ঋণ-সহায্যের অর্থনীতি ও বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা :
বাংলাদেশ ১টি অন্যতম ঋণ সাহায্য গ্রহীতা দেশ । ১৯৮০ এর দশকে সব ধরনের উৎস থেকে বৈদেশিক সাহায্য এসেছে ব্যাপক পরিমানে । যদিও এখন বৈদেশিক সাহায্যের উপর আমাদের নিভরশীলতা কমেছে কিন্তু কমেনি ঋণের দায় । ১৯৯১ সালে প্রাপ্ত সাহায্য মোট জিডিপির ৫.৯%২০০৩ সালে তা হয় ২.৮% । কিন্তু ১৯৯২ সালে ঋণের বোঝা ছিল ৬৭ টাকা ২০০৮ সালে তা হয় ৭২০০ টাকা ।
১৯৭০সালে সাহায্য ব্সতো জরুরি সাহায্র হিসেবে কিন্তু পরে সাহায্যের কাঠামোতে পরিবর্তন আসে , এখন সাহায্য আসে উন্নয়ন সাহায্য হিসেবে ।১৯৭০ সালে এই উনানয়ন সাহায্য ছিলো মোট জিডিপির ৭.২% ১৯৮০ সালে তা হয় ৯% ।
আমাদের বার্ষিক এডিবিতেবৈদেশিক সাহায্যের নির্ভরশীলতা কম ; ১৯৯১ সালে নির্ভরশীলতা ছিলো ৮৭% ২০০৩-২০০৪ সালে ছিলো ৪২%। সত্যিকার অর্থে রাজস্ব আদায়ে বাংলাদেশ শতভাগ সফল হলে আর কোন বৈদেশিক সাহায্যের প্রয়োজন হবে না ।
তাই বাংলাদেশের বাজেটে ধীরে ধরে বৈদেশিক সাহায্যের পরিমান কমছে । সিডিপির রিপোর্ট অনুযায়ী ২০০৩সালে বৈদেশিক সাহায্যের পরিমান ছিলো ১০৩৩.৪ মিলিয়ন ডলার আর ২০০৪-২০০৫ সালে প্রতিম্রুত ঋণ স্হ্য্য ছিলো ৭১৫.২ মিলিয়ন ডলার ।
ঋণ সাহায্যের প্রভাব :
* অভ্যন্তরীণ নীতিমালা প্রনয়নে হস্তক্ষেপ
*অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ
*জাতীয় নীতিমালা প্রনয়নে হস্তক্ষেপ
* দুর্নীতি বৃদ্ধি
*অভ্যন্তরীণ সমস্যায় নাক গলানো
*দারিদ্রতা বৃদ্ধি
* গণতান্ত্রিক ভিত দূর্বলকরণ
* দেশীয় স্বকীয়তা হরণ
*সরকারের ক্ষমতা হ্রাসকরণ
* দেশীয় সম্পদের ব্যবহারের সুযোগ কম।
এভাবে ঋণ সাহায্যের ড়োজালে আবদ্ধ হয়ে আমাদের দেশ আজো তার উন্নতি করতে পারছে না ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


