আমার প্রিয় পোস্ট

বন্ধু তোমায় না পাঠানো এই চিঠি

০৩ রা জুন, ২০০৯ সকাল ৯:৩৩

শেয়ারঃ
0 0 0

তোমার সাথে পরিচয় ক্লাস শুরুর আগে। যেদিন হলে সিট দিলো। দুইজন এক ডিপার্টমেন্ট। এমনকি এক সেকশন। হলেও রুমমেট। প্রথম দুএকদিন খুব বেশী কথা হয়নি। সারকিট ল্যাবে খুব বিস্ময়ের সাথে দেখলাম তুমি সবই বুঝে ফেলছো। অথচ তুমি তো আগে এসব পড়নি, বুঝলে কি করে। সেশনালে তোমার মাথাটা বেশ পরিস্কার ছিলো অল্প কদিনেই বুঝে গেলাম। আলাপ-পরিচয়ে জানলাম ঢাকা কলেজে পড়ার আগে তুমি মুন্সীগন্জে ছিলে। ইন্টারমিডিয়েটের হিসাবে তুমি আমার এক বছর সিনিয়র। কোন কারণে প্রকৌশলী হবার জন্য ১ বছর লস দিলে।

যতই দিন গেল তোমার সাথে ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকলো। একসাথে চলাফেরা-খাওয়াদাওয়া-পড়াশোনা। হলে-ক্লাসে-ক্যাফে-ক্যান্টিনে-নীরবে। হলে কেউ কেউ ডাকা শুরু করলো মাণিকজোড় হিসেবে। জানলাম তোমার পছন্দের নারীর কথা। নিজেও অনেক কিছু শেয়ার করলাম। স্কুল কলেজে থাকতেই গলা ছেড়ে গান গাওয়ার অভ্যাস তৈরী হয়েছিল, যদিও জানতাম গলায় খুব বেশী সুর নেই। তোমার মুখে তাও আমার গানের গলার প্রশংসা শুনলাম। ভালোই লাগলো। প্রশংসা শুনতে কার খারাপ লাগে বলো?

তুমি ছাত্রফ্রন্টের সক্রিয় কর্মী। আমি রাজনীতি সচেতন, কিন্তু কোন দলে নিজেকে মানাতে পারছি না। নির্দিষ্ট দলের চেয়ে রাজনীতিতে কিছু সুস্থ উপাদানের গুরুত্ব নিয়ে বেশী সচেতন। বন্ধু মহলে বলতাম আমি নির্দলীয় রাজনীতি করি। নির্মূল কমিটির প্রোগ্রামে টিয়ার গ্যাসের ধোয়ায় আক্রান্ত হয়েছি। মিছিলে থেকেছি পাশাপাশি। আমাদের কি সহযোদ্ধা বলা যায়?

তখন আমরা ফোর্থ ইয়ারে। পরদিন তোমার আর আমার প্রজেক্ট পার্টনারের বাসায় আসার কথা। রাত ১১টায় হল থেকে ফোনে জানালে তুমি আসছো না পরদিন। আমি একবার ভাবলাম বলি কেন আসবে না। কি মনে করে যেন আর বল্লাম না। তার মাস কয়েক আগে তোমার ভালোবাসার নারী সম্পর্ক চুকিয়ে দিয়েছে। বুঝতাম তোমার মন খারাপ থাকে। অনেক সময় মনে হয় একটু যেন আনমনা। পরদিন আমার প্রজেক্ট পারটনার আর আসেনা। তখন বোধহয় ২ টার মত বাজে। হঠাৎ ফোন এলো এক ক্লাসমেটের। সে জানালো যে তুমি খুন হয়েছে। আমাকে বললো তাড়াতাড়ি বু্য়েটে আসতে। বাস শেষ, আর কিছু না। হলের কয়েনব্ক্স থেকে ফোন। কোন রকমে চলে আসলাম হলে। শুনলাম কারা যেন তোমাকে গুলি করে হত্যা করেছে। তুমি আর তোমার খুনীরা আহসানউল্লা হল আর বকশীবাজার গেটের পথে। পয়েন্ট ব্ল্যান্ক রেইন্জ।

তোমার দাফনে যাবো, শেষবারের মত তোমাকে দেখবো, এজন্য ছুটলাম শ্যাওড়া পাড়া। আমি যখন গেলাম তখন দাফনের শেষ পর্যায়। ওখানে কিছু বন্ধুকে পেয়েছিলাম। বাসায় ফিরতে ফিরতে বোধহয় রাত দশটা। একবারও কাঁদিনি। সেদিন ডিনারও করেছি। রাতে একসময় ঘুমও এলো।

