০ জামায়াতে ইসলামীর খোদাভীরু নেতৃত্বের বিরুদ্ধে সাজানো মামলা দিয়ে রিমান্ডে নির্যাতন করা হচ্ছে
আগ্রাসন প্রতিরোধ জাতীয় কমিটি আয়োজিত সর্বদলীয় মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেছেন জাতিসত্তা বিনাশী এবং ইসলাম বিরোধী যেকোন ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় আমাদের সুপ্ত ঈমানকে আজ জাগ্রত করার সময় এসেছে। আজ ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বক্তারা বলেন, দেশ এবং ঈমান আক্বীদা সংরক্ষণের স্বার্থে প্রয়োজনে ফাঁসির রজ্জু গলায় জড়িয়ে হলেও বৃহত্তর যেকোন আন্দোলনের ডাক আসলে আমাদের সাড়া দিতে হবে। এখন ঘরে বসে থাকার কোন সুযোগ নেই বলে তারা উল্লেখ করেন। আলোচনায় বক্তারা আরো বলেন, জামায়াতে ইসলামীর মতো এমন একটি সংগঠনের খোদাভীরু নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে যে ধরনের মিথ্যা সাজানো মামলা দিয়ে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার ও রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন করা হচ্ছে তাতে দেশবাসী শংকিত। জামায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের আশু মুক্তি কামনা করে অনুষ্ঠানে দোয়া করা হয়।
গতকাল মঙ্গলবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে আগ্রাসন প্রতিরোধ জাতীয় কমিটির উদ্যোগে ৭২’র সংবিধানে ফিরে যাওয়া, দেশকে ধর্মহীন করার চক্রান্ত, নানামুখী আগ্রাসন ও সরকারের দু:শাসনের প্রতিবাদে সর্বদলীয় মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। খেলাফত মজলিসের আমীর ও সাবেক মন্ত্রী মাওলানা মোঃ ইসহাকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মাসিক মদিনা’র সম্পাদক ও দেশের আলেম কুল শিরমনি মাওলানা মুহিউদ্দিন খান।
মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও সাবেক কূটনীতিক মীর নাসির উদ্দিন, জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী সেক্রেটারি হামিদুর রহমান আযাদ এমপি, ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব আবদুল লতিফ নেজামী, ভাসানী ফ্রন্টের চেয়ারম্যান মমতাজ চৌধুরী, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি এনডিপি’র সভাপতি গোলাম মর্তুজা, ইসলামিক পার্টির সভাপতি এডভোকেট আব্দুল মোবিন, ন্যাপ ভাসানীর চেয়ারম্যান শেখ আনোয়ারুল হক, আইম্মাহ্ পরিষদের সভাপতি মাওলানা মহিউদ্দিন রাববানী, মুসলিম লীগের মহাসচিব আবুল খায়ের, মসজিদ মিশনের মহাসচিব ড. মাওলানা খলিলুর রহমান মাদানী, খেলাফত মজলিশের নেতা সফিক উদ্দিন, জাতীয় ছাত্রসমাজের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন, ন্যাপ ভাসানীর সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন মুন্না, আহকামে শরীয়াহ হেফাজত কমিটির সভাপতি আবদুস সবুর মাতুববর, বিশিষ্ট মুফাচ্ছিরে কোরআন জামালউদ্দিন, ইসলাহুল উম্মাহ’র চেয়ারম্যান মাওলানা আবু হানিফ নেসারী। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আগ্রাসন প্রতিরোধ জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব আলমগীর মজুমদার।
