আমার প্রিয় পোস্ট

দুঃখটাকে দিলাম ছুটি, আসবে না ফিরে

কি পরিমাণ বিদ্বেষ থাকলে ২৮ অক্টোবরের জন্ম হতে পারে?

২৫ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ৮:০১

শেয়ারঃ
0 0 0

অনেকদিন আগের কথা। আমাদের গ্রামের বাড়ী তখন আজকের মত এরকম পাকা ছিল না, মাটির ঘর। একদিন রাতে আমাদের একটা টেপ রেকর্ডার চুরি হয়ে যায়। চোর শেষে ধরাও পড়ে। তারপরে জনতা ভীষণ উত্তম মাধ্যম দেয়, অতপর সোজা হাসপাতালে। ঘটনায় আমার দাদা বেশ কষ্ট পান। শেষে, তার খরচে চোর আবার সুস্থ হয়ে উঠে।

২৮ অক্টোবরের ঘটনার সাথে এ ঘটনার সম্পর্ক কি? কোন সম্পর্ক নাই। উপরের ছবিটির দিকে খুব ভাল করে খেয়াল করুন তো, কি একে অপরাধী মনে হয়? ছবিটি মুজাহিদের। মুজাহিদ ছিলেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির, ফয়সাল ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের, হাফেজ শিপন ছিলেন ঢাকা কলেজের ফিজিক্সের আর মাসুম ছিলেন সরকারী তিতুমীর কলেজের ছাত্র (বাকীদের ছবি কোথাও খুঁজে পাইনি, কেউ জানালে খুশি হব)।

রাস্তার উপর পিটিয়ে স্পটেই মেরে ফেলা হল এদের। ঘটনার দিন গ্রামের বাড়ীতে ছিলাম, টিভি নিউজে দেখলাম। এরকম দৃশ্যও যে দেখতে হতে পারে, কল্পনাও ছিল না। সম্ভবত চতুর্দিক হতে যখন একের পর এক লাঠির বাড়ি পড়ছিল, তখন কোন একটি মুহুর্তও পিঠ হতে লাঠি মুক্ত ছিল না।

যাই হোক, ঘটনা বেশ পুরানো। ঘটনার দিন থেকে আমি অনেক ভেবেছি, মানুষ কখন আরেক মানুষের উপর এরকম ন্যাক্কারজনকভাবে হামলা করে? উত্তর পাইনি।

আমি আসলে সবসময়ই একজন আশাবাদী মানুষ, বাস্তবতা বুঝতে না চাওয়া একজন মানুষ। বহু মানুষের সাথে তর্ক করি, দুঃখ, কষ্ট, ঝেড়ে ফেলে সোজা সাপ্টা লাইফ চালানোর পরামর্শ দেই, অনেকেই আমলে নেয় না তারপরও আমার কাজ আমি করেই যায়।

সেরকম, দেশকে নিয়েও আমি আমার মত করে ভাবি। ভাবি আমাদের দেশটা কত সুন্দর! কত সম্ভাবনাময় এ দেশ! দেশটিকে আমার ঐ সুন্দরী কিশোরীর মত মনে হয়, যে কিশোরীর জন্ম হয়েছে গ্রামের খুবই দরিদ্র পরিবারে, আর তাকে নিয়ে শুরু হয়েছে নানান রকম খেলা। সবাই তাকে বহু কিসিমের ভালবাসার কথা শুনায়, কিন্তু প্রকৃত ভালবাসা সে পায় না- সবই ছলনা।

কেউ যদি প্রশ্ন করে, আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা কি? আমার পক্ষ থেকে উত্তর হবে, বিভক্তি আর বিদ্বেষ। অপরকে, অপরের মতামতকে সহ্য করতে না পারার ঘৃণ্য মানসিকতা। আমার মনে হয়, এদেশে দুইটি জিনিসের ব্যবসা খুব ভাল চলে। একটি ধর্ম, আরেকটি আমার দেশের স্বাধীনতা।

স্বাধীনতার ইতিহাস এবং ধর্ম দুইটিরই স্বচ্ছতা সবসময়ই কামনা করি। তা নাহলে ব্যবসায়ীরা অস্বচ্ছতাকে জিইয়ে রেখে এবং একে পুঁজি করে অনেক কিছূই ঘটিয়ে ফেলতে পারে। স্বাধীনতার এত বছর পরও দ্ব্যর্থহীনভাবে দাবী করি স্বাধীনতা চলাকালীন সময়ে যারা দেশের মানুষকে অন্যায়ভাবে কষ্ট দিয়েছে, দেশের সম্পদকে অন্যায়ভাবে নষ্ট করেছে তার প্রকৃত পরিচয় উম্মুক্ত হোক এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক এবং এভাবে ব্যবসাপাতি বন্ধ হোক।

