থাইল্যান্ডের লোপবুরি শহরে বানরের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় তাদের বাঁদরামি আর সহ্য হচ্ছে না শহরবাসীর। কর্তৃপক্ষ অভিযোগ পেয়ে তাই বানরের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করেছে। রাজধানী ব্যাংককের উত্তরে লোপবুরি শহরে স্বাধীনভাবে যত্রতত্র ঘুরে বেড়ানো বানরগুলো পর্যটকদের কাছে অন্যতম আকর্ষণ। শহরের প্রাচীন হিন্দু-বৌদ্ধ মন্দির ও খেমার-আদলের প্যাগোডাগুলোতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে প্রায় আড়াই হাজার বানর। বাড়ি ও বাজারগুলোতে তাদের লাফালাফি নিরন্তর চলতে থাকে।
এতদিন শহরবাসী এদের সহ্য করে গেলেও তাদের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় বিপত্তি দেখা দিয়েছে। বানরগুলো প্রায়ই পথচারীর ব্যাগ নিয়ে দৌড় দিচ্ছে, বাড়িঘরে ঢুকে খাবার ও এমনকি বাচ্চাদের খেলনা নিয়েও সটকে পড়ছে। তাই বানরের বিরুদ্ধে কড়া অভিযোগ শুনে নগর কর্তৃপক্ষ পুরুষ বানরগুলোকে ধরে ধরে নিবীর্য করার মিশনে নেমেছে। খবর বিডিনিউজের। এ দায়িত্বে নামা পশুচিকিৎসকরা বলেছেন, এতে কেবল মানুষেরা নয়, ম্যাকাকুয়েস জাতের বানরগুলোরও লাভবান হচ্ছে। পশুচিকিৎসক জুথামাস সুমানাম বলেছেন, “বানরের জন্য পর্যাপ্ত খাবার ও বাসস'ান নেই। এদের সংখ্যা আরও বাড়তে থাকলে মানুষের সঙ্গে তারাও সমস্যায় পড়বে।” এখন শহরটির পথে-পথে একদল পশুচিকিৎসক ব্যাগ হাতে বানর ধরার জন্য ঘুরে বেড়াচ্ছে। ধরতে পারলেই চলছে অস্ত্রোপচার। ১৫০০ পুরুষ বানরের অন্তত অর্ধেককে খোজা করা তাদের লক্ষ্য। পুরুষ বানরেরা দিনে ১০ বার সঙ্গম করতে পারে, আর মেয়ে বানরেরা বছরে দুবার বাচ্চা দেয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


