বেপরোয়া ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। সন্ত্রাসী কর্মকা-, নিয়োগ সন্ত্রাস, টেন্ডারবাজি, দখল, চাঁদাবাজিসহ অভিযোগের শেষ নেই আওয়ামী লীগের এই দুই সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত চিত্র একই। ছাত্রলীগের সশস্ত্র তা-বে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিৰা প্রতিষ্ঠানগুলোর চিত্র অনেকটাই বেহাল। সামান্য কারণে সহকর্মীকে হত্যা করতেই কুণ্ঠাবোধ করছে না তারা। একের পর এক চলছে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড । অস্ত্রের মহড়া। নষ্ট হচ্ছে শিৰার পরিবেশ। এ কারণে ক্যাম্পাসে নিরাপদ বোধ করছে না সাধারণ শিৰার্থীরা। জুলাই ও আগস্ট মাসে দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সহস্রাধিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। নিহত হয়েছে ১০ জনের বেশি। সন্ত্রাসের কারণে পাঁচটিরও বেশি জেলায় স্থগিত করা হয়েছে নিয়োগ পরীৰা। অসহায় প্রশাসন। নিয়োগ নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের ওপর শুধু চাপ সৃষ্টি নয়; খাতাপত্রে আগুন, কর্মকর্তাদের ওপর হামলাসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র লুট করে নিয়ে যাচ্ছে সরকারদলীয় ক্যাডাররা। এর প্রেৰিতে পাবনা জেলা প্রশাসনের সকল কর্মকর্তা একযোগে বদলির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন! গত এক বছরে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরকারদলীয় লোকদের সঙ্গে টেন্ডারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিন শতাধিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গোয়েন্দা সংস্থা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সরকারদলীয় ৫০ টেন্ডারবাজ সিন্ডিকেটের তালিকা তৈরি করে প্রধানমন্ত্রীর হাতে দিয়েছেন। প্রাথমিক শিৰক নিয়োগ পরীৰার ফলাফল যথাসময়ে প্রকাশিত না হওয়ার কারণ একটিই দলীয় তদ্বির। একই কারণে স্বাস্থ্যসহ মাঠ পর্যায়ে সরকারী নিয়োগ প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে। নানা ইসু্যতে বিভিন্ন স্থানে কেন অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হচ্ছে এ নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, সরকারদলীয় সন্ত্রাসীদের তা-বের কারণে দেশে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। সুযোগ নিতে পারে তৃতীয় পৰ। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, বেকার সমস্যার সমাধান, মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল অর্জন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ সন্ত্রাসমুক্ত দেশ গড়তে সরকারের চ্যালেঞ্জ ব্যাহত হতে পারে। তাছাড়া টেন্ডার ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী কর্মকা-ের বিরম্নদ্ধে প্রধানমন্ত্রী কয়েকদফা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসছে না। তাই এসব অরাজকতা প্রতিরোধে আবারও সরকারের কঠোর হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন রাজনৈতিক বিশেস্নষকরা। দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর।
শিৰা প্রতিষ্ঠানগুলোর সাম্প্রতিক চিত্র চট্টগ্রামে ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঁচদিনব্যাপী আয়োজিত আনত্মর্জাতিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলন প-ের হুমকি দেয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। নানা ইসু্যকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে ১৮ সেপ্টেম্বর তালা ঝুলিয়ে দেয় তারা। পরে পুলিশ দিয়ে তালা ভেঙ্গে প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরম্ন হয়। এখানেই শেষ নয়, ছাত্রলীগের পাঁচ নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারসহ নয় জনের বিরম্নদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় কতর্ৃপৰের শাসত্মিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার প্রতিবাদে এক সেপ্টেম্বর ২৫ দিনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। ৩১ জুলাই ছাত্রলীগের অবরোধে অচল হয়ে পড়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি বিভাগ। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দু'পৰের সংঘর্ষের ঘটনায় ২২ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় কতর্ৃপৰ।