দেশের মধ্যে যখন বিভক্তি কাজ করে, তখন সে দেশকে নিয়ে খেলা করা সহজ হয়, ইরাক তার সাক্ষী। আমি একে ভীষণ ভয় করি, দেশের স্বাধীনতা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ি।

আসুন, আমরা যে যেই বিশ্বাসকেই লালন করি না কেন পরস্পরকে শ্রদ্ধা করতে শিখি। সুন্দর দেশ গড়ি, আর যাতে ২৮ অক্টোবরের জন্ম হতে না পারে সে ব্যাপারে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হই।


ভিডিওটি দেখতে পারেন।বিদ্বেষ ছড়ানো উদ্দেশ্য নয়, দুঃখিত হোন, দেশের প্রতি মমত্ব বোধ জাগিয়ে তুলুন- এটিই উদ্দেশ্য।

 

সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে নভেম্বর, -০০০১ রাত ১২:০০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ৮:৩০
উদাসীপথিক বলেছেন: ব্লগার তোমাকে চিনি কি? তবে ভাল লিখেছ। আর হ্যাঁ মনে রেখ, ভেব না তুমি একাই চাও-একাই ভাবো...
৩. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ৯:০৮
তাহসিন সাঈদা মুন বলেছেন: এই লেখাটিতে মন্তব্য করার জন্যই লগ ইন করেছি... কিন্তু লেখার ভাষা খুজে পাচ্ছি না। আজকে বাংলা ব্লগটা অল্প সময়ের জন্য খুলে আবার ব্ন্ধ করে দিয়েছিলাম। ভাবছিলাম কিছুদিন ঢুকব না। কিন্তু আমার কাজই আমাকে ঢুকালো।বাংলা একটা সাইটের উপর কাজ করছি আমি। এই লেখাটা আমাকে লগ ইন করালো.... ভাবছিলাম কেন আমি ব্লগিং করি... এত অসাধারন(!) সব মানুষের মধ্যে আমার কি কাজ... যে বাংলাদেশকে দেখতে চাই, এই ভার্চুয়াল ওয়ার্ল্ডেও তো তাকে পাই ই না... বরং.... থাক।
এই লেখাটি পড়ে হঠাৎ মনে পড়ল, এই জন্যই তো ব্লগিং করি.... কারন... এমন করেও অনেকেই ভাবে... অন্তত এমন করে সুন্দর একটা বাংলাদেশ চায় এমন মানুষও তো আছে... আমি তো পারি না কিছু করতে... কিন্তু... এভাবেই যদি আমরা পালিয়ে বেড়াই... স্বপ্নের বাংলাদেশ আর কেমনে গড়ব... ধন্যবাদ। এই লেখাটি দু:খ দিয়েছে... কিন্তু কিছুক্ষন আগে ব্লগে ঢুকে পাওয়া কষ্টটাকে কমিয়ে দিয়েছে.... আমার মনের মতো করে বলা যেন কথাগুলো.... না চাইতেও একটু বেশিই লিখে ফেললাম...
৪. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ৯:২১
আশরাফ রহমান বলেছেন: মন্দলোক দুনিয়ার সবাইকে মন্দ মনে করে। যারা মুজাহিদকে সাপের মতো পিটিয়ে হত্যা করেছে তারা হয়ত তাকে নিজেদের মত নরপিশাচ মনে করেছে। এ ধরনের ঘাতকরাই আবার নিজেদের মানবাধিকারের ধারক বাহক হিসেবে দাবী করে। ধিক! শত ধিক ওদের মানসিকতাকে।
৫. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ৯:৩০
হোসেইন বলেছেন: জাতি হিসেবে এ ঘটনা সবার জন্যই লজ্জার।প্রতিটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর ,প্রতিটি পঙ্গুর দায়ভার পুরো বাংলাদেশের।

আফসোস,আমরা এই সব নরপিশাচদেরই বার বার নির্বাচিত করি,যারা কাউকে পিটিয়ে মেরে ফেলে কিংবা রগ কেটে ফেলে হাজার হাজার তরুনের।
৬. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১০:২৫
নুর3ডিইডি বলেছেন: Already have we urged unto hell many of the jinn and humankind, having hearts wherewith they understand not, and having eyes wherewith they see not, and having ears wherewith they hear not. This are as the cattle nay, but they are worse! These are the neglectful. (Al Bakarha 179)
৭. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১১:২৪
রবিনহুড বলেছেন: এই ভাবে মানুষ মারাটাকে কিছু লোক কিভাবে সমর্থন করেন ভেবে পাই না। যাদের মারা হয়েছে তাদের সাথে তো শুধু মতের আমিল ছিল, আর কিছু না। শুধু মাত্র মতের আমিল থাকলে এইভাবে একজন মানুষ কে মেরে ফেলা কতটা সমিচীন?
মতের আমিল থাকার জন্য মৃত লোক গুলি যদি তাদেরে কে এই ভাব মেরে ফেলত। তাতে কি উনারা রাজি থাকবেন?
আমরা কাদের মারলাম? এরা তো এদেশের ই সন্তান হয়তো তাদের সাথে কিছু মতের আমিল ছিল ..আর কিছু না...
সবচে আবাক লাগে কিছু প্রগতিশীল নামধারী মানুষ এই ধরনের হত্যাকে সমর্থন করেন। তখন তাদের প্রগতিশীলতা কোথায় থাকে।
পৃথিবীর কোন প্রগতিশীলতাই মতের পার্থক্যার জন্য আন্যকে মেরে ফেলাকে সমর্থন করেন্। এই কথাটা উনার কি জানেন না?
৮. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১১:৩০
দ্রোহী বলেছেন: ভিডিওটা দেখলাম- চোখ বন্ধ করে একবার শুধু যারা মার খাচ্ছিলো তাদের জায়গায় নিজেকে কল্পনা করে দেখলাম। সহ্য করতে পারলাম না।

