আমার প্রিয় পোস্ট

সাধারন , অসাধারন আর অস্বাভাবিক এর মাঝে পার্থক্য কি নানা কারনে এর উত্তরটা বড় গোলমেলে লাগে।

''কুউউ..'' ................(গল্প)

০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:১০

শেয়ার করুন:                   Facebook

এক,

কুউউ...!

তীক্ষ হইসেল বাজিয়ে সবেগে ছুটে চলে সবুজ ট্রেন। বাকঁ খেয়ে ছুটে চলা ট্রেনের কোচগুলোর মৃদু ঝাকি খাওয়া ধীর করে দেয় যাত্রীদের মস্তিস্কের নিউরন সেলের ছুটে চলার গতি, বিদ্যুৎতরঙ্গ।
রাতটা বড় বেশী নিঝুম। তাই আশেপাশে ট্রেনের শব্দ ছাড়া আর কোন শব্দ স্পষ্ট হয়ে ওঠে না। জানালা দিয়ে চারিদিকে তাকালে ঘুটঘুটে অন্ধকার ছাড়া আর কিছুই দেখার সাধ্য নেই কারও। তবু পুর্নিমার দিনে চাঁদ সঙ্গী হয়। আজ তাও নেই। আজ তাই আলো জ্বালানো ট্রেনটার একমাত্র পথের সঙ্গী অন্ধকার। অন্ধকারের সাথে কারও সখ্যতা নেই, তাই ট্রেনের যাত্রীরা প্রায় সবাই ডুবে গেছে ঘুমের অতলে। কেউ কেউ রিডিং লাইটে বইয়ের পাতায় চোখ রাখার ব্যর্থ চেষ্টা শেষে খোলাবই সামনে রেখেই ঝিমুচ্ছে কারও কানে দুর্বলভাবে গান শোনাচ্ছে ক্ষয়ে যাওয়া ওয়াকম্যান, মিউজিকপ্লেয়ার। আবার কেউ কেউ পাশের ভদ্রলোকের নাকডাকার বিকট শব্দকে বাধ্য হয়েই সঙ্গীত ভেবে নিয়ে সেই সুরে ঘুমুচ্ছে। সবাই ঘুমে, ট্রেনের এটেনডেন্টরা তাদের নির্দিষ্ট বিছানায় হাতপা লম্বা করে, বুটপালিশওয়ালা আর হকাররা ট্রেনের টয়লেটের দরোজায় হেলান দিয়ে, র্ফাষ্টক্লাস বার্থে যাত্রীরা স্লিপিংগাউন গায়ে জড়িয়ে সটান ঘুমুচ্ছে। কেবল ট্রেনের ড্রাইভার জেগে। তার জেগে থাকাই নিশ্চিত করে অন্য সবার আরামপ্রদ ঘুম।
ট্রেনটা হয়ত এসে গেছে কোন ষ্টেশনের আশেপাশে। কমে গেল এর গতি। ঘটঘট ঘটাং শব্দটা এখন বিরক্তিকর। তবু ঘুম ভাঙল না কারও। তীক্ষ আরেকটা অপ্রয়োজনীয় হুইসেল দিল ড্রাইভার। এই ষ্টেশনে ট্রেনটা থামে না।তাই কারও মাঝে জেগে ওঠার তাড়নাও দেখা দেয় না। শুধুমাত্র একজন জেড়ে ওঠে সবদিন। এই ট্রেনের প্রায় নিয়মিত যাত্রী ভদ্রলোক। প্রত্যেক মাসেই দুতিনবার অফিস ট্যুরে এদিকে যান তিনি।রাতে। তার প্রতিনিয়তের অভ্যাস এ ষ্টেশনের সামনে এসে জেগে ওঠা। আজও উঠলেন। নেই, এই মুহুর্তে তার চোখে কোন ঘুম নেই। শোভন চেয়ারের আরামদায়ক গদি থেকে পিঠ উঠিয়ে সবেগে জানালা খুলতে চান তিনি। দেখতে চান এটাই কি সেই জায়গা, যেখানে প্রতিবার তার ঘুম ভাঙ্গে। শব্দ করে জানালা খুলে ফেলেন তিনি। পাশের যাত্রীর ঘুমন্ত চোখ আর ভুরু কুঁচকে যায় বিরক্তীতে। ঠান্ডা হাওয়াই কুঁচকে যায় ত্বক। জানালা খুলে ফেলা ভদ্রলোক গলা বাড়িয়ে দেন জানালার বাইরে, দেখতে চান কিছু একটা, যা তিনি দেখেন প্রতিবার। খুজঁতে থাকেন। খুজঁতে থাকেন। সহসা চোখে পড়ে ষ্টেশনের নাম লেখা ইট পাথরের স্তম্ভটাকে।