গত চার সেপ্টেম্বর রূপগঞ্জে ছাত্রলীগ ও মহিলা লীগের মধ্যে সংঘর্ষে ৩৫ জন আহত হয়। বাড়িতে-বাড়িতে হামলাসহ লুটপাটোর ঘটনা ঘটে। উপজেলার চনপাড়া বসত্মিতে মাদক ও জুয়ার ব্যবসার আধিপত্য বিসত্মারকে কেন্দ্র করে তিন ঘণ্টার বেশি সময় সংঘর্ষে পুরো এলাকা রণৰেত্রে পরিণত হয়। ১৫ আগস্ট রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ইফতারির কুপন সংগ্রহের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের কর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ছাত্র নাসরম্নলস্নাহ নাসিমকে মেরে আহত করে শাহ মখদুম হলের দোতলা থেকে ফেলে দেয়। আটদিন ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৩ আগস্ট অকালে মুতু্যর কোলে ঢলে পড়ে নাসিম। তদনত্মে এই ঘটনার নেপথ্যে যাদের নাম উঠে এসেছে তারা সবাই ছাত্রলীগের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতাকর্মী। ঘটনা তদনত্মের পর বিশ্ববিদ্যালয় কতর্ৃপৰ জহুরম্নল ইসলাম, লুৎফুর রহমান, জাহিদুল ইসলাম, তৌফিকুল ইসলাম, রম্নহুল আমিন ও মশিউর রহমানকে দায়ী করে তাদের বিরম্নদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করেছে। সর্বশেষ ৬ সেপ্টেম্বর অভিযুক্ত ছয় শিৰার্থীকে বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় কতর্ৃপৰ। জুলাই মাসের শেষ দিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এক ছাত্রকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে পায়ে পেরেক ঢুকিয়ে আহত করেছে রাজনৈতিক সহকর্মীরা। যাদের সকলের পরিচয় ছাত্রলীগ! ১২ জুলাই সিলেটে অভ্যনত্মরীণ কোন্দলে সংঘর্ষের ঘটনায় মারা য়ায় এমসি কলেজের ছাত্র ও ছাত্রলীগ কর্মী উদয়ন সিংহ পলাশ। উদয়ন হত্যাকা-ের ঘটনায় কলেজ কমিটি বাতিলসহ ১২ ছাত্রকে বহিষ্কার করা হয়। ১৮ আগস্ট ইফতারি ভাগাভাগি নিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দু'গ্রম্নপের সংঘর্ষে ১০ জনের বেশি আহত হয়। এ ঘটনায় ৪৫ জন ছাত্রকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় কতর্ৃপৰ। সেহরি খাওয়াকে কেন্দ্র করে ১৬ আগস্ট বরিশালের শেরেবাংলা মেডিক্যাল কলেজের তিন নম্বর হোস্টেলে ছাত্রলীগের দু'গ্রম্নপের সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়। এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গত দেড় বছরে ১১ শিৰক ছাত্রলীগের হাতে লাঞ্ছিত হলেও শাসত্মির আওতায় আসেনি একজনও। খেলার মাঠ নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণ ছাত্রদের সঙ্গে ছাত্রলীগের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে ১০ আগস্ট। ঘটনায় ১০ জনের বেশি আহত হয়। চার আগস্ট চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ধিত ফি প্রত্যাহারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগ ক্যাম্পাসে আন্দোলনের নামে তা-ব চালায়। আন্দোলনের মুখে কতর্ৃপৰ বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। ২২ জুলাই বিভিন্ন দাবিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ অবরোধ ও ভাংচুর করে। বরিশালে বিএম কলেজে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিন শিৰককে ১৮ জুলাই মারধরে করে ছাত্রলীগ কর্মীরা। বেপরোয়া ছাত্রলীগ নিয়ন্ত্রণে ১৩ জুলাই মৌলভীবাজার, দিনাজপুর, চাঁদপুর, বগুড়াসহ ময়মনসিংহের কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ পাঁচ জেলা কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। এদিকে ১৮ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বেতন ফি বাড়ানোর সিদ্ধানত্মের প্রতিবাদে ছাত্রলীগ তা-ব চালায়। ১২ জুলাই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের নেতারা ৫৭টি বাসের চাবি জোর করে নিয়ে যায়। আধিপত্য বিসত্মারকে কেন্দ্র করে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে আট জুলাই ছাত্রলীগের দু'গ্রম্নপে সংঘর্ষে ১৬ জন আহত হয়। চাঁদাবাজি ও জমির দখল নিয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫ জুলাই ছাত্রলীগের দু'গ্রম্নপের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে গুলিবিদ্ধ ও সংঘর্ষে আহত হয় অর্ধশত শিৰার্থী। গত ১৯ মাসে একই বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের মধ্যে প্রায় ৬০টি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এক জুলাই দিনাজপুরের হাজী দানেশ বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৫ জন ছাত্রের বহিষ্কারাদেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে ৬০ জন আহত হয়। এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত ছিল ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরাও। ২৭ জুন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়। ২২ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের ২৫ নেতাকর্মীকে পিটিয়ে আহত করে ছাত্রলীগ। ১৭ জুলাই গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দু'গ্রম্নপের