট করার। ভবিষ্যতে কী হবে? তখনকার এসএমএস কেমন হতে পারে? শুনুন তাহলে... হ্যালো সোহানা, অ্যান্ড ইয়োর ফ্রেন্ডস, অ্যান্ড ফ্যামিলিজ... দিস ইজ সাজিদ... জাস্ট হ্যাভ আপলোডেড মাই সেলফ-মেড নিউ প্রোগ্রাম ইন মাই নিউ চ্যানেল সাজ-টিভি। এনজয় ইট

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

