খবরটি কি সত্যি নাকি মিথ্যা।
২৮ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৭
সুরা আল ইমরানের ৯৭আয়াতে কাবা গৃহের ৩টি বৈশিষ্ট্য বর্ণিত হয়েছে।৩টি বৈশিষ্ট্যের বর্ণনার পাশাপাশি জনৈক তফসিরকারী নিচের ঘটনাটিরও উল্লেখ করেন এভাবে--
প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ হাজী সেখানে যান ও জামরাত নামক স্হানে প্রত্যেকেই একেকটি প্রতীক লক্ষ্য করে দৈনিক ৭টি করে কংকর ৩দিন পযর্ন্ত নিক্ষেপ করে।যদি এসব কংকর সেখানেই জমা থাকতো,তবে ১বছরেই কংকরের স্তূপের নীচে জামরাত অদৃশ্য হয়ে যেতো ও বিরাট পাহাড় গড়ে উঠত।অথচ হজ্জের ৩দিন অতিবাহিত হওয়ার পর সেখানে কংকরের খুব একটা স্তূপ দেখা যায় না।এর কারণ প্রসংগে রাসুল(স
বলন:ফেরেশতারা এসব কংকর তুলে নেয়।যাদের হজ্জ কোন কারণে কবুল হয় না ,শুধু তাদের কংকরই এখানে থেকে যায়।এ কারণেই জামরাত থেকে কংকর তুলে নিক্ষেপ করতে নিষেধ করা হয়েছে। কারণ,এগুলো কবুল হয়নি।রাসুল(স
এর এ উক্তির সত্যতা প্রত্যেকেই নিজ চোখে দেখেন।অথচ সেগুলো সরাবার কোন ব্যবস্হা সরকারের পক্ষ থেকেও নেই;জনগণের পক্ষ থেকেও নেই।
আমার প্রশ্ন, আপনাদের কাছে ঘটনাটি কি সঠিক?কেউ কি এর কোন সঠিক তথ্য জানেন ও এ ব্যপারে একটু লেখবেন দয়া করে।
অপেক্ষায় রইলাম--
দেবতা বলেছেন:
রহস্যের দুনিয়া....
সরপ বলেছেন:
আপনি সঠিক শুনেছেন। অনেকের হজ প্রথম দিন কবুল না হলেও দয়াময় আল্লাহ দুই তিন পরে কবুল করে পাথর অদৃশ্য করে দেন। সুন্দর পোষ্ট।
আবীর নজরুল বলেছেন:
যদি সৌদি আরব যাবার সৌভাগ্য হয় তবে এ ব্যাপারে বিশ্বাসযোগ্য সঠিক তথ্য-প্রমাণ যোগাড় করে পোস্ট করব। সে পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকুন। আর যদি সময়-সুযোগ হয় তবে না হয় নিজেই একবার ঢুঁ .....। ধন্যবাদ।
কানা বাবা বলেছেন:
পুস্টে পাঁচ লম্বর্পিলাচ...
দুইন্যাডা কুদ্রতে কুদ্রতে ভৈরা আচে; খালি দেকোনের্চুকচাই...
দর্মো আপ্নেরে হেই চউখ দিচে... আপ্নে ব্যাপ্পোক্ বাইগ্যবাণ...
জয় দর্মো! জয় নারায়ণ!
রাজর্ষী বলেছেন:
ইন্টারেস্টিং ব্যাপার। সৌদিতে কে আছেন ব্লগার। সত্যাসত্য যাচাই করে প্রমান সহ জানালে বাধিত হইতাম। আধুনিক যুগে কি কোন মোজেজা পাওয়া যাইবে না?

