এদেরকেই ঘুরে ফিরে ক্ষমতার চেয়ারে বসাই আমরা। এই মৃত্যুগুলোর দায়ভার কে নেবে?
৯. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১১:৪০
মাহমুদ রহমান বলেছেন: সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনাদের মন্তব্য আমাকে দারুণভাবে নাড়া দিয়েছে। আমি খুব ভয়ের মধ্যে ছিলাম, না জানি কি সাংঘাতিক ইস্যু নিয়ে লিখে ফেলেছি!
মনে হচ্ছে, আমার নিজের লেখাই আমাকে আরও কিছু শিক্ষা দিচ্ছে। মুজাহিদসহ অন্যদের জন্য শুভকামনা রইল, আল্লাহ তুমি তাদেরকে উত্তম প্রতিদান দান কর। আমীন।।
১০. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৭ সকাল ৮:৩১
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: এটা ছিল কিছু দুর্নীতি গ্রস্থ নীতিহীন নেতাদের প্রতিহিংসা পরায়ণ চেলাদের কাজ।

তারা যদি ভাবে যে তারা '৭১ যুদ্ধের প্রতিশোধ তুলছে আজ নিরাপরাধ রাজাকার মেরে, তবে আমি একালের স্বার্থবাদী মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী আর সেকালের রাজাকারদের মাঝে কোন ফারাক পাইনা।
১১. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৭ সকাল ৯:০২
এস্কিমো বলেছেন: Click This Link কানেকশান না থাকায় সেই খবরগুলো দেখার সুযোগ হয়নি। পরে YoyTube এর সুবাদে তিনটা নিউজ দেখার সুযোগ হয়। সত্যই দুঃখজনক ঘটনা। তবে একটা নিউজে দেখা যাচ্ছে একজন পাঞ্জাবী পড়া দাড়িওয়ালা মানুষ "বৃষ্টি মতো ইট" মারতে আহ্বান জানাচ্ছে। তার উচ্চস্বরে বক্তব্যে "মরলে শহীদ - বাঁচলে গাজী" হিসাবে ঘোষনা শুনা যাচ্ছে। এখন যারা মরেছে তারা তো শহীদ হয়েছে (ঐ লোকের ভাষায়)। একজন শহীদের মৃত্যু নিয়ে রাজনীতি করা কি ডাবল স্ট্যান্ডার্ড নয়। যাই হোক যদি কেহ দয়া করে আলোচিত ভদ্রলোকের নাম/পরিচয়টা জানান খুশী হবো। দেশের বাইরে থাকার কারনে সবাইকে চেনা সম্ভব হয় না।
দেখুন ভিডিওটি - এরা কি এই নির্মম মৃত্যুর দায় নেবে না?
১৩. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৭ সকাল ৯:৩৯
বিজলীর খড়ি বলেছেন: ২৮শে অক্টোবর হামলায় মোট ৬ জন মারা যায়। এর মধ্যে ৩ জন ছাত্র, মুজাহিদ, শিপন, আর মাসুম। ফয়সাল মারা যান নারায়ানগন্জে অন্য ঘটনায়।
রাজনৈতিক কারনে খুনাখুনি বাংলাদেশে আরও ঘটেছে কিন্তু ঐদিন এ নৃশংসতা , বর্বরতা, পাশবিকতার সাথে কোন কিছুর তুলনা নেই।
১৪. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৭ সকাল ৯:৫১
মাহমুদ রহমান বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ বিজলীর খড়ি, ফয়সালের বিষয়টি আমার জানা ছিল না।