ষ্টেশনটার নাম এখন আর পড়া যায় না দিনের আলোতেও। দিনের আলোতে দেখলেও ষ্টেশনটার অস্তিত্বপ্রমান করাই কষ্টকর বেশ। এটি এখন পরিত্যক্ত। কিন্তু একটা সময় লোকে গমগম করত এর আশপাশ। ষ্টেশনটাকে ঘিরে জমে উঠত বাজার। মানুষের কোলাহল। আনন্দবেদনার উপাখ্যান। কত মানুষের স্মৃতিজড়ানো ষ্টেশনটাতে। প্রতিটা ট্রেন এখানে থামত কোলাহলের সঙ্গী হতে। ষ্টেশনটা মিশে যেত যেন ষ্টেশনের মানুষে। মানুষরা মিশে যেত ট্রেনে। চলে যেত দুরে, দুরান্তে। আসতও। অথচ এখন এর দীনহীন অবস্থা। কেউ ভুলেও মাড়ায় না এ পথ।
একবার এক বড়কর্তা যাচ্ছিলেন এ পথ ধরে। ষ্টেশনে থামল ট্রেন। কিভাবে জানি ঘটে গেল একটা অঘটন। দাদীনানীর মুখে শোনে আজকের বাচ্চারা, দুতিনজন লোক নিজেদের ভেতরকার মারামারি ছড়িয়ে দিয়েছিল ট্রেনেও। খুনোখুনি হয়ে যায়। এমনকি ওই বড়কর্তার উপরেও ওঠে হাত। ব্যস, ট্রেন থামা বন্ধ ষ্টেশনটাতে। ধীরে ধীরে একটা উজ্জল ষ্টেশনের মৃত্যু। তার সাথে বিলুপ্তি কোলাহলেরও। আজকাল এই অন্ধকার কোন হাতরায় না কেউ। এর ঝোপঝাড়ে সাপখোপের আস্তানা। পলেস্তারা খসা লালঘরে মানুষের পা পড়ে না। নাহ্, পড়ে। এক অদ্ভুত বুড়ি অনেকদিন ধরে আছে এখানে, নিভৃতে।

ট্রেন ছাড়িয়ে যায় ষ্টেশন। ভদ্রলোকের ভাবনা জুড়ে আসতে চায় অনেক কিছু অথচ আসে ঘুম। আবার ঘুমে তলিয়ে যান ভদ্রলোক। ঘুমায় পুরো ট্রেন। ছুটে চলে লাইন ধরে, সমান্তরাল। ছুটে চলে আরেকজন ট্রেনের পিছু পিছু। লালঘরে বাস করা লালচোখের, এলোচুলের জটপাকানো বুড়ি, এখনও কি শক্তি তার গায়ে প্রানপনে ছুটে চলে ট্রেনের পিছু পিছু। পাথরে লেগে আঘাতপ্রাপ্ত হয় তার মলিন পা'জোড়া। ওদিক খেয়াল নেই বুড়ির। প্রতিদিনই ট্রেনের পিছু দৌড়ায় বুড়ি। ট্রেনের গতি বেড়ে যায়। দ্রুত অগ্রসরমান সাপের মত কিলবিল করতে করতে চোখের আড়াল হতে যায় ট্রেন। মুখ থুবরে পড়ে বুড়ি। গতদিনের অল্প শুকিয়ে আসা ক্ষতে আবারও আঘাত লেগে ছিলকে বেরোয় রক্ত। মুখটাও হয়ে যায় চোখের মত রঙীন। লাইনে পড়ে থাকে বুড়ি। পড়ে ঘুমায়। সে ঘুম আর ভাঙে না, সকাল হবার আগে।


দুই,

ভোরের সুর্য চোখে মুখে লাগতেই ঘুম টুটে যায় ছোট্টছেলের। এটা তার নিত্যদিনকার অভ্যাস। বিছানার পাশের জানালাটা ঘুম থেকে জেগেই খুলে দেন মা। ছেলের ঘুম ভাঙাতে এটাই যথেষ্ট। আজ ঘুম ছেড়ে ব্যস্ত দিন কাটবে তার। ছেলে যাবে বাবাকে খুজঁতে। নিজের স্বামীর প্রতি মহা বিরক্ত তিনি। আর বিরক্ত ঘরের পাশ দিয়ে বয়ে চলা সবুজ ট্রেনগুলোর প্রতি। সেইযে মাস আগে তার স্বামী এই ট্রেনের বুকে চড়ে শহরে গেলেন আর তার ফেরার নাম নেই কেন? শহরে কি এতই চাকচিক্য, মোহ! যে তার নির্লোভ স্বচ্ছ ভালবাসা, ঘাসের কচিপাতার উপর শিশু শিশিরকনার আলোর খেলার মত তার ছোট্টছেলের হাসিও এর কাছে নিঃস্ব?
অগত্যা তাই সিদ্ধান্ত বাপতে খুজঁতে ছেলেকে যেতেই হবে শহরে। সাত থেকে আটে পড়েছে ছেলে। নিজের নামটা, ওর জন্মদাতা বাপের নামটা, ওর মাতৃভুমি গ্রামের নামটা বলতে পারে সাবলীলভাবেই। শহরে ওর বাপ যে ঠিকানায় গেছে সে ঠিকানাটা গুটগুটে হাতে লিখতেও জানে। আর শহর কি এতই জটিল যে স্পষ্ট ঠিকানা খুজে পাবে না। আর ওর সাথে তো পাশের গায়ের মন্টুর বাপ থাকবেই। মায়ের আর চিন্তা কিসের?
ওদের যাত্রার সময় হয়ে এল বলে। আকাশপাতাল চিন্তা করে আর সময় নষ্ট করেন না তিনি। তাগাদা ছেলেকে , 'ওঠ অন্তু....।'

