কি পরিমাণ বিদ্বেষ থাকলে ২৮ অক্টোবরের জন্ম হতে পারে?
২৮ অক্টোবরের ঘটনার সাথে এ ঘটনার সম্পর্ক কি? কোন সম্পর্ক নাই। উপরের ছবিটির দিকে খুব ভাল করে খেয়াল করুন তো, কি একে অপরাধী মনে হয়? ছবিটি মুজাহিদের। মুজাহিদ ছিলেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির, ফয়সাল ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের, হাফেজ শিপন ছিলেন ঢাকা কলেজের ফিজিক্সের আর মাসুম ছিলেন সরকারী তিতুমীর কলেজের ছাত্র (বাকীদের ছবি কোথাও খুঁজে পাইনি, কেউ জানালে খুশি হব)।
রাস্তার উপর পিটিয়ে স্পটেই মেরে ফেলা হল এদের। ঘটনার দিন গ্রামের বাড়ীতে ছিলাম, টিভি নিউজে দেখলাম। এরকম দৃশ্যও যে দেখতে হতে পারে, কল্পনাও ছিল না। সম্ভবত চতুর্দিক হতে যখন একের পর এক লাঠির বাড়ি পড়ছিল, তখন কোন একটি মুহুর্তও পিঠ হতে লাঠি মুক্ত ছিল না।
যাই হোক, ঘটনা বেশ পুরানো। ঘটনার দিন থেকে আমি অনেক ভেবেছি, মানুষ কখন আরেক মানুষের উপর এরকম ন্যাক্কারজনকভাবে হামলা করে? উত্তর পাইনি।
আমি আসলে সবসময়ই একজন আশাবাদী মানুষ, বাস্তবতা বুঝতে না চাওয়া একজন মানুষ। বহু মানুষের সাথে তর্ক করি, দুঃখ, কষ্ট, ঝেড়ে ফেলে সোজা সাপ্টা লাইফ চালানোর পরামর্শ দেই, অনেকেই আমলে নেয় না তারপরও আমার কাজ আমি করেই যায়।
সেরকম, দেশকে নিয়েও আমি আমার মত করে ভাবি। ভাবি আমাদের দেশটা কত সুন্দর! কত সম্ভাবনাময় এ দেশ! দেশটিকে আমার ঐ সুন্দরী কিশোরীর মত মনে হয়, যে কিশোরীর জন্ম হয়েছে গ্রামের খুবই দরিদ্র পরিবারে, আর তাকে নিয়ে শুরু হয়েছে নানান রকম খেলা। সবাই তাকে বহু কিসিমের ভালবাসার কথা শুনায়, কিন্তু প্রকৃত ভালবাসা সে পায় না- সবই ছলনা।
কেউ যদি প্রশ্ন করে, আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা কি? আমার পক্ষ থেকে উত্তর হবে, বিভক্তি আর বিদ্বেষ। অপরকে, অপরের মতামতকে সহ্য করতে না পারার ঘৃণ্য মানসিকতা। আমার মনে হয়, এদেশে দুইটি জিনিসের ব্যবসা খুব ভাল চলে। একটি ধর্ম, আরেকটি আমার দেশের স্বাধীনতা।
স্বাধীনতার ইতিহাস এবং ধর্ম দুইটিরই স্বচ্ছতা সবসময়ই কামনা করি। তা নাহলে ব্যবসায়ীরা অস্বচ্ছতাকে জিইয়ে রেখে এবং একে পুঁজি করে অনেক কিছূই ঘটিয়ে ফেলতে পারে। স্বাধীনতার এত বছর পরও দ্ব্যর্থহীনভাবে দাবী করি স্বাধীনতা চলাকালীন সময়ে যারা দেশের মানুষকে অন্যায়ভাবে কষ্ট দিয়েছে, দেশের সম্পদকে অন্যায়ভাবে নষ্ট করেছে তার প্রকৃত পরিচয় উম্মুক্ত হোক এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক এবং এভাবে ব্যবসাপাতি বন্ধ হোক।
দেশের মধ্যে যখন বিভক্তি কাজ করে, তখন সে দেশকে নিয়ে খেলা করা সহজ হয়, ইরাক তার সাক্ষী। আমি একে ভীষণ ভয় করি, দেশের স্বাধীনতা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ি।
আসুন, আমরা যে যেই বিশ্বাসকেই লালন করি না কেন পরস্পরকে শ্রদ্ধা করতে শিখি। সুন্দর দেশ গড়ি, আর যাতে ২৮ অক্টোবরের জন্ম হতে না পারে সে ব্যাপারে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হই।
ভিডিওটি দেখতে পারেন।বিদ্বেষ ছড়ানো উদ্দেশ্য নয়, দুঃখিত হোন, দেশের প্রতি মমত্ব বোধ জাগিয়ে তুলুন- এটিই উদ্দেশ্য।
আজকাল

আজকাল আমার মনে হয় -
আমাকে কেউ পছন্দ করে না,
কারো কাছে গেলে, সে বিরক্ত হয়।
পোশাক অগোছালো, এলোমেলো চুল,
চোখের দৃষ্টি কেমন ঘোলাটে!
বীরত্ব দেখানোর কিছু নেই।
চতুর পুরুষ স্ত্রীর... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে ৯টি বছরঃ একজন লিলিপুটিয়ান থেকে সত্যিকার ব্লগার হয়ে উঠার গল্প
আজ আমার ৩য় বইয়ের জন্য চুক্তি করতে প্রকাশক আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। প্রকাশনা সংস্থা 'উত্তরণ'-এর মাসুদ ভাইয়ের বাংলাবাজারের অফিসে ঘণ্টাখানেক ছিলাম। তাঁর সাথে কথা বলতে বলতেই আমার মনে একটি বোধোদয় আসে! আমি... ...বাকিটুকু পড়ুন
একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন
আসলে কেউ ফেরে না।
মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর
যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।