এস্কিমো, আপনাকেও ধন্যবাদ এজন্য যে আপনি 'বৃষ্টির মত ইট ছুড়ো' শুনেছেন। শেখ হাসিনা সহ আ.লীগের অসংখ্য কর্মী কিন্তু 'বৃষ্টির মত গুলি ছুড়ো' শুনেছে (শেখ হাসিনার বক্তব্য- তার বিরুদ্ধে রায় হওয়ার পরে বিবিসির সাক্ষাতকার দ্রষ্টব্য)। আপনার ক্ষেত্রে ব্যাতিক্রম দেখলাম।
১৫. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৭ সকাল ১০:২১
রিউ বলেছেন: রবিনহুড বলেছেন :
২০০৭-০৪-২৫ ২৩:২৪:৫৬
এই ভাবে মানুষ মারাটাকে কিছু লোক কিভাবে সমর্থন করেন ভেবে পাই না। যাদের মারা হয়েছে তাদের সাথে তো শুধু মতের আমিল ছিল, আর কিছু না। শুধু মাত্র মতের আমিল থাকলে এইভাবে একজন মানুষ কে মেরে ফেলা কতটা সমিচীন?
মতের আমিল থাকার জন্য মৃত লোক গুলি যদি তাদেরে কে এই ভাব মেরে ফেলত। তাতে কি উনারা রাজি থাকবেন?
আমরা কাদের মারলাম? এরা তো এদেশের ই সন্তান হয়তো তাদের সাথে কিছু মতের আমিল ছিল ..আর কিছু না...
সবচে আবাক লাগে কিছু প্রগতিশীল নামধারী মানুষ এই ধরনের হত্যাকে সমর্থন করেন। তখন তাদের প্রগতিশীলতা কোথায় থাকে।
পৃথিবীর কোন প্রগতিশীলতাই মতের পার্থক্যার জন্য আন্যকে মেরে ফেলাকে সমর্থন করেন্। এই কথাটা উনার কি জানেন না?

সাঈফ শেরিফ বলেছেন :
২০০৭-০৪-২৬ ০৮:৩১:০১
এটা ছিল কিছু দুর্নীতি গ্রস্থ নীতিহীন নেতাদের প্রতিহিংসা পরায়ণ চেলাদের কাজ।
তারা যদি ভাবে যে তারা '৭১ যুদ্ধের প্রতিশোধ তুলছে আজ নিরাপরাধ রাজাকার মেরে, তবে আমি একালের স্বার্থবাদী মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী আর সেকালের রাজাকারদের মাঝে কোন ফারাক পাইনা।

অামার মনে হয়, এই দুটো মন্তব্যই যথেষ্ট।
১৬. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৭ সকাল ১০:৩৭
রিউ বলেছেন: মাহমুদ ভাই,
সেদিনের ঘটনা দল-মত নিরবিশেষে সমস্ত মানুষকে কাদিয়েছে। বাংলাদেশে অবস্থানরত বিদেশীরা পর্যন্ত কেঁদেছে। শুধু কাঁদেনি কেমিকেল অার হোসেইন-এর মত কিছু মানুষ। এটা কোন রাজনৈতিক ব্যাপার নয়, মানবিকতার ব্যাপার। মনুষ্যতে্বর ব্যাপার।

হোসেইন অার কেমিকেল কে বলছি,
মুজাহিদ-এর মৃতু্যটাকেই অামরা টিবিতে দেখেছি। ১৪ দলের যে মারা গেছে তার কিছুই অামরা দেখিনি। তাই দেখা মৃতু্যগুলাই কষ্ট বেশী দিয়েছে।
১৭. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৭ দুপুর ১২:২৩
ফজলে এলাহি বলেছেন: মাহমুদ রহমান-
পোষ্টটি দেখে অনেকক্ষণ ভাবলাম, পূর্বাপর সকল ঘটনাবলীকে দেখে গেলাম জীবন জোড়া। [লিং=যঃঃঢ়://িি.ি28ঃযড়পঃড়নবৎ.পড়স/ড়ৎরমরহধষ/রহফবী.যঃসষ]২৮ শে অক্টোবরের মত শিহরিত হওয়ার মত আর একটিও পেলাম না[/লিংক] । লিংকটা দেখেছন হয়তো না দেখলে দেখতে পারেন। কোন এক বন্ধু মেসেজে পাঠিয়েছিল।
১৮. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৭ দুপুর ১২:৩৩
ফজল বলেছেন: ২৮শে অক্টোবর নিয়ে দেয়া লিংকটা এলো না,
!@@!488393 !@@!488394
এছাড়া !@@!488396 !@@!488397 !@@!488398 !@@!488399 এবং !@@!488401 !@@!488402 !@@!488403 কবিতা দু'টোও দেখতে পারেন।
পোষ্টের থিমটা ভাল লেগেছে।
১৯. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ৯:৪৯
ত্রিভুজ বলেছেন: গুড পোষ্ট.... ২৮ অক্টোবর নিয়ে আমি একটা পোষ্ট দিয়েছিলাম বেশ কিছুদিন আগে.. অবাক হয়ে দেখলাম অনেকেই ২৮ অক্টোবরের ঘটনাগুলোকে সমর্থন দিচ্ছে.... আমি সেদিন সত্যিই অবাক হয়েছিলাম ....