কাপাঁ কাপাঁ পায়ে ট্রেনে চেপে বসে অন্তু। ডানহাত দিয়ে চেপে ধরে রাখে পাশের গায়ের কেরামত চাচার হাত। সেই ছাড়ে না শহরে প‌ৌছেও। শহর কি বিপুল চাকচিক্যের । ষ্টেশনে নেমেই হতবাক ছোট্ট অন্তু! এত বিশাল জংশন, এত মানুষজন, এত ব্যস্ততা, ছোটাছুটি, হারিয়ে যেতে পারে যে কেউ। এই কথাটা যখন মনে আসে তখন অন্তু তার ডানহাতের শেষপ্রান্তে কেরামত চাচাকে আর পেল না। অন্তুর উজ্জল মুখে অসহায়ত্বের ছায়া আসতে সময় লাগে না একটুও। চোখ দিয়ে জল বেড়িয়ে আসার আগেই বুঝতে পারে শহরের অসহ্য ভীরে মিশে গেছে সেও। এই জনারণ্য ভীর তাকে কোথায় নিয়ে যাবে তা ও জানে না।

জীবনের অনেক দীর্ঘপথ পাড়ি দিয়ে সেদিনের সেই ছোট্ট অন্তু এখনও জানে না সে কোথায় চলেছে। বড় চাকরি এখন তার। মাসশেষে মোটা বেতন। ছিমছাম ঘরে একটা মিষ্টি বউ আর ফুটফুটে ছেলে। ছেলেটার দিকে তাকালেই হিংসে হয় তার, বাপ হয়েও। ওর তো কি সুখ! বাবামা সারাক্ষন তার পাশে পাশে থাকে। কিন্তু ওর বাবাযে নিজের বাবামাকে সেই শৈশবেই হারিয়ে বসেছে সে তো আর তার জানার কথা নয়। বাবা মা না থাকার কষ্টটা এখনও তাড়িয়ে বেড়ায় জুয়েলকে। তার এখনকার জীবনটা এত সুখ আর স্বাচ্ছন্দের। তবু মনে হয় ছোট্টবেলায় তার সেই উচ্ছল জীবন, মিষ্টি নাম অন্তু, সেসবই ভাল। বাবা মার চেহারাটা আর মনে আসে না। কেরামত চাচার মুখটা চোখে ভাসে। আর চোখে ভাসে সেই দিনের কথা। সেদিন ষ্টেশনে ভীরের মাঝে কিভাবে যে ছুটে গেল হাতটা। স্পষ্ট চোখে ভাসে সেসব দৃশ্য। চোখে ভাসে সবুজ গ্রামের দিগন্তবিস্তুত মাঠে নিজেরও ছুটন্ত পাজোড়ার ছবি। একটা লালঘর। তার সামনের রেললাইনে দৈত্যগাড়ির ছুটে চলা অবিরত। নিজেদের ছোট্টঘরে নির্জনে, নিঃশব্দে ঘুম। স্নিগ্ধ সকালে চোখে আলোলাগা মায়ের ডাক।
'ওঠ অন্তু...'
জোর করে মায়ের দিকে তাকতে চায় সবকটা অর্ন্তচক্ষু। কিন্তু মায়ের ছবিটা যে মনে ভাসে না। অব্যক্ত এক যন্ত্রনা ঝাপটা দিয়ে আসে মনে। কিলবিল করে বাড়ে দুঃখবোধ। উফ! গ্রামের নামটাও যদি মনে হত। সেই ষ্টেশনের ধারের ছোট্টগ্রাম। ষ্টেশনটার নাম ফলকে লেখা থাকত। কী যেন নামটা।
কি নাম? কি নাম?...কি নাম...??
চিৎকার করে ওঠে জুয়েল। ধরফর করে উঠে বসে। পাশে শোয়া স্ত্রী ও ওঠে বসে। ঘেমে একাকার বড়অন্তু। বিছানার পাশের টেবিলের উপর রাখা প্লেটেঢাকা গ্লাস থেকে একঢোকে সবটুকু পানি গটগট করে খেয়েও হাপায় অসুস্থ রোগীর মত। অসহায় চোখে তাকায় স্ত্রীর সিকে।
-'আবার দেখলে স্বপ্নটা?'কেন নিজের অতীত নিয়ে এতটা ভাব? আমি, আমরাই কি তোমার সব না?' নরম কন্ঠে বলে ওর অস্থির সময়ের বন্ধু।
নিজের স্ত্রীর কোমল কন্ঠ হৃদয়ে দাগ কেটে যায়। চোখ জল আসে, আটকে রাখতে পারে না। গভীর রাতে এই ভেসে আসা জলে বাধা দেয় তারই সন্তানের মা।
'ছি: কাদোঁ কেন? এখন যদি খোকন ওটে পড়ে?' পাশে শোয়া ছোট্ট ছেলেকে দেখিয়ে বলে জুয়েলের স্ত্রী।' তবে কি লজ্জার কান্ডই না হবে। ও জিজ্ঞেস করবে, বাবা কাদেঁ কেন? বাবা কি লজেন্স খাবে?' হেসে হালকা করতে চায় স্বামীর মন।' ঘুমাও তো এখন, কাল সকালে না ট্যুর আবার।'




