আমার প্রিয় পোস্ট

আদর্শটাকে আপাতত তালাবদ্ধ করে রেখেছি...

বাংলাদেশকে জামায়াত মুক্ত করন প্রক্রিয়ার এই শুরু..

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:১৬

শেয়ারঃ
0 0 0

এবারের ভোটের মাঠে প্রধান একটি ব্যাপার ছিল তরুন ভোটাররা, যারা মাত্রই ১৮ পেরিয়েছেন। তাদের সিদ্ধান্ত কিন্তু এবারের ইলেকশেনে মারাত্বক প্রভাব ফেলেছে।

পৃথিবীর অনেক দেশই নবীনদের নিয়ে সমস্যায় আছে। নবীনরা যেমন সম্ভাবনা নিয়ে আসে তেমনি তারা ঝামেলা পাকাতেও প্রস্তুত থাকে। বাংলাদেশে একটা সময় অনেকে ধারনা করা শুরু করেছিলেন এ দেশের নবীন তরুনরা হয়ত ৩৭ বছর আগেকার পুরনো মুক্তিযুদ্ধ আর এ নিয়ে কপচানো আলাপ পছন্দ করবে না, দেশে মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক নাটক চলচিত্র এসবও বানাতে সাহস করতেন না অনেক পরিচালক, কেননা নতুন প্রজন্ম তো এসব পুরনো জিনিসে ওত বেশী ইন্টারেষ্ট রাখে না।


কিন্তু না, এ দেশের তরুনরা এসবই ভুল প্রমান করে দিয়েছেন। তারা দেখিয়েছেন এ দেশের উজ্জল ভবিষৎের আলোকবার্তা। তারা কিছূই ভুলেন নি তারা দেখিয়েছেন। কিভাবে জবাব দিতে হয় তাও।

জামায়াত নামের বিষফোড়াকে আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো খুব ভাল ভাবে ট্রিট করতে পারে নি এর আগে। এবার নতুন প্রজন্মের চরম ক্ষোভ ছিল যুদ্ধপরাধী এই দলটির উপর। নতুন প্রজন্ম নিজের দেশে শকুনদের গাড়িতে পতাকা উড়তে দেখা সহ্য করেনি। এজন্য জামায়াত...যে দলটি নিয়ে অনেক গাল ভরা কথা শোনা যায়....এরা অর্গানাইজড, হ্যান ত্যান, ব্রেইনটেইন ওয়াশ করতে সক্ষম, ধর্মাশ্রয়ী, কোরআন শপথ করিয়ে ভোট নেবারও চেষ্টা করেছে, টাকা ঢেলেছে, ধানের শীষের ভোট ধার করেছে।

কিন্তু কিছূতেই কিছু হল না। জামায়াতের পতনের শুরু হয়ে গেল এই নির্বাচনের মাধ্যমে।

এখন আমাদের সময় এসেছে আরেকটি অলআউট প্ল্যান করা জামায়াতকে নিশ্চিন্হ করার জন্যে। অনেক কাল আমরা তাকিয়ে থেকেছি আমাদের রাজনৈতিক হর্তাকর্তাদের দিকে। এখন সময় নিজেরা এগিয়ে আসার। জামায়াত তাদের রাজনৈতিক বেইজ হারিয়েছে। এখন আমাদের উচিত তারা যাতে আমাদের তরুনদের কোন ভাবে আর ব্রেইন ওয়াশ না করতে পারে সেদিকে নজর দেয়া।
জামায়াতের যুদ্ধপরাধী রাজাকারদের একটি জোরগলা তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগে মামলা নেই। আমাদের তাদের মামলা উপহার দেয়া উচিত। আমার বিশ্বাস আমরা এ উদ্যোগ নিলে সরকার এতে প্রভাব বিস্তার করবে না। প্রতি জেলায় জেলায় জামাতী সন্ত্রাসীদের রুখা উচিত। বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে জামাতের প্রবল প্রতাপ, এইবার নির্বাচনে এই জবাবের পর আমার মনে হয় ওইসব বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে শিবিরীয় সন্ত্রাসীদের ঝেটিয়ে সোজা করা উচিত।