মাওলানা মুহিউদ্দিন খান বলেন, এই সরকারের আমলে আজ হিন্দু মেথর শ্রেণীর লোকও কোরআনের বিরুদ্ধে কথা বলছে। আয়াতকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে রিট আবেদনও করেছে। কোরআনকে আজ হাসি-ঠাট্টার বিষয়ে পরিণত করা হচ্ছে। বিশ্বব্যাপীই অনেক আগেই সেই ষড়যন্ত্র শুরু করা হয়েছে। এখন বাংলাদেশেও সেই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে আদালতে এই রিট করা হয়েছে। পীর আউলিয়াকে আজ সন্ত্রাসী বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। তিনি বলেন, আগে কাফনের কাপড় মাথায় বেঁধে আন্দোলনের কথা বলেছি এখন বলবো প্রয়োজনে গলায় ফাঁসির রশি নিয়ে আমাদের ঈমান-আকীদা রক্ষায় আন্দোলন করতে হবে। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী আমি করিনি তবে মতিউর রহমান নিজামী যেভাবে কারাগারে দিন কাটাচ্ছেন তাদের মুক্তির জন্য দাবি করছি। জুলুমের হাত থেকে তাদের রক্ষা করতে বড় যেকোনো আন্দোলনের ডাক দেয়া হলে সবাইকে ডাকে সাড়া দেয়ার জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। তিনি বলেন, বেগম জিয়ার আহবানে আমরা নিঃশর্তে মাঠে নেমে আসবো কোনো দ্বিধা করবো না। আর তাই সেই লক্ষ্যে এখন থেকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলনের প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে।
প্রধান অতিথি আরো বলেন, সরকারের আশকারা পেয়েই মেথর সম্প্রদায়ের একজন সদস্য কুরবানীর শুদ্ধতা নিয়ে হাইকোর্টে মামলা করার ধৃষ্টতা দেখিয়েছে। রহস্যজনকভাবে হাইকোর্ট তা গ্রহণও করেছে। ইতোপূর্বে ভারতে এ ধরনের মামলা হতে দেখা গেছে। কিন্তু ভারতীয় আদালত সব মামলায় শুরুতেই প্রত্যাখ্যান করেছে। কিন্তু আমাদের দেশের সর্বোচ্চ আদালত তা গ্রহণ করায় জনমনে নানান প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। তিনি আরো বলেন, ইসলামী রেনেসাঁ আন্দোলনের পথিকৃত সৈয়দ আহমদ শহীদ (রা
বিএনপি নেতা মীর নাসির উদ্দিন বলেন, জনগণ নেতাদের চেয়ে এখন বেশি অগ্রসর। গত ২৭ জুন জনগণ সরকারকে একটি বিশেষ ম্যাসেস দিয়েছে তা হলো জনগণ এখন আর সরকারের সাথে নেই। তিনি বলেন, পঞ্চম সংশোধনী আমাদের রাজনীতি করার সুযোগ করে দিয়েছে। এমনকি আওয়ামী লীগকেও রাজগতির সুযোগ করে দিয়েছিল পঞ্চম সংশোধনী। এটা ছিল জাতীয় ইতিহাসে একটি মাইলফলক। পঞ্চম সংশোধনী আমাদের অস্তিত্বের পশ্ন। বেগম জিয়া সবসময়ই আপোসহীন ভূমিকা রাখছেন। রমযানের পরে রাজপথে বড় কর্মসূচি দেয়া হবে। বেগম জিয়ার সাথে আপনাদের থাকতে হবে। তিনি বলেন, ইসলামকে টিকিয়ে রাখতে কোন আইনের প্রয়োজন হবে না আবার ইসলামকে নিষিদ্ধ করতে কোন আইন কাজে আসবে না। আগেও আওয়ামী লীগ অনেক আইন করেছিল। শেষ রক্ষা তাদের হয়নি। আল্লাহ সব সময়ই মজলুমদের পক্ষে থাকবেন। তিনি বলেন, দেশের বিরুদ্ধে বা দেশের সার্থের পরিপন্থী কোন চুক্তি জনগণ বাস্তবায়ন হতে দেবে না। সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় সচেতন জনগণই তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।
আবদুল লতিফ নেজামী বলেন, ভারতের প্রেসক্রিপশনে আওয়ামী লীগ সরকার মুসলিম প্রধান বাংলাদেশে ধর্ম নিরপেক্ষতার দিকে ফেরত যেতে চায়। এটা মুক্তিযোদ্ধাদের চেতনা বলা হলেও মূলত এটি একটি মিথ্যা প্রচারণা। ধর্মহীন শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের আড়ালে দেশকে ধর্মহীন করার ষড়যন্ত্র করছে সরকার।