তিন,


অনেকদিন আগে এক বিকেলে নাম ভুলে যাওয়া গ্রামে স্নেহময়ী মায়ের কাছে হাজির হয় পাশের গাঁয়ের মন্টুর বাপ কেরামত আলী। জানায় করুন কাহিনী। কি ভাবে জানি ষ্টেশনে ভীরের মধ্যে হারিয়ে গেছে অন্তু।
ভালবাসার স্বামীর সাথে সাথে এখন সোনার টুকরাো ছেলেও হারিয়ে গেছে? মাথায় আক্ষরিক অর্থেই আকাশ ভেঙে পড়ে তার উপর। চিৎকার দিয়ে ছুটতে থাকেন তিনি। ছুটতেই থাকেন বাড়ির পাশে ষ্টেশনের বারান্দা ছুয়ে রেললাইন ধরে। তার এই ছোটা আজও থামেনি। সেই ষ্টেশনে আগে ট্রেন থামলেই যাত্রীরা পাগলীর অত্যাচার সইত। ট্রেনে ওঠে ছেলেকে, স্বামীকে খুজঁত পাগলী। এখন ট্রেন থামে না। পাগলী এখন থ্থুরে বুড়ি।তবু শেষ বয়সে এসেও ছুটে চলা ট্রেনের পিছনে সমস্ত শক্তি এক করে ছুটতে থাকে বুড়ি। মুখ থুবড়ে পড়ে একসময়। পাথরে ঘসা লেগে উঠে যায় হাত পা মুখের চামড়া। তবু ক্ষান্ত দেয়না পাগলী বুড়ি। তবুও ছুটে।
এই ষ্টেশনের মৃত্যুর সাথে গ্রামের ও মৃত্যু হয়েছে। এখন এখানে কেউ থাকেনা। মৃত গাঁয়ের পাশের গাঁয়ের লোকেরা বেশ কবার এখান থেকে বুড়িকে সরিয়ে নিতে চেয়েছিল। বুড়ি যায় নি।
বুড়ি অপেক্ষা করে আছে তার স্বামীর জন্য, ছেলের জন্য।



চার,

গভীর রাত। ট্রেনের সবাই ঘুমে নিমজ্জিত। মুল ষ্টেশন থেকে ছাড়ার পর একবারও থামেনি ট্রেন। ঘন্টা তিনেকের পথ পেরিয়ে এসেছে। চারিদিকে শুনশান পরিবেশ। শুধুই ট্রেনের ঝিকঝিকঝিক শব্দ।

এসে পড়েছে ট্রেনটা নামফলক মুছে যাওয়া মৃত ষ্টেশনের কাছাকাছি। চোখ উজ্জল হয়ে ওঠে পাগলী বুড়ির সেই শব্দ শুনে। তার স্বামী এসেছে। তার ছেলে এসেছে ট্রেনে চেপে। উঠে দাড়ায় সে। প্রতিবার ট্রেনটা চলে যায় তাকে ফেলে, ফাঁকি দিয়ে। এবার নিশ্চই থামবে। ট্রেন থামে না। ছুটে পেরিয়ে যায়। দৌড়াতে থাকেন বৃদ্ধা, সজল চোখে।

কুউউ....।

ট্রেনের হুইসেল অন্তর ভেদ করে যায় অস্থির ভদ্রলোকের। এই কি সেই জায়গা? এই্ কি সেই জায়গা...? ফিসফিস করে বলে মাত্র জেগে ওঠা বড়অন্তু জুয়েল রহমান। অস্থির হয়ে জানালা খুলে বাইরে মুখ বাড়িয়ে দেখতে চায় কিছু একটা।

