somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

তারকা ফুটবলারদের আদুরে নাম

০৩ রা আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:০১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পেলে : ব্রাজিলের এই কিংবদন্তি ফুটবলারকে সবাই তার ডাকনামেই চেনে। তার আসল নাম এডসন আরান্তেস ডু নাসিমেন্তো। খুব ছোটবেলায় তিনি গোলরক্ষক হিসাবে খেলতেন এবং প্রতিটি গোল রক্ষা করে বলে উঠতেন, ‘দেখ, আমি কত্ত বড় বাইলে’! সে সময় ব্রাজিলে গোলরক্ষককে বাইলে বলা হতো। বাইলের ভুল উচ্চারণ থেকেই তার নাম হয়ে যায় পেলে। তিনি কালো মানিক নামেও পরিচিত।
গারিঞ্চা : ব্রাজিলের আরেক কিংবদন্তি ফুটবলার গারিঞ্চা। পেলের সতীর্থ ছিলেন ব্রাজিল দলে। তার আসল নাম ম্যানোয়েল দস সান্তোস। গারিঞ্চা হচ্ছে একটি পাখির নাম। গারিঞ্চা ছোটবেলায় এই পাখিটি শিকার করতে খুব পছন্দ করতেন।
দিয়েগো ম্যারাডোনা : আর্জেন্টিনায় তাকে ‘এল পাইব ডি অরো’ নামে ডাকা হয়। ‘ফেলুসা’ নামেও তিনি ব্যাপকভাবে পরিচিত।
লেভ ইয়াসিন : রাশিয়ার এই সর্বকালের সেরা গোলরক্ষককে ডাকা হতো ‘দ্য ব্ল্যাক স্পাইডার’ নামে।
ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার : জার্মানির এই জীবন্ত ফুটবল কিংবদন্তিকে ডাকা হতো ‘দ্য কাইজার’ নামে।
গার্ড মুলার : জার্মানির আরেক প্রখ্যাত ফুটবলার গার্ড মুলারকে ডাকা হতো ‘দ্য ফ্যাট ওয়ান’ ও ‘বম্বার’ নামে।
ফেরেঙ্ক পুসকাস : হাঙ্গেরির সর্বকালের সেরা স্ট্রাইকার ফেরেঙ্ক পুসকাসকে ডাকা হতো ‘দ্য গ্যালোপিং মেজর’ নামে। ১৯৫০-এর বিশ্বকাপে তিনি ছিলেন অন্যতম সেরা তারকা।
জ্যাক চার্লটন : সর্বকালের অন্যতম সেরা ইংলিশ ফুটবলার জ্যাক চার্লটনকে ‘দ্য জিরাফ’ বলে ডাকা হতো।
মার্কো ভ্যান বাস্তেন : হল্যান্ডের এই তুখোড় গোলমেশিনকে ‘দ্য সোয়ান অব উট্রেচ্ট’ (মহান গোলদাতা) বলে ডাকা হতো।
রুড গুলিত : হল্যান্ডের এই সাবেক স্টাইলিশ স্ট্রাইকারকে ডাকা হতো ‘ইল টিউলিপো নিরো’ নামে (যার অর্থ কালো টিউলিপ)।
পল গ্যাসকয়েন : মাঠ এবং মাঠের বাইরের নানা কাজের জন্য এক সময় আড্ডায় তার নামটি এক ফাঁকে উঠতই। নন্দিত-নিন্দিত এই সাবেক ইংলিশ বুটার গাজ্জা নামেই সবার কাছে পরিচিত ছিলেন।
ডেভিড বেকহ্যাম : ফ্যাশন দুরস্ত ইংলিশ ফুটবল তারকা ডেভিড ব্যাকহ্যাম ‘গোল্ডেন বলস’ নামে ডাকা হয়। তার স্ত্রী ভিক্টোরিয়া ‘পশ’ তার জীবনীগ্রন্থে বেকহ্যামকে এই নাম দিয়েছেন। তাকে ‘স্পাইস বয়’ নামেও ডাকা হয়।