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, গতিশীল সমাজ সামনে এগিয়ে যায়, মানুষের জীবন সামনে যায়। ইতিহাসের চাকা সামনে এগিয়ে যায় কিন্তু সরকার ‘৭২’র সংবিধানে ফিরে যাওয়ার নামে দেশকে পিছনের দিকে ঠেলে দিতে চায়। একইভাবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের নামে একটি মীমাংসিত বিষয় নিয়ে দেশকে অস্থিতিশীন করতে চায়। তিনি বলেন, অসাংবিধানিক সরকার ১/১১এরপর মাত্র দু’বছরে দেশকে ২০ বছর পিছনের দিকে নিয়ে গেছে। বর্তমান সরকারও একইভাবে দেশকে পিছনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। কাজেই এ কথা দিবালোকের মতো স্পষ্ট যে ঐ অবৈধ অসাংবিধানিক সরকারের এক্সটেনশনই হচ্ছে বর্তমান সরকার। তিনি বলেন, সরকার কি সাংবিধানিকভাবে জাতিগত হিসেবে আমাদের বেঈমান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চান? বাংলাদেশকে কি একটি নাস্তিক্যবাদ দেশ বানাতে চান? তিনি সরকারের উদ্দেশে বলেন সংসদে মেজরিটি থাকলেই দেশবাসীর ঈমান আকীদার বিরুদ্ধে কোন সিদ্ধান্ত নিবেন না। তিনি বলেন, দেশের যেকোন সংকটময় সময়ে আলেম ওলামা পীর মাশায়েখগণ ভূমিকা রেখেছেন। আজ আমাদের ঈমানের ওপর আঘাত এসেছে। তাই ঐক্যের কোন বিকল্প নেই।
মাওলানা মহিউদ্দিন রাববানী বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর ইসলাম বিরোধী কর্মকান্ড করে যাচ্ছে। নারী নীতি, শিক্ষানীতির নামে ধর্মীয় রাজনীতি করা অস্বীকার করাও যাবে না। তিনি অস্বীকার করবেন তিনি কাফের। নিজে করেন বা না করেন ধর্মীয় রাজনীতি অস্বীকার করা যাবে না। যিনি বলেন, আমরা ধর্মের নামে রাজনীতি করি না। যারা ধর্মের নামে রাজনীতি করেন তাদের রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে। যারা নির্বাচন আসলে মাথায় পট্টী বাঁধেন হাতে তসবীহ নেন মাজারে গিয়ে দোয়া নেন তাদের রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে আগে। রমযানের আগে রাজধানীতে বড় ধরনের বিক্ষোভ কর্মসূচী ঘোষণা করার দাবি জানান তিনি।
ড. মাওলানা খলিলুর রহমান মাদানী বলেন, ৯৫ ভাগ জনগণ আল্লাহ বিশ্বাসী। এদেশে ‘৭২’র সংবিধানে ফিরে গিয়ে আল্লাহর ওপর আস্থা বিশ্বাস বাদ দেয়া যাবে না। তিনি বলেন, ইসলামী রাজনীতি করা ফরয। এই আইন বা বিধানকে কেউ মুছে দিতে পারবে না। একজন মুসলমান বেঁচে থাকলে এই ধরনের ইসলাম বিরোধী কোন বিধান এদেশে বাস্তবায়ন হতে দেবে না। মন্ত্রী পরিষদের একজন নাস্তিক সরকারকে বেকায়দায় ফেলতেই ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি আরো বলেন, কুরআনের ১২৮ স্থানে ইসলামী আন্দোলকে ফরয বলে ঘোষণা দিয়েছেন আল্লাহ। এটা অস্বীকার করারও কোন মুসলমানের সুযোগ নেই। তাই সরকারকে সতর্ক করতে প্রথমে মানববন্ধন, তারপর গণমিছিল এবং সর্বোপরি হরতালের মতো কর্মসূচি দেয়ার ওপরও তনি গুরুত্বারোপ করেন।
আলতাফ হোসেন মুন্না বলেন, গণহত্যারবিচার করতে হলে আগে তাদের বিচার করতে হবে যারা সিরাজ শিকদারকে হত্যা করে সংসদে গিয়ে হুংকার দিল। সংসদে গিয়ে হাসলো। দেশবাসী সবই জানে সময় আসলে তাদের বিচার আগে হবে। তাই এখন থেকেই সকল আগ্রাসন ও রাজনৈতিক নিপীড়ন যারা করছে তাদের বিরুদ্ধে গ্রামে গিয়েও জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। কুরআনের বিরুদ্ধে রিটকারী দেব নারায়ণকে গ্রেফতারের দাবি জানান তিনি।
এডভোকেট আবদুল মোবিন বলেন, গত দু’শ বছরের ইতিহাসে জাতীয় জীবনে যত দুঃসময় এসেছে বর্তমানে তার চাইতেও বেশি দুঃসময় এখন দেশে চলছে। আজ ইসলামী নেতৃবৃন্দকে রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন করছে। পত্রিকার কণ্ঠরোধ করতে সাহসী সাংবাদিক সম্পাদককে সরকার অন্যায়ভাবে জেলে নির্যাতন করছে। গণতন্ত্র আজ হুমকির মুখে। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব আজ বিপন্ন।