জামাতের গাছের গোড়া নড়বড়ে হয়ে গেছে। এখন একে কাটতে হবে। দলে দলে কুড়াল নিয়ে তৈরি হোন বন্ধূরা।

 

সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:১৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:২১
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন: বাংলাদেশবিরোধী যেকোন চেতনা এবং জামাতকে সম্পূর্ণ বিতাড়িত করতে হবে।
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:২৩

লেখক বলেছেন: এতদিন সবাই কথায় এগুলো বলত।
এবার কিন্তু কাজেও করে দেখিয়েছে।
এখন আরেকটু কাজ করতে হবে সবাই সবার অবস্থান থেকে।

২. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:৩৪
ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: রন্টি সাহেব, ধন্যবাদ আপনার লিখার জন্যে। জীবনের প্রথম যেদিন থেকে রাজনীতি বুঝতে শুরু করেছি, সেদিন থেকে ঘৃণা করি সকল ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলকে। আপনার লিখার প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করছি। বজ্র কন্ঠে বলছি জামাত নিপাত যাক। বাংলাদেশের মাটিতে কোন স্বাধীনতা বিরোধীর জায়গা নেই।
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:৪৭

লেখক বলেছেন: তাদের আর মনে হয় কোন জায়গা হবেই না :)

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৫৪

লেখক বলেছেন: শুরু হয়েই গেছে।

৪. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:২৯
মেহেদী হাসান রুমী বলেছেন: জামাত শিবির রাজাকার, এই মুহুর্তে বাংলা ছাড়।
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:০৬

লেখক বলেছেন: এই শ্লোগানটা অনেকদিন একটু স্থিমিত হয়ে গিয়েছিল।
এবার মনে হয় শ্লোগানটা সত্যি করার সময় এসছে।

৫. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৩৯
ক-খ-গ বলেছেন: সাধারন মানুষ দেশকে দাতাল শুয়োর মুক্ত দেখতে চেয়েছে, এবার শিকর সহ উপরে ফেলার সময় এসেছে........
৬. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৪১
রাশেদ বলেছেন: বিচারটা করবে নাকি আশা করতেও ভয় লাগে!

তবে বিএনপির উচিত হবে এখন জামাত তাদের কত বড় ক্ষতি করছে (প্লাস তার জানের দুই টুকরা) এইগুলো বুঝে উঠা তাড়াতাড়ি।
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:২১

লেখক বলেছেন: এইবার বিচার না হলে দুঃখের শেষ থাকবে না।

এখন গনজোয়ার আছে। বিচার করলে সবাই স্বাগত জানাবে।

৭. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৩৭
মিছে মন্ডল বলেছেন: জামাতের গাছের গোড়া নড়বড়ে হয়ে গেছে। এখন একে কাটতে হবে। দলে দলে কুড়াল নিয়ে তৈরি হোন বন্ধূরা।
৮. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৪
মানবজমিন বলেছেন: আমার মনে হয় গনতান্ত্রিক ভাবেই জামাতকে প্রতিহত করতে হবে, আর এদের বিরুদ্ধে সচেতনতা বারাতে হবে।
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৬

লেখক বলেছেন: গনতন্ত্রীক ভাবে সাধারন জনগন তাদের কাজ করে ফেলেছেন।
এখন বিচার ব্যবস্থার সমুখীন করতে হবে তাদের।

সাথে বাঙালী ব্যবস্থাও লাগবে। ৭১ এ কিন্তু এরা গনতান্ত্রীক ব্যবস্থায় আমাদের ট্রিট করেনি। আর রগ কাটাকাটির সময়ও এদের মাথায় গনতন্ত্রের কথা থাকত না......

৯. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৩
(অ)গাণিতিক বলেছেন: যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবার করেই ছাড়ব। জনগন তার রায় দিয়ে দিয়েছে। এবার সরকার গাফলতি করতে পারবেনা। কোন প্রকার গাফলতি সহ্য করব না কেউ। এটা হয়েই যাবে, আমি আশাবাদী।

আর তারপর আরেকটা আন্দোলন শুরু করতে হবে, শিক্ষা শিক্ষা শিক্ষা....

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৭৩২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
..
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