পরদিন গেলাম ইউনিভারসিটিতে। ব্যাচের ছেলেমেয়েরা শোকদিবস করলো। এর মধ্যে ছাত্র খুনের বিচারকে কেউ কেউ (জুনিয়ররা) সাফল্যের সাথে পরীক্ষা পিছানোর আন্দোলন বানিয়ে ফেললো। ভাংচুর। পরীক্ষা পেছালো ওদের। ভার্সিটি অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ হোলো। স্যাররা জানালেন যে "আহসানুল্লাহ হল থেকে বকশহিবাজার গেইট" বুয়েট ক্যাম্পাসের মধ্যে পড়েনা, তাই আহমেদ হত্যায় ওনাদের কিছু করার নেই। তারপর আমি ও আমার মত কিছু ২ পয়সার মানুষ চেষ্টা করলাম তোমার হত্যার বিচার নিয়ে চারদিক নাড়া দিতে। কেউ দেখলাম গা করেনা। চরম অসহযোগিতা দেখালো ছাত্রনেতারা। দলবাজি, গোষঠীবাজির চরম উৎকর্ষ দেখলাম। ও থাকলে আমি কোন প্রোগ্রামে থাকব না, এমন শর্ত দেয়ার লোকও কম না। একসময় সবই সয়ে যায়। পড়াশোনা নিয়ে আবার ব্যস্ত হয়ে গেলাম। নতুন কিছু ছেলেমেয়ে বন্ধু হলো। আস্তে আসতে দেখা গেলো আন্দোলন বলে কিছু নেই। অনেক ক্লু থাকা স্বত্বেও পুলিশ চুপচাপ।

র‌্যাগের সময় দেখলাম ১০০ টাকা চাঁদা তোলা হলো তোমার পরিবারের জন্য। আমরা যারা বুয়েটের ২ পয়সার ছাত্র ছিলাম তাদের কাছে ব্যাপারটা পরিস্কার হলো না। আমরা তো জানি তোমার পরিবারের দরকার হত্যার বিচার। হ্য়তো আমাদের সহানুভূতি। হোক তোমার পরিবার নিম্নবিত্ত কয়েক হাজার টাকা দিয়ে তারা কি করবে। এখন আমরা ছাত্র সংগঠনের পান্ডাও না, ক্যাফের সামনে আডডা দেয়া হাই প্রোফাইল ছাত্রও না। সুতরাং আমাদের কথা গুরুত্ব পেলো না। র‌্যাগের পর শুনলাম র‌্যাগের হর্তাকর্তারা জানালো তাদের কত টাকা তাদের নিজের পকেট থেকে খরচ গেছে। মজার ব্যাপার হলো র‌্যাগের চার বছর পর ব্যাচের কিছু হাই প্রোফাইল মানুষ আবার পিকনিকও করে র‌্যাগের উদ্বৃত্ত টাকা দিয়ে। আর হ্যাঁ, তোমার ফ্যামিলিকে কখনই কোন টাকা দেয়া হয়নি। সে টাকা দিয়েই কি পিকনিক .....

ঠিক ১৪ বছর হয়ে গেলো তোমার মৃত্যুর। অস্বীকার করবো না যেটুকু আমার করা উচিত ছিলো তোমার হত্যার বিচার বাস্তবায়নে সেটুকু করিনি। মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান, সীমাবদ্ধতা আর অসামর্থ্যের তো শেষ নেই। কখনো তোমার মার কাছে যাইনি। তোমার কবরের পাশে কখনো বসে থাকিনি। যে যায়গাটাতে তুমি লাশ হয়ে পড়েছিলে সেখানে মাঝে মাঝে ফুল দিতাম শুধু। ভাবতাম তাতে যদি আমাদের আশেপাশের মানুষরা মনে করে তোমার কথা।

মানুষের নিষ্ঠুরতা যেমন দেখেছি, আবার কত চমৎকার মানুষই না দেখেছি। তোমাকে কখনো দেখেনি, এমন মানুষও তো তোমার জন্য দীর্ঘশ্বাস ফেলেছে। কত বন্ধুই না পেয়েছি। তবু তোমার অভাব বোধ করি। দেশে গেলে। কিংবা প্রবাসে। ভাবি তোমার বাবা-মার কথা। ওনারা কি এখনো কাঁদেন? তোমার ভাইবোনেরা? তোমাকে নিয়ে তো ওদের তো অনেক স্বপ্ন ছিলো। আমাকে বা তোমার অন্য বন্ধুদের কথা ভাবলেই ওদের কি গা গুলিয়ে উঠে? ঠিক একটা পোকাকে কিলবিল করতে দেখলে যেমন মনে হয়।