আমার ব্লগে লিংকটি আছে (ডিসেম্বর ২০০৬ অথবা জানুয়ারী ২০০৭ আর্কাইভে) তবে সবগুলো মন্তব্য নাই এখন ... ব্লগের একটা বাগ ফিক্স হলে হয়তো আবার সবগুলো মন্তব্য পাওয়া যাবে।

২১. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৭ সকাল ১১:১৭
চন্দ্র নাথ বলেছেন: মন্তব্য না করে পারলাম না। ২৮ অক্টোবরের জন্ম একদিনে হয়নি। অনেক পিছনে আপনাকে যেতে হবে এই বিষয়ে মন্তব্য লিখার জন্য। মানুষ মেরে যারা গাছে উল্টিয়ে ঝুলিয়ে রাখে তারা সেইদিন সেই ২৮ অক্টোবর চেয়েছিল বলে আমার বিশ্বাস। তারাই ২১ আগষ্ট এর ওই জঘণ্য হত্যাকান্ড ঘটিয়েছিল। তারাই ওই ২২ জানুয়ারির প্রহসন এর নিরবাচন দিয়ে ক্ষমতার গদি চেয়েছিল। ২৮ অক্টোবর বাধা না দিলে তো হইছিল!!!
কিন্তু ভেবে দেখুন কখনও ক্ষমতা ছাড়ার দিন কখনো এইরকম হয়নি এবার কেন হল??? অনেক অনেক কথা...
আমি অবশ্যই ২৮ অক্টোবর এর হত্যাকাণ্ড সমথ'ন করছি না। অনেকে বলেন হত্যাকারি ছিল ১৪ দল সমথি'ত। কিন্তু আমি যদি বলি না... তারা তো শিবির এর ছিল। মনে রাখবেন শিবিররা কিন্তু দাড়ি রাখেন না। ওরা ভন্ড। কিন্তু কেন জানি না ওদের গায়ে এখনও কেউ একটু টুকাও দিতে পারেন না। এই আমাদের বাঙ্গালির সমস্যা। এইদেশে একমাত্র তারাই মানুষ হত্যা করে, রগ কাটে।
তাই বলি, নিজে বাচুন, অন্যকে বাচান এই শিবির এর হাত থেকে... তাইলে ওই ২৮ অক্টোবর অথবা ২১ আগস্ট কিছুই ঘটবে না এই দেশে...
এইটা আমার মতামত... মনে হয় অনেকের মনের কথাও এটি...

ধন্যবাদ সবাইকে...
২২. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৭ দুপুর ১:০৮
মাহমুদ রহমান বলেছেন: চন্দ্রনাথ আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ যে আপনি ২৮ অক্টোবরের হত্যাকান্ড সমর্থন করেন না।

একটা বিষয়ে বলি, আসলে মিডিয়া বর্তমান দুনিয়ায় বিশাল রোল প্লে করছে। ২৮ অক্টোবরের কথাই ধরুন, এখানে এমন তিনটি বিষয়ের কথা বলতে পারি যেটা মিথ্যা হওয়ার ব্যাপারে কোন সন্দেহ নাই অথচ এই তিনটি ঘটনাকে যদি সত্য হিসাবে দেখা হয় তাহলে ঐদিনের ঘটনার বিশ্লেষণ কিন্তু ভিন্ন রকম হতে পারে.......

১. Daily Star ছবি ছাপিয়েছিল উপরের নিচের ব্যাকগ্রাউন্ড কেটে দিয়ে উল্টা করে, তারা দেখিয়েছে জামাতের মিছিল থেকে গুলি করা হয়েছে আর সেটা দিয়ে হাজার হাজার পোস্টার ছাপানো হয়েছে।
২. জামাতের অবস্থান থেকে কেউ একজন বলেছিল ..'বৃষ্টির মত ইট ছুড়ো, বাঁচলে গাজী মরলে শহীদ'। প্রচার করা হল 'বৃষ্টির মত গুলি ছুড়ো, বাঁচলে গাজী মরলে শহীদ'। সেটাও পোস্টারে দেশ ছেয়ে গেল।

৩. নিহত হাবিবুর রহমানের পিতা পরিচয় দিয়ে ঢাকা মেডিকেলে এক আওয়ামী কর্মীর লাশ ছিনতাইয়ের চেষ্টা। ধরা না পড়লে এটাও কাহিনীর সাথে যোগ করা হত।

