এর আগে তার আয়ারল্যান্ডে ফটোশেষন নিয়ে দারুন উৎসাহ ছিল সবার। তার আয়ারল্যান্ড অভিযান নিয়ে ওয়েবসাইট খোলা হয়। ফটোসেশনে অংশনিতে আগ্রহী মানুষদের ইমেইলে ও বাস্তবে আবেদন করতে বলা হয়। মানুষের কাছ থেকে বিপুল সাড়া মেলে, তাতে অনেকের আবেদন গ্রহনই করা হয় নি, আবেদন করার নির্দিষ্ট মেয়াদ পেরিয়ে যাবার পর আবেদন করায়। এর আগে সারা পৃথিবী ঘুরে ন্যুড ফটোগ্রাফী করে বেড়ানো স্পেনসারের কর্কে প্রথম আইরিশ ফটোসেশনে অংশ নেয় এক হাজারেরও বেশী ভলান্টিয়ার। এক হাজারেরও বেশী পুরুষ ও নারী তাদের শরীরের সমস্ত পোষাক এমনকি সমস্ত অর্নামেন্টসও খুলে সম্পুর্ন নগ্ন হয়ে ব্লার্নি ক্যাসলে স্পেনসারের কথা মত পোজ দেন। ব্লার্নি তা নানা ভাবে ক্যামেরা বন্দী করেন।
ডাবলিনের ফটোসেশনে অংশ নেন ২৫০০ মানুষ।
এর আগে স্পেনসান নিউইয়র্ক, মেক্সিকো,আমষ্টার্ডাম,বার্সেলনা, লন্ডন,রোম সহ নানা শহরে ২০ থেকে ১৮০০০ মানুষের অংশগ্রহনে এমন ন্যুড ফটোসেশন সম্পন্য করেন। মেক্সিকোতে তার ফটোসেশনে ১৮০০০ মানুষ অংশ নিয়েছিল।
কর্কের ফটোসেশনে অংশ নেয়া নারীপুরুষরা অংশ নেবার আগে তাদের আবেগ বর্ননায় একে রোমাঞ্চকর বা ব্যতিক্রমি অভিজ্ঞতা বলে উল্লেখ করেন। একজন আবার বলেন- আমরা কেউ কারও দিকে তাকাইনি..শুধু অভিজ্ঞতাটা নিয়ে রোমাঞ্চিত হচ্ছিলাম। বেশীরভাগ সাধারন মানুষ বৈচিত্রের আশায় এতে যোগ দেন। সববয়সীদের অংশগ্রহন ছিল এতে। এরা অনেকেই একই এলাকা থেকে এসেছেন। একে অন্যের সাথে পরিচিত হয়ত। কিন্তু ফটোসেশন একসাথেই করেছেন।
এই ফটোসেশনটিয়ে আপনারা কি ভাবছেন একটু জানাবেন কি। আমি অনেক আগ্রহ নিয়ে সবার মতামত জানার জন্য বসে আছি। কর্ক আমার থেকে অনেকখানি দুরে। কিন্তু ডাবলিন ডকইয়ার্ড বাড়ির কাছেই ছিল। ভেবেছিলাম গিয়ে দেখে আসব ঘটনা দেখতে কেমন লাগে। কিন্তু স্পেনসারের এই ফটোসেশনটিতে অংশগ্রহনকারী ছাড়া অন্য কারও যাওয়া সহজ ছিল না।
কর্ক সেশনের ভিডিও দেখুন নিচের লিংকে
Click This Link
পত্রিকার খবর দেখুন নিচের লিংকে
Click This Link
(অবান্তর মন্তব্যঃ আমি ভাবছি স্পেনসাররের এই ফটোগ্রাফী নিয়ে কি বলব। একে যদি শিল্প বলা হয়, তাহলে ধরে নিচ্ছি শিল্প কি জিনিস তা সম্মন্ধে আমার কোন ধারনা নেই আর আমি শিল্পসম্মত লোক এখনও হতে পারিনি। )
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে জুন, ২০০৮ রাত ৩:৩০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

