পোস্ট আর্কাইভ
- মার্চ,২০১৩(৩)
- ফেব্রুয়ারী,২০১৩(৪)
- ডিসেম্বর,২০১২(২)
- নভেম্বর,২০১২(১)
- অক্টোবর,২০১২(২)
- সেপ্টেম্বর,২০১২(১)
- জুলাই,২০১২(২)
- মে,২০১২(১)
- এপ্রিল,২০১২(৩)
- ফেব্রুয়ারী,২০১২(৩)
- ডিসেম্বর,২০১১(১)
- জুলাই,২০১১(১)
- মে,২০১১(১)
- এপ্রিল,২০১১(২)
- মার্চ,২০১১(১)
- ফেব্রুয়ারী,২০১১(১)
- ডিসেম্বর,২০১০(১)
- নভেম্বর,২০১০(১)
- আগস্ট,২০১০(২)
আমার লিঙ্কস
আমার বিভাগ
কোন বিভাগ নেই
আমার প্রিয় পোস্ট
দাবা - খেয়াল রাখার শিক্ষা
০৮ ই আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫১ |
দাবা খেলা আগে শেখা ভালো। এটা অনেকটা ভাষা শেখার মত, যত আগে হাত খড়ি তত এগিয়ে যাওয়া যায়। যাদের বাবা-মা দাবা জানে, তারা অনেকেই একটা বিশেষ সুবিধা আগে পেত। অনেকে এক বছর বয়সের আগেই দাবার চালে পারদর্শী হয়ে যেত।
এখন কম্পিউটারের যুগে বাবা-মা দাবা ভালো না জানলেও শিশুকে কম্পিউটার দিয়ে প্রশিক্ষণ দিতে পারেন। যেহেতু এখনকার কম্পিউটার সফটওয়্যার মানুষের চেয়ে ভালো 'চিন্তা' করে, এবং এর ধৈর্য অসীম, শিক্ষক হিসাবে হয়তো কম্পিউটারই ভালো।
এই উপমহাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মুর্শেদ অবশ্য কোন কম্পিউটারের কাছে শেখেন নি। অনেক পরে তিনি বোধ হয় জাতীয় দাবা ফেডারেশনের কাছ থেকে একটা পিসি পেয়েছিলেন। ততদিনে অবশ্য জিয়াউর রহমান, রিফাত বিন সাত্তার এরাও উদীয়মান খেলোয়াড় হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলেন।
বিশ্বনাথ আনন্দও মায়ের কাছ থেকে শিখেছেন, খুব অল্প বয়সে। তিনি আমাদের নিয়াজ ও অন্যান্যদের পিছে ফেলে অনেক গিয়ে গেছেন। প্রায় চ্যাম্পিয়ন কাস্পারস্কিকে ধরে ফেলেছিলেন। এখনো দ্রুত দাবায় তাঁর সমকক্ষ পাওয়া কঠিন।
দাবার সবচেয়ে বড় কিংবদন্তী ছিলেন ববি ফিশার। নিজে ইহুদী মায়ের সন্তান হলেও ইহুদী বিদ্বেষী ছিলেন। বিশ্ব মিডিয়া প্রথমে অল্প বয়সে খ্যাতি অর্জনকারী হিসাবে এবং রুশদের বহুদিনের দাবায় আধিপত্যের প্রতি সফল চ্যালেঞ্জ প্রদানকারী হিসাবে তাঁকে সমর্থন দিয়ে এলেও এই ইহুদী বিদ্বেষের কারণেই সম্ভবত পরে সে সমর্থন প্রত্যাহার করে, এবং ফিশার তাঁর অসামান্য প্রতিভার পূর্ণ প্রদর্শনের সু্যোগ আর পান নি।
আমি নিজে খুব খারাপ খেলি। আমার ৮০ বছরের নানীও আমাকে হারিয়ে দেয়। সব দিকে নজর রাখার ধৈর্য পাই না। হয় তো একটা চিন্তার লাইনে ছয় চাল পর্যন্ত ভাবলাম, অথচ বিপদজনক আরেক দিকে দু চালও না। আজকাল মানুষ যে মেশিনের কাছে দাবায় হেরে যায়, তার প্রধান কারণ মানুষ ব্লান্ডার, বা মারাত্মক ভুল, করে, যা মেশিন করে না। নিচে তিনটা ব্লান্ডারের মজার উদাহরণ দিলাম। এগুলোকে সংক্ষিপ্ততম দাবা খেলা বলা যেতে পারে। নোটেশন রীতি আন্তর্জাতিক অনুযায়ী। শেষ অবস্থানের (মাত) ছবি দেয়া হলো।
দু চালে মাত।
তিন চালে মাত।
ছয় চালে মাত।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
হা_মি_ম বলেছেন:
দারুণ. শিখে নিলাম.
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফমর্। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...













আপনার মন্তব্য লিখতে লগইন করুন ।