একনজরে ৬ মাস
* রাজনৈতিক সংঘর্ষে নিহত ১২৩, আহত ৮,৪৭৬
* মোট খুন ১৩০১ প্রতিদিন গড়ে ৭ জনেরও বেশি
* আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে মৃত্যু ৮৪
* সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২০৮২, আহত ৭২৯৩
* ধর্ষণের ঘটনা ২৯৪ টি
* সীমান্তে নিহত ৬০ জন
খুন
বছরের প্রথম ৬ মাসে মোট খুন হয়েছে ১৩০১ টি। প্রতিদিন গড়ে খুন হয়েছে ৭ জনেরও বেশি। এর মধ্যে গত মার্চ মাসে রাজধানীতে বিয়ে দিতে রাজি না হওয়ায় মেয়ের প্রেমিকের হাতে স্বামী-স্ত্রী নিহত হওয়ার ঘটনা ও এপ্রিল মাসে রাজধানীতে পুলিশ কর্মকর্তা গৌতম কুমার রায় সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত হওয়ার খবরটি ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। এপ্রিল মাসে রাজধানীতে পুলিশ কর্মকর্তা গৌতম কুমার রায় সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত হওয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই ১৪ দিনের মাথায় মে মাসের ৪ তারিখে এস আই মিজানকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করার ঘটনাটি আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতির বহিপ্রকাশ। এছাড়া মে মাসেই কুমিল্লায় আব্দুর রশীদ (৭০) নামের এক বৃদ্ধ মুক্তিযোদ্ধাকে মাত্র ১৬০ টাকার জন্য হত্যা করা হয়। তাছাড়া ২৪ জুন ঢাকার মোহাম্মদপুরে মায়ের অনৈতিক কাজ দেখে ফেলায় মা আয়েশা ও তার প্রেমিক আরিফ নৃশংসভাবে হত্যা করে স্কুল ছাত্র ৬ বছরের শিশু সামিউলকে। ৭ জুন পুরান ঢাকায় হোটেল কর্মচারী রুবেলকে তার বন্ধুরা ঠাণ্ডা মাথায় গলা কেটে হত্যা করে কাটা মাথা নিয়ে মিম হোটেলের মালিকের নিকট থেকে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা করে।
উল্লেখ্য, ৬ মাসের প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও খুনের ঘটনা ঘটেছে। বিশ্লেষণে দেখা যায়- চাঁদাবাজি, এলাকায় প্রভাব বিস্তার, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ ও প্রেমঘটিত কারণে এসব খুনের ঘটনা ঘটেছে।
ধর্ষণ
গত ৬ মাসে সারাদেশে ধর্ষণের শিকার হয় মোট ২৯৪ জন। যার মধ্যে ১৭৪ জন নারী ও ১২০ জন শিশু। গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ৫৫টি ।
উল্লেখ্য, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ক্ষমতাসীন দলের সমর্থনপুষ্ট ছাত্রলীগ জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। এদের মধ্যে চূয়াডাঙ্গায় একজন গৃহবধু এএসআই কর্তৃক ধর্ষণের শিকার হন, যশোরে এক গৃহবধু আনসার সদস্য কর্তৃক এবং জয়পুরহাটে ৮ বছরের এক শিশু গ্রামপুলিশের দ্বারা ধর্ষণের শিকার হন। এছাড়া ২১ এপ্রিল পটুয়াখালীতে বাহাদুর নামে এক ছাত্রলীগ কর্মীর নেতৃতে ৬/৭ জন যুবক এক গৃহবধুকে ধর্ষণ করে। ২২ এপ্রিল ভোলার লালমোহনের কচুয়াখালী গ্রামে বিএনপি কর্মী শফি মাঝির স্ত্রী ও মেয়েকে আওয়ামী লীগ কর্মীরা পালাক্রমে ধর্ষণ করে । এছাড়া ভোলায় উপনির্বাচনের পরদিন যুবলীগ নেতা সিরাজ মিয়া বিএনপি সমর্থিত নান্নু মেম্বারের ভাতিঝা রুবেলের স্ত্রীকে ধর্ষণ করে।