নিজেকে নিজের কাছে বড় অপরাধী মনে হয়। ক্ষমা কোরনা আমাকে। কক্ষনো না।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৩ রা জুন, ২০০৯ সকাল ৯:৫১
~স্বপ্নজয়~ বলেছেন: সুন্দর লিখেছেন বস্‌ ... অনেক পুরানো কথা মনে পরে গেল পড়ে ... আমারও ঠিক এমন কিছু স্মৃতি আছে ...
০৩ রা জুন, ২০০৯ সকাল ৯:৫৫

লেখক বলেছেন: কি বলবো জানিনা

২. ০৩ রা জুন, ২০০৯ সকাল ৯:৫৫
বাফড়া বলেছেন: রোবোট... আপ আগের লেখায় ভেবেছিলাম হয়তো ক্ল্যাপটনের মত আপনারো কোন সন্তান মারা গেছে!!! পরে জানলাম না.। সে ছিল আপনার বন্ধু... ভেবেছিলাম তাইলে আর কি... নো ওরিঝ...

পোস্ট টা পড়ে আবার মনে হলো পুরনো বন্ধুদের কথা... ইয়ের দোস্তি হম নহী তোড়েংগে.. সেইসব দিনের কথা... আপনার বন্ধুর আত্মা শান্তি পাক.। আর বন্ধুর খুনেরবিচার নাহওয়া নিয়ে আপনার মনের এই হতাশা, নিজেকে নিয়ে এই বিষয়ক অসহায়ত্বের হীনমন্ন্যতা দূর হবে না জানি..। তারপরো আশা করি এইসব কাটার খোচা থেকে আপনি মুক্তি পান..।

ভালো থাকেন বস..।
০৩ রা জুন, ২০০৯ সকাল ১০:০১

লেখক বলেছেন: ঐ লেখায় ভুল বোঝার সুযোগ ছিলো। তোমার কমেন্ট পড়ার আগে বুঝিনি। আমার ধারণা নুশেরা-কাকন-তনুজা এরাও তেমনি ভেবেছিলো। কিনতু ক্ল্যাপটনের গানটা ঐ সময়ই বুঝেছিলাম।

৩. ০৩ রা জুন, ২০০৯ সকাল ৯:৫৭
মানবী বলেছেন: ‌লেখাটা মন ছুঁয়ে গেলো। আপনার বন্ধুর আত্মার শান্তি কামনা করছি।


রোবোটের সঙ্গীতের কন্ঠ ভালো, জানলাম :-)


পোস্টটির জন্য ধন্যবাদ।

৪. ০৩ রা জুন, ২০০৯ সকাল ১০:০১
জুল ভার্ন বলেছেন: খুব সুন্দর লিখেছেন। অন্তর ছোঁয়া লেখা। প্রিয়তে রেখে দিলাম।
৫. ০৩ রা জুন, ২০০৯ সকাল ১০:০২
রোবোট বলেছেন: আমার পোস্টে খুব বেশী কমেন্ট আসেনা। এই পোস্টে কমেন্টের উত্তর দিতে না পারার কারণ কথা খুজে না পাওয়া। অন্য কিছু না। আশা করি কেউ কিছু মনে করবেন না।
৬. ০৩ রা জুন, ২০০৯ সকাল ১০:২৫
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন: কি কমেন্টস করবো তাও আসলে বুঝতে পারি না :( ...


রোবোটের খপর কি?
৭. ০৩ রা জুন, ২০০৯ সকাল ১০:৩৮
সানি জামান বলেছেন: আহমেদ ভাইকে মনে করিয়ে দিলেন। ভুলেই গিয়েছিলাম। আমরা কত নিষ্ঠুর। কত অবলীলায় ভুলে যাই সবকিছু।

অনেক আগের স্মৃতি। তখন লেভেল ১ টার্ম ২ এর পিএল চলছিল। নটরডেম কলেজে পড়াকালীন আমার এক বন্ধু ছাত্রফ্রন্ট করত। তার সাথেই তোপখানা রোডে বাসদের অফিসে যাতায়াত শুরু। কলেজে যখন সবাই ক্লাশের পড়ে টিচারের বাসায় দৌড়াতো তখন আমি ওর সাথে প্রায়ই যেতাম বাসদের অফিসে। তাদের কথা শুনতে ভালো লাগত। সেখানেই পরিচয় নীলা আপা, মাহফুজ ভাইদের সাথে। বুয়েটে ভর্তির পর তার ধরেই নিল আমি তাদেরই একজন, যদিও একটিভলি আমি কোন কাজ করতাম না। আহমেদ ভাই ফ্রন্টের সভাপতি। প্রথম দিনই আপন করে নিয়েছিলেম। তিতুমীর হলে এসে প্রায়ই খোজ নিতেন। হঠাৎ পরীক্ষার পিএলের মাঝে খবর পাই আমাদের হলের পাশে লাশ হয়ে পরে আছে।

