ছবিঃ রুমানা ও নাভেদ
রুমানা মঞ্জুরের ওপর স্বামী হাসান সাঈদের হামলে পড়া, তারপর তার চোখ হারানো। এরপর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যালে হাসানের মারা যাওয়া। মৃত্যুর পর অন্য গল্প বেশ ছড়ায়। ইরানি এক যুবকের সঙ্গে রুমানার প্রেম ছিলো- বাংলা ভাষার সবচেয়ে বড় ব্লগ সামহোয়ানইনব্লগডটনেটে এ গল্প একটি দৈনিক পত্রিকা থেকে ছড়িয়ে পড়ে। একইসঙ্গে উইকলিব্লিটযডটনেটে এ নিয়ে খবর বেরোয় ইংরেজিতে।
ওই ব্লগে কয়েকটি পোস্ট প্রকাশ হয় এ নিয়ে। যার মধ্যে একটি পরে মুছে দেওয়া হয়। তবে অন্য পোস্টটি দুই হাজারেরও বেশি মানুষ পড়ে । ব্লগটি থেকে রুমানা ও তাহেরদীন নাভেদ বিষয়ক পোস্টটি ছড়িয়ে পড়ে ফেইসবুকেও। অনেকেই এর লিঙ্ক শেয়ার করেন। একই বিষয়ে আরো বেশ কয়েকটি খুচড়ো ব্লগেও একই ধরনের লেখা পোস্ট হয়।
ইরানি যুবক নাভেদের সঙ্গে রুমানার কয়েকটি ছবি ছেপে প্রমাণের চেষ্টা হয় তাদের প্রেম। সাঈদও রুমানাকে হামলার পর থেকে বলে আসছিলেন নাভেদের সঙ্গে রুমানার প্রেম ছিল। সাঈদের মৃত্যুর পর দৈনিক বাংলাবাজার গত ৮ ডিসেম্বর একটি প্রতিবেদন ছাপে; যাতে এই বিষয়ে সাঈদের পরিবারের পক্ষ থেকেও অভিযোগ করা হয়। বাংলাবাজারের ওই প্রতিবেদন থেকে অবশ্য পরে ছবি সরিয়ে ফেলার অভিযোগ আসে সামহোয়ারইনব্লগের ওই পোস্টের মন্তব্যে।
নিচের ছবিগুলো দেখুন। তারপর আপনি নিজেই ধারণা করতে পারবেন রুমানা-নাভেদের ছবির মূল ঘটনাটি কী ছিলো।জাস্টিস ফর রুমানা মঞ্জুর (ফ্যাকান্টি ডিইউ) নামের একটি গ্রুপ পেজে বেশ কয়েকটি ছবি দিয়ে খোলা হয় ওই অ্যালবাম। বাংলাবাজারে প্রকাশিত ছবিটি দিয়ে ‘রিয়েল স্টোরি বিহাইন্ড রোমানা’স ফটো সাম নিউজ পেপার রংলি পাবলিশ্ড’ নামের ওই অ্যালবামটি শুরু হয়। অ্যালবামে দেখা যায়, নাভেদ রুমানা মঞ্জুর ছাড়াও অন্য এক নারীর সঙ্গে আরো ঘনিষ্ঠ হয়ে ছবিতে পোজ দিয়েছেন।
নাভেদ যে স্থানে যে পোশাক পরে রুমানার সঙ্গে ছবিতে পোজ দিয়েছিলো সেখানেই অন্য এক নারীর সঙ্গেই নাভেদের ছবি আছে।। এছাড়া রুমানা মঞ্জুরও ওই পোশাকেই ওই নারীর সঙ্গে একত্রে ক্যামেরাবন্দী হয়েছেন। পোজ দিয়েছেন অন্য এক পুরুষের সঙ্গেও। সেখানে অন্য নারী পুরুষের স্বাভাবিক ফানের আরো ছবি রয়েছে, যারা কানাডায় রুমানা মঞ্জুরের সহপাঠীই হবেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক রুমানা মঞ্জুর স্বামীর হাতে নির্যাতনের শিকার হন গত জুনের প্রথম সপ্তাহে। পরে ১৫ জুন হাইকোর্টের স্বপ্রণোদিত আদেশের পর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার হন স্বামী হাসান সাইদ। আটক অবস্থায় গত ৫ ডিসেম্বর সকালে বঙ্গবন্ধু মেডিক্যালে প্রিজন সেলে মারা যান তিনি।
#বিঃদ্রঃ- আগামী মার্চ-২০১২ থেকে 'সায়েন্সটেক'-এর প্রিন্টেড কপি নিয়মিতভাবে বাজারে প্রকাশ করা হবে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি চর্চায় আপনিও হতে পারেন আমাদের সহযাত্রী। আপনার গঠণমূলক মতামত কিংবা বিজ্ঞান বা প্রযুক্তি বিষয়ক লেখা পাঠান [email protected] মেইলে।
ওয়েবসাইটঃ http://www.sciencetech.info/
ফেসবুক পেজ লাইক করুনঃ https://www.facebook.com/monthlysciencetech
ছবিঃ আগামী মার্চে প্রকাশিতব্য 'সায়েন্সটেক' ম্যাগাজিন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


