প্রথম ধরন হচ্ছে অভিজ্ঞ ব্যক্তি, যারা ইতোমধ্যেই কয়েকবার জমি কেনা বেচা করেছেন। অথবা কেনা বেচার সময় কোননা কোনভাবে ঐ প্রক্রিয়ার সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। জমি রেজিষ্ট্রির কথা উঠলেই এই ধরনের অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের চোখেও ভেসে ওঠে কিছু পয়সাখেকো ধূরন্ধর প্রকৃতির লোক- যারা প্রচলিত ভাবে ভেন্ডার নামধারী হলেও ভেন্ডিং বা ষ্ট্যাম্প বিক্রয়ের কাজ ছাড়াও জমি কেনা-বেচার দালালিতে ব্যস্ত থাকেন। দ্বিতীয় প্রকারের ব্যক্তিরা হচ্ছেন, যাদের জমি রেজিষ্ট্রি সম্পর্কে কোন প্রকার অভিজ্ঞতা নেই। এ ধরনের ব্যক্তিরা যে কোন প্রয়োজনে রেজিষ্ট্রি অফিসে পা দেয়ার আগের থেকেই চোখে অন্ধকার দেখা শুরু করে।
জমি রেজিষ্ট্রি জন্য চালান জমা দেয়া থেকে শুরু করে সার্টিফায়েড কপি বা দলিলের নকল পাওয়ার আগ পর্যন্ত সব ষ্টেজেই সাধারন মানুষকে বিভিন্ন ভাবে নাজেহাল করাটাকে বর্তমানে রেজিষ্ট্রি অফিসের কিছু অসাধু কর্র্মকর্তা- কর্মচারী আর ভেন্ডাররা প্রায় শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গেছে।
এর প্রতিকার কি?
সোজা বাংলা কথায় এর সহজ এবং আশু কোন প্রতিকার নেই। তবে দুই একটি বিষয়ে সরকার যদি কোন পদপে নেয় তাহলে সাধারণ মানুষ কিছুটা হলেও উপকৃত হবে।
প্রথমতঃ রেজিষ্ট্রি অফিস এলাকার ভেন্ডারদের দালালি বন্ধ করতে ষ্ট্যাম্প ভ্যান্ডারদের লাইসেন্স দেওয়া ও নবায়ন করার নীতিমালা পরিবর্তন করতে হবে।
দ্বিতীয়তঃ প্রত্যেক রেজিষ্ট্রি অফিসে এক বা একাধিক সার্ভিস বুথ থাকতে হবে যেখানে জমি রেজিষ্ট্রি সম্পর্কিত যে কোন তথ্য ও সহযোগীতা নির্ধারিত সার্ভিস চার্জের বিনিময়ে পাওয়া যাবে।
তৃতীয়তঃ রেজিষ্ট্রি অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ঘুষ (প্রচলিত ভাষায় খরচাপাতির) লেনদেন যেহেতু বন্ধ করা সহজ সাধ্য নয় তাই প্রত্যেক সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে অন্তত একটা করে কমপ্লেইন ডেস্ক রাখা যেতে পারে যা সরাসরি দূর্নীতি দমন কমিশনের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে।
আমাদের দেশে বিয়ের মতো একটা জটিল(!) বিষয় খুব সহজেই রেজিষ্ট্রি করে ফেলা যায়
কিন্তু জমি রেজিষ্ট্রি?
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