শেখ আনোয়ারুল হক বলেন, ৭১ সালের পরে আওয়ামী লীগ সবচেয়ে বেশি মানবতাবিরোধী কর্মকান্ড করেছে। কিন্তু পরের কোন সরকারই তাদের বিচার করেনি। ইসলামের বিরুদ্ধে আদালত কোন রায় দিলে আমরা তা মেনে নিতে পারি না। দেশ শাসন করবে কে আদালত সংসদ নাকি জনগণ? সে বিষয়টিও আজ আমাদের চিন্তা করতে হবে।
গোলাম মর্তুজা বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের নামে দেশের জনগণের মৌলিক সমস্যাপূরণে সরকারের ব্যর্থতাই আড়াল করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, অতীতে আমাদের পাট শিল্পকে ধ্বংস করে ভারতের হাতে পাট শিল্পকে তুলে দেয়া হয়েছিল। বর্তমানে আমাদের প্রধান শিল্প গার্মেন্টস শিল্পকে একইভাবে ধ্বংস করে ভারতে হাতে তুলে দেয়া হচ্ছে। রমযানের আগে সকল রাজবন্দীদের মুক্তি দাবি করেন তিনি।
মমতাজ চৌধুরী বলেন, শত আউলিয়ার এই দেশে ইসলামী রাজনীতি বন্ধ হবে এমন চিন্তা যারা করছেন তারা বোকার রাজ্যে বাস করছে। এদেশে ইসলামী বিরোধী রাজনীতি প্রবর্তন করার যারা চিন্তা করছেন তাদের জানাযা এদেশে হবে না।
আবদুস সালাম মাতুববর বলেন, দেশে আজ কুফরী শাসন কায়েম করার জন্য সংবিধানকে সংশোধন করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ইসলামী বা ধর্মীয় রাজনীতি নিষিদ্ধ করার ক্ষমতা আদালত বা সরককারের নেই। তৌহিদী জনতা যদি মাঠে নামে তাহলে এই সরকার পালানোর কোন সুযোগ পাবে না। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়াও আজ প্রশ্নবিদ্ধ। শীর্ষ আলেমদের গ্রেফতার করে সরকার শেষ রক্ষা পাবে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।
শফিক উদ্দিন বলেন, সংবিধান সংশোধনের জন্য যে আয়োজন চলছে তাতে দেশের মানুষ আজ আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। মুসলিম প্রধান দেশে ইসলামী রাজনীতি নিষিদ্ধ করার চেষ্টা করা হলে সরকারই জনবিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। তিনি বলেন, আদালতের রায়ের মাধ্যমে মানুষের মন থেকে ইসলামী মূল্যবোধ মুছে ফেলা যাবে না। দেশকে ধর্মহীন করার চেষ্টা কখনো সফল হবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
জামালউদ্দিন বলেন, আপন দেশে আজ আমরা পরবাসী হতে চলেছি। জাতিকে আজ প্রতারণার মাধ্যমে পিছনের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘৭২-এর সংবিধানে ফিরে যাওয়ার নামে আল্লাহর উপর আস্থা ও বিশ্বাস বাদ দিয়ে বিসমিল্লাহ রাখতে চাচ্ছে।
আবুল খায়ের বলেন, দেশের অস্তীত্ব আজ সঙ্কটাপন্ন। ভারতের সাথে সরকার কি চুক্তি করে আসলো তা আমরা আজও জানি না। সরকার যেভাবে দেশ চালাচ্ছে তাতে সরকার বিরোধী পক্ষের জাতীয় ঐক্যের সুযোগ সরকারই করে দিচ্ছে।
আবু হানিফ নেসারী বলেন, পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন ‘যারা আমার আইন অনুযায়ী দেশ চালাবে না তারা কাফির মুনাফিক। কাজেই মুসলিম প্রধান এই দেশে ইসলামী আইন বাস্তবায়নে যারা বাধা দিবে তারাই ধ্বংস হয়ে যাবে। তিনি বলেন, জামায়াতের নেতৃবৃন্দকেই জেলে পুরে সরকার ক্ষান্ত হবে না তারা ইসলামী আন্দোলনের সব নেতাকেই নির্যাতন করবে জুলুম করবে। সরকারকে গণতন্ত্রহরণকারী ভারত প্রেমী সরকার বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা ইসহাক বলেন, এখন আর সভা সেমিনার আর গোলটেবিলে আমাদের আলোচনা সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। ময়দানে আন্দোলনের কোন বিকল্প নেই। তিনি বলেন, আজ বিচার বিভাগের উপরও মানুষ আস্থা হারাচ্ছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