১৩ মে সিলেট পলিটেকনিকে ছাত্রলীগ নেতা সৈকত শ্রেণীকক্ষে এক ছাত্রীকে জোড়পূর্বক ধর্ষণ করে। এছাড়া কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের সোনাইকান্দি গ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা শাহিন রেজার পুত্র পান্না (২২) তার একজন সহযোগীকে নিয়ে স্বামী পরিত্যক্তা এক মহিলাকে (৪০) ধর্ষণ করে। তাছাড়া খাগড়াছড়ি জেলার মহালছড়ি উপজেলার দুর্গম কেয়াংঘাট এলাকায় ১৫ মে ইউপিডিএফ-এর সন্ত্রাসীরা কল্পনা বেগম (২৪) নামে এক গৃহবধূকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ২৫ মে লালমনিরহাটে শরিফাকে গণধর্ষণের পর হত্যা করে এসিডে শরীর পুড়িয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। এছাড়া ২৯ মে নারায়নগঞ্জে চাচাকে গাছের সাথে বেধে রেখে ২ ভাতিজীকে গণধর্ষণ করে সন্ত্রাসীরা।
জুন মাসে লালমনিরহাট জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের খাদ্য পরিদর্শক শফিউল আলম ১২ বছরের কিশোরী গৃহপরিচারিকা দুলালীকে ধর্ষণ করলে তার মৃত্যু হয়। ৩ জুন শরীতপুরের প্রবাসীর স্ত্রীকে ৫-৭ জন সন্ত্রাসী জোরপূর্বক গণধর্ষণ শেষে তাকে গলাকেটে হত্যা করে। ২২ জুন নড়াইলে সেলিনা সুলতানাকে ধর্ষণ শেষে হত্যা করা হয়।
চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজি
২০১০ সালের প্রথম ৬ মাসে সারাদেশে চুরি, ডাকাতি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে মোট ৮৪৮টি। এসব ঘটনায় নিহত হয়েছে ১১৯ জন। আর আহত হয়েছে ১০৯৯ জন।
সীমান্ত সন্ত্রাস
বছরের প্রথম ৬ মাসে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে বিএসএফ ও নাসাকাকর্তৃক নিহত হয়েছেন ৬০ জন। প্রায় ক্ষেত্রেই বিএসএফ তাদেরকে গুলি করে হত্যা করেছে। এছাড়া সীমান্তে বিএসএফের নির্যাতনে আহত হয়েছেন ১০৪ জনেরও বেশি। এছাড়াও বিএসএফ কর্তৃক অপহৃত হয়েছেন ৪০ জন।
জৈন্তাপুর সীমান্তে বিএসএফ-এর মদদে খাসিয়ারা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে জমি দখল করে চাষাবাদ শুরু করে এবং অস্ত্রের মহড়া দেয়।
রাজনৈতিক সংঘর্ষ
গত ৬ মাসে দেশের বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন ১২৩ জন। আর আহত হয়েছেন ৮,৪৭৬ জন। প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৪৭ জন আহত হয়েছেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ছাত্রলীগের গ্রুপিংয়ের কারণে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া আওয়ামী লীগ -বিএনপি, আওয়ামী লীগ-জাতীয় পার্টি কিংবা আওয়ামী লীগ-জামায়াত সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে।
উল্লেখ্য, ১১ মে সাভারে ডিশ ব্যবসায়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে আওয়ামী লীগ কর্মী সাইফুল ইসলাম (৩২) নিহত হন।
১৬ মে শার্শা উপজেলা যুবলীগের সমাজকল্যাণ সম্পাদক রতন সরকারকে গলাকেটে হত্যার ঘটনায় ডিহি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আ: খালেক এবং যুবলীগ নেতা ও ইউপি সদস্য আ: জলিলসহ ৫ আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ নেতাকর্মীকে আটক করে পুলিশ।
২৫ মে পাবনার সাথিয়ায় আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের মধ্যে জমির ধান কাটা নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নিহত হয় নিজাম উদ্দিন (৫০) ও হাসিফুল ইসলাম (২৬)। অন্যদিকে কুমিল্লার শহরতলির কালিরবাজার এলাকায় রাতে সোহেল (২২) নামে এক ছাত্রলীগ নেতাকে পিটিয়ে হত্যা করে প্রতিপক্ষ গ্রুপ।
২৭ মে খুলনায় মুক্তিযোদ্ধা আলতাফ হোসেনকে (৬০) কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে খালিশপুর থানা আওয়ামী লীগের এক প্রভাবশালী নেতা জড়িত বলে নিহতের স্ত্রী দাবি করেছে।
মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিজানের বিরুদ্ধে জিডির জের হিসেবে ৩০ মে মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জামালউদ্দিন ওরফে কুতু বাবুকে (৩৫) পিটিয়ে হত্যা করা হয়। একই দিন মুন্সিগঞ্জের ধলেশ্বরী নদীতে বালুমহালে টোল সংগ্রহ করতে গিয়ে একই দলের সন্ত্রাসীদের হামলায় মুন্সিগঞ্জ শহর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মো: মামুন (২৬) নিহত হয়।
৩১ মে মাদারীপুর সদর উপজেলার পেয়ারপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষে নুরুন্নবী হাওলাদার (২৫) নিহত হয় এবং টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে প্রতিপক্ষের হামলায় উজেলার সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক (৪৫) নিহত হয়।
এছাড়া খালেদা জিয়ার রাজশাহীর মহাসমাবেশে যাওয়ার পথে ৫ মে নাটোরের সিংড়ায় বিএনপি সমর্থকদের গাড়ি বহরে আওয়ামী লীগ কর্মীদের হামলায় নিহত হয় ১ জন এবং ১৯ মে বিএনপির ঢাকার মহাসমাবেশে আসার পথে বিএনপি সমর্থকদের গাড়ি বহরে আওয়ামী লীগ কর্মীদের হামলায় যুবদল নেতা আকবর হোসেন নিহত হয়। কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ ২০ মে দুপুরে বুড়িগঙ্গা নদীর সদরঘাট এলাকা থেকে ভাসমান অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে।
তাছাড়া ৪ মে বরিশাল পলিটেকনিকে প্রকাশ্যে দেশীয় অস্ত্র দ্বারা প্রতিপক্ষ ছাত্রলীগ কর্মীকে কুপিয়ে জখম করার ছবি, ১০ মে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের আন্তকোন্দলের জের ধরে শিক্ষিকাসহ ৮ ছাত্রীকে লাঞ্ছিত করা ও ১১ মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ কর্মীদের দ্বারা আরবি বিভাগের ২ জন শিক্ষককে লাঞ্ছিত করে ক্লাস থেকে বের করে দেওয়ার নজিরবিহীন ঘটনা জাতিকে হতবাক করে।
২৬ মে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলায় যুবলীগের এক কর্মীর হাত কেটে নেয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা । এছাড়া ৩০ মে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. বখতিয়ার রানাকে লাঞ্ছিত করেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি কামরুল হাসান রিপন।
সাংবাদিক নির্যাতন ও মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ
গত ৬ মাসে দেশে সংবাদপত্র নিয়ন্ত্রণ ও সাংবাদিক নির্যাতনের অসংখ্য ঘটনা ঘটেছে। যমুনা টেলিভিশিন ও চ্যানেল ওয়ান বন্ধ এবং আমারদেশ পত্রিকার প্রকাশনা বাতিল ও এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক প্রকৌশলী মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতার পূর্বক রিমান্ডে নির্যতানের ঘটনা দেশবাসীকে উৎকণ্ঠিত করেছে। এসব ঘটনায় প্রায় সহস্রাধিক মিডিয়া কর্মী বেকারত্বের ফলে চরম মানবেতর পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ক্ষমতাসীনদের হাতে নির্যাতনের শিকার হন ৯৩ জন সাংবাদিক। নিহত হন ২ জন । (সাপ্তাহিক ২০০০-এর সিলেট প্রতিনিধি ফতেহ ওসমানি ২৯ এপ্রিল মারা যান এবং এটিএন বাংলার ক্যামেরাম্যান শরিফুল ইসলাম মিঠুকে দুবৃত্তরা শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে। )
এছাড়াও বিভিন্ন চ্যানেলের টকশো’র ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। বন্ধ করা হয়েছে কয়েকটি জনপ্রিয় টকশো’র সম্প্রচার।