একদল এটাকে পুজি করে ভাঙচুর করল, পরীক্ষা পেছালো। কি নিষ্ঠুর আমরা। বিচার কি হয়েছে আহমেদ হত্যার। কেন তার মত ভালো মানুষকে মারা হল? কারা তার শত্রু ছিল? কিছুই জানতে পারলাম না।

০৩ রা জুন, ২০০৯ সকাল ১০:৪৭

লেখক বলেছেন: না ঐ হত্যার বিচার হয়নি। আমি ২০০০ সাল পর্যন্ত দেশে। ততদিন অন্তত হয়নি। ফরমালি বুয়েট শাখার সভাপতি কি ও হয়েছিলো? জানিনা।

নীলাআপা, মজিদ এদের কোন খবর জানো?

৮. ০৩ রা জুন, ২০০৯ সকাল ১১:০১
কুয়াশা ভোর বলেছেন: মন ছুঁয়ে গেল ..................

বন্ধুরা সব ভাল থাক !!
৯. ০৩ রা জুন, ২০০৯ সকাল ১১:০৮
ফা্রুক হাসান বলেছেন: আপনার বন্ধুর আত্মা শান্তি পাক... বলার মতো আর কোন ভাষা আমার নেই ভাই...
১১. ০৩ রা জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৪
লুথা বলেছেন: কি বলবো বুঝতে পারছি না
১২. ০৩ রা জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৫
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন: রোবোট ভাই ... আপনার লেখাটা পড়তে পড়তে অজান্তেই মনটা খুব বেশী খারাপ হয়ে গেল, মনে পড়ে গেলো অতীতের অনেক ধুসর স্মৃতি ... আপনি তো হারিয়েছেন একজন ... আর আমি তো **** ... আপনার কষ্টগুলো হয়ত সে জন্যই অন্তরের অন্তঃস্হল ছুয়ে গেল ... :(

ভাল থাকুন ।
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:১০

লেখক বলেছেন: তোমার কমেন্টের "আপনি তো হারিয়েছেন একজন ... আর আমি তো **** " এই অংশটা কখনো বুঝিনি। যা ভেবেছি তা মানতে চাই না।

১৩. ০৪ ঠা জুন, ২০০৯ ভোর ৬:৩৯
তনুজা বলেছেন: নীলা আপা শেষ যদ্দুর জানতাম অ্যাটমিক এনার্জি কমিশনে চাকরি করতেন --পাটি অফিসেও যাতায়াত ছিল মানে রাজনীতি সংশ্রব ছাড়েননি । মাহফুজ ভাই কে ? আকাশভাই আমাদের সময় মোটামুটি কিংবদন্তী --এখন পড়াশুনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে , আপনার জানা থাকেব নিশ্চয়ই। আহমেদ ভাইয়ের এই ঘটনা কখনও জানতাম না --উনি কি নীলা আপার জুনিয়র ছিলেন ?

লেখাটা পড়ে কেমন লাগল বলার বোধহয় দরকার নেই
আরও কিছু বলবেন? শুনতে ইচ্ছে করছে

আপনাদের ইনটেক কত ?



ঐ ক্যাম্পাসে ফ্রন্টের সজীব তারুণ্যকে দেখতাম, অমলিন মুখ , স্বপ্নমন্ত প্রত্যয় । প্রায়ই ভেবেছি অ্যাকাডেমিক পড়ার বাইরে কিছু শিখেছিলাম কিনা , ঐ বিশেষ প্রতিষ্ঠান থেকে । উত্তর এসেছে না , তথাকথিত মেধাবী শিক্ষকদের কাছ থেকে প্রায় কিছুই নেবার ছিল না--অথচ ঐ যে মুখগুলো এখনও বিশ্বাস অটুট রেখেছে আমরা নষ্ট হইনি পুরোপুরি -প্রজন্মের শরীরে চিরায়ত সংগ্রাম

এই পোস্টটা পড়ে অপ্রাসঙ্গিক হলেও স্যালুট জানাই আমার দেখা সেই কমরেডদের যাদের পাশে সবসময় দাঁড়াতে না পারলেও মাথা নিচু করেছি শ্রদ্ধায় -------

এই ব্লগে তাদের কেউ কেউ আছে
এই স্যালুটটা সামনাসামনি দেওয়া হয় না তাদের




০৬ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৯:২৩

লেখক বলেছেন: আমি কিনতু ফ্রন্ট করতাম না।
"শুনতে ইচ্ছে করছে

আপনাদের ইনটেক কত ?"