বাইরে শুধুই নিকষ কালো অন্ধকার। আর কিছুই চোখে পড়ে না।


 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): গল্পbangla short story ;
প্রকাশ করা হয়েছে: গল্প  বিভাগে ।

 

  • ১৬৭ টি মন্তব্য
  • ৮৬৮ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৩৭ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:১৯
comment by: সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন: পড়তেছি........:)
০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:০৮

লেখক বলেছেন: :)

২. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:২৫
comment by: শেরিফ আল সায়ার বলেছেন: এতো অসাধারন গল্প!!! অসাধারন।

শুভেচ্ছা রইলো।
০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:০৮

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ।
আপনাকেও শুভেচ্ছা।

৩. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:২৭
comment by: রামীম গিফরান বলেছেন: নতুন বিন্যাস আছে গল্পটিতে।
১০ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:৩২

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

৪. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:২৮
comment by: চিটি (হামিদা আখতার) বলেছেন: একটানে পুরাটা পড়ে নিলাম। অসাধারণ লিখেছেন রন্টি!!
বুড়ির জন্য খুব মায়া লাগছে, ছেলে ফিরে এসে মা'কে খুঁজে পেল কিনা তা এক ধাঁধার মাঝে রেখেছেন????...............
সরাসরি প্রিয়তে নিয়ে নিলাম।

আশাকরি ভালো আছেন?
শুভেচ্ছা থাকলো
১০ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:৩৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

ধাঁধাঁ কই। সবার হাতেই তো রইল সমাধান। অন্তু তো ওই জায়গায় বাইরে তাকায়ই ব্যকুল হয়ে। কোন না কোনদিন নিশ্চই ইমার্জেন্সী চেন টান দিবেই...

ভাল থাকবেন।

৫. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:৩১
comment by: রুধীণ বলেছেন:
একটা রেল গাড়ির আত্মকাহিনী মনে হচ্ছে। যে কিনা কিছু মর্ম স্পর্শী ঘটনার নীরব স্বাক্ষী।

ভালো লাগলো।

ট্রেন আমার প্রিয় একটি যান।
১০ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:২৫

লেখক বলেছেন: বাংলাদেশের ট্রেন আমারও সবচেয়ে প্রিয় যান।

৬. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:৩২
comment by: সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন: অসাধারণ রন্টি.............।খুব ভালো লিখেছো...
মন ছুঁয়ে গেলো।
অনেক ভালো থেকো।লিখতে থাকো।
শুভেচ্ছা।
১০ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৫:০০

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
তুমি অনেক উৎসাহ দাও বলেই এ লেখাটা টাইপ করতে পেরেছি।
কৃতজ্ঞতা তোমার প্রতি।

৭. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:৩৩
comment by: চাঙ্কু বলেছেন: অনেক ভাল লাগল রন্টি ভাই । আপনি কি ভালুবাসার হাওয়া খাইছেন নাকি ,যার জন্য এই চমৎকার লেখা বের হল :D

শহরে কি এতই চাকচিক্য, মোহ! যে তার নির্লোভ স্বচ্ছ ভালবাসা, ঘাসের কচিপাতার উপর শিশু শিশিরকনার আলোর খেলার মত তার ছোট্টছেলের হাসিও এর কাছে নিঃস্ব?

সেইরম ভাল লাগছে ।

ভাল থাকবেন ।
১০ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৬:৫১

লেখক বলেছেন: লেখাটা তো অনেক আগের লিখা। নতুন না। মো হাওয়ার কোন ব্যাপার নাই ;)

ধন্যবাদ।

৮. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:৩৬
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: ছেলেবেলার শেষাংশে ট্রেনের প্রতি প্রেম জেগেছিল। ট্রেনে চড়তে খুব পছন্দ করতাম তা যদিও বাসের চেয়ে অনেক স্লো ছিল। এবং সার্ভিস নিম্নমানের। তখনই ট্রেন নিয়ে মাথায় অনেক কিছু আসত। প্রায় সময়ই রাতের বেলা ট্রেনজার্ণি পড়ত। একএকটা জার্নি একএকটা স্বপ্নের মত লাগত। রাতের ষ্টেশন। ট্রেনের গতি স্লথ হওয়া। কোন ষ্টেশনে থেমে চা খাওয়া, পরোটা ডিম খাওয়া। রাতের ট্রেনে হেটে ঘুমন্ত মানুষের মুখ দেখা এসবই অনেক আনন্দ দিত।

এই গল্পটি তখনই লিখা। তবে এটি এমন কেন হল জানি না।
৯. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:৪০
comment by: মাহিরাহি বলেছেন: ভালো লাগল
১০ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:১৪