সড়ক দুর্ঘটনা
গত ৬ মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে ২,০৮২ জন। যা গড়ে প্রতিদিন প্রায় ১২ জন। এসব ঘটনায় আহত হয়েছেন ৭,২৯৩ জন অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে ৪০ জনেরও বেশি।
আইন-প্রয়োগকারী সংস্থার হাতে মৃত্যু
৬ মাসে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে মৃত্যু হয়েছে ৮৪ জনের। এর মধ্যে তথাকথিত বন্দুকযুদ্ধেই বেশিরভাগ নিহত হয়েছে।
উল্লেখ্য, শুধু মে মাসেই বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ঘটেছে ২৪টি।
আত্মহত্যা
সাম্প্রতিক সময়ে আত্মহত্যার সংখ্যা ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। শুধু জুন মাসেই বিভিন্ন কারণে আত্মহত্যা করেছে ৪৯ জন। এর মধ্যে নারী ২৫, পুরুষ ১৪ ও শিশু ১০। অধিকাংশ ক্ষেত্রে ক্ষমতাসীন দলের সমর্থনপুষ্ট বখাটেদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে তরুণীরা আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছে। এছাড়া ইভ টিজিং, পারিবারিক কলহ, ঋণের টাকা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হওয়া অন্যতম কারণ বলে জানা গেছে।
এর মধ্যে গত এপ্রিল মাসে ঢাকার বাড্ডা ও বাগেরহাটে এনজিওর কিস্তির টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হয়ে ২ জন আত্মহত্যা করেন।
গত ১০ জুন রংপুরে পীরগঞ্জের মইরননেসা (৭০) বয়স্কভাতা না পেয়ে ক্ষোভে দু:খে আত্মহত্যা করেন।
১১ জুন ঢাকার কদমতলীর জুরাইনে শফিকুল কবিরের পুত্রবধূ ফারজানা করিব রিতা (৩৫) তার দুই সন্তান ইসরাফ কবির বিন রাশেদ ওরফে পবন (১১) ও রাইসা শারমিন পায়েল (১০)-সহ স্বামীর অত্যাচার ও দ্বিতীয় বিয়ে এবং বাসা থেকে বের হয়ে যেতে বলায় ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যা করে দেশব্যাপী চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে।
ইভটিজিং ও নারী নির্যাতন
সারাদেশে ইভটিজিং মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। এপ্রিল মাসেই ৫৮ জন নারী ইভটিজিংয়ের শিকার হওয়ার ঘটনা পত্রিকায় এসেছে। এর মধ্যে বেশ কয়েকজন তরুণী ইভটিজিং এর অপমান সইতে না পেরে আত্মহত্যা করেছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে ক্ষমতাসীন দলের সমর্থনপুষ্ট বখাটেদের উপস্থিতি লক্ষ্যনীয়।
৪ এপ্রিল কাওসারের নেতৃত্বে ছাত্রলীগ কর্মীরা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে, ৬ এপ্রিল ছাত্রলীগ নেতা বাবু জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং ১৪ এপ্রিল টিএসসির বৈশাখী কনসার্টে ছাত্রলীগের মধ্যম সারির নেতাদের হাতে তরুণীদের শারিরীকভাবে লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনা দেশবাসীকে হতবাক করে। এছাড়া ১৯ এপ্রিল বগুড়ায় ছাত্রলীগ নেতা ডিউ কর্তৃক এক তরুণী এবং ২৮ এপ্রিল পটুয়াখালীতে আওয়ামী লীগ নেতা বরকত খান কর্তৃক স্থানীয় স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা শারিরীকভাবে নাজেহাল হন।
৩ মে বাগের হাটের শরণখোলার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানকে যুবলীগ কর্মীরা মারাত্মকভাবে প্রহার করে। এছাড়া ৯ মে নাটোরের বাগাতিপাড়ায় আওয়ামী লীগ নেতা আ: কুদ্দুস স্থানীয় স্কুলের প্রধান শিক্ষিকাকে চুলের মুঠি ধরে লাঠিপেটা করে অজ্ঞান করে ফেলে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

