কথাগুলো কিভাবে লিখছি কোন সাহসে লিখছি জানিনা। তবে না লিখলে হয়তো খারাপ লাগতো তাই ...
১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে দেশের কোটি কোটি লোক অংশ নিয়েছিলেন এটি সত্য। যে যার অবস্থান থেকে দেশ মাতৃকার সে দুর্দিনে এগিয়ে না আসলে আজকের স্বাধীন পতাকার আকার আকৃতি কিছুই জানা হতনা আমাদের। হতনা প্রায় ৪০ বছরের দীর্ঘ ইতিহাসের বুকে আমাদের বিভিন্ন ব্যক্তি ,ঘটনা প্রবাহ আর সময়ের নাম লেখানো ।
সেদিনের সেই যুদ্ধে যে সকল আত্নোৎসর্গকারী বীর আমাদের ঋনী করে গেছেন তাদেরকে আমারা আজো শ্রদ্ধার সাথে স্মরন করি। করবো আজন্মকাল । সেই সাথে সেদিনের লড়াইয়ে জিতে যারা আজো গাজী হয়ে আছেন আমাদের মাঝে তাদেরকে আমরা তাদের প্রাপ্য মর্যাদা দিতে সচেষ্ট। মৃত্যুর পরও তাদের সে ঋনের উত্তম প্রতিদান দিতে আমরা চেস্টা চালিয়ে যাই।
বঙ্গবন্ধু হত্যা দেশের ইতাহাসের একটি জঘন্য হত্যা কান্ড । আমি জানিনা সেদিনের সেই হত্যাক্ন্ডের পিছনে দেশের কোন স্বার্থ জড়িত ছিল। যদি বিভিন্নজনের সাথে আলাপ করি অথবা খুনিদের বিভিন্ন সময়ের দেয়া বিবৃতি বিশ্বাস করতে হয় তবে সে যৌক্তিকতাকে কিছুটা হলেও বিশ্বাস না করার উপায় নেই।
মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত ৫জন সেদিনের দেশ স্বাধীনের যুদ্ধের অগ্রভাগে ছিলেন। সেনাবাহিনীতে তাদের পোস্ট সেটাই বলে দেয়। তাদের অবদান আর শ্রম দেশের মুক্তিতে যে বেশ ভূমিকা রাখে সেটি হয়তো না বললেও বোঝা যায়। তাদের মৃত্যু দন্ড তাদের অপরাধের শাস্তি এটা তাদের প্রাপ্য ছিল। সেই সাথে তাদের রাষ্টীয় মর্যাদা পাবারও অধিকার ছিল বোধহয়। কেননা দেশস্বাধীনের সাথে তাদের যে অধিকার জড়িত তাকে আমরা অন্যকোন অপরাধ দিয়ে কাটাকাটি করতে পারিনা। সত্যিকারের গনতন্ত্রে যদি আমাদের প্রত্যাবর্তনের আশা থাকে আর যদি উন্নত মানবাধিকার নিয়ে আমাদের মাথাব্যথার শেষ না হয় তাহলে বোধহয় শাস্তির যায়গায় শাস্তি আর সম্মানের যায়গায় সম্মান রেখেই আমাদের চলা উচিত। তাই যে ব্যক্তি খারপ কাজের জন্য শাস্তি পাবে একই সাথে সে ব্যক্তি ভালকাজের জন্য পুরুস্কার পাবারও যোগ্য হতে পারে বিষয়টি আমাদের ভুলে গেলে চলবে না।
আমি জানি লেখাটি অনেকেই পছন্দ করবেন না তারপরও কারো ব্যক্তিগত পছন্দ অপছন্দের দিকে না তাকিয়ে লিখে ফেললাম,,,,,

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