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।

১০. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:৪১
comment by: ঘাসফুল বলেছেন: অসাধারন লাগলোরে ভাই .......
১০ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:১৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১১. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:৫৩
comment by: তানজু রাহমান বলেছেন: স্কেচটা সুন্দর লাগলো :)
১০ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:১৫

লেখক বলেছেন: গল্পটা? :)

১২. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:৫৫
comment by: রুখসানা তাজীন বলেছেন: অর্ধেক পড়েছি। পুরোটা শেষ করে মন্তব্য করব।
১০ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:১৮

লেখক বলেছেন: পুরোটা পড়লেন না কেন? :(

১৩. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:৫৫
comment by: শান্তির দেবদূত বলেছেন: এতভালো লেখেন কিভাবে ?

..... খুব কষ্ট পেলাম :( ..... মন খারাপ হলো অদ্ভুত বুড়ির জন্য :(..... কিছু কিছু মানুষ সারা জীবন ধরে শুধু কষ্টই পেয়ে যায় :( ........
১০ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৮:৩১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
আপনি বাড়িয়ে বলেছেন। :)

শুভেচ্ছা।

১৪. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:০২
comment by: দূরন্ত বলেছেন: একটানে পড়লাম। খুব খুব ভালো হয়েছে।
শুভেচ্ছা রইলো।
১১ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৫৭

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ এবং ফর্মাল শুভেচ্ছা :)

১৫. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:১৪
comment by: বিডি আইডল বলেছেন: ভালো লাগলো।
১১ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:৪২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৬. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:৩৯
comment by: মমমম১২ বলেছেন: খুব সুন্দর লিখেছেন।খুবই ভালো লেগেছে।
১১ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:৪৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

১৭. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:৪৬
comment by: রাতিফ বলেছেন: রন্টি ভাই, গল্পের বর্ননা সুন্দর লাগছে, গল্পটাও বেশ, তবে এই গল্পের প্রেক্ষাপটের সাথে কিছু আগে চ্যানেল ওয়ানে প্রাচারিত একটা নাটকের প্রচুর মিল দেখলাম, সেখানে অবশ্য নায়ককে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে তার মার কাছ থেকে সরিয়ে নেয়া হয়, পরে বয়সকালে সে তার মায়ের সন্ধানে বেরিয়ে পড়ে একসময়.......যাই হোক মিলটা কাকতালীয়ই বলা যায়।


ভালো থাকুন।
১১ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:৪৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রাতিফ।

আসলে এ গল্পের মুল থিম তো মাকে হারানো বা খুজে বের করা না। যে বিষয়টা মুল হয়ে এসেছে তা হল বুড়ি মায়ের পাগল হয়ে এতদিন ধরে রেললাইন ধরে ছোটা আর ছেলের একই পথ দিয়ে যেতে যেতে একই জায়গায় এসে ব্যাকুল হওয়া।

তুমিও ভাল থেকো।
শুভেচ্ছা।

১৮. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:০৯
comment by: ফেরারী পাখি বলেছেন: দুবার পড়লাম। এই আকালে এমন মন খারাপ করা লেখাটা ঠিক হয়নি। কি হতো বুড়ির আর জুয়েলের কষ্ট টাকে মিলিয়ে দিলে? কি লাভ হলো, বুড়িকে এমন কষ্টে রেখে? কিম্বা জুয়েল কে?

আরেকটা পর্ব লিখুন যেখানে থাকবে আপনার এই সাধারন শব্দ দিয়ে তৈরী অসাধারন লেখা এবং বুড়ির কোল জুড়ে থাকবে তার সন্তানের সন্তান।বুড়িকে কেউ আর পাগলী বলবে না।

ধন্যবাদ আপনাকে।
১১ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:৪৭

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

কল্পনার লাগাম তো পাঠকের হাতেই থাকল। পাঠক তো ইচ্ছে করলেই বৃদ্ধাকে মিলিয়ে দিতে পারছেন তার ছেলের সাথে। ট্রেনে যথারীতি অন্তুর ঘুম ভাঙছে..সে বুঝতে পারছে কোন একটা নির্দিষ্ট কারনে সে ব্যাকুল হয় এখানে আসলে, একদিন ইমার্জেন্সি চেন টান দিয়ে ট্রেন থেকে নেমে পড়লেই তো হয় :)
তারপর নাতি কোলে নেয়া তো সময়ের ব্যাপার।

১৯. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:৫০
comment by: রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: রিয়াজ শাহেদের সেই প্রবাদতুল্য মন্তব্য- "রন্টিদা ভালো"।

কিন্তু ইদানিং দেখছি ব্লগের গল্পগুলোতে তেমন চমক থাকছেনা, ভাষার কারুকার্য নিয়েই ব্যস্ত বেশিরভাগ গল্পকার।