ইউসেবিও ডা সিলভা : পর্তুগিজ ফুটবলার ইউসেবিওকে ডাকা হতো ‘ব্ল্যাক প্যান্থার’ নামে।
কেভিন কিগান : ইংলিশ স্ট্রাইকার কেভিন কিগানকে ডাকা হতো ‘মাইটি মাউস’ নামে।
জিনেদিন জিদান : ফ্রান্সের বিশ্ব মাতানো এই সাবেক ফুটবলারকে সবাই ‘জিজ্জু’ নামে ডাকে।
রবার্তো ব্যাজ্জিও : ইতালির এই সাবেক তারকাকে তার বেণী বাঁধা চুলের জন্য ডাকা হতো ‘দ্য ডিভাইন পনিটেইল’ নামে।
মাইকেল ওয়েন : ইংল্যান্ডের এই সাবেক স্ট্রাইকারকে ডাকা হয় ‘ওয়ান্ডার বয়’ নামে।
মার্সেলো সালাস : চিলির এই সাবেক তারকার ডাকনাম ছিল ‘ম্যাটাডর’।
লিওয়েন মেসি : আর্জেন্টিনার অন্যতম সেরা তারকা মেসিকে ডাকা হয় ‘অ্যাটমিক ফি’ নামে। একে মেসিয়াহ্ নামেও ডাকা হয়।
কাকা : ব্রাজিলের তারকা স্ট্রাইকার কাকা তার জাদুকরী ফুটবল প্রতিভার জন্য ‘দ্য ম্যাজিসিয়ান’ নামে পরিচিতি। তাকে ‘গোল্ডেন বয়’ও বলা হয়।
ওয়েন রুনি : বর্তমান ইংল্যান্ড দলের তারকা ওয়েন রুনিকে ‘হোয়াইট পেলে’ নামে ডাকা হয়।
ক্রিশ্চিয়ানো রোনানদো : বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সাড়া জাগানো পর্তুগিজ স্ট্রাইকার ক্রিশ্চিয়ানো রোনানাদোকে ‘ক্রাই বেবি’ নামে ডাকা হয়। তার পাস থেকে সতীর্থরা গোল করতে ব্যর্থ হলে তিনি চিৎকার করে ওঠেন বলে তাকে এ নাম দেওয়া হয়েছে।
থিয়েরি অঁরি : ফ্রান্সের বর্তমান অধিনায়ক থিয়েরি অঁরিকে ডাকা হয় ‘টিটি’ নামে।
জোয়ান সাবাস্তিয়ান ভেরন : এই আর্জেন্টাইন দাপুটে ফুটবলার ‘দ্য লিটল উইচ’ নামে পরিচিত। তাকে এ নামে ডাকার কারণ জাদুবিদ্যায় অত্যন্ত দক্ষ ছিলেন তার বাবা, যাকে ডাকা হতো ‘উইচ’ বলে।
গাব্রিয়েল বাতিস্তুতা : সাবেক এই আর্জেন্টাইন ফুটবলারকে ‘বাতিগোল’ নামে ডাকা হতো।
স্যামুয়েল ইতো : ক্যামেরুনের সাড়া জাগানো স্ট্রাইকার স্যামুয়েল ইতোকে প্যান্তেরা নেগ্রা (দ্য ব্ল্যাক প্যান্থার) নামে ডাকা হয়।
ফ্রাঙ্ক ল্যাম্পার্ড : বর্তমান ইংল্যান্ড দলের অন্যতম সেরা তারকা ল্যাম্পার্ডকে ‘ফ্যাট ফ্র্যাঙ্ক’ ও ‘সুপার ফ্র্যাঙ্ক’ নামে ডাকা হয়।
চার্লস পাউওল : এই স্প্যানিশ ফুটবল তারকাকে ‘টারজান’ নামে ডাকা হয়।
দিদিয়ের দ্রগবা : আইভরি কোস্টের এই তারকা স্ট্রাইকারের ডাকনাম ‘দ্রগবাজুকা’ ও ‘দ্রগ’।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:০৬
৬টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×