মাত্র তিনটির উদাহরণ দিলাম। তবে আশার কথা প্রচেষ্টা সফল হয়নি।
২৩. ০৫ ই মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:২৯
সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: এই পোস্টটা আগে পড়ি নি। খুব ভালো লাগল। আমি এই নিয়ে কিচ্ছু বলতে পারি নি। মুক হয়ে গিয়েছিলাম। দুইটা ব্যবসার পথ কি করে বন্ধ হবে আমার জানা নেই। এক পাও তো নড়ার পথ নেই, কারণ যারা ব্যবসা করে তারাই আঙ্গুল তুলে অন্যকে দোষারাপ করতে পারে ব্যবসায়ী হিসেবে। মঞ্চের পিছনে সূতা নেড়ে কত কিছুই না করতে পারে!
২৪. ১০ ই মে, ২০০৭ সকাল ১১:৫৪
মানচুমাহারা বলেছেন: যারা চলে গেছেন তাদের জন্য কষ্ট লাগে কিন্তু কেন তারা ঐখানে যায়,কেনো তাদের ভাবে মেরে ফেলা হয়,যারা মারে তারা কেন মারে কিংবা এই মারামারিটা কেন হয় ?

আমার কিছু বন্ধু আছে যারা ভিন্ন ভিন্ন রাজনৈতিক সংঘটনের ছাত্র সদস্য।আমি রাজনীতি কিংবা তাদের ঐ সব কার্যকলাপে তাদের ঘৃনা করি।বন্ধু হিসাবে মানে রাজনীতির বাইরে তাদেরকে ভালোবাসি।রাজনীতির ময়দানে যদি কেউ তাদের মেরে ফেলে আমি একটুও কাঁদবো না বা দুঃখ পাব না।দেশের কাজ করার অনেক সুন্দর পথ আছে যা তারা দেখে না এবং দিন দিনে অন্ধবিশ্বাসে তারা জড়িয়ে যাচ্ছে।
২৫. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৩:০০
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: @মাহমুদ ভাই, অনেক বাহবা কুড়াইলেন, আফিসে বইসা মারলাম দুইটা তালি।

এখন আমি আমার কথা বলি। আমরা কোনো মৃত্যুকেই সমর্থন করি না। কথা ঠিক! যখন ওহুদ, বদর আরও যেসব যুদ্ধ লেগেছিলো তখন অনেক সাহাবী শহিদ হয়েছেন। আবার অনেক কাফের, মুনাফিক মারা গেছে। কিন্তু আমরা কাদের জন্য কাদি?
আমাদের দেশে অনেকে রাজনীতি করেন, এই ব্লগে অনেকে আছেন তাদের জন্য জান দিতে রাজী আছি। আজকে এই যে বন্যা, বাধগুলোর এত করূন দশা, এত দুর্নীতি, এসব কাদের জন্য বলেনতো একটু? এই যে আমাদের দেশে একদিকে নীরব দুর্ভিক্ষ, মঙ্গা চলে, আরেক জায়গায় বলা হয় দেশের উন্নয়নের ডায়রিয়া লেগেছে। এখন বাসা বাড়ী খুজলে দেখা যায় ইহুদি নাছারাদের এত সাহায্য, ত্রান তাদের বাসায় না হলে তাদের গোডাউনে পাওয়া যায়। দেশে এত বড় জঙ্গীদের উথান তার পিছনেও এরা জড়িত। ৭১', ৯০', ৯৬',০১' এর দালালেরা যখন আমাদের মাথায় কাঠাল ভাইঙ্গা খায়, তখন আর এদেরকে মানুষ বলতে পারি না।
আর ২৮শে অক্টোবরে যেটা হয়েছে ওটা নিজের শক্তি দেখানোর অসুস্হ প্রতিযোগিতা আর কাদের জন্য? কিছু নরপশু, অর্থলোভী শয়তানের জন্য?

এখন বলেন আমি দোয়া করবো কাদের জন্য-মোনাফেক, না সত্যিকারের মানুষ যারা এদেশকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতে এবং তার বাস্তবায়ন করতে মারা গেছে। সব মৃত্যুই এক না! উত্তর পাবো বলে আশা করি।
২৭. ১০ ই আগস্ট, ২০০৭ দুপুর ১২:৪৩
মাহমুদ রহমান বলেছেন: আপনি দোয়া করবেন তাদের জন্য-যারা সত্যিকারের মানুষ, এদেশকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতে এবং তার বাস্তবায়ন করতে গিয়ে মারা গেছেন।@ উদাসী
২৮. ১০ ই আগস্ট, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৩৫
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: তা হইলে বলতে পারি ,২৮শে আগস্টে যারা মারা গেছে তারা একই গোয়ালের আ_ল হবার কারনে দোয়া করতে পারি তাদের সকল পাপ যেন কনসিডার করা হয়, আর তাদের মাথা যে শয়তান গুলান নষ্ট করছে তাগো যেনো কঠিন আযাব দেয়!
২৯. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ ভোর ৫:৩৯
সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: উদাসী,
কুরআনের একটা আয়াত খুঁজে পেতে পড়তে পারেন, পূর্ব পুরুষের পাপের জন্য কাউকে আল্লাহ শাস্তি দিবেন না, পূর্ব পুরুষের পাপের জন্য কেউ দায়ী নয়। প্রতিটি মানুষ নিজের কাজের জন্য আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করবে, আর সেই ভাবেই মানুষকে দেখতে বলা হয়েছে। আপনি উহুদ আর বদরের কাফির মুনাফিকদের কথা বলেন? তাহলে একটা হাদীস পড়ে নিয়েন, যেখানে একটা মেয়েকে হদের শাস্তি দিয়ে মারার পরে রাসুল (সা) নিজে কাঁদছিলেন, জানাযা নিজে পড়ালেন, এবং নিজ হাতেই কবর দিলেন... সেটা কেন করলেন? কারণ তার পাপের যতটুকু শাস্তি সেটা হয়ে গিয়েছে। শেষ পর্যন্ত তিনি এমনও বলেছেন, মেয়েটা এতটুকু শুদ্ধ হয়ে গিয়েছে, যে সাহাবীদের মধ্যে কেউই অতটা শুদ্ধ না। ইসলামের কথা টানেন তো? ইসলামেই অসংখ্য বার বলা দেখবেন, যার যতটুকু পাপ, তাকে সেই পাপের চেয়ে বেশি শাস্তি দেয়া যাবে না। একজনের পাপের শাস্তি আরেকজন ভোগ করতে পারবে না।

আপনি নিশ্চিত এই ছেলেটা খুন, ধর্ষন, অন্যায়, জঙ্গীবাদী এগুলো সমর্থন করতো? যেই মানুষগুলো পিটিয়ে মেরেছে, তাদের কাছে কোন প্রমান ছিল? বাই দ্যা ওয়ে, কুরআনে কঠোর ভাবে আরেকটা অন্যায়ের বিরুদ্ধে ওয়ার্নিং দেয়া আছে, চোখের বদলে চোখ, কানের বদলে কান, নাকের বদলে নাক। এর একটুও বেশি না। কম হলে হতে পারে। যেই ছেলেটাকে এভাবে পিটিয়ে মারা হলো, সে কবে কাকে কোথায় পিটিয়ে মেরেছে?

উদাসী, বিবেকের চোখ খুলুন। যেই অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে আরেকটা অন্যায়ের রাস্তা খুলে দিচ্ছেন, আপনি, আপনার মত মানসিকতার মানুষগুলো শুধু শুধু সেই অন্যায়ের, সেই পাপগুলোর ওজন কমিয়ে দিচ্ছেন। কোন সুস্থ মানুষ যেমন গণহত্যা, এথনিক ক্লিনজিং, ধর্ষণ এগুলো সমর্থন করতে পারবে না, কোন সুস্থ, সভ্য মানুষ, কোন মুসলিম এইভাবে নিরপরাধদের রাস্তায় পিটিয়ে মারা সমর্থন করতে পারবে না। অপরাধী শত্রুকেও বিনা বিচারে রাস্তায় পিটিয়ে মারা সমর্থন করতে পারবে না। যদি করেন, তাহলে তো ধর্ষণের বিচার চেয়ে নিজেই ধর্ষক হয়ে গেলেন। হিটলারের ক্ষোভের পিছনে কারণ কিন্তু ছিল, ও ইহুদীদের বড়ত্ব বোধ করতো, দেখতো ওদের অর্থনৈতিক প্রভাব। ভিতর থেকে সব কিছু নিয়ন্ত্রন করা। ইহুদীদের রাহুমুক্ত হতে গিয়ে সে নিজেই দৈত্য আর অমানুষ হয়ে গিয়েছিল। দয়া করে সে রকম হবেন না।
৩০. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:৫৮
শাহরীয়ার বলেছেন: সেই দিন যারা মারা গেছে তাদের রক্ত বৃথা যাই নি। তাদের পাজরের খুন খুলে দিয়েছে আরও হাজারো জনতার চোখ। জীঘাংসা আর বিদ্বেশের রাজনীতি একটু হলেও থমকে দাড়িয়েছে। আল্লাহ তায়ালা এই জন্যই বলেছেন "যারা আল্লাহর রাহে শহীদ হয়েছে তাদের কে তোমরা মৃত বলোনা, তারা জীবিত বরং তোমরা তা বুজতে পার না"।
৩১. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:২৪
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: হায় হায়, আমিতো এই পোস্টের কথা ভুইলাই গেছিলাম। বাত্তি আমারে কাউন্টার মাইরা গেলো আমি টেরই পাইলাম না।

আইচ্ছা, বাত্তি, আমার বিবেক মইরা গেছে যেইদিন গো.আযমরে কোটের থিকা ফাস ক্লাস নাগরিকত্ব দিলো আর জাহানারা ইমাম তার বিচার পাইলো না!

"আপনি নিশ্চিত এই ছেলেটা খুন, ধর্ষন, অন্যায়, জঙ্গীবাদী এগুলো সমর্থন করতো?"
আমার নিশ্চিত হওনের দরকার নাই, কারন ওরা শিবির করে এইটাই আমার কাছে যথেস্ট, আর কোথায় কোথায় কি আছে সেইটা আমি অত ভালো জানি না, তয় এটা জানি না, যুদ্ধ ক্ষেত্রে ইহুদি মারলে যেমন সোয়াব পাওয়া যায়, আবার ইসলামে প্রতিশোধ নেওনও জায়েজ আছে। শয়তানের সাথে যারা থাকে তারাও শয়তান, এরকম কিছু হয়তো ইসলামে অন্য ভাবে যেটা ইহুদি নাসারাদের ক্ষেত্রে বলা আছে।

আর জামাত-শিবির মারার জন্য আমার কাছে কোনো আইন কানুন লাগে না। তবে হ্যা স্বীকার করি কিছু ছেলে পেলে মারা গেছে(যার মধ্যে আমার এলাকার একটা ভদ্র ছেলেও ছিলো), তাদের জন্য আমার বড় দুঃখ হয় কেন তারা এইসব শয়তান শেয়ালের মতো দুর্নীতি বাজ নেতাদের জন্য তারা মরতে গেলো! তারা কি এখনও চেনে নাই। বিএণপির সমর্থক কি এখনো সাকা চৌ এর মতো লোককে সাপোর্ট করে? আওয়ামী লীগ তো পুরাটাই শয়তান! আর জামাত-শিবির এদেরকে আমি মানুষ বলি না!

জন গনের যে তারা কি পরিমান ক্ষতি করেছে তা মন্গা পীড়িত এলাকায় গেলে বোঝা যায়, বন্যা বিধ্বস্ত এলাকায় গেলে বোঝা যায়, যাদের জন্য বরাদ্ড কৃত টিন এদের কারখানা, পুকুরের নিচে শোভা পায়।

আর বাত্তি মনে হয় চোখে কম দেখো, আমি আগের কমেন্টে বলেছি আমি এদের জন্য এতটুকু দোয়া করবো আল্লাহ এদের গোনাহ খাতা মাফ করে দাও!

ভেজে মে কুছ গেয়া?
৩২. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৪৩
ওয়ামি বলেছেন: পোস্ট টা বোধহয় "বিদ্বেষ" নিয়া এবং বিদ্বেষপোষণকারীদের মানসিকতা নিয়া। বদর, ওহুদ, ত্রানের টিন, গমের বস্তা নিয়া এই পোস্টে আলোচনা করার উদ্দেশ্য পাঠকের মনোযোগ ছিনতাই করা।
৩৩. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:০২
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: কেননা
কান টানলে আসে মাথা
সুতা টানলে খ্যাতা!
৩৪. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৪৪
ওয়ামি বলেছেন: সুতা টানলে খ্যাতা == ত্যানা প
৩৫. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৭:৪৫
শামসুজ্জামান সিদ্দিকী শাহীন বলেছেন: ভাবতে পারিনা, মানুষ এমন হতে পারে কিভাবে?
৩৯. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৫:২৫
ফজলে এলাহি বলেছেন: ঘুরে ফিরে আজো এলো সেই দিন
শুধু তারা নেই যারা ছিল সেই দিন।

আল্লাহ্ সেদিনের শহীদদের শাহাদাত কবূল করুন। আমীন।
৪০. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৮:২০
নূরে আলম বলেছেন: আমি একটা নিউজ জানি। যেই ছেলেটা(মুজাহিদ) মারা গেল, তার বাবা ছিল আওয়ামীলীগার। একদম অপ্রাসঙ্গিকভাবে একটা তথ্য জানালাম।
৪১. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪৮
বাঙাল যুবক বলেছেন: সেদিন সারা বিশ্ব হতভম্বের মত দেখেছিল ঐদিনের ঘটনা। কানাডা থেকে আমার এক আত্মীয় ফোন করে বললেন বাংলাদেশী হিসেবে আমরা পরিচয় দিতে পারছি না। সবাই বলছে তোমরাই লগি-বৈঠা দিয়ে পিটিয়ে মানুষ মার!
৪২. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৫
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: শামসুজ্জামান সিদ্দিকী শাহীন বলেছেন: ভাবতে পারিনা, মানুষ এমন হতে পারে কিভাবে?

একমত।
৪৩. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৯
হলদে ডানা বলেছেন: শহীদ মুজাহিদের সাথেই ছিলাম সেদিন। আমরা পল্টন মসজিদ গলিতে ২৫ জন সর্বোচ্চ। ওরা সহস্র।

বাতিলের আক্রমণ যুগে যুগে ছিল। মুমিনদের ঈমানও মরে যায়নি।
৪৫. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪৬
সাজজ্াদ রানা বলেছেন: এমন বর্বর হত্যাকান্ডের পক্ষে ও সাফাই গায় কিছু লোক, বিচিত্র এই দেশ

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৮৬১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