আমিও কাল রাতে একটা লিখেছি, ব্যস্ততার জন্য হয়তো পড়োনি, আজ যেও কিন্তু- Click This Link
১১ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:৪৯

লেখক বলেছেন: দেখেছি :)

প্রবাদতুল্য মন্তব্য :-* নিজের ঢোল নিজেই পিটাচ্ছ? :)

ভাল ভাল।

গল্প পড়েছি। ভাল লিখছ। আইডিয়ার ব্যাপারে আমার কি মত তা তো মনে হয় ব্লগেই আমার কটা মন্তব্যে বুঝতেই পারছ :)

২০. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:৫৯
comment by: রোডায়া বলেছেন: হুম৷
১১ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:৪৯

লেখক বলেছেন: হুমমম....

২১. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:০০
comment by: মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ট্রেনের মুখে শোনা গল্প ?
গল্পগুলো পড়ার সময় যখন ছবিগুলো আপনাআপনি পটে এঁটে যেতে থাকি , তখন গল্পটা খুব মনে ধরে যায় । জীর্ণ মলিন স্টেশন , হারিয়ে যাওয়াকে ফিরে পাওয়ার আরাধনা , এসবের ছবিগুলো জেগে উঠলো ।

আমি ব্লগে মূলত পাঠক ।ব্লগে কেন যেন পড়ার মত লেখা ইদানিং অনেক কম পাই , সবাই চলে যাচ্ছে । এমন লেখাগুলো পেলে ভালো লাগে
১১ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:৫২

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ মেহরাব।
এটা আমার খুব প্রিয় একটা গল্প। এটি লেখার সময় আসলে চেয়েছিলাম রাতের ট্রেন জার্নির ভিজ্যুয়াল কিছু ব্যাপার তুলে আনতে। নিজের অভিজ্ঞতার ছোয়াও রাখতে চেয়েছিলাম। কিন্তু প্রথম প‌্যারার পরেই গল্প অন্যদিকে চলে গেল। পরে দাড়িয়ে গেল অন্য আরেকটা কাহিনী।

তবে ট্রেন নিয়ে অনেক বড় একটা গল্প লেখার ইচ্ছে আমার অনেককালের । সেটা এটার মত হবে না। স্বাভাবিক টাইপ হবে।

ভাল থেকো।

২২. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৯
comment by: ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: অসাধারন লাগল লেখাটা। আপনাকে ধন্যবাদ, রন্টি ভাই।
১১ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:৫৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকেও :)

২৩. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:০৩
comment by: রোডায়া বলেছেন: গল্প ভালো লেগেছে৷
১১ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:৫৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
তবে আরেকটু ডিটেইল আশা করেছিলাম :(

২৪. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২০
comment by: দোলাহাসান বলেছেন: এই না হলে গল্প!!! অনেক ভাল লাগলো।

ভীষন কষ্টের গল্প।

ভাল থাকুন
১১ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:৫২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আপনিও ভাল থাকুন।

ব্যাস্ততা অনেক বেড়েছে বুঝি, দেখা পাই না আজকাল আপনার :)

২৫. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৫০
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: চমৎকার।
১১ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:৫২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ফারহান।

২৬. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:১৬
comment by: আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: লগইন করেই পড়ে ফেললাম!
দারুন লাগলো ভাইয়া
আসল রন্টীকে ফিরে পাওয়া গেল
প্রিয়তে রাখলাম এবং এত চমৎকার লেখা পড়ে নিজে ধন্যহলাম
ভালো থাকো!থ্যান্কস:)
১০ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৬:১৮

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ শান্ত।
গল্পের সাথে অসম্পর্কযুক্ত একটা কথা হচ্ছে,
এই ব্লগ থেকে আমি যা কিছু পেয়েছি তার মধ্যে সবচাইতে ভালকিছুর একটা হচ্ছে শান্ত;র মত একটা ছোটভাই পাওয়া।
শান্ত আমার ছাইপাশ লেখাকেও ভাল বলবে, এটা আমি চোখ বুজে বলতে পারি।

এত মায়া করি ছেলেটাকে। কেন যে, জানি না।

২৭. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৫০
comment by: একরামুল হক শামীম বলেছেন:
বাইরে শুধুই নিকষ কালো অন্ধকার। আর কিছুই চোখে পড়ে না।

.................. গল্পের শুরু এবং শেষ . দুইটাই চমৎকার।
১১ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:৫৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

তুমি কেমন আছ মিয়া?

