সাবেক আমেরিকান প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন এর নামের সাথে যেমন মনিকা লিউনেস্কির নাম জুড়ে দেয়া যায়, তেমনি বাংলাদেশের সাবেক প্রেসিডেন্ট এরশাদের সাথে চলে আসে বিদিশার নাম। পৃথিবীতে এদের সংখ্যা হাতে গোনা কখনো সম্ভব হবে কিনা জানিনা। তবে সেরকম এক পিতার সন্তানের সঙ্গে আজ আমরা পরিচিত হবো।
ক্লিনটনের মেয়ে চেলসি একদিন তার বাবাকে ডেকে বলল, ‘বাবা, আমি একটি ছেলেকে ভালোবেসে ফেলেছি। ছেলেটাকে পছন্দ করার মত অনেক গুনই রয়েছে। সে জাতীয় বেসবল দলের একজন খেলোয়ার। সে একজন ভালো এ্যাথলেটও। ওকে সবাই হেনরি বলে ডাকে।’
ক্লিনটন মেয়েকে নিয়ে বারান্দায় হাটতে থাকে এবং বলল, ‘হ্যারে মা, হেনরিকে আমি চিনি। কিন্তু তুই তো কোনদিন হেনরিকে বিয়ে করতে পারবিনা।’
‘কেন বাবা?’
‘কারন, হেনরি সম্পর্কে তোর সত্ভাই হয়।’
বাবার কথা শুনে চেলসি মন খারাপ করলেও বাবাকে সে খুব ভালোবাসে বলে হেনরির ব্যাপারটা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে দেয়। এর কয়েক মাস পরে চেলসি তার বাবাকে খাবার টেবিলে জানায় সে নতুন এক ছেলের প্রেমে পড়েছে। ‘ছেলেটির নাম পিটার, সে বড় মাপের গায়ক,ভালো পিয়ানো বাজায়। দুবার আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃতি প্রাপ্ত।’
ক্লিনটনের এবারও মেয়ের জন্য খারাপ লাগে। কিন্তু কি করার, সত্য তো বলতেই হবে। তাই সে মেয়েকে জানায়,মা তুই তো পিটারকেও বিয়ে করতে পারবিনা কারন পিটারও তোর সত্ভাই হয়।’
বৃদ্ধ বাবার অতীতের এমন ন্যাক্যারজনক কেলেঙ্কারি মেয়ে এবারও মেনে নেয়। এর তিন মাস পর সে জন নামের একটি ছেলের কথা বললে ক্লিনটন এবারও জানায় যে, ছেলেটি সম্পর্কে তার সত্ভাই।
এবার চেলসি বাবার ওপর ভীষনভাবে খেপে যায়। সে রাগে-ক্ষোভে মাকে গিয়ে বলে, ‘মা, দেখো বাবার এমন আচরন আর সহ্য করা যায়না।’
‘কেন কি হয়েছে?’ হিলারী জানতে চায়।
‘আমি এ নিয়ে তিনটি ছেলের কথা বাবাকে গিয়ে বললাম, যে তাদের পছন্দ করি এবং একজনকে বিয়ে করতে চাই।’কিন্তু তিনটি ছেলেই নাকি আমার সত্ভাই । এখনতো দেখা যাচ্ছে এ দেশে আমার জন্য ছেলে পাওয়াই মুশকিল।
হিলারি মেয়ের হাত বুলিয়ে স্বান্তনা দিয়ে বলেন, ‘ওর কথা তোকে শুনতে বলেছে কে?তুই তোর পছন্দের যেকোন একটি ছেলেকেই বিয়ে করতে পারবি। ওরা কেউই তোর সত্ভাই না।’
‘কিন্তু বাবা যে বলল…’
‘কে বলেছে ও তোর বাবা?’
সুত্র : রংমহল

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