সংঘর্ষে ৫০ জনের বেশি আহত হয়। সাত জুলাই ছাত্রলীগের সংঘর্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়। আধিপত্য বিসত্মারকে কেন্দ্র করে ২৪ জুলাই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দু'গ্রম্নপের সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়। ১৭ জুলাই ঢাবিতে ছাত্রলীগের দু'পৰের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে টিএসসিতে ঢুকতে দেয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে। লিচু খাওয়াকে কেন্দ্র করে দিনাজপুরের হাজী দানেশ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দু'গ্রম্নপের সংঘর্ষে ১২ জনের বেশি আহত হয়। ছাত্রলীগের হামলায় সিলেট পলিটেকনিক ১৫ জুলাই রণৰেত্রে পরিণত হয়। মে মাসে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা কোতোয়ালি থানার এক পুলিশ কর্মকর্তার ওপর হামলা চালায়।
নিয়োগ সন্ত্রাস চলতি সপ্তাহে পঞ্চগড় ও পটুয়াখালীতে সিভিল সার্জন অফিসে আওয়ামী লীগ কর্মীরা হামলা ও ভাংচুর করে পরীৰার খাতা লুট করে নিয়ে যায়। যশোর ও পিরোজপুরে নিয়োগ পরীৰা স্থগিত করা হয়। এছাড়া যশোর, নীলফামারী, শরীয়তপুরসহ বিভিন্ন স্থানে একই ঘটনা ঘটে। ২০ সেপ্টেম্বর পঞ্চগড়ে সিভিল সার্জন কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে নিয়োগ পরীৰার উত্তরপত্রসহ ফলাফলের কাগজ লুট করে নিয়ে যায় ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। তেমনি পাবনাতেও ঘটে এমন ঘটনা। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে এক পর্যায়ে জেহাদ ঘোষণা করে স্থানীয় প্রশাসন। স্থানীয় ছাত্রলীগ, যুবলীগের কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ হয়ে প্রাশসনের পৰ থেকে ঘোষণা দেয়া হয় সন্ত্রাসী যে দলেরই হোক কঠোর হসত্মে তাদের দমন করা হবে। সেই সঙ্গে জেলা প্রশাসনের সকল কর্মকর্তা একযোগে বদলি হওয়ার সিদ্ধানত্ম নেন। নিয়োগ পরীৰার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ১৮ সেপ্টেম্বর পাবনায় জেলা প্রশাসকের অপসারণের দাবিতে শহরে মিছিল করে ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এর আগে ১৭ সেপ্টেম্বর ছাত্রলীগ ও যুবলীগের হামলায় ডিসি অফিসের কর্মচারী নিয়োগ পরীৰা ভ-ুল হয়। ৬ আগস্ট হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে ছাত্রলীগ নেতারা দুই চিকিৎসককে পিটিয়ে আহত করে।
টেন্ডার কেলেঙ্কারি ॥ ১৮ আগস্ট সাত কোটি টাকার টেন্ডার নিয়ে ভোলায় আওয়ামী লীগের দু'গ্রম্নপে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ভেড়ামারায় বিদু্যত কেন্দ্র নির্মাণে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের বাধা। রংপুর মেডিক্যাল কলেজে ২৬ মে টেন্ডারের কাগজপত্র ছিনিয়ে নেয় যুবলীগ কর্মীরা। সরকার দলীয় সন্ত্রাসীদের কারণে পুলিশ প্রহরায় রাজধানীর ডেমরায় রাসত্মার কাজ করতে হয়েছে মে মাসে। এছাড়া সরকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের টেন্ডারবাজির সঙ্গে জড়িতদের তালিকা তৈরি করেছে গোয়েন্দা সংস্থা। শীর্ষ ৫০ টেন্ডারবাজ চক্রের তালিকা ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে পেঁৗছে দেয়া হয়েছে। মে মাসে মেহেরপুরে টেন্ডারবাজির ঘটনাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের মধ্যে বোমাবাজির ঘটনা ঘটে। এপ্রিল মাসে ঢাকা সিটি করপোরেশনে সাত কোটি টাকার টেন্ডার নিয়ে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দিলে ভাগাভাগি করে কাজ দেয়া হয়। বর্তমান সরকার ৰমতায় আসার পর খোদ ডিসিসিতেই টেন্ডারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কয়েকদফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া চলতি বছর টেন্ডারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সারাদেশে তিন শতাধিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে সরকারদলীয় সন্ত্রাসীদের মধ্যে। প্রধানমন্ত্রী নিজে টেন্ডারবাজি প্রতিরোধে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ই-টেন্ডার পদ্ধতি চালুর উদ্যোগ নেয়। এর পরও পরিস্থিতির তেমন কোন উন্নতি নেই। এছাড়া গুলি ভাংচুরে ২৫ জুলাই কঙ্বাজারের জেলা ছাত্রলীগের কাউন্সিল প- হয়। এর আগে বরিশালে ঘটে একই ঘটনা। কুড়িগ্রামে ২৬ জুলাই যুবলীগ কর্মী উজ্জ্বলের হাত কেটে নেয়ার অভিযোগ ছাত্রলীগের বিরম্নদ্ধে। সারাদেশে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের বিরম্নদ্ধে নানা অপকর্মের অভিযোগের কমতি নেই।http://www.dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=15&dd=2010-09-23&ni=34037

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