২৮. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:০৭
comment by: অদ্ভুত আঁধার এক বলেছেন: আমি বুঝতে পারছিনা কি বলব.....।
একটানে পুরোটা পড়লাম....
আমার জ্বর আসা শুরু করেছে...।এর মধ্যেও পুরোটা না পড়ে পারিনি...।
গল্পটার বিন্যাস অসম্ভব ভাল....কোথায় শুরু কোথায় শেষ ব্যাপারটা বেশ ভাবাল......
ধন্যবাদ।
১১ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:৫৪

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ।
আপনার মন্তব্যে অনেক উৎসাহ পেলাম। অনেক।

ভাল থাকবেন।

২৯. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২৪
comment by: উত্তরাধিকার বলেছেন:
ভাল হয়েছে রন্টি দা।

ফ্ল্যাশ ব্যাক আর বর্তমান এসেছে সমান্তরাল গতিতে।
ছুটে চলা ট্রেনের গতিতেই একটানে পড়ে শেষ করলাম ....।
এখন কুউউউ...
:)

শুভেচ্ছা।
১১ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:৫৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

হুমম...এটা ভিজ্যুয়ালি কল্পনা করে ''ওঠ অন্তু... তে ফ্ল্যাশব্যাক, স্বপ্ন আর বাস্তবের একটা হাসজারু করতে চেয়েছিলাম, মনে হচ্ছে উতরে গেছি:)

শুভেচ্ছা আপনাকেও।

৩০. ১০ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৬:১৩
comment by: আসিফ আহমেদ বলেছেন: এত বড় লেখা পড়ার জন্য আটঘাট বাঁধতে হবে, পড়বো পরে....
১০ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৬:১৬

লেখক বলেছেন: ওকে :)

৩১. ১০ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৬:৫৫
comment by: হনলুলু বলেছেন: একটানে পড়লাম .....

অসাধারন একটা লেখা ......... :)
১০ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:১০

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস :)

৩২. ১০ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:০৬
comment by: না বলা কথা বলেছেন: চমৎকার। তৃপ্তি পাইলাম।
১০ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:১৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৩৩. ১০ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৪১
comment by: মৈথুনানন্দ বলেছেন: ঠিক চব্বিশ ঘন্টা সময় দিলুম - খালাকে যদি না আনতে পারো - দেন পরবর্তী সব পোস্টে ধড়াধড় মায়ন্যাস।
১১ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:৪২

লেখক বলেছেন: আমি কোথা থেকে আনব :|
আমি তো ম্যালা দুরে থাকি...

৩৪. ১০ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৪৫
comment by: মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন: গল্পটি ভাল লেগেছে। ভাল লেগেছে বর্ণনা আর ভাষা বিন্যাস।
১১ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:৪১

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস মোস্তাফিজরিপন ভাই।

৩৫. ১১ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:০২
comment by: রাতমজুর বলেছেন: ১০+
১১ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:৪১

লেখক বলেছেন: :)

৩৬. ১১ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:৪৪
comment by: আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: ভালো লিখছেন। :)
১১ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:০৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৩৭. ১১ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:০২
comment by: শফিউল আলম ইমন বলেছেন: ব্যস্ততার কারণে লম্বা গল্প বলে পড়িনি। অসাধারন লিখেছেন রন্টি ভাই। অনেক সুন্দরভাবে সাজিয়েছেন।
আপনি অনেক সুন্দর গল্প লিখেন।
ভালো লাগল।
ভালো থাকুন।
১১ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:০৫

লেখক বলেছেন: ইমনভাই আপনি ও ভাল থাকেন।
অনেক ধন্যবাদ বিঘত সাইজ গল্পটা পড়ার জন্য।
আমি না, এখন থেকে লম্বা লম্বা গল্পই পোষ্ট করব, তাই ভয়ে আছি কেউ পড়বে কি না। আবার খন্ড খন্ড করে পোষ্ট করতে ভাল লাগে না। তাতে গল্পের মজা থাকে না বলে মনে হয়।

ভাল থাকবেন।

৩৮. ১১ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:১৩
comment by: শফিউল আলম ইমন বলেছেন: খন্ড খন্ড লেখা দেওয়ার চেয়ে এভাবেই দেন। পাঠকরা দেরীতে হলেও ঠিকই পড়বে। সিরিজ করে দিলে অনেক ভালো লেখায় ও পাঠক দেখা যায় না।
আপনার এইচএসসি ব্যাচ কবে??
তুমি কইতে ইচ্ছে করতেছে। তয় আগে দেখি আপনার ব্যাচ কবে।:)
১১ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:২৩

লেখক বলেছেন: বলতে পার। আমিও বলতে চাচ্ছি।
তুমি তো মনে হয় ০১...না?
আমি তো ০৭ এ এসএসসি :)

৩৯. ১১ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:৩২
comment by: শফিউল আলম ইমন বলেছেন: হা হা হা........বাচ্চা ছেলে দেখি। খিক খিক ;)
যাইহোক, তুমি এখন আয়্যারল্যান্ড থাকো না???
১১ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:৩৭

লেখক বলেছেন: হ্যা...
আয়ারল্যান্ডে :)

৪০. ১১ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৫:২৯
comment by: নিলা বলেছেন: এত্ত বড় লে