বুঝলাম না। আকাশের নাম শুনেছিলাম। মাহফুজ কে চিনলাম না। নীলাপা এইচএসসি ৮৭।


১৫. ০৬ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:৫০
সানি জামান বলেছেন: ভুল লিখেছি, মাহফুজ হবে না, মজিদ হবে। অনেক দিন আগের স্মৃতি, কিছুটা ম্লান হয়ে গেছে।
০৮ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৮:২৩

লেখক বলেছেন: স্বাভাবিক। ভালো লাগলো। হ্য়ত তখন তোমাকেও চিনতাম।

১৬. ০৮ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:৩৯
সহেলী বলেছেন: কি বলব বুঝতে পারছি না । কখনো কখনো মনে হয় আমাদের বোধশক্তি বলে যদি কিছু না থাকতো ভাল হত ।
০৯ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৮:৫২

লেখক বলেছেন: সেটাই

১৭. ০৯ ই জুন, ২০০৯ ভোর ৬:২৪
ভোরের তারা বলেছেন: মনটা খারাপ হল, আব্বার কথা মনে পড়ে গেল। তিনি নেই দুই বছর হতে চলেছে। মৃত্যু শিকড় সুদ্ব উপড়িয়ে ফেলে মানুষের। ভাল থাকবেন।
০৯ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৮:৫২

লেখক বলেছেন: আমার বাবার মৃত্যরও ২ বছর হলো।

১৮. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:০৩
ফারহান দাউদ বলেছেন: কি বলবো? বলার কিছু নেই।
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৫৮

লেখক বলেছেন: সেই

১৯. ১৯ শে জুন, ২০১০ ভোর ৪:২৯
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ইনোসেন্ট ডাইস ইয়ং। ধরা যাক ২০৪০ অথবা ২০৫০ সালে দেখা গেলো আসলেই বাংলাদেশ উন্নতি করলো, এগিয়ে গেলো নিজের পায়ে দাড়িয়ে। তখন দেখা যাবে আমাদের চিন্তা ভাবনাও পাল্টে যাবো। আমি বা আমার প্রজন্ম জীবিত নাও থাকতে পারে কিন্তু তখনকার প্রজন্ম কি মনে রাখবে?


কেউ বলেচিলো মানুষ যখন মারা যায় তখন তার সবকিছু সে সাথে করে নিয়ে যায়। একটা সময় পর তার আর কিছুই অবশিষ্ট থাকে না। আমি তর্ক করি না, কারন আমি জানি সে কিছু জিনিস থেকে দেখে বলেছে, আমি বলছি আমার দেখা কিছু জিনিস থেকে।


ধরা যাক কালকে কোনো ছাত্র রাজনীতি নাই, সবাই নিজ নিজ জায়গায় থেকে লেখা পরা গবেষনা দেশের জন্য কাজ করে যাচ্ছে, তবুও কি তাকে মনে রাখবে কেউ? হ্যা মনে পড়বে হয়তো কখনো, ধরা যাক কোনো একদিন পায়ে ব্যাথা পেলাম। খুড়িয়ে খুড়িয়ে হাটতে হাটতে দেখা গেলো একজন অপরিচিত এসে একটু কাধে হাত রেখে সাহায্য করলো, অথবা কোনো একদিন ছাদে বসে শোনালো একটা সুন্দর গান বা স্মৃতি।


কেউ বলে সব হারিয়ে যায়, আবার কেউ বলে কিছুই হারায় না, সবই থাকে লুকিয়ে লুকিয়ে। এখন বলেন, কিভাবে খুজে দেই সেই সত্বাকে যে হারিয়ে গেছে?
২২ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ১১:০৭

লেখক বলেছেন: হুমমম

২০. ২০ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ৮:৫৯
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
এত কষ্ট!
...................

এ জন্যই কি নিজেকে রোবোট ভাবতে ভালোবাসেন?
ভালো থাকবেন।
২২ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ১১:০৯

লেখক বলেছেন: আমরা যে যতই জোরে হাসি না কেন, মনের কোণায় সবারই বোধ হয় কিছু বিষণ্ণতা লুকিয়ে থাকে।
*****
রোবোটের নামের কারণ সেটা না।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০০৬৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
মাথার ঘায়ে কুত্তা পাগল (মাঘাকুপা)- ডগ ম্যাড বাই হেডস ইনফেকশন